হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh

হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh দেশ জাতি মানবতা ও ইসলামের পক্ষে হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ।
(1139)

হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh এর বিবৃতি।
12/08/2026

হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh এর বিবৃতি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারেরমাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকেশ্রদ্ধাঞ্জলি ও আন্তরিক অভিনন্দন মাননীয় প্রধানমন্ত্...
12/08/2026

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে
শ্রদ্ধাঞ্জলি ও আন্তরিক অভিনন্দন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
বিপ্লব, ঐতিহ্য, আধ্যাত্মিক রাহবার ও উলামায়ে কেরামের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম জেলার ঐতিহাসিক জনপদ ফটিকছড়ির বাবুনগর পুণ্যভূমিতে আপনার শুভ আগমন উপলক্ষে উলামায়ে কেরাম এবং জনগণের পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই আমাদের প্রাণঢালা মহব্বত ও আন্তরিক মোবারকবাদ।

শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ., আল্লামা হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরী রহ. এবং ইসলাম ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রামে আত্মত্যাগী সকল শহীদদের।

ফটিকছড়ি কেবল ভৌগোলিক সমন্বয়ে গঠিত কোনো এলাকা নয়; এটি এদেশের দ্বীনি শিক্ষা, ইসলামী সংস্কার ও আধ্যাত্মিক সাধনার এক ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রস্থল। বাবুনগর মাদরাসা ও আশপাশের দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ দীর্ঘকাল ধরে দ্বীনের রাহবার আলেম গঠন , বিশুদ্ধ আকিদা চর্চা ও সমাজ সংস্কারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক আমির শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রহ. এবং বর্তমান দেশের শীর্ষ আলেমে দ্বীন, আমিরে হেফাজত আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী দা.বা.-এর মতো প্রবীণ ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে এই অঞ্চলটি সমকালীন ইসলামী অন্যতম প্রধান মারকাজ হিসেবে স্বীকৃত। আজ আপনার এই শুভ আগমন এই অঞ্চলের ইতিহাস ও রাজনৈতিক পরিক্রমায় এক নতুন ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, জুলাই বিপ্লব, ২০১৩ সালের নান্তিক্যবাদ বিরোধী লড়াই,
বাঙালি মুসলিম সমাজের ধর্মীয় চেতনা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রামে আলেম সমাজের ভূমিকা সর্বদাই ছিল সুদৃঢ় ও অবিচল। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, আপনার শ্রদ্ধেয় পিতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (রহ.) সংবিধানের শুরুতে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাআলার ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস
সংযোজন করে এবং জাতীয় রাজনৈতিক ধারায় ইসলামী মূল্যবোধকে সম্মানের স্থানে বসিয়ে এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী স্থান করে নিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে আপনার মহীয়সী মাতা, দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া সর্বদা এদেশের আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আন্তরিক সমমর্মিতা প্রদর্শন করেছেন। জাতীয় সংকটকালে, বিশেষ করে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের ঐতিহাসিক গণ-আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহমর্মিতা আলেম সমাজ আজও গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে। শহীদ জিয়া পরিবারের সাথে এদেশের আলেমসমাজ ও তৌহিদী জনতার এই যে আত্মিক ও নৈতিক বন্ধন, তা কেবল রাজনীতির সমীকরণে সীমাবদ্ধ নয়; এটি বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক সুদৃঢ় প্রাচীর।

আজ আপনি যখন জাতীয় নেতৃত্বের দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়ে এদেশের আলেম সমাজের প্রধান মুরুব্বি আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী দা.বা.-এর সঙ্গে সাক্ষাত করতে জামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগরের এই দ্বীনি আঙিনায় উপস্থিত হয়েছেন, তখন আমরা অনুধাবন করতে পারছি যে, ঐতিহ্যগত সেই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা আরও জোরদার ও সুসংহত হচ্ছে। আপনার এই সফর প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারণে নৈতিকতা, ন্যায়বিচার এবং উলামায়ে কেরামের সৎ পরামর্শ ও দিকনির্দেশনার গুরুত্ব অপরিহার্য।

হে জননেতা,
বর্তমান বাংলাদেশ এক নতুন সম্ভাবনার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছে। দেশের এই পরিবর্তনশীল সময়ে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, কোনো দেশ তার নিজস্ব ঐতিহ্য, বিশ্বাস ও আলেম সমাজকে দূরে ঠেলে অগ্রগতি অর্জন করতে পারে না। রাষ্ট্র পরিচালনায় আলেম-ওলামার প্রজ্ঞা ও দিকনির্দেশনা যুক্ত হলে দেশে ইনসাফ, সাম্য, শান্তি ও সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে।

আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আপনার কাছে হেফাজতের পক্ষ থেকে কয়েকটি দাবি পেশ করেছি:

১. মহান আল্লাহ, রাসূল সা., পবিত্র কুরআন ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা রোধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাস করা।

২. কুরআন সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক কোন আইন পাস না করা।

৩. ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে রাতের আঁধারে নৃশংস গণহত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা। ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের নারকীয় হত্যাযজ্ঞে জড়িত, হুকুমের আসামী ও খুনিদের বিচার নিশ্চিতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ন্যায়বিচার কায়েম করা।

৪. দাওরায়ে হাদিসের মাস্টার্সের সমমানের স্বীকৃতি কার্যকর করার মাধ্যমে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য দেশ-বিদেশের সর্বত্রে কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মোচন করা। বিশেষ করে ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে সরকারি চাকুরির বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে সরকারি মাদরাসার ডিগ্রির পাশাপাশি কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্সের সমমান) ডিগ্রির উল্লেখ করা।

৫. শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলাম ধর্ম শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা।

৬. চরম দ্বীন বিকৃতিকারী কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে অমুসলিম ঘোষণা ও হিজবুত তাওহিদকে নিষিদ্ধ করা।

৭. পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে দেশি-বিদেশি মিশনারিগুলোর ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা বন্ধ করা।

৮. আলেমদের বিরুদ্ধে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ের মিথ্যা মামলাগুলো প্রত্যাহার করে এদেশের আলেম-ওলামাকে রাষ্ট্রীয় পুনর্গঠনে অংশীদার করা।

৯.বাংলাদেশে তাবলীগ জামাতের কার্যক্রম ও টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা উলামায়ে কেরামের তত্বাবধানে পরিচালিত হয়ে আসছে।
ভারতের বিতর্কিত মাওলানা সা'দ সাহেবের বাংলাদেশে আগমনে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা। টঙ্গী ময়দানে সাদ পন্থীদের ইজতেমার অনুমতি না দেওয়া।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আপনার ফটিকছড়ি সফর কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সফর নয়; এটি দ্বীন ও রাষ্ট্রের মেলবন্ধনের এক অনন্য স্মারক। আপনার এই ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও আলেম সমাজের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এদেশের তৌহিদী জনতাকে একতাবদ্ধ হতে অনুপ্রাণিত করবে।

আমরা মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করি, তিনি যেন আপনার এই সফরকে কামিয়াব, ফলপ্রসূ এবং নিরাপদ করেন। পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা আপনাকে নেক হায়াত দান করুন, সহিহ সালামাতে রাখুন, আপনাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তৌফিক দান করুন এবং আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে একটি স্বাবলম্বী, ন্যায়ভিত্তিক ও নৈতিক শক্তিতে বলীয়ান রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার হিম্মত দান করুন। দেশীয়- আন্তর্জাতিক চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রকারীদের দুশমনি থেকে আল্লাহ আপনাকে হিফাজত করুন আমীন।

অভিনন্দনে,

মুহাম্মাদ সাজেদুর রহমান
মহাসচিব
হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh

জুলাই বিপ্লবের চেতনা, ত্যাগ ও ওলামায়ে কেরামের অবদানকে স্মরণে...আসুন, সত্য, ন্যায় ও ঈমানি চেতনার আলোয় একত্রিত হই।"আলোচ...
01/08/2026

জুলাই বিপ্লবের চেতনা, ত্যাগ ও ওলামায়ে কেরামের অবদানকে স্মরণে...
আসুন, সত্য, ন্যায় ও ঈমানি চেতনার আলোয় একত্রিত হই।
"আলোচনা সভা"-তে আপনার মূল্যবান উপস্থিতিই হবে এই আয়োজনের সার্থকতা।
★ তারিখ: ৫ আগস্ট ২০২৬ (বুধবার)
★ স্থান: আলিফ কনভেনশন হল, হাটহাজারী
আপনার উপস্থিতিই আমাদের অনুপ্রেরণা।
সবাইকে আন্তরিক দাওয়াত।
হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে জমিয়তুল মাদারিসিল কওমিয়ার উদ্যোগে আজ ১লা আগষ্ট ২০২৬, নোয়াখালী জেলা স্কুল ময়দানে ঈম...
01/08/2026

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে জমিয়তুল মাদারিসিল কওমিয়ার উদ্যোগে আজ ১লা আগষ্ট ২০২৬, নোয়াখালী জেলা স্কুল ময়দানে ঈমান বিধ্বংসী সংগঠন হেযবুত তাওহিদ নিষিদ্ধের দাবিতে ঐতিহাসিক মহাসমাবেশের উপস্থিতি।

হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh

হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh এর বিবৃতি।
28/07/2026

হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh এর বিবৃতি।

শাপলা গণহত্যা নিয়ে সংসদের ভিতরে বাইরে  উপহাস করেছিলেন শেখ হাসিনা ও আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী। ইতিহাসের কি নির্মম পরিহাস আ...
28/07/2026

শাপলা গণহত্যা নিয়ে সংসদের ভিতরে বাইরে
উপহাস করেছিলেন শেখ হাসিনা ও আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী। ইতিহাসের কি নির্মম পরিহাস আজ তাদেরই বিচার কার্য নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন ইতিহাস।
আজকের জাতীয় পত্রিকাগুলোর শিরোনাম।

হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh

28/07/2026

রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ই মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে চালানো নৃশংস অভিযানটি ছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পূর্বপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত। এই বর্বরোচিত ঘটনায় অভিযুক্ত ৪১ জনের কাউকেই ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

গতকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ শাপলা চত্বরের গণহত্যার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফর্মাল চার্জ) দাখিলের পর নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ই মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথম অভিযোগ দাখিল করেছিলেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh

আল্লাহ পাক কামিয়াব করুন।হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh
28/07/2026

আল্লাহ পাক কামিয়াব করুন।

হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh

শাপলা নিয়ে আওয়াজ করার সুযোগ ছিলো না একসময় । এরপর একদিন বিচার চাওয়ার সুযোগও তৈরী হলো । বিচার হলো । আল্লাহ চাইলে একদিন বিচ...
28/07/2026

শাপলা নিয়ে আওয়াজ করার সুযোগ ছিলো না একসময় । এরপর একদিন বিচার চাওয়ার সুযোগও তৈরী হলো । বিচার হলো । আল্লাহ চাইলে একদিন বিচারও কার্যকর হবে।ইনশাআল্লাহ।

হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh

ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণবাঁশখালীর বন্যাদুর্গতদের পাশে হেফাজতে ইসলাম টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী...
27/07/2026

ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণ
বাঁশখালীর বন্যাদুর্গতদের পাশে হেফাজতে ইসলাম

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। আজ শুক্রবার সংগঠনের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অসহায় ও পানিবন্দী পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছে সংগঠনটি।

শুক্রবার (১৭ জুলাই ২০২৬) ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সরাসরি উপস্থিত হয়ে বন্যাকবলিত মানুষের হাতে ত্রাণ ও নগদ সহায়তা তুলে দেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান, নায়েবে আমির ও হাটহাজারী মাদ্রাসার মুহাদ্দিস আল্লামা মুফতি জসিম উদ্দিন, জিরি মাদ্রাসার মুহতামিম হেফাজত চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাফেজ খোবাইব বিন তৈয়ব, জামেয়া ইসলামিয়া পটিয়ায় মুহতামিম মাওলানা মুফতি ইকরাম হোসাইন অদুদী,জামেয়া আজিজুল উলুম বাবুনগরের নায়েবে মুহতামিম মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী।
আরো উপস্থিত ছিলেন,
বাঁশখালী উপজেলা শাখা সভাপতি মাওলানা নুরুল হক সুজিশ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দিন খান জসিম, পৌরসভা সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান, উপজেলা অর্থ সম্পাদক মাওলানা জুনাইদুর রশিদ শওকী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ক্বারী মাওলানা ইমরান মাহমুদ প্রমূখ।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে এবং আল্লামা শাহ মোহাম্মদ তৈয়ব ফাউন্ডেশন-এর ব্যবস্থাপনায় বাঁশখালীর তিনটি ইউনিয়নে নগদ অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এলাকাগুলো হলো, বাহারছড়া ইউনিয়নে ইলশা ও বাঁশখালা গ্রাম; সরল ইউনিয়নে ১,২,৫,ওয়ার্ড; ভাদালিয়া ইউনিয়নে মিনজিতলা গ্রাম এবং পেকুয়া উপজেলার বিলাছুরা, নন্দীপাড়া, মেহেরনামা গ্রাম। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে হেফাজতের স্বেচ্ছাসেবকরা দিনব্যাপী বাঁশখালীর বিভিন্ন ইউনিয়নের পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে ঘরে ঘরে ত্রাণ ও নগদ অর্থ পৌঁছে দেন।

ত্রাণ বিতরণকালে হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানি ও নৈতিক দায়িত্ব। হেফাজতে ইসলাম সবসময় মজলুম ও অসহায় মানুষের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, শুধু ত্রাণ সহায়তা দিয়েই আমাদের দায়িত্ব শেষ নয়। বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমেও আমাদের কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও সক্ষম ব্যক্তিদেরও দুর্গত মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

এই কঠিন দুর্যোগে ত্রাণ ও নগদ অর্থ সহায়তা পেয়ে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হেফাজতে ইসলাম ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, গত বেশ কিছুদিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বাঁশখালীর ছনুয়া, শেখেরখীল, শীলকূপ, গণ্ডামারা ইউনিয়নসহ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারও মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েন এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে।

বার্তা প্রেরক
মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী
যুগ্ম মহাসচিব
হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh

Address

Dhaka
12369

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ Hefazat Islam Bangladesh:

Shortcuts

Share