16/04/2026
স্বাভাবিক জীবন যাপন vs উন্নত স্তরে যাওয়া :-
১. স্বাভাবিক জীবন:-
শাস্ত্র বলছে মাংস খাওয়া, যৌন সংসর্গ, এগুলো জীবের সাভাবিক বৃত্তি। কিন্তু এগুলো থেকে বিরত থাকাই মহাফল
মনু সংহিতা (৫.৪৮)
—এক জীব অন্য জীবেকে ভক্ষন এর মাধ্যমে জীবন ধারণ করে
যাদের হাত নেই (প্রানী) তাদের ভক্ষন করে মানুষ
যারা প্রানী তারা ঘাস খাবে
ভাগবত (১/১৩/৪৭)
অর্থাৎ আমরা যেগুলো করছি ইন্দ্রিয় সুখভোগ, মদ্য মাংস এগুলো জীবের সাভাবিক বৃত্তি। সব জীব এগুলো করে৷
কিন্তু
এগুলো ধর্মের আদর্শ নয়, বরং সংসারের বাস্তবতা।
সংসার দুঃখময় ও পরস্পর ভক্ষণময়
জ্ঞানী ব্যাক্তি এই চক্রে আবদ্ধ না হয়ে উন্নত স্তরে যেতে চায়। এটাই জীবনের লক্ষ (ভগবান কে লাভ।)
তাহলে আমরা উন্নত স্তরে যেতে কি করতে পারি??
আহার-শুদ্ধৌ সত্ত্ব-শুদ্ধিঃ
সত্ত্ব-শুদ্ধৌ ধ্রुवा স্মৃতিঃ।
ছান্দোগ্য উপনিষদ ৭.২৬.২
আহার শুদ্ধ হলে মন শুদ্ধ হয় আর মন শুদ্ধ হলে চিত্ত শুদ্ধ আর তখন ই একাগ্র চিত্তে মন ভগবান কে সমর্পন হয়।
শাস্ত্রে জীব হিংসা নিষেধ
প্রানী হত্যা ও নিষেধ
(বহুত শাস্ত্র প্রমান আছে)
তাহলে আমরা কি খেয়ে জীবন ধারন করবো?
অহিংসা পরমো ধর্মঃ
অহিংসাই সর্বোচ্চ ধর্ম
➡️ তাই কম প্রাণহানি হয় এমন খাদ্য (সাত্ত্বিক) বেছে নেওয়া উচিত।
যেমন উদ্ভিদ, গুরুর দুগ্ধ ইত্যাদি
অনেকে বলেন তাহলে উদ্ভিদ তো জীব তাকে হত্যা করলে পাপ হবেনা?
উদ্ভিদকে “একেন্দ্রিয় জীব” বলা হয়েছে (শুধু স্পর্শেন্দ্রিয়) উদ্ভিদে জীবাত্মা আছে, তবে চেতনা খুব সীমিত
বিজ্ঞান মতে:
👉 “মানুষ বা প্রাণীর মতো স্নায়ুতন্ত্র নেই”
➡️ তাই মানুষের মতো “ব্যথা অনুভব” প্রমাণিত নয়
দেখবেন বরং তাদের ডাল পালা ছেটে দিলে তারা সেখানে আবার ডাল পালা জন্মাতে পারে। একটা কেটে দিলে দুইটা হয় (উদ্ভিদের সাভাবিক বৃত্তি)
কিন্তু প্রানীদের হাত পা কেটে দিলে আবার সেখানে জন্মায় না। (জীব হিংসা)
যেহেতু মানুষ জীব খেয়েই জীবন ধারন করবে আবার সম্পুর্ন হিংসা পরিত্যাগ করা সম্ভব নয় তাই কম প্রান হানী হয় বা লঘু পাপ হয় তাই উদ্ভিদ জাতীয় খাদ্য ই সাধু মহাজন রা বেছে নিয়েছে।
তাই এই লঘু পাপ হতে বাচতে ভগবান বলেছেন তুমি যা আহার করো আমাকে যজ্ঞে অর্পিত করো বা নিবেদন করো তবে সমস্ত বন্ধ হতে মুক্তি দিবো।
এজন্য ভগবান কে নিবেদন করে সেই বস্ত্য আহার করলে ভালো হয়
এজন্য সাত্বিক আহার হিসাবে কম হিংসা (ফল, দুধ সবজি) খাওয়ার কথা বলা হয়৷
゚