Voice Of Charmonai

Voice Of Charmonai পীর সাহেব চরমোনাইর সব মিশন শেয়ার করা প্রচার ও প্রসার করাই একমাত্র লক্ষ
(1)

25/05/2026

অসুস্থ মুজাহিদকে দেখতে গেলেন আমীরুল মুজাহিদীন, হযরত পীর সাহেব হুজুর চরমোনাই হাফিজাহুল্লাহ!

25/05/2026

এটাই আমাদের ইসলাম ❤️🥰🕋

24/05/2026

৬২০ খ্রিস্টাব্দ : ইয়া খাদিজা, আমাকে কে বিশ্বাস করবে?
খাদিজা (রাঃ) : আমি বিশ্বাস করব, আরবরা বিশ্বাস করবে। এই পুরো জাহান একদিন বিশ্বাস করবে।

এক শীতের রাতে আমীরুল মুমিনীন হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) মদীনার উপকণ্ঠে টহল দিচ্ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন হযরত আসলাম (রা....
17/05/2026

এক শীতের রাতে আমীরুল মুমিনীন হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) মদীনার উপকণ্ঠে টহল দিচ্ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন হযরত আসলাম (রা.)।

হঠাৎ দূরে আগুনের আলো দেখে হযরত ওমর (রা.) বললেন,
“আসলাম! মনে হচ্ছে কোনো মুসাফির বা অসহায় পরিবার শীতের রাতে আটকে পড়েছে। চলো, দেখে আসি।”

হযরত আসলাম (রা.) বর্ণনা করেন,

আমরা কাছে গিয়ে দেখলাম, এক নারী চুলার পাশে বসে আছেন। তাঁর ছোট ছোট শিশুরা ক্ষুধায় কাঁদছে।

হযরত ওমর (রা.) সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
“আপনাদের কী হয়েছে?”

নারীটি বললেন,
“শীত আর রাত আমাদের এখানে আটকে দিয়েছে।”

তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন,
“শিশুরা কাঁদছে কেন?”

নারীটি ভারাক্রান্ত কণ্ঠে বললেন,
“ক্ষুধায়।”

হযরত ওমর (রা.) ডেকচির দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
“এর ভেতরে কী রান্না হচ্ছে?”

নারীটি বললেন,
“এখানে শুধু পানি আর কিছু পাথর আছে। আমি শুধু বাচ্চাদের সান্ত্বনা দিচ্ছি, যেন তারা ভাবে খাবার রান্না হচ্ছে, আর অপেক্ষা করতে করতে যেন ঘুমিয়ে পড়ে। আমাদের আর ওমরের মধ্যে আল্লাহ বিচার করবেন!”

এ কথা শুনে হযরত ওমর (রা.) কেঁপে উঠলেন।

তিনি বললেন,
“আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন! ওমর তোমাদের এই অবস্থা জানবে কীভাবে?”

নারীটি কিছুটা ক্ষোভ নিয়ে বললেন,
“তিনি যদি আমাদের শাসক হন, তাহলে আমাদের খবর রাখবেন না কেন?”

এই কথা শুনে হযরত ওমর (রা.) আর এক মুহূর্ত দেরি করলেন না। দ্রুত বায়তুল মালের দিকে গেলেন। সেখান থেকে একটি আটার বস্তা ও একটি ঘি-এর পাত্র নিয়ে এলেন।

তিনি হযরত আসলাম (রা.)-কে বললেন,
“এটা আমার কাঁধে তুলে দাও।”

হযরত আসলাম (রা.) বললেন,
“আমীরুল মুমিনীন! আমি বহন করছি।”

হযরত ওমর (রা.) বললেন,
“আসলাম! কিয়ামতের দিন তুমি কি আমার গুনাহের বোঝা বহন করবে? তাহলে এই বোঝাও তুমি বহন করতে পারবে না। এটা আমার কাঁধেই দাও।”

এরপর তিনি নিজেই কাঁধে আটা বহন করে সেই তাঁবুতে ফিরে এলেন।

তিনি নিজ হাতে চুলা জ্বালালেন। আগুনে ফুঁ দিতে দিতে তাঁর ঘন দাড়ির ফাঁক দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছিল। তিনি নিজ হাতে আটা মেখে খাবার তৈরি করলেন এবং শিশুদের পেট ভরে খাওয়ালেন।

শিশুরা ধীরে ধীরে কান্না থামিয়ে হাসতে শুরু করল।

এ দৃশ্য দেখে সেই নারী আবেগে বললেন,
“আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন! আপনিই তো খলিফা হওয়ার বেশি যোগ্য!”

নারীটি তখনো বুঝতে পারেননি, এ ব্যক্তিই আসলে খলিফা ওমর (রা.)।

হযরত ওমর (রা.) মুচকি হেসে বললেন,
“ইনশাআল্লাহ, আপনি যখন আমীরুল মুমিনীনের কাছে যাবেন, আমাকে সেখানেই পাবেন।”

এরপরও হযরত ওমর (রা.) সঙ্গে সঙ্গে ফিরে গেলেন না। তিনি একটু দূরে গিয়ে মাটিতে বসে শিশুদের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

হযরত আসলাম (রা.) বললেন,
“আমীরুল মুমিনীন! চলুন, এখন ফিরে যাই।”

কিন্তু তিনি নীরব থাকলেন।

কিছুক্ষণ পর যখন তিনি দেখলেন, যে শিশুরা ক্ষুধায় কাঁদছিল, তারা এখন তৃপ্ত মনে খেলছে, হাসছে, তারপর শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়েছে, তখন তাঁর মুখে প্রশান্তির হাসি ফুটে উঠল।

ওমর (রা.) বললেন,
“হে আসলাম! ক্ষুধাই তাদের কাঁদাচ্ছিল। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যতক্ষণ না আমি তাদের হাসতে দেখি এবং শান্তিতে ঘুমাতে দেখি, ততক্ষণ এখান থেকে যাব না।”

একজন প্রকৃত নেতার সবচেয়ে বড় গুণ হলো জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ। হযরত ওমর (রা.) ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও সাধারণ মানুষের কষ্টের জন্য নিজেকে আল্লাহর দরবারে অপরাধী মনে করেছেন।

নিজের পরিচয় গোপন রেখে, কোনো সস্তা প্রচারণার আশা না করে, খলিফা নিজ কাঁধে আটার বস্তা বহন করেছেন এবং নিজ হাতে রান্না করে ক্ষুধার্ত শিশুদের খাইয়েছেন।

সাধারণ এক নারীর তীব্র সমালোচনা শুনে তিনি ক্ষুব্ধ হননি, বরং নিজের ভুল বুঝতে পেরে তৎক্ষণাৎ তা সংশোধনের ব্যবস্থা করেছেন।

রদ্বিয়াল্লাহু তাআলা আনহু

সূত্র: তারিখ আত তাবারি

17/05/2026

জামায়াতের চরিত্র যে ভালো হয় নাই, তখন আমরা বুঝতে পারি নাই: পীর সাহেব চরমোনাই হাফি:

৭২৩ সাল। খোরাসানের এক প্রত্যন্ত অঞ্চল। একটি ছেলে বড় হচ্ছে — কিন্তু কোনো মসজিদে নয়, কোনো মক্তবে নয়। সে বড় হচ্ছে মরুভূ...
16/05/2026

৭২৩ সাল।
খোরাসানের এক প্রত্যন্ত অঞ্চল। একটি ছেলে বড় হচ্ছে — কিন্তু কোনো মসজিদে নয়, কোনো মক্তবে নয়। সে বড় হচ্ছে মরুভূমির পথে, রাতের আঁধারে, ছুরি হাতে। তার নাম ফুযাইল ইবনে ইয়ায। এবং সে ছিল একজন ডাকাত। ইমাম যাহাবী লিখেছেন — এই মানুষটিই পরে হবেন মক্কার সবচেয়ে বড় আবেদ, যাঁকে দেখে খলিফারা কাঁদতেন।

ফুযাইলের ডাকাতি ছিল অদ্ভুত ধরনের। তিনি একা কাজ করতেন না — একটি দলের নেতা ছিলেন। খোরাসানের বড় বাণিজ্যপথে যে কাফেলাগুলো যেত, তাদের আটকাতেন। কিন্তু তাঁর সম্পর্কে এলাকায় একটি কথা প্রচলিত ছিল — ফুযাইল কখনো মহিলাদের কষ্ট দেয় না, দুর্বলদের মারে না, এবং যাকে একবার ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে তাকে ছেড়ে দেয়। ডাকাত হয়েও তাঁর মধ্যে একটি অদ্ভুত নীতিবোধ ছিল — যা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করত। কিন্তু সে নীতিবোধ তাঁকে সঠিক পথে আনতে পারছিল না।

বাঁকবদলের রাতটির কথা ইমাম যাহাবী বিস্তারিত লিখেছেন। একরাতে ফুযাইল এক মহিলার প্রেমে পড়েছিলেন। তাঁর সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলেন রাতের আঁধারে, এক বাড়ির দেয়াল বেয়ে উঠছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে নিচের রাস্তায় একটি কাফেলা যাচ্ছিল। কাফেলার কেউ একজন কুরআন তিলাওয়াত করছিল — সুর করে, ধীরে ধীরে। সেই আয়াত ছিল সূরা হাদীদের — “আলাম ইয়ানি লিল্লাযিনা আমানু আন তাখশাআ কুলুবুহুম লিযিকরিল্লাহ।” অর্থ — “যারা ঈমান এনেছে, তাদের কি এখনো সময় হয়নি যে তাদের হৃদয় আল্লাহর স্মরণে বিগলিত হবে?” ফুযাইল দেয়ালের উপরে থেমে গেলেন। আয়াতটি তাঁর বুকে এসে লাগল। তিনি মনে মনে বললেন — “হে আল্লাহ, সময় হয়েছে। এখনই সময় হয়েছে।” সেই রাতে তিনি দেয়াল থেকে নেমে এলেন। আর কোনোদিন সেই পথে গেলেন না।
তওবার পর ফুযাইলের জীবন সম্পূর্ণ বদলে গেল। কিন্তু তওবা করা যত সহজ, পুরনো জীবনের দাগ মোছা তত সহজ নয়। এলাকার মানুষ তাঁকে চিনত ডাকাত হিসেবে। তিনি যখন মসজিদে যেতেন, মানুষ সরে যেত। যখন ইলমের মজলিসে বসতেন, কেউ কেউ বলত — “এই লোক কি আলেম হবে? এ তো ডাকাত ছিল।” ফুযাইল এই কথাগুলো শুনতেন। মাথা নত করতেন। বলতেন — “তারা ঠিকই বলছে। আমি ডাকাত ছিলাম। আল্লাহ আমাকে মাফ করেছেন — কিন্তু মানুষের কথা সহ্য করা আমার শাস্তি।”

এই বিনয় তাঁকে বদলে দিল। যত দিন গেল, তত তিনি ইবাদতে ডুবে গেলেন। রাতের পর রাত জেগে নামাজ পড়তেন। কাঁদতেন — এত কাঁদতেন যে তাঁর বালিশ ভিজে যেত। একবার এক ছাত্র জিজ্ঞেস করলেন — “হে শায়খ, আপনি এত কাঁদেন কেন? আল্লাহ তো আপনাকে মাফ করেছেন।” ফুযাইল বললেন — “আমি কাঁদি কারণ আমি জানি না — আল্লাহ আমার তওবা কবুল করেছেন কিনা। তওবা করেছি — এটুকু জানি। কবুল হয়েছে কিনা — সেটা কিয়ামতের দিন জানব।”

একসময় ফুযাইল মক্কায় চলে গেলেন। সেখানেই থাকতেন — কাবার ছায়ায়, মসজিদুল হারামের পাশে। তাঁর জীবন ছিল অত্যন্ত সাদামাটা। খাবার বলতে যা পেতেন, পোশাক বলতে যা ছিল। কিন্তু ইবাদতের গভীরতা ছিল এমন — যারা দেখতেন তারা অবাক হয়ে যেতেন। মানুষ দূর দূর থেকে আসতেন শুধু তাঁকে দেখতে। কারণ তাঁকে দেখলে মনে হতো — আখিরাতের কথা মনে পড়ছে।
একবার আব্বাসী খলিফা হারুনুর রশিদ মক্কায় এলেন। তাঁর উজির ফুযাইলের কথা বললেন — “এখানে একজন আলেম আছেন, যাঁর কাছে গেলে মন নরম হয়।” হারুনুর রশিদ যেতে চাইলেন। রাতের বেলা সামান্য কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে ফুযাইলের দরজায় গেলেন। ভেতরে ফুযাইল তখন তিলাওয়াত করছিলেন। দরজায় টোকা পড়ল। ফুযাইল দরজা খুললেন। দেখলেন — একদল মানুষ। চিনলেন না। বললেন — “কে?” একজন বলল — “আমিরুল মুমিনীন।” ফুযাইল এক মুহূর্ত চুপ থাকলেন। তারপর বললেন — “আমিরুল মুমিনীনের এই রাতে এখানে কী কাজ?” হারুনুর রশিদ বললেন — “আপনার কাছ থেকে কিছু শুনতে এসেছি। নসিহত করুন।” ফুযাইল তাঁকে ভেতরে নিলেন। বসালেন। তারপর কথা বলতে শুরু করলেন।

সেই রাতে ফুযাইল যা বললেন — তা ইমাম যাহাবী পুরোপুরি উদ্ধৃত করেছেন। তিনি বললেন — “হে আমিরুল মুমিনীন, আপনার পূর্বপুরুষ আব্বাস ছিলেন রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর চাচা। তাঁর বংশে আপনি এসেছেন। আল্লাহ আপনাকে এই উম্মাহর দায়িত্ব দিয়েছেন। কিন্তু আপনি কি জানেন — কিয়ামতের দিন পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত যত মানুষ আছে, সবার হিসাব আপনার কাঁধে? প্রতিটি মজলুমের কান্না, প্রতিটি ক্ষুধার্ত মানুষের আহাজারি — সব আপনার বিরুদ্ধে সাক্ষী হবে। আপনি কি এই ভার বহন করতে পারবেন?” হারুনুর রশিদ কাঁদছিলেন। ফুযাইল থামলেন না। আরো বললেন — “আমি ভয় পাই আপনার জন্য। আপনার কাছে ক্ষমতা আছে, অর্থ আছে, সৈন্য আছে — কিন্তু এর সবকিছু একদিন চলে যাবে। থাকবে শুধু আপনার আমল।” হারুনুর রশিদ এত কাঁদলেন যে তাঁর দাড়ি ভিজে গেল। ফিরে যাওয়ার সময় তিনি ফুযাইলকে কিছু অর্থ দিতে চাইলেন। ফুযাইল নিলেন না। বললেন — “আমিরুল মুমিনীন, আপনি আমার কাছে নসিহত নিতে এসেছেন — পারিশ্রমিক নিতে নয়। এই অর্থ রাখুন। মজলুমের হক আদায় করুন।”

ফুযাইলের একটি ছেলে ছিল — আলী। অসাধারণ মেধাবী, অসাধারণ আবেদ। বাবার মতোই রাত জেগে ইবাদত করত। মানুষ বলত — “বাবা-ছেলে দুজনেই একরকম — দুনিয়া তাদের কাছে কিছু না।” কিন্তু একদিন সেই ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়ল। ফুযাইল সারারাত পাশে বসে রইলেন। ভোরের দিকে ছেলে চোখ মেলল। বাবার দিকে তাকিয়ে হাসল। তারপর চোখ বন্ধ করল — চিরতরে। ফুযাইল উঠলেন। আল্লাহর প্রশংসা করলেন। তারপর বললেন — “হে আল্লাহ, তুমি দিয়েছিলে, তুমি নিয়েছ। তোমার সিদ্ধান্তে আমি রাজি।” পাশে থাকা মানুষেরা কাঁদছিল। ফুযাইলের চোখে পানি ছিল — কিন্তু মুখে ছিল শুকরিয়া।

জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি মক্কায় রইলেন। ৮০৩ সাল। মক্কার সেই ছোট্ট ঘরে ফুযাইল ইবনে ইয়ায রাহিমাহুল্লাহ ইন্তেকাল করলেন। বয়স হয়েছিল আশির কাছাকাছি। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই মক্কার মানুষ ছুটে এলেন। সবার মুখে একটাই কথা — “একটা যুগ শেষ হয়ে গেল।”
ইমাম যাহাবী সিয়ারু আলামিন নুবালায় লিখেছেন — “ফুযাইল ইবনে ইয়ায ছিলেন তাঁর যুগের সবচেয়ে বড় আবেদ। একসময় ডাকাত ছিলেন — কিন্তু আল্লাহ তাঁকে এমনভাবে বদলে দিয়েছিলেন যে তাঁর আগের জীবনের কথা মনেই হতো না। তাঁকে দেখলে মনে হতো — এই মানুষ দুনিয়ায় আছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর হৃদয় সবসময় আল্লাহর কাছে।”

একটি ডাকাত থেকে উম্মাহর ইমাম — এই পথ সহজ ছিল না। মানুষের কটূক্তি সহ্য করেছেন, নিজের অতীত নিয়ে প্রতিদিন লজ্জা পেয়েছেন, কখনো নিশ্চিত হতে পারেননি তাঁর তওবা কবুল হয়েছে কিনা। কিন্তু থামেননি। কারণ তিনি জানতেন — আল্লাহর রহমত মানুষের পাপের চেয়ে বড়। যে সত্যিকারের ফিরে আসে — আল্লাহ তাকে ফেরান না। এটাই ছিল ফুযাইলের জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা। এবং এই শিক্ষা আজও সত্য।

সূত্র: সিয়ারু আলামিন নুবালা — ইমাম শামসুদ্দিন যাহাবী রাহিমাহুল্লাহ
(খণ্ড ৮, পৃষ্ঠা ৪২১-৪৪২ — ফুযাইল ইবনে ইয়াযের জীবনী অধ্যায়)

16/05/2026

ফেনী মিজান ময়দানে শায়খে চরমোনাইর বয়ানের আগেই বৃষ্টিতে জাকেরীনদের জিকির... ❤️

14/05/2026

"জামায়াত জোট থেকে বাহির হয়ে ইসলাম এবং আলেম ওলামাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে মুফতি রেজাউল করিম। এই জন্য আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি। পীর সাহেব চরমোনাই এবং শায়েখে চরমোনাই কে আমি মোবারকবাদ জানাই " - আমীরে হেফাজত আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী হাফি:।

13/05/2026

শায়খ ও মুর্শিদ.... ❤️

10/05/2026

ভারতকে নিয়ে শায়েখে চরমোনাই সবসময় দেশবাসীকে শতর্ক করেছেন ও প্রতিবাদী বক্তব্য দিয়েছেন।
কিন্তু আফসোস আমাদের দেশের কামলা সেটা নিয়ে কখনোই ভাবেনা।

07/05/2026

১৩ বছর আগে শায়খে চরমোনাইর ঐতিহাসিক ভাষন, সরাসরি ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে....😍

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice Of Charmonai posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share