Krishna Priya Dashi

Krishna Priya Dashi "ভজ কৃষ্ণ, কর কৃষ্ণ, হলো কৃষ্ণ শীক্ষা"
"নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে থাক সদা কৃষ্ণ,,কৃষ্ণ জীবন কৃষ্ণতেই মরণ"🙏

২০০৬ সালের ২২শে এপ্রিল যুক্তরাজ্যের লেস্টারে পরম পূজ্যপাদ জয়পতাকা স্বামী মহারাজের আগমনের স্মৃতির এক সুন্দর সংগ্রহ। এই ছব...
29/08/2026

২০০৬ সালের ২২শে এপ্রিল যুক্তরাজ্যের লেস্টারে পরম পূজ্যপাদ জয়পতাকা স্বামী মহারাজের আগমনের স্মৃতির এক সুন্দর সংগ্রহ।

এই ছবিগুলো মহারাজের সেই সফরের এবং এই বিশেষ উপলক্ষে ভক্তদের সাথে কাটানো মূল্যবান সময়ের স্মৃতি ধরে রেখেছে।

🙏 আসুন আমরা এই স্মৃতিগুলো থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে পরম পূজ্যপাদ জয়পতাকা স্বামী মহারাজের শিক্ষা, সেবা এবং আধ্যাত্মিক নির্দেশনা হৃদয়ে লালন করি।

© জয়পতাকা স্বামী আর্কাইভস Jayapataka Swami
Jayapataka Swami Bangla

#হরে_কৃষ্ণ াধামাধব #প্রভুপাদ #গুরুদেব ゚ ゚

🍀🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏🍀একাদশী বার্তা 🍀 একাদশী বার্তা 🍀 একাদশী বার্তাআজ ২৩শে শ্রাবন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,, ০৯ই আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখ রোজ রব...
09/08/2026

🍀🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏🍀
একাদশী বার্তা 🍀 একাদশী বার্তা 🍀 একাদশী বার্তা
আজ ২৩শে শ্রাবন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,, ০৯ই আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখ রোজ রবিবার "পবিত্র কামিকা একাদশীর" উপবাস ব্রত।😍

🙏🌹পারন পরেরদিন সকাল :(সোমবার)
সকাল ০৫:৩১ - ০৮:৩২ মিনিট মধ্যে।।(বাংলাদেশ)🇧🇩
এবং ~~~
সকাল ০৫:১১ - ০৮:০২ মিনিট মধ্যে।।(পশ্চিমবঙ্গ)🇮🇳

☀ একাদশী সংকল্প মন্ত্রঃ
একাদশ্যাং নিরাহারঃ স্থীত্বা অহম্ অপরেহহনি,
ভোক্ষ্যামি পুন্ডরিকাক্ষ শরণং মে ভবাচ্যুত।

অনুবাদঃ হে পুন্ডরীকাক্ষ, হে উচ্যুত, আমি একাদশীতে উপবাস পূর্বক পরদিন আহার করব। আপনি মোদিয় শরণস্থান হোন।

☀ একাদশী পারণ মন্ত্রঃ
একাদশ্যাং নিরাহারঃ ব্রতে নানেব কেশব ।
প্রসিদ সমূখ নাথ জ্ঞান দৃষ্টি প্রদভবঃ

অনুবাদঃ হে কেশব আমি আপনার কৃপা দৃষ্টিতে নিরাহার ভাবে একাদশী ব্রত পালন করেছি কৃপা পূর্বক আমার উপর আপনার করুণাময় জ্ঞানদৃষ্টি প্রদান করুন।

🌞 📖একাদশীর মাহাত্ম্য :

📖 শ্রাবণ কৃষ্ণপক্ষীয়া ‘কামিকা একাদশী’র কথা ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ-সংবাদে বলা হয়েছে।

🌼যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বললেন-হে গোবিন্দ! হে বাসুদেব! শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম এবং মাহাত্ম্য সবিস্তারে আমার কাছে বর্ণনা করুন। তা শুনতে আমি অত্যন্ত কৌতুহলী।
প্রত্যুত্তরে ভক্তবৎসল ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন-হে রাজন! পূর্বে দেবর্ষি নারদ প্রজাপতি ব্রহ্মাকে এই প্রশ্ন করলে তিনি যে উত্তর প্রদান করেছিলেন আমি এখন সেই কথাই বলছি। আপনি মনোযোগ সহকারে তা শ্রবণ করুন।

🌼একসময় ব্রহ্মার কাছে ভক্তশ্রেষ্ঠ নারদ জিজ্ঞাসা করলেন-হে ভগবান! শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম কি, এর আরাধ্য দেবতা কে, সেই ব্রতের বিধিই বা কিরকম এবং এই ব্রতের ফলে কি পুণ্য লাভ হয় তা সবিশেষ জানতে ইচ্ছা করি। আপনি কৃপা করে আমাকে তা জানালে আমার জীবন ধন্য হবে।

🌼শ্রীনারদের কথা শুনে ব্রহ্মা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হলেন। তিনি বললেন- হে বৎস! জগৎ জীবের মঙ্গলের জন্য আমি তোমার প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিচ্ছি, তুমি তা শ্রবণ কর।

🌼শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী 'কামিকা' নামে জগতে প্রসিদ্ধা। এই একাদশীর মাহায়্য শ্রবণে বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়। ভগবান শ্রীহরির পূজা-অর্চনা অপরিমিত পূর্ণ ফল প্রদান করে। গঙ্গা গোদাবরী কাশী নৈমিষ্যারণ্য পুষ্কর ইত্যাদি তীর্থ দর্শনের সমস্ত ফল একমাত্র কৃষ্ণপূজার মাধ্যমে কোটিগুণ লাভ করা যায়।

🌼সাগর ও অরণ্য যুক্ত পৃথিবী দানের ফল, দুগ্ধবতী গাভী দানের ফল অনায়াসে এই ব্রত পালনে লাভ হয়। যারা পাপপূর্ণ সাগরে নিমগ্ন এই ব্রতই তাদের উদ্ধারের একমাত্র সহজ উপায়। এইরকম পবিত্র পাপনাশক শ্রেষ্ঠ ব্রত আর জগতে নেই। শ্রীহরি স্বয়ং এই মাহাত্ম্য কীর্তন করেছেন। রাত্রি জাগরণ করে যারা এই ব্রত পালন করেন তাঁরা কখনও দুঃখ-দুর্দশাগ্রস্ত হন না। এই ব্রত পালনকারী কখনও নিম্নযোনি প্রাপ্ত হন না।

🌼কেশবপ্রিয়া তুলসীপত্রে যিনি শ্রীহরির পূজা করেন পদ্মপাতায় জলের মতো তিনি পাপে নির্লিপ্ত থাকেন। তুলসীপত্র দিয়ে বিষ্ণুপূজায় ভগবান যেমন সন্তুষ্ট হন, মণিমুক্তাদি মূল্যবান রত্ন মাধ্যমেও তেমন প্রীত হন না। যিনি কেশবকে তুলসীমঞ্জরী দিয়ে পূজা করেন তার জন্মার্জিত সমস্ত পাপক্ষয় হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে ব্রহ্মা বললেন-হে নারদ! যিনি তুলসীকে প্রত্যহ দর্শন করেন তার সকল পাপরাশি বিদুরিত হয়ে যায়, যিনি তাঁকে স্পর্শ করেন তার পাপমলিন দেহ পবিত্র হয়, তাঁকে প্রণাম করলে সমস্ত রোগ দূর হয়, তাঁকে জল সিঞ্চন করলে যমও তার কাছে আসতে ভয় পান। শ্রীহরিচরণে তুলসী অর্পিত হলে ভগবৎভক্তি লাভ করে। তাই হে কৃষ্ণভক্তি প্রদায়িনী তোমায় প্রণাম করি।

🌼যে ব্যক্তি হরিবাসরে ভগবানের সামনে দীপদান করেন চিত্রগুপ্তও তাঁর পুণ্যের সংখ্যা হিসাব করতে পারে না। তার পিতৃপুরুষেরাও পরম তৃপ্তি লাভ এরেন।

🌼শ্রীকৃষ্ণ বললেন—হে রাজন! আমি আপনার কাছে সর্বপাপহারিনী কামিকা' একাদশীর মাহাত্ম্য বর্ণনা করলাম। অতএব যিনি ব্রহ্মহত্যা ভ্রুণহত্যা-পাপবিনাশিনী, মহাপুণ্যফলদায়ী এই ব্রত পালন করবেন ও এই মাহায়্য শ্রদ্ধা সহকারে পাঠ অথবা শ্রবণ করবেন তিনি সর্বপাপ থেকে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গমন করবেন।

📖 পবিত্র ‘কামিকা একাদশী’র পবিত্রতম দিনে অবশ্যই একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য পাঠ করবেন।

🌼সকলকে জানাই পবিত্র কামিকা একাদশীর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রণাম🙏।

🌸হরিবোল!🌸

🌼 শুভ কামিকা একাদশী 🌼
🦚🙏 হরে কৃষ্ণ 🌼 রাধে রাধে 🙏🦚

জীবন থেকে যে সময় চলে যায় সে সময় আর ফিরে আসে না তাই সময় নষ্ট না করে এখনই ঈশ্বর জ্ঞান লাভ করার চেষ্টা করুন🙏🙏
কৃপা করে সকলে মহামন্ত্র জপ করুন ও মানব জীবন ধন‍্য করুন..🙏😍🌹

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।।🙏🙏

#কামিকা_একাদশী #শ্রীহরি #ভগবান_বিষ্ণু #চাতুর্মাস্য #একাদশী_ব্রত #হরিনাম #রাধেরাধে #সনাতন_ধর্ম #ভক্তি #হরেকৃষ্ণ #একাদশী #শ্রীবিষ্ণু #সনাতনধর্ম #হিন্দুধর্ম
াধামাধব 🙏💝 #শুভ_সকাল #একাদশী_বার্তা #প্রভুপাদ #গুরদেব #দিব্যবাণী #প্রভুপাদ ゚

🍀🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏🍀একাদশী বার্তা 🍀 একাদশী বার্তা 🍀 একাদশী বার্তাআজ ০৮ই শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,, ২৫শে জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রোজ শন...
25/07/2026

🍀🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏🍀
একাদশী বার্তা 🍀 একাদশী বার্তা 🍀 একাদশী বার্তা
আজ ০৮ই শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,, ২৫শে জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রোজ শনিবার "পবিত্র শয়ন একাদশীর" উপবাস ব্রত।😍

🌿🌹পারন পরেরদিন সকাল :(রবিবার)
সকাল ০৫:২৫ - ০৯:৫১ মিনিট মধ্যে।(বাংলাদেশ)।।🇧🇩
এবং ~~~
সকাল ০৫:০৪ - ০৯:৩০ মিনিট মধ্যে।(পশ্চিমবঙ্গ)।।🇮🇳

☀ একাদশী সংকল্প মন্ত্রঃ
একাদশ্যাং নিরাহারঃ স্থীত্বা অহম্ অপরেহহনি, ভোক্ষ্যামি পুন্ডরিকাক্ষ শরণং মে ভবাচ্যুত।

অনুবাদঃ হে পুন্ডরীকাক্ষ, হে উচ্যুত, আমি একাদশীতে উপবাস পূর্বক পরদিন আহার করব। আপনি মোদিয় শরণস্থান হোন।

☀ একাদশী পারণ মন্ত্রঃ
একাদশ্যাং নিরাহারঃ ব্রতে নানেব কেশব ।
প্রসিদ সমূখ নাথ জ্ঞান দৃষ্টি প্রদভবঃ

অনুবাদঃ হে কেশব আমি আপনার কৃপা দৃষ্টিতে নিরাহার ভাবে একাদশী ব্রত পালন করেছি কৃপা পূর্বক আমার উপর আপনার করুণাময় জ্ঞানদৃষ্টি প্রদান করুন।

➡ শয়ন একাদশীর মাহাত্ম্য :

মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন--'হে কৃষ্ণ! আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি এবং এর মহিমাই বা কি তা আমাকে কৃপা করে বলুন।'
🍊🍏 শ্রীকৃষ্ণ বললেন, ব্রহ্মা এই একাদশী সম্পর্কে দেবর্ষি নারদকে যা বলেছিলেন আমি সেই আশ্চর্যজনক কথা আপনাকে বলছি।
🍊🍏 শ্রী ব্রহ্মা বললেন--হে নারদ! এই সংসারে একাদশীর মতো পবিত্র আর কোন ব্রত নেই। সকল পাপ বিনাশের জন্য এই বিষ্ণু ব্রত পালন করা একান্ত আবশ্যক। যে ব্যক্তি এই প্রকার পবিত্র পাপনাশক ও সকল অভিষ্ট প্রদাতা একাদশী ব্রত না করে তাকে নরকগামী হতে হয়।
🍊🍏 আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী 'শয়ন' নামে বিখ্যাত। শ্রী ভগবান ঋষিকেশের জন্য এই ব্রত পালন করতে হয়। এই ব্রতের সম্বন্ধে এক পরম মঙ্গলময় পৌরাণিক কাহিনী আছে। আমি এখন তা বলছি।
🍊🍏 বহু বছর পূর্বে সূর্য বংশে মান্ধাতা নামে এক রাজর্ষি ছিলেন। তিনি ছিলেন সত্য প্রতিজ্ঞ এবং প্রতাপশালী চক্রবর্তী রাজা। প্রজাদেরকে নিজের সন্তানের মতো প্রতিপালন করতেন। সেই রাজ্যে কোনরকম দুঃখ, রোগ-ব্যাধি, দুর্ভিক্ষ, আতঙ্ক, খাদ্যাভাব অথবা কোন অন্যায় আচরণ ছিল না। এই ভাবে বহু দিন অতিবাহিত হল। কিন্তু একসময় হঠাৎ দৈবদুর্বিপাকে ক্রমাগত তিন বছর সে রাজ্যে কোন বৃষ্টি হয়নি। দুর্ভিক্ষের ফলে সেখানে দেবতাদের উদ্দেশ্যে দানমন্ত্রের 'স্বাহা' 'স্বধা' ইত্যাদি শব্দও বন্ধ হয়ে গেল। এমনকি বেদপাঠও ক্রমশ বন্ধ হল।
🍊🍏 তখন প্রজারা রাজার কাছে এসে বলতে লাগল--মহারাজ দয়া করে আমাদের কথা শুনুন। শাস্ত্রে জলকে নার বলা হয় আর সেই জলে ভগবানের অয়ন অর্থাৎ নিবাস। তাই ভগবানের এক নাম নারায়ণ। মেঘরূপে ভগবান বিষ্ণু সর্বত্র বারিবর্ষণ করেন। সেই বৃষ্টি থেকে অন্ন এবং অন্ন খেয়ে প্রজাগন জীবন ধারন করেন। এখন সেই অন্নের অভাবে প্রজারা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। অতএব হে মহারাজ আপনি এমন কোন উপায় অবলম্বন করুন যাতে আপনার রাজ্যের শান্তি এবং কল্যাণ সাধন হয়।
🍊🍏 রাজা মান্ধাতা বললেন--তোমারা ঠিকই বলেছ। অন্ন থেকে প্রজার উদ্ভব। অন্ন থেকেই প্রজার পালন। তাই অ অন্নের অভাবে প্রজারা বিনষ্ট হয়। আবার রাজার দোষেও রাজ্য নষ্ট হয়। আমি নিজের বুদ্ধিতে আমার নিজের কোন দোষ খুঁজে পাচ্ছি না। তবুও প্রজাদের কল্যাণের জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব।
🍊🍏 তারপর রাজা ব্রহ্মাকে প্রণাম করে সৈন্যসহ বনে গমন করলেন। সেখানে প্রধান প্রধান ঋষিদের আশ্রমে ভ্রমণ করলেন। এভাবে একদিন তিনি ব্রহ্মার পুত্র মহাতেজস্বী অঙ্গিরা ঋষির সাক্ষাৎ লাভ করলেন। তাকে দর্শন মাত্রই রাজা মহানন্দে ঋষির চরণবন্দনা করলেন। মুনিবর তাকে আশীর্বাদ ও কুশল প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলেন। রাজা তখন তার বনে আগমনের কারণ সবিস্তারে ঋষির কাছে জানালেন।
🍊🍏 ঋষি অঙ্গিরা কিছু সময় ধ্যানস্থ থাকার পর বলতে লাগলেন--'হে রাজন! এটি সত্যযুগ। এই যুগে সকল লোক বেদপরায়ণ এবং ব্রাহ্মণ ছাড়া অন্য কেউ তপস্যা করে না। এই নিয়ম থাকা সত্ত্বেও এক শুদ্র এই রাজ্যে তপস্যা করছে। তার এই অকার্যের জন্যই রাজ্যের এই দুর্দশা। তাই তাকে হত্যা করলেই সকল দোষ দূর হবে।
🍊🍏 রাজা বললেন--হে মুনিবর! তপস্যাকারী নিরপরাধ ব্যক্তিকে আমি কিভাবে বধ করব? আমার পক্ষে সহজসাধ্য অন্য কোনো উপায় থাকলে আপনি তা দয়া করে আমাকে বলুন।
🍊🍏 তদুত্তরে মহর্ষি অঙ্গিরা বললেন--আপনি আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের শয়নী নামে প্রসিদ্ধা একাদশী ব্রত পালন করুন। এই ব্রতের প্রভাবে নিশ্চয়ই রাজ্যে বৃষ্টি হবে। এই একাদশী সর্বসিদ্ধি দাত্রী ও সর্ব উপদ্রব নাশকারিনী। হে রাজন! প্রজা ও পরিবারবর্গ সহ আপনি এই ব্রত পালন করুন।
🍊🍏 মুনিবরের কথা শুনে রাজা নিজের প্রাসাদে ফিরে এলেন। আষাঢ় মাস উপস্থিত হলে রাজ্যের সকল প্রজা রাজার সাথে এই একাদশী ব্রতের অনুষ্ঠান করলেন। ব্রত প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হল। কিছুকালের মধ্যেই অন্নাভাব দূর হল। ভগবান হৃষিকেশের কৃপায় প্রজাগণ সুখী হল।
🍊🍏 এ কারণে সুখ ও মুক্তি প্রদানকারী এই উত্তম ব্রত পালন করা সকলেরই কর্তব্য। ভবিষ্যোত্তর পুরাণে যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ তথা নারদ-ব্রহ্মা সংবাদ রূপে একাদশীর এই মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে।

🙌🙏জয় শয়ন একাদশী🙏🙌

জীবন থেকে যে সময় চলে যায় সে সময় আর ফিরে আসে না তাই সময় নষ্ট না করে এখনই ঈশ্বর জ্ঞান লাভ করার চেষ্টা করুন🙏🙏
কৃপা করে সকলে মহামন্ত্র জপ করুন ও মানব জীবন ধন‍্য করুন..🙏😍🌹

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।।🙏🙏

াধামাধব 🙏💝 #শুভ_রাত্রি #একাদশী_বার্তা #প্রভুপাদ #গুরদেব #দিব্যবাণী #প্রভুপাদ ゚ ゚

শ্রীল ভক্তি বেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের ২০টি উপদেশ—👇 ☘১. নাম জপ : কলিযুগে মুক্তি লাভের একমাত্র উপায় হলো হরে কৃষ্ণ মহামন্ত...
09/07/2026

শ্রীল ভক্তি বেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের ২০টি উপদেশ—👇

☘১. নাম জপ : কলিযুগে মুক্তি লাভের একমাত্র উপায় হলো হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা।📿

কলের্দোষনিধে রাজন অস্তি হ্যেকো মহান্ গুণঃ।
কীর্তনাদেব কৃষ্ণস্য মুক্তসঙ্গঃ পরং ব্রজেৎ।।
(শ্রীমদ্ভাগবতম্ ১২.৩.৫১)

সরলার্থ: হে রাজন, যদিও কলিযুগ দোষের ভাণ্ডার, তবুও এই যুগের একটি মহৎ গুণ আছে। তা হলো – কেবল কৃষ্ণনাম কীর্তন করার মাধ্যমেই মানুষ (মুক্তসঙ্গঃ) সমস্ত বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে (পরং ব্রজেৎ) পরম ধাম লাভ করতে পারে।

☘২. চারটি নীতি : সমস্ত ভক্তকে অবশ্যই চারটি নিয়ন্ত্রিত নীতি মেনে চলতে হবে: অবৈধ যৌন-সম্পর্ক নয়, মাদকদ্রব্য সেবন নয়, আমিষ ভোজন নয় এবং জুয়া খেলা নয়।

ক) 👉যৌন-সম্পর্ক মানব জীবনের প্রধানতম জড়-বন্ধন।
খ) 👉 নেশা; যেমন- মদ্যপান একটি মহাপাতক কার্য (গুরুতম পাপ)! ভগবদ্গীতায় তামসিক সুখ পরিহার করতে বলা হয়েছে।
গ) 👉 জীবহন্তারক, জীবহন্তার মাংসবিক্রেতা, মাংস রন্ধনকারী, মাংস পরিবেশনকারী এবং মাংস ভক্ষণকারী—সবাইকে পাপের ভাগী করা হয়েছে। (মনুসংহিতা)

ঘ) 👉 জুয়া খেলা হলো লোভ, মিথ্যাচার এবং আর্থিক দুর্নীতির উৎস। এটি মানুষকে দ্রুত অর্থ উপার্জনের নেশায় মাতিয়ে তোলে এবং জীবন থেকে কঠোর পরিশ্রম ও সততার নীতি দূর করে দেয়। এটি সমাজের শান্তি বিঘ্নিত করে।

পানং স্ত্রীয়ঃ শূনা যত্রাধর্মশ্চতুৰ্ব্বিধঃ।
আবাপ্স্যসি তদাহ্যেষু তত্র স্থাস্যাম্যহং নৃপ।।
(শ্রীমদ্ভাগবতম্ ১.১৭.৩৮, অনুষঙ্গ)

সরলার্থ: মদ্যাসক্তি, অবৈধ স্ত্রী-সঙ্গ, পশুহত্যা (যা আমিষ ভোজনের মূল) এবং জুয়া – এইগুলি হলো কলির প্রধান চারটি আশ্রয়স্থল।

☘৩. প্রতিদিন ১৬ মালা : প্রত্যেককে অবশ্যই প্রতিদিন কমপক্ষে ১৬ মালা হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করতে হবে।

☘৪. গুরুভক্তি : আধ্যাত্মিক জীবনে সফল হওয়ার জন্য গুরু ও শাস্ত্রের প্রতি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ আবশ্যক।

☘৫. ভাগবত শ্রবণ : নিয়মিতভাবে শ্রীমদ্ভাগবতম্ শ্রবণ ও অধ্যয়ন করা উচিত। এর মাধ্যমে জীবন পরিশুদ্ধ হয়।

☘৬. কৃষ্ণ প্রসাদ গ্রহণ : কেবল ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিবেদন করা প্রসাদ গ্রহণ করা উচিত। এটি আমাদের জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করে।

☘৭. প্রচার : নিজে যা শেখো, তা অন্যদের মধ্যে প্রচার করো। এটিই ভক্তি সেবার প্রাণ।

☘৮. কুসঙ্গ ত্যাগ : যারা জড় ভোগে আসক্ত, তাদের সঙ্গ সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ করা উচিত।

☘৯. মায়া পরিহার : জড় আকর্ষণ এবং মায়ার প্রভাব থেকে নিজেকে সর্বদা মুক্ত রাখার চেষ্টা করো।

☘১০. ভৌতিক উদ্বেগ ত্যাগ : আমরা দেহের অংশ নই, আত্মার অংশ। তাই দৈহিক উদ্বেগ ত্যাগ করে আত্ম-উপলব্ধির দিকে মনোযোগ দাও।

☘১১. গৃহে পূজা : প্রতিটি গৃহে শ্রীকৃষ্ণের পূজা-অর্চনা ও আরতির ব্যবস্থা থাকা উচিত।

☘১২. সারল্য : ভক্তিপথ সরল, এর মধ্যে কোনো কপটতা বা জটিলতা থাকা উচিত নয়।

☘১৩. ধৈর্য ও সহনশীলতা : ভক্তিজীবনে অগ্রগতি লাভ করতে হলে ধৈর্য ও সহনশীলতা অপরিহার্য।

☘১৪. ভগবানকে কেন্দ্রে রাখা : আপনার পরিবার, ব্যবসা এবং সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে রাখুন।

☘১৫. সেবাভাব : সমস্ত জীবের প্রতি সেবাভাব নিয়ে কাজ করো, কারণ তারাও ভগবানের অংশ।

☘১৬. সময় মূল্য : এক মুহূর্ত সময়ও বৃথা নষ্ট করো না; সর্বদা ভগবানের সেবায় নিযুক্ত থাকো।

☘১৭. হিংসা পরিহার : সকল প্রকার হিংসা ও বিদ্বেষ ত্যাগ করো এবং দয়াশীল হও।

☘১৮. ভগবানের নির্ভরতা : নিজেকে অসহায় মনে করে ভগবানের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর করো। তিনি সমস্ত ভার বহন করবেন।

☘১৯. সংকীর্তন : সম্মিলিতভাবে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করো। এটি পৃথিবীর পরিবেশ শুদ্ধ করে।

☘২০. গুরু পরম্পরা : গুরু পরম্পরা অনুসরণ করে প্রাপ্ত শিক্ষা কঠোরভাবে পালন করো।

আপনি যোদি এই ২০টি উপদেশ সঠিকভাবে পালন করেন এবং তা হৃদয়ে ধারন করতে পারেন তাহলে অবশ‍্যই ভগবানের কাছে পৌঁছাতে পারবেন।🙏🙏

সময় নষ্ট না করে এখনই ঈশ্বর জ্ঞান লাভ করার চেষ্টা করুন🙏🙏
কৃপা করে সকলে মহামন্ত্র জপ করুন ও মানব জীবন ধন‍্য করুন..🙏😍🌹
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।।🙏🙏

#শুভ_সকাল #রাধেরাধে🙏💝 #প্রভুপাদ #গুরদেব #দিব্যবাণী ゚ ゚

ভগবান বিষ্ণুর বামন অবতার এবং মা গঙ্গার দিব্য উৎপত্তি —সনাতন ধর্মে, মা গঙ্গা শুধু একটি নদী নন, বরং ভগবান বিষ্ণুর চরণ থেকে...
25/06/2026

ভগবান বিষ্ণুর বামন অবতার এবং মা গঙ্গার দিব্য উৎপত্তি —

সনাতন ধর্মে, মা গঙ্গা শুধু একটি নদী নন, বরং ভগবান বিষ্ণুর চরণ থেকে উৎপন্ন এবং ভগবান শিবের জটায় অধিষ্ঠিত এক দিব্য শক্তি। তাঁর উৎপত্তি এবং পৃথিবীতে অবতরণের কাহিনী ঈশ্বরের দুটি মহান রূপ — বিষ্ণু এবং শিবের সাথে যুক্ত। মা গঙ্গা একদিকে ভগবান বিষ্ণুর চরণ থেকে উৎসারিত “বিষ্ণুপদী”, অন্যদিকে ভগবান শিবের জটায় স্নেহভরে ধারণকৃত দেবী হিসেবে পূজিতা। তিনি পবিত্রতা, করুণা, মুক্তি এবং সৃষ্টির রক্ষণকারী ও রূপান্তরকারী দিব্য শক্তির মহাসমন্বয়ের প্রতীক।

মা গঙ্গার উৎপত্তি ভগবান বিষ্ণুর চরণ থেকে, তিনি ভগবান শিবের জটায় বাস করতেন এবং রাজা ভগীরথের তপস্যার মাধ্যমে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। তাই বলা হয় গঙ্গা হলেন বিষ্ণুর কৃপা, শিবের আশ্রয় এবং পৃথিবীর মোক্ষদাত্রী মাতা।

প্রাচীনকালে মহাবলী নামে এক শক্তিশালী অসুর রাজা ছিলেন। তিনি শুধু অত্যন্ত শক্তিশালীই ছিলেন না, বরং একজন মহান দাতা এবং গুণী ব্যক্তিও ছিলেন। তিনি অসংখ্য যজ্ঞ সম্পাদন করেন এবং ঘোষণা করেন, "আমার দ্বার থেকে কোনো আবেদনকারী খালি হাতে ফিরবে না।"

তাঁর ক্রমবর্ধমান শক্তিতে দেবতারা শঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং সুরক্ষার জন্য ভগবান বিষ্ণুর কাছে প্রার্থনা করেন। দেবতাদের রক্ষা করার জন্য, ভগবান বিষ্ণু বামন নামক এক বালক ব্রাহ্মণের রূপ ধারণ করে মহাবলীর যজ্ঞস্থলে উপস্থিত হলেন।

বামন বিনীতভাবে মহাবলীকে সম্বোধন করে বললেন, "মহারাজ ! আমি দান হিসেবে কেবল তিন পা ভূমি চাই।"

মহাবলীর গুরু শুক্রাচার্য বুঝতে পারলেন যে ইনি কোনো সাধারণ বালক নন, স্বয়ং ভগবান বিষ্ণু। তিনি মহাবলীকে এই দান করতে বারণ করলেন, কিন্তু "আমি তো কথাই দিয়েছি," এই বলে মহাবলী দানটি গ্রহণ করলেন।

দান গ্রহণ করার পর, ভগবান বামন এক বিশাল রূপ ধারণ করলেন — তাঁর প্রথম পদক্ষেপে সমগ্র পৃথিবী আবৃত হলো, এবং দ্বিতীয় পদক্ষেপে তিনি সমগ্র আকাশ পরিমাপ করলেন। এখন তৃতীয় পদক্ষেপের জন্য আর কোনো জায়গা রইল না।

তখন মহাবলী বিনীতভাবে মাথা নত করে বললেন, "প্রভু ! আপনার তৃতীয় পদক্ষেপ আমার মাথায় রাখুন।" প্রভু তাঁকে পাতালে নির্বাসিত করলেন, কিন্তু তাঁর ভক্তিতে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে অমরত্বের বর দিলেন।

বামন অবতার রূপে ভগবান বিষ্ণু যখন তাঁর ‘ত্রিবিক্রম’ নামক এক বিশাল বিশ্বরূপ ধারণ করেছিলেন এবং মাত্র তিনটি পদক্ষেপে সমগ্র মহাবিশ্ব পরিমাপ করেছিলেন, তখন তাঁর সেই পদ্মসম চরণ স্বর্গলোক ভেদ করে ঊর্ধ্বলোকে পৌঁছায়। সেই সময় তাঁর পদ্মচরণের পবিত্র নখ থেকে এক দিব্য জলধারা নির্গত হলো — এটাই ছিলেন মা গঙ্গা। এইভাবে —‌ মা গঙ্গার উৎপত্তি ভগবান বিষ্ণুর চরণ থেকে, এই কারণেই তাঁকে বিষ্ণুপদী বলা হয়। মা গঙ্গা প্রকাশিত হয়ে মহাবিশ্বজুড়ে বিষ্ণুর দিব্য কৃপা বহন করে সমগ্র সৃষ্টিজগতে প্রবাহিত হতে থাকে।

অনেক যুগ পরে, রাজা ভগীরথ তাঁর পূর্বপুরুষদের মুক্তির জন্য মা গঙ্গাকে পৃথিবীতে আনার সংকল্প করলেন। তিনি কঠোর তপস্যা করেন। তাঁর তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে গঙ্গা পৃথিবীতে অবতরণে সম্মত হলেও, তাঁর প্রবল গতিবেগ এতটাই তীব্র ছিল যে পৃথিবীর ধ্বংস নিশ্চিত ছিল।

ভগীরথের অনুরোধে করুণাময় ভগবান শিব মা গঙ্গাকে তাঁর জটাজুটে ধারণ করেন এবং তাঁর অপরিসীম শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে কোমলভাবে পৃথিবীতে প্রবাহিত হওয়ার পথ করে দেন।‌ তারপর, ভগবান শিবের জটা থেকে, গঙ্গা সাতটি ধারায় পৃথিবীতে প্রবাহিত হয়ে ভগীরথের পূর্বপুরুষদের মোক্ষ এনে দিলেন।

আমাদের পরম সৌভাগ্য যে এই মহাশক্তি, এই মোক্ষদায়িনী চৈতন্যময়ী দেবী, মানবকল্যাণার্থে নদীরূপে অবতীর্ণ হয়ে আমাদের স্পর্শ, দর্শন ও সেবার সুযোগ দান করেছেন। তাঁর স্নিগ্ধ সলিলে আজও প্রবাহিত হয় করুণা, পবিত্রতা ও মুক্তির অমৃতধারা।

আজ গঙ্গা দশহরা — দেবী গঙ্গার ভাগীরথীরূপে মর্ত্যলোকে অবতরণের পবিত্র তিথি। এই শুভক্ষণে আমরা করজোড়ে প্রণাম জানাই সেই শান্ত, স্নিগ্ধ, চৈতন্যময়ী ও মোক্ষপ্রদায়িনী মহাদেবীর চরণকমলে; যাঁর মাহাত্ম্য স্বয়ং ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরও স্তবগানে কীর্তন করে থাকেন।

মা গঙ্গে, আমাদের অন্তরকে পবিত্র করো, অহংকার ও অজ্ঞান দূর করো, এবং তোমার অক্ষয় কৃপাধারায় সমগ্র জগৎকে সিক্ত করে রাখো। জয় মা গঙ্গে।

শ্রীশ্রীগঙ্গা প্রণাম মন্ত্র —

ॐ সদ্যোপাতক সংহন্ত্রী সদ্যোদুঃখ বিনাশিনী। সুখদা মোক্ষদা গঙ্গা গঙ্গয়ৈ পরমাগতি॥

যিনি তৎক্ষণাৎ পাপ হরণ করেন, দুঃখ বিনাশ করেন, সুখদাত্রী মোক্ষদাত্রী গঙ্গা, সেই গঙ্গাই আমার পরম গতি।

সকলকে দশহরা গঙ্গা পূজার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই৷


জয় মা গঙ্গা


(সংগৃহীত)
#গুরদেব #প্রভুপাদ

🍀🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏🍀একাদশী বার্তা 🌞 একাদশী বার্তা 🌞 একাদশী বার্তাআগামীকাল ১১ই আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,, ২৬শে জুন ২০২৬ ইং তারিখ রোজ ...
25/06/2026

🍀🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏🍀
একাদশী বার্তা 🌞 একাদশী বার্তা 🌞 একাদশী বার্তা
আগামীকাল ১১ই আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,, ২৬শে জুন ২০২৬ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার "পবিত্র পান্ডবা নির্জলা একাদশীর" উপবাস ব্রত।🙏😍

🌞🌹পারন পরেরদিন সকাল :(শনিবার)
সকাল ০৫:১৩ - ০৯:৪৫ মিনিট।(বাংলাদেশ)🇧🇩
এবং ~~~
সকাল ০৪:৫৩ - ০৯:২৪ মিনিট।(পশ্চিমবঙ্গ, ভারত)🇮🇳

☀ একাদশী সংকল্প মন্ত্র :
একাদশ্যাং নিরাহারঃ স্থীত্বা অহম্ অপরেহহনি, ভোক্ষ্যামি পুন্ডরিকাক্ষ শরণং মে ভবাচ্যুত।

অনুবাদঃ হে পুন্ডরীকাক্ষ, হে উচ্যুত, আমি একাদশীতে উপবাস পূর্বক পরদিন আহার করব। আপনি মোদিয় শরণস্থান হোন।

☀ একাদশী পারণ মন্ত্রঃ
একাদশ্যাং নিরাহারঃ ব্রতে নানেব কেশব ।
প্রসিদ সমূখ নাথ জ্ঞান দৃষ্টি প্রদভবঃ

অনুবাদঃ হে কেশব আমি আপনার কৃপা দৃষ্টিতে নিরাহার ভাবে একাদশী ব্রত পালন করেছি কৃপা পূর্বক আমার উপর আপনার করুণাময় জ্ঞানদৃষ্টি প্রদান করুন।

📕🌱পবিত্র পান্ডবা নির্জলা একাদশী মাহাত্ম্য :
ব্রত ও মাহাত্ম্যকথা - জ্যৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের এই নির্জলা একাদশী ব্রত সম্পর্কে ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে শ্রী ভীমসেন- ব্যাস সংবাদে বর্ণিত হয়েছে। মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন-হে জনার্দন! আমি অপরা একাদশীর সমস্ত মাহাত্ম্য শ্রবণ করলাম এখন জ্যৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম ও মাহাত্ম্য কৃপাপূর্বক আমার কাছে বর্ণনা করুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন, এই একাদশীর কথা মহর্ষি ব্যাসদেব বর্ণনা করবেন। কেননা তিনি সর্বশাস্ত্রের অর্থ ও তত্ত্ব পূর্ণরূপে জানেন। রাজা যুধিষ্ঠির ব্যাসদেবকে বললেন-হে মহর্ষি দ্বৈপায়ন! আমি মানুষের লৌকিক ধর্ম এবং জ্ঞানকাণ্ডের বিষয়ে অনেক শ্রবণ করেছি। আপনি যথাযথভাবে ভক্তিবিষয়িনী কিছু ধর্মকথা এখন আমায় বর্ণনা করুন।

শ্রীব্যাসদেব বললেন-হে মহারাজ! তুমি যে সব ধর্মকথা শুনেছ এই কলিযুগের মানুষের পক্ষে সে সমস্ত পালন করা অত্যন্ত কঠিন। যা সুখে, সামান্য খরচে, অল্প কষ্টে সম্পাদন করা যায় অথচ মহাফল প্রদান করে এবং সমস্ত শাস্ত্রের সারস্বরূপ সেই ধর্মই কলিযুগে মানুষের পক্ষে করা শ্রেয়। সেই ধর্ম কথাই এখন আপনার কাছে বলছি।

উভয় পক্ষের একাদশী দিনে ভোজন না করে উপবাস ব্রত করবে। দ্বাদশী দিনে স্নান করে শুচিশুদ্ধ হয়ে নিত্যকৃত্য সমাপনের পর শ্রীকৃষ্ণের অর্চন করবে। এরপর ব্রাহ্মণদেরকে প্রসাদ ভোজন করাবে। অশৌচাদিতেও এই ব্রত কখনও ত্যাগ করবে না। যে সকল ব্যক্তি স্বর্গে যেতে চায়, তাদের সারা জীবন এই ব্রত পালন করা উচিত। পাপকর্মে রত ও ধর্মহীন ব্যক্তিরাও যদি এই একাদশী দিনে ভোজন না করে, তবে তারা যমযাতনা থেকে রক্ষা পায়।

শ্রীব্যাসদেবের এসব কথা শুনে গদাধর ভীমসেন অশ্বত্থ পাতার মতো কাঁপতে কাঁপতে বলতে লাগলেন-হে মহাবুদ্ধি পিতামহ! মাতা কুন্তী, দ্রৌপদী, ভ্রাতা যুধিষ্ঠির, অর্জুন, নকুল ও সহদেব এরা কেউই একাদশীর দিনে ভোজন করে না। আমাকেও অন্ন গ্রহণ করতে নিষেধ করে। কিন্তু দুঃসহ ক্ষুধা যন্ত্রণার জন্য আমি উপবাস করতে পারি না।

ভীমসেনের এরকম কথায় ব্যাসদেব বলতে লাগলেন যদি স্বর্গাদি দিব্যধাম লাভে তোমার একান্ত ইচ্ছা থাকে, তবে উভয় পক্ষের একাদশীতে ভোজন করবে না। তদুত্তরে ভীমসেন বললেন-আমার নিবেদন এই যে, উপবাস তো দূরের কথা, দিনে একবার ভোজন করে থাকাও আমার পক্ষে অসম্ভব। কারণ আমার উদরে ‘বৃক’ নামে অগ্নি রয়েছে। ভোজন না করলে কিছুতেই সে শান্ত হয় না। তাই প্রতিটি একাদশী পালনে আমি একেবারেই অপারগ।

হে মহর্ষি! বছরে একটি মাত্র একাদশী পালন করে যাতে আমি দিব্যধাম লাভ করতে পারি এরকম কোন একাদশীর কথা আমাকে নিশ্চয় করে বলুন। তখন ব্যাসদেব বললেন-জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিতে জলপান পর্যন্ত না করে সম্পূর্ণ উপবাস থাকবে। তবে আচমনে দোষ হবে না। ঐদিন অন্নাদি গ্রহণ করলে ব্রত ভঙ্গ হয়।

একাদশীর দিন সূর্যোদয় থেকে দ্বাদশীর দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত জলপান বর্জন করলে অনায়াসে বারোটি একাদশীর ফল লাভ হয়। বছরের অন্যান্য একাদশী পালনে অজান্তে যদি কখনও ব্রতভঙ্গ হয়ে যায, তা হলে এই একটি মাত্র একাদশী পালনে সেই সব দোষ দূর হয়। দ্বাদশী দিনে ব্রাহ্মমুহূর্তে স্নানাদিকার্য সমাপ্ত করে শ্রীহরির পূজা করবে। সদাচারী ব্রাহ্মণদের বস্ত্রাদি দানসহ ভোজন করিয়ে আত্মীয় স্বজন সঙ্গে নিজে ভোজন করবে। এরূপ একাদশী ব্রত পালনে যে প্রকার পুণ্য সঞ্চিত হয়, এখন তা শ্রবণ কর।

সারা বছরের সমস্ত একাদশীর ফলই এই একটি মাত্র ব্রত উপবাসে লাভ করা যায়। শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্মধারী ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাকে বলেছেন-‘বৈদিক ও লৌকিক সমস্ত ধর্ম পরিত্যাগ করে যারা একমাত্র আমার শরণাপন্ন হয়ে এই নির্জলা একাদশী ব্রত পালন করে তারা সর্বপাপ মুক্ত হয়। বিশেষত কলিযুগে ধন-সম্পদ দানের মাধ্যমে সদ্গতি বা স্মার্ত সংস্কারের মাধ্যমেও যথার্থ কল্যাণ লাভ হয় না। কলিযুগে দ্রব্যশুদ্ধি নেই। কলিতে শাস্ত্রোক্ত সংস্কার বিশুদ্ধ হয় না। তাই বৈদিক ধর্ম কখনও সুসম্পন্ন হতে পারে না। হে ভীমসেন! তোমাকে বহু কথা বলার আর প্রয়োজন কি? তুমি উভয় পক্ষের একাদশীতে ভোজন করবে না। যদি তাতে অসমর্থ হও তবে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীতে অবশ্যই নির্জলা উপবাস করবে। এই একাদশী ব্রত ধনধান্য ও পুন্যদায়িনী। যমদূতগণ এই ব্রত পালনকারীকে মৃত্যুর পরও স্পর্শ করতে পারে না। পক্ষান্তরে বিষ্ণুদূতগণ তাঁকে বিষ্ণুলোকে নিয়ে যান।

শ্রীভীমসেন ঐদিন থেকে নির্জলা একাদশী পালন করতে থাকায় এই একাদশী ‘পাণ্ডবা নির্জলা বা ভীমসেনী একাদশী’ নামে প্রসিদ্ধ হয়েছে। এই নির্জলা একাদশীতে পবিত্র তীর্থে স্নান, দান, জপ, কীর্তন ইত্যাদি যা কিছু মানুষ করে তা অক্ষয় হয়ে যায়। যে ব্যক্তি ভক্তিসহকারে এই একাদশী মাহাত্ম্য পাঠ বা শ্রবণ করেন তিনি বৈকুণ্ঠধাম প্রাপ্ত হন।।🙏

জীবন থেকে যে সময় চলে যায় সে সময় আর ফিরে আসে না তাই সময় নষ্ট না করে এখনই ঈশ্বর জ্ঞান লাভ করার চেষ্টা করুন🙏🙏
কৃপা করে সকলে মহামন্ত্র জপ করুন ও মানব জীবন ধন‍্য করুন..🙏😍🌹

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।।🙏🙏

াধামাধব 🙏💝 #শুভ_রাত্রি #একাদশী_বার্তা #প্রভুপাদ #গুরদেব #দিব্যবাণী

24/06/2026

একাদশী বার্তা..🙏😍🌹

#হরে_কৃষ্ণ ゚ ゚

Address

Barishal
Dhaka
6446

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Krishna Priya Dashi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Krishna Priya Dashi:

Shortcuts

Share

Category