Dawah-দাওয়াহ্

Dawah-দাওয়াহ্ Enjoy your life with islam! ^‿^✿

💔💔
01/11/2024

💔💔

 #পবিত্র_যুলহিজ্বারাসূল ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তা'য়ালার নিকট যিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিনের আমলের চেয়ে অধিক প্রিয় আর অন্য কোনো দ...
18/06/2023

#পবিত্র_যুলহিজ্বা

রাসূল ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তা'য়ালার নিকট যিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিনের আমলের চেয়ে অধিক প্রিয় আর অন্য কোনো দিনের আমল নয়। সুতরাং তোমরা এই দিনগুলোতে সিয়াম পালন করো এবং অধিক পরিমানে তাসবীহ তাহলীল, যিকির আযকার পাঠ করো। [মুসনাদে আহমাদ- ৫৪৪৬]

যিলহজ্ব মাস পবিত্র হজ্বের মাস,ত্যাগ ও কুরবানীর মাস।এক কথায় বলা চলে লাইলাতুল ক্বদরের মতোই মূল্যবান।তাই আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকা দরকার এই পবিত্র মাসকে সর্বোত্তমভাবে কাটানোর।

যিলহজ্ব_মাসের_আমল:

১) যিলহজ্ব মাস কবে শুরু?

আরবী মাস চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল।
১৯ জুন যিলক্বদ মাসের ২৯ দিন শেষ হবে,ইন শা আল্লাহ।
ঐ দিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখতে হবে।কারণ আরবী মাস কখনো ২৯ দিনে হয় আবার কখনো ৩০ দিনে হয়।

২) রোযা রাখবো কবে?
যদি ১৯ জুন সোমবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যায় তাহলে ঐ দিন রাতেই সাহরি খেয়ে ২০ জুন মঙ্গলবার থেকে যিলহজ্বের রোযা রাখা শুরু করতে হবে।
(সেই ভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে)
আর যদি ১৯ তারিখ সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা না যায় তাহলে ২০ তারিখ মঙ্গলবার রাতে সাহরি খেয়ে ২১ তারিখ বুধবার থেকে রোযা রাখতে হবে।

৩) কতগুলো রাখবো?
রোযা মোট ৯ টা (১~৯ যিলহজ্ব)। সবগুলো রাখাই উত্তম।
সব না পারলে সাধ্যমত রাখতে হবে।
অন্তত কিছু না হলেও শেষের দুটো রোযা (৮, ৯ যিলহজ্জ) বা শেষ (৯ যিলহজ্জ) একটা রোযা রাখা উচিত।

এগুলো নফল রোযা।
কেউ না রাখলে গুনাহ হবে না।
কেউ আবার ভাববেন না যে রাখতেই হবে। আপনার ইচ্ছা, আপনি আপনার আখেরাত কেমন ভাবে গড়বেন।
যাদের রমজানের কাযা আছে তারা কাযা রোযার নিয়ত করতে পারেন।

৪) শুনেছি ঈদের আগের দিন রোযা রাখা হারাম?
ভুল শুনেছেন।
বছরের ৫ দিন রোযা রাখা হারাম।
শাওয়ালের ১ তারিখ (রোযার ঈদের দিন), যিলহজ্বের ১০, ১১, ১২, ১৩ তারিখ (কুরবানি ঈদের দিন ও পরের ৩ দিন)। মোট ৫দিন।

৫) আমি তো কুরবানী দিবো না তাহলে?
এই রোযা গুলো নফল।
কুরবানীর সাথে সম্পর্ক না।
আপনি রাখলে সওয়াব পাবেন।
না রাখলে সমস্যা নাই।

৬ ) শুনেছি যারা কুরবানী করবে তারা নখ চুল ইত্যাদি কাটবে না?
জী। যারা কুরবানী করবে তাদের জন্য সুন্নাত হলো যিলহজ্ব শুরুর পর থেকে কুরবানী না করা পর্যন্ত চুল, নখ, গুপ্তাঙ্গ পরিষ্কার না করা।
এজন্য যিলহজ্ব মাস শুরুর আগেই এই কাজ গুলো করে নিতে হবে।
যারা কুরবানী করবে না তারাও এই আমল গুলো করলে সওয়াব পাবে ইনশাআল্লাহ।নারী পুরুষ ছেলে মেয়ে সবাই করতে পারবে এই আমল।
এই আমল করতে চাইলে ১৯/২০ জুন যিলহজ্বের চাঁদ উঠার আগেই অর্থাৎ সন্ধ্যার আগেই সব কিছু পরিষ্কার করে নিতে হবে।সেই ভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে সবাইকে।

৭) রোযা রাখতে গিয়ে যদি সাহরি খেতে না পারি?
সাহরি খাওয়া সুন্নাত।
ইচ্ছা করে ত্যাগ করা যাবে না।
যদি ঘুমের কারনে টের না পাওয়া যায় তাহলে কিছু না খেয়ে শুধু নিয়ত করে রাখলেই রোযা হবে।
নফল রোযা রাখছি বললেই হবে।অন্যদিকে রোযা রাখার জন্য সাহরি করলেই নিয়ত হয়ে যাবে (ইনশা আল্লাহ) মুখে না বল্লেও চলবে।

৮ ) আরাফার দুআ ও তাকবীরে তাশরীক কি?
আরাফার দুআ আরাফার দিনে পড়তে হয়। তবে সেটা অন্যান্য যে কোন সময়ও পড়া যাবে।
দুআ টি হলোঃ
لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ
وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ
لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ
وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু
ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাই ইং ক্বদির।

(আরবি উচ্চারণ কোন ভাষাতেই সঠিক ভাবে লেখা যায় না।তাই অবশ্যই আরবী দেখে পড়ে নিতে হবে)

৯) নীচের তাসবীহটি বেশী বেশী পড়বেন।
سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ وَسُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيْمِ
উচ্চারণ: সুবহানাল্লহি ওয়া বিহামদিহি ওয়া সুবহানাল্লহিল আযীম ।

একবার "সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি" পাঠ করা হলো আল্লাহর রাস্তায় পাহাড় পরিমান স্বর্ণ দান করার চেয়েও উত্তম। (সহীহ আত তারগীব ১৫৪১, তাবারানি ফিল কাবির ৭৭৯৫)

১০)দৈনন্দিন সকাল সন্ধ্যার জিকিরগুলো পড়া সাথে অন্যান্য জিকিরগুলো কাজের ফাকে, হাটতে চলতে করতে থাকা।
যেমনঃ সুবাহানআল্লাহ,আলহামদ­লিল্লাহ,আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ইত্যাদি বেশি বেশি পাঠ করা

উম্মু হানি (র.) রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বলেন, “ইয়া রসূলুল্লাহ, আমি বৃদ্ধ ও দুর্বল হয়ে গিয়েছি, আমাকে এমন একটি আমল শিখিয়ে দিন যা আমি বসে বসে পালন করতে পারবো।
তিনি বলেনঃ "তুমি ১০০ বার "সুব'হানআল্লাহ" বলবে তাহলে ১০০টি ক্রীতদাস মুক্ত করার সমপরিমাণ সাওয়াব তুমি পাবে।
তুমি ১০০ বার "আলহামদুলিল্লাহ" বলবে, তাহলে আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধের জন্য ১০০ টি সাজানো ঘোড়ায় মুজাহিদ প্রেরণের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে।
তুমি ১০০ বার "আল্লাহু আকবার" বলবে, তাহলে ১০০টি মাকবুল উট কুরবানির সমপরিমাণ সাওয়াব তুমি পাবে।তুমি ১০০ বার "লা-ইলাহা ইল্লাহ" বলবে, তাহলে তোমার সাওয়াবে আসমান ও জমীন পূর্ণ হয়ে যাবে (এবং তোমার কোন পাপই বাকি থাকবেনা)।”
(মুসনাদে আহমাদ ৬/৩৪৪, সুনানু ইবনু মাজাহ ২/১২৫২,নং ৩৮১০, নাসাঈ, কুবরা ৬/২১১, মুসতাদারাক হাকিম ১/৬৯৫, মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/৯২; আলবানী সহীহাহ ৩/৩০২,৩৯০,নং ১৩১৬)

১১)প্রতিদিন কুরআন শরিফ থেকে একশটি আয়াত পড়া।
তাহলে সারারাত্রিতে টানা তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করার সওয়াব পাওয়া যাবে ইন শা আল্লাহ। (সহিহুল জামে ৬৪৬৮)
(সূরা কদর থেকে সর্বশেষ সূরা নাস পর্যন্ত পড়া যায়।
কম সময়ে অতি সহজে ১০০ আয়াত পূর্ন হয় এতে)

১২)প্রতিদিন কুরআন শরিফ থেকে দশটি আয়াত তিলাওয়াত করা। তাহলে আমলনামায় কিন্তার পরিমান সাওয়াব লিখা হবে।
কিন্তার হল পৃথিবী ও তার মধ্যস্থ সকল কিছুর চেয়েও শ্রেষ্ঠ।
(সহিহ তারগিব ৬৩৮)

১৩)সূরা ইখলাস যতক্ষণ পারা যায় পড়তে থাকা।

তিনবার সূরা ইখলাস পড়লে আমলনামায় পুরো এক খতম কুরআন পড়ার সাওয়াব লেখা হবে।
(সহীহ বুখারি ৫০১৫)

বেশি বেশি দুরুদ পড়া(দরুদে ইব্রাহিম সর্বোত্তম দরুদ) “সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম" শুধু এতটুকু পড়লেও দুরুদ পড়া হয়।

১৪)বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করা।
ছোট্ট একটা ইস্তেগফার হলোঃ
"আস্তাগফিরুল্লাহি ওয়াতুবু ইলাইহি"।
অথবা শুধু “আস্তগফিরুল্লাহ”

১৫)এই ১০ দিনের প্রতিদিন কমপক্ষে ১ টাকা করে হলেও দান করা।তাতে পবিত্র মাসে দানকারী হিসেবে আমলনামায় নাম লেখা হবে।সরাসরি দেয়ার ব্যবস্থা না থাকলে আলাদা একটা বক্সে নিয়্যাত করে রেখে দেয়া। পরে সুযোগ মতো হকদারকে সেটা দিয়ে দেয়া যায়।

১৬) আরাফার রোযা কবে?
আরাফার রোযা ৯ই যিলহজ্ব অর্থাৎ ঈদের আগের দিন। বাংলাদেশে ঈদ সৌদির একদিন পরে হয়।
তাই আলেমগণ বলেন ঈদের আগের দুই দিন রোযা রাখতে।

রাসূল সল্লল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ
আরাফার দিনের রোজা সম্পর্কে আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশাবাদী যে, এতে তিনি পূর্ববর্তী এক বছর এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহসমূহ মাফ করে দিবেন। -[সহিহ মুসলিম হাদিস নং- ২৬৩৬]

১৭)তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা।প্রত্যেক বালেগ পুরুষ ও নারীর উপর ফরয নামায শেষ করে ১ বার উচ্চস্বরে পড়া ওয়াজিব। নারীরা নিজে শুনতে পারবে এমন ভাবে পড়বে বেশি উচু স্বরে পড়বে না।
তাকবীর হলঃ

اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أكْبَرُ،
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ،
وَاللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ
ﻭ ﻟِﻠّﻪ الحَمْدُ
আল্লহু আকবার আল্লহু আকবার
লা-ইলাহা ইল্লাল্লহু
ওয়াল্লহু আকবার আল্লহু আকবার
ওয়ালিল্লাহিল হামদ

(আরবি উচ্চারণ বাংলাতে সঠিক ভাবে লেখা যায় না। কারো থেকে শিখে নিবেন)

কবে_কখন_পড়তে হবেঃ_______
০৯ যিলহজ্জ = ফজর যোহর আছর মাগরিব ইশা
১০ যিলহজ্জ = ফজর যোহর আছর মাগরিব ইশা
১১ যিলহজ্জ = ফজর যোহর আছর মাগরিব ইশা
১২ যিলহজ্জ = ফজর যোহর আছর মাগরিব ইশা
১৩ যিলহজ্জ = ফজর যোহর আছর..

সকল ওয়াক্তে ফরয নামাযের সালামের পরপর ১ বার পুরুষদের উচ্চ স্বরে পড়বেন আর নারীদের নিজে শোনার মত পড়তে হবে।এভাবে মোট ২৩ ওয়াক্ত।

সুন্নাত নফল ওয়াজিব নামাযে পড়া লাগবে না।

১৮) এ সময় কি যাকাত দেওয়া যাবে?
জী যাবে। যাকাত যে কোন সময় দেওয়া যায়।
যার যাকাত যখন ফরয হয় তখন দিয়ে দেওয়াই উত্তম।

২০)যার উপর কুরবানী ওয়াজিব,তাঁর কুরবানী করা।
মহিলাদের ক্ষেত্রেও কুরবানীর শর্ত পূরণ হলে তাঁকেও কুরবানীর ওয়াজিব আদায় করতে হবে।

(সংযোজিত ও পরিমার্জিত)

রব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন।সওয়াবের উদ্দেশ্যে পোস্ট টা কপি/শেয়ার করে নিজের আমলনামায় সওয়াবে জারিয়াহ এর ব্যবস্থা করতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

©

23/09/2022

It's Friday!
May Allah remove our sadness and accept our silent prayers.

21/09/2022

কোন তাকওয়াবান মুসলিম পূজার ডিসকাউন্ট নিবেনা হোক সেটা অনলাইন বা অফলাইন।

কখনোই না!আল্লাহর সাথে শিরক করা হয়,আল্লাহর সাথে জুলুম যেখানে হয় সেই ডিসকাউন্ট নেওয়া তাকওয়া পরিপন্থী💔

এইসব থেকে একজন মুসলমান হিসেবে বিরত থাকা উচিত।

াওয়াহ্

18/08/2022
Select a color and open it 🖤...
08/08/2022

Select a color and open it 🖤...

আস্তাগফিরুল্লাহসুবহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আল্ল-হু আকবারসুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহীআল্ল-হুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম 'আলা না...
05/08/2022

আস্তাগফিরুল্লাহ
সুবহানাল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
আল্ল-হু আকবার
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী
আল্ল-হুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম 'আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ

আসুন বেশি বেশি যিকির করি...
সূরা কাহফ পড়তে যেন না ভুলি...
দোয়ায় সবাইকে মনে রাখা ইন শা আল্লাহ...
(Friday Reminder)🥀

াওয়াহ্

05/08/2022

আজকে আপনি আল্লাহর যেই সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট, আজকে আল্লাহ আপনাকে যেই পর্যায়ে রেখেছেন সেটা নিয়ে আপনি হায়-হুতাশ করেন। ওয়াল্লাহি, ওয়াল্লাহি! জীবনের এমন একটা সময় আসবে যখন আপনি বুঝতে পারবেন, আল্লাহ যা করেছেন, যে পর্যায়ে আপনাকে রেখেছিলেন সেটাই আপনার জন্য কল্যাণকর ছিল। আর সেদিন লজ্জাবনত বদনে বলবেন — ‘ইয়া রব, আসলেই আপনার সকল সিদ্ধান্ত আমার জন্য কল্যাণকর ছিল তখন আফসোস করেছি কিন্তু এখন সেটা বুঝতে পারছি।’

াওয়াহ্

এক ঈদের পর আরেক ঈদ চলে গেল, কিন্তু এখনও ফযর নামাজটা ধরতে পারলাম না...আমাদের অনেকেরই দিন শুরু হয় সকাল দশটায়। কারো-বা এগার...
03/08/2022

এক ঈদের পর আরেক ঈদ চলে গেল,
কিন্তু এখনও ফযর নামাজটা ধরতে পারলাম না...
আমাদের অনেকেরই দিন শুরু হয় সকাল দশটায়। কারো-বা এগারোটায়। কারো তো একেবারে যোহরের আযান পড়লে! কেউ কেউ পড়াশোনা ও জীবিকার তাগিদে সাতটা-আটটার দিকে উঠে যান ঠিকই, কিন্তু আরেকটু আগে উঠে ফযরের নামাযটা পড়তে পারেন না। এ এক অপ্রিয় সত্য, দুঃখজনক বাস্তবতা!
একটু গুরুগম্ভীর আলোচনায় যাবার আগে একটা ঘটনা বলে নিই। পাকিস্তানের জনপ্রিয় ক্রিকেটার ইউসুফ ইউহান্না খ্রিস্টান থেকে মুসলিম হবার পর একবার তাকে রিপোর্টাররা ঘিরে ধরে। সাক্ষাৎকারে তারা যখন জানতে পারে তিনি ফযরের নামায পড়ার জন্য ভোর চারটার দিকে উঠে পড়েন, তখন তো তারা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায়। এতো সকালেও ওঠা যায়?!
আমাদের এই ডিভাইস আর ইন্টারনেট আসক্ত জেনারেশনের জন্য ফযরের নামায যেন একটা আতঙ্ক! আল্লাহ আমাদের মাফ করুন। তাই ফযরের নামায আমাদের অনেকের জন্যই বেশ কড়া একটা পরীক্ষা। ঘুমটা যেন ফযরের আগে গিয়েই সবচেয়ে বেশি গভীর হয়। সেই অবস্থায়, ঘুমে জ্বলতে থাকা চোখ দুইটা মেলে, শরীরটা রীতিমতো টেনেহিঁচড়ে বিছানা থেকে তুলে, ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ওযু করে নামাযে দাঁড়াতে পারা অনেকের কাছেই এভারেস্ট বিজয়ের মতো কিছু একটা!
কিন্তু এসব অজুহাতে কি ফযর কাযা করা যায়, বলেন? উহু, মোটেই না। ফযর ধরতেই হবে, যে করেই হোক। কিন্তু কীভাবে? আসুন, কিছু আইডিয়া শেয়ার করি—ফযর কাযা না করার আইডিয়া।
🟥 #আইডিয়া_১: আমাদের তরফ থেকে এক নাম্বার আইডিয়া হলো, ফযর নামায আদায় করতে হলে প্রথমেই আপনাকে যে বিষয়টি নিয়ে সিরিয়াস হতে হবে তা হচ্ছে ফযর আর করবো না কাযা। এইটা আমাদের মাথায় গেঁথে নিতে হবে—সবার আগে। যখন মন প্রস্তুত হবে, তখনই আসলে আসল কাজের কাজ শুরু হবে।
🟥 #আইডিয়া_২: ঘুমের সুন্নাহ অনুসরণ করুন। এশার নামাযের পর যথাসম্ভব দ্রুত শুয়ে পড়ার উদ্যোগ নিন। যত দ্রুত শুয়ে পড়তে পারবেন, ফযরে উঠতে পারার সম্ভাবনা তত বেশি বেড়ে যাবে।
🟥 #আইডিয়া_৩: ফোনে অ্যালার্ম তো দেবেনই, সাথে আরও কিছু আয়োজন করে রাখতে পারেন। আজকাল বেশ চমৎকার কিছু অ্যাপ পাওয়া যায় প্লেস্টোরে, একটার নাম বলে দেই—Alarmy । এগুলোর মাধ্যমে অ্যালার্ম সেট করে রাখলে সেটা কার্যকরী হয় বেশি। এসব অ্যাপ যা করে তা হলো অ্যালার্ম বন্ধ করতে হলে আপনাকে কিছু কাজ করা লাগে। ধরেন, আপনাকে একটা ম্যাথ সলভ করতে হবে, না হলে অ্যালার্ম বন্ধ হবে না। ম্যাথ সলভ করতে করতে আপনার ঘুম ততক্ষণে হাওয়া!
🟥 #আইডিয়া_৪: ঘুমের আগে বেশি খাবেন না। ডিনার দ্রুত সেরে ফেলুন। এতে যেমন শরীর একদম ছেড়ে দেবে না এবং ঘুমও দীর্ঘ হবে না। পারলে পর্যাপ্ত পানি পান করে নিন ঘুমানোর আগে। এতে করে অন্তত প্রকৃতির ডাকে হলেও বাধ্য হয়ে উঠে পড়তে হবে।
🟥 #আইডিয়া_৫: ঘুমের আগে তিলাওয়াত করুন। অল্প হলেও করুন। তারপর আল্লাহর কাছে চান, আন্তরিকভাবে চান যেন তিনি আপনাকে ফযরে ওঠার তাওফিক দেন। এরপর ফযরের আগে একটা টাইম মনে মনে সেট করে নিয়ে শুয়ে পড়ুন। দেখবেন ঠিক ঠিক সেই টাইমটাতেই আপনি উঠে পড়তে পেরেছেন, ইনশাআল্লাহ।
তো এই ছিলো আমাদের কিছু আইডিয়া। আপনার মাথায় কিছু এলো কি? শেয়ার করতে পারেন আমাদের সাথে।

সংগৃহীত।

আজ দোয়া কবুলের দিন👑সুরা কাহফ, দুরুদ, ইস্তেগফার আর দোয়া করতে যেন না ভুলি! দোয়ার দরখাস্ত রইল ❤️✨(Collected pic) াওয়াহ্
29/07/2022

আজ দোয়া কবুলের দিন👑
সুরা কাহফ, দুরুদ, ইস্তেগফার আর
দোয়া করতে যেন না ভুলি!

দোয়ার দরখাস্ত রইল ❤️✨

(Collected pic)

াওয়াহ্

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dawah-দাওয়াহ্ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share