ArYa SonaTon

ArYa SonaTon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ArYa SonaTon, Dhaka.

-------রাম চন্দ্র গরুর মাংস খেতেন???-----------রাম গরুর মাংস খেলেও আমার সমস্যা নাই না খাইলেও নাই!!তবে হিন্দুদের অনেক সমস...
15/11/2025

-------রাম চন্দ্র গরুর মাংস খেতেন???-----------

রাম গরুর মাংস খেলেও আমার সমস্যা নাই না খাইলেও নাই!!
তবে হিন্দুদের অনেক সমস্যা।
আমি যেহেতু দেখিনি প্রত্যক্ষদর্শী নয় সেহেতু নিরপেক্ষ থাকায় উচিত এমন জটিল প্রশ্নে!!
বাস্তবে তিনি খেতেন কিনা এটা সে এবং সে যুগের মানুষই ভালো জানতেন!!
তবে শাস্ত্রে যেসব কথা বলা আছে তাতে বিতর্ক সৃষ্টি হয়!!
সরাসরি কোথাও বলা নেই যে তিনি গরুর মাংস খেতেন!!
তবে তিনি মাংস খেতেন এটা পরিষ্কার !!

তৌ তত্র হত্বা চতুরো মহা মৃগান্।
বরাহম্ ঋশ্যম্ পৃষতম্ মহা রুরুম্।
আদায় মেধ্যম্ ত্বরিতম্ বুভুক্ষিতৌ।
বাসায় কালে যয়তুর্ বনস্পতিম্।। (২.৫২.১০২)
বাংলায় ভাবার্থ:
"ক্ষুধার্ত হয়ে তাঁরা (রাম এবং লক্ষ্মণ) সেখানে চার প্রকারের বৃহৎ মৃগ—একটি বরাহ (শূকর), একটি ঋশ্য (এক প্রকার শ্বেতপাদ মৃগ), একটি পৃষত (চিতল হরিণ) এবং একটি মহারুরু (কালো ডোরাকাটা হরিণ)—হত্যা করলেন। তাঁরা তাড়াতাড়ি সেই পবিত্র মাংস (মেধ্যম্) সংগ্রহ করে খাবার জন্য দিনের শেষে একটি বৃক্ষমূলে আশ্রয় নিলেন।"

এখন প্রশ্ন এই শ্লোক গুলি প্রক্ষিপ্ত কিনা সেটা যাচাইয়ের!!
যদি প্রক্ষিপ্ত হয় তাহলে রামের চরিত্রে তো দাগ লাগছে যে তিনি মাংসাশী!!
রামায়ন থেকে প্রক্ষিপ্ত শ্লোক সরিয়ে ফেলতে হবে না হলে তো রাম কলঙ্কিত হচ্ছে!!
আর প্রক্ষিপ্ত না হলে মাংস খাওয়া পাপ নয় হিন্দু ধর্মে!!
আর তবুও যদি পাপ হয় তাহলে রামায়ন ত্যাগ করুন ,রামায়ন কে শুধু একটা কাব্য গ্রন্থ নয়ত একটা সাধারণ মানুষের ইতিহাস জীবনী হিসেবে গ্রহণ করুন!!
না হলে তো হিন্দু ধর্মে জীব হত্যা মহাপাপ এটা মিথ্যা প্রলাপ!!

আরও একটা শ্লোক,,
ইদং মেধ্যমিদং স্বাদু নিষ্টপ্তমিদমন্বিনা"
(অর্থাৎ, এই মাংস পবিত্র, সুস্বাদু এবং আগুনে ভালোভাবে ঝলসে নেওয়া হয়েছে)।

এখন যদি এই শ্লোক গুলি প্রক্ষিপ্ত হত তাহলে।
বাল্মীকি রামায়ণের সবচেয়ে প্রামাণিক এবং সর্বজনীনভাবে গৃহীত সংস্করণ হলো বরোদা ক্রিটিক্যাল এডিশন (Baroda Critical Edition)। এই সংস্করণটি বিভিন্ন পাণ্ডুলিপি বিশ্লেষণ করে সবচেয়ে প্রাচীন পাঠটি পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করেছে।
যদি শ্লোকগুলি প্রক্ষিপ্ত হতো, তবে সেগুলিকে এই প্রামাণিক সংস্করণ থেকে বাদ দেওয়া হতো। তাই, পাঠের দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলি সত্যি বলে ধরে নেওয়া হয়।

এখন সত্যি মিথ্যা যাচাই এটা নিয়ে হিন্দু পন্ডিত রা মাথা ঘামাক!!
একজন মানুষ যদি হরিণের মাংস খেতে পারেন,সে তো গরুর মাংস ও খেতে পারেন ??
হরিণ খাইলে পাপ নেই আর গরু খাইলে পাপ হবে এমন তো হতে পারেনা!!
বাঘ মাংসাশী প্রাণী ,এটা বলতে বাঘ মশায় কোন মাংস খায় আর কোন মাংস খায়না এটা কিন্তু বোঝায় না!!
সে খুদা নিবারণে স্বীকার করে মাংস খায় মানুষও খেতে পারেন!!
এখন রাম জি সেই কালে খুদা নিবারণে গরুও খেতে পারতেন??
আবার নাও খেতে পারতেন ,,
আবার ,হতে পারে মা হিসেবে পূজাও করতে পারতেন !!
আরও একটি মাংস ভক্ষণের প্রমাণ:

"নিহত্য পৃষতং চান্যং মাংসমা দায় রাঘবঃ। ত্বরামাণে জনস্থানং সসারাভিমুখস্তদা।।"
(অর্থাৎ, রাম হরিণ বধ করে মাংস কাঁধে নিয়ে তাড়াতাড়ি আশ্রমে ফিরছিলেন।)

রাম চন্দ্র যে গরু খেতেন না ,এটার একরকম প্রমাণ পাওয়ায় যায় শাস্ত্র হতে!!!
কারণ,রামায়ণে গরু হত্যাকে যা বলা হয়েছে;

“গোঘ্নঃ চৈব সুরাপে চ, চৌরে ভগ্নব্রতে তথা।”
ভাবার্থ: গোহত্যাকারী (গোঘ্ন), মদ্যপানকারী, চোর এবং ব্রতভঙ্গকারীরা (যদি সীতাকে খুঁজে না পাও তবে তোমাদেরও এই পাপ হবে)।
এখানে 'গোঘ্ন' শব্দটি একটি গুরুতর পাপী বা অপরাধীকে নির্দেশ করছে।

এই গোঘ্ন শব্দটি নিয়েই রামের গরু খাওয়া প্রশ্নে প্রশ্নবিদ্ধ হয় হিন্দুরা!!
তবে এই শব্দটি দ্বারা যা বুঝানো হয়েছে;
গোঘ্ন' শব্দটি যে প্রথাকে নির্দেশ করে, অর্থাৎ অতিথি সেবায় গরু হত্যা করে মাংস পরিবেশন করা, তা মূলত প্রাচীন ধর্মসূত্র এবং গৃহ্যসূত্র-এর মতো গ্রন্থগুলোতে এবং বৈদিক সাহিত্যের ব্যাখ্যায় সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।

পরিশেষে, কি বলব এখানে যে তথ্য গুলো তুলে ধরা হয়েছে!!
এগুলো আমার প্রশ্ন আর সমাধান আপনাদের হাতে!!
সঠিক তথ্য দিয়ে আমাকে সাহায্য করবেন
আমি জানতে আগ্রহী,হিন্দু,মুসলিম কোনো ধর্ম বিদ্বেষী আমি নয়!!
শুধু সত্যি জানতে চায় গাঁজাখুরি ,ধর্মান্ধ,নিজের ধর্মকে যে কোনো মুল্যে সত্য প্রমাণ !!
এমন হিন্দু,মুসলিম,খ্রিস্টান কোনো ধর্মের মানুষেরই আমার পছন্দ নয়।
শুধু সত্য চায়!!

25/10/2025

যেটা ঠিক মনে হয় যে আমার ঈশ্বর সেটাই দিও আমাকে!!!ArYa SonaTon

15/09/2023

🔱🔱🔱🔱🔱🔱কাল গণনা🔱🔱🔱🔱🔱🔱

হিন্দু কাল গণনা
হিন্দু ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী, মহাজগৎ অনন্তকাল ধরে সময়চক্রে গতিশীল।
এই চক্রের প্রারম্ভিক বিভাগটি হল কল্প বা "ব্রহ্মার এক দিন", যা ৪৩২ কোটি বছরের সমান।
ব্রহ্মার এক রাতের পরিসরও একই।
এমন ৩৬০ ব্রাহ্ম দিন-রাত বা অহোরাত্র মিলে তৈরী হয় এক ব্রাহ্ম বৎসর যার পরিমাণ ৩,১১০,৪০ কোটি মানব বছর বা সৌর বছর, যেখানে ব্রহ্মার জীবনকাল ১০০ ব্রাহ্ম-বৎসর, একে এক পরযুগ বলা হয়।
অর্থাৎ সর্ববৃহৎ সময়চক্রটি ৩১,১০৪,০০০ কোটি মানব বছর বা সৌর বছরের সমান।
এই সময়কাল অতিবাহিত হলে গোটা ব্রহ্মাণ্ড পরমাত্মা বা পরব্রহ্মে বিলীন হয়, যতক্ষণ না নতুন সৃষ্টির উদ্ভব ঘটে।
প্রতি ব্রাহ্ম দিনে ব্রহ্মা মহাজগৎ সৃষ্টি করেন এবং ব্রাহ্ম রাত্রে এটিকে ধ্বংস করেন।
প্রতি ব্রাহ্ম রাতে নিদ্রিত ব্রহ্মার শরীরে সমাহিত হয় ব্রহ্মাণ্ড।
প্রতিটি কল্প ১৪ উপকল্প বা মন্বন্তর (মনু+অন্তর) এবং এক সত্য যুগ পরিমাণ সময়ে বিভক্ত, যার প্রতিটির পরিসর ৩০,৮৪,৪৮,০০০ বছর।
দুটি মন্বন্তরের মাঝে এক বিরাট শূন্যস্থান থাকে।
এই সময় বিশ্বে পুনর্জন্ম হয় এবং এক নতুন মনুর উদ্ভব হয়, যিনি মনুষ্যজাতির জনক ও রক্ষক।
বর্তমানে আমরা এই কল্পের সপ্তম মন্বন্তরে রয়েছি, বর্তমান মনুর নাম বৈবস্বত মনু।
প্রত্যেকটি মন্বন্তর আবার ৭১ মহাযুগ বা চতুর্যুগ এবং এক সত্য যুগ সমন্বিত।
১০০০ মহাযুগে এক কল্প।
প্রতিটি মহাযুগ ৪ যুগ নিয়ে গঠিত–সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর ও কলি। এদের সময়কাল যথাক্রমে ৪৮০০, ৩৬০০, ২৪০০ ও ১২০০ দৈব বৎসর।

কল্প
মন্বন্তর * ১৪ + ১ সত্যযুগ = ৪৩২,০০,০০,০০০ বছর
বা ১০০০চতুর্যুগ

মন্বন্তর
৭১ চতুর্যুগ +১ সত্যযুগ = ৩০,৮৪,৪৮,০০০ বছর চতুর্যুগ বিভাজন দৈব বছর মোট দৈব বছর মানব বছর মোট মানব বছর
সত্যযুগ উষা ৪০০ ৪৮০০ ৩৬০০০ = ১৭,২৮,০০০ বছর
সত্য ৪০০০ ৩৬০০০০
সন্ধ্যা ৪০০ ৩৬০০০
ত্রেতাযুগ উষা ৩০০ ৩৬০০ ৭২০০০ = ১২,৯৬,০০০ বছর
ত্রেতা ৩০০০ ৭২০০০০
সন্ধ্যা ৩০০ ৭২০০০
দ্বাপরযুগ উষা ২০০ ২৪০০ ১০৮০০০ = ৮,৬৪,০০০ বছর
দ্বাপর ২০০০ ১০৮০০০০
সন্ধ্যা ২০০ ১০৮০০০
কলিযুগ উষা ১০০ ১২০০ ১৪৪০০০ = ৪,৩২,০০০ বছর
কলি ১০০০ ১৪৪০০০০
সন্ধ্যা ১০০ ১৪৪০০০
মোট =১২,০০০ = ৪৩,২০,০০০ বছর

🔱🔱🔱🔱🔱🔱লোক বা জগৎ🔱🔱🔱🔱🔱🔱হিন্দুধর্মে চোদ্দটি লোক বা জগতের কথা বলা হয়েছে – ৭টি ঊর্ধ্বলোক এবং ৭টি নিম্নলোক (পৃথিবী রয়েছে ঊর...
15/09/2023

🔱🔱🔱🔱🔱🔱লোক বা জগৎ🔱🔱🔱🔱🔱🔱

হিন্দুধর্মে চোদ্দটি লোক বা জগতের কথা বলা হয়েছে – ৭টি ঊর্ধ্বলোক এবং ৭টি নিম্নলোক (পৃথিবী রয়েছে ঊর্ধ্বলোকগুলোর সবচেয়ে নিচে)।
ঊর্ধ্বলোকগুলো হল – ভূ (ভূমি), ভূবঃ (বায়ু), স্ব (স্বর্গ), মহঃ, জন, তপ ও সত্য।
সত্যলোকে ব্রহ্মার বাস, মহঃ লোকে ঋষিগণের বাস এবং স্বর্গে বাস দেবতাদের।
নিম্নলোকগুলো হল – অতল, বিতল, সুতল, রসাতল, তলাতল, মহাতল ও পাতাল।

পুরাণে উচ্চতর সাতটি লোকের অস্তিত্ব
প্রতিটি লোকই হল (পৃথিবী বাদে) মৃত্যুর পর আত্মার অস্থায়ী বাসস্থান।
পৃথিবীতে জীবের মৃত্যুর পর ধর্মরাজ যম জীবের সমস্ত পাপ-পুণ্যের বিচার করে তাকে ঊর্ধ্ব কিংবা নিম্নলোকে পাঠান।
ধর্মের কিছু শাখায় বলা আছে, পাপ ও পুণ্য পরস্পরকে প্রশমিত করতে পারে, তাই পরবর্তী জন্ম স্বর্গ বা পাতালে হতেই পারে।
আবার কোথাও বলা হয়েছে, পাপ ও পুণ্য একে অপরকে প্রভাবিত করতে পারে না।
এই ক্ষেত্রে আত্মা উপযুক্ত লোকটিতে জন্ম নেয়। তারপর ওই লোকে আত্মার জীবনকাল শেষ হলে তা পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসে (পৃথিবীর কোনো এক জীব রূপে জন্ম নেয়)।
বলা হয়, একমাত্র পৃথিবীতে মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করলেই আত্মার মোক্ষলাভ বা পরমধামে যাত্রা হতে পারে, যে স্থান জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্ত, যেখানে রয়েছে স্বর্গীয় পরমানন্দ।

#লোক
#জগৎ
#ব্রহ্মাণ্ড
#স্বর্গ
#নরক
#হিন্দু
#ধর্ম

❤️❤️❤️❤️❤️সৃষ্টির পূর্বাবস্থা ❤️❤️❤️❤️❤️❤️সৃষ্টির পূর্বাবস্থা কেমন ছিল,,কিভাবে বিশাল ব্রহ্মাণ্ড হতে সৃষ্টির প্রথম মানুষ ...
15/09/2023

❤️❤️❤️❤️❤️সৃষ্টির পূর্বাবস্থা ❤️❤️❤️❤️❤️❤️

সৃষ্টির পূর্বাবস্থা কেমন ছিল,,কিভাবে বিশাল ব্রহ্মাণ্ড হতে সৃষ্টির প্রথম মানুষ সৃষ্টির ধারণা তৈরি হলো!!!

সাংখ্য দর্শন, মনুসংহিতা সহ অন্যান্য হিন্দুশাস্ত্রের সৃষ্টিক্রম বর্ণনা অনুযায়ী সৃষ্টির আদিতে স্থিত মূল প্রকৃতি ও পুরুষকে নিত্য সত্ত্বা বিদ্যমান ছিল।
এই নিত্য সত্ত্বার কোনো সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না।
এখানে প্রকৃতি হচ্ছে ত্রিগুণাত্বক এই ব্যাক্ত জগতের মূল কারণ যা অব্যাক্ত সূক্ষরূপে থাকে।
সত্ত্ব (প্রকাশ), রজঃ (প্রবৃত্তি) ও তমঃ (নিয়মাত্মক) এই তিনটি গুণ একে অন্যকে অভিভূত করে এই অব্যাক্ত জগৎকে প্রকাশ করে ব্যাক্ত করে।
এই প্রকৃতি ও প্রকৃতি হতে সৃ্ষ্ট বিকৃতি (ব্যাক্ত জগৎ) চেতনা রহিত অচেতন জড় রূপ।
তার সাথে পুরুষের সংযোগ ঘটে।
পুরুষ হচ্ছে সূক্ষ্ম, অব্যক্ত, নিত্য ও চৈতন্যরূপ সত্ত্বা। সৃষ্টির পূর্বে এই ভিন্ন অন্য কোনো সত্ত্বার অস্তিত্ব ছিল না।
ঋগ্বেদের নাসদীয় সূক্তের ১০ মন্ডলের ১২৯ সুক্তে বলা হয়েছে,

তৎকালে যাহা নাই তাহাও ছিল না,
যাহা আছে তাহাও ছিল না পৃথিবীও ছিল না,
অতি দূরবিস্তার আকাশও ছিল না।
আবরণ করে এমন কি ছিল?
কোথায় কাহার স্থান ছিল?
দূর্গম ও গম্ভীর জল কি তখন ছিল?।।
তখন মৃত্যুও ছিল না, অমরত্বও ছিল না, রাত্রি ও দিনের প্রভেদ ছিল না।
কেবল সেই একমাত্র বস্তু বায়ুর সহকারিতা
ব্যতিরেকে আত্মামাত্র অবলম্বনে নিশ্বাস প্রশ্বাস যুক্ত হয়ে জীবিত ছিলেন।
তিনি ব্যতীত আর কিছুই ছিল না।

সাংখ্য দর্শনের বর্ণনায় প্রকৃতি ও পুরুষের সংযোগে ক্রমাণ্বয়ে ব্যাক্ত জগৎ সৃষ্টির হতে থাকে।
প্রকৃতি ও পুরুষের উভয়ের সংযোগে প্রথম যে তত্ত্বের উৎপন্ন হয় তার নাম মহাত্তত্ত্ব বা বুদ্ধিতত্ত্ব।
বর্ণনা অনুসারে ব্রহ্মই সেই প্রকৃতি-পুরুষের সংযোগকারী।

নাসদীয় সুক্তে আরও বলা আছে,

সর্বপ্রথমে অন্ধকারের দ্বারা অন্ধকার আবৃত ছিল। সর্বত্রই চিহ্ন বর্জিত ও চতুর্দিক জলময় ছিল। অবিদ্যমান বস্তু দ্বারা সেই সর্বব্যাপী আচ্ছন্ন ছিলেন। তপের প্রভাবে সেই এক বস্তু জন্মিলেন।

— ঋগ্বেদ, ১০। ১২৯। ৩

মহত্যাদির সৃষ্টি

এই মহৎ তত্ত্ব হতে ত্রিগুণাত্বক অহঙ্কারতত্ত্ব অর্থাৎ সাত্ত্বিক, রাজসিক ও তামসিক গুণসম্পন্ন অহংকারের উৎপত্তি হয়।

অহংকার হতে সত্ত্বগুণের প্রাবল্যে পঞ্চজ্ঞানেন্দ্রিয় (চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা, ত্বক) পঞ্চকর্মেন্দ্রিয় (হস্ত, পদ, বাক, পায়ু, উপস্থ), এবং উভয়েন্দ্রিয় (মন) মিলে মোট একাদশ ইন্দ্রিয়ের উৎপত্তি হয়।
তমগুণের প্রাবল্যে পঞ্চতন্মাত্র (শব্দ, স্পর্শ, রূপ, রস, গন্ধ) ‍উৎপন্ন হয়।
আবার এই পঞ্চতন্মাত্র হতে ব্রহ্মই যথাক্রমে পঞ্চ স্থুলভূত (আকাশ, বায়ু, অগ্নি, অপ বা জল ও পৃথিবী) সৃষ্টি করেছেন।

পঞ্চতন্মাত্র হতে পঞ্চস্থুলভূতের সৃষ্টি।
শব্দতন্মাত্র হতে আকাশ; শব্দ ও স্পর্শ তন্মাত্র হতে বায়ু; শব্দ, স্পর্শ ও রূপতন্মাত্র হতে তেজ; শব্দ, স্পর্শ, রূপ ও রসতন্মাত্র হতে জল সৃষ্টি হয়।
পরব্রহ্মই সেই জলকে ধারণ করলেন।
এরপর তিনিই সেই জলে জগৎ বীজরূপ ইচ্ছাশক্তি স্থাপন করলেন।
এই বীজ ক্রমে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে সুবর্ণময় এক অণ্ডে পরিণত হয়।
একে পবিত্র বেদে হিরণ্যগর্ভ বা ব্রহ্মাণ্ড এবং আদিতে ছিলেন বলে তাকে আদিত্য বলা হয়েছে।
সেই সূবর্ণময় অণ্ড বিশাল জলরাশিকে নিজগর্ভমধ্যস্থ করল।
সেখানে পরব্রহ্মই অবস্থান করলেন এবং তিনি ব্রহ্ম নামে পরিচিত হলেন।
সৃষ্টির কারণরূপ সেই জলকে 'নারা' বলা হয়েছে।
এই “নারা“-জলসমূহে প্রথম অয়ন বা আশ্রয় ছিল বলে ব্রহ্মকে নারায়ণও বলা হয়ে থাকে।

এই অণ্ড ক্রমাণ্বয়ে জল, বহ্নি বা অগ্নি, বায়ু ও আকাশ দ্বারা ক্রমে আবৃত হল।
এরপর শব্দ, স্পর্শ, রূপ, রস ও গন্ধতন্মাত্র হতে ত্রিগুণাত্বক পৃ্থিবীর উপাদান উৎপন্ন হল।

ব্রহ্ম সংবৎসরকাল পর অণ্ডকে ভাগ করে উর্ধ্বভাগ সৃষ্টি শক্তিরূপ ব্রহ্মা, মধ্যভাগ স্থিতিশক্তিরূপ বিষ্ণু,
এবং অধোভাগে ধ্বংশ শক্তি বা প্রলয় শক্তিরূপ শিব প্রকটিত হল।
মনুসংহিতায় বলা হয়েছে উর্ধখণ্ডে স্বর্গলোক,
নিম্নখণ্ডে ভূলোক এবং মধ্যভাগে আকাশ, অষ্টদিক ও শাশ্বত জলস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
অণ্ড ভাগের সময় একপ্রকার তরঙ্গ রশ্মির উদ্ভব হয়। এরপর ব্রহ্ম বিন্দু থেকে সবকিছু গতিময় বা ব্যাপ্ত হয়, অব্যাক্ত হতে সমস্তকিছু ব্যাক্ত হতে থাকে, সৃষ্টি হয় বিভিন্ন গ্রহ, নক্ষত্র ও জগতের।

বিভিন্ন গ্রন্থে ব্রহ্মকে প্রথম জন্মগ্রহণকারী ও
গৌণ স্রষ্টা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তাঁর শুরুর সময়কে কল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবরণে বলা হয়েছে, মহাবিশ্বকে প্রথমে তিনি তিন ও পরে চৌদ্দ লোকে ভাগ করেন এবং
মহাবিশ্বকে গুণ ও পূর্ণ করার জন্য প্রথম জীবিতসত্তা সৃষ্টি করেন।
বিবরণে বলা হয়েছে, ব্রহ্ম তমসাচ্ছন্ন পৃথিবীকে চন্দ্র, সূর্য ও নক্ষত্রমন্ডলী দ্বারা আলোকিত করেন। সৃষ্টি-বিস্তারের জন্য প্রথমে তিনি ঋষিগণ সৃষ্টি করেন, কিন্তু এরা বংশবিস্তারে অনাগ্রহী হয়ে তপস্যায় মগ্ন হয়। এতে ব্রহ্মা নিজ মূর্তি থেকে "শতরূপা ও স্বয়ম্ভুব মনু" নামক নারী ও পুরুষ সৃষ্টি করেন।
(সৃষ্টির প্রথম নারী পুরুষ হলেন এরাই)
এদের প্রিয়ব্রত ও উত্তানপাদ নামক দুই পুত্র এবং আকুতি, দেবাহুতি ও প্রসূতি নামে তিন কন্যার জন্ম হয়।
এভাবে পৃথিবীতে মানুষের বংশ বিস্তার শুরু হয়।

Correction and collected!!!!
Forgive wrongs!!
Don,t cut,copy paste...
Share!!!!

#ব্রহ্মাণ্ড
#ঈশ্বর
#বেদ
#হিন্দু
#মনু
#শতরূপা
#ব্রহ্মা
#বিষ্ণু
#সৃষ্টিকর্তা
#সৃষ্টি

❤️❤️❤️❤️পার্ট✓1❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️সৃষ্টিতত্ত্ব❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️হিন্দু সৃষ্টিচক্র বা হিন্দু সৃষ্টিতত্ত্ব বা মহাজগতত্তত্ত্ব মহ...
15/09/2023

❤️❤️❤️❤️পার্ট✓1❤️❤️❤️
❤️❤️❤️❤️❤️❤️সৃষ্টিতত্ত্ব❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

হিন্দু সৃষ্টিচক্র বা হিন্দু সৃষ্টিতত্ত্ব বা মহাজগতত্তত্ত্ব মহাবিশ্বের অবস্থা, এর সময় চক্র,
এর গঠন প্রভৃতির সহিত জীবন্ত সত্তার প্রভাবকে বোঝায়।তত্ত্বটি ব্ৰহ্মাণ্ডের সৃষ্টি ও ধ্বংস চক্ৰের ধারণা প্ৰদান করে।
প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্রে (যেমন: সূর্যসিদ্ধান্ত) সৃষ্টিতত্ত্বের বর্ণনা রয়েছে।
এছাড়াও বেদ (নাসদীয় সূক্ত, পুরুষ সূক্ত), উপনিষদ, মহাভারতে সৃষ্টিতত্ত্বের বর্ণনা পাওয়া যায়।
পুরাণসমূহে মহাজগৎ সৃষ্টির বর্ণনা একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য।
হিন্দু সৃষ্টিতত্ত্ব অনুযায়ী প্রায় ৮৬৪ কোটি বছর পরপর ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি ও ধ্বংস হয় এবং এই প্রক্রিয়া চক্রাকারে চলতে থাকে।
প্রতিটি মহাবিশ্ব ৪.৩২ বিলিয়ন বছর সময়কাল ধরে স্থায়ী হয়।
এই সময়কালকে এক কল্প বা ব্রহ্মার এক দিন বলা হয়।
এক কল্পের সমান সময়কাল পরে আসে ব্রহ্মাণ্ডের প্রলয় বা রাত।
সৃষ্টি ও ধ্বংসের মধ্যবর্তি সময়কে বলা হয় ব্রাহ্ম অহোরাত্র।
এই কল্পসমূহ আবার অসংখ্য চতুর্যুগে বিভক্ত।
প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী বৰ্তমান কলি যুগ শেষে,
প্ৰায় ৪,৩২,০০০ বছর পর ভগবান বিষ্ণুর অন্তিম অবতার কল্কি কলি যুগের সমাপ্ত করে নতুন সত্য যুগ শুরু করবেন।

অনেকে হিন্দু সৃষ্টিতত্ত্বের সাথে আধুনিক সৃষ্টিতত্ত্বের সাদৃশ্যের কথা স্বীকার করেন।
তাদের মতে, বৰ্তমান ব্ৰহ্মাণ্ডের পূৰ্বে অসংখ্য ব্ৰহ্মাণ্ডের সৃষ্টি ও ধ্বংস হয়েছে, এবং ভবিষ্যতে অসংখ্য ব্ৰহ্মাণ্ডের সৃষ্টি ও ধ্বংস হবে।
ক্রম বিকাশ, মহাকাশ বিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, সৃষ্টি প্রভৃতি ধারণাও হিন্দু সৃষ্টিতত্ত্বে পাওয়া যায়।

প্রতিটি বস্তু তিনটি গুণের উপর অধিষ্ঠিত।

সত্ত্ব গুণ,
রজঃ গুণ ও
তমঃ গুণ
ঋগ্বেদে বিশ্বজগত সৃষ্টি সম্পর্কে বহু তত্ত্ব উপস্থাপন করা হয়েছে।
ঋগ্বেদের পুরুষসূক্ত অনুযায়ী, সৃষ্টির প্রকাশ হয়েছিল হিরণ্যগর্ভ নামক এক মহাজাগতিক অণ্ড বা ডিম স্বরূপ আদিগর্ভ থেকে যার মাঝে সমস্ত কিছু সুপ্ত অবস্থায় ছিল।
এটি ব্রহ্মাণ্ড নামেও পরিচিত।
এ সূক্তে বর্ণনা করা হয়েছে, পুরুষের বিরাট নামক বিশ্বরূপ হল সৃষ্টির উৎস।
বিরাটের মধ্যে সর্বব্যাপী জ্ঞানের আবির্ভাব ঘটে এবং বিরাট থেকে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয়।
শেষের দিকের মন্ত্রগুলোতে বলা হয়েছে, পুরুষ নিজেকে আহুতি দিয়ে পক্ষী, বন্য ও গবাদি পশু, চার বেদ, মন্ত্রের ছন্দ সৃষ্টি করেন।
তার মুখ, বাহু, জঙ্ঘা ও পা থেকে চার বর্ণের জন্ম হয়(বি: দ্র:মন্ত্রটি অতি আধুনিক অনেকাংশে বিতর্কিত)। পুরুষের মন থেকে চন্দ্র ও চোখ থেকে সূর্যের জন্ম হয়।তার মুখ ও নিঃশ্বাস থেকে ইন্দ্র ও অগ্নির জন্ম হয়।
তার নাভি থেকে আকাশ, মাথা থেকে স্বর্গ, পা থেকে পৃথিবী ও কান থেকে অন্তরীক্ষের জন্ম হয়।
এই সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে মানুষ, জাগতিক ও মহাজাগতিক সকল সত্ত্বার মধ্যে একত্ব স্থাপিত হয়। কারণ, সবই সেই একক সত্ত্বা পুরুষের অংশসম্ভূত। পুরুষসূক্তে আরো বলা হয়েছে, পুরুষের কৃত যজ্ঞের মাধ্যমে এবং যজ্ঞ থেকে জগৎ সৃষ্টি হয়েছে।
এই আদি যজ্ঞ থেকেই যাবতীয় সৃষ্টি রূপ ধারণ করেছে। সপ্তদশ মন্ত্রে বলা হয়েছে যে, এই আদি যজ্ঞ থেকেই যজ্ঞের ধারণার উৎপত্তি হয়েছে।
শেষ মন্ত্রগুলোতে সকল সৃষ্টির আদিশক্তি রূপে যজ্ঞের গৌরব ঘোষিত হয়েছে।
নাসদীয় সূক্তও বিশ্বতত্ত্ব ও ব্রহ্মাণ্ডের উৎপত্তির ধারণার সঙ্গে জড়িত।
বিশ্বসৃষ্টির বিষয়ে সূক্তটি ভারতীয় ও পাশ্চাত্য দার্শনিক মহলে প্রসিদ্ধ।
ঋগ্বেদের নাসদীয় সূক্তে সৃষ্টিতত্ত্ব সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
বিভিন্ন পুরাণেও বিশ্বজগৎ ও মানব সৃষ্টি সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনার পাশাপাশি অসংখ্য মহাবিশ্বের ধারণা উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও শতপথ ব্রাহ্মণে, মনুসংহিতায়, ঐতয়ের উপনিষদে, সাংখ্য-দর্শনেও বিশ্বজগৎ ও মানব সৃষ্টি সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনা রয়েছে।

#ঈশ্বর
#হিন্দু
#সনাতন
#আত্মা
#সৃষ্টি
#সৃষ্টিকর্তা
#ব্রহ্মাণ্ড
#বেদ
#গীতা

15/09/2023

❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️পরমাত্মা❣️❣️❣️❣️❣️❣️

পরমাত্মা বা পরমাত্মান্ হল "সর্বোচ্চ আত্মা"।
হিন্দু ধর্মতত্ত্বে, বেদান্ত ও যোগ দর্শনের মতো বিভিন্ন দর্শনে, এবং অন্যান্য ভারতীয় ধর্ম যেমন শিখধর্ম অনুসারে, এটি হল "পরম আত্মা" বা "সর্বোচ্চ আত্ম"। পরমাত্মা হল "আদিম স্ব" বা "নিজের বাইরে", যিনি পরম ও চূড়ান্ত বাস্তবতার সাথে আধ্যাত্মিকভাবে অভিন্ন। নিঃস্বার্থতা হল পরমাত্মার গুণ, যেখানে সমস্ত ব্যক্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যায়।

আত্মা শব্দটি সাধারণত স্বতন্ত্র ব্যক্তিকে বোঝায়,
কিন্তু পরমাত্মা শব্দটি দ্বারা কোন সীমাহীন জীবন, সীমাহীন চেতনা, সীমাহীন মহাকাশে সীমাহীন সত্তাকে প্রকাশ করে, এর অর্থ সমস্ত আত্মার আত্মা বা পরমাত্মা বা সর্বোচ্চ আত্ম বা সর্বজনীন আত্ম।
আত্মা শব্দের আক্ষরিক অর্থ হল অ-অন্ধকার বা আলো, ব্রহ্ম হল সূক্ষ্মতম অবিনাশী ঐশ্বরিক অস্তিত্ব। পরমাত্মা শব্দটি সকলের সৃষ্টিকর্তাকে নির্দেশ করে।

হিন্দুরা বিভিন্ন উপায়ে পরব্রহ্মকে ধারণ করেন।
অদ্বৈত বেদান্ত ঐতিহ্যে নির্গুণ ব্রহ্ম (গুণবিহীন ব্রহ্ম) হলেন পরম ব্রহ্ম।
দ্বৈত বেদান্ত ও বিশিষ্টাদ্বৈত বেদান্ত ঐতিহ্যে, সগুণ ব্রহ্ম (গুণাবলী সহ ব্রহ্ম) হলেন পরম ব্রহ্ম।
বৈষ্ণবধর্ম, শৈবধর্ম ও শাক্তধর্ম, যথাক্রমে বিষ্ণু, শিব এবং শক্তি পরব্রহ্ম।
গণপত্য সম্প্রদায় গণপতিকে পরব্রহ্ম বলে মনে করে।

#আত্মা
#পরমাত্মা
#ঈশ্বর
#সৃষ্টিকর্তা
#ব্রহ্ম
#বৈষ্ণব
#হিন্দু
#সনাতন
sonaton

-----------------------------আত্মা-----------------------------হিন্দু তথা সনাতন বিশ্বাসমতে "আত্মা" হলো চিৎকণা, যা সকল চৈ...
13/09/2023

-----------------------------আত্মা-----------------------------

হিন্দু তথা সনাতন বিশ্বাসমতে "আত্মা" হলো চিৎকণা, যা সকল চৈতন্যময় জীবে পরিব্যাপ্ত।
এই আত্মা জীবাত্মা ও পরমাত্মা এই দুই ভেদ রয়েছে। পরমাত্মা হল পরমেশ্বর ভগবান এর এক বিশেষ রূপ। প্রতিটি জীবের হৃদয়ে জীবাত্মা (আত্মা) ও পরমাত্মা উভয়ই বতর্মান।
জীবাত্মার কারণে দেহে চৈতন্য লাভ করে।
জীবাত্মা বহু হলেও এক অভিন্ন পরমাত্মা সকল জীবে অবস্থান করে তার পালন করেন।
অদ্বৈতবাদিদের মতে জীবাত্মাকে পরমাত্মার অংশ বলা হয়।
কিন্তু দ্বৈতবাদি ও ত্রৈতবাদিগণ ভিন্ন মত পোষণ করেন।

মনুষ্য অবস্থায় জীবাত্মার কৃতকর্ম অনুযায়ী তার কর্মফল ভোগ করার জন্য স্বর্গ-নরক ভোগ করে, অর্থাৎ জন্মান্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন যোনি ভ্রমণ করে স্থাবর-অস্থাবর দেহ প্রাপ্ত হয়ে সুখ-দুঃখ অনুভব করে। কিন্তু পরমাত্মা কর্মফল দাতা, তিনি কোনো ফলভোগ করে না।
ঐ সময়ে জীবাত্মা তার পূর্ব জন্মে অর্জিত কর্মফল বিনষ্ট করে, এবং পুনরায় মনুষ্যদেহ লাভ করে।
শেষে মোক্ষলাভের মাধ্যমে জীবাত্মা পরমাত্মাকে প্রাপ্ত হয়। মোক্ষলাভই সনাতন ধর্ম অনুযায়ী জীবের চূড়ান্ত লক্ষ হিসেবে বর্ণিত।

সনাতন ধর্ম অনুযায়ী আত্মা শাশ্বত এবং চৈতন্যস্বরূপ। আত্মার কারণে মন চিন্তার সামর্থ অর্জন করে।
কিন্তু আত্মা স্বয়ং চিন্তা করতে পারে না।
এই দর্শন অনুযায়ী আত্মার কোনো আকার নেই।
একে প্রত্যক্ষ করা, ধরা, ছোঁয়া বা কোনো কিছু দিয়ে কাটা যায় না বলে মনে করা হয়।
এর ফলে আত্মার দর্শন বা মৃত্যুর পর আত্মার সাথে যোগাযোগ করার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় না।





#হিন্দু
#হিন্দুধর্ম
#সনাতন
#আত্মা

-------💞শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান💞---------1.শ্রীকৃষ্ণের জন্ম এবং মৃত্যু তারিখ??(যদিও শ্রীকৃষ্ণের জন্ম মৃত্যু দিব্...
07/09/2023

-------💞শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান💞---------

1.শ্রীকৃষ্ণের জন্ম এবং মৃত্যু তারিখ??(যদিও শ্রীকৃষ্ণের জন্ম মৃত্যু দিব্য, লীলা সংবরণ এর মাধ্যমে মৃত্যুলোক ত্যাগ করেছেন)তাই তার নামের পাশে দুটো শব্দ জন্ম এবং মৃত্যু না লাগানোই শ্রেয়।

✓জন্ম:১৮ অথবা ২১ জুলাই, ৩২২৮ খ্রিস্টপূর্ব।
জন্মস্থান:মথুরা, শূরসেন রাজ্য (বর্তমান উত্তর প্রদেশ, ভারত)

মৃত্যু:১৮ ফেব্রুয়ারি, ৩১০২ খ্রিস্টপূর্ব।
স্থান:ভালকা, সৌরাষ্ট্র রাজ্য (বর্তমান ভেরাভাল, গুজরাত, ভারত)
লীলা সময়কাল:126 বছর।

2.মাতাপিতা??

✓দেবকী (মাতা),বসুদেব (পিতা),যশোদা (পালক-মাতা),
নন্দ (পালক-পিতা)

3.সহোদর সমুহ?

✓বলরাম (ভাই),সুভদ্রা (বোন)
যোগমায়া (পালক-বোন)।

4.শ্রীকৃষ্ণকে অন্তর্ভুক্তি করা হয়??
✓সুরক্ষা, করুণা, দয়া এবং প্রেমের ঈশ্বর
যোগেশ্বর – যোগ বা যোগীদের প্রভু
পরব্রহ্ম, স্বয়ং ভগবান

5.শ্রীকৃষ্ণের আবাস??
✓গোলোক,বৃন্দাবন,গোকুল,দ্বারকা।

6.শ্রীকৃষ্ণের অস্ত্রসমুহ??
✓সুদর্শন চক্র,কৌমোদকী গদা।

7.শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কিত গ্রন্থসমূহ??
✓ভগবদ্গীতা,মহাভারত,হরিবংশ,ভাগবত পুরাণ,বিষ্ণুপুরাণ,ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ।

8.শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কিত উৎসব গুলো??
✓কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী, দোল, গোবর্ধন পূজা, কার্তিক পূর্ণিমা, শারদ পূর্ণিমা

9.শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গী সমুহ??

✓রাধা (পরমাপ্রকৃতি), রুক্মিণী, জাম্ববতী, সত্যভামা, কালিন্দী, নাগ্নজিতী, মিত্রবৃন্দা, লক্ষ্মণা, ভদ্ৰ এবং ১৬,০০০ –১৬,১০০ ঐষ্টিক সহধর্মিণী ।(রুক্মিণী ভিন্ন বাকি 16107 স্ত্রী বিতর্কিত,রুক্মিণী ভিন্ন অন্য কারো শ্রীকৃষ্ণের জীবনে তেমন কোনো ভূমিকা নেই,এমনকি রাধা ও বিতর্কিত ) reference:কৃষ্ণচরিত্র-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

Forgive wrongs....

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ArYa SonaTon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share