Signs Of Qiyamah To Gog & Magog

Signs Of Qiyamah To Gog & Magog Allah (500 times) & Muhammad S.A.W (300 times) in
Signs Of Qiyamah To Gog & Magog.

02/07/2021
    A.S    Bin Abdul Karim.3000 Black Fighter Jets are
29/06/2021

A.S
Bin Abdul Karim.
3000 Black Fighter Jets are

(গাজা ফিলিস্তিন সম্পর্কে মুসলিমদের জন্য আল্লাহর বার্তা)   মোহাম্মদ কাসীম বলেন, ১৯ মে ২০২১ তারিখের এই স্বপ্নে আমি আল্লাহর...
03/06/2021

(গাজা ফিলিস্তিন সম্পর্কে মুসলিমদের জন্য আল্লাহর বার্তা)





মোহাম্মদ কাসীম বলেন, ১৯ মে ২০২১ তারিখের এই স্বপ্নে আমি আল্লাহর কণ্ঠ শুনি। আল্লাহ তা'আলা নিশ্চিত করেছেন। "কাসীম! আমার এই বার্তাটি মুসলমানদের কাছে নিয়ে যাও।"

মহিমান্বিত পালনকর্তা আল্লাহ্ তায়ালা, তিনি রেগে কথা বলতে শুরু করেন, ‌এবং আমি ভয় পাই:-

"হে মুসলমানরা, তোমাদের সম্মান কোথায়? তোমাদের জনসংখ্যা ১৫০ কোটি থেকেও বেশি, তবে এটিকে ধ্বংস করা তো দূরের কথা (তিনি ইসরায়েলের কথা উল্লেখ করেন)।

হে মুসলমানরা "এমনকি তোমরা ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি করতে রাজিও করাতে পারনি।" স্বপ্ন‌ শেষ হয়।

Visit Official Channel:- Qasim

29/02/2020
https://dreamsofqasim.com/description-of-prophet-muhammad-s-a-w/
01/01/2020

https://dreamsofqasim.com/description-of-prophet-muhammad-s-a-w/

Bismillah A-Rahman A-Rahim. As’Salamu Alaikum. Muhammad Qasim has met the Real Prophet of Allah ﷺ over 300 times. I cannot tell you how the face of Muhammad ﷺ looks like. Because when I get closer to him, my head lowers out of respect. And so does my gaze like we do in prayer. Another reason i...

আস্‘সালামু আলাইকুম। মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, তার স্বপ্নের প্রথম চিহ্ন হলো যে, শত্রুরা পাকিস্তানকে “তোরা বোরা” ক্ষতিগ্রস্ত এ...
14/12/2019

আস্‘সালামু আলাইকুম। মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, তার স্বপ্নের প্রথম চিহ্ন হলো যে, শত্রুরা পাকিস্তানকে “তোরা বোরা” ক্ষতিগ্রস্ত এবং বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করবে, কিন্তু আল্লাহ্ পাকিস্তানকে রক্ষা করবেন এবং পাকিস্তান ইসলামী বিশ্বের নেতা হবে। স্বপ্নের মধ্যে তিনি পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করার জন্য একটি ভারতীয় ষড়যন্ত্র দেখেছিলেন। শত্রুরা পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর খাবারে কিছু রাসায়নিক মিশ্রিত করে যার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে পক্ষাঘাত করার চেষ্টা করা হয়। এই খাদ্যটি জ্বালানী এবং ডলার। কারণ যখন ডলার থাকে না তখন আমরা কোন জ্বালানী কিনতে সক্ষম হব না এবং যদি তা ঘটে তবে দেশের পরিবহন এবং সেনাবাহিনীর গতিবিধি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এখন ২০১৯ সাল চলতেছে, এই বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের জাতীয় ১৪টিরও বেশি দৈনিক পত্রিকাতে মোহাম্মাদ কাসীম এর ছবি সহ সাক্ষাৎকার ছাপা হয়েছে ও কয়েকটি অনলাইন পত্রিকাতেও তার ছবি সহ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে এবং তার স্বপ্নগুলো নিয়ে পাকিস্তানের টিভি চ্যানেলগুলোতে ৪ টি সাক্ষাৎকার দেখানো হয়েছে যার মধ্যে ৩ টি সাক্ষাৎকারে মোহাম্মাদ কাসীম নিজে উপস্থিত ছিলেন, সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন এবং সেখানে মোহাম্মাদ কাসীম আরও ব্যাখ্যা করেছেন যে, নবী ইউসুফ (আঃ) যেভাবে অবিশ্বাসী মিশরীয় রাজা ও তার জনগণকে দুর্ভিক্ষ এবং দুর্যোগ থেকে রক্ষা করেছিলেন তার স্বপ্নের ব্যাখ্যা করে এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি তৈরি করেছিলেন, একইভাবে পাকিস্তানকেও এই ঐশ্বরিক স্বপ্নের আলোকে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে এবং তিনি সেনাবাহিনীর সংখ্যা দুইগুণ বৃদ্ধি করার জন্য সেনাবাহিনীর প্রধানকে একটি বার্তা দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসের মধ্যে ৩ ভাই এর গোপন বৈঠক = [প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু + প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প + প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী] ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি একই রকমের ধ্বংস কাশ্মীরে ছড়িয়ে দিচ্ছি, যেমন ইসরায়েল ফিলিস্তিনে ছড়িয়ে দিচ্ছে আপনাকে খুশি করার জন্য। ভারত পূর্ব সীমান্ত থেকে পাকিস্তানকে আক্রমণ করে এবং আফগানিস্তান পশ্চিম সীমান্ত থেকে আক্রমণ করে। তারপর ভারত লাহোরে একটি বিশাল খারাপ আক্রমণ শুরু করে এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই হামলাটি পরিচালনা করতে সক্ষম হয় না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন যে, এখন পাকিস্তান, ভারত দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ এর মৃত্যু। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং শির্ক। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ব্যর্থতা।

ইমরান খান মাত্র তার ৩০% সময় দেশ চালাবে। পাক-ভারত যুদ্ধের এক পর্যায়ে একটি লাল রঙের পতাকাযুক্ত দেশটি ভারতকে খুব শক্তিশালী সতর্কবাণী দেয় যে, আপনারা সেনাবাহিনীকে থামিয়ে দিন যেখানে তারা আছে। অন্যথায় আমরা আপনাদেরকে ধ্বংস করবো। তারপর এই দেশটি সমর্থন করে এবং পাকিস্তানকে সাহায্য করে। তারা পাকিস্তানি সেনাদের চিকিৎসা করার জন্য তাদের ডাক্তারদেরও পাঠায়। রাষ্ট্রের প্রধান তাদের নৈতিক সমর্থন প্রদর্শন করতে নিজেই পাকিস্তান সফর করেন। লাল পতাকার দেশের রাষ্ট্র প্রধান, যিনি পাকিস্তানকে সাহায্য করেন, তিনি মানুষের মধ্যে বসা এবং তাদের সাথে কথা বলতেছিলেন। আমাকে দেখার পর তিনি আমাকে চিনতে পারেন এবং বলেন, আপনি কাসীম, তাই না? আমি আপনার স্বপ্ন সম্পর্কে শুনেছি এবং যা ভালভাবে সত্য হওয়া শুরু হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মৃত্যু। ইসরায়েল, ফিলিস্তিন এলাকায় একটি বিশাল বাদামী রঙের বিল্ডিং (দাজ্জালের ৩য় মন্দির) নির্মাণ শুরু করে। কিন্তু হঠাৎ বিল্ডিংয়ের ভিত্তির মধ্যে বিশাল বিস্ফোরণ হয় এবং তার প্রভাব এত বেশি যে, সমস্ত বিল্ডিং রাতারাতি পরিবর্তন হয়ে যায়। এবং বিস্ফোরণের কারণে একটি আতঙ্কজনক ধূলার ঝড় শুরু হয়। এবং এটা সর্বত্র ছড়িয়ে পরে। মুসলমান ও তাদের পরিবার এই ধূলার ঝড়ে আক্রান্ত হয় এবং এতে হাজার হাজার মুসলমান পুরুষ, নারী ও শিশু মরতে শুরু করে। ইসরায়েল অন্যান্য কিছু দলের সঙ্গে জোট গঠন করে এবং তাছাড়াও সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করে। আমেরিকা সম্পূর্ণভাবে ইসরায়েলকে সমর্থন করে এবং তাদের বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে। যখন রাশিয়া এই বেপারে জানতে পারল, তখন তারাও এইসব এলাকায় অন্যান্য দলের সাথে জোট গঠন করে। তারপর হঠাৎ করে আমেরিকা প্রকাশ্যে লাফ দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে আশে এবং ইসরায়েল ও অন্যান্য জোটের সাথে সাক্ষাৎ করে। এবং রাশিয়ার দলের সাথে যুদ্ধ শুরু করে। এসব দেখার পর রাশিয়াও লাফ দেয় এবং তার মিত্ররা সমর্থন করে। এবং এইভাবে ৩য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। এবং যুদ্ধের ময়দান হয় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, যার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে খারাপ ধ্বংস শুরু হয় ও এই যুদ্ধ বাড়তে থাকে।

আমেরিকা, রাশিয়া ও তাদের মিত্রদের এই যুদ্ধের কারণে বৃহৎ পরিমাণ মুসলমানরা মরতে শুরু করে। এবং এই যুদ্ধ এত বেশি আতঙ্কজনক ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে যে, কেউ তাদের জন্য কিছুই করেনি। এই যুদ্ধ ধীরে ধীরে মিশর, সুদান, সৌদিআরব, কুয়েত, দুবাই, মধ্যপ্রাচ্য ও আরব দেশগুলোতে ছড়িয়ে পরে। এবং আমেরিকা, রাশিয়া ও ইসরায়েলের মিত্ররা তা আরো বাড়িয়ে চলছে। কিছু মুসলিম দেশ আমেরিকা ও রাশিয়ার সঙ্গে মিত্র হয়ে উঠে। উভয় পরাশক্তিই জমির অধিকাংশ নিতে চেয়েছিল। এবং ইতিমধ্যে যারা এই ক্ষেত্রগুলিতে ছিল তারাও দাড়িয়ে যায় এবং একে অন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। কিন্তু অন্যদিকে পাকিস্তানের অগ্রগতি চলছে এবং এটি শক্তিশালী হতে থাকে। এবং ভারত মিত্র হয় আমেরিকা ও ইসরায়েলের যাতে মধ্যপ্রাচ্যের সাথে বরাবর থাকে। আল্লাহ্‌ আমাকে দেখালেন ইসলামের ৩টা প্রধান দুর্গ আছে। আমি দেখলাম ৩টি দুর্গের ২টিকে ইলুমিনাতি বাহিনী ধ্বংস করে ফেলেছে। তারা দেখল মুসলমানরা প্রতিরোধের সম্মুখীন না।

মুসলমানরা উদ্বিগ্ন ছিল যখন দেখল যে, ১ম দুর্গ তুর্কী ধ্বংস হয়ে গেল কিন্তু তারা বাঁচাতে ব্যার্থ হল। এরপর মুসলমানরা প্রচণ্ডভাবে কেঁপে উঠল, যখন ২য় দুর্গটি সৌদিআরব দুষ্ট বাহিনী দ্বারা ধ্বংস হয়ে গেল, তারা বলল এতে ইসলামের বিধ্বংসী ক্ষতি হল। তারপর তারা ইসলামের ৩য় ও চূড়ান্ত দুর্গ পাকিস্তানের দিকে অগ্রসর হল। আমি আমাকে ইসলামের ৩য় ও চূড়ান্ত দুর্গে দেখতে পাই। আমেরিকা, ইসরায়েল ও অন্যান্য মিত্ররা একসাথে পাকিস্তানের উপর হামলা চালায়। তারা পাকিস্তানকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। পাকিস্তানের শত্রুদের সংখ্যা ছিল মহান। কিন্তু আল্লাহ্‌ পাকিস্তানকে সাহায্য করলেন “ব্ল্যাক জেট ফাইটার / কালো জ্ঙ্গী বিমান” দ্বারা যার সংখ্যা ৩০০০ এর কাছাকাছি ছিল। যেহেতু পাকিস্তান ছিল ইসলামের শেষ দুর্গ, অতএব এটা অপরিহার্য ছিল ইসলাম রক্ষার জন্য ও পাকিস্তান রক্ষার জন্য। ৩য় বিশ্বযুদ্ধে মুসলমানরা প্রথম বিজয় অর্জন করবে গাজওয়া ই হিন্দ যুদ্ধে এবং এই গাযওয়া-ই-হিন্দ যুদ্ধের পূর্বে আল্লাহ্‌ পাকিস্তানের সেনাপ্রধানকে আমার স্বপ্নের কথা জানান। এবং নবী মোহাম্মাদ (সঃ) তাকে আমার স্বপ্ন সম্পর্কে সাক্ষ্য দেন যে, “কাসীম তার স্বপ্ন সম্পর্কে কাউকে মিথ্যা বলছে না এবং তার স্বপ্নগুলো সত্য ও তা আল্লাহ্‌ হতে আসে এবং ঠিক তেমনই হতে যাচ্ছে, যা আল্লাহ্‌ কাসীমকে স্বপ্নের মধ্যে দেখিয়েছেন।”

তারপর পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ও পাকিস্তানী জনগণ আমার স্বপ্নগুলোকে আরো বিশ্বাস করতে থাকে। তারপর পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ও পাকিস্তানী জনগণ সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করে ইসলাম ও পাকিস্তানকে বাঁচানোর জন্য। আমরা হামলা করে কাশ্মীরকে মুক্ত করি ও আমাদের প্রতিরোধ আরো শক্তিশালী হয়। ব্ল্যাক জেট ফাইটারের কারণে ভারত একা পাকিস্তানের উপর হামলা করতে সাহস পাবেনা। এই ব্ল্যাক জেট ফাইটার দেখার পর সারা বিশ্ব থেকে অনেক মুসলমান পাকিস্তানে আসবে এবং ইসলাম পুনঃনির্মাণে তাদের ভূমিকা পালন শুরু করবে। গাজওয়াতুল হিন্দ যুদ্ধের জন্য আমরা প্রস্ততি শুরুকরি। আল্লাহ্‌ আমাদেরকে অদৃশ্য থেকে সাহায্য করবেন। আল্লাহ্‌ আমাদেরকে খুব বুদ্ধিমান করবেন তার করুণা দ্বারা। আমরা আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে বিমান ও জাহাজ তৈরি করব এবং স্বয়ং সম্পূর্ণ হয়ে উঠব। এই যুদ্ধের আগে এক সময় একটি স্বপ্নের মাধ্যমে নবী মোহাম্মাদ (সঃ) আমাকে মদিনায় ডাকলেন। যখন আমি মক্কা ও মদিনায় গেলাম তখন আমি তাদের পরিত্যক্ত ও বন্য দেখেছি এবং আমি মানুষের মধ্যে অস্থিরতা ও অন্ধকার দেখেছি তাই আমি তাদেরকে বললাম যে, কিছু দিনের জন্য ধ্যর্য ধরতে হবে। আল্লাহ্‌ তার সাহায্যে সবকিছু ঠিক করবেন। যখন আমি ফিরে আসি তখন শত্রুরা পাকিস্তানে হামলা করার জন্য প্রস্তুত ছিল এবং আমরাও প্রস্তুত ছিলাম।

আমার সত্য স্বপ্ন মতে, “নবী মোহাম্মাদ (সঃ) এই যুদ্ধে অলক্ষ্যে ও গোপনীয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন, যা শীর্ষস্থানীয় কমান্ডারের জ্ঞানে ছিল।” এবং তারপর খারাপ যুদ্ধ শুরু হয়, এবং পাকিস্তানের শত্রুরা নিশ্চিত ছিল যে, তারা পাকিস্তানকে ধ্বংস করে ফেলবে। কিন্তু আল্লাহ্‌র পরিকল্পনা অন্য কিছু ছিল ও আল্লাহ্‌ পাকিস্তানকে সাহায্য করলেন। এই যুদ্ধে মুসলমানরা কোন নারী, শিশু, বৃদ্ধলোক, নিরস্ত্র মানুষ ও যারা শান্তি স্থাপন করতে চায় তাদেরকে হত্যা করবে না। আমি জানিনা এইটা কত দিন ছিল কিন্তু এই যুদ্ধে পাকিস্তান জয়ী হয়েছিল আল্লাহ্‌র সাহায্যে। এবং পাকিস্তান ভারতের সকল এলাকা দখল করে এবং বাংলাদেশ, আফগানিস্তানও পাকিস্তানের একটা অংশ হয়। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হয়, কারণ পাকিস্তানের সকল শত্রুরা পরাজিত হয়। এরপর পাকিস্তান আল্লাহ্‌র সাহায্যে মধ্যপ্রাচ্যে লাফ দেয় ও উভয় পরাশক্তির সাথে লড়াই করে। পাকিস্তান ব্ল্যাক জেট ফাইটার দ্বারা হামলা করে এমন ভাবে যে, কেউ পাকিস্তানকে থামাতে পারে না। এবং উভয় পরাশক্তিকে পরাজিত করার পর পাকিস্তান একাই বিশ্বে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী জাতি হয়ে উঠে।

এবং এটি ফিরে মধ্যপ্রাচ্য, আরবদেশ, তুর্কী, মিশর, সুদানে। এবং এইসব এলাকা পাকিস্তানের একটি অংশে পরিণত হয় ও পাকিস্তান এই এলাকাগুলো পুনঃনির্মাণ শুরুকরে। এই যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আমি জানতে পারলাম যে, এই যুদ্ধে ৮০ কোটি (প্রায়) মানুষ হত্যা হয়েছে। আমরা আল্লাহ্‌র সাহায্যে পুরো পৃথিবীতে সত্য ইসলাম বিস্তার করি ও সারা পৃথিবীতে শান্তি পরিপূর্ণ হয়। পৃথিবীতে আবারো ইসলাম ছড়িয়ে পরে এবং প্রত্যেকেই জানতে পারে যে, মোহাম্মাদ (সঃ) এর প্রকৃত ইসলাম শান্তিতে পরিপূর্ণ। সব জায়গায় ছিল আল্লাহ্‌র রহমত ও অনুগ্রহ। সব জায়গা ছিল রিজিকে পূর্ণ এবং কেউ দুঃখিত ও গরীব ছিল না। আল্লাহ্‌র সাহায্যে মুসলমানরা ইসলামের ৩য় ও শেষ দুর্গ পাকিস্তানকে সফলভাবে রক্ষা করল। আল্লাহ্‌র সাহায্যে মুসলমানরা পূর্ব থেকে সারা বিশ্বে সত্য ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করবে, সারা পৃথিবী শান্তি ও ন্যায়বিচারে পরিপূর্ণ থাকবে দাজ্জালের আবির্ভাব পর্যন্ত। শেষ সময়ের ঘটনাবলী সম্পর্কে আমাদের সাথে কথা বলার সময় মোহাম্মাদ কাসীম বলেন, তিনি তার স্বপ্নে দাজ্জালকে অনেক বার দেখেছেন, যখন তার আগমন হয় ও সে সারা পৃথিবীতে অশান্তি ছড়িয়ে দেয় এবং তিনি দেখেছেন ইয়াজুজ ও মাজুজ যখন তারা মুক্তি পায় ও আক্রমণ করে। তিনি বলেন, আমি স্বপ্নে নবী ঈসা (আঃ) কেও দেখেছি এবং তার অবতরণের পর মুসলমানরা তাঁর সাথে বসবাস করা শুরু করেছে।

Muhammad Qasim's TV Channel Interviews:

👉bit.ly/QasimTV1

👉bit.ly/QasimTV2

👉bit.ly/QasimTV3

👉bit.ly/QasimTV4

👉bit.ly/QasimTV5

06/12/2019
06/12/2019


Muhammad Qasim's TV Channel Interviews:

👉bit.ly/QasimTV1

👉bit.ly/QasimTV2

👉bit.ly/QasimTV3

👉bit.ly/QasimTV4

👉bit.ly/QasimTV5

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Signs Of Qiyamah To Gog & Magog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share