Muslim Ummah

Muslim Ummah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Muslim Ummah, Religious Center, Dhaka.

08/06/2022

I am From Bangladesh. I strongly condemn heinous act of Extremist BJP spokesperson Nupur Sharma,Navin Jindal and Other ruling leaders abusing our Prophet Mohammad (SM).

‎⁧‫ ‬⁩
‎⁦‪ ‬⁩
‎⁦‪ ‬⁩
‎⁦‪ ‬⁩

11/03/2022

একমাত্র আল্লাহ পাকের ভালোবাসাই সত্য এবং স্থায়ী!! আর বাদ বাকী সব ভালোবাসা মিথ্যা, কপট এবং ক্ষনস্থায়ী!!!

13/08/2021

(১) ‘হে জনগণ! আল্লাহর কসম, আমি জানিনা আজকের পরে আর কোনদিন তোমাদের সঙ্গে এই স্থানে মিলিত হ’তে পারব কি-না। অতএব আল্লাহ রহম করুন ঐ ব্যক্তির উপরে যে ব্যক্তি আজকে আমার কথা শুনবে ও তা স্মরণ রাখবে। কেননা অনেক জ্ঞানের বাহক নিজে জ্ঞানী নয় (সে অন্যের নিকট জ্ঞান বহন করে নিয়ে যায়) এবং অনেক জ্ঞানের বাহক তার চাইতে অধিকতর জ্ঞানীর নিকটে জ্ঞান বহন করে নিয়ে যায়। (২) জেনে রেখ, নিশ্চয়ই তোমাদের মাল-সম্পদ ও তোমাদের রক্ত তোমাদের পরস্পরের উপরে হারাম, যেমন আজকের এই দিন, এই মাস, এই শহর তোমাদের জন্য হারাম’ (অর্থাৎ এর সম্মান বিনষ্ট করা হারাম)। (৩) জেনে রেখ, তিনটি বিষয়ে মুমিনের অন্তর খিয়ানত করে না : (ক) আল্লাহর উদ্দেশ্যে এখলাছের সাথে কাজ করা। (খ) শাসকদের জন্য কল্যাণ কামনা করা এবং (গ) মুসলমানদের জামা‘আতকে অাঁকড়ে ধরা। কেননা তাদের দো‘আ তাদেরকে পিছন থেকে (শয়তানের প্রতারণা হ’তে) রক্ষা করে’ (দারেমী হা/২২৭, সনদ ছহীহ)। অর্থাৎ মুমিন যতক্ষণ উক্ত তিনটি স্বভাবের উপরে দৃঢ় থাকবে, ততক্ষণ তার অন্তরে খিয়ানত বা বিদ্বেষ প্রবেশ করবে না। যা তাকে ইলম প্রচারের কাজে বাধা দেয়। আর তিনিই হবেন কামেল মুমিন’ (মির‘আত হা/২২৯-এর ব্যাখ্যা)।

ছাহেবে মিরক্বাত বলেন,لُزُومِ جَمَاعَةِ الْمُسْلِمِينَ অর্থ আক্বীদা ও সৎকর্মে সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকা এবং জুম‘আ, জামা‘আত ও অন্যান্য বিষয়ে সকলে অংশগ্রহণ করা।فَإِنَّ دَعْوَتَهُمْ تُحِيطُ مِنْ وَرَائِهِمْ অর্থ তাদের দো‘আ তাদেরকে শয়তানী প্রতারণা এবং পথভ্রষ্টতা হ’তে পিছন থেকে তাদের রক্ষা করে। এর মধ্যে ধমকি রয়েছে, যে ব্যক্তি জামা‘আত থেকে বেরিয়ে যাবে, সে ব্যক্তি জামা‘আতের বরকত ও মানুষের দো‘আ থেকে বঞ্চিত হবে। এছাড়াও এর মধ্যে ইঙ্গিত রয়েছে যে, জামা‘আতবদ্ধ জীবন যাপন করা অধিক উত্তম বিচ্ছিন্ন থাকার চাইতে’। কোন কোন বর্ণনায়مَنْ وَرَائَهُمْ এসেছে। অর্থাৎ তাদের পিছনে যারা আছে, তারা তাকে রক্ষা করে। ত্বীবী বলেন, এর দ্বারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতকে বুঝানো হয়েছে। যাদের দো‘আ তাদের পরবর্তী বংশধরগণকেও পথভ্রষ্টতা হ’তে রক্ষা করে’ (মিরক্বাত, শরহ মিশকাত হা/২২৮-এর ব্যাখ্যা)।

২. জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, বিদায় হজ্জের দিন সূর্য ঢলে যাওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ক্বাছওয়া (الْقَصْوَاءُ) উটনীর পিঠে সওয়ার হয়ে বাত্বনুল ওয়াদীতে আরাফাহ ময়দানে আসেন। অতঃপর লোকদের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে তিনি বলেন,

أَيُّهَا النَّاسُ، إِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ حَرَامٌ عَلَيْكُمْ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا، فِيْ شَهْرِكُمْ هَذَا، فِيْ بَلَدِكُمْ هَذَا- أَلاَ كُلُّ شَىْءٍ مِنْ أَمْرِ الْجَاهِلِيَّةِ تَحْتَ قَدَمَىَّ مَوْضُوْعٌ وَدِمَاءُ الْجَاهِلِيَّةِ مَوْضُوْعَةٌ وَإِنَّ أَوَّلَ دَمٍ أَضَعُ مِنْ دِمَائِنَا دَمُ ابْنِ رَبِيعَةَ بْنِ الْحَارِثِ كَانَ مُسْتَرْضِعًا فِى بَنِى سَعْدٍ فَقَتَلَتْهُ هُذَيْلٌ- وَرِبَا الْجَاهِلِيَّةِ مَوْضُوْعٌ وَأَوَّلُ رِبًا أَضَعُ رِبَانَا رِبَا عَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ فَإِنَّهُ مَوْضُوْعٌ كُلُّهُ- فَاتَّقُوا اللهَ فِى النِّسَاءِ فَإِنَّكُمْ أَخَذْتُمُوْهُنَّ بِأَمَانِ اللهِ وَاسْتَحْلَلْتُمْ فُرُوْجَهُنَّ بِكَلِمَةِ اللهِ وَلَكُمْ عَلَيْهِنَّ أَنْ لاَّ يُوْطِئْنَ فُرُشَكُمْ أَحَدًا تَكْرَهُوْنَهُ. فَإِنْ فَعَلْنَ ذَلِكَ فَاضْرِبُوْهُنَّ ضَرْبًا غَيْرَ مُبَرِّحٍ وَلَهُنَّ عَلَيْكُمْ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِالْمَعْرُوْفِ- وَقَدْ تَرَكْتُ فِيْكُمْ مَا لَنْ تَضِلُّوْا بَعْدَهُ إِنِ اعْتَصَمْتُمْ بِهِ كِتَابَ اللهِ، وَأَنْتُمْ تُسْأَلُوْنَ عَنِّىْ فَمَا أَنْتُمْ قَائِلُوْنَ- قَالُوْا نَشْهَدُ أَنَّكَ قَدْ بَلَّغْتَ وَأَدَّيْتَ وَنَصَحْتَ. فَقَالَ بِإِصْبَعِهِ السَّبَّابَةِ يَرْفَعُهَا إِلىَ السَّمَاءِ وَيَنْكُتُهَا إِلَى النَّاسِ، اللهُمَّ اشْهَدْ، اللهُمَّ اشْهَدْ- ثَلاَثَ مَرَّاتٍ- رواه مسلم-

‘হে জনগণ! নিশ্চয়ই তোমাদের রক্ত ও মাল-সম্পদ তোমাদের পরস্পরের উপরে হারাম, যেমন আজকের এই দিন, এই মাস, এই শহর তোমাদের জন্য হারাম’ (অর্থাৎ এর সম্মান বিনষ্ট করা হারাম)। (৪) ‘শুনে রাখ, জাহেলী যুগের সকল কিছু আমার পায়ের তলে পিষ্ট হ’ল। জাহেলী যুগের সকল রক্তের দাবী পরিত্যক্ত হ’ল। আমাদের রক্ত সমূহের প্রথম যে রক্তের দাবী আমি পরিত্যাগ করছি, তা হ’ল রাবী‘আহ ইবনুল হারেছ বিন আব্দুল মুত্ত্বালিব-এর শিশু পুত্রের রক্ত। যে তখন বনু সা‘দ[1] গোত্রে দুগ্ধ পান করছিল, আর হোযাইল গোত্রের লোকেরা তাকে হত্যা করেছিল’। (৫) ‘জাহেলী যুগের সকল সূদ পরিত্যক্ত হ’ল। আমাদের সূদ সমূহের প্রথম যে সূদ আমি শেষ করে দিচ্ছি সেটি হ’ল (আমার চাচা) আববাস বিন আব্দুল মুত্ত্বালিবের পাওনা সূদ। যার সবটুকুই বাতিল করা হ’ল। (৬) ‘তোমরা নারীদের বিষয়ে আল্লাহকে ভয় কর। কেননা তোমরা তাদেরকে আল্লাহর আমানত হিসাবে গ্রহণ করেছ এবং আল্লাহর কালেমার মাধ্যমে তাদেরকে হালাল করেছ। তাদের উপরে তোমাদের প্রাপ্য হক হ’ল এই যে, তারা তোমাদের বিছানা এমন কাউকে মাড়াতে দেবে না, যাদেরকে তোমরা অপসন্দ কর। যদি তারা সেটা করে, তবে তোমরা তাদের প্রহার করবে যা গুরুতর হবে না। আর তোমাদের উপরে তাদের প্রাপ্য হক হ’ল উত্তমরূপে খাদ্য ও পরিধেয় প্রদান করা’। (৭) ‘আর জেনে রাখ, আমি তোমাদের মাঝে ছেড়ে যাচ্ছি এমন এক বস্ত্ত, যা মযবুতভাবে ধারণ করলে তোমরা কখনোই পথভ্রষ্ট হবে না। সেটি হ’ল আল্লাহর কিতাব’। (৮) ‘আর তোমরা আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। তখন তোমরা কি বলবে? লোকেরা বলল, আমরা সাক্ষ্য দিব যে, আপনি সবকিছু পৌঁছে দিয়েছেন, (রিসালাতের আমানত) আদায় করেছেন এবং উপদেশ দিয়েছেন’। অতঃপর তিনি শাহাদাত অঙ্গুলী আসমানের দিকে উঁচু করে অতঃপর সমবেত জনমন্ডলীর দিকে নীচু করে বললেন, ‘হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী থাক’ (তিনবার)।[2]

৩. ফাযালাহ বিন ওবায়েদ (রাঃ) বলেন, বিদায় হজ্জের ভাষণে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন,

أَلاَ أُخْبِرُكُمْ بِالْمُؤْمِنِ؟ مَنْ أَمِنَهُ النَّاسُ عَلَى أَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ وَالْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ النَّاسُ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ وَالْمُجَاهِدُ مَنْ جَاهَدَ نَفْسَهُ فِى طَاعَةِ اللهِ وَالْمُهَاجِرُ مَنْ هَجَرَ الْخَطَايَا وَالذُّنُوبَ

(৯) ‘আমি কি তোমাদেরকে মুমিন সম্পর্কে খবর দিব না? সে ঐ ব্যক্তি যার হাত থেকে অন্যদের মাল ও জান নিরাপদ থাকে। আর মুসলিম সেই, যার যবান ও হাত থেকে অন্যেরা নিরাপদ থাকে। আর মুজাহিদ সেই, যে আল্লাহর আনুগত্যে নিজেকে সর্বাত্মকভাবে নিয়োজিত করে এবং মুহাজির সেই, যে সকল প্রকার অন্যায় ও পাপকর্ম সমূহ পরিত্যাগ করে’।[3]

উক্ত কথাটি আব্দুল্লাহ বিন ‘আমর (রাঃ)-এর বর্ণনায় অন্যভাবে এসেছে,الْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ، وَالْمُهَاجِرُ مَنْ هَجَرَ مَا نَهَى اللهُ عَنْهُ ‘মুসলিম সেই, যার যবান ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে এবং মুহাজির সেই, যে আল্লাহর নিষেধ সমূহ পরিত্যাগ করে’।[4]

৪. আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) বলেন, আরাফাতের ময়দানে উটনীর পিঠে সওয়ার অবস্থায় প্রদত্ত ভাষণে রাসূল (ছাঃ) বলেন,

أَلاَ وَإِنِّى فَرَطُكُمْ عَلَى الْحَوْضِ وَأُكَاثِرُ بِكُمُ الأُمَمَ فَلاَ تُسَوِّدُوا وَجْهِى أَلاَ وَإِنِّى مُسْتَنْقِذٌ أُنَاسًا وَمُسْتَنْقَذٌ مِنِّى أُنَاسٌ فَأَقُولُ يَا رَبِّ أُصَيْحَابِى. فَيَقُولُ إِنَّكَ لاَ تَدْرِى مَا أَحْدَثُوا بَعْدَكَ-

(১০) ‘মনে রেখ! আমি তোমাদের সকলের আগেই হাউয কাউছারে পৌঁছে যাব। আর আমি অন্য সকল উম্মতের মধ্যে তোমাদের আধিক্য নিয়ে গর্ব করব। অতএব তোমরা আমার চেহারাকে কালেমালিপ্ত করো না। (১১) মনে রেখ! আমি অনেককে সেদিন মুক্ত করব এবং অনেকে সেদিন আমার থেকে মুক্ত হয়ে যাবে। তখন আমি বলব, ‘হে আমার প্রতিপালক! এরা তো আমার সাথী। তিনি বলবেন, তুমি জানো না তোমার পরে এরা (ইসলামের মধ্যে) কত বিদ‘আত সৃষ্টি করেছিল’ (ইবনু মাজাহ হা/৩০৫৭)।

সাহল বিন সা‘দ (রাঃ)-এর বর্ণনায় এসেছে, এ জওয়াব পাওয়ার পর রাসূল (ছাঃ) বলবেন,سُحْقًا سُحْقًا لِمَنْ غَيَّرَ بَعْدِى ‘দূর হও দূর হও! যে ব্যক্তি আমার পরে আমার দ্বীনকে পরিবর্তন করেছ’।[5]

৫. মিখনাফ বিন সুলায়েম (রাঃ) বলেন,

كُنَّا وُقُوفًا مَعَ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم بِعَرَفَاتٍ فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ : يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ عَلَى كُلِّ أَهْلِ بَيْتٍ فِى كُلِّ عَامٍ أُضْحِيَةً وَعَتِيرَةً- رواه الترمذى وأبو داؤد وابن ماجه-

(১২) ‘আমরা আরাফাতের ময়দানে রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে দাঁড়িয়েছিলাম। অতঃপর আমি তাঁকে বলতে শুনলাম যে, হে জনগণ! নিশ্চয় প্রত্যেক পরিবারের উপর প্রতি বছর একটি করে কুরবানী ও ‘আতীরাহ’।[6]

৬. সুলায়মান বিন আমর ইবনুল আহওয়াছ তার পিতা হ’তে বর্ণনা করেন যে, এদিন রাসূল (ছাঃ) আরও বলেন,

أَىُّ يَوْمٍ هَذَا؟ قَالُوا يَوْمُ الْحَجِّ الأَكْبَرِ. قَالَ: فَإِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ بَيْنَكُمْ حَرَامٌ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا فِى بَلَدِكُمْ هَذَا، أَلاَ لاَ يَجْنِى جَانٍ إِلاَّ عَلَى نَفْسِهِ لاَ يَجْنِى وَالِدٌ عَلَى وَلَدِهِ وَلاَ مَوْلُوْدٌ عَلَى وَالِدِهِ- أَلاَ وَإِنَّ الشَّيْطَانَ قَدْ أَيِسَ مِنْ أَنْ يُعْبَدَ فِى بِلاَدِكُمْ هَذِهِ أَبَدًا وَلَكِنْ سَتَكُونُ لَهُ طَاعَةٌ فِيمَا تَحْتَقِرُونَ مِنْ أَعْمَالِكُمْ فَسَيَرْضَى بِهِ-

(১৩) ‘আজকে কোন দিন? লোকেরা বলল, হাজ্জে আকবারের দিন। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই তোমাদের রক্ত, সম্পদ ও (১৪) সম্মান পরস্পরের জন্য হারাম। যেমন এই দিন ও এই শহর তোমাদের জন্য হারাম। ‘মনে রেখ, অপরাধের শাস্তি অপরাধী ব্যতীত অন্যের উপরে বর্তাবে না। পিতার অপরাধের শাস্তি পুত্রের উপর এবং পুত্রের অপরাধের শাস্তি পিতার উপর বর্তাবে না’। (১৫) ‘মনে রেখ, শয়তান তোমাদের এই শহরে পূজা পাওয়া থেকে (অর্থাৎ তোমাদের কাফের হওয়া থেকে) চিরদিনের মত নিরাশ হয়ে গেছে। তবে যেসব কাজগুলিকে তোমরা তুচ্ছ মনে কর, সেসব কাজে তার আনুগত্য করা হবে, আর তাতেই সে খুশী থাকবে’।[7] যেমন মিথ্যা, প্রতারণা, আপোষে ঝগড়া-মারামারি ইত্যাদি। যা পরবর্তীদের মধ্যে ঘটেছিল (মির‘আত)। জাবের (রাঃ)-এর বর্ণনায় এসেছেوَلَكِنْ فِى التَّحْرِيشِ بَيْنَهُمْ ‘কিন্তু শয়তানী প্ররোচনা বাকী থাকবে’।[8] (১৬) একই রাবী কর্তৃক অন্য বর্ণনায় এসেছে, أَلاَ إِنَّ الْمُسْلِمَ أَخُو الْمُسْلِمِ فَلَيْسَ يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ مِنْ أَخِيهِ شَىْءٌ إِلاَّ مَا أَحَلَّ مِنْ نَفْسِهِ ‘মনে রেখ! এক মুসলিম আরেক মুসলিমের ভাই। অতএব কোন মুসলমানের জন্য তার ভাই-এর কোন বস্ত্ত হালাল নয় কেবল অতটুকু ব্যতীত যতটুকু সে তার জন্য হালাল করে’ (তিরমিযী হা/৩০৮৭)। ইবনু আববাস (রাঃ)-এর বর্ণনায় এসেছে,لاَ يَحِلُّ لاِمْرِئٍ مِنْ مَالِ أَخِيهِ إِلاَّ مَا أَعْطَاهُ مِنْ طِيبِ نَفْسٍ وَلاَ تَظْلِمُوا ‘কোন ব্যক্তির মাল তার ভাই-এর জন্য হালাল নয়। যতক্ষণ না সে তাকে খুশী মনে তা দেয়। আর তোমরা যুলুম করো না...।[9] এদিন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সওয়ারীর পিঠে বসে একটি খুৎবা দিয়েছিলেন, দু’টি খুৎবা নয়। এতে প্রমাণিত হয় যে, মুসফিরের জন্য জুম‘আর ছালাত অপরিহার্য নয় (যাদুল মা‘আদ ২/২১৬)।

আরাফাতের ভাষণে উপরে বর্ণিত ৬টি হাদীছের মধ্যে আমরা ১৬টি বিষয়ে রাসূল (ছাঃ)-এর বক্তব্য পেয়েছি। যার প্রতিটিই ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য যে, আরাফাতের ময়দানে রাসূল (ছাঃ)-এর উক্ত ভাষণ উচ্চকণ্ঠে জনগণকে শুনিয়েছিলেন রাবী‘আহ বিন উমাইয়া বিন খালাফ’।[10] আল্লাহর কি অপূর্ব মহিমা! মক্কায় হযরত বেলালের উপরে লোমহর্ষক নির্যাতনকারী, রাসূল (ছাঃ)-কে হত্যার ষড়যন্ত্রকারী ১৪ নেতার অন্যতম নিকৃষ্টতম নেতা ও বদর যুদ্ধে নিহত উমাইয়া বিন খালাফের ছেলে রাবী‘আহ আজ রাসূল (ছাঃ)-এর দেহরক্ষী ছাহাবী ও তাঁর বিদায়ী ভাষণ প্রচারকারী। সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী, সুবহা-নাল্লা-হিল ‘আযীম।

[1]. অন্য বর্ণনায় বনু লাইছ।- ইবনু হিশাম ২/৬০৪।

[2]. মুসলিম হা/১২১৮ (১৪৭) ‘বিদায় হজ্জ’ অনুচ্ছেদ; মিশকাত হা/২৫৫৫ ‘মানাসিক’ অধ্যায়; ইবনু মাজাহ হা/৩০৭৪।

[3]. আহমাদ হা/২৪০০৪; ছহীহ ইবনু হিববান হা/৪৮৬২; ছহীহাহ হা/৫৪৯।

[4]. বুখারী হা/১০; মিশকাত হা/৬।

[5]. বুখারী হা/৬৫৮৩-৮৪; মুসলিম হা/২২৯৭ (৩২); মিশকাত হা/৫৫৭১।

অতএব জন্মনিরোধ করে উম্মতের সংখ্যা কমানো এবং ধর্মের নামে ও রাজনীতির নামে ইসলামের মধ্যে নতুন কিছু সৃষ্টি বা আমদানী করা নিষিদ্ধ।

[6]. তিরমিযী হা/১৫১৮; আবুদাঊদ হা/২৭৮৮; ইবনু মাজাহ হা/৩১২৫; মিশকাত হা/১৪৭৮, সনদ ‘হাসান’।

‘আতীরাহ’ অর্থ ঐ পশু যা রজব মাসে যবহ করা হয়। যা ইসলামের প্রথম যুগে চালু ছিল এবং পরে রহিত করা হয় (মির‘আত হা/১৪৯২-এর ব্যাখ্যা)। অত্র হাদীছে প্রমাণিত হয় যে, মুক্বীম অবস্থায় পরিবার পিছু একটি করে কুরবানী দেওয়া আবশ্যক। তাছাড়া আল্লাহ বলেন, আমরা ইসমাঈলের কুরবানীর বিনিময়ে একটি মহান কুরবানী পেশ করলাম’। আর সেটিকে আমরা পরবর্তীদের মধ্যে রেখে দিলাম’ (ছাফফাত ৩৭/১০৭-০৮)। আর সেটি ছিল একটি দুম্বা। রাসূল (ছাঃ) মদীনাতে মুক্বীম অবস্থায় নিজ পরিবারের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে একটি বা দু’টি দুম্বা কুরবানী করেছেন’ (বুখারী হা/৫৫৫৮; মুসলিম হা/১৯৬৬; মিশকাত হা/১৪৫৩-৫৪)। আয়েশা (রাঃ) বলেন, হজ্জের সফরে তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে একটি গরু কুরবানী দিয়েছে (আবুদাঊদ হা/১৭৫০)। আনাস (রাঃ) বলেন, হজ্জের সফরে রাসূল (ছাঃ) দাঁড়ানো অবস্থায় ৭টি উট নহর করেন এবং মদীনাতে ঈদুল আযহার দিন দু’টি শিংওয়ালা সুঠামদেহী দুম্বা যবহ করেছেন’ (বুখারী হা/১৭১২)। মুসাফির অবস্থায় সাত জনে মিলে একটি গরু বা উট কুরবানীর বিধান রয়েছে। হোদায়বিয়া ও হজ্জের সফরে এবং অন্যান্য সফরে ছাহাবীগণ এভাবেই কুরবানী করেছেন’ (মুসলিম হা/১৩১৮ (৩৫০-৫১); আবুদাঊদ হা/২৮০৯; তিরমিযী হা/৯০৪-০৫; ইবনু মাজাহ হা/৩১৩১; মিশকাত হা/১৪৬৯)। উক্ত হাদীছটি আবুদাঊদে ও মিশকাতে সংক্ষিপ্তভাবে এসেছে,الْبَقَرَةُ عَنْ سَبْعَةٍ وَالْجَزُورُ عَنْ سَبْعَةٍ ‘গরু ও উট সাত জনের পক্ষ হ’তে’ (আবুদাঊদ হা/২৮০৮; মিশকাত হা/১৪৫৮ ‘কুরবানী’ অনুচ্ছেদ)। সেখান থেকেই সম্ভবতঃ সাত ব্যক্তি কিংবা সাত বা একাধিক পরিবার মিলে একটি গরু কুরবানী দেওয়ার প্রথা চালু হয়েছে। যা সুন্নাত সম্মত নয়। (বিস্তারিত দ্রষ্টব্য : লেখক প্রণীত ‘মাসায়েলে কুরবানী’ বই)।

[7]. তিরমিযী হা/২১৫৯; ইবনু মাজাহ হা/৩০৫৫, হাদীছ ছহীহ; মিরক্বাত শারহ মিশকাত হা/২৬৭০।

আরাফার দিনকে ‘হজ্জে আকবার’ বলা হয় এবং শুধু ওমরাকে ‘হজ্জে আছগার’ বলা হয়। তবে প্রসিদ্ধ মতে আরাফা ও জুম‘আর দিন একত্রিত হওয়াকে ‘হজ্জে আকবার’ বলা হয় (মিরক্বাত হা/২৬৭০-এর আলোচনা)। এর জন্য ৭০টি হজ্জের সমান নেকী পাওয়া যায় বলে যে হাদীছ প্রচলিত আছে, তা ভিত্তিহীন ও জাল (যঈফাহ হা/২০৭, ১১৯৩, ৩১৪৪)।

[8]. মুসলিম হা/২৮১২; মিশকাত হা/৭২।

[9]. বায়হাক্বী হা/১১৩০৪; ইরওয়া হা/১৪৫৯-এর আলোচনা ১/২৮১, সনদ হাসান।

[10]. ছহীহ ইবনু খুযায়মা হা/২৯২৭, সনদ হাসান; ইবনু হিশাম ২/৬০৫।

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে উৎসব। আমাদের মুসলিম উম্মাহর জন্য এর বাইরে কোন উৎসব নেই। এখন প্রচলিত থাকলেও সেগুলো নবীজি মুহাম্মদ ...
23/07/2021

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে উৎসব। আমাদের মুসলিম উম্মাহর জন্য এর বাইরে কোন উৎসব নেই। এখন প্রচলিত থাকলেও সেগুলো নবীজি মুহাম্মদ (সা:) নিজে পালন করেছেন বা করতে নির্দেশ দিয়েছেন এমন কোন সহীহ রেফারেন্স নেই।
বেদাত সম্পর্কে আমাদের সতর্ক থাকা উচিত।

যুগে যুগে মুসলিম উম্মাহকে আরো শক্তিশালী ও সম্প্রসারিত করতে নানা মানুষজন, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে মুসলিম উম্মাহ শুধু...
04/07/2021

যুগে যুগে মুসলিম উম্মাহকে আরো শক্তিশালী ও সম্প্রসারিত করতে নানা মানুষজন, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে মুসলিম উম্মাহ শুধু শক্ত শালী হয়নি ,বরং ইসলাম পৌছে গিয়েছে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ।আজ আমি বলব সেইরকম ই একজন মানুষ সম্পর্কে ,
আহমেদ দিদাত মুসলিম বিশ্বের কাছে বেশ পরিচিত এক নাম। অমুসলিমদের কাছে ইসলামকে পৌছানোর কাজে নিয়োজিতদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আহমাদ দীদাত। তার হাতে বহু অমুসলিম কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করে মুসলিম হয়েছেন। তার পরিচয় হলো ;
আহমেদ হোসেন দিদাত ( জন্ম: জুলাই ১৯১৮ – মৃত্যু: ৮ আগস্ট ২০০৫) একজন দক্ষিণ আফ্রিকার লেখক ও ধর্মবেত্ত্বা এবং ভারতীয় বংশোদ্ভুত জনবক্তা ও তার্কিক। তিনি অন্যতম সেরা মুসলিম ধর্মপ্রচারক হিসাবে পরিচিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি অনেক খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের সঙ্গে আন্ত:ধর্মীয় প্রকাশ্য বিতর্ক অনুষ্ঠান করেছেন এবং ইসলাম, খ্রিস্টান ও বাইবেলকে কেন্দ্র করে বেশিরভাগ ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বিতর্ক অনুষ্ঠানে অপ্রতিদ্বন্ধি একজন মানুষ ছিলেন । তিনি আইপিসিআই, একটি আন্তর্জাতিক ইসলামি মিশনারি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাতা করেন , এছড়াও তিনি ইসলাম ও খ্রিস্টান বিষয়ে উল্লেখযোগ্য বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন
তার সংক্ষিপ্ত জীবন কাহিনীঃ
দিদাত ১৯১৮ সালে ব্রিটিশ ভারতের বোম্বে প্রেসিডেন্সি শহরের সুরাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্মের পর পরই তার পিতা দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসি হন। ৯ বছর বয়সে দিদাত তার পিতার সাথে যোগ দিতে ভারত ছাড়েন। আহমেদ দিদাত দক্ষিণ আফ্রিকা চলে যাওয়ার মাত্র কয়েক মাস পর তার মা ইন্তেকাল করেন। পড়াশুনার প্রবল আগ্রহ এবং মেধা থাকা সত্ত্বেও দারিদ্রতা তাঁকে Standard Class-6 এর পরে আর প্রথাগত শিক্ষা নিতে দেয় নি।
জীবিকার জন্য মাত্র পনের বছর বয়সে একজন মুসলিম মালিকের ফার্ণিচারের দোকানে চাকুরি করা শুরু করেন। শেখ দীদাতের দোকানটি ছিল নাতাল দক্ষিণ আফ্রিকার একটি খ্রীস্টান মিশনারীর পাশেই। ট্রেইনি খীস্টান মিশনারীরা দীদাতের দোকানে প্রায়ই যেতো এবং বিভিন্নভাবে ইসলাম ও রাসূলুল্লাহ সম্পর্কে কটাক্ষ করে মন্তব্য করতো। এদের অপপ্রচারকে মোকাবেলা করার জন্যই শেখ দীদাত তুলনামুলক ধর্মতত্ত্ব এবং ধর্ম গ্রন্থ সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে উঠেন। একদিন ফার্নিচারের দোকানের বেসমেন্ট বইপত্র খুঁজতে গিয়ে তিনি আল্লাহ রহমাতুল্লাহ কীরানবীর বিখ্যাত বই ইযহারুল হক ( সত্যের প্রকাশ ) এর সন্ধান পান যা তাকে প্রথম যুক্তি দিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার মোকাবেলা করার ধারণা দেয়। তার জীবনের প্রথম বাইবেলটি কিনেন এই সময়ই। শুরু হয় তাঁর পথ চলা। ১৯৪২ সালে দীদাত তাঁর প্রথম লেকচারটি দেন মাত্র পনেরজন দর্শকের সামনে ডারবান মুভি থিয়েটার ( আভালন সিনেমা হল ) হলে যার বিষয় ছিলো ” Muhammad (PBUH) : Messenger of Peace “। সময়ের সাথে সাথে বক্তা হিসেবে দিদাত এর জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। এরপর তাকে দক্ষিণ আফ্রিকায় অন্যান্য শহরগুলোতে কথা বলতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এক যুগ পরে তিনি জোহানেসবার্গ ও কেপ টাউন শহর সিটি হল পরিপূর্ণ অবস্থায় বক্তব্য দেন। দিদাতের প্রথম দিকের ধর্মপ্রচার কার্যকলাপের মধ্যে ছিল ডারবান পাহাড়ি মসজিদ 'নির্দেশিত ট্যুর' প্রধান বাহন।
সুবিশাল শোভাময় পাহাড়ি মসজিদ ডারবানের হাজার পর্যটক বান্ধব শহরগুলোর মধ্যে একটি ল্যান্ডমার্ক সাইট। দিদাত নিজে পর্যটকদের হোস্টিং এবং ইসলাম ও খ্রিস্টানদের সঙ্গে তার সম্পর্কে প্রচার করার প্রক্রিয়া এক
১৯৫৭ সালে শেখ দীদাত তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু তারি রাসূল এবং গোলাম হোসেন ভাংকরকে নিয়ে Islamic Propagation Centre ( IPCI) নামের একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে ১৯৫৮ সালে একজন মুসলিম দাতার অর্থ সাহায্যে As-Salaam Educational Instute নামের আরেকটি সংগঠন গড়ে তোলেন। এখান থেকে শেখ আহমাদ দীদাতের লেখা ২০টি বইয়ের লক্ষ লক্ষ কপি সারা পৃথিবীতে বিনামূল্যে বিতরন করা হয়। তাঁর বইগুলো আরবী, উর্দু, বাংলা, মালয়, রাশিয়ান, চীনা, জাপানীজ ফ্রেঞ্চ, জুলু সহ আরো অসংখ্য ভাষায় অনূদিত হয়।
১৯৮০ দশকে আহমেদ দিদাত এর কাজ দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরে পরিচিত হতে শুরু করে। তিনি দাওয়াতের (ইসলামি ধর্মপ্রচার কার্যকলাপ) ক্ষেত্রে ইসলামে তার অবদানের জন্য 'বাদশাহ ফয়সাল পুরস্কার পান যখন তার আন্তর্জাতিক খ্যাতি ১৯৮৬ সালে আরও বৃদ্ধি পায়।
১৯৮৮ সালে সালমান রুশদির কাল্পনিক রচনা “দ্য স্যাটানিক ভার্সেস” প্রকাশের পরে, দিদাত রুশদির মৃত্যুর আহবান জানিয়ে আয়াতুল্লাহ খোমেনির ফতোয়াকে সমর্থন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে রুশদী "একটি ভন্ড এবং পবিত্র ব্যক্তিত্বের নিন্দা করেছে। তাকে ক্ষমা করা উচিত নয়।"
এক দশক ধরে দিদাত বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক ভাষাভাষী ট্যুর করেন। তার ট্যুরের অন্তর্ভুক্ত:
• সৌদি আরব ও মিশর (বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উপর)
• যুক্তরাজ্য (১৯৮৫ এবং ১৯৮৮ এর মধ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপর, পাশাপাশি ১৯৮৭ সালে সুইজারল্যান্ড)
• পাকিস্তান, যেখানে দিদাত জিয়া আল হক
• সংযুক্ত আরব আমিরাত মালদ্বীপ দ্বীপপুঞ্জ (নভেম্বর–ডিসেম্বর ১৯৮৭), যেখানে দিদাত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সম্মানিত হয়েছিলেন মামুন আব্দুল গাইয়ুম
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে সওগারত এর সাথে বিতর্ক করেন, রবার্ট ডগলাস ও আরিজোনা দুটি সহ বেশ কিছু লেকচার দেন)
• সুইডেন ও ডেনমার্ক (পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে তিনটি বিতর্ক)
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা (১৯৯৪, কানাডা সফর সমন্বিত বিতর্ক এবং শিকাগো বক্তৃতা)

• অস্ট্রেলিয়া (প্রথম দিকে ১৯৯৬ সালে তার শেষ সফর, শুধু তার স্ট্রোকের আগে)
তিনি ৫০ বছর ধরে ধর্মপ্রচারকমূলক কাজ করার জন্য তাকে ১৯৮৬ সালে বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ কিং ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান করা হয়। তিনি পশ্চিমা বিশ্বের মুসলমান ও অমুসলিমদের কাছে তার বার্তা পৌঁছাতে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করতেন। ডাঃ জাকির আব্দুল করিম নায়েক হলেন তার ছাত্র।জাকির নায়েক একটা লেকচারে আহমাদ দিদাত সম্পর্কে বলেন: "The person who changed my life, converted me from a doctor of body to doctor of soul."
অর্থাৎ, সেই মানুষটি আমাকে বদলে দিয়েছেন; আমাকে শরীরের ডাক্তার থেকে আত্মার, হৃদয়ের ডাক্তার বানিয়েছেন।

৮ আগস্ট ২০০৫-এ, আহমেদ দিয়াদাত কোয়াজুলু-নাটাল প্রদেশের ভারুলামের ট্রেভেনেন রোডের নিজ বাড়িতে মারা যান। তাঁর জানাজার নামাজের নেতৃত্ব দেন ইসমাইল ইবনে মুসা মেনক। তাকে ভেরুলাম কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
তাঁর উল্লেখযোগ্য লেকচারগুলো মধ্যে অন্যতম গুলো হলো :
Al Quran: A Miracle of Miracles
Challenge of Islam
Crucifixion: Fact or Fiction
Debate with American Soldiers
Dialogue with Christian Missionaries
How not to do Dawah
How Not to Give Dawah
Is Jesus God?
Islam And Other Religions
Muhammad (s) the Greatest
Muhammed (s) The Natural Successor to Christ
Popes Pious Pronouncement
Prophet Muhammed (pbuh) mentioned in the Bible
The life of Shaykh Ahmed Deedat
The Quran or The Bible: Which is God’s Word? প্রভূতি
তাঁর রচিত ইংরেজী বইগুলো হলো :
50000 Errors in the Bible
Al-Quran – The Miracle of Miracles
Arabs And Israel Conflict Or Conciliation
Can You Stomach The Best Of Rushdie
Christ In Islam
Combat Kit Against Bible Thumpers
Crucifixion Or Cruci-fiction
Is The Bible God’s Word
Muhammad (pbuh) The Greatest
Muhummed (pbuh) The Natural Successor To Christ
Resurrection Or Resuscitation
The Choice Part 1
The Choice Part 2
The God That Never Was
Was Jesus Crucified
What is His Name
What The Bible Says About Muhammad (pbuh)
What Was The Sign Of Jonah
Who Moved The Stone?

15/06/2021

৩টি দোয়া, যা কবুল হয়েছিলো এই দুনিয়াতেই!
_______________
কুরআনে কারিমে অনেক দোয়া বর্ণিত হয়েছে। বর্ণিত এসব দোয়ার মাঝে ৩টি বিশেষ দোয়া রয়েছে, যেগুলো (সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা) কবুল করেছেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
আরও অবাক করার মতো বিষয় হলো, সৃষ্টিকর্তা মহান মালিকের মঞ্জুরকৃত দোয়াগুলো সবক’টিই জীবনঘনিষ্ঠ। এর প্রথম দোয়াটি – রোগমুক্তির জন্য, দ্বিতীয়টি – বিপদমুক্তির জন্য আর তৃতীয় দোয়াটি হলো – সন্তানলাভের জন্য।
❒ পবিত্র কোরআনে বর্ণিত প্রথম দোয়াটি হলো আল্লাহর নবী আইয়ুব আলাইহিস সালামের। তার দোয়াটি ছিলো -
أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
উচ্চারণ: আন্নী মাচ্ছানিয়াজ্জুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন।
অর্থ: (হে আমার প্রতিপালক!) আমাকে দুঃখ-ক্লেশ (ব্যাধি) স্পর্শ করেছে, আর তুমি তো (দয়ালুদের মধ্যে) শ্রেষ্ঠ দয়ালু।’ [সূরা আম্বিয়া : ৮৩]
এই দোয়া প্রসঙ্গে (সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা) বলেন – ‘অতঃপর আমি তার (সেই) আহবানে সাড়া দিলাম এবং তার দুঃখ-কষ্ট দূর করে দিলাম এবং তার পরিবরাবর্গ ফিরিয়ে দিলাম, আর তাদের সঙ্গে তাদের সমপরিমাণ আরও দিলাম আমার পক্ষ থেকে কৃপাবশতঃ আর এটা ইবাদতকারীদের জন্যে উপদেশস্বরূপ।’ [সূরা আম্বিয়া : ৮৪]
❒ দ্বিতীয় দোয়াটি ছিল আল্লাহর নবী হজরত ইউনুস আলাইহিস সালামের। ওই দোয়াটি হলো -
لَّا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনাজ জোয়ালিমীন।
অর্থ: তুমি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই; তুমি নির্দোষ আমি গোনাহগার। [সূরা আম্বিয়া : ৮৭]
এই দোয়া বর্ণনার পর (সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা) বলেন – ‘অতঃপর আমি তার (সেই) আহবানে সাড়া দিলাম এবং তাকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিলাম। আমি এমনিভাবে বিশ্ববাসীদেরকে মুক্তি দিয়ে থাকি।’ [সূরা আম্বিয়া : ৮৮]
❒ তৃতীয় দোয়াটি হলো হজরত জাকারিয়া আলাইহিস সালামের। বরকতময় এই দোয়ার দু’টি অংশ পবিত্র কোরআনের ভিন্ন দুই জায়গায় বর্ণিত হয়েছে।
● رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ
উচ্চারণ: রাব্বী লা তাযারনী ফারদান ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন।
অর্থ: হে আমার পালনকর্তা! আমাকে একা রেখো না। তুমি তো উত্তম ওয়ারিস। [সূরা আম্বিয়া : ৮৯]
কোরআনে কারিমে বর্ণিত এসব দোয়া (সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা) কবুল করেছেন বলে ইরশাদ হয়েছে।
এই দোয়া কবুল হওয়া প্রসঙ্গে আল্লাহ (সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা) বলেন – ‘অতঃপর আমি তার দোয়া কবুল করেছিলাম, তাকে দান করেছিলাম ইয়াহইয়া এবং তার জন্যে তার স্ত্রীকে প্রসবযোগ্য করেছিলাম।’ [সূরা আম্বিয়া : ৯০]
● একই বিষয়ে তিনি আরেকটি দোয়া করেছিলেন। সেই দোয়ার পর আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে ফেরেশতারা এসে তাকে দোয়া কবুলের সুসংবাদ দিয়েছিলেন। যা সূরা আলে ইমরানের ৩৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে।
দোয়াটি হলো -
رَبِّ هَبْ لِي مِن لَّدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاء
উচ্চারণ: রাব্বী হাবলী মিল্লাদুনকা যুর্যিইয়াতান ত্বায়্যিবাতান ইন্নাকা সামিউদ্দোয়া।
অর্থ: হে আমার পালকর্তা! তোমার নিকট থেকে আমাকে পূত-পবিত্র সন্তান দান করো, নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা শ্রবণকারী। [সূরা আলে ইমরান: ৩৮]
দোয়ার উপরোক্ত ভাষ্যগুলোর গ্রহণযোগ্যতা যেহেতু পরীক্ষিত, সুতরাং রোগ মু্ক্তি, বিপদমুক্তি কিংবা সন্তান লাভের জন্য এসব দোয়ার মাধ্যমে প্রার্থনা করা বুদ্ধিমানের কাজ।
আল্লাহ (সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা) আমাদের তওফিক দান করুন। আমিন!!!

#ওহী (Seeking The Way To Jannah)

18/05/2021

ইজরায়েল এমন একটা দেশ( স্বস্বীকৃত) পৃথিবীর বুকে, আপনি কখনো ঘুরতে গেলে বা তার উপর নির্মিত ডকুমেন্টারি দেখলে মুগ্ধ এবং বিস্মিত হবেন নিশ্চিতভাবেই।
আসলে, শয়তানের আবাসস্থল মনোমুগ্ধকরই হয়। দুনিয়াতে ঈমানদার মুমিন মুসলমানদের কঠিন সব পরীক্ষার মধ্য দিয়েই যেতে হবে, এটা আল্লাহ সুবহানআল্লাহ তালা বলেই দিয়েছেন। আপনি যতো আরাম আয়েশের মধ্যে থাকবেন, ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষেত্রে এবং তার বিরোধিতাকারী ও তাদের উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অত্যাচারকারীদের বিষয়ে নিরপেক্ষতা অবলম্বন করবেন- মনে রাখবেন জাহান্নাম আপনার জন্য অদূরেই অপেক্ষা করছে।
না, আমি হ্যাশট্যাগ বিপ্লবে বিশ্বাসী না। বরং তারচেয়ে একটা পাথর এইসকল ভূয়া ইসরাইলীদের দিকে ছূড়ে মারতে পারলে ( খোজ নিলে জানবেন এরা কনভার্টেড ইহুদী কিন্তু জন্মগতভাবে বনী ইসরাইলী না হলে আসলে ইহুদী হওয়া যায়না, অনেকটা উপমহাদেশীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতো, হিন্দু পরিবারে না জন্মালে আপনি কখনোই হিন্দু হতে যেমন পারবেন না, সেইরকম প্রাচীন বারোটি ইসরাইলী গোত্রের কোন একটিতে আপনার পূর্বপুরুষ না থাকলে আপনি প্রকৃত বনী ইসরাইলী বা ইহুদী না) আমি শান্তি পাবো, আমার লেখা দিয়ে, মুসলিমদের মনে আমার কথা দিয়ে এই চরম বর্বরতা আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে জাগিয়ে তুলতে পারলে কিছু করতে পারছি বলে মনে করবো। আল্লাহর কাছে নামাজের মধ্যে হাত তুলে এই অন্যায়ের প্রতিকার চাইবো। আর এই ইসরাইলি শয়তানদের দোসর, যারা তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সমর্থন দিয়েছে, দিচ্ছে তারাও আমাদের শত্রু।
আমার অবাক লাগে, বিশ্ব ইজতেমার মতো জায়গায় লক্ষ লক্ষ মুসলমান জামায়েত হয়, আর এই নির্যাতিত ফিলিস্তিনী ভাই ও বোনদের জন্য দোয়ার জন্য জমায়েতের ডাক দেওয়ার কেউ নাই! কোথায় আজ বাংলাদেশের মুসলমানদের নয়নের মনি ওয়াজ ব্যবসায়ী আজহারী? কোথায় জামায়াতে ইসলাম, হেফাজতে ইসলাম?
উচিত কথা কইলেই তো হাজি সাবের মুখ খারাপ😄
লানত সেই সকল মুসলমান প্রধান দেশের মানুষের প্রতি, যারা নির্বিকার আজকে। আল্লাহ যেন তাদেরকে হেদায়েত দিন।
সত্যি কথা হলো, যেদিন থেকে মুসলমানরা জিহাদ আর আরাম আয়েশের মধ্যে দ্বিতীয়টি বেছে নিয়েছে, সেদিন থেকেই বনী ইসরাইলীদের মতো তারাও অভিশপ্ত জাতিতে পরিনত হয়েছে।

15/04/2021

কারবালার ময়দানে ইয়াজিদ বাহিনীর প্রায় ২২০০০ সৈনিকদের মধ্যে ৭০০০ হাফেজ আর ৩০০০ মুফতি ছিলো। কিন্তু তাদের আচরণ এতো নিষ্ঠুর ছিলো যে ঈমাম হুসাইন (রাঃ) তাদের জিজ্ঞেস করেছিলেন যে তোমাদের মধ্যে কি কেউ ঈমানদার নেই।

১৪০০ বছর পুর্বে ঈমাম হুসাইন রাঃ এর সেই কথাই মনে পড়ে যে আমাদের দেশে ইয়াজিদ পন্থী আলেম, মুফতী, মাওলানার অভাব নেই কিন্তু শ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলামের সহীহ্ বুঝদার ঈমানদার আলেম, মুফতী, ওলামাদের বড়ই অভাব।

হে আল্লাহ আমাদেরকে আপনি সহীহ্ বুঝ দান করুন।

© বাবুই বাবুই

13/04/2021
01/04/2021

ইসলাম এবং আমরা
পর্ব-১

আমাদের ,মানে মুসলমানদের কাছে আমাদের ধর্ম শুধু ধর্ম নয়, ইসলাম এক পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা।ব্যক্তিগত,সামাজিক, রাষ্ট্রিয় কিংবা আন্তর্জাতিক -সকল ক্ষেত্রে আমাদের আচার ,আচরন, মানসিকতা,কার্যকলাপ কি হবে তার সুষ্ঠু দিক নির্দেশনা ইসলামে দেওয়া আছে।
আমরা জানি ইসলামের মূল স্তম্ভ ৫ টি-
১)ঈমান/আকিদাহ
২)সালাত/নামাজ
৩)সাওম/রোজা
৪)যাকাত
৫)হজ্জ্ব
যে কেউ( মানুষ/জ্বীন) কলেমা পড়ে এক এবং অদ্বীতিয়, পরম করুনাময় এবং মহান দয়ালু ,সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এই জীবন ব্যবস্থায় প্রবেশ করতে পারে এবং তার জন্য তখন দুনিয়া সহজ হয়ে যায়। কারন ৬ কলেমার প্রথম কলেমায় বলতে হয়,
"لَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ ٱللَّٰهِ"

"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলূল্লাহ (সাঃ)"
অর্থাৎ,
"আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নাই এবং মুহাম্মদ (সাঃ) তার প্রেরিত রাসুল"।
তারমানে যে কলেমা পড়ে ইসলাম গ্রহন করলো সে মেনে নিলো সে আল্লাহর দাস। আর দাস কখনো তার মনিবের কথার বিরদ্ধে বা আদেশের বিরুদ্ধে যেতে পারবেনা।যদি যায় তবে শাস্তি পাবে ,ইহকালে অথবা পরকালে।
আমি একটু এই ছয় কালিমা/কলেমা নিয়ে আলোচনা করতে চাই। আরো কিছু বিষয় নিয়ে লিখবো কারন সেগুলো আমাদের ঈমান এবং আকিদাহ এর সাথে জড়িত।
প্রথম কালিমার কথা তো বলে ফেলেছি।আরো ৫টি কালিমা আছে যেগুলোর নাম হলোঃ
১)কালিমা শাহাদাত
২)কালিমা তামজিদ
৩)কালিমা তাওহীদ
৪)আস্তাগফার
৫)রাদ্দি কুফর
এখন এই বাকি ৫টি কালিমা নিয়ে আলোচনা করবো সংক্ষিপ্তভাবে।এবং আমি বাংলা অর্থ নিয়েই কথা বলবো। আল্লাহ সর্বজ্ঞানী। তিনি আরবীতে বললেও বুঝবেন, বাংলায় বললেও বুঝবেন, যেকোন ভাষায় বললেই বুঝবেন। কারন তিনি আমাদের অন্তরসমূহের ভিতরে যা আছে বা মনে যা আছে তা পরিস্কার দেখতে পান।

*
কালিমা শাহাদাতঃ

أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
"আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে ,আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নাই। তিনি এক,অদ্বিতীয় এবং আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে ,মুহাম্মদ তার বান্দা ও প্রেরিত রাসুল"

লক্ষ্য করুন, শুধু আপনি আমি না, মহানবী রাসুলুল্লাহ (সাঃ) পর্যন্ত তার বান্দা বা দাস।

কালিমা তামজীদঃ
سُبْحَانَ ٱللَّٰهِ وَٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ وَلَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ وَٱللَّٰهُ أَكْبَرُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِٱللَّٰهِ ٱلْعَلِيِّ ٱلْعَظِيمِ

অর্থাৎঃ মহিমান্বিত আল্লাহ, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ‌ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। আল্লাহ মহান। সমস্ত পবিত্রতা আল্লাহর, সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি নাই, কোনো ক্ষমতা নাই, তিনি সম্মানিত, তিনি মহান।

কালিমা তাওহীদঃ لَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ ٱلْمُلْكُ وَلَهُ ٱلْحَمْدُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوتُ أَبَدًا أَبَدًا، ذُو ٱلْجَلَالِ وَٱلْإِكْرَامِ بِيَدِهِ ٱلْخَيْرُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

অর্থাৎঃআল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই, তিনি এক ও অদ্বিতীয়। তার কোন অংশীদার নেই। সকল ক্ষমতা এবং প্রশংসা তারই জন্য। তিনিই জীবন ও মৃত্যুর মালিক। তিনি চিরঞ্জীব, তিনি সকল সম্মানের মালিক। তার হাতেই সকল মঙ্গল এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতা রাখেন।

কালিমা ই আস্তাগফিরঃ أَسْتَغْفِرُ ٱللَّٰهَ رَبِّي مِنْ كُلِّ ذَنْبٍ أَذْنَبْتُهُ عَمْدًا أَوْ خَطَأً سِرًّا وَعَلَانِيَةً وَأَتُوبُ إِلَيْهِ مِنَ ٱلذَّنْبِ ٱلَّذِي أَعْلَمُ وَمِنَ ٱلذَّنْبِ ٱلَّذِي لَا أَعْلَمُ، إِنَّكَ أَنْتَ عَلَّامُ ٱلْغُيُوبِ وَسَتَّارُ ٱلْعُيُوْبِ وَغَفَّارُ ٱلذُّنُوبِ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِٱللَّٰهِ ٱلْعَلِيِّ ٱلْعَظِيمِ

অর্থাৎঃআমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই সকল পাপ থেকে, যা আমি সংঘটিত করেছি আমার জ্ঞাতসারে অথবা অজ্ঞাতসারে, গোপনে বা প্রকাশ্যে এবং আমি আমার পালনকর্তার আশ্রয় চাই সেই পাপ থেকে, যে পাপ আমি জানি এবং যে পাপ আমি জানিনা। অবশ্যই আপনি লুকানো এবং গোপন (ভুল) পাপ সম্পর্কে জানেন এবং ক্ষমাশীল। আল্লাহ ছাড়া কোন শক্তি নেই, কোন ক্ষমতা নেই, তিনি সম্মানিত, তিনি মহান।

*কালিমা ই রুদ উ কুফরঃ
ٱللَّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ شَيْءً وَأَنَا أَعْلَمُ بِهِ وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ بِهِ تُبْتُ عَنْهُ وَتَبَرَّأَتُ مِنَ ٱلْكُفْرِ وَٱلشِّرْكِ وَٱلْكِذْبِ وَٱلْغِيبَةِ وَٱلْبِدْعَةِ وَٱلنَّمِيمَةِ وَٱلْفَوَاحِشِ وَٱلْبُهْتَانِ وَٱلْمَعَاصِي كُلِّهَا وَأَسْلَمْتُ وَأَقُولُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ ٱللَّٰهِ

অর্থাৎঃহে আল্লাহ নিশ্চয়, ক্ষমা চাই শিরক করা থেকে (আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা), আমি ক্ষমা চাই সকল পাপ থেকে যা সম্পর্কে আমি সচেতন নই বা জানি না, আমি পুনরায় ঘোষণা করছি, আমি সকল প্রকার কুফর থেকে, শিরক থেকে, মিথ্যা (কথা বলা), গিবত (কারও অনুপস্থিতিতে পরনিন্দা), বিদাত, পরনিন্দা, অশ্লীলতা এবং অন্যান্য সকল পাপ থেকে মুক্ত। আমি ইসলাম স্বীকার এবং বিশ্বাস করি এবং ঘোষণা দিচ্ছি যে, আল্লাহ‌ ছাড়া কোন প্রভু নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর প্রেরিত রাসুল।

৬ষ্ঠ কালিমা "অবিষ্বাসীদের প্রত্যাখ্যানমূলক বাক্য " হিসেবেও পরিচিত।
আমার এই লেখার উদ্দেশ্য হচ্ছে আমরা শুধু নিকৃষ্ট মুসলমানই নই, কার্যত মুনাফিক। ৬ কালিমাকেই আমরা প্রকাশ্যে ঘোষনা দিয়ে বলে নিজেদের মুসলমান প্রচার করেছি। কিন্তু বাস্তবে ৬ কালিমার কিছুই আমরা মানিনা।
নিজেদের মনকে প্রশ্ন করুন যে কয়জন মিথ্যা ,গীবত,বিদাত,পরনিন্দা,অশ্লীলতা এবং অন্যান্য সকল পাপ থেকে মুক্ত???
আমরা " আমিয়ামে জাহেলিয়াত" এর লেটেস্ট ভার্সনে বসবাস করছি।
যারা আল্লাহ কিংবা মৃত্যুর পর জীবনে বিশ্বাস করেননা, তাদের ব্যাপারে অন্য কোনদিন হয়তো বলতে পারি। আজকে আমার জন্মসূত্রে মুসলিম ভাই-বোনদের বলি, ভাবুন, উপলব্ধি করুন। এই সমাজে থেকে আপনি কিছুই বদলাতে পারবেন না। পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা ইসলামে সত্যিকারভাবে আপনাকে প্রবেশ করতে হবে। চেষ্টা করুন,আপনি এক পা এগুবেন আল্লাহর দিকে তো আল্লাহ সুবহান্নাহতাআলা আপনার দিকে অনেক খানি বেশি এগিয়ে আসবেন,আল্লাহ নিজে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দিন এবং হেফাজত করুন সর্বপ্রকার বিপদ থেকে।
আমিন।
আজকের মতো বিদায় নিচ্ছি,
আল্লাহ হাফিজ।
© ডাঃ খন্দকার মাইনুল হাসান

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muslim Ummah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share