হিদায়াতের ডানা

হিদায়াতের ডানা Islam is a perfect way of life. Believe and follow it, this life & the hereafter will be benevolent.

13/01/2026

কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম জাহান্নামে যাবে এই ৩ নেককার ব্যক্তি! ফেরাউন বা নমরুদ নয়.!

https://www.facebook.com/share/v/1Gz8U1ctKu/

আজ থেকেই সতর্ক হন! ৭টি কথা বলা বন্ধ করুন তা না হলে আপনার দু'য়া কবুল হবে না।একজন মুসলিমের কখনো বলা উচিত নয় এমন কিছু বাক্য...
13/01/2026

আজ থেকেই সতর্ক হন! ৭টি কথা বলা বন্ধ করুন তা না হলে আপনার দু'য়া কবুল হবে না।

একজন মুসলিমের কখনো বলা উচিত নয় এমন কিছু বাক্য

ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন:

"গুনাহ দোয়াকে ঠেকিয়ে দেয়-যেমন আগুন ও পানি একে অপরের বিপরীত।"

নোট: শেষে দেওয়া "গাইড"টা অবশ্যই পড়বেন। সেখানে দোয়া কবুল হওয়ার একটি প্রমাণিত পদ্ধতিও দেওয়া আছে।

এই ৭টি কথা বলা থেকে অবশ্যই বাঁচবেন

১। ওর চেহারা দেখো.!

কারও চেহারা নিয়ে উপহাস করা মানে আল্লাহর সৃষ্টিকে উপহাস করা। অবশ্যই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি সর্বোত্তম গঠনে।"

সূরা আত-তীন ৯৫:৪

২। আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবেন না.!

হে আমার বান্দাগণ, যারা নিজদের উপর বাড়াবাড়ি করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। অবশ্যই আল্লাহ সকল পাপ ক্ষমা করে দেবেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু'।

সূরা আজ-জুমার ৩৯:৫৩

৩। আল্লাহ আমাকে ঘৃণা করেন!

তিনি আল-ওয়াদূদ-পরম ভালোবাসার মালিক। "আর তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, প্রেমময়।"

সূরা আল-বুরুজ ৮৫:১৪

৪। আমি আল্লাহকে নিয়ে সন্দেহ করি.!

দোয়া করার সময় পূর্ণ বিশ্বাস (ইয়াকীন) নিয়ে দোয়া করুন।

৫। আমি কোনো কাজের নই/ আমি মূল্যহীন!

আর আমি তো আদম সন্তানদের সম্মানিত করেছি এবং আমি তাদেরকে স্থলে ও সমুদ্রে বাহন দিয়েছি এবং তাদেরকে দিয়েছি উত্তম রিষ্ক। আর আমি যা সৃষ্টি করেছি তাদের থেকে অনেকের উপর আমি তাদেরকে অনেক মর্যাদা দিয়েছি।

সূরা আল-ইসরা ১৭:৭০

৬। গালি-গালাজ / বাজে কথা বলা!

ভালো কথা বলুন, নইলে নীরব থাকুন।
"রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু'মিন কখনো দোষারোপকারী ও নিন্দাকারী হতে পারে না, অভিসম্পাতকারী হতে পারে না, অশ্লীল কাজ করে না এবং কটুভাষীও হয় না।"

(তিরমিজি ১৯৭৭)

৭| মা-এর কসম... বাবা-এর কসম... বলা!

শপথ কেবল আল্লাহর নামে করা বৈধ।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কারও হলফ করতে হলে সে যেন আল্লাহর নামেই হলফ করে, নতুবা চুপ করে থাকে।

(বুখারি ২৬৭৯)

গাইড: দোয়া কবুল হওয়ার উপায়

যদি সত্যিই চান আপনার দোয়া কবুল হোক, তবে এমনভাবে দোয়া করুন- যেভাবে রাসুল আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন। এই পদ্ধতি প্রমাণিত, কার্যকর এবং বরকতময়।

একটি সহজ কিন্তু শক্তিশালী পদ্ধতি:

১. প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা করুন।

২. তারপর রাসুল-এর ওপর দরুদ (সালাওয়াত) পাঠান

এরপর আপনার প্রয়োজনীয় দোয়া করুন ইন'শা'আল্লাহ আমাদের দু'য়া কবুল হবে।

আসসালামু আলাইকুম। মহান আল্লাহ্ তায়ালা এই আয়াতে বলেছেন, আমাদের সুন্দর পাক পবিত্র পরিস্কার কাপড় পরে নামাজ পড়তে এবং খাবার ও...
23/11/2025

আসসালামু আলাইকুম। মহান আল্লাহ্ তায়ালা এই আয়াতে বলেছেন, আমাদের সুন্দর পাক পবিত্র পরিস্কার কাপড় পরে নামাজ পড়তে এবং খাবার ও পানীয় অপচয় না করতে। মহান আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের বোঝার সঠিক বুজ দান করুন এবং আমল করার তৌফিক দান করুন।

14/11/2025

যৌবনে যত সিজদা করতে পারো করে নাও, কেননা আমি অধিকাংশ বৃদ্ধদেরকে সিজদা ছাড়া নামাজ আদায় করতে দেখেছি।

কাল রাত ১০টার দিকে আমি দেখি, এক ব্যক্তি উপরের দিকে দুই হাত তুলে নিচের দিকে মাথা নত করে বসে আছে। একটা পাঁচতলা বাড়ির বাসার...
02/11/2025

কাল রাত ১০টার দিকে আমি দেখি, এক ব্যক্তি উপরের দিকে দুই হাত তুলে নিচের দিকে মাথা নত করে বসে আছে। একটা পাঁচতলা বাড়ির বাসার নিচে। আমি দেখে হতভম্ব হয়ে গেলাম। কাছে গিয়ে বললাম, “ভাই, এখানে এভাবে বসে আছেন কেন?”

তিনি নিচের দিকে মাথা রেখেই উত্তর দিলেন, “আমার পেটে ক্ষুধা, পকেটে টাকা নেই। আমার বয়স বেশি না, দেখতে যুবকের মতো, তাই কেউ ভিক্ষা দেয় না। আল্লাহ বলেছেন, ‘বান্দা তোর রিজিকের ব্যবস্থা আমি করবো।’ ক্ষুধার জন্য আমি আর হাঁটতে পারতেছি না, তাই আল্লাহর কাছে খাবার চাইছি।”

আমি বললাম, “প্রিয় ভাই, আল্লাহ আপনার রিজিক পাঠিয়েছেন, আসুন, আমার সঙ্গে খাবারের ব্যবস্থা হয়ে গেছে।”

তিনি এত খুশি হয়ে উঠলেন এবং বললেন, “আল্লাহ আপনি মহান, আমি আপনাকে ভালোবাসি।” তারপর বারবার কপাল মাটিতে ঠেকিয়ে সিজদা দিতে থাকলেন।

সত্যিই, রিজিকের মালিক আল্লাহ। নয়তো আমি কেনো ঐখানে গেলাম আজ, তাও আবার রাতে!

আমিও বল্লাম আল্লাহ তুমি মহান, আমি তোমাকে ভালোবাসি।

আমার পকেটে তার রিজিক ছিল — সেটা মহান সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কেউ জানতো না।

আলহামদুলিল্লাহ।

(সংগৃহীত ও সংযোজিত)

04/10/2025

মহান আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করে দিতে চান | আপনার যতই পাপ হোক, আপনি চাইলেই আল্লাহর কাছে ফিরতে পারেন, সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখুন, বুঝুন এবং আমল করার চেষ্টা করুন।
বি:দ্র: ভিডিওর ৩:০২ সেকেন্ড পর্যন্ত আরবী এরপর থেকে বাংলা ডাবিং।

28/09/2025
শায়েখ আহমাদুল্লাহ, সম্পূর্ণ কোরআন শরীফের নির্জাস থেকে ৬ টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ আমল উল্লেখ করেছেন, যা সারাদিন রাত সবসময় উঠত...
02/09/2025

শায়েখ আহমাদুল্লাহ, সম্পূর্ণ কোরআন শরীফের নির্জাস থেকে ৬ টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ আমল উল্লেখ করেছেন, যা সারাদিন রাত সবসময় উঠতে বসতে চলতে ফিরতে যদি ধৈর্য ধরে আল্লাহর উপর ভরসা করে আমল করি তাহলে ইনশাআল্লাহ একদিন সবকিছুর সমাপ্তি ঘটবে, অভাব অনটন, দুঃখ দুর্দশা, পেরেশানি, অসুস্থতা। আর ইহকালে ও পরকালে কল্যাণ লাভ করা যাবে ইনশাআল্লাহ।

✨ দুরুদে ইব্রাহিম (নামাজের ভিতরে পড়ার দুরুদ) অথবা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

নোট: হাদিসের এক বর্ণনা থেকে পাওয়া যায় - সবসময় যদি বেশি বেশি দুরুদ শরীফ পড়া হয় তাহলে তার আর কোনো দোয়া আল্লাহর কাছে করতে হয় না, ইহাই সবকিছুর জন্য যথেষ্ট।

✨ এস্তেগফার সবসময় অনেক বেশি বেশি -

- أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ : আস্‌তাগফিরুল্লা হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহ্। লা হাওলা ওয়ালা ক্যুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহিল আলিয়্যিল আযিম।

অর্থ : আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছেই (তাওবাহ করে) ফিরে আসি। আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কারও কোনো কিছু করার কোনো ক্ষমতা নাই

অথবা ছোট এস্তেগফার -
আস্‌তাগফিরুল্লা ওয়া আতুবু ইলাইহ্।

অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছেই (তাওবাহ করে) ফিরে আসি।

সবচেয়ে উত্তম এস্তেগফার - যা ফজরের ওয়াক্তে একবার আর মাগরিবের ওয়াক্তে একবার পড়লেই হবে।

সাইয়্যেদুল এস্তেগফারঃ

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আংতা রাব্বি লা ইলাহা ইল্লা আংতা খালাক্কতানি ওয়া আনা আবদুকা ওয়া আনা আলা আহ্দিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতাতু আউজুবিকা মিন শাররি মা সানাতু আবুউলাকা বিনিমাতিকা আলাইয়্যা ওয়া আবুউলাকা বিজাম্বি ফাগ্ফিরলি ফা-ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ জুনুবা ইল্লা আংতা।'

অর্থ : হে আল্লাহ! তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই বান্দা আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নেয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গোনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গোনাহ ক্ষমা করতে পারবে না।

✨ ইয়া জ্বালজ্বালালী ওয়াল ইকরাম।

অর্থ: হে মহান বা বড়ত্বের অধিকারী, হে দানশীল।
(বেশি বেশি পড়া অনেক উত্তম, রিজিকের বরকত হয়)।

✨ লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহিল আলিয়্যিল আযিম অথবা লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ্।

অর্থঃ আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কারও কোনো কিছু করার কোনো ক্ষমতা নাই।
( এই দোয়াকে জান্নাতের ভান্ডার সমুহের মাঝে একটি ভান্ডার বলা হয় )

✨ লা ইলাহা ইল্লাআন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ যোয়ালেমিন।

অর্থঃ আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নাই, তিনি পাক-পবিত্র, আমরা জালিমদের অন্তরগত।

হজরত ইউনুস (আ:) কে মহান আল্লাহ্ তায়ালা যেমন মাছের পেট থেকে রক্ষা করেছেন তেমনি মোমিন বান্দারা যারা বেশি বেশি এই দোয়াটি পড়বে তাদেরকে সকল বিপদ থেকে তিঁনি রক্ষা করবেন।

✨ সোবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ,
আলাহু আকবার।

অর্থঃ আল্লাহ পাক পবিত্র, সমস্ত প্রসংশা আল্লাহর, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নাই, আল্লাহ সর্ব শ্রেষ্ঠ।

অথবা -
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আজিম।

অর্থ : মহান সেই আল্লাহ এবং তারই সকল প্রশংসা। মহান সেই আল্লাহ যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।

এই দোয়াটি মিজানের পাল্লায় সবচেয়ে ভারী।

মহান আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের সবসময় বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন।

© Mohammed Tanjim Hossain

وَ عِبَادُ الرَّحۡمٰنِ الَّذِیۡنَ یَمۡشُوۡنَ عَلَی الۡاَرۡضِ هَوۡنًا وَّ اِذَا خَاطَبَهُمُ الۡجٰهِلُوۡنَ قَالُوۡا سَلٰمً...
01/09/2025

وَ عِبَادُ الرَّحۡمٰنِ الَّذِیۡنَ یَمۡشُوۡنَ عَلَی الۡاَرۡضِ هَوۡنًا وَّ اِذَا خَاطَبَهُمُ الۡجٰهِلُوۡنَ قَالُوۡا سَلٰمًا ﴿۶۳﴾
সূরা আল ফূরকান, আয়াত ৬৩

অর্থ: আর রহমানের বান্দা তারাই যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং অজ্ঞ লোকেরা যখন তাদেরকে সম্বোধন করে তখন তারা বলে ‘সালাম’। -আল-বায়ান

আর রহমানের বান্দা তারাই যারা যমীনে নম্রভাবে চলাফেরা করে আর অজ্ঞ লোকেরা তাদেরকে সম্বোধন করলে তারা বলে- ‘শান্তি’, (আমরা বিতর্কে লিপ্ত হতে চায় না)।
-তাইসিরুল

‘রাহমান’ এর বান্দা তারাই যারা নম্রভাবে চলাফিরা করে পৃথিবীতে এবং তাদেরকে যখন অজ্ঞ লোকেরা সম্বোধন করে তখন তারা বলেঃ সালাম।
-মুজিবুর রহমান

And the servants of the Most Merciful are those who walk upon the earth easily, and when the ignorant address them [harshly], they say [words of] peace,
-Sahih International

তাফসির -

৬৩. আর রাহমান-এর বান্দা তারাই, যারা যমীনে অত্যন্ত বিনম্রভাবে চলাফেরা করে(১) এবং যখন জাহেল ব্যক্তিরা তাদেরকে (অশালীন ভাষায়) সম্বোধন করে, তখন তারা বলে, সালাম(২);

(১) অর্থাৎ তারা পৃথিবীতে নম্রতা সহকারে চলাফেরা করে। هون শব্দের অর্থ এখানে স্থিরতা, গাম্ভীর্য, বিনয় অর্থাৎ গর্বভরে না চলা, অহংকারীর ন্যায় পা না ফেলা।
অহংকারের সাথে বুক ফুলিয়ে চলে না। গর্বিত স্বৈরাচারী ও বিপর্যয়কারীর মতো নিজের চলার মাধ্যমে নিজের শক্তি প্ৰকাশ করার চেষ্টা না করা। বরং তাদের চালচলন। হয় একজন ভদ্র, মার্জিত ও সৎস্বভাব সম্পন্ন ব্যক্তির মতো। খুব ধীরে চলা উদ্দেশ্য নয়। কেননা, বিনা প্রয়োজনে ধীরে চলা সুন্নাত বিরোধী। হাদীস থেকে জানা যায় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুব ধীরে চলতেন না; বরং কিছুটা দ্রুত গতিতে চলতেন। হাদীসের ভাষা এরূপ, كَأنَّهَا الأرْضُ تُطْوَى لَهُ অর্থাৎ “চলার সময় পথ যেন তার জন্য সংকুচিত হত।” [ইবনে হিব্বানঃ ৬৩০৯] এ কারণেই পূর্ববর্তী মনীষীগণ ইচ্ছাকৃতভাবেই রোগীদের ন্যায় ধীরে চলাকে অহংকার ও কৃত্রিমতার আলামত হওয়ার কারণে মাকরূহ সাব্যস্ত করেছেন। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু জনৈক যুবককে খুব ধীরে চলতে দেখে জিজ্ঞেস করেনঃ তুমি কি অসুস্থ? সে বললঃ না। তিনি তার প্রতি চাবুক উঠালেন এবং শক্তি সহকারে চলার আদেশ দিলেন।
[দেখুন-ইবন কাসীর, কুরতুবী, বাদাইউত তাফসির]

হাসান বসরী রাহিমাহুল্লাহ (يَمْشُونَ عَلَى الْأَرْضِ هَوْنًا) আয়াতের তাফসীরে বলেনঃ খাঁটি মুমিনদের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, চক্ষু, কৰ্ণ, হাত, পা, আল্লাহর সামনে হীন ও অক্ষম হয়ে থাকে। অজ্ঞ লোকেরা তাদেরকে দেখে অপারগ ও পঙ্গু মনে করে, অথচ তারা রুগ্নও নয় এবং পঙ্গুও নয়; বরং সুস্থ ও সবল। তবে তাদের উপর আল্লাহভীতি প্রবল, যা অন্যদের উপর নেই। তাদেরকে পার্থিব কাজকর্ম থেকে আখেরাতের চিন্তা নিবৃত্ত রাখে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে না এবং তার সমস্ত চিন্তা দুনিয়ার কাজেই ব্যাপৃত, সে সর্বদা দুঃখই ভোগ করে। কারণ, সে তো দুনিয়া পুরোপুরি পায় না এবং আখেরাতের কাজেও অংশগ্রহণ করে না। যে ব্যক্তি পানাহারের বস্তুর মধ্যেই আল্লাহর নেয়ামত সীমিত মনে করে এবং উত্তম চরিত্রের প্ৰতি লক্ষ্য করে না, তার জ্ঞান খুবই অল্প এবং তার জন্য শাস্তি তৈরী রয়েছে। [ইবন কাসীর]

(২) অর্থাৎ যখন জাহেল ব্যক্তিরা তাদের সাথে কথা বলে, তখন তারা বলে- ‘সালাম’। এখানে جَاهِلُون শব্দের অর্থ বিদ্যাহীন ব্যক্তি নয়; বরং যারা মূর্খতার কাজ ও মূর্খতাপ্রসূত কথাবার্তা বলে, যদিও বাস্তবে বিদ্বানও বটে। মূর্খ মানে অশিক্ষিত বা লেখাপড়া না জানা লোক নয় বরং এমন লোক যারা জাহেলী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হবার উদ্যোগ নিয়েছে এবং কোন ভদ্রলোকের সাথে অশালীন ব্যবহার করতে শুরু করেছে। রহমানের বান্দাদের পদ্ধতি হচ্ছে, তারা গালির জবাবে গালি এবং দোষারোপের জবাবে দোষারোপ করে না। [দেখুন-ফাতহুল কাদীর, কুরতুবী, বাদাইউত তাফসির]। যেমন কুরআনের অন্য জায়গায় বলা হয়েছেঃ “আর যখন তারা কোন বেহুদা কথা শোনে, তা উপেক্ষা করে যায়। বলে, আমাদের কাজের ফল আমরা পাবো এবং তোমাদের কাজের ফল তোমরা পাবে। সালাম তোমাদের, আমরা জাহেলদের সাথে কথা বলি না।” [সূরা আল-কাসাসঃ ৫৫]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৬৩) তারাই পরম দয়াময়ের দাস, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদেরকে যখন অজ্ঞ ব্যক্তিরা সম্বোধন করে, তখন তারা বলে, ‘সালাম’। [1]

[1] ‘সালাম’ বলার অর্থ মুখ ফিরিয়ে নেওয়া ও তর্ক-বিতর্ক ছেড়ে দেওয়া। অর্থাৎ, ঈমানদাররা জাহেল ও মুর্খ লোকদের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়ে না। বরং তারা এমতাবস্থায় এড়িয়ে চলার পদ্ধতি অবলম্বন করে এবং ফালতু বিতন্ডা বর্জন করে।

(তাফসীরে আহসানুল বায়ান)

© Mohammed Tanjim Hossain

Address

Khilkhet
Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হিদায়াতের ডানা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to হিদায়াতের ডানা:

Share