প্রশান্তির খোঁজে

প্রশান্তির খোঁজে Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from প্রশান্তির খোঁজে, Religious organisation, Dhaka.

আপনি কী প্রশান্তির খোঁজ করছেন? তবে তা তো রবের স্মরণের মধ্যে আছে, এর দ্বারাই তো অন্তরগুলো প্রশান্তি পায়!

গ্রুপ-
https://www.facebook.com/groups/440434837082931/?ref=share_group_link

18/05/2026

সন্ধ্যার পর থেকে ১ যুল হিজ্জাহ শুরু, বছরের সেরা ১০দিন শুরু।

❖ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ‘আমলের চেয়ে অন্য কোন দিনের ‘আমলই উত্তম নয়। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন, জিহাদও কি (উত্তম) নয়? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জিহাদও নয়। তবে সে ব্যক্তির কথা ছাড়া যে নিজের জান ও মালের ঝুঁকি নিয়েও জিহাদে যায় এবং কিছুই নিয়ে ফিরে আসে না।
[বুখারী ৯৬৯। আবু দাউদ ২৪৩৮ (সহিহ হাদিস)]

 #পর্বঃ০৬▣ চুল কাটা, নখ কাটা ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম কাটা হতে বিরত থাকাঃ➤ যারা কোরবানি করার নিয়ত করেছেন তারা ১ হতে ১০ যুল ...
17/05/2026

#পর্বঃ০৬

▣ চুল কাটা, নখ কাটা ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম কাটা হতে বিরত থাকাঃ

➤ যারা কোরবানি করার নিয়ত করেছেন তারা ১ হতে ১০ যুল হিজ্জাহ পর্যন্ত চুল কাটা, নখ কাটা ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম কাটা হতে বিরত থাকবেন (শরীরের চামড়া উপড়ে ফেলা, এমন কাজ না করার চেষ্টা করতে হবে)। তাই যুল হিজ্জাহ আসার আগে সেগুলো কেটে পরিষ্কার হয়ে নিবেন। এই কয়েক দিনের ভিতর এসব কাটা যাবে না, ভুলে কাটলে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে (কোন রকম কাফফারা নেই)। এতে অনেক কল্যাণ আছে।
❖ উম্মে সালামা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন: যে ব্যক্তি যিলহজ্জ মাসের নতুন চাঁদ দেখার পর কুরবানী করার ইচ্ছা করে, সে যেন কুরবানী করার পূর্বে চুল ও নখ না কাটে।
[সুনানে আন-নাসায়ী, ৪৩৬১, ৪৩৬২ (সহিহ হাদিস)]
এই হাদিস থেকে জানা গেলো, কোরবানিদাতা যুল হিজ্জাহ মাস শুরু হয়ে গেলে ১০ তারিখের আগে চুল ও নখ কাটবেন না। তবে, অন্য হাদিস থেকে বোঝা যায়, যারা কোরবানি দেবে না, তারাও নখ ও চুল কাটবে না (তবে, এটি জরুরি নয়, উত্তম)। তাই যারা কোরবানি দিতে অক্ষম তারা খালেচ নিয়তে এই আমল করতে পারেন। যারা সামর্থ্যের অভাবে কুরবানী দিচ্ছেন না, কিন্ত দুর্বল আমলযোগ্য হাদিসটির উপর আমল করতে চান তারা নিজ নিজ এলাকাতে কুরবানী হয়ে গেলে কেঁটে ফেলবেন। কুরবানী যিনি দিচ্ছেন উনি কুরবানী দিয়ে অতঃপর কেঁটে ফেলবেন। যুল হিজ্জাহ মাস শুরু হওয়ার আগে এই ব্যাপারে প্রস্তুতি নেওয়া শেষ করে ফেলবেন।
❖ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি কুরবানীর দিনকে ঈদ উদযাপন করতে নির্দেশপ্রাপ্ত হয়েছি। আল্লাহ এ দিনকে এ উম্মাতের জন্য ঈদ হিসাবে নির্দিষ্ট করেছেন। এক ব্যক্তি বললো, আপনার অভিমত ব্যক্ত করুন, আমি (আমার প্রতিপালিত) দুগ্ধবতী বা মালবাহী পশু ছাড়া অন্য পশু না পেলে কি তা দিয়েই কুরবানী করবো? তিনি বললেনঃ না, বরং তুমি তোমার চুল ও নখ কাটবে, গোঁফ ছোট করবে এবং নাভীর নীচের লোম কাটবে। এ কাজগুলোই আল্লাহর নিকট তোমার পূর্ণাঙ্গ কুরবানী।
[সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ২৭৮৯ (হাসান হাদিস)]
এই হাদিসে ঈদের দিনে নখ ও চুল কাটতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রথম ৯ দিনে না কেটে একেবারে ঈদের দিনে কাটলে আল্লাহর নিকট পূর্ণ কোরবানির নেকি পাওয়া যাবে, ইন শা আল্লাহ্।

-- আশরাফুল আলম ইমন (২০২০)

17/05/2026

#পর্বঃ০১

❒ যুল হিজ্জাহ মাসের গুরুত্বঃ

➤ রামাদ্বানের বিদায়ের পর আমাদের মাঝে আবার এক বড় বিশেষ ইবাদতের সময় হাজির হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ আমাদের এই সময় পর্যন্ত হায়াত দান করেছেন, যার জন্য আমাদের নিজ রবের নিকট শুকরিয়া আদায় করা উচিত। আর এই শুকরিয়া আমরা এই সময়কে উত্তম রূপে ব্যবহার করার দ্বারা আদায় করবো, ইন শা আল্লাহ। রামাদ্বানের পর দ্বিতীয় বড় ইবাদতের সময় আছে এই যুল হিজ্জাহ মাসের মধ্যে। অনেকে মনে করে থাকেন এই মাসে যারা পশু কুরবানী করবে শুধু তারাই এই মাসে ইবাদত করার সুযোগ পাবে বা করতে পারবে, অন্যরা নয়। এটা ভুল ধারনা, কুরবানী হলো এক আলাদা ধরনের ইবাদত। যার সামর্থ্য আছে তিনি তা আল্লাহর জন্য আদায় করবেন (হজ্জের ব্যাপারেও একই কথা)। আর বাকি ইবাদতগুলো যিনি কুরবানী করতে পারছেন না তিনিও আদায় করবেন এবং যিনি কুরবানী করবেন তিনিও আদায় করবেন। কারণ যুল হিজ্জাহ মাসের প্রথম ১০দিনের ইবাদত আল্লাহর নিকট অনেক বেশি প্রিয় এবং শ্রেষ্ঠ। যদি কেউ জানতে চায়, কদরের রাত এবং রামাদ্বানের মাসের থেকেও বেশি? তবে বলবো সেগুলো হলো অন্য সেক্টরের জিনিস, ঐ গুলোর পর এই দশ দিনের মর্যাদা অনেক। যুল হিজ্জাহ এর প্রথম দশক রামাদ্বানের শেষ দশকের চেয়েও উত্তম। কিন্তু লাইলাতুল কদর ব্যতিক্রম। কদরের রাত যুল হিজ্জাহ এর প্রথম দশ দিনের দিন ও রাত উভয় থেকে উত্তম, কেননা এই (কদরের) রাত একাই যুল হিজ্জাহ এর প্রথম দশক (রাত-দিন) থেকে উত্তম (আল্লাহই ভালো জানেন)। তাই আমাদের উচিত, রামাদ্বানের শেষ দশক এবং যুল হিজ্জাহ এর প্রথম দশক দুটোরই উত্তম মূল্যায়ন করা এবং বিভিন্ন ইবাদতের মাধ্যমে সঠিকভাবে কাজে লাগানো। রাসুল ﷺ এই যুল হিজ্জাহ এর প্রথম দশ দিনে (দিন-রাত) অধিক পরিমাণে ইবাদত করতে আমাদের উৎসাহ দিয়েছেন, সাহাবাহরা অনেক কষ্ট করতেন এই দশ দিনে এবং তারা অনেক বেশি আমল করতেন। তাই আমরাও আমাদের সাধ্য অনুযায়ী অনেক বেশি ইবাদত করার চেষ্টা করবো, ইন শা আল্লাহ। যুল হিজ্জাহ মাসের প্রথম দশকের বিশেষ বৈশিষ্টের তাৎপর্য হলো এই যে, এতে সকল মৌলিক ইবাদতগুলোর সন্নিবেশ একসাথে ঘটে থাকে। এই দশ দিনের ভিতর নামাজ, রোজা, আল্লাহর যিকির, সদাকাহ, যাকাত, হজ্জ, কুরবানী ইত্যাদি অনেক আমল একসাথে রয়েছে, সামর্থ্য ও ইচ্ছা থাকলে অনেক ধরনের ইবাদত একসাথে করা যায়। আমরা চাইলে আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করতে পারি এবং অর্জন করে নিতে পারি আল্লাহর সন্তুষ্টি। মাসের মধ্যে সেরা মাস হলো রামাদ্বান, আর দিনের মধ্যে সেরা দিনগুলো (দিন বলতে এখানে দিন ও রাত উভয়টিই বুঝানো হয়েছে) হলো এই যুল হিজ্জাহ মাসের প্রথম ১০দিন। এই ১০দিনের গুরুত্ব আমরা খুব ভাল করে কুরআন ও হাদিসে দেখতে পাই।
❂ আল্লাহ ﷻ বলেন, ❝শপথ ফজরের, শপথ দশ রাতের।❞ [সূরা আল ফাজর, ৮৯:০১-০২]। ইবনে কাসীর (রাহ.) বলেছেন, “এর দ্বারা উদ্দেশ্য হল, যুল হিজ্জাহ মাসের প্রথম দশ দিন।” এই মত ব্যক্ত করেন ইবনে আব্বাস, ইবনুয যুবাইর, মুজাহিদ প্রমুখ [তাফসীর ইবনে কাসীর]।
❖ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ‘আমলের চেয়ে অন্য কোন দিনের ‘আমলই উত্তম নয়। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন, জিহাদও কি (উত্তম) নয়? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জিহাদও নয়। তবে সে ব্যক্তির কথা ছাড়া যে নিজের জান ও মালের ঝুঁকি নিয়েও জিহাদে যায় এবং কিছুই নিয়ে ফিরে আসে না।
[বুখারী ৯৬৯। আবু দাউদ ২৪৩৮ (সহিহ হাদিস)]
যুল হিজ্জাহ সম্মানিত চারটি মাসের মধ্যে একটি [সূরা আত তাওবাহ, ০৯:৩৬ এবং বুখারী ৩১৯৭ (সহিহ)] এবং এটি হজ্জেরও মাস। এই দশ দিনের ফরজ ইবাদত অন্যান্য মাসের ফরজ ইবাদতের তুলনায় অধিক মর্যাদার। এই দশ দিনের নফল ইবাদত অন্যান্য মাসের নফল ইবাদতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। কিন্তু এই দশ দিনের নফল ইবাদত অন্যান্য মাসের ফরজ ইবাদত থেকে শ্রেষ্ঠ নয়।
সুতরাং বুঝা গেলো এই দশ দিনের গুরুত্ব অনেক, তাই আমাদের উচিত এর সঠিকভাবে ব্যবহার করা। আল্লাহ ﷻ আমাদের ভাল ভাল সুন্দর কাজগুলো করতে সাহায্য করুক, আমিন।

- আশরাফুল আলম ইমন || Ideal Muslim Shop
(২৩ জুলাই ২০২০। রাত ১১:৩৯, ১১ জুলাই ২০২১)

17/05/2026

❒ যুল হিজ্জাহ মাসের আমলসমূহঃ

যুল হিজ্জাহ মাসের (বাংলায় জিলহজ নামে পরিচিত) প্রথম দশ দিনের ইবাদত আল্লাহর নিকট সবচেয়ে সেরা এবং শ্রেষ্ঠ। এই মাসে আমরা কি কি আমল করবো তা খুব সংক্ষেপে নিচে দেওয়া হলো, যথাঃ

◉ ০১. অধিক পরিমাণে আল্লাহর যিকির (আল্লাহর স্বরণ) করা, বেশি বেশি তাকবির পাঠ করা অর্থাৎ আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা।

◉ ০২. পাপ কাজ করা হতে বেঁচে থাকা, বেশি বেশি একনিষ্ঠ মনে আল্লাহর নিকট অধিক তাওবাহ ও ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করা।

◉ ০৩. প্রতিদিনের ফরজ, সুন্নাহ এবং বিভিন্ন রকম নফল কাজগুলো অধিক গুরুত্বের সাথে করা এবং বেশি বেশি করে নেক আমল করার চেষ্টা করা। যেমনঃ ফরজ আমলগুলোর ব্যাপারে অধিক যত্নশীল হওয়া (যেমন: সালাত, পর্দা ইত্যাদি ছেলে-মেয়ে সবার উপর ফরজ), ফরজ নামাজগুলো সুন্দর ভাবে ইহসানের সাথে পড়া, ফরজ নামাজের পর বিভিন্ন আমল করা, সুন্নাহ/নফল নামাজগুলো পড়ার চেষ্টা করা (তাহাজ্জুদ/ক্বিয়ামুল লাইল, ইশরাকের নামাজ বা সালাতুদ দুহা/চাশতের নামাজ, সালাতুয যাওয়াল অথবা এমনই নিষিদ্ধ সময় গুলো বাদে নফল নামাজের মানের দিকে খেয়াল রেখে অধিক হারে নফল নামাজ পড়ার চেষ্টা করা।), দুয়া করা, সকাল-বিকালের দুয়াগুলো পাঠ করা, রাসুল ﷺ এর উপর দুরুদ পাঠ করা, কুরআন তিলাওয়াত করা, আযানের উত্তর দেওয়া, দ্বীন সম্পর্কে সঠিক জায়গা হতে জ্ঞান অর্জন করা, বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, যিকির করা, রোজা রাখা, সাধ্যানুযায়ী অধিক দান-সদাকাহ করা, যাকাতও চাইলে দিতে পারি, ঘুম যাওয়ার আগে যেসব কাজ আছে সেগুলো করা, রাসুল ﷺ এর সুন্নাহের ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া ইত্যাদি কাজের দ্বারা অধিক ইবাদত করার চেষ্টা করা। এছাড়াও এই দশ দিনে আমরা আরো গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল করতে পারি, যেমনঃ মা-বাবার খেদমত করা, জীবনসঙ্গীর বিভিন্ন কাজে সাহায্য করা, সন্তানদের দ্বীন সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়া, প্রতিবেশির হক আদায় করা, মুসলিম ভাইয়ের সাথে হাসি মুখে কথা বলা, ছোট-বড় সবার সাথে সালামের আদান-প্রদান করা (নিজে সবসময় আগে দেওয়ার চেষ্টা করা), মানুষের দুঃখ দূর করার চেষ্টা করা, মানুষের প্রয়োজন পূরণ করার চেষ্টা করা, লোকদের বিবাদ মেটানোর চেষ্টা করা, অসুস্থ ব্যক্তির সেবা-সুশ্রূষা জন্য চেষ্টা করা, আত্মীয়তার বন্ধন সুদৃঢ়করণ ও তাদের হক আদায় করা, সকল শ্রেণির মুসলিমদের (বিশেষ করে জুলুমের স্বীকার) জন্য দুয়া করা ইত্যাদি। ইবাদতের মৌসুম চলে গেলেও, সর্বদা আমলগুলো চালু রাখার চেষ্টা করা।

◉ ০৪. ০১ হতে ০৯ যুল হিজ্জাহ পর্যন্ত রোজা রাখার চেষ্টা করা ও বিশেষ করে আরাফার দিন রোজা রাখা। নিজে করার পাশাপাশি অন্যদের এই আমলের ব্যাপারে দাওয়াহ দেওয়া, সহযোগিতা করা ও পারলে ইফতার করানো (যাতে তার সিয়াম পালনের আমলের সমপরিমাণ সাওয়াব পেয়ে যাই।)।

◉ ০৫. সামর্থ্য থাকলে হজ্জ অথবা উমরাহ পালন করা।

◉ ০৬. চুল কাটা, গোঁফ কাটা, দাড়ি কাটা, নখ কাটা ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম কাটা হতে বিরত থাকা। বিশেষ করে কেউ যদি কুরবানী দেওয়ার নিয়ত করে, তবে সন্ধ্যায়ের পর ০১ যুল হিজ্জাহ শুরু হয়ে গেলেই তিনি বিরত থাকবেন কুরবানী পশু কুরবানী না দেওয়ার আগ পর্যন্ত। আর যারা সামর্থ্যের অভাবে কুরবানী দিচ্ছেন না, কিন্ত দুর্বল আমলযোগ্য্য হাদিসটির উপর আমল করতে চান তারা নিজ নিজ এলাকাতে কুরবানী হয়ে গেলে কেঁটে ফেলবেন। কুরবানী যিনি দিচ্ছেন উনি কুরবানী দিয়ে অতঃপর কেঁটে ফেলবেন। যুল হিজ্জাহ মাস শুরু হওয়ার আগে এই ব্যাপারে প্রস্তুতি নেওয়া শেষ করে ফেলবেন।

◉ ০৭. যুল হিজ্জাহ এর প্রথম ১০ দিন বেশি বেশি তাকবির (আল্লাহু আকবার), তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ), তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্) ও তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) পাঠ করা।

◉ ০৮. আরাফার দিবসের ফজরের পর থেকে ঈদের ৪র্থ দিন (১৩ যুল হিজ্জাহ) আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর (মোট ২৩ ওয়াক্ত সালাত) নারী-পুরুষ সকলে তাকবিরে তাশরিক (যেমনঃ আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; ওয়া লিল্লাহিল হামদ) অন্তত একবার পাঠ করা।

◉ ০৯. সামর্থ্য থাকলে কুরবানী করা।

◉ ১০. ঈদুল আযহার দিন সব রকম সুন্নাহ পালন করার চেষ্টা করা।

◉ ১১. রিয়া (লোক দেখানো), বিদ'আত ও ভুল কাজগুলো থেকে বেঁচে থাকা।

◉ ১২. নিজে পালন করার চেষ্টা করা, অতঃপর অন্যদেরও কল্যাণকর ভাল কাজের দিকে আহবান করা এবং কাজগুলো করতে অনুপ্রেরণা দেওয়ার চেষ্টা করা (যদি তারা আমাদের কথা শুনে ঐ সব ভাল কাজগুলো করে, তবে আমরাও তাদের সমপরিমাণ প্রতিফল পাবো ইন শা আল্লাহ।)।

◉ ১৩. যেসব নারীদের মাসিক অথবা মা হতে চলেছেন অথবা যিনি অসুস্থ বা সামর্থ্য না থাকার কারণে কোন ইবাদত করতে পারছেন না, মন খারাপ করবেন না। আল্লাহর ফায়সালার উপর সন্তুষ্ট থাকুন, ধৈর্য ধারণ করুন এবং সামর্থ্য অনুযায়ী বেশি বেশি আমল করুন।
❁ আল্লাহ ﷻ আমাদের সকলকে উত্তম ভাল কাজগুলো কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে সুন্দর ভাবে সম্প্রদান করতে সাহায্য করুক এবং আমাদের সত্যিকারের সফলতা দান করুক, আমিন।

- আশরাফুল আলম ইমন || Ideal Muslim Shop
(২৩ জুলাই ২০২০। রাত ০৯:৩০, ০৯ জুলাই ২০২১)

বাচ্চা মেয়ে রুবি খেলতে গিয়েছিল। মেয়েটার বয়স খুব বেশি না, মাত্র ১৪ বছর। মেয়েটা খেলতে যাওয়ার সময় তাকে জোর করে পাশের বাসার ...
06/05/2026

বাচ্চা মেয়ে রুবি খেলতে গিয়েছিল। মেয়েটার বয়স খুব বেশি না, মাত্র ১৪ বছর। মেয়েটা খেলতে যাওয়ার সময় তাকে জোর করে পাশের বাসার একটা রুমে নিয়ে যায় একজন।

মেয়েটা ছোট বিধায় কোনপ্রকার বাঁধা দিতে পারেনি, আটকাতেও পারেনি। তারপর সেই রুমের মধ্যে আটকে
নির্মমভাবে ধ*র্ষণ করা হয় মেয়েটাকে।

ধ*র্ষণের সময় তাকে কঠোরভাবে হুমকি এবং ভয়ভীতি দেখানো হয় যাতে কোনভাবেই এ ঘটনাটা প্রকাশ না করে। এসব কথা প্রকাশ হলে অনেক পরিবারের ক্ষতি হবে, তাকে মেরে ফেলবে এসব বলেও হুমকি দেয়।

টানা ধ*র্ষণের কারণে রুবি মেয়েটা কয়েক মাস পরই প্রেগন্যান্ট হয়ে পড়ে। মেয়ের পেট ফুলে যেতে দেখে মা বুঝতে পারে মেয়েটার সাথে জঘন্য কিছু ঘটেছে।

মেয়েটার বড় ভাই মোর্শেদ তখন আগ বাড়িয়ে মেয়েটাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে অন্য রুমে নিয়ে যায় এবং মেয়েটার ভাই পরবর্তীতে পরিবারের সবাইকে জানায় পশ্চিম পাড়া মসজিদের হুজুর মোজাফফর তার বোনকে ধ*র্ষণ করেছে। মেয়েটা মাথা নেড়ে ভাইয়ের কথাতে সম্মতিও দেয়।

এরপর পরিবারের লোকজন এলাকাবাসীকে গিয়ে মসজিদের হুজুরকে ধরতে যায় এবং তাকে ধ*র্ষণের কথা স্বীকার করতে বলে। কিন্তু হুজুর করুণভাবে আকুতি মিনতি করে জানায় - এমন জঘন্য কাজ করেনি সে।

কিন্তু হুজুরের এ কথা কেউ আমলে নেয়নি।এলাকাবাসীরা হুজুরের কোন কথা না শুনে তাকে মারতে যায়।

হুজুর মোজাফফর তখন অসহায়ভাবে বলেছিল- আমি অসহায় মানুষ, পড়াশো চালানোর জন্যে ইমামতি করি। আমি এই কাজ করি নাই। কুরআন ছুঁয়েও বলতে পারব এসব করি নাই। আপনারা ডাক্তারের মাধ্যমে পরীক্ষা করে তারপর বিচার করেন।

কিন্তু হুজুরের এ কথা তখন কেউ কোন আমলেই নেয়নি। বরং তাকে মারধর করার জন্যে পুরো গ্রামবাসী তৈরি হয়েই ছিল। সেই হৈ হুল্লোড়ের মধ্যে হুজুরও আর কিছু বলার সুযোগটুকু পায়নি।

তারপর বাচ্চা মেয়ে রুবির ভাই মোর্শেদের নেতৃত্বে হুজুরের বিরুদ্ধে ফেনী আদালতে মামলা করা হয়। পুলিশ কোনকিছু ক্রসচেক না করে সেদিনই মসজিদের হুজুর মোজাফফরকে জেলেনিয়ে যায়।

এভাবে হুজুর একমাস জেল খাটে। জেলে বসেও হুজুর বেশ কয়েকবার পুলিশদের বলেছিল- সে নির্দোষ। কিন্তু পুলিশ তার কোন কথা শুনেনি।

এর কিছুদিন পর মামলা যখন আদালতে উঠে তখন পুলিশ হুজুরের ডিএনএর সাথে মেয়ের ধ*র্ষণের সময়কার আলামতের ক্রসচেক করার জন্যে ডাক্তারদের কাছে পাঠায়।

ডাক্তাররা পরীক্ষা নিরিক্ষা করে দেখে ধ*র্ষণের আলামতের ডিএনএ-র সাথে হুজুরের ডিএনএ-র মিল নেই। ডাক্তাররা তখন রিপোর্ট পেশ করে জানায়- এ ধ*র্ষণ হুজুর করেনি।

এবারে পুলিশের টনক নড়ে। তারা হুজুরের কথা এবারে আমলে নেয়া শুরু করে। ততদিনে মেয়ের পেটের বাচ্চা বড় হয়ে ডেলিভারির সময়ও ঘনিয়ে আসে।

পুলিশ প্রকৃত অপরাধীকে ধরার জন্যে এলাকায় আবারও অভিযান চালায় এবং বাচ্চা মেয়ে রুবিসহ পুরো পরিবারের সবাইকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

পরিবারের সবাইকে জিজ্ঞেস করার পরও কোন ক্লু না পেয়ে মেইন ক্লু হিসেবে পুলিশ বাচ্চা মেয়ে রুবিকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রথমদিকে মেয়েটা কিছুই বলতে চাচ্ছিল না, ভয় পাচ্ছিল শুধু। যেহেতু মেয়েটার বয়স খুবই কম তার উপর কিছুদিন পরই বাচ্চা প্রসব করবে তাই ভয় পাওয়াটাও স্বাভাবিক ছিল।

পরে পুলিশের পুরো ইউনিট মেয়েটাকে বিভিন্ন আশ্বাস দিয়ে কথা বের করার চেষ্টা করে।

পরে মেয়েটা একপর্যায়ে স্বীকার করে- তার বড় ভাই মোর্শেদই তাকে ধ*র্ষণ করেছিল। তাকে মেরে ফেলার হুমকি ধামকি এবং পরিবারের মানসম্মানের ভয়ভীতিও দেখিয়েছিল যাতে ভাই যেভাবে যেভাবে বলে সেটাই সে শুনে। তাছাড়া হুজুরকে ফাঁসানোর পরিকল্পনাটাও তার ভাইয়েরই ছিল।

মেয়েটার কাছ থেকে এ ক্লু পেয়ে পুলিশ রুবির ভাই মোর্শেদকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। কিন্তু সে বারবার অস্বীকার করতে থাকে। পরে পুলিশ তার ডিএনএ সংগ্রহ করে ডাক্তারের কাছে পাঠায়।

ডাক্তাররা পরীক্ষা করে জানায়- ধ*র্ষণের আলামতের ডিএনএ-র সাথে এ ডিএনএ-র ৯৯.৯% মিল আছে। মানে এটা মেয়েটার ভাইয়েরই ডিএনএ।

পুলিশ তখন বুঝতে পারে বাচ্চা মেয়েটার বড় ভাই ই তাকে নির্মমভাবে ধ*র্ষণ করে প্রেগন্যান্ট করেছে। ততদিনে মেয়েটার পেটের বাচ্চাটাও প্রসব হয়। একটা মেয়েশিশু হয় রুবির।

অধিকতর নিশ্চিত হওয়ার জন্যে মামলা চলাকালীন সময়েই আদালতের নির্দেশে- জন্ম নেয়া ছোট্ট শিশুটার সাথে মোর্শেদের ডিএনএ ক্রসচেক করে পুলিশ। এবং মিলও পায়।

মানে বাচ্চা মেয়ে রুবির পেটে জন্ম নেয়া শিশুটার বাবা তার নিজেরই বড় ভাই।

পুলিশ তখন মোর্শেদকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে আনে। এবারে প্রমাণ থাকায় সে আর অস্বীকার করতে পারে না। সে সব ঘটনার স্বীকার করে স্বীকারোক্তি দেয়।

সে পুলিশকে জানায়- ছোট বোনকে ধ*র্ষণ করার পর কাকে ফাঁসানো যায় সেটা খুঁজতেছিল সে। পরে পশ্চিম পাড়ার মসজিদের হুজুর মোজাফফরের কথা মাথায় আসে তার। কারণ হুজুর সহজ সরল ছিল। তাকে ফাঁসানোটা সহজ হতো।

হুজুরকে ফাঁসিয়ে কয়েক লাখ টাকা আদায় করে মামলা তু্লে নেয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এমনকি বোনের পেটে জন্ম নেয়া শিশু বাচ্চাটাকেও অন্য জায়গায় বিক্রি করে দেয়ার পরিকল্পনা ছিল তার।

পরে আদালত মেয়েটার ভাই মোর্শেদকে জেলে ভরার নির্দেশ দেয় এবং মসজিদের হুজুর মোজাফফরকে ৩১ আগস্ট ২০২৫ সসম্মানে মুক্তি দেয়।

ঘটনাটা ২০২৫ সালের ফেনীর পরশুরাম উপজেলার টেটেশ্বর গ্রামের।

ধ*র্ষণ একটা মারাত্মক জঘন্য অপরাধ। কিন্তু এটাকেই অনেকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। কারো সাথে পারিবারিক শত্রুতা থাকলে তার বিরুদ্ধে ধ*র্ষণ মামলা করে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে।

এতে করে আসল অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়। আর ভিক্টিম মেয়েগুলো বাচ্চা হওয়ায় তারাও কোনকিছু বলতে পারে না।

তাছাড়া বাংলাদেশের আইনে ধ*র্ষণের অভিযোগ পেলেই যে কাউকে পুলিশ জেলে ভরে দেয়। তার পক্ষের কথা শোনার প্রয়োজনবোধও করে না।

ডিএনএ টেস্ট এবং মামলা চলাকালীন সময় পর্যন্ত ততদিন তাকে জেল খাটতে হয়। এই সুযোগটাকেই কাজে লাগায় কিছু কলুষিত মানুষেরা।

মোজাফফর নামের যে হুজুরকে ধ*র্ষণের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল সে খুবই সহজ সরল একজন মানুষ। বয়সও খুব বেশি না। নিজের পড়াশোনার খরচ নিজে চালানোর জন্যে মসজিদে ইমামতির করতো এবং মক্তবে পড়াতো।

এই মিথ্যা মামলায় কারণে তার পড়াশোনা তো নষ্ট হয়েছেই পাশাপাশি সামাজিক ,আর্থিক এবং মানসিকভাবে প্রচন্ড ভেঙে পড়েছে সে।

সেদিন এই হুজুরও আকুতি মিনতি করে বারবার বলেছিল- আমি ধ*র্ষণটা করি নাই। যদি করি টেস্ট করার পর যা খুশি শাস্তি দিয়েন।

কিন্তু কেউ তার কথা শুনেনি। কারণ সে তো মাত্র পাঁচ হাজার বেতনের চাকরি করা হুজুর। তার কথা শুনে কি আর হবে!

মোজাফফর হুজুর হয়তো মিথ্যা মামলা থেকে পার পেতে পেরেছে। কিন্তু তার মতো এমন বহু অসহায় মানুষ আছে যারা এখনো মিথ্যা মামলার বোঁঝা ঘাড়ে নিয়ে বছরের পর বছর জেলে খেটে যাচ্ছে

- Ibrahim Khalil Shawon

আপনি যে টাকা খরচ করে প্রবাসে কামলা দিতে যান, সে টাকা দিয়ে আপনি একটা ব্যবসাও চাইলে দিতে পারেন। রিজিকের অধিকাংশ ভাগ ব্যবস...
27/04/2026

আপনি যে টাকা খরচ করে প্রবাসে কামলা দিতে যান, সে টাকা দিয়ে আপনি একটা ব্যবসাও চাইলে দিতে পারেন। রিজিকের অধিকাংশ ভাগ ব্যবসাতেই, দেখতে ছোট হলেও বরকত আছে রিজিকের মালিকের পক্ষ থেকে। আপনার রিজিক তো ফিক্সড, আপনার উচিত ছিল আল্লাহর উপর সুধারণা করে তা পাওয়ার হালাল মাধ্যমগুলো খোঁজা। আপনি কোন ভাবে বিয়ে একটা করে বাচ্চা একটা পেটে দিয়ে বিদেশে চলে যান বা না দিয়ে, বছরের পর বছর দেশে আসেন না। জানি পরিবারের জন্য কষ্ট করছেন, একটা ভাল ফাউন্ডেশন নিয়ে দালান বানাবেন ইত্যাদি কত পরিকল্পনা মৃত্যুর আগে বুইড়া বয়সে থাকার জন্য কিন্তু আপনি যে আপনার পার্টনার এর বর্তমান হক্ব নষ্ট করছেন বছরের পর বছর এবং নিজেরও?
দুইজনই সুস্থ মানুষ, যৌন চাহিদা আছে। দুনিয়া কামাই এর জন্য অন্য এক জগতে পড়ে আছেন। আপনার যৌন চাহিদা উঠলে হয়তো প*র্ণ দেখেন বা ওয়াইফকে ভিডিও কলে এনে মাস্টারভেশন করেন বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে বাইর করেন যা শরীরে জমে গেছে। খুব আমলদার হলে সঠিক উপায় সবর করেন কিন্তু তা কষ্টের। কিন্তু কী দরকার বছরের পর বছর নিজের উপর জুলুম করার এবং নিজের জীবনসঙ্গীর উপর জুলুম করার? একটা মেয়ে যদি ভিডিও কলে এসে জামাই এর সামনে নিজেকে ভিন্ন ভাবে প্রদর্শন করে তার কী হায়া ও আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব? অনলাইন জগৎ কী সেইফ? আপনাদের উভয়ের-ই তো তা তলানীতে যাচ্ছে।
মেয়েদের বিষয়টা সুপ্ত অবস্থায় থাকে, কিন্তু স্বাদ পেয়ে গেলে তারও প্রয়োজন অনুভব হয়।‌ সে কত আর বছরের বছর অপেক্ষা করবে? সে যদি জানতো স্বামী প্রবাসী হলে কোন পর্যায়ের কষ্ট ও জীবনের সেরা মুহূর্তগুলো নষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে সে জীবনে বিয়ে করতো না। বিয়ের আগে বাস্তব জীবন নিয়ে অভিজ্ঞতা কম, আশেপাশে অনেকের জামাই থাকে সেও মানায় নিতে পারবে, শারীরিক চাহিদা ও মানসিক চাহিদা এর অভাব কোন পর্যায়ের প্যারা দেয় তা অজানা এবং সে নিজে বা বাপ-মা ভাবছে প্রবাসী জামাই মানে টাকা‌ আর টাকা ও সেটাই পরম সুখ, এসব ভেবে বিয়ে করছে অর্থাৎ যেখানে পরিপূর্ণ আল্লাহকে‌ রাখার কথা সেখানে দুনিয়াকে স্বল্প পরিমাণ হলেও জায়গা দিছে, ইসলামের আলোকে চিন্তা করে নাই ও পরবর্তীতে suffer করছে।
মেয়েদের মধ্যে থাকে প্রতিশোধ পরায়ণতা। জামাই সারাদিন কামলা খেটে সুন্দর ভাবে কথা বলার বা শোনার শক্তি থাকে না বা একটা মেয়ে যা শুনতে চায় তা বলার শক্তি। অনেক সময় অনেক বাজে আচরণ করে, মেয়েও ছাড় দেয় না। আর বাইরের মানুষের বিভিন্ন মন্দ কাজ তো আছেই। সম্পর্কে তিক্ততা আসা শুরু করে। একটা নারীর অন্যতম খাদ্য হচ্ছে "কথা বলা" যা তাকে মানষিক শান্তি দেয়। এখন তার এই প্রয়োজন যদি পূরণ না হয় তখন সবর করতে করতে একটি পর্যায়ে কোন ভুল পথ বেছে নিবে যদিও সে হোক প্রেকটিসিং নারী।

স্বামী ও স্ত্রী এভাবে বছরের পর বছর দূরে থাকার কারণে নিজেদের প্রটেকশন শিল্ড দুর্বল করছে এবং বিভিন্ন ভুল পথ বেছে নেওয়াই তারা তা আরো দুর্বল করছে। অতঃপর এভাবেই শয়তান তাদের উপর প্রভাব বিস্তার করার সুযোগ পেয়ে গেছে এবং ওয়াসওয়াসা দেওয়া শুরু করেছে আল্লাহর চরম অবাধ্যতায় লিপ্ত হতে। দোষটা শয়তানের উপর চাপিয়ে দিচ্ছি না, আসল ভুল তারা করেছে পরবর্তীতে শয়তান সুযোগ এর অসৎ ব্যবহার করছে। যার থেকে শুরু হয় বিভিন্ন পরকিয়ার‌ নিকৃষ্ট গল্প এবং বাজে পরিণতি। আমরা এসব ক্ষেত্রে কেবল নারী যে হক্ব নষ্ট করছে ও তার গাফিলতি আছে তার প্রচারণা করে বেড়াই কিন্তু পুরুষ কী কী ভুল করছে তা নিয়ে বলি না। রেমিট্যান্স যোদ্ধা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইত্যাদি কথা বলে সাধারণত মানুষকে বছরের পর বছর বাইরে কামলা দেওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা দিই স্বার্থপরের মতো কিন্তু তার সংসারের যে বাড়োটা বেজে যাচ্ছে এবং পরিবার গুলো ভেঙে যাচ্ছে তা নিয়ে আলোচনা করিনা। বছরের পর বছর এভাবে দেশের বাইরে বউকে রেখে যাওয়া যে জুলুম ও শরিয়ত জিনিসটাকে নিরুৎসাহিত করে এবং পরিস্থিতি সাপেক্ষে হারাম তা প্রচার করি না। আপনি যদি নির্দিষ্ট এক সময়ের মধ্যে আকাঙ্ক্ষিত ইনকাম করে দেশে বউ এর কাছে আসতে না পারেন বা বউকে নিজের কাছে নিতে না পারেন, তাহলে আপনার বিয়ে করা দরকার নাই। এটা এলিট বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীদের জন্যেও একই কথা, তারা কামলা না দিতে গেলেও বড়লোকি কামলা বা পড়াশোনা বা প্রতিষ্ঠিত হতে একই ভুল করে। আপনি লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে যাইতে পারেন, কিন্তু সেটাকে ব্যবহার করে অন্য কিছু করতে পারেন না এমন পরাজিত মানসিকতা নিয়ে আপনার বাঁচার দরকার নাই। আপনার সবচেয়ে বড় সমস্যা আপনি আল্লাহকে চিনেন নাই বা চেনার চেষ্টা করেন নাই, আল্লাহর প্রতি সুধারণা করা জানেন না ও এপ্লাই করতে পারেন‌ না, আল্লাহর সাথে সম্পর্ক রাখেন না, দ্বীন বুঝেন না ও নফসের পূজারী। একই ভাবে সমস্যা আপনার জীবনসঙ্গীর বা তার বাপ-মা এর। যার কারণে যিনা-ব্যাভিচারের পথ উম্মুক্ত হচ্ছে। আল্লাহর অবাধ্যতায় এভাবে আর কত? দ্বীন থেকে কেন জীবনের সকল সমাধান নেন না? আপনাদের জন্য যে আমাদেরও জঘন্য বিষয়গুলোর সাক্ষী হতে হয়, আল্লাহর অসন্তুষ্টি সহ্য করতে ও তার ফল ভোগ করতে হয় তা কী জানেন? বিয়ে করার জন্য ফরজ ইলম এবং যোগ্যতা অর্জন করতে না পারলে বিয়ে করিয়েন না, ছেলে ও মেয়ে উভয়েই। আর এসব বিষয়ে আলেমদের চরম নীরবতা দুঃখের, তারা কোন বিষয় কোন কিছু করতে পারে না (অল্প কিছু বাদে) --- এসবের জন্য আপনারাও দায়বদ্ধ থাকবেন, বড় অনেক বিষয় কট খেয়ে তো আছেনই। মূলত বড় বিষয় ও কাজে অবহেলার কারণে ছোট এমন অনেক বিষয় অনেক বড় হয়ে আছে।

- আশরাফুল আলম ইমন (২৭ এপ্রিল ২০২৬)

নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি :বিসমিল্লাহ তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ। নিজের কৃতকর্মের ফলে আল্লাহর দেওয়া পরিক্ষার সম্মুখীন হয়ে বিপদগ্রস্ত ব...
24/04/2026

নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি :

বিসমিল্লাহ তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ। নিজের কৃতকর্মের ফলে আল্লাহর দেওয়া পরিক্ষার সম্মুখীন হয়ে বিপদগ্রস্ত বিদ্ধস্ত অসহ যন্ত্রণা সহ্য না পেরে নিজের ব্যাক্তিগত বিষয় প্রথমবারের মতো ফেইসবুকে লিখলাম। আমার একমাত্র প্রিয়তমা স্ত্রী তাসনীম বিনতে আলম জারিন গতকাল ২২-০৪-২০২৬ সকাল ১০টা থেকে যশোরের ডা. আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিফাল কলেজ গেইট থেকে কিছুটা আগে চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন কাঁচাবাজারে মুখ থেকে মিসিং। আমার স্ত্রীর কাছে কোন মোবাইল ফোন নেই, কোন টাকাপয়সা জামাকাপড় কিছুই নেই। একবারে সাধারণ ভাবে [ছবির] কলেজের বোরকা পরিহিত ছিলো, সাথে শুধুমাত্র কলেজ ব্যাগ দুটো বই, রিক্সা ভাড়ার ২০-২৫ টাকা, কলেজের আইডিকার্ড ছিলো। আমি ও আমার শ্বশুর শ্বাশুড়ি থানায় জিডি যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি, তার পরিচিত বান্ধবী দের নিকট খোঁজ খবর নিয়েছি নিচ্ছি। এখন পর্যন্ত কোন খোঁজ খবর নেই। সদ্য বাইক এক্সিডেন্টে আমি জখম সাথে এই বিপদ যোগ হয়ে এমতাবস্থায় আমার ও আমার শ্বাশুড়ির শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। দয়াকরে যশোরের ভাই বোন ও সবাই পোস্ট টি শেয়ার করে আমার কলিজার টুকরা স্ত্রীকে খুজে পেতে যার যতটুকু যে ভাবে সম্ভব সহোযোগিতার অশ্রুসিক্ত করজোড় অনুরোধ রইলো।

- তাসনিম বিনতে আলম জারিন। ইন্টার ফার্স্ট ইয়ার, মানবিক বিভাগ, বকুল শাখা, রোল ৭৪১। থানা সদর, জেলা যশোর।

যোগাযোগ : 01306552003 (স্বামী)। 01717251605 (বাবা)।

আজকে আমাদের এই মাকে কিছু কুলাঙ্গার সম্পূর্ণ রূপে অনাবৃত করে মানুষের সামনে দেখিয়েছে! আল্লাহ্! এমন জুলুমে যেন আল্লাহর আরশ ...
23/04/2026

আজকে আমাদের এই মাকে কিছু কুলাঙ্গার সম্পূর্ণ রূপে অনাবৃত করে মানুষের সামনে দেখিয়েছে!

আল্লাহ্! এমন জুলুমে যেন আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠবে!

উনি কেঁদে কেঁদে বলছেন, "ধর্ষণ করলেও মনে হয় এতটা কষ্ট পেতাম না। ধর্ষণ তো ২ জন করে, ৫ জন করে। আর এরা আমার সলোয়ার খুলে বাজারের সমস্ত মানুষদের দেখিয়েছে!"

অভিযুক্তদের পরিচয়ঃ

পিতা

বিগ্রহ দিলীপ কুমার

ছেলে আসিম কুমার এবং বিশ্বজিৎ কুমার
দুই মেয়ে রিনা ও রিতা।

ঠিকানা: পুরোগ্রাম, সাধুহাটি ইউনিয়ন, ঝিনাইদহ জেলা।

১৬/১৭ বয়সী মেয়ে গুলো কে আবাসিক হোটেলে নিয়ে যাচ্ছে বয়ফ্রেন্ড৷ লাগছে না মোহরানা,লাগছে না ক্যারিয়ার,লাগছে না ভরণপোষণের দায়ি...
20/04/2026

১৬/১৭ বয়সী মেয়ে গুলো কে আবাসিক হোটেলে নিয়ে যাচ্ছে বয়ফ্রেন্ড৷ লাগছে না মোহরানা,লাগছে না ক্যারিয়ার,লাগছে না ভরণপোষণের দায়িত্ব।
কিছু আবেগী উক্তি,কিছু উপহার,কিছু ফুচকা, চটপটি, ট্রিটের বিনিময়ে পেয়ে যাচ্ছে দেহ৷

একটি ১৭/১৮ বয়সী মেয়েকে দিনের পর দিন ভোগ করে যাচ্ছে ১৯/২০ বয়সী বয়ফ্রেন্ড।
একই মেয়েকে বিয়ে করার যোগ্যতা অর্জন করতে ছেলেদের চলে যাচ্ছে ৩০/৩৫ বছর৷

কি এক জাহেলিয়াত যুগ আমাদের গ্রাস করেছে।

18/04/2026

একটি সতর্কতার বিষয় এই যে, ইরান ও আমেরিকার যুদ্ধে সবাই নিজেকে বিজয়ী দাবি করছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আমেরিকার বিশেষ কোন ক্ষতি হয়নি। ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের উপরে দিয়ে সব গেছে। আমেরিকার ক্ষয়ক্ষতি যেহেতু খুবই কম এবং সে শত্রুর ভালই ক্ষতি করেছে, তাই সব হিসাবে আমেরিকা এগিয়ে। সমস্যা এখানে না, আরো গভীরে। ইরান নিজের বিজয় হিসেবে এটাকে ছড়িয়ে তো বেড়াচ্ছেই, পাশাপাশি তাদের হয়ে বাংলাদেশে কামলা খাটছে শিয়ারা, বেরোলভি ও ভাল সংখ্যাক জামায়াত-শিবিরের লোক জেনেবুঝে বা অজ্ঞাত ভাবে (মজার বিষয় বেশ কিছু প্লাস্টিক কওমিও এবং কিছু সালাফি/আহলে হাদিস দাবিদারও)।

সমস্যা আরো গভীরে এই যে তারা তাদের কুফরী আকিদাহ প্রচার করছে এই যুদ্ধেকে পূজি করে। সুন্নি খারাপ শিয়া ভাল এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ তাকিয়াহ (আকিদাহ বা মতবাদ গোপন করা) আকিদাহ ব্যবহার করে। আবু তালিব মুসলিম ছিল, আবু বকর-উমর-মা আয়েশা-উসমান-মুয়াবিয়া ইত্যাদি সাহাবী কাফের বা অভিশপ্ত অর্থাৎ সাহাবী বিদ্বেষ ও গালাগালি, কুরআন ও হাদিসে সমস্যা আছে ইত্যাদি ভুল আকিদাহ যার উপর কেউ ঈমান আনলে কাফের হয়ে যাবে। তাই যাদের পর্যাপ্ত ইলম নেই, তারা এসবে ধোঁকা খাবেন না। কোন হক্বপন্থী আলেম ও কাফেলার সাথে সময় দিন।

AAI, 18April2026

18/04/2026

আজ সন্ধ্যার পর ১ যিলক্বদ, এটি সম্মানিত চার মাসের মধ্যে একটি। অন্যান্য মাসে গুনাহ করলে যে অপরাধ, এই মাসগুলো গুনাহ করলে আরো বেশি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই শয়তান চেষ্টা করবে আরো বেশি গুনাহ করাতে, তাই সবসময় প্রটেকশন শিল্ড শক্তিশালী রাখবেন অনর্থক কাজ থেকে বেঁচে থেকে, নেককারদের সহবত এবং গোপন নেক কাজের মাধ্যমে। বেশি বেশি নফল রোজা, সালাত, সদাকাহ, দুয়া-দুরুদ-ইস্তিগফার ও বিভিন্ন যিকির ইত্যাদি সহায়ক হতে পারে। সকাল-সন্ধ্যা ও রাতের আলমসহ সুন্নাহ লাইফস্টাইল ফলো করতে ভুলবেন না। আল্লাহর জন্য কষ্ট বেশি হলে সাওয়াবও বেশি হবে ইন শা আল্লাহ। এছাড়া সম্মানিত মাসে অন্যান্য আরো যা যা কাজ আছে তা যা করবেন, ইন‌ শা আল্লাহ।

AAI, 18April2026

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রশান্তির খোঁজে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share