Bangladesh National Gita School Foundation

Bangladesh National Gita School Foundation Hare Krishna / Namaskar,
We want to establish every temple in all corners of Bangladesh as a center for Gita education and help helpless people.

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ৮ দফা বাস্তবায়নেসংবাদ সম্মেলনসম্মিলিত সনাতনী জাগরনী জোট(Bangladesh United Sanatani Awakening A...
13/02/2025

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ৮ দফা বাস্তবায়নে
সংবাদ সম্মেলন
সম্মিলিত সনাতনী জাগরনী জোট
(Bangladesh United Sanatani Awakening Alliance)
১৩/০২/২০২৫

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে অচিরেই বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্রশ্রীমৎ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রক্ষচারীসহ অন্যান্য প্রতিনিধিদের মুক্তি প্রদান, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ০৮ (আট) দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন, ৫ ই আগষ্টের পর থেকে এখনো অব্দি চলমান পরিকল্পনা মাফিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর অমানবিক নির্যাতন, লুটপাট, ঘরবাড়ি-মন্দির ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, ভূমি দখল, চাঁদাবাজি, হত্যা, মা-বোনদের শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ রোধ, পরিকল্পনা মাফিক ধর্ম অবমাননার যে ছক তৈরি হয়েছে সেটির বিরুদ্ধে আইন প্রশাসনের পদক্ষেপ গ্রহণ, পাশাপাশি বাংলাদেশের নাগরিক ও এই দেশের ভূমি পুত্র হিসাবে নিজেদের অধিকার আদায়ে বাঁধা সৃষ্টি না করে আইন প্রশাসনের সহায়তা প্রদান প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলন।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,

০৫ ই আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলে ক্ষমতাশীল আওয়ামী লীগ সরকার পতন ঘটে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরেই যখন সবাই আন্দোলন উল্লাসে মগ্ন ঠিক তখনই বরাবরের ন্যায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় উপর শুরু হয় অমানবিক নির্যাতন, লুটপাট, ঘরবাড়ি-মন্দির ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, ভূমি দখল, চাঁদাবাজি, হত্যা, মা-বোনদের শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো জগন্য কাজে লিপ্ত হয় একটি মহল। তার প্রেক্ষিতে ০৯ ই আগস্ট ও ১০ ই আগস্ট শাহবাগে আন্দোলন হয়।আন্দোলন থেকে ০৮ দফা দাবি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাসহ অন্যান্য উপদেষ্টা মন্ডলীর কাছে পেশ করা হয়। কিন্তু এখনো অব্দি আট দফা দাবি পূরণ না করে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সাধারণ সংখ্যালঘুদের উপর মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দিয়ে সংখ্যালঘুদের কারাগারে পাঠানো হয় ও হয়রানি করা হচ্ছে। যাতে করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে না পারে। শুধু তাই নয় বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র শ্রীমৎ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রক্ষচারীকে মিথ্যা পতাকা অবমাননার নামে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয় ও এখনও অব্দি তাঁকে জামিন প্রদান না করে হয়রানি করার জন্য বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতে আজকের এই সাংবাদিক সম্মেলন।

বন্ধুগণ,

নিন্মে বিগত বছরের নভেম্বর মাস থেকে শুরু করে ১০ ই ফেব্রুয়ারি অব্দি সংখ্যালঘু নির্যাতনের একটি সামষ্টিক চিত্র তথ্য উপাত্তের মাধ্যমে আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো-

২ মাসের তথ্য অনুযায়ী সংগঠিত ঘটনার বিররণ:

১) মন্দির ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ ১১ টি।
২) বাড়ি ঘর ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ ০৫ টি।
৩) ভূমি দখল ০৩ টি।
৪) ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়ী দোকানে হামলা-৪৭ টি।
৫) পারিবারিক নির্যাতন ও ধর্ষণ ৫টি।
৬) খুন হত্যা ও আত্নহত্যা ০৮ টি।

সম্প্রতি ৪১ দিনের মোট ঘটনা ঘটেছে ৭০ টি (জানুয়ারী ০১ থেকে ফেব্রুয়ারী ১০)
এখানে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে সকল তথ্য প্রাথমিক যাচাইকৃত।

বন্ধুগণ,

উপরোক্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে আমরা চাই যেন সমস্ত নির্যাতনের সঠিক বিচার হয় এবং আপামর জন সাধারণ যেন আপনাদের মাধ্যমে এর গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারে। উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ একটি তথ্যচিত্র প্রকাশ করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এই প্রয়াসে আপনাদের সকলকে পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট থেকে কথা বলেন

১) লিখিত বক্তব্য পেশ করেন বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের অন্যতম প্রতিনিধি প্রসেনজিৎ কুমার হালদার।
২) পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষনা করেন বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের অন্যতম প্রতিনিধি প্রদীপ কান্তি দে।
৩) চিন্ময় প্রভুর আইনজীবী হিসাবে তার এবং ভুক্তভোগীদের নিয়ে কথা বলেন বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের অন্যতম প্রতিনিধি এ্যাডভোকেট সুমন কুমার রয়।
৪) সঞ্চলনা করেন বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের অন্যতম প্রতিনিধি রাজেশ নাহা।
৫) বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের প্রতিনিধি তন্ময় মৌল্লিক।
৬) বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের প্রতিনিধি সৌরভ গাঙ্গলী সকাল।
৭) বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের প্রতিনিধি সাজেন কৃষ্ণ বল।
৮) বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের প্রতিনিধি রাজ ঘোষ।
৯) বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের প্রতিনিধি ডা. সৌরভ সরকার।
১০) আজকের অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট উপদেষ্টা প্রফেসর চন্দন সরকার।
১১) লিখিত বক্তব্য প্রদান করেন প্রফেসর হিরেনময় বিশ্বাস।

উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে পরবর্তী যে কর্মসূচী ঘোষনা করা হয়ছে তা নিচে উল্লেখ করা হলো:

১) ১৪ ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে সমগ্র বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে প্রতিটি মন্দির সন্ধ্যা ৬.০০ ঘটিকায় প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের ঘোষণা করা হয়েছে। আমাদের কেন্দ্রীয় প্রদীপ প্রজ্জ্বলন হবে বাংলাদেশ জাতীয় মন্দির "ঢাকেশ্বরী মন্দির"

২) ২১ শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে ০৮ দফা দাবি বাস্তবায়ন' বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র শ্রীমৎ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রক্ষচারীসহ অন্যান্যদের মুক্তি প্রদান ও সম্প্রতি সময়ে সংখ্যালঘুদের উপর চলমান নির্যাতন ও নিপিড়ন বন্ধ ও বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট কতৃক আয়োজিত সকল অনুষ্ঠান আইনের সহায়তা চেয়ে বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি।বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট থেকে কেন্দ্রীয় ভাবে ঢাকেশ্বরী মন্দির করা হবে।

বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট থেকে ঘোষিত ০৮ দফা নিচে উল্লেখ করা হলো:

দাবীসমূহ:
১. সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচারের জন্য "নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন"গঠনের মাধ্যমে "দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল" গঠনপূর্বক দোষীদের দ্রুততম সময়ে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান ক্ষতিগ্রস্তদের যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।। (To ensure justice for minority persecution, a " Free Investigation Commission" should be formed to establish a "Speedy Trial Tribunal" for the swift punishment of the perpetrators. Appropriate compensation and rehabilitation must be provided to the victims.)
যুক্তিখণ্ডন: বিশেষ আইন কিংবা অধ্যাদেশের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্যে দৃষ্টান্তমূলক দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল গঠন করে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ দন্ডে দন্ডিত হবার মর্মে বিধান প্রণয়ন করা হলে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের প্রতি সাম্প্রদায়িক প্রতিহিংসার নিরসন।
২. অনতিবিলম্বে "সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন" প্রণয়ন করতে হবে( Enact the "minority protection law" immediately).
যুক্তি খন্ডনঃ সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করে সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার প্রবিধানসমূহ স্পষ্টতর করে আদালতে বলবৎযোগ্য করা।
৩.সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন (Establish a Ministry of Minority affairs)
৪. সংখ্যালঘু হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট কে হিন্দু ফাউন্ডেশনে উন্নত করতে হবে বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট কে ও ফাউন্ডেশনে উন্নীত করতে হবে ( Update the Hindu religious welfare trust to a "Hindu foundation" and similarly elevate the Buddhist and Christian religious Welfare Trusts to foundations)
যুক্তিখন্ডনঃ সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন ও ধর্মীয় কল্যান ট্রাস্ট কে ফাউন্ডেশনের উন্নীত করার মাধ্যমে সারাদেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়া ও বিশ্লেষণপূর্বক পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৫. "দেবত্তোর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ আইন" প্রণয়ন এবং "অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ" আইন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।(Formulate a "law for the recovery and preservation of endowed property" and ensure the proper implementation of the "vested property return" act).
যুক্তিখন্ডনঃ দেবত্তোর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন পাস করে যে সকল ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি বেদখল হয়েছে তাদের দাবী সাপেক্ষে সে সকল সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৬. সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের জন্য উপাসনালয় নির্মাণ এবং প্রতিটি হোস্টেলের প্রার্থনা কক্ষ বরাদ্দ করতে হবে (Construct worship places for minorities in every Government and private Universities and University colleges and allocate prayer rooms in every hostel)
যুক্তিখন্ডনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য ধর্মীয় উপাসনালয় কিংবা প্রার্থনা কক্ষ নির্মান করে তাদের নিজেদের ধর্ম সম্পর্কে সচেতন ও উৎসাহিত করা।
৭. সংস্কৃত পালি শিক্ষা বোর্ড আধুনিকায়ন করতে হবে (Modernize the Sanskrit and Pali Education Board)
যুক্তি খন্ডনঃ সংস্কৃত ও পালি বোর্ডের আধুনিকায়নের মাধ্যমে এই ভাষাদ্বয়ের বিলুপ্তি সাধন রোধ ও যারা এই ভাষায় পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গঠনে আগ্রহী তাদেরকে অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করা।
৮. শারদীয় দুর্গাপূজায় পাঁচ দিন ছুটি দিতে হবে পাশাপাশি প্রতিটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রধান প্রধান ধর্মীয় উৎসবের প্রয়োজনীয় ছুটি প্রদান করতে হবে (Declare a 5 day public holiday during the Sharadiya Durga Puja Festival. Along with necessary leave might be provided for the major religious festivals of each minority community)
যুক্তি খন্ডনঃ শারদীয় দূর্গা পূজায় পাঁচ দিনের ছুটির মাধ্যমে পাঁচ দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানটিকে সনাতন সম্প্রদায়ের জন্য নিবিড়ভাবে উপভোগের সুযোগ করে দেয়া।এছাড়াও অন্যান্য সম্প্রদায়কে তাদের নিজস্ব ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিবিড় ভাবে পালনের ব্যবস্থা করা।

নরসিংহ জয়ন্তী 2023 (Narasimha Jayanti 2023): হিন্দুদের কাছে নরসিংহ জয়ন্তী হল অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। বৈশাখ মাসে...
04/05/2023

নরসিংহ জয়ন্তী 2023 (Narasimha Jayanti 2023): হিন্দুদের কাছে নরসিংহ জয়ন্তী হল অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। বৈশাখ মাসে শুক্ল পক্ষের বৈশাখী চতুর্দশীতে পালন করা হয় নরসিংহ জয়ন্তী। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে নরসিংহ হলেন বিষ্ণুর চতুর্থ অবতার।
নরসিংহ জয়ন্তী পূজা
৪ মে ২০২৩
বৃহস্পতিবার
চতুর্দশী মুহূর্ত শুরু
৩ মে ২০২৩, রাত্রি ১১ঃ৪০ টায়
চতুর্দশী মুহূর্ত শেষ
৪ মে ২০২৩, রাত্রি ১১ঃ৫৯ টায়
নরসিংহ জয়ন্তী (নৃসিংহ চতুর্দশী) উপলক্ষে ভক্তরা, বিশেষ করে বিষ্ণুর ভক্তরা সারাদিন উপবাস পালন করে থাকেন। এছাড়া বিশ্বাস করা হয় যে, এই চতুর্দশীকে সূর্যাস্তের সময় তিনি আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং সেই কারণে সেই সময় গুলিতে বিশেষভাবে পূজা অর্চনা করা হয়। যার ফলে অধর্ম কে দূরে রেখে ধর্মের পথে চলা সম্ভব হয়ে ওঠে, জনসাধারণের সঠিক কাজ করা এবং অন্য কারো ক্ষতি না করাই হলো নরসিংহ জয়ন্তীর মূল উদ্দেশ্য।
নরসিংহ জয়ন্তীর ইতিহাস ও পৌরাণিক কাহিনী:
প্রতিটি উৎসবের পিছনে কোন না কোন পৌরাণিক ঘটনা রয়েছেই, যা জানলে ভক্তি, শ্রদ্ধা অনেক গুণ বেড়ে যায়। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে ঋষি কাশ্যপ ও তার স্ত্রী দিতির দুই সন্তান ছিল। তাদের নাম হিরণ্যশিপু ও হিরন্যাক্ষ। দুই ভাই ভগবান ব্রম্ভাকে সন্তুষ্ট করার জন্য কঠোর তপস্যা শুরু করেন। ব্রহ্মা সন্তুষ্ট হয়ে তাদের এমন বর দেন যে, দেখা যায় পৃথিবীর কোন জীব, অস্ত্র এমন কি দেবতারা ও তাদের হত্যা করতে পারবেন না।
এমন বর পেয়ে তারা অবিচারে হত্যা করতে থাকে, এমন অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে অবশেষে বিষ্ণু বরাহ অবতার ধারণ করে হত্যা করেন হিরন্যাক্ষ কে। তারপর নরসিংহ অবতার নিয়ে হীরান্যকশিপুকে হত্যা করেন। আর সেই থেকেই পালিত হয়ে আসছে নরসিংহ জয়ন্তী উৎসব।
শাস্ত্রমতে অত্যাচারী হিরণ্যশিপুকে বধ করতে মর্ত্যে এসেছিলেন বিষ্ণু। আর সেই কারণে এই দিনে নিষ্ঠাভরে শ্রী বিষ্ণুর পূজা করলে সমস্ত রকম অশুভ শক্তি, জটিলতা, সমস্যা, দূর হয়ে সফলতার দেখা পাওয়া যায়।
সমগ্র ভারতের সাথে সাথে দক্ষিণ ভারতে নরসিংহের অনেক মন্দির চোখে পড়ে। যেখানে নিয়মিত রূপে নরসিংহের পূজা করা হয়। তাছাড়া এমন অনেক বনেদি বাড়ি বা অনেক গৃহস্থের বাড়িতে নরসিংহ মূর্তিতে এবং লক্ষ্মীর মূর্তিতে পূজা অর্চনা করা হয়।
উপবাস থাকার সাথে সাথে এই দিন বিভিন্ন রকমের নৈবেদ্য দিয়ে নরসিংহ উৎসব অথবা পূজা করা হয়। বিষ্ণুর ভক্তরা সংসারে উন্নতি, সমস্ত কাজে সফলতা পাওয়ার জন্য, ব্যবসায় উন্নতি, ধন সম্পদ বৃদ্ধির জন্য নরসিংহ জয়ন্তী পালন করে থাকেন।
এই দিন নরসিংহের মূর্তি পূজা দেওয়ার পাশাপাশি ধনসম্পদের দেবী লক্ষ্মী দেবীকেও পূজা করা হয়। ভক্তিতে থাকে শক্তি, তাই যদি ভক্তি ভরে, নিষ্ঠা ভরে পূজা করা যায় তাহলে কিন্তু সমস্ত বাধা বিপদ কাটিয়ে জীবনকে আরো বেশি সুন্দর ও সহজ করে তোলা যায়।

ওঁ নমঃ ভাগবতে বাসুদেবায় #শ্রীমদ্ভগবদগীতা           নবম অধ্যায়                   #রাজবিদ্যারাজগুহ্যযোগ              শ্লো...
16/01/2023

ওঁ নমঃ ভাগবতে বাসুদেবায়
#শ্রীমদ্ভগবদগীতা
নবম অধ্যায়
#রাজবিদ্যারাজগুহ্যযোগ
শ্লোক সংখ‍্যা - ২৯

সমোঽহং সর্বভূতেষু ন মে দ্বেষ্যোঽস্তি ন প্রিয়ঃ।
যে ভজন্তি তু মাং ভক্ত্যা ময়ি তে তেষু চাপ্যহম্।।২৯।।
_🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷_
[ সর্বভূতেষু (সকল প্রাণীতেই); অহম্ (আমি); সমঃ (সমান); ন (কেউ); মে (আমার); দ্বেষ্যঃ (অপ্রিয়); অস্তি ন প্রিয়ঃ (কেউ প্রিয়ও নয়); তু (কিন্তু); যে (যাঁরা); ভক্ত্যা (ভক্তিপূর্বক); মাম্ (আমার); ভজস্তি (ভজনা করেন); তে (তাঁরা); ময়ি (আমাতে); চ (এবং); অহম্ (আমি); অপি (ও); তেষু (তাঁদের মধ্যে অবস্থান করি।)]

অনুবাদ :--
সকল প্রাণীতেই আমি সমান। তাদের মধ্যে কেউ আমার অপ্রিয়ও নয়, আবার কেউ আমার প্রিয়ও নয়। কিন্তু যাঁরা ভক্তিপূর্বক আমার ভজনা করেন, তাঁরা আমাতে এবং আমি তাঁদের মধ্যে অবস্থান করি।।২৯।।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

01/09/2022

হরে কৃষ্ণ/ নমস্কার/জয় শ্রীরাম,
আশা করি সবাই ভালো আছেন। সকলের সুস্থতা আমার একান্ত কাম্য। সকল সনাতনী গুরুজন ও ভাই-বোনদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ জাতীয় গীতা স্কুল, SanataniTv-সনাতনী টিভি, SanataniNews24-সনাতনী নিউজ ২৪, Sanatani Entertainment Tv-সনাতনী বিনোদন টিভি ৩য় বারের মতো বাংলাদেশ ৬৪ জেলা, বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলে কমিটি প্রদান করবে। যে বা যারা নিশ্বার্থ ভাবে নিজ ধর্মের স্বার্থে কাজ করতে চান সেই সকল সংগ্রামী গুরুজন ও ভাই-বোনেরা যোগাযোগ করুন। অতি দ্রুত আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হবে।

আমরা যে সকল চিন্তা চেতনা নিয়ে কাজ করছি তা নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
১. বাংলাদেশ সকল মন্দিরকে গীতা শিক্ষার কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলা। কারণ ধর্মের জ্ঞান না থাকলে কেউ একতাবদ্ধ হবে না। আর ধর্মের জ্ঞান না থাকলে হাজার সংগঠন করে লাভ নাই। বাংলাদেশে আমাদের ১১৫ টা গীতা স্কুল চালু আছে আজ অব্দি। আমরা চাই বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় ধর্মের অমৃত বাণী প্রচার করতে।

২. SanataniTv-সনাতনী টিভিঃ সনাতনী টিভির মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশ ৬৪ জেলার অনুষ্ঠান ও সনাতনীদের উপর অত্যাচার তুলে ধরি।

৩. SanataniNews24-সনাতনী নিউজ ২৪ঃ সনাতনী নিউজ ২৪ এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার অনুষ্ঠান ও অত্যাচার নিউজ আকারে তুলে ধরি।

৪. Sanatani Entertainment Tv-সনাতনী বিনোদন টিভির মাধ্যমে আমরা সনাতনীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রচার করি। আমরা খুব বড় পরিকল্পনা নিয়ে বিনোদন টিভি নিয়ে কাজ করছি। তার কারণ হলো আমরা সনাতনীরা কমবেশি সাংস্কৃতিক ভাবাপন্ন। আমরা কমবেশি সবাই এই নাচ, গান, অভিনয়, পরিচালনার সাথে জড়িত আছি। আমরা চাই আমাদের ভাই বোনরা আমাদের ধর্মের ভাই-বোন থেকে সুযোগ পান। কারণ আমাদের ধর্মের ভাই-বোনরা বিনোদন জগৎ এ গিয়ে তাদের ধর্মকে ভুলে যাচ্ছে। আমরা বিনোদন জগৎ সম্পর্কে খবর নিলে জানতে পারবো। মুসলিমের সাথে চলতে চলতে তারা মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করছে। তাই আমরা চিন্তা করছি আমরা সনাতনী ভাই-বোনদের জন্য একটা প্লাটফরম তৈরি করবো। যেখানে শুধু আমাদের ভাই-বোনরা নাচ, গান, অভিনয় ও পরিচালক হিসাবে কাজ করতে পারবে। যার মাধ্যমে আমাদের ভাই-বোন আমাদের ভাই-বোনদের সাথে কাজ করতে পারবে। আমরা এটার মাধ্যমে নিজেদের কর্মক্ষেত্র ও তৈরি করতে পারবো।

আমরা সনাতনীদের জন্য যে সকল কাজ করছি ও করবোঃ
১. চাকুরির সুযোগ
২. কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি
৩. উদ্যোক্তা গড়ে তোলা
৪. সনাতনী প্লাটফরম তৈরি করা
৫. দারিদ্র্য সনাতনীদের সহায়তা করা
৬. এনজিও ও সনাতনী দারিদ্র্য ফাউন্ডেশন গড়ে তোলা
৭. সনাতনীদের দানকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপসনালয় গড়ে তোলা ও জমিদাতার স্মৃতি ফলক তৈরি করা।
৮. সনাতনীদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় প্লট নিয়ে সনাতনী আবাসস্থল তৈরি করা।
৯. দারিদ্র্য সনাতনী ছেলে-মেয়ের পড়াশোনায় সহায়তা করা।
১০. সনাতনী ভাই-বোন ধর্মান্তিত থেকে রক্ষা করা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
১১. জাত-পাত দূর করা
১২. সকল সনাতনী সংগঠনকে একত্রিত করণ করার চেষ্টা।

এছাড়া ও আমরা সনাতনী স্বার্থে সকল কাজ পরিচালনা করবো।

আমাদের সাথে যে বা যারা কাজ করবে তাদের চিন্তা চেতনা থাকতে হবে জাত-পাত ভুলে ও সকল সংগঠন এক হওয়া। আমাদের কাজ হলো সকল সংগঠনকে একত্রিত হয়ে ধর্ম প্রচার করা। আমাদের একটাই পরিচয় আমরা সনাতনী। তাই সনাতনী স্বার্থে আমাদের কাজ করতে হবে।

যোগাযোগ করুনঃ
১. প্রসেনজীৎ হালদার(প্রতিষ্ঠাতা)
০১৭৬৭-৪৪৩৬৪৩
২. ইজ্ঞিনিয়ার পলাশ বিশ্বাস
+880 1969-657120
৩. প্রসেনজীৎ সাহা
+880 1515-226678
৪. রণজিৎ বিশ্বাস
01714-457599
৫. পার্থ কুমার
01991-627917

হরেকৃষ্ণ🌺পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৮ তম শুভ আবির্ভাব তিথি,  জন্মাষ্টমী মহোৎসব (২০২২) এর,  বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও নগরস...
18/08/2022

হরেকৃষ্ণ🌺

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৮ তম শুভ আবির্ভাব তিথি, জন্মাষ্টমী মহোৎসব (২০২২) এর, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও নগরসংকীর্তন। 🌺🌺
আয়োজনেঃ শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য পারমার্থিক সংঘ , খড়িয়া, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ।💖💖

31/07/2022
28/07/2022

বাঁচতে চান বিটিভি'র তালিকাভুক্ত শিল্পী অন্ধ নরেশ দাস
ফিরতে চান সুস্থ হয়ে আমার গানের জগতে।

জাত, ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে সকলকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে সহায়তা করে অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ে তোলা উচিত।ঢাবির...
28/07/2022

জাত, ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে সকলকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে সহায়তা করে অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ে তোলা উচিত।

ঢাবির রোকেয়া হলে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ছাত্রীদের প্রার্থনা কক্ষ উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রোকেয়া হলে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রার্থনা কক্ষের উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রার্থনা কক্ষ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ঢাবিতে মেয়েদের প্রথম এই হলের আবাসিক হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থনা কক্ষটি উদ্বোধন করেন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা। এসময় রোকেয়া হলের শিক্ষার্থী, আবাসিক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা বলেন, ‘রোকেয়া হলে প্রার্থনা কক্ষটির উদ্বোধন সম্প্রীতির একটি বার্তা দেয়। ধর্মনিরপেক্ষতার একটি ইঙ্গিত দেয়। এতে করে হলে অবস্থিত সকল ধর্মের ছাত্রীদের ধর্ম পালনের পূর্ণাঙ্গ সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় আমাদের আরো বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

হলের আবাসিক শিক্ষার্থী অর্পিতা রাণী দাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি প্রার্থনা কক্ষ পাওয়া আমাদের জন্য বহুল প্রত্যাশিত ছিলো। দীর্ঘদিন যাবত আমাদের সিনিয়ররা এবং আমরা চেষ্টা করেছি এটা পাওয়ার জন্য। অবশেষে আমরা ভিসি স্যারের কাছে আবেদন করার পর কক্ষ বরাদ্দ পেয়েছি। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।’

আরেক শিক্ষার্থী সুপ্তি রায় বলেন, ‘প্রতিটি মানুষই আসলে ঈশ্বরের কাছে কিছুটা সময় একান্তে কাটাতে চায়। আমরা প্রত্যেকেই ছোটবেলা থেকে পরীক্ষার আগে বাসায় কিছুটা সময় ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে তারপর বের হতাম। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে এতদিন এ ধরণের কোনো সুযোগ আমাদের ছিলো না। আজ প্রার্থনা কক্ষের উদ্বোধনের মাধ্যমে আমরা ঈশ্বরের সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটাতে পারব। এটি সত্যিই খুব ভালো একটি উদ্যোগ।’

প্রসঙ্গত, মেয়েদের হলগুলোতে মুসলিম ছাত্রীদের জন্য প্রার্থনা কক্ষ বা নামাজের স্থান থাকলেও অন্য ধর্মের কোনো প্রার্থনা কক্ষ ছিল না। প্রার্থনা কক্ষের জন্য ২০১৯ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর উপাচার্য বরাবর প্রথম দাবি উত্থাপন করা হয়। এর পরে দ্বিতীয় বারের মতো চলতি বছরের জানুয়ারিতে সবগুলো ছাত্রী হলে প্রার্থনা কক্ষের আবেদন জানালে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

ঢাকা, টাইমস

Address

Merul Badda
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh National Gita School Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share