Kishor Mujahid - কিশোর মুজাহিদ

Kishor Mujahid - কিশোর মুজাহিদ ☞ কওমী মাদ্রাসা হচ্ছে আদর্শ জাতি গড়ার কারখানা।

03/02/2017

জুম’আর আদব,
প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না আশাকরি,
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
--------------------­--
১। জুম’আর দিন গোসল করা। যাদের উপর জুম’আ ফরজ তাদের জন্য এ দিনে গোসল করাকে রাসুল (সাঃ) ওয়াজিব করেছেন(বুখারীঃ ৮৭৭, ৮৭৮, ৮৮০, ৮৯৭, ৮৯৮)। পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসাবে সেদিন নখ ও চুল কাটা একটি ভাল কাজ।
২। জুম’আর সালাতের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা। (বুখারীঃ ৮৮০)
৩। মিস্ওয়াক করা। (ইবনে মাজাহঃ ১০৯৮, বুখারীঃ৮৮৭, ইঃফাঃ৮৪৩)
৪। গায়ে তেল ব্যবহার করা। (বুখারীঃ৮৮৩)
৫। উত্তম পোশাক পরিধান করে জুম’আ আদায় করা। (ইবনে মাজাহঃ১০৯৭)
৬। মুসুল্লীদের ইমামের দিকে মুখ করে বসা। (তিরমিযীঃ৫০৯, ইবনে মাজাহঃ১১৩৬)
৭। মনোযোগ সহ খুৎবা শোনা ও চুপ থাকা- এটা ওয়াজিব। (বুখারীঃ ৯৩৪, মুসলিমঃ৮৫৭, আবু দাউদঃ১১১৩, আহমাদঃ১/২৩০)
৮। আগে ভাগে মসজিদে যাওয়া। (বুখারীঃ৮৮১, মুসলিমঃ৮৫০)
৯। পায়ে হেঁটে মসজিদে গমন। (আবু দাউদঃ ৩৪৫)
১০। জুম’আর দিন ফজরের নামাজে ১ম রাক’আতে সূরা সাজদা (সূরা নং-৩২) আর ২য় রাকা’আতে সূরা ইনসান(দাহর)(সূরা নং-৭৬) পড়া। (বুখারীঃ৮৯১, মুসলিমঃ৮৭৯)
১১। সূরা জুম’আ ও সূরা মুনাফিকুন দিয়ে জুম’আর সালাত আদায় করা। অথবা সূরা আলা ও সূরা গাশিয়া দিয়ে জুম’আ আদায় করা। (মুসলিমঃ৮৭৭, ৮৭৮)
১২। জুম’আর দিন ও জুম’আর রাতে বেশী বেশী দুরুদ পাঠ। (আবু দাউদঃ ১০৪৭)
১৩। এ দিন বেশী বেশী দোয়া করা।। (বুখারীঃ ৯৩৫)
১৪। মুসুল্লীদের ফাঁক করে মসজিদে সামনের দিকে এগিয়ে না যাওয়া। (বুখারীঃ৯১০, ৮৮৩)
১৫। মুসুল্লীদের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনের কাতারে আগানোর চেষ্টা না করা। (আবু দাউদঃ ৩৪৩, ৩৪৭)
১৬। কাউকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে বসার চেষ্টা না করা। (বুখারীঃ৯১১, মুসলিমঃ২১৭৭, ২১৭৮)
১৭। খুৎবা চলাকালীন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলে তখনও দু’রাকা’আত ‘তাহিয়্যাতুল মাসজিদ’ সালাত আদায় করা ছাড়া না বসা। (বুখারীঃ ৯৩০)
১৮। জুম’আর দিন জুম’আর পূর্বে মসজিদে জিকর বা কোন শিক্ষামুলক হালকা না করা। অর্থাৎ ভাগ ভাগ হয়ে, গোল গোল হয়ে না বসা, যদিও এটা কোন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান হোক না কেন। (আবু দাউদঃ ১০৮৯)
১৯। কেউ কথা বললে ‘চুপ করুন’ এটুকুও না বলা। (নাসায়ীঃ ৭১৪, বুখারীঃ ৯৩৪)
২০। মসজিদে যাওয়ার আগে কাঁচা পেয়াজ, রসুন না খাওয়া ও ধুমপান না করা। (বুখারীঃ ৮৫৩)
২১। ঘুমের ভাব বা তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে বসার জায়গা বদল করে বসা। (আবু দাউদঃ ১১১৯)
২২। ইমামের খুৎবা দেওয়া অবস্থায় দুই হাঁটু উঠিয়ে না বসা। (আবু দাউদঃ ১১১০, ইবনে মাজাহঃ ১১৩৪)
২৩। খুৎবার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা। জান্নাতে প্রবেশের উপযুক্ত হলেও ইমাম থেকে দূরে উপবেশনকারীরা বিলম্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (আবু দাউদঃ ১১০৮)
২৪। জুম’আর দিন সূরা কাহফ পড়া। এতে পাঠকের জন্য আল্লাহ তায়ালা দুই জুম’আর মধ্যবর্তী সময়কে আলোকিত করে দেন। (হাকেমঃ ২/৩৬৮, বায়হাকীঃ ৩/২৪৯)
২৫। জুম’আর আযান দেওয়া। অর্থাৎ ইমাম মিম্বরে বসার পর যে আযান দেওয়া হয় তা।(বুখারীঃ ৯১২)
২৬।জুম’আর ফরজ নামাজ আদায়ের পর মসজিদে ৪ রাকা’আত সুন্নাত সালাত আদায় করা। (বুখারীঃ ১৮২, মুসলিমঃ ৮৮১, আবু দাউদঃ ১১৩০)
২৭। উযর ছাড়া একই গ্রাম ও মহল্লায় একাধিক জুম’আ চালু না করা। আর উযর হল এলাকাটি খুব বড় হওয়া, বা প্রচুর জনবসতি থাকা, বা মসজিদ দূরে হওয়া, বা মসজিদে জায়গা না পাওয়া, বা কোন ফিতনা ফাসাদের ভয় থাকা। (মুগনি লিবনি কুদামাঃ ৩/২১২, ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহঃ ২৪/২০৮)
২৮। ওজু ভেঙ্গে গেলে মসজিদ থেকে বের হয়ে যাওয়া। অতঃপর আবার ওজু করে মসজিদে প্রবেশ করা। (আবু দাউদঃ ১১১৪)
২৯। একান্ত উযর না থাকলে দুই পিলারে মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গায় সালাত আদায় না করা। (হাকেমঃ ১/১২৮)
৩০। সালাতের জন্য কোন একটা জায়গাকে নির্দিষ্ট করে না রাখা, যেখানে যখন জায়গা পাওয়া যায় সেখানেই সালাত আদায় করা (আবু দাউদঃ৮৬২)। অর্থাৎ আগে থেকেই নামাজের বিছানা বিছিয়ে জায়গা দখল করে না রাখা বরং যে আগে আসবে সেই আগে বসবে।
৩১। কোন নামাজীর সামনে দিয়ে না হাঁটা অর্থাৎ মুসুল্লী ও সুতরার মধ্যবর্তী জায়গা দিয়ে না হাঁটা। (বুখারীঃ৫১০)
৩২। এতটুকু জোরে আওয়াজ করে কোন কিছু না পড়া, যাতে অন্যের সালাত ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে। (আবু দাউদঃ ১৩৩২)
৩৩। পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়ার ফযীলত অন্তরে জাগরূক রাখা।
৩৪। হাঁটার আদব মেনে মসজিদে গমন করা।
৩৫। খুৎবার সময় খতীবের কোন কথার সাড়া দেওয়া বা তার প্রশ্নের জবাব দানে শরীক হওয়া জায়েজ। (বুখারীঃ ১০২৯, মুসলিমঃ ৮৯৭)
৩৬। হানাফী আলেমগন বলেছেন যে, ভিড় প্রচণ্ড হলে সামনের মুসুল্লীর পিঠের উপর সিজদা দেওয়া জায়েজ (আহমাদঃ১/৩২)। দরকার হলে পায়ের উপর ও দিতে পারে (আর রাউদুল মুরবী)
৩৭। যেখানে জুম’আর ফরজ আদায় করেছে, উত্তম হল ঐ একই স্থানে সুন্নাত না পড়া। অথবা কোন কথা না বলে এখান থেকে গিয়ে পরবর্তী সুন্নাত সালাত আদায় করা। (মুসলিমঃ ৭১০, বুখারীঃ ৮৪৮)
৩৮। ইমাম সাহেব মিম্বরে এসে হাজির হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তাসবীহ-তাহলীল, তাওবা- ইস্তিগফার ও কুরআন তিলাওয়াতে রত থাকা।

02/02/2017

হে ভাই !! দুইটা মিনিট সময় নষ্ট করে,
ধৈর্য্যসহকারে পুরো লেখাটা পড়েন,,,
,
,
এক সাহাবীর জীবনী.....
হযরত তালহা (রা:) প্রতিদিন নবীজীর পেছনে
ফজরের নামাজ পড়েন।
কিন্তু নামাজে সালাম ফিরানোর সাথে
সাথে তিনি মসজিদে না বসে
তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যান। এভাবে কয়েক
দিন চলার পর অন্যান্য
সাহাবিরা এটা নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন
যে, প্রতিদিন সালাম
ফিরিয়েই তালহা চলে যান। অথচ নবীজী
(সা:) ফজরের পর সূর্য
উদয় না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে বসে বয়ান
করেন। অন্যান্য সব সাহাবিরাও রাসূলের
কাছে বসে থাকেন। এক পর্যায়ে এইকথা
নবীজীর
কানে পৌছালো। নবীজী সাহাবিদের
বললেন, আগামিকাল ফজরের
নামাজ শেষে তালহা যেন আমার সাথে
দেখা করে। পরের দিন নামাজে
আসলে তালহাকে একথা জানিয়ে দেয়া হল।
ফজরের নামাজ শেষ।
তালহা বসে আছেন নবীজীর সাথে দেখা
করার জন্য।
একপর্যায়ে নবীজী তালহাকে ডাকলেন।
নবীজী অতি মোলায়েম কন্ঠে তালহাকে
বললেন, তালহা!
আমি কি তোমাকে কোন কষ্ট দিয়েছি?
আমি কি তোমার কোন হক নষ্ট করেছি?
একথা শুনে তালহা কেদে ফেললেন এবং
বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা:)! আমার
জীবন আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। আপনি
আমার কোন হক নষ্ট করেননি। নবীজী (সা:)
বললেন,তাহলে তালহা! তুমি প্রতিদিন
নামাজ শেষে আমার কাছে না বসে চলে
যাও কেন?
তালহা কেদে কেঁদে বললেন, রাসুল (সা:)!
আমার এবং আমার স্ত্রীর
সতর ডাকার জন্য একটি মাত্র জামা আছে।
যেটা পরে আমি যখন
নামাজ পড়ি আমার স্ত্রী তখন উলংগ থাকেন।
স্ত্রী যখন নামাজ পড়েন
আমি তখন উলংগ থাকি। এক্ষেত্রে ফজরের
নামাজের সময় একটু
অসুবিধা হয়ে যায় ইয়া আল্লাহর রাসুল (সা:)।
ফজরের নামাজে আসার
সময় আমি আমার স্ত্রীকে একটা গুহায় রেখে
আসি।
এমতাবস্থায় আমি যদি নামাজ শেষে এখানে
বসে থাকি তাহলে তো
আমার স্ত্রীর নামাজটা কাজা হয়ে যাবে
ইয়া আল্লাহর রাসূল।এজন্য
আমি নামাজ শেষে দৌড়ে চলে যাই।
তালহার কথা শুনে আল্লাহর রাসুল দরদর করে
কেঁদে ফেলেন।
নবীজীর দাঁড়ি বেয়ে বেয়ে চোখের পানি
পড়তেছে। সাথে সাথে
নবীজী তালহাকে জানিয়ে দিলেন,
তালহারে!
নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতে যাবে।,,,,
সুবাহানাল্লাহ!!!!!!
দেখেন ভাই, সাহাবিরা নামাজের জন্য কত
পেরেশান ছিলেন,,
আর আমি আপনি দুনিয়ার সাধারণ কাজের
জন্য ফরজ নামাজ
ছেড়ে দিয়ে দুনিয়ার কাজকে বেশি
প্রাধান্য দেই।।
আর রাসুল সাঃ বলেছেন কিয়ামতের দিন
সর্বপ্রথম হিসাব নেয়া
হবে নামাজের, যে নামাজের নামাজের
হিসাব দিতে পারবে, তার সকল
হিসাব সহজ হয়ে যাবে।। আর যে নামাজের
হিসাব দিতে পারবেনা,
সে সকল জায়গায় আটকা পড়ে যাবে, অর্থাৎ
জাহান্নামী হয়ে যাবে,,,,,
নাউজুবিল্লাহ,,,
প্লিজ ভাই আসুন, ৫ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ
গুরুত্বসহকারে পড়ার চেষ্টা করি এবং
মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে নামাজ
আদায় করি,,,,,
আল্লাহ, আমাকে আপনাকে এবং আমাদের
সবাইকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ
যথাসময় আদায় করার তাওফিক দিন,,,,,
আমিন!!!!

02/02/2017

দুরূদ শরীফ পাঠ, অাজ (বৃহস্পতিবার দিবাগত
রাত) রাতের বিশেষ অামল।
-------------------------------------------------
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত, জুমুঅার রাত।এ
রাত সম্পর্কে হাদীস শরীফে এসেছে, নবী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ
করেছেন-তোমরা জুমুআর দিন ও জুমুআর রাতে
(অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে) আমার
প্রতি বেশি বেশি দুরূদ প্রেরণ করবে। যে
ব্যক্তি ১বার দুরূদ পাঠ করবে আল্লাহ
তা'আলা তার প্রতি ১০ বার রহমত নাযিল
করবেন। (বায়হাকী, হাদীস নং ৫৯৯৪)
আজ রাতের সবচেয়ে সৌভাগ্যবান ও লাভবান
ব্যক্তি হলেন তিনি যিনি রাসুলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি
বেশি দুরূদ প্রেরণ করতে পেরেছেন।
-
সবাই অন্তত একবার হলেও পড়ুন,- আল্লাহুম্মা
সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি
মুহাম্মাদ......
-
দুরূদে ইব্রাহীম,
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺻَﻞِّ ﻋَﻠَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ، ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺁﻝِ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ، ﻛَﻤَﺎ ﺻَﻠَّﻴﺖَ ﻋَﻠَﻰ
ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢَ، ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺁﻝِ ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢَ، ﺇِﻧَّﻚَ ﺣَﻤِﻴﺪٌ ﻣَﺠِﻴﺪٌ، ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ
ﺑَﺎﺭِﻙْ ﻋَﻠَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺁﻝِ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ، ﻛَﻤَﺎ ﺑَﺎﺭَﻛْﺖَ ﻋَﻠَﻰ
ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢَ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺁﻝِ ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢَ، ﺇِﻧَّﻚَ ﺣَﻤِﻴﺪٌ ﻣَﺠِﻴﺪٌ
হে আল্লাহ! আপনি (আপনার নিকটস্থ
উচ্চসভায়) মুহাম্মাদকে সম্মানের সাথে স্মরণ
করুন এবং তাঁর পরিবার-পরিজনকে, যেমন
আপনি সম্মানের সাথে স্মরণ করেছেন
ইবরাহীমকে ও তাঁর পরিবার-পরিজনদেরকে।
নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও
মহামহিমান্বিত। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ
ও তাঁর পরিবার পরিজনের উপর বরকত নাযিল
করুন যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছিলেন
ইবরাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর।
নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও
মহামহিমান্বিত
আল্লা-হুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিউওয়া
‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা
‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইব্রাহীমা
ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লা-হুম্মা
বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিউওয়া ‘আলা আলি
মুহাম্মাদিন, কামা বা-রাকতা ‘আলা
ইব্রাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইব্রাহীমা
ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।
একে দশ!!! দশে এক'শ!!! তো শুরু হয়ে যাক
এখনি...
দয়া করে কমেন্টে বেশি করে দুরূদ লিখুন।
আর লেখার সময় অন্তর থেকে রাসুলের প্রতি
দু'আর মানসিকতা নিয়ে মুখেও পড়ুন।লেখাটি
সবাই শেয়ার করুন।অাল্লাহ্ তা'অালা
সবাইকে অামল করার তাওফিক দান করুন। #
অামিন ,

02/02/2017

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বলেছেন, কারও হলফ করতে হলে সে যেন
আল্লাহর নামেই হলফ করে, নতুবা চুপ করে
থাকে।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২৬৭৯

02/02/2017

❝হে মু'মিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর।
প্রত্যেকেই চিন্তা করে দেখুক,
আগামীকালের জন্য সে কী (পুণ্য কাজ)
অগ্রিম পাঠিয়েছে। আর তোমরা
আল্লাহকে ভয় কর, তোমরা যা কর আল্লাহ
সে সম্পর্কে পুরোপুরি খবর রাখেন।❞ (সূরা
হাশরঃ ৫৯/১৮)

http://insaf24.com/news/19715
22/01/2017

http://insaf24.com/news/19715

আমিন আমিন ধ্বনিতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও ঐক্য কামনার মধ্যদিয়ে শেষ হলো তুরাগ নদীর তীরে তাবলীগ জামাতের তিন দিনব্যাপী ৫২ তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় ও শেষ পর্বের আখেরি মোনাজাত।…

31/12/2016

ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে উদ্ধারে
করণীয় ।
======================
======================
আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলে
আপনার সামনে দুটি উপায় খোলা আছে।
** অ্যাকাউন্ট টি পুনরুদ্ধার করা।
** অ্যাকাউন্ট টি চিরতরে ডিলেট করে
দেওয়া।
অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলে আপনার প্রথমেই
করনীয় কাজ হল আপনার এলাকার পুলিশ
ষ্টেশন এ গিয়ে জিডি করা। আমরা অনেকেই
থানার নাম শুনলেই ভয় পাই। ভয় পাবেন না।
সাইবার ক্রাইমের বিষয়টি এখন খুব গুরুত্তের
সাথে নেওয়া হয়। জিডি করার অভিজ্ঞতা
না থাকলে সাথে কাউকে নিয়ে যেতে
পারেন এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ
কর্মকর্তা ও আপনাকে সাহায্য করবেন।
জিডি করা খুব সহজ। দায়িত্তরত পুলিশ
কর্মকর্তা এর সামনে বসে আপনার সমস্যার
কথা জানিয়ে একটা সাধারন ডায়েরি
করবেন। জিডি করা শেষে আপনাকে জিডির
একটি কপি দেওয়া হবে। এই কপিটি খুব
যত্নের সাথে রেখে দিবেন।
জিডি করা শেষে আপনার দ্বিতীয় কাজ হবে
তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রনালয় এর সাইবার
নিরাপত্তা হটলাইনে ফোন করে তাদের
সাথে যোগাযোগ করা। সাইবার নিরাপত্তা
হটলাইনে নাম্বারঃ 01766678888 . সকাল ১০
টা থেকে বিকেল ৫ টা এর ভেতর যোগাযোগ
করবেন। শুক্রবার বন্ধ থাকে। তারা জানতে
চাইবে আপনার অ্যাকাউন্ট টি পুনরুদ্ধার
করতে চান নাকি অ্যাকাউন্ট টি চিরতরে
ডিলেট করে দিতে চান। আপনার সমস্যা
শোনার পর তারা আপনাকে একটি ইমেইল
অ্যাড্রেস দেবেন। ইমেইল অ্যাড্রেস হলঃ
[email protected] . এই ইমেইল অ্যাড্রেস
এ আপনাকে যে অ্যাটাচমেন্ট গুলো পাঠাতে
বলা হবে সেগুলো হচ্ছেঃ
#১ জিডির স্ক্যান করা কপি।
#২ ভোটার আইডি কার্ড এর রঙ্গিন স্ক্যান
কপি (রঙ্গিন হওয়া আবশ্যক)।
#৩ হ্যাক হওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এর
লিংক।
#৪ ইতিপূর্বে কখনও কোথাও ব্যবহার করা হয়
নি এমন সম্পূর্ণ নতুন খোলা একটি ইমেইল
আইডি।
সব অ্যাটাচমেন্ট সহ ইমেইল পাঠিয়ে দেওয়ার
পর চাইলে আপনি আবার হটলাইনে কল করে
ইমেইল পেয়েছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত
হতে পারেন। এরপর তিন দিনের ভেতর
আপনার হ্যাক হয়ে যাওয়া অ্যাকাউন্ট উদ্ধার
করে আপনাকে ফোন দিয়ে জানানো হবে।
এভাবে খুব সহজেই আপনি সাইবার হামলা
প্রতিহত করতে পারেন এবং নিজে সুরক্ষিত
থাকতে পারেন। ভবিষ্যতের জন্য টিউন এ
দেওয়া ইমেইল ও হটলাইন নাম্বার টি সেইভ
করে রাখতে পারেন।

19/12/2016

গরিব দুঃখী ক্ষুধার ঝালায় ছুটছে আজি
দিক বেদিক,
তুমি বন্ধু মেকাব করো ঠটে লাগাও
লিবিস্টিক।
চুল কাটিয়া ফ্যান দেখাও লজ্জা
সরমের
খাই মাথা,
তোমারো বন্ধু হতে পারে একদিন
এমনি
দশা।
আমার এই কথার সাথে যারা একমত
আছেন
Yes লিখে আপনার মূল্যবান মতামত দিন!

15/11/2016

যে যুবক একজন যুবতী
নারী কে একা
পেয়েও আল্লাহর ভয়ে
তার ইজ্জ্বতের উপর
আঘাত করে না, তার
জন্য অপেক্ষা করছে
জান্নাতুল
ফেরদাউস। __বিশ্ব
নবী (সাঃ)

21/10/2016

জানা থাকা ভাল........
সর্বপ্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
করেন খাদিজা (রাদ্বি:)
সর্বপ্রথম নারী শহীদ
সুমাইয়া (রাদ্বি:)
দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত
করার জন্য সর্বপ্রথম
বেশি ধন-সম্পদ দান করেন
খাদিজা (রাদ্বি:)
সবচেয়ে বড় মুহাদ্দিস
আয়শা সিদ্দীকা (রাদ্বি:)
দ্বীনের জন্য সিমাহীন
কষ্ট সহ্য করেন
ফেরাউনের স্ত্রী বিবি আছিয়া (রাদ্বি:)।
এক জন নেককার নারী
৭০ জন ওলীর চেয়ে উত্তম।
এক জন বদকার নারী ১০০০
জন বদকার পুরুষের
চেয়েও নিকৃষ্ট।
এক জন গর্ভবতী মহিলার
২ রাকাত নামাজ একজন
গর্ভহীন মহিলার ৮০
রাকাত নামাজের
চেয়েও উত্তম।
যখন স্বামী বাইরে থেকে
পেরেসান হয়ে বাড়ী ফিরে তখন
যদি তার স্ত্রী স্বামীকে সান্তনা
দেয়, তাহলে ঐ স্ত্রীকে
জিহাদের
অর্ধেক নেকী দান করা হয়।
যে মহিলার সন্তানের
কারনে রাতে ঘুমাতে পারেনা,
তাকে ২০টি গোলাম আজাদ
করার নেকি দান করা হয়।
যে মহিলার অসুখের
কারনে কষ্ট ভোগ
করে এবং তারপরেও
সে সন্তানদের সেবা-যত্ন
করে আল্লাহ রাব্বুল
আলামিন ঐ মহিলার
পিছনের সমস্ত গুনাহ
মাফ করে দেন,
এবং ১২বছরের
নেকি দান করেন।
যে মহিলা গরু,ছাগল,ভেড়া,
মহিষের দুধ দোহনের সময়
বিসমিল্লাহ বলে শুরু
করে 'ঐ পশু তার জন্য দুয়া করে।
যে মহিলা যিকিরের
সাথে ঘর ঝাড়ু
দেয়, আল্লাহ তার আমল
নামায় খানায়ে কাবা ঝাড়ু
দেওয়ার ছোয়াব দান করেন।
যে মহিলা নামাজ
রোজার পাবন্দী করে,
পবিত্রতা রক্ষা করে চলে,
স্বামীর তাবেদারী করে চলে
তাকে জান্নাতের যে কোন
দরজা দিয়ে প্রবেশের
অনুমতি দেওয়া হবে।
যে মহিলা গর্ভবতী অবস্থায়
থাকেন তিনি বাচ্চা প্রসব
না হওয়া পর্যন্ত
দিনে রোজা ও রাতে নামাজ
রত থাকার নেকি পেতে থাকেন।
সন্তান প্রসাবকালিন সময়ে প্রসবের যে
কষ্ট হয়, প্রতিবারের ব্যথার
কারনে হজ্জের নেকি দান করা হয়।
সর্বোপরি একমাত্র ইসলামই
নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান ও
মর্যাদা।

16/10/2016

কুমিরের সামনে দাড়িয়ে আপনি
কী এটা ভাববেন
যে আমি কুমির খাইনা তাই কুমির ও
আমাকে খাবে
না ?
তাহলে মানুষের ক্ষেত্রে আপনি
এটা ভাবেন কেন
যে আপনি মানুষের ক্ষতি করেন নি
তাই মানুষ ও
আপনার ক্ষতি করবেনা ?
পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষগুলোর দুশমন
ছিল আপনারও
থাকবে এটা স্বাভাবিক;
তাই কথাগুলো শুনুন,ভূলে যান
প্রতিউত্তর না দিয়ে
এগিয়ে চলুন তবেই আপনি জীবনে
সফল হবেনই, হবেন.

15/10/2016

বাংলাদেশ কওমী কাফেলা অনলাইন মিডিয়া ছাত্র-শিক্ষক সবাই
যুদি কেউ পোস্ট করতে চান.
Comment করে যানাবেন.আমি অটো
করে দিব .....
প্লিজ কয়েক জন .কওমী লেখক দরকার .

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kishor Mujahid - কিশোর মুজাহিদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share