Emam Hussain and Truth

Emam Hussain and Truth Religious views,ideas and informations

02/02/2025

যে তারিখে "মওলা ইমাম হুসাইন (আঃ)" এই দুনিয়ায় আগমন করেছিলেন সেদিন আরশে মুয়াল্লা সেজেছিলো পূর্ণ পবিত্রতায় আর এক হাজার ফেরেশতা ফরাশে পদার্পন করেছিলো রাসূলে পাক (সাঃ) ও তাঁর পরিবারকে।তাঁরা অবতরণ করেছিলো একটি দ্বীপে,সেখানে তাঁরা একজন ফেরেশতার দেখা পেলো যাঁর নাম ছিলো "ফিতরুস"। সে ওই দ্বীপে সাতশত বছর ধরে আছে শাস্তিপ্রাপ্ত হিসেবে।তার অন্যায় ছিলো এই যে সে অহংকার করে বলেছিলো—
"কে আছে আমি ফিতরুসের মতো সৌন্দর্যের অধিকারী?কে আছে আমার মতো বিশাল ডানাওয়ালা?কে আছে আমার মতো দ্রুতগতি সম্পন্ন?"

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রুষ্ঠ হন তার প্রতি আর তাকে নির্বাসিত করেন ওই দ্বীপে আর অহংকারের কারণে তার ডানাদুটো পুড়িয়ে দেন। সেই ফিতরুস "মওলা ইমাম হুসাইন (আঃ)" আগমন দিবসে সকল ফেরেশতাকে অনুরোধ করে যেন তারা তাকে সাথে করে নিয়ে যায়।তখন হয্রত জীব্রাঈল (আঃ) তাকে নিয়ে যান সাথে করে রাসূলের কাছে। তারা সেখানে গিয়ে সালাম ও মুবারাকবাদ জানান ইমাম পাকের আগমনের উচ্ছ্বাসে।এরপর রাসূলে কারীম পাক (সাঃ) এর কাছে ফিতরুস যায় এবং বলে " ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি আমাকে মুক্তির পথ দেখান এই শাস্তি থেকে!"

তখন দয়াল রাসূল বলেন, "হে ফিতরুস তুমি আমার সন্তান "হুসাইনের" দেহ স্পর্শ করো এবং উড়তে শুরু করো!"
ফিতরুস তাই করলো এবং সেই পবিত্র বদন স্পর্শ করা মাত্র ফিতরুসের ডানা নতুন করে গজিয়ে গেলো,
ফিতরুস উড়তে শুরু করলো এবং বললো, "কে আছো তোমাদের মধ্যে আমার মতো?"
সবাই শংকিত হতে উঠলো আর বললো, "তুমি আবার অহংকার করছো?"
ফিতরুস পুনরায় বললো, "কেউ আছো আমি ফিতরুসের মতো যে মুক্তি পেয়েছো ইমাম হুসাইন (আঃ) এর সর্বপ্রথম গোলাম হিসেবে আর তিনি সন্তান মওলা আলী'র আর দৌহিত্র মুহাম্মাদ মুস্তাফা (সাঃ) এর!"
এবার সে বললো "ইয়া রাসূলাল্লাহ! আজ থেকে আমার জন্য কর্তব্য হয়ে আমার "মওলা হুসাইন"! যিনি নির্মমভাবে শহীদ হবেন আপনার উম্মাতের হাতে। তাঁর আমার প্রতি এই উপকারের বিনিময়ে আমি ফিতরুস কেয়ামত পর্যন্ত আপনার সেই সকল উম্মাত যাঁরা তাঁকে
যিয়ারাত করতে আসবে তাদের এগিয়ে নিতে যাবো আর দুনিয়ার যেকোনো কোণায় তাঁর প্রতি সালাম ও দরূদ পেশ করা হবে তা আমি আমার "মওলা"র কাছে পৌছে দিবো"

ইয়া হুসাইন!আমার প্রতিটি রক্তবিন্দু আপনার প্রতি উৎসর্গীত হোক।
হে ইমাম! আমার ধমনী শিরা-উপশিরা আপনার গোলামীতে কুরবান হয়ে যাক।
ইয়া মওলা!ইয়া হুসাইন ইবনে আলী (আঃ),,,,,,
আজ ৩রা শাবান মুমিন নর-নারীর জীবনের সবচেয়ে মাহাত্ম্যপূর্ণ, পবিত্র ও আনন্দের দিন, কারণ আজ দুনিয়ায় পদার্পণ করেছেন "হেদায়েতের প্রদীপ ও নাজাতের তরী, সাইয়্যিদু সাহাবী আহলিল জান্নাহ,
সাইয়্যেদুস শুহাদা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহে ওয়া সাল্লাম!" তাঁর পবিত্র বেলাদত দিবস উপলক্ষে সকল মুমিন ও মুমিনাত কে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ ও সালাম। সেই সাথে আমার "মওলা"র পবিত্র অস্তিত্বের প্রতি দরুদ ও সালাম—
আস সালাতু আস সালামু আলাইকা ইয়া হুসাইনাবনা আলী, আইয়ুহাশ শাহিদু, ইয়াব্-না রাসূলিল্লাহ, ইয়া হুজ্জাতুল্লাহি আলা খালকিহি, ইয়া সাইয়্যেদানা ওয়া মাওলানা ইন্না তাওয়াজ্জাহনা ওয়া ওয়াস তাশফা’না ওয়া তাওয়াস্ সালনা বিকা ইলাল্লাহি, ওয়া ক্বামনাকা বায়না য়্যাদায় হাজাতেনা। ইয়া ওয়াযিহান ইলাল্লাহি ইশফা’লানা ইন্দাল্লাহি। আসসালামু আলাল হুসাইন,
ওয়া আলা আলী ইবনিল হুসাইন,ওয়া আলা
আওলাদিন হুসাইন ওয়া আলা আসহাবিল হুসাইন ওয়া,রাহমাতুল্লাহে ওয়াবারাকাতুহু!

দিজা মাহজাবিন হক
মহিলা বিষয়ক সম্পাদক-
পাক পাঞ্জাতন অনুসারী পরিষদ, বাংলাদেশ।

14/01/2025

"হস্তীবর্ষ" বা "আমুল ফিল" এ সুমহান প্রতিপালক তাঁর পবিত্র ঘর কে হস্তী "মাহমুদ" এর মালিক আব্রাহা ও তার কুৎসিত বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করেন। সেই সাথে এই ঘটনার ৫৩ দিন পর প্রেরণ করেন এই দুনিয়ায় পবিত্র কাবা গৃহের রক্ষাকবচ ও পুরো সৃষ্টির হেফাজতকারী "ইমামুল মুরসালিন রাসূলে কারীম পাক (সাঃ)" কে!
ফেরেশতা কর্তৃক সৃষ্ট কাবা যার হেফাজতের জন্য
আল্লাহই যথেষ্ট, স্বয়ং রাসূল কে সেটির রক্ষাকর্তা করলেন আল্লাহ, যেটি পুনর্নির্মাণ করেছেন দু'দুজন নবী হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আঃ) এর দ্বারা!
রহস্য তো কিছু আছেই!

কেটে গিয়েছিল ৩০ টি বছর। আসাদ ইবনে হাশেমের কন্যা ফাতেমা বিনতে আসাদ বহু আগেই স্ত্রী হয়ে এসেছিলেন আমর ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ওরফে আবু তালিবের ঘরে। বেশ কিছু বছর লালন পালন করেন তিনি ইয়াতিম মোহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) কে। রাসুল পাকের নবুয়ত প্রাপ্তির দশ বছর আগের কথা, ফাতেমা বিনতে আসাদ গর্ভধারণ করা অবস্থায় তাওয়াফ করছেন পবিত্র খানা-এ- কাবা। হঠাৎ করেই তাঁর প্রসব বেদনা উঠে! এদিকে মক্কায় আচমকা ধুলি ঝড় শুরু হয় আর তিনি শারীরিক যন্ত্রণা উপেক্ষা করে বাড়ির দিকেও এগোতে পারেন না। কাবার দরজার চাবিটি ছিল রাসূলে পাক (সাঃ) এর কাছে আর তিনি ছিলেন মক্কার বাইরে। উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন কাবার দরজাটি খুলতে। যন্ত্রণায় কাতর ফাতেমা বিনতে আসাদ কাবা গৃহের দেয়ালের নিকট বসে পড়েন ও আল্লাহর উদ্দেশ্যে আকুতি করেন, "হে প্রতিপালক! আপনার প্রতি, আপনার নাযিলকৃত সকল কিতাবের প্রতি ও এই পবিত্র গৃহের পুনর্নির্মাতা দাদা ইব্রাহিম (আঃ) এর কথার প্রতি পূর্ণ ঈমান আমি রাখি। এই ঘরের নির্মাতার সম্মানে ও আমার অনাগত সন্তানের উছিলায় তাঁর জন্মদান আমার জন্য সহজ করে দিন!"
সকলকে হতবাক করে দিয়ে কাবার দেয়ালে একটি ফাটল সৃষ্টি হলো, যা দিয়ে কাবাগৃহের অভ্যন্তর দেখা যাচ্ছিলো আর তিনি সেই ফাটল দিয়ে কাবায় প্রবেশ করা মাত্র ফাটলটি বন্ধ হয়ে যায়। চারদিন পর হুজুরে পাক (সাঃ) খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হন আর কাবা গৃহের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং দেখতে পান, আগমন হয়েছে এক মহাপবিত্র শিশুর, যিনি ভূমিষ্ঠ হয়েছেন চার দিন আগে কিন্তু এখন পর্যন্ত না নয়ন মেলেছেন আর না মাতৃদুগ্ধ গ্রহণ করেছেন। তথাপিও তিনি সুস্থ আছেন! দ্বিতীয় মা ফাতেমা বিনতে আসাদ এর পবিত্র কোল থেকে রাসুলে পাক (সাঃ) তুলে নিলেন নবজাতক চাচাতো ভাইকে, চুমু দিলেন তাঁর পবিত্র ললাটে আর সাথে সাথেই শিশু চোখ মেললেন! সর্বপ্রথম অবলোকন করলেন ঐশ্বরিক সৌন্দর্য কামলিওয়ালা মুহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) কে! হয়তো তাগিদ অনুভব করলেন খাদ্য গ্রহণের, তাই ক্রন্দন করে উঠলেন আর রাহমাতুল্লাহি আলামিন নিজ জিহবা দিলেন তার কচি মুখের অভ্যন্তরে; পরম তৃপ্তিতে শিশু প্রথম আহার গ্রহণ করলেন জান্নাতি মধুসূধা রাসুলে পাক (সাঃ)এর লালা মোবারক! সহসাই সেখানে আবির্ভূত হলেন রুহুল কুদ্দুস জিব্রাইল আমিন (আঃ) আর পেশ করলেন সুমহান রবের পয়গাম, "ইয়া আকা মুহাম্মাদ! তাঁর নামকরণ করুন 'আলী', যা ইতোপূর্বে দুনিয়ার কাউকে দেয়া হয়নি!" পালিত হলো রবের আদেশ আর প্রিয় চাচীআম্মা ও নবজাতক ভাই কে নিয়ে রাসূল পাক (সাঃ) বের হয়ে এলেন কাবাগৃহ থেকে। উপস্থিত সকলের সামনে জানালেন, কাবার অভ্যন্তরের ঘটনাবলী আর সেই সাথে পেশ করলেন রাব্বে জুলজালালের ঐশ্বরিকতার পরিচয় "আলী"কে!

সেটি ছিল ৫৯৯ মতান্তরে ৬০০ খ্রিস্টাব্দ; মহিমান্বিত রজব মাসের ১৩ তম দিন। কাবাগৃহের ঠিক মাঝখানে আবির্ভূত হলেন, খোদ কাবার কেবলা,আসাদুল্লাহিল গালিব, হায়দার-এ-কারার, হুব্বে মুস্তাফা, নুকতা-এ-বা- এ-বিসমিল্লাহ,নুরুল হুদা, বাবুল এলম, ইমামুল মুত্তাকীন,মওলা-এ-কায়েনাত, হযরত আলী মুর্তাজা (কঃআঃ)।
মারহাবা! সুবাহানাল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ!
কাবায় পদার্পণ করলেন তিনি!
রাব্বে জালালের পরিচয় তিনি!
আলী আল্লাহর, আল্লাহই আলীর!
আলী রাসূলের, রাসুলও আলীর!

(বহমান)
দিজা মাহজাবিন হক
নির্বাহী সদস্য,পাক পাঞ্জাতন অনুসারী পরিষদ,বাংলাদেশ।

03/09/2024

বেদনায় নীল হয়ে যাওয়ার দিন আজ।কারণ এই দিনেই মজলুমদের শ্রেষ্ঠতম,শহীদানের বাদশাহ "মওলা ইমাম হাসান (আঃ)" এর শাহাদাৎ বার্ষিকী।
কাঁদো হে ইমামভক্তগণ কাঁদো!মাতম করো!বেদনায় নিজের আত্মাকে নীল করে দাও!

01/09/2024

যে ব্যক্তির
কোন শত্রু নেই , তার মত মুনাফেক আর কেউই নেই । শত্রু তারই হয় ,
যে সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- হযরত আলী (আঃ)

28/08/2024

সৎ লোকের দুটি জিনিসের সাথে
লড়তে হয়!!
একটি হচ্ছে দরিদ্রতা,
আর অন্যটি হচ্ছে দুষ্টু লোকের চক্রান্ত!!

"তুমি যেমন করুণা করো, তেমনি তোমার'' প্রতিও করুণা প্রদর্শিত হবে" -ইমাম মাওলা আলী (আ.)🌹🙏🏼
15/08/2024

"তুমি যেমন করুণা করো, তেমনি তোমার''
প্রতিও করুণা প্রদর্শিত হবে"
-ইমাম মাওলা আলী (আ.)🌹🙏🏼

02/08/2024

আমি খ্রিষ্টানদের ক্রুশের মধ্যে তাকে খোজার চেষ্টা করেছিলাম
কিন্তু সে সেখানে ছিলো না।
আমি গিয়েছিলাম হিন্দুদের মন্দিরে এবং পুরনো মঠে, কিন্তু
আমি সেখানে কোথাও তার চিহ্ন খুজে পেলাম না,,,,
আমি খুজলাম পর্বত এবং উপত্যকার মধ্য দিয়ে, কিন্তু
না এসবের উচ্চতা না গভীরতায় আমি তাকে খুজতে হলাম ব্যর্থ।
আমি গিয়েছিলাম মক্কার কাবা'তে
কিন্তু সে ছিলো না সেখানেও।
আমি প্রশ্ন করেছিলাম পন্ডিতদের এবং দার্শনিকদের ;
কিন্তু সে ছিল তাদের বোঝার ক্ষমতার উর্ধ্বে,,,,
তারপর আমি তাকালাম আমার হৃদয়ের দিকে এবং সে ছিলো সেখানেই,
যেখানে আমি তাকে দেখেছিলাম যে সে এখানেই করে বাস।
এ স্থান ছাড়া তাকে আর কোথাও যাবে না পাওয়া খুঁজে।

- জালালউদ্দীন রুমী -

02/08/2024

জিজ্ঞাসা করলেন: পাহাড় পর্বতে কেন ঘুরে বেড়াও?
আমি বললাম: মন্দির, মসজিদ,গীর্জায় তাঁকে খুঁজে পাইনি তাই।
জিজ্ঞাসা করলেন: কে তোমাকে এই আশ্বস্ত করেছে যে এখানে তুমি তাঁকে খুঁজে পাবে?
আমি বললাম: একপ্রান্তে খুঁজে দেখেছি পাইনি,
তবে অন্যপ্রান্তে না থেকে যাবে কোথায়?
উত্তরে বললেন: বন্ধ করো তোমার এসব মাতলামি,
স্থির হও, অনুমানের অনুসন্ধান ছেড়ে দাও।
ফুলবাগানের ফুলেরা কি কখনো ভ্রমর ডেকে আনে?
যদি সে থেকে'ই থাকেন তবে তিনি নিজে'ই ধরা দিবেন,
এবং যখন ধরা দিবেন তখন আর প্রান্ত বলে কিছু থাকবেনা, অসীমকূলে তাঁর উপস্থিতি খুঁজে পাবে৷
_বুদ্ধ মুহাম্মদ কৃষ্ণ

16/07/2024

আল্লাহ ফরমায়েছেন—
"হোসাইনকে ওহীভান্ডারের রক্ষক মনোনীত করা হয়েছে এবং আমি শাহাদতের মাধ্যমে তাঁকে সম্মান প্রদান করেছি। আর তাঁর শেষ পরিণতিকে চরম সফল্যমন্ডিত করেছি । তাই সে-ই হল শহীদদের শিরোমণি এবং সকলের শীর্ষে তাঁর অবস্থান। আমি আমার র্পূণ কালিমাকে তাঁর সাথে রেখেছি এবং আমার র্পূণ নিদর্শনকেও তাঁর কাছেই রেখেছি। আর তাঁর বংশধারার ওপর র্নিভর করছে প্রত্যেকের প্রতিদান ও শাস্তি"

—হাদীসে কুদসী

★ইমাম হোসেনের(আ:) শোক  প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে থাকবে।"--আজ যদি ইসলামের নাম থাকে, তা শুধুমাত্র ইমাম হুসাইন (আঃ) এর মহান আত্...
13/07/2024

★ইমাম হোসেনের(আ:) শোক
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে থাকবে।
"--আজ যদি ইসলামের নাম থাকে, তা শুধুমাত্র ইমাম হুসাইন (আঃ) এর মহান আত্মত্যাগের কারণেই
আল্লাহর অস্তিত্বের নিশ্চিতকরণ হল *লা*তবে সেই *লা* যা একমাত্র কারবালার অন্তর্ভুক্ত--"!
*মাওলা হোসাইন ইবনে আলী জুলজালাল এর মর্যাদা।
"--আমি আল্লাহ হোসাইনকে ওহীভান্ডারের রক্ষক মনোনীত করেছি এবং তাকে শাহাদাতের মাধ্যমে সম্মান প্রদান করেছি। আর তার শেষ পরিণতিকে চরম সফল্যমন্ডিত করেছি। তাই সে–ই হল শহীদদের শিরোমণি এবং সকলের শীর্ষে তার অবস্থান । আমি আমার র্পূণ কালিমাকে তার সাথে রেখেছি এবং আমার র্পূণনিদর্শনকেও (ইমামতের ধারা) তাঁর বংশধারায় স্থাপন করেছি। আর তাঁর(আ:) বংশধারার মাধ্যমেই মানুষের প্রতিদান ও শাস্তি প্রদান করব।
*উসুল আল কাফী, খন্ড ২, পৃ. ৪৭২, মাযাআ ফি ইসনা আশার ওয়ান নাস্ আলাইহা অধ্যায়, হাদীস নং ৩।
*রাসুলুল্লাহ (সা.) হযরত ফাতিমা জাহরা (সা.আ,)-কে ইমাম হোসাইন (আ.)-এর শাহাদত ও তার কষ্টের কথা জানালে, জনাব সাইয়িদাহ(সা:আ:) খুব কাঁদলেন এবং বললেন: বাবা!
কবে হবে এসব ভোগান্তি?
*রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন---
সেই সময় যখন আপনি, আমি এবং আলী এই পৃথিবীতে থাকবেন না। হযরত যাহরার(সা:আ:) কান্নার তীব্রতা বেড়ে গেল এবং
*তিনি(সা:আ:) বললেন
"-- বাবা জান! তাহলে কে কাঁদবে এবং কে হোসেন (আ.)-এর জন্য শোক করবে?"
*আল্লাহর রসূল(স:) বললেন
"--হে ফাতিমা, এ জাতির নারীরা আমার ঘরের নারীদের জন্য কাঁদবে এবং তাদের পুরুষরা আমার পরিবারের পুরুষদের জন্য কাঁদবে।
"--হে ফাতিমা! আমার উম্মতের একদল মহিলারা আমার আহলে বাইতের নারীদের জন্য এবং তাদের পুরুষরা আমার আহলে বাইতের পুরুষদের জন্য কাঁদবে"*
*যখন কিয়ামতের দিন আসবে, তখন তুমি আমার উম্মতের নারীদের জন্য সাফায়েত করবে এবং আমি তাদের পুরুষদের সাফায়েত করব।"
*আর যারা হোসাইনের কষ্টের জন্য তাদের মধ্যে কেঁদেছিল, আমরা তার হাত ধরে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবো।
*তাদের মধ্যে যে কেউ ইমাম হোসাইন (আঃ)-এর কষ্টের সময় কাঁদবে, আমরা আহলে বাইত(আ:) তার হাত ধরে তাকে বেহেশতে নিয়ে যাব।
তারপর তিনি(স:) বললেন---
"--হে ফাতেমা! কিয়ামতের দিন প্রতিটি চোখ কাঁদবে, যে চোখ হোসাইনের (আঃ) কষ্টে কেঁদেছিল ব্যতীত, কারণ সেই চোখকে জান্নাতের নিয়ামতের সুসংবাদ দেওয়া হবে--"!
*বিহার আল-আনওয়ার, খন্ড। 44, পৃ. 293
*ইমাম হোসাইন বাদশা (আঃ) বলেছেন--,
"--আমাদের কষ্টে কারো চোখ থেকে এক ফোঁটা অশ্রুও পড়ে, তাহলে আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করবেন--"!
*মাজালিস আল-মারদিয়া পৃ. 137 318 319
*ইমাম জাফর সাদিক (আঃ) এর রায়*
*পৃথিবীতে অনেক কেঁদেছে এমন পাঁচজন,
*১) আদম (আঃ)*
*২) ইয়াকুব (আঃ)*
*৩) ইউসুফ (আঃ)*
*৪) হযরত ফাতিমা জাহরা (রা.)
*৫) হযরত ইমাম আলী জয়নুল আবিদীন (আ.)*
*মহান আল্লাহ যখন হজরত আদম (আ.)-এর তওবা কবুল করতে চাইলেন, তখন তিনি জিব্রাইল (আ.)-কে তাঁর কাছে প্রার্থনা পাঠান। এই প্রার্থনা।
*অথবা হামদ মুহাম্মদের জন্য, বা আলীর জন্য আলী, বা ফাতির ফাতিমার জন্য, বা মহসিন আল-হাসানের জন্য, বা আল-হুসানের জন্য কাদিম আল-ইহসান এবং মিঙ্ক আল-ইহসান
জনাব জিব্রাইল (আ.) হুসাইন নামটির কাছে পৌঁছানোর সাথে সাথে এই নামটি শুনে হজরত আদম (আ.)-এর হৃদয় বিষণ্ণ হয়ে পড়ে এবং তাঁর চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত হয়।
*হে আদম! তোমার সন্তান দুঃখ-কষ্টে ধন্য হবে
হে আদম! তোমার এই সন্তান এমন বিপদে পতিত হবে যে তার সামনে সমস্ত বিপদ তুচ্ছ হয়ে যাবে।
আদম (আঃ) বললেনঃ তাতে কি কষ্ট হবে?
হজরত আদম (আ.) জান্নাতে এত বেশি কেঁদেছিলেন যে তাঁর গাল নদীর মতো হয়ে গিয়েছিল।
*ইয়াকুব (আঃ) ইউসুফ (আঃ)-এর বিদায়ের সময় এত বেশি কেঁদেছিলেন যে তাঁর দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে গিয়েছিল এবং তাঁর ছেলেরা তাঁকে বলতেন, হে আল্লাহ, এখন থামুন, ক্রমাগত দুঃখের কারণে আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন।
*হজরত ইউসুফ (আ.) পিতার বিচ্ছেদের সময় এত বেশি কেঁদেছিলেন যে, কারাগারের লোকেরা বিরক্ত হয়ে উঠেছিল এবং তারা বলেছিল তুমি দিনে কাঁদলে আমরা রাতে বিশ্রাম পাব আর তুমি রাতে কাঁদলে আমরা দিনের বেলা বিশ্রাম নেব।
*হযরত ফাতিমা জাহরা (সাঃ) তাঁর পিতা মাজিদ হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শোকে এত বেশি কেঁদেছিলেন যে, মদীনাবাসী বিরক্ত হয়ে গিয়েছিল 😭
*আমির আল-মুমিনীন ইমাম আলী (আ.) তাকে কাঁদানোর জন্য মদীনার বাইরে একটি শোকের ঘর তৈরি করেছিলেন, যেখানে তিনি (আ.) তার রাজকুমারদের নিয়ে যেতেন এবং মজিদ মুহাম্মদ মুস্তফা (আ.)-এর পিতার জন্য শোকে কাঁদতেন।
*কারবালার ঘটনার পর হযরত ইমাম জয়নুল আবিদীন (আঃ) চল্লিশ বছর অবিরাম কান্নাকাটি করেন
তিনি(আ:) যখনই পানি দেখতেন তখনই কারবালাবাসীর তৃষ্ণার কথা স্মরণ করে কাঁদতেন এবং যখনই তাঁর সামনে খাবার রাখা হতো তখনই কারবালাবাসীদের ক্ষুধার কথা স্মরণ করে কাঁদতেন।
*তাফসীরে নূর আল-সাকলাইন খন্ড ৪ পৃষ্ঠা 466
খাসাল শেখ সাদুক পৃষ্ঠা 143
*আয়াতুল্লাহ আল-উযমা ইমাম জাফার আল-সাদিক (আ.) এর বর্ণনা থেকে…
"--‎ইমাম আল-হুসেইন (আ.) এর জন্য যারা কান্নাকাটি করে এবং অশ্রু ঝরায় তাদের চোখের চেয়ে আল্লাহর কাছে প্রিয় কোন চোখ ও অশ্রু নেই। এবং এমন কেউ নেই যে তার উপর কাঁদবে,তবে তিনি বিবি ফাতিমা (সা.আ) এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং তিনি (সা.আ) এতে তাকে সমর্থন করেছেন এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং আমাদের (আ.)অধিকার পূরণ করেছেন।
*কামিল আল জিয়ারাত,শেখ জাফার ইবনে মুহাম্মাদ আল-কুম্মী (রহ.),পৃষ্ঠা:-১৬৮..
*ইমাম আলী ইবনে মুসা আল-রেযা (আ.) থেকে বর্ণিত একটি দীর্ঘ বর্ণনা থেকে…
"--হে বিন শাবিব, আপনি যদি জান্নাতে রাসূল (সা.) এবং তাঁর পরিবারের (আ.) দের সাথে বসবাস করতে খুশি হন তবে হুসেইন (আ.) এর হত্যাকারীদের অভিশাপ দিন।
*আল-আমালি,শেখ আল-সাদুক (রহ.),মাজালিস নং:-২৭,হাদিস নং:-৫..
* ইমাম আলী আল-রেযা (আ.) বলেন..
"--মুহাররম মাসের আবির্ভাবের সাথে সাথে, আমার পিতা ইমাম মুসা আল-কাযিম (আ.) কে কখনো হাসতে দেখা যেত না মাসের (প্রথম) দশ দিন তাকে বিষণ্ণতা কাটিয়ে উঠত; এবং যখন মাসের দশম দিন হত। ভোরবেলা থেকে তার (আ.) এর জন্য বিপর্যয়, শোক ও কান্নার দিন এবং তিনি (আ.) বলতেন, "এটা সেই দিন যেদিন ইমাম আল-হুসেইন (আ.) শহীদ হয়েছিলেন"।
‎*আল-আমালি,শেখ আল-সাদুক (রহ.),পৃষ্টা:-১২৮..
মওলা ইমাম সাজ্জাদ (আ:) বলেন----
"-- আমি (আমার পিতাকে) বললাম যারা আমাদের(আ:) জন্য কান্নাকাটি করবে তাদের প্রতিদান কি হবে? তিনি (আ:)অন্যান্য শহীদে কারবালার লাশের দিকে ইশারা করে বললেন! যে তাদের (কান্নার) পুরস্কার এই শহীদদের সওয়াবের সমান হবে--"।
*ইমাম সাজ্জাদ (আ:) কে জিজ্ঞেস করলাম---,
*যারা কাঁদবে তাদের প্রতিদান কি হবে--?
*আমি আমার পিতাকে হযরত আলী আকবর ও কাসিম (আ:) এবং অন্যান্য শহীদদের লাশের কথা উল্লেখ করতে দেখেছি যে, তাদের প্রতিদান হবে এই শহীদদের সওয়াবের মত।
*মুক্তাল খাতি, লাইব্রেরী মিলি 2156034, পৃষ্ঠা 206*
আয়াতুল্লাহ, হুজ্জাতুল্লাহ, নূর আল্লাহ, কালামুল্লাহ, ইমাম আলী বিন হুসাইন (আ:) বলেন
"---আমি অশ্রু ঝরানো শহীদ (আমাকে কাঁদিয়ে কাঁদিয়ে নির্মমভাবে শহিদ করা হয়েছে), মুমিন আমার (মুসিবত ও দুর্যোগ) স্মরণ করা মাত্রই ক্রন্দন করবে---"।
সূত্রঃ মুস্তাদরাকুল ওয়াসায়েল ওয়া মুস্তামবাতুল মাসায়েল, খন্ড-১০, পৃষ্ঠা- ৩১১।
*প্রিয় পাঠক,
আপনি যদি চৌদ্দ মাসুম (আ:) এর শীয়া হন তবে চৌদ্দ মাসুম আঃ এর হাদিস থেকে ইহকাল পরকাল গ্রহণ করুন। কোন মার্জা মুজতাহিদ ইজতেহাদি থেকে নয় যারা মওলা হোসাইনের মাতমের উপর ফতোয়া জারি করে।
*মওলা (আ:) সকলকে সত্যি বোঝার মত তৌফিক আতা করুন।
Beshumar beshumar beshumar beshumar beshumar beshumar beshumar beshumar beshumar beshumar lanot
মুয়াবিয়া ইবনে ইয়াজিদ সকিফাইন তিন আবুবকর ওমর ওসমান লানতুল্লাহ পর যারা কারবালার পথ রচিত করেছিলো।
নিবেদনে---
মওলার করুণায় আশ্রিত
------🤲।
Labbayek ya mowla hussain (a,)
আল্লাহুম্মাল আ'ন কাতালাতা মওলা হুসাইন (আ:)
আল্লাহুম্মা সাল্লে আলা মোহাম্মদিউ ওয়া আলে মোহাম্মদ ওয়া আজ্জিল ফারজাহুম।





হযরত ইমাম হাসান ও হযরত ইমাম হুসাইন(আ:) এর মাহাত্ব-পর্ব-৪বাবা আদম(আ:) হতে মহানবী রাসুল(সা:)পর্যন্ত যত নবী রাসুল আগমণ করেছ...
13/07/2024

হযরত ইমাম হাসান ও হযরত ইমাম হুসাইন(আ:) এর মাহাত্ব-পর্ব-৪
বাবা আদম(আ:) হতে মহানবী রাসুল(সা:)পর্যন্ত যত নবী রাসুল আগমণ করেছিলেন,তাঁদের মধ্যে প্রায় প্রত্যেকে কম বেশি আল্লাহর পরীক্ষার সন্মুখিন হয়েছিলেন।কিন্তু ইমাম হুসাইন (আ:) এর মত এত বেশি পরীক্ষার সন্মুখিন কোন নবী ও রাসুলও হন নাই।কারণ মহানবী রাসুল(সা:) এর দৌহিত্র ইমাম হুসাইন(আ:) আল্লাহপাক এত বেশি পরীক্ষার সন্মুখিন করেছিলেন যাতে সমগ্র জাহানে ইমাম হুসাইন(আ:)এর আত্ম ত্যাগের মহিমা মানুষ ও জ্বীনদের অন্তরে বিধুর বেদনা সৃষ্টি করে।আমরা ইতিহাস পর্যালচনা করলে দেখতে পাই প্রতিটি যুগে-যুগে বিভিন্ন সময় শাহাদাতের ঘটনা ঘটেছিল,কিন্তু ইমাম হুসাইন(আ:)এর শাহাদাতের ঘটনা ছিল সেগুলি হতে ব্যতিক্রম।ইমাম হুসাইন(আ:)এর শাহাদাতের মর্যাদা হলো শাহাদাতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের।কারণ হিসাবে বলা যায় মহাণ আল্লাহপাক ইমাম হুসাইন(আ:)কে যত বেশি পরীক্ষা দিয়েছেন ঠিক তেমনই ততবেশি ধৈর্য শক্তিও দিয়েছেন।ইমাম হুসাইন(আ:) এর শাহাদাত হলো আল্লাহর বিশেষ একটি বড় নেয়ামত।এই বড় নেয়মত সকলেই লাভ করতে পারে না,যা ইমাম হুসাইন(আ:) লাভ করেছিলেন।আমরা যদি একটু পিছনে ফিরে যাই আমরা সেখানে দেখতে পাই আল্লাহপাক হযরত ইসমাঈল(আ:) এর কোরবানী কবুল না করে হযরত ইমাম হুসাইন(আ:) এর কোরবানী কবুল করে নিলেন।এখন আমরা মহাণ আল্লাহপাকের এরুপ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ যদি গভির মনযোগের সহিত গবেষণা করি তাহলে বুঝতে পারব যে আখেরী জামানা হলো ফেৎনা ফ্যাসাদের জামানা।এই জামানার মানুষদের ঈমানী শক্তি হবে খুবই দূর্বল।ধর্মের লেবাসধারীরা আল্লাহ ও রাসুলের বাণী আম জনতার কাছে বিণিময়ের মাধ্যেমে বিক্রি করবে এবং ধোকা দিয়ে বোকা বানিয়ে করবে ঈমান হারা।আমি অধম এ কথা বলিনা জামানা প্রমাণ করে।অথচ আল্লাহ বলেন,তোমরা তাদের আনুগত্য কর যারা তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান (বিণিময়) চায় না এবং যারা নিজেরাই হেদায়েত লাভ করেছে এবং সৎপথে চলে-সুরা ইয়াসিন,আযাত-২১।আল্লাহ আরও বলেছেন,তোমরা আল্লাহর রং ধারণ কর আর কার রং আল্লাহর রঙ্গের চাইতে উত্তম-সুরা বাকারা,আয়াত-১৩৭।আবার রাসুল (সা:) বলেন,তোমরা আল্লাহর গুণে গুণাম্বিত হও-হাদিস।আল্লাহ আরও বলেছেন, তোমরা সত্যকে মিথ্যার সঙ্গে মিশ্রিত করো না এবং জেনে শুনে সত্য গোপন করো না-সূরা: আল বাকারা,আয়াত: ৪২। বাস্তবিক অর্থে আমাদের প্রিয় নবীপাক(সা:) এর প্রচারিত ইসলাম এখন আর সেই ইসলাম নাই।ইয়াজিদ সেই ইসলামের কবর রচিত করে দরবারী পোষ্য আলেম দিয়ে তাঁর মত করে সাজিয়ে গুছিয়ে যেভাবে দিয়ে গেছে সেটা নিয়ে দুনিয়া লোভী ইয়াজিদী মোল্লা-মুন্সিরা একমাত্র ইসলাম বলে গলা ফাঁটিয়ে চিৎকার করে সর্বত্র প্রচার করছে।অথচ যে ইসলাম আমরা সমাজে দেখতে পাই তা খোলস তাঁর ভিতরে মজ্জা বলতে কিছু নাই।আসল ইসলামতো কারবালার প্রান্তরে ইমাম হুসাইন(আ:) শাহাদাতের পূর্বে তার তনয় ইমাম জয়নুর আবেদী(আ:) এর নিকট দিয়ে গেলেন।ইমাম জয়নুল আবেদীন (আ;) হতে পরস্পরায় সুফি ওলী আউলিয়াদের কাছে পৌঁছায়।আর এভাবে নূরে মোহাম্মদীর প্রচারিত ইসলাম যা ইমাম হুসাইন(আ:) কারবালার ময়দানে ইমাম জয়নুল আবেদীন(আ;)কে দিয়ে গিয়েছিলেন তা সুফি ওলী আউলিয়াদের মাধ্যেমে যুগে যুগে প্রচারিত হয়ে আসতেছে।এখন যারা ইমাম হুসাইন(আ:) এর আদর্শ গ্রহণ করে ধর্মের পথে চলবে কেবল তাঁরাই নূরে মোহাম্মদীর উম্মতের মধ্যে গণ্য হবে।কারণ মহানবী রাসুল(সা:) এর ওফাতের পর ইসলাম ৩ কুড়ি ১৩ খন্ডে বিভক্ত হয়ে গেছে।এর মধ্যে ৭২ খন্ডই বিপদগামী ১ খন্ড মুক্তিকামী।আর এই মুক্তি কামী দলের নেতা কারবালার ময়দানে নিজের জান কোরবানী দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে, হক পথের অনুগামী যারা তারা কখনও বাতিলের কাছে মাথা নত করে না।চলমান।

ইমাম হুসাইন আঃ এর মাথা বর্শায় বিদ্ধ করে-নবী পরিবারের একমাত্র জীবিত ইমাম সাজ্জাদ আঃ এর সাথে ৬ বছরের সাকিনা সহ নবী পরিবারে...
13/07/2024

ইমাম হুসাইন আঃ এর মাথা বর্শায় বিদ্ধ করে-নবী পরিবারের একমাত্র জীবিত ইমাম সাজ্জাদ আঃ এর সাথে ৬ বছরের সাকিনা সহ নবী পরিবারের সকল মেয়েদের কুফা থেকে সিরিয়া ১০০০ মাইল পথ হাটিয়ে নেয়া হয়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Emam Hussain and Truth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share