Krishna Priya Dashi

Krishna Priya Dashi "ভজ কৃষ্ণ, কর কৃষ্ণ, হলো কৃষ্ণ শীক্ষা"
"নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে থাক সদা কৃষ্ণ,,কৃষ্ণ জীবন কৃষ্ণতেই মরণ"🙏

স্বাভাবিক জীবন যাপন vs উন্নত স্তরে যাওয়া :- ১. স্বাভাবিক জীবন:-শাস্ত্র বলছে মাংস খাওয়া, যৌন সংসর্গ, এগুলো জীবের সাভাবিক ...
16/04/2026

স্বাভাবিক জীবন যাপন vs উন্নত স্তরে যাওয়া :-

১. স্বাভাবিক জীবন:-

শাস্ত্র বলছে মাংস খাওয়া, যৌন সংসর্গ, এগুলো জীবের সাভাবিক বৃত্তি। কিন্তু এগুলো থেকে বিরত থাকাই মহাফল
মনু সংহিতা (৫.৪৮)

—এক জীব অন্য জীবেকে ভক্ষন এর মাধ্যমে জীবন ধারণ করে
যাদের হাত নেই (প্রানী) তাদের ভক্ষন করে মানুষ
যারা প্রানী তারা ঘাস খাবে

ভাগবত (১/১৩/৪৭)

অর্থাৎ আমরা যেগুলো করছি ইন্দ্রিয় সুখভোগ, মদ্য মাংস এগুলো জীবের সাভাবিক বৃত্তি। সব জীব এগুলো করে৷

কিন্তু
এগুলো ধর্মের আদর্শ নয়, বরং সংসারের বাস্তবতা।
সংসার দুঃখময় ও পরস্পর ভক্ষণময়

জ্ঞানী ব্যাক্তি এই চক্রে আবদ্ধ না হয়ে উন্নত স্তরে যেতে চায়। এটাই জীবনের লক্ষ (ভগবান কে লাভ।)

তাহলে আমরা উন্নত স্তরে যেতে কি করতে পারি??

আহার-শুদ্ধৌ সত্ত্ব-শুদ্ধিঃ
সত্ত্ব-শুদ্ধৌ ধ্রुवा স্মৃতিঃ।
ছান্দোগ্য উপনিষদ ৭.২৬.২

আহার শুদ্ধ হলে মন শুদ্ধ হয় আর মন শুদ্ধ হলে চিত্ত শুদ্ধ আর তখন ই একাগ্র চিত্তে মন ভগবান কে সমর্পন হয়।

শাস্ত্রে জীব হিংসা নিষেধ
প্রানী হত্যা ও নিষেধ
(বহুত শাস্ত্র প্রমান আছে)

তাহলে আমরা কি খেয়ে জীবন ধারন করবো?

অহিংসা পরমো ধর্মঃ
অহিংসাই সর্বোচ্চ ধর্ম

➡️ তাই কম প্রাণহানি হয় এমন খাদ্য (সাত্ত্বিক) বেছে নেওয়া উচিত।
যেমন উদ্ভিদ, গুরুর দুগ্ধ ইত্যাদি

অনেকে বলেন তাহলে উদ্ভিদ তো জীব তাকে হত্যা করলে পাপ হবেনা?

উদ্ভিদকে “একেন্দ্রিয় জীব” বলা হয়েছে (শুধু স্পর্শেন্দ্রিয়) উদ্ভিদে জীবাত্মা আছে, তবে চেতনা খুব সীমিত

বিজ্ঞান মতে:
👉 “মানুষ বা প্রাণীর মতো স্নায়ুতন্ত্র নেই”
➡️ তাই মানুষের মতো “ব্যথা অনুভব” প্রমাণিত নয়

দেখবেন বরং তাদের ডাল পালা ছেটে দিলে তারা সেখানে আবার ডাল পালা জন্মাতে পারে। একটা কেটে দিলে দুইটা হয় (উদ্ভিদের সাভাবিক বৃত্তি)

কিন্তু প্রানীদের হাত পা কেটে দিলে আবার সেখানে জন্মায় না। (জীব হিংসা)

যেহেতু মানুষ জীব খেয়েই জীবন ধারন করবে আবার সম্পুর্ন হিংসা পরিত্যাগ করা সম্ভব নয় তাই কম প্রান হানী হয় বা লঘু পাপ হয় তাই উদ্ভিদ জাতীয় খাদ্য ই সাধু মহাজন রা বেছে নিয়েছে।

তাই এই লঘু পাপ হতে বাচতে ভগবান বলেছেন তুমি যা আহার করো আমাকে যজ্ঞে অর্পিত করো বা নিবেদন করো তবে সমস্ত বন্ধ হতে মুক্তি দিবো।

এজন্য ভগবান কে নিবেদন করে সেই বস্ত্য আহার করলে ভালো হয়

এজন্য সাত্বিক আহার হিসাবে কম হিংসা (ফল, দুধ সবজি) খাওয়ার কথা বলা হয়৷

16/04/2026
" বৈশাখ প্রাতঃস্নান মাহাত্ম্য "স্কন্দ পুরাণের বিষ্ণু খণ্ডের বৈশাখ মাহাত্ম্যে বৈশাখ প্রাতঃস্নান মাহাত্ম্য বর্ণিত আছে ।একদ...
15/04/2026

" বৈশাখ প্রাতঃস্নান মাহাত্ম্য "
স্কন্দ পুরাণের বিষ্ণু খণ্ডের বৈশাখ মাহাত্ম্যে বৈশাখ প্রাতঃস্নান মাহাত্ম্য বর্ণিত আছে ।একদা ভগবান বিষ্ণু সকল তীর্থের আধিকারিক বা ভারপ্রাপ্ত দেবতাদের আহ্বান করে বললেন "ওহে তীর্থের দেবতাগন তোমাদের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন তীর্থে রাখা হয়েছে ,ঐ এলাকার মানুষ তোমার জলে স্নান করলে তাদের মন্দ কাজ করার প্রবৃত্তির কারণ পাপ নষ্ট করে, ভালো কাজ করার প্রবণতা বৃদ্ধির কারণ পুণ্য প্রদান করে, ধীরে ধীরে ভালো কাজ করিয়ে আমার কাছে ফিরিয়ে আনার জন্য‌ই । কিন্তু যেহেতু কার্তিক মাস ও বৈশাখ মাস আমার অতীব প্রিয় মাস , তাই আমার প্রিয় মাসের ব্রাহ্ম মূহুর্তে শুধু তীর্থের জলে নয়, পৃথিবীর সমস্ত জলে, এমনকি যদি কেহ পাত্রে করে ঘরের মধ্যে জল তুলে রাখে, তার মধ্যেও তোমাদের সমস্ত তীর্থকে থাকতে হবে, যদি কোন সৌভাগ্যবান মানুষ কার্তিক বা বৈশাখ মাসের ব্রাহ্ম মূহুর্তে ঐ ঘরের মধ্যে তুলে রাখা জলেও স্নান করবে ,তাদেরকও সমস্ত তীর্থের (স্বর্গ, মর্ত্য, পাতালের) স্নানের ফল প্রদান করতে হবে । সেই জন্য সমস্ত তীর্থের দেবতাগন বৈশাখ ও কার্তিক মাসের ব্রাহ্ম মূহুর্তে তীর্থ ছাড়াও সমস্ত জলে অবস্থান করে ।ঐ সময়ে যদি কেহ ঘরের মধ্যে স্নান করে,যা ফল হবে , যদি ঘরের বাইরে তোলা জলে স্নান করলে তদাপেক্ষা দশ গুন ফল বেশি হবে । আবার যদি কেহ ঐসময় জলাশয়ে নেমে স্নান করে তদাপেক্ষা ১০০ গুন বেশি ফল লাভ হবে । নদীতে তদপেক্ষা একশো গুন বেশি, তীর্থে তদাপেক্ষা একশো গুন বেশি,দুই নদীর মিলন স্থলে স্নানে তদপেক্ষা একশো গুন বেশি,তিন নদীর মিলন স্থলে ত্রিবেণী স্নানে তদপেক্ষা একশো গুন বেশি ফল লাভ হয় । এ প্রসঙ্গে স্কন্দ পুরাণে ব্রহ্মা একটি ঘটনার উল্লেখ করেছেন ।এক ব্রাহ্মণ বৈশাখ মাসের ব্রাহ্ম মূহুর্তে স্নান করে কাপড়ের জল নিঙড়াতে নিঙড়াতে আসছিল।পথে শুয়ে থাকা একটি রোগগ্রস্ত কুক্কুরীর গায়ে ঐ ব্রাহ্মণের কাপড় নিংড়ানো কয়েক ফোঁটা জল পড়ে গেল ।কুক্কুরীটি সঙ্গে সঙ্গে ছটফট করে মারা যায় ।ঐ কু্ক্কুরীর মৃত দেহ থেকে এক দিব‍্য নারী মূর্তি বেরিয়ে এসে ব্রাহ্মণকে প্রণাম করে বললেন হে ব্রাহ্মণ আপনি আমাকে অশেষ পাপ থেকে উদ্ধার করেছেন,আপনি আমার প্রণাম স্বীকার করুন ।তখন ব্রাহ্মণ ঐ দিব‍্য নারী মূর্তিকে বললেন,হে দেবী , আপনি এর আগের জন্মে কে ছিলেন,কি কর্ম করে এই রোগগ্রস্ত কুক্কুরীর দেহ প্রাপ্ত হয়েছেন এবং কিভাবে মুক্ত হলেন সবিস্তারে বর্ণনা করুন ।তখন দেবী মূর্তিটি বললেন,এর আগের জন্মে আমি ব্রাহ্মণী ছিলাম, পাপাচারে রত‌ এবং পরপুরুষে আসক্ত ছিলাম । স্বামীকে বশীকরণ করার জন্য কবিরাজের থেকে যে শিকড় নিয়ে এসেছিলাম তা দ্বিগুণ পরিমাণে বেটে খাইয়ে দিলে স্বামী মারা যায় । ফলে আমার সুবিধা হয় । যে পুরুষদের বাড়ি গিয়ে সঙ্গ করতাম, এখন তাদেরকে বাড়িতে নিয়ে এসে যৌন ব্যবসা করতে পারছি । কিন্তু যোনি ব‍্যবসার যে এত ভীষণ সাজা তা আগে জানতাম না । ব্রাহ্মণ প্রশ্ন করলেন ! কখন জানলেন ? উঃ যখন মৃত্যুর পর যম লোকে নিয়ে যাওয়া হয় তখন সেখানে চিত্রগুপ্তের কাছে জানতে পারলাম,যে নারী যোনি ব‍্যবসা করবে , তার ঐ পাপের ফলে একশো জন্ম কুক্কুরী দেহ প্রাপ্তি হবে এবং প্রতি জন্মেই যোনি রোগে আক্রান্ত হয়ে কৃত পাপের একশো ভাগের এক ভাগ ফল ভোগ না হ‌ওয়া পর্যন্ত মৃত্যু হবে না । আমার এটা ছিল প্রথম জন্ম ।৪/৫ বছর ধরে যোনি রোগে আক্রান্ত হয়ে কৃত পাপের ফল ভোগ করছিলাম।এখন বৈশাখ মাসের ব্রাহ্ম মূহুর্ত , ভগবান বিষ্ণুর আদেশে বৈশাখ মাসের ব্রাহ্ম মূহুর্তে যেকোনো জলে সমস্ত তীর্থ অবস্থান করছে । তাই আপনার কাপড় নিংড়ানো কয়েক ফোঁটা জলেও সমস্ত তীর্থ অবস্থান করছিলেন । ফলে ঐ কয়েক ফোঁটা জল আমার দেহে স্পর্শ হ‌ওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ব্রহ্মণ্ডের সমস্ত তীর্থ স্নানের ফল প্রাপ্তি হয়ে , এজন্মের সকল পাপ এবং পরবর্তী ৯৯ জন্মের সাজা মুক্ত হয়ে আমি ভগবত ধামে যাচ্ছি , আপনি আমার প্রণাম স্বীকার করুন ।অত‌এব আপনারা সবাই বৈশাখ মাসের ব্রাহ্ম মূহুর্তে (সূর্যোদয়ের ১ ঘন্টা ৩৬ মিনিট পূর্ব হ‌ইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়কে ব্রাহ্মমূহুর্ত সময় বলে ) স্নান করে ভগবানকে ধুপ, দ্বীপ প্রদান করুন।🙏
হরে কৃষ্ণ🙏🙏


প্রকৃত সাধু কে❓কিভাবে চিনবো প্রকৃত সাধু❓🌼 আমরা এই জগতে বেশভূষা আচার আচরণ দেখে কাউকে "সাধু" বলে গণ্য করি!কিন্তু ভগবান শ্র...
13/04/2026

প্রকৃত সাধু কে❓কিভাবে চিনবো প্রকৃত সাধু❓

🌼 আমরা এই জগতে বেশভূষা আচার আচরণ দেখে কাউকে "সাধু" বলে গণ্য করি!কিন্তু ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শ্রীমদ্ভগবত গীতাতে বললেন--

"অপি চেৎসুদুরাচারো ভজতে মামনন্যভাক্।
সাধুরেব স মন্তব্যঃ সম্যগ্ ব্যবস্থিত হি সঃ॥"

অর্থাৎ "অতি দুরাচারী ব্যক্তিও যদি অনন্যভক্তি সহকারে আমার ভজনা করেন,তাঁকেও 'সাধু' বলে মনে করতে হবে,কারণ তিনি যথার্থ মার্গে অবস্থিত।"(গীতা ৯/৩০)

🌼 আবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শ্রীমদ্ভাগবতে বললেন,

"যঃ মাং ভজেৎ স সত্তমঃ"
যে আমারই ভজনা করে সে-ই সর্বোৎকৃষ্ট সাধু।"

🌼 কৃষ্ণভক্তিই জীবের সহজাত অধিকার। জীবের স্বরূপ পরিচয় হল,সে নিত্য কৃষ্ণদাস।তাই ঐকান্তিক কৃষ্ণভজনকারী জনই সাধু।যে কেউ সাধু হতে পারে।

🌼 পদ্মপুরাণে বিস্তৃত ও সুন্দরভাবে সাধুর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে------

"কৃষ্ণার্পিত-প্রাণ-শরীর-বুদ্ধিঃ শান্তেন্দ্রিয়-স্ত্রী-সুত-সম্পদাদিঃ।
আসক্তচিত্তঃ শ্রবণাদি ভক্তির্যস্যেহ
সাধু সততং হরের্যঃ॥"

🌼 অর্থাৎ যিনি পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পাদপদ্মে প্রাণ,বুদ্ধি সমস্তই অর্পণ করেছেন।যিনি ইন্দ্রিয়,স্ত্রীপুত্র,বিষয়াদি সমস্ত ভোগবিলাস থেকে বিরত হয়েছেন,যিনি শ্রীহরির প্রতি সর্বদা আসক্ত চিত্ত এবং যিনি শ্রীকৃষ্ণ-কথা শ্রবণ,শ্রীকৃষ্ণমহিমা কীর্তন ইত্যাদি ভক্তি-অঙ্গ সমুহের যাজন পরায়ণ,এই জগতে তিনিই সাধু অর্থাৎ সৎ।"

🌼যিনি শুদ্ধ ভাবে কৃষ্ণভজনকারী এবং নিঃশর্তভাবে ঐকান্তিক কৃষ্ণানুশীলনে ব্রতী, তিনিই সাধু।
শ্রীমদ্ভাগবতে একটি শ্লোকে বলা হয়েছে-

"তিতিক্ষবঃ কারুণিকাঃ সুহৃদঃ সর্বদেহিনাম্।
অজাতশত্রবঃ শান্তাঃ সাধবঃ সাধুভূষাণাঃ॥"

🌼 অর্থাৎ, "সাধুর লক্ষণ হচ্ছে তিনি সহনশীল,দয়ালু এবং সমস্ত জীবের সুহৃদ।তিনি কারও প্রতি শত্রু-ভাবাপন্ন হন না,তিনি শান্ত,তিনি শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে আচরণ করেন এবং তিনি সমস্ত সদ্ গুণের দ্বারা বিভুষিত।"(ভাঃ ৩/২৫/২১)

🌼 সহনশীলতা সাধুর ধর্ম🙏
এই যুগে আসুরিক মনোভাবাপন্ন হওয়ার ফলে কেউ ভগবদ্ ভজন শুরু করা মাত্রই,বহু মানুষ শত্রুতে পরিণত হয়।এমনকি কারো পিতা পর্যন্তও শত্রুভাবাপন্ন হয়ে উঠতে পারে,যেমন ভক্ত প্রহ্লাদের পিতা হিরণ্যকশিপু প্রহ্লাদের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন হয়েছিল।কিন্তু শ্রীপ্রহ্লাদ শৈশব থেকেই পিতার অবাধ্য হয়েছিলেন,এবং জীবনে কখনো ভগবদ্ ভজন থেকে বিচ্যুত হননি।এটাই যথার্থ সাধুর পরিচয়।

🌼 সাধু কৃপালু🙏
জড় জগতে বদ্ধ জীবদের তিনি মুক্তির পথ প্রদর্শন করেণ। অনেক ব্যক্তিকে দেখা যায়,যারা কনিষ্ঠ স্তরের ভক্তকে দেখে উপহাস করে বলে--"এ আবার কবে সাধু হল?"কিন্তু ভগবান বললেন--আমার ভক্ত নবীন হোক বা প্রবীণ সেই সাধু,কারণ নবীন হলেও একদিন সে শুদ্ধস্তরে উন্নীত হয়ে প্রকৃত সাধু হবেই।

🌼 প্রকৃত সাধু কে?
তা চেনা খুবই দুষ্কর।তথাপি সাধুর কার্যকলাপ দেখে কিছু অনুমান করা যায়।অনেক সময় কে চোর তা চেনা যায় না,গোয়েন্দাগিরি করে চোর চিনতে হয়। তেমনি সাধুকে চিনতে হয় বিভিন্ন সময়ে তাঁকে লক্ষ্য রেখে তিনি কি করছেন,তিনি কৃষ্ণভক্তি বিরুদ্ধ কোনও আচরণ করছেন কিনা,পরীক্ষা করা যেতে পারে।অবশ্য সাধুত্বের মান কম বেশি উন্নত হতে পারে।প্রকৃত সাধু তিনি,যিনি ঐকান্তিকভাবে কৃষ্ণভক্তি আচার ও প্রচারে নিযুক্ত।

হরে কৃষ্ণ🙏 হরি বল 🙏

✍ আসুন জেনে নেই একাদশী ব্রত সম্পর্কে..🙏বৈষ্ণব শাস্ত্র মতে, একাদশী হলো 'মাধব তিথি' অর্থাৎ ভক্তি লাভের শ্রেষ্ঠ সময়। এই দিন...
12/04/2026

✍ আসুন জেনে নেই একাদশী ব্রত সম্পর্কে..🙏

বৈষ্ণব শাস্ত্র মতে, একাদশী হলো 'মাধব তিথি' অর্থাৎ ভক্তি লাভের শ্রেষ্ঠ সময়। এই দিনে নিয়ম মেনে চললে কোটি গুণ বেশি ফল লাভ করা যায়। একাদশীর প্রকৃত উদ্দেশ্য শরীরকে কষ্ট দেওয়া নয়, বরং মনের একাগ্রতা শ্রীকৃষ্ণের চরণে নিবেদন করা।

সবচেয়ে বেশি ফল পাওয়ার জন্য এই দিনে যা যা করা উচিত:

১. শস্যদান বর্জন (পাপ পুরুষ বর্জন)
একাদশী তিথিতে সমস্ত পাপ শস্যদানার (চাল, ডাল, গম, সরিষা, ভুট্টা ইত্যাদি) মধ্যে আশ্রয় নেয়। তাই এই দিনে কোনো প্রকার শস্য গ্রহণ করবেন না। শুধুমাত্র ফল, জল, দুধ বা অনুকল্প আহার (আলু, সাবু, বাদাম ইত্যাদি) গ্রহণ করুন।

২. অধিক জপ ও নাম সংকীর্তন
অন্যান্য দিনের চেয়ে একাদশীতে জপের সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া উচিত।

সম্ভব হলে ২৫ মালা বা তার বেশি জপ করার চেষ্টা করুন।

নিরবচ্ছিন্নভাবে "হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে" মহামন্ত্র কীর্তন করুন।

৩. শাস্ত্র পাঠ ও শ্রবণ
এই দিনে জাগতিক আড্ডা বা অনর্থক কথাবার্তা কমিয়ে শাস্ত্র অধ্যয়ন করুন।

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা বা শ্রীমদ্ভাগবতম পাঠ করুন।

ভগবানের লীলা কাহিনী শ্রবণ করুন, এটি আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

৪. জাগরণ (রাত জাগা)
যদি সম্ভব হয়, একাদশীর রাতে জেগে থেকে ভগবানের নাম গুণগান করাকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। একে 'জাগরণ' বলা হয়, যা ভক্তি জীবনে দ্রুত ফল প্রদান করে।

৫. সেবা ও দান
একাদশীতে ভক্তদের সেবা করা বা পারমার্থিক কার্যে দান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৈষ্ণব সেবা বা দরিদ্রদের ফলমূল বিতরণ করা।

ইসকন মন্দিরে সেবামূলক কাজে সাহায্য করা।

৬. অপরাধ বর্জন
ফলাফল বজায় রাখতে মানসিক সংযম জরুরি। কারো নিন্দা-চর্চা করা, রাগ করা বা মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। মনে রাখবেন, জিহ্বার চেয়ে মনের সংযম একাদশীতে বেশি জরুরি।

৭. পারণ (উপবাস ভঙ্গ)
সঠিক সময়ে পারণ না করলে একাদশীর পূর্ণ ফল পাওয়া যায় না। পঞ্জিকা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে (সূর্যোদয়ের পর নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে) প্রসাদ গ্রহণ করে উপবাস ভঙ্গ করুন।

সহজ কথায়: এই দিনে পেটকে বিশ্রাম দিয়ে আত্মাকে ভগবানের নাম দিয়ে তৃপ্ত রাখাই হলো একাদশীর আসল সার্থকতা।

হরে কৃষ্ণ🙏

জীবন থেকে যে সময় চলে যায় সে সময় আর ফিরে আসে না তাই সময় নষ্ট না করে এখনই ঈশ্বর জ্ঞান লাভ করার চেষ্টা করুন🙏🙏
কৃপা করে সকলে মহামন্ত্র জপ করুন ও মানব জীবন ধন‍্য করুন..🙏😍🌹

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।।🙏🙏

াধামাধব 🙏💝 #শুভ_রাত্রি #একাদশী_বার্তা #প্রভুপাদ #গুরদেব #দিব্যবাণী #প্রভুপাদ ゚ ゚

🧭 অকাল মৃত্যু: কেন মানুষ আয়ু পূর্ণ হওয়ার  আগেই পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়?সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী মানুষের স্বাভাবিক পরমায়ু ধর...
12/04/2026

🧭 অকাল মৃত্যু: কেন মানুষ আয়ু পূর্ণ হওয়ার আগেই পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়?
সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী মানুষের স্বাভাবিক পরমায়ু ধরা হয় ১০০ বছর। কিন্তু বর্তমানে আমরা প্রায়ই দেখি অনেক প্রাণ প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই ঝরে যায়। এই অকাল প্রয়াণের পেছনে আধ্যাত্মিক ও জাগতিক উভয় কারণই বিদ্যমান। গরুড় পুরাণ, মনুস্মৃতি ও বিভিন্ন শাস্ত্রের আলোকে এর মূল কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. কর্মফলের অমোঘ বিধান (প্রারব্ধ কর্ম) ⚖️
শাস্ত্র বলে, বর্তমান জীবন আমাদের বিগত জন্মের কর্মের একটি প্রতিফলন। যদি কোনো আত্মা পূর্বজন্মে অন্যের জীবনহানি ঘটায় বা গুরুতর কোনো পাপে লিপ্ত থাকে, তবে সেই ঋণের বোঝা বর্তমান জন্মে 'অকাল মৃত্যু' হিসেবে ফিরে আসতে পারে। এটি প্রকৃতির এক অনিবার্য ভারসাম্য।

২. অধর্ম ও নেতিবাচক জীবনযাত্রা 📉
গরুড় পুরাণের শিক্ষা অনুযায়ী, যারা প্রতিনিয়ত মিথ্যা, জালিয়াতি এবং অন্যের অনিষ্ট সাধনে লিপ্ত থাকে, তাদের সঞ্চিত 'পুণ্যবল' দ্রুত শেষ হয়ে যায়। যমরাজ বা মহাকাল তাদের আয়ু সংকুচিত করেন। পাপাচার কেবল মনের নয়, মানুষের জীবনীশক্তিরও ক্ষয় ঘটায়।

৩. আশীর্বাদের অভাব ও গুরুজন অবমাননা 🙏
পিতা-মাতা এবং গুরুজন হলেন জাগতিক ঈশ্বর। মনুস্মৃতি অনুযায়ী, বড়দের সেবায় আয়ু, বিদ্যা, যশ ও বল—এই চারটি বিষয় বৃদ্ধি পায়। বিপরীতে, তাদের মনে কষ্ট দিলে বা অভিশপ্ত হলে মানুষের ওপর থেকে দৈব সুরক্ষা কবজ সরে যায়, যা জীবনকে সংকটাপন্ন করে তোলে।

৪. অসংযমী আহার ও জীবনশৈলী 🥗
"আহারশুদ্ধৌ সত্ত্বশুদ্ধিঃ"—অর্থাৎ খাদ্যাভ্যাস যেমন হবে, চিন্তাধারাও তেমন হবে। অতিরিক্ত তামসিক খাবার, নেশা এবং প্রকৃতির নিয়মের বাইরে (যেমন—অতিরিক্ত রাত্রি জাগরণ) জীবন যাপন করলে শরীরে ব্যাধি বাসা বাঁধে। শাস্ত্রীয় মতে, শারীরিক অনিয়মই অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান জাগতিক কারণ।

৫. ক্রোধ, অহংকার ও কটু বাক্য 🗣️
ক্রোধ এবং অহংকার মানুষের স্নায়ুকে উত্তেজিত করে এবং 'প্রাণবায়ু'র স্বাভাবিক গতি ব্যাহত করে। যারা অন্যের মনে কটু কথার মাধ্যমে আঘাত দেয়, তাদের সূক্ষ্ম শরীর (Subtle Body) ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নেতিবাচক শক্তির এই প্রভাব দীর্ঘায়ু হওয়ার পথে বড় বাধা

৬. আধ্যাত্মিক সাধনার বিমুখতা 📿
মানুষের আয়ু নিশ্বাসের সংখ্যার ওপর নির্ধারিত। অস্থিরতা, কাম বা ক্রোধের সময় মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়, যা পরোক্ষভাবে আয়ু কমিয়ে দেয়। যারা জপ, ধ্যান বা নাম সংকীর্তনে নিমগ্ন থাকেন, তাদের মন শান্ত থাকায় প্রাণের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়।

✨ অকাল মৃত্যু রোধে শাস্ত্রীয় পথনির্দেশ
বিপদ থেকে রক্ষা পেতে এবং দীর্ঘায়ু লাভে শাস্ত্র কিছু বিশেষ অভ্যাসের কথা বলেছে

দান ও আর্তের সেবা: অসহায় মানুষের সেবা ও দান করলে অনেক বড় ফাঁড়া বা বিপদ কেটে যায়

সৎ সঙ্গ: সজ্জন এবং ঈশ্বরভক্তদের সান্নিধ্যে থাকলে চিন্তায় ইতিবাচকতা আসে, যা জীবনীশক্তি বাড়ায়।

হরিনাম সংকীর্তন: কলিযুগে হরিনামকে বলা হয় শ্রেষ্ঠ রক্ষা কবজ। এটি মনের অস্থিরতা দূর করে শরীর ও আত্মাকে শুদ্ধ করে।

ক্ষমা ও ধৈর্য: ক্রোধ সংবরণ করে ক্ষমাশীল হওয়া আয়ু বৃদ্ধির অন্যতম মনস্তাত্ত্বিক চাবিকাঠি।

পরিশেষ: জীবন ও মৃত্যুর চাবিকাঠি পরমেশ্বরের হাতে থাকলেও, আমাদের কর্ম সেই পথকে মসৃণ বা কণ্টকাকীর্ণ করে। শাস্ত্রীয় অনুশাসন মেনে সংযমী ও ধার্মিক জীবন যাপন করলে অকাল মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়ে পূর্ণায়ু লাভ করা সম্ভব।

🙏🙏হরে কৃষ্ণ 🙏🙏

#হরেকৃষ্ণ_হরেকৃষ্ণ_কৃষ্ণকৃষ্ণ_হরেহরে। #হরেরাম_হরেরাম_রামরাম_হরেহরে।।

゚ ゚

⭐ সাধু সঙ্গের মহিমা..🙏১.ভববন্ধন মুক্তি :শ্রীমদ্ভাগবত ও অন্যান্য শাস্ত্র মতে, বিষয়াসক্তি মানুষকে সংসারে আটকে রাখে, আর সাধ...
11/04/2026

⭐ সাধু সঙ্গের মহিমা..🙏

১.ভববন্ধন মুক্তি :
শ্রীমদ্ভাগবত ও অন্যান্য শাস্ত্র মতে, বিষয়াসক্তি মানুষকে সংসারে আটকে রাখে, আর সাধু সঙ্গ সেই বাঁধন ছিঁড়তে সাহায্য করে। গীতায় বলা হয়েছে যে, ক্ষণকালের সাধু সঙ্গও মানুষকে মোক্ষ বা মুক্তির পথে এগিয়ে দেয়।

"লব-মাত্র সাধুসঙ্গে সর্বসিদ্ধি হয়।" — (শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত)
অর্থাৎ, মাত্র এক লহমার (সেকেন্ডের ভগ্নাংশ) জন্য সাধু সঙ্গ পেলেও জীবনের পরম সিদ্ধি লাভ করা সম্ভব।

২. অজ্ঞানতা দূরীকরণ :
আমাদের মন কাম, ক্রোধ, লোভ ও মোহে আচ্ছন্ন থাকে। সাধুর উপদেশ ও জীবন দর্শন আমাদের ভেতরের এই অন্ধকার বা অজ্ঞানতা দূর করে জ্ঞানের আলো জ্বালিয়ে দেয়। সাধুর সান্নিধ্যে এলে আয়নার ধুলো পরিষ্কার হওয়ার মতো হৃদয়ের কলুষতা দূর হয়।

৩. ভক্তি ও শুদ্ধতা লাভ :
জল যেমন আগুনের সংস্পর্শে এলে গরম হয়, তেমনি সাধুর সান্নিধ্যে এলে সাধারণ মানুষের হৃদয়েও ভক্তির উদয় হয়। সাধুগণ সব সময় পরমাত্মার চিন্তায় মগ্ন থাকেন; তাদের সেই ইতিবাচক শক্তি বা ভাইব্রেশন আশেপাশের মানুষকেও প্রভাবিত করে।

৪. কুসংস্কার ও অহংকার নাশ :
মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো 'অহংকার'। প্রকৃত সাধু অত্যন্ত বিনয়ী হন। তাঁর সান্নিধ্যে থাকলে নিজের ক্ষুদ্রতা অনুভব করা যায়, যা মানুষের অহংকার চূর্ণ করে তাকে বিনয়ী করে তোলে।

৫. জীবন দর্শনের পরিবর্তন :
আমরা সাধারণত জাগতিক সুখকেই জীবনের লক্ষ্য মনে করি। কিন্তু সাধু সঙ্গ আমাদের শেখায় যে, স্থাবর-অস্থাবর সব কিছুই নশ্বর। এই উপলব্ধি মানুষকে অল্পে তুষ্ট থাকতে এবং অন্যের সেবা করতে উদ্বুদ্ধ করে।
হরে কৃষ্ণ🙏 জয় রাধে 🙏

জীবন থেকে যে সময় চলে যায় সে সময় আর ফিরে আসে না তাই সময় নষ্ট না করে এখনই ঈশ্বর জ্ঞান লাভ করার চেষ্টা করুন🙏🙏
কৃপা করে সকলে মহামন্ত্র জপ করুন ও মানব জীবন ধন‍্য করুন..🙏😍🌹
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।।🙏🙏

াধামাধব 🙏💝 #শুভ_সকাল #গীতা #প্রভুপাদ #গুরদেব #দিব্যবাণী #প্রভুপাদ ゚ ゚ ゚

নিজের ব্যবহারে অবশ্যই পারদর্শীতা আনতে হবে❗🙏যদি আপনার মধ্যে কিছু দুর্বলতাও থাকে, তা কখনো লুকাবেননা ; কেননা এই সংসারে কেউই...
11/04/2026

নিজের ব্যবহারে অবশ্যই পারদর্শীতা আনতে হবে❗🙏
যদি আপনার মধ্যে কিছু দুর্বলতাও থাকে, তা কখনো লুকাবেননা ; কেননা এই সংসারে কেউই পরিপূর্ণ নয় শুধু এক ঈশ্বর ছাড়া ।

ধৈর্য্য এমনই একটি গাছ যার সারা গায়ে কাটা , কিন্তু ফল অত্যন্ত মজাদার।✨

💰 দানে কখনো ধন কমে না।
🙏 ক্ষমায় কখনো ক্ষমতা কমে না।
🥀 নম্রতায় কখনো মর্যাদা কমে না ।✨

ভগবান আমাদের নির্মাতা, আমাদের অপরিসীম শক্তি আর ক্ষমতা প্রদান করেছেন । ভগবানের প্রার্থনা - আমাদের এই শক্তিগুলিকে
বিকশিত করতে সাহায্য করে ।"🙏

কোন একজন শিক্ষা ধর্ম গুরু - গুরু নানক কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন?
" আপনি অনেক বড় তবুও আপনি নীচে বসেন কেন ?"
উত্তরে গুরু নানক বলেছিলেন ~ " নীচে বসে থাকা লোকের কখনো নীচে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না । "

👉নিজের পরিনামের কথা চিন্তা করে রোজ অবশ্যই স্মরন করা উচিৎ👇

☞ প্রথমত ☞ মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী।
☞ দ্বিতীয়ত ☞ সঙ্গে কিছুই যাবে না।
☞ তৃতীয়ত ☞ যে করবে সে ই ভরবে।
☞ চতুর্থত ☞ যেখানে ঝামেলা হবে সেখানেই মিটিয়ে ফেলতে।
☞ পঞ্চমত ☞ যা কিছু পাওয়া যায় তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে ।

হরে কৃষ্ণ🙏

জীবন থেকে যে সময় চলে যায় সে সময় আর ফিরে আসে না তাই সময় নষ্ট না করে এখনই ঈশ্বর জ্ঞান লাভ করার চেষ্টা করুন🙏🙏
কৃপা করে সকলে মহামন্ত্র জপ করুন ও মানব জীবন ধন‍্য করুন..🙏😍🌹
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।।🙏🙏

াধামাধব 🙏💝 #শুভ_সকাল #গীতা #প্রভুপাদ #গুরদেব #দিব্যবাণী #প্রভুপাদ ゚ ゚ ゚

🔥কলিযুগের ১০টি কঠোর বাস্তব সত্য❗​(শাস্ত্রীয় নিরিখে কলিযুগের প্রভাব ও সমাজের অবক্ষয়ের চিত্র)​১. ভ্রাতৃবিরোধ:এমন সময় আসব...
11/04/2026

🔥কলিযুগের ১০টি কঠোর বাস্তব সত্য❗

​(শাস্ত্রীয় নিরিখে কলিযুগের প্রভাব ও সমাজের অবক্ষয়ের চিত্র)

​১. ভ্রাতৃবিরোধ:
এমন সময় আসবে যখন চরম বিপদের মুহূর্তে সহোদর ভ্রাতাও কেবল স্বার্থের বশবর্তী হয়ে একে অপরের ঘোরতর বিরোধী হয়ে উঠবে।

​২. বিশ্বাসভঙ্গ:
যাকে পরমাত্মীয় বা অতি আপন বলে মনে করা হবে, অদূর ভবিষ্যতে তার থেকেই সবচেয়ে গভীর ও অতর্কিত আঘাত আসার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।

​৩. কামনার প্রাবল্য:
পবিত্র প্রেম ও আত্মিক সম্পর্কের অস্তিত্ব বিলীন হবে; তার স্থান দখল করে নেবে কেবল ইন্দ্রিয়সুখ ও পাশবিক শারীরিক আসক্তি।

​৪. বিবাহে অনীহা:
পারস্পরিক আস্থা, ত্যাগ ও সহনশীলতার এমন আকাল পড়বে যে, মানুষ গুরুদায়িত্বের ভয়ে পবিত্র বিবাহবন্ধনের প্রতি চরম অনাগ্রহ প্রকাশ করবে।

​৫. ভণ্ডামির জয়জয়কার:
প্রকৃত সাধু ও নীতিবান ব্যক্তিরা অবহেলিত হবেন; আর ভণ্ড, চাটুকার ও বাহ্যিক আড়ম্বরপ্রিয় ব্যক্তিরাই সমাজে মহৎ ও পূজনীয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

​৬. সততার সংকট:
অধর্ম ও নীতিহীনতা এতটাই বিস্তার লাভ করবে যে, একজন সৎ ও আদর্শবান ব্যক্তির পক্ষে নিজের সম্মান ও ন্যূনতম জীবিকা রক্ষা করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে।

​৭. পারিবারিক বিচ্ছেদ:
সন্তান ও পিতামাতার মধ্যকার শাশ্বত শ্রদ্ধা ও কর্তব্যবোধ লুপ্ত হবে; ফলে প্রতিটি গৃহের পারিবারিক বন্ধন বালির বাঁধের মতো শিথিল হয়ে যাবে।

​৮. মমত্ববোধের অবক্ষয়:
মানবহৃদয় থেকে সহজাত দয়া, মায়া ও নিঃস্বার্থ স্নেহ ক্রমশ মুছে যাবে; মানুষ হয়ে উঠবে যান্ত্রিক ও মমতাহীন।

​৯. সত্যের অবমূল্যায়ন:
সত্যের পথ হবে কণ্টকাকীর্ণ; যে ব্যক্তি সত্য কথা বলবে, তাকে সমাজ ও পরিপার্শ্বের প্রবল বিরোধিতা, অপমান এবং ঘোর শত্রুতার সম্মুখীন হতে হবে।

​১০. দায়িত্ব এড়ানোর প্রবণতা:
কলহ, বিবাদ ও অবিশ্বাসের এক শ্বাসরোধী পরিবেশ তৈরি হবে, যার ফলে ব্যক্তি নিজের দাম্পত্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমৃত্যু দূরে সরে থাকতে চাইবে।

​শাস্ত্রীয় সারকথা:
​শাস্ত্রে বলা হয়েছে, কলিযুগ দোষে পরিপূর্ণ হলেও একটি মহান গুণ বিদ্যমান— হরিনাম সংকীর্তনই মুক্তির প্রধান পথ।

শ্রীমদ্ভাগবত (১২.৩.৫১)-এ বলা হয়েছে:

​“কলের্ দোষনিধে রাজন্নস্তি হ্যেকো মহাগুণঃ।
কীর্তনাদেব কৃষ্ণস্য মুক্তসঙ্গঃ পরং ব্রজেত্‌॥”

​অর্থাৎ— হে রাজন! কলিযুগ দোষের নিধি (সমুদ্র) হলেও এতে একটি মহাগুণ আছে— কেবল ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নামকীর্তনের মাধ্যমেই মানুষ জড় আসক্তি থেকে মুক্ত হয়ে পরম গতি লাভ করতে পারে।

​“কলিযুগের এই ঘোর অন্ধকারে হরিনাম ও শাস্ত্রীয় জ্ঞানই একমাত্র আশ্রয়।”🙏🙏

​জীবন থেকে যে সময় চলে যায় সে সময় আর ফিরে আসে না তাই সময় নষ্ট না করে এখনই ঈশ্বর জ্ঞান লাভ করার চেষ্টা করুন🙏🙏
কৃপা করে সকলে মহামন্ত্র জপ করুন ও মানব জীবন ধন‍্য করুন..🙏😍🌹
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।।🙏🙏

াধামাধব 🙏💝 #শুভ_সকাল #গীতা #প্রভুপাদ #গুরদেব #দিব্যবাণী #প্রভুপাদ ゚ ゚ ゚

🍀🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏🍀একাদশী বার্তা 🍀 একাদশী বার্তা 🍀 একাদশী বার্তাআগামী ২৯শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,, ১৩ই এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখ রোজ...
11/04/2026

🍀🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏🍀
একাদশী বার্তা 🍀 একাদশী বার্তা 🍀 একাদশী বার্তা
আগামী ২৯শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,, ১৩ই এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখ রোজ সোমবার "পবিত্র বরুথিনী একাদশীর" উপবাস ব্রত।😍

👉পারন পরেরদিন সকাল :(মঙ্গলবার)
সকাল ০৭:২৭ - ০৯:৫১ মিনিট মধ্যে।।(বাংলাদেশ)🇧🇩
এবং ~~~
সকাল ০৬:৫৭ - ০৯:২৯ মিনিট মধ্যে।।(ভারত)🇮🇳

☀ একাদশী সংকল্প মন্ত্রঃ
একাদশ্যাং নিরাহারঃ স্থীত্বা অহম্ অপরেহহনি।
ভোক্ষ্যামি পুন্ডরিকাক্ষ শরণং মে ভবাচ্যুত।।

অনুবাদঃ হে পুন্ডরীকাক্ষ, হে উচ্যুত, আমি একাদশীতে উপবাস পূর্বক পরদিন আহার করব। আপনি মোদিয় শরণস্থান হোন।

☀ একাদশী পারণ মন্ত্রঃ
একাদশ্যাং নিরাহারঃ ব্রতে নানেব কেশব ।
প্রসিদ সমূখ নাথ জ্ঞান দৃষ্টি প্রদভবঃ

অনুবাদঃ হে কেশব আমি আপনার কৃপা দৃষ্টিতে নিরাহার ভাবে একাদশী ব্রত পালন করেছি কৃপা পূর্বক আমার উপর আপনার করুণাময় জ্ঞানদৃষ্টি প্রদান করুন।

📜বরুথিনী একাদশী মাহাত্ম্য :

বৈশাখ কৃষ্ণপক্ষীয়া বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তরপুরাণে যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে বর্ণনা করা হয়েছে।

যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বললেন—হে বাসুদেব! আপনাকে প্রণাম। বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী কি নামে প্রসিদ্ধ এবং তার মহিমাই বা কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন—হে রাজন! ইহলোক ও পরলোকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ‘বরুথিনী’ নামে বিখ্যাত। এই ব্রত পালনে সর্বদা সুখ লাভ হয় এবং পাপক্ষয় ও সৌভাগ্য প্রাপ্তি ঘটে। দুর্ভাগা স্ত্রীলোক এই ব্রত পালনে সর্বসৌভাগ্য লাভ করে থাকে। ভক্তি ও মুক্তি প্রদানকারী এই ব্রত সর্বপাপহরণ এবং গর্ভবাস যন্ত্রণা বিনাশ করে। এই ব্রত প্রভাবে মান্ধাতা, ধুন্ধুমার আদি রাজারা দিব্যধাম লাভ করেছেন। এমনকি মহাদেব শিবও এই ব্রত পালন করেছিলেন। দশ হাজার বৎসর তপস্যার ফল কেবলমাত্র এক বরুথিনী ব্রত পালনে লাভ হয়। যে শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি এই ব্রত পালন করেন তিনি ইহলোক ও পরলোকে সমস্ত প্রকার বাঞ্চিত ফল লাভ করেন।

হে নৃপশ্রেষ্ঠ! অশ্বদান অপেক্ষা গজদান শ্রেষ্ঠ, গজদান থেকে ভূমিদান, তা থেকে তিলদান, তিলদান থেকে স্বর্ণদান এবং তা অপেক্ষাও অন্নদান শ্রেষ্ঠ। অন্নদানের মতো শ্রেষ্ঠ দান আর নেই। পিতৃলোক, দেবলোক ও মানুষেরা অন্নদানেই পরিতৃপ্ত হন। পণ্ডিতেরা কন্যাদানকে অন্নদানের সমান বলে থাকেন। স্বয়ং ভগবান গোদানকে অন্নদানের সমান বলেছেন। আবার এই সমস্ত প্রকার দান থেকেও বিদ্যাদান শ্রেষ্ঠ। কিন্তু এই বরুথিনী ব্রত পালনে সেই বিদ্যাদানের সমান ফল লাভ হয়ে থাকে।

পাপমতি যে সব মানুষ কন্যার উপার্জিত অর্থে জীবনধারণ করে, পুণ্যক্ষয়ে তাদের নরকযাতনা ভোগ করতে হয়। তাই কখনও কন্যার উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করা উচিত নয়। যে ব্যক্তি বিভিন্ন স্বর্ণালঙ্কার সহ কন্যাদান করেন তাঁর পুণ্যের হিসাব স্বয়ং চিত্রগুপ্তও করতে অসমর্থ হন। কিন্তু ‘বরুথিনী’ ব্রত পালনকারী কন্যাদান থেকেও বেশি ফল লাভ করে।

ব্রতকারী ব্যক্তি দশমীর দিনে কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, ছোলা, শাক, মধু, অন্যের প্রদত্ত অন্নগ্রহণ, দুইবার আহার ও মৈথুন পরিত্যাগ করবে। দ্যুতক্রীড়া, নেশাজাতীয় দ্রব্য, দিবানিদ্রা, পরনিন্দা-পরচর্চা, প্রতারণা, চুরি, হিংসা, মৈথুন, ক্রোধ ও মিথ্যাবাক্য একাদশীর দিনে বর্জনীয়। কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, মধু, তেল, মিথ্যাভাষণ, ব্যায়াম, দুইবার আহার ও মৈথুন এসব দ্বাদশীর দিনে পরিত্যাজ্য।

হে রাজন! এই বিধি অনুসারে বরুথিনী ব্রত পালনে সকল প্রকার পাপের বিনাশ এবং অক্ষয়গতি লাভ হয়। যিনি হরিবাসরে রাত্রিজাগরণ করে ভগবান জনার্দনের পূজা করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে পরমগতি লাভ করেন।

তাই সূর্যপুত্র যমরাজের যাতনা থেকে পরিত্রাণের জন্য পরম যত্নে এই একাদশী ব্রত পালন করা কর্তব্য। বরুথিনী একাদশীর ব্রতকথা শ্রদ্ধাভরে পাঠ বা শ্রবণ করলে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয় এবং সর্বপাপ থেকে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গতি হয়।

👉 জীবন থেকে যে সময় চলে যায় সে সময় আর ফিরে আসে না তাই সময় নষ্ট না করে এখনই ঈশ্বর জ্ঞান লাভ করার চেষ্টা করুন🙏🙏
কৃপা করে সকলে মহামন্ত্র জপ করুন ও মানব জীবন ধন‍্য করুন..🙏😍🌹

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।।🙏🙏

াধামাধব 🙏💝 #শুভ_রাত্রি #একাদশী_বার্তা #প্রভুপাদ #গুরদেব #দিব্যবাণী #প্রভুপাদ ゚ ゚ ゚

📿 হরিনামের মাহাত্ম্য দেখুন..🙏🙏📿হরিনাম করলে কি ফল পাবেন❓❓▪️হরিদাস ঠাকুরের "শুদ্ধ হরিনামের মহিমা"একদিন অদ্বৈত আচার্যের পিত...
09/04/2026

📿 হরিনামের মাহাত্ম্য দেখুন..🙏🙏

📿হরিনাম করলে কি ফল পাবেন❓❓

▪️হরিদাস ঠাকুরের "শুদ্ধ হরিনামের মহিমা"

একদিন অদ্বৈত আচার্যের পিতার শ্রাদ্ধদিবসে তিনি গ্রামস্থ সকল ব্রাহ্মণকে নিমন্ত্রণ করলেন। কিন্তু সব থেকে বিশেষ শ্রাদ্ধপাত্রটি তিনি অব্রাহ্মণকূলে আবির্ভূত হরিদাস ঠাকুরকে প্রদান করলেন, যেটি সাধারণত শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণকে দেওয়া হয়। হরিদাস ঠাকুর তা দৈন্যতাবশত গ্রহণ করতে চাইলেন না।

আচার্য কহেন, তুমি না করিহ ভয়।
সেই আচরিব, যেই শাস্ত্রমত হয়।।
তুমি খাইলে হয় কোটি ব্রাহ্মণ ভোজন।
এত বলি শ্রাদ্ধপাত্র করাইলা ভোজন।।
(চৈ.চ. অন্ত্য ৩.২২১-২২২)

সভার ব্রাহ্মণগণ এর বিরোধিতা করতে লাগলেন। অদ্বৈত আচার্য নিমন্ত্রিত ব্রাহ্মণদের জন্য জ্বালানি কাঠ এনেছিলেন। তিনি বললেন, কোন যোগ্য ব্রাহ্মণ থাকলে এই কাঠে ব্রহ্মতেজ দ্বারা আগুন জ্বালিয়ে দেখাক। সকল ব্রাহ্মণই তাদের পৈতা ধরে নানারকম মন্ত্র পড়তে লাগল। কিন্তু আগুণ জ্বললো না। অদ্বৈতের অনুরোধে হরিদাস ঠাকুর হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করতেই আগুন জ্বলে ঊঠল। আর উপস্থিত ব্রাহ্মণগণ হতবাক হয়ে গেলেন।

সদা সর্বদা শ্রী শ্রী রাধা ও কৃষ্ণের পাদপদ্মের কথা স্মরণ করুন, তাহলে শ্রীকৃষ্ণের দ্বারা আপনার জন্য বরাদ্দকৃত কার্য সম্পাদন করতে কোনও অসুবিধা অনুভব করতে হবে না।

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণের কৃপার প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভরসা রাখতে হবে।
শ্রীকৃষ্ণের পবিত্র নামটিতে অসাধারণ আধ্যাত্মিক শক্তি রয়েছে কারণ শ্রীকৃষ্ণের নাম স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণের থেকে আলাদা নয়।

ঐকান্তিক ভালবাসা এবং নিষ্ঠার সাথে এই নামগুলি জপ করুন তবেই আপনি চিণ্ময় আনন্দ অনুভব করবেন।🙏🙏

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ...(১০৮ বার)

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করুন এবং সুখী হন 🙏😍🌹

জয় শ্রীল প্রভুপাদ..🙏🙌
জয় শ্রীল গুরুদেব..🙏🙌

াধামাধব 🙏💝 #গীতা #প্রভুপাদ #গুরদেব #দিব্যবাণী #প্রভুপাদ ゚ ゚ ゚

Address

Barishal
Dhaka
6446

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Krishna Priya Dashi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Krishna Priya Dashi:

Share

Category