হাবলুল্লাহ - আল্লাহর রশি

হাবলুল্লাহ - আল্লাহর রশি
‎وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا
‎ – "আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর এবং বিভক্ত হয়ো না।"

06/10/2025
15/09/2025

মানুষকে আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাওয়া শিখতে হবে।
_আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক

15/09/2025

রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন তো!!

#ওয়াআতাসিমুবিহাবলিল্লাহিজামিআ
#হাবলুল্লাহ_আল্লাহর_রজ্জু
#তোমরাআল্লাহররজ্জুকেশক্তকরেধরেরাখো

13/09/2025
06/09/2025
যদি এমন একটা অফার পাওয়া যায় যে, "প্রতি কদমে এক বছর নফল রোজা, আর এক বছর নফল নামাজের সওয়াব আমাদের আমলনামায় লেখা হবে"আমরা ক...
05/09/2025

যদি এমন একটা অফার পাওয়া যায় যে,

"প্রতি কদমে এক বছর নফল রোজা, আর এক বছর নফল নামাজের সওয়াব আমাদের আমলনামায় লেখা হবে"

আমরা কি কেউ তা মিস করব? নিশ্চয়ই না!

জুমআর দিন ৫টি কাজের মাধ্যমে জুমআর নামাজে অংশ নিলে আল্লাহ তায়ালা বান্দার প্রতি কদমে কদমে এক বছরের নফল রোজা ও এক বছরের নফল সালাতের সওয়াব দান করেন। সুবহানাল্লাহ!!!
অর্থাৎ কারো বাসা থেকে মসজিদের দূরত্ব যদি ১০০ কদম হয়, তাহলে এই পাঁচটা কাজ করলে সে ব্যক্তি ১০০ বছর নফল রোজা ও ১০০ বছর নফল সালাতের সওয়াব পেয়ে যাবে।

পাঁচটি কাজ হচ্ছেঃ

১। গোসল করা
২। আগে আগে মসজিদে আসা
৩। পায়ে হেটে মসজিদে আসা
৪। ইমামের কাছাকাছি বসা।
৫। অনর্থক কথা না বলে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা।

রেফারেন্সঃ
==========
আওস ইবনু আওস আস-সাক্বাফী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ

যে ব্যক্তি জুমু’আহ্‌র দিন গোসল করবে এবং (স্ত্রীকেও) গোসল করাবে, প্রত্যুষে ঘুম থেকে জাগবে এবং জাগাবে (সকাল-সকাল ও আগে-আগে (মসজিদে যাওয়ার জন্য) প্রস্তুত হবে), জুমু’আহ্‌র জন্য বাহনে চড়ে নয় বরং পায়ে হেঁটে মাসজিদে যাবে এবং কোনরূপ অনর্থক কথা না বলে ইমামের নিকটে বসে খুতবা শুনবে, তার (মাসজিদে যাওয়ার) প্রতিটি পদক্ষেপ সুন্নাত হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে সে এক বছর যাবত সিয়াম পালন ও রাতভর সলাত আদায়ের (সমান) সাওয়াব পাবে।

(হাদীসের মানঃ সহীহ। আবু দাউদ ৩৪৫)

আল্লাহ আমাদেরকে প্রতিটা জুমআতেই এই সওয়াব লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

আমাদের পরিবারের নারী সদস্যগণ, যারা জুমআয় অংশ নিতে পারেন না। তাদের জন্য আলেমগণ পরামর্শ দেন তারা যেন বাসার পুরুষদেরকে এই আমলগুলো করতে উৎসাহ দেন ও উদ্বুদ্ধ করেন। পুরুষদেরকে এই ভাল কাজগুলোতে সহযোগিতা করার মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ নারীরাও এই সওয়াবের অংশীদার হতে পারবেন।

জুমআর দিনের আরো কিছু সুন্নাহ সমর্থিত আমলঃ
- গোসল করা
- ফজরের ফরজ সালাতে সূরা সাজদা ও সূরা দাহর/ইনসান তিলাওয়াত করা
- উত্তম পোশাক পরা
- সুগন্ধি ব্যবহার করা
- আগে আগে মসজিদে যাওয়া
- সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা (বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর থেকে শুক্রবার সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত যে কোনো সময়ে)
- জুমআর সালাতে মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকাত সালাত আদায় করা
- দুই খুতবার মাঝে দুআ করা। এসময় দুআ কবুল হয়। এছাড়াও সারা দিন সাধ্য মত দুআ করা
- বেশি বেশি দরূদ পড়া
- মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা, খুতবার সময় কথা না বলা বা কোনো অনর্থক কাজ না করা। মোবাইল ফোনে ব্যস্ত থাকা এমন কি এ সময়ে মসজিদের দানবাক্স চালানোও অনর্থক কাজের অন্তর্ভুক্ত। খুতবার সময় কেউ কথা বলতে থাকলে তাকে নিষেধ করলেও তা অনর্থক কাজ হিসাবে গণ্য। আর খুতবার সময় অনর্থক কাজ করলে তা জুমআকে বরবাদ করে দেয়। তাই খুতবার খুতবা শোনা ব্যতীত সকল কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো ক্রমেই এ সময় মসজিদের দানবাক্স চালানো যাবে না। খুতবার আগে বা সালাতের পরে দানবাক্স চালানো যেতে পারে।

আবু হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযূ করার পর জুমু‘আর সলাতে এলো, নীরবে মনোযোগ সহকারে খুতবাহ্‌ শুনল, তার পরবর্তী জুমু‘আহ্‌ পযর্ন্ত এবং আরো অতিরিক্ত তিন দিনের পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি (অহেতুক) কঙ্কর স্পর্শ করল সে অনর্থক, বাতিল, ঘৃণিত ও প্রত্যাখ্যানযোগ্য কাজ করল।
(সহীহ মুসলিম ১৮৭৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জুমু’আর দিন যখন তোমার পাশের মুসল্লীকে চুপ থাক বলবে, অথচ ইমাম খুত্‌বা দিচ্ছেন, তা হলে তুমি একটি অনর্থক কথা বললে।
(বুখারী ৯৩৪)

আল্লাহ আমাদেরকে জুমআর সময় সকল অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। আমীন।
#জুমারদিনেসুন্নাহ


#হাবলুল্লাহ_আল্লাহর_রজ্জু

04/09/2025

আপনি দুনিয়াবী বিপদে আছেন পড়েছেন? তাহলে একবার শুনুন
- ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক (হাফিজাহুল্লাহ)

04/09/2025

কারা যেন কাছে এসে বলেছিল হেসেঃ
নাবি তোমার হৃদয় আমাকে দাও,
জলদস্যুর জাহাজে যেয়ো না ভেসে"
হৃদয় পরিচ্ছন্ন করতে কিছু উপদেশ - শায়েখ আইনুল হক হক্কানী

এক বেদুঈন উটের পিঠে বিশাল বোঝা দুই পাশে ঝুলিয়ে নিয়ে পথে যাচ্ছিল। দেখে মনেই হচ্ছিল যে, উটটি খুব কষ্ট পাচ্ছে। এক ব্যক্তি ত...
28/08/2025

এক বেদুঈন উটের পিঠে বিশাল বোঝা দুই পাশে ঝুলিয়ে নিয়ে পথে যাচ্ছিল। দেখে মনেই হচ্ছিল যে, উটটি খুব কষ্ট পাচ্ছে। এক ব্যক্তি তা দেখে উটের পিঠে কিসের বোঝা আছে, তা জানতে চাইল।
বেদুঈন বলল, 'এক পাশের থলেতে খাদ্যবস্তু আছে, আর অপর পাশে তার ওজন পরিমাণ মাটি আছে, যাতে উটের পিঠের দু' দিকের ব্যালেন্সটা ঠিক থাকে।'
লোকটি বলল, 'মাটির বোঝা না নিলেই তো পারতে, খাদ্যবস্তুকে আধাআধি ভাগ ক'রে দুই সাইডের দুই থলেতে রেখে ঝুলিয়ে দিতে পারতে। আর তাতে উটের বোঝা হাল্কা হয়ে যেতো এবং তার কষ্টও কম হতো।'
বেদুঈন আইডিয়া শুনে বলল, 'ঠিকই বলেছ।'
তারপর সে ঐ ব্যক্তির কথামতো কাজ করল এবং মাটিগুলো ফেলে দিয়ে দুই সাইডের দুই থলেতেই খাবার রেখে দিল। কিন্তু তারপরে সে ঐ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করল, 'তা বাপু! তুমি কোন গোত্রের শায়খ (মাতবর)? নাকি দ্বীনের শায়খ (আলেম)?'
লোকটি বলল, 'না আমি এটা, আর না ওটা। বরং আমি একজন সাধারণ ব্যক্তি।'
তখন বেদুঈন বলে উঠল, 'আল্লাহ তোমাকে কুৎসিত বানাক! 'এটা নয়, ওটাও নয়', তাহলে তুমি আমাকে পরামর্শ দেবার কে?'
অতঃপর সে পুনরায় উটের বোঝা আগের মতো ক'রে ফিরিয়ে নিলো!
*** এই বাস্তবতা অধিকাংশ জাহেল মানুষদের আচরণে প্রকাশ পায়। তারা কোন মানুষের আইডিয়া বা পরামর্শ গ্রহণ করতে চায় না; যদিও সেটা সঠিক এবং তার জন্য উপকারী। তাদের সর্বাগ্রে সেই ব্যক্তির পরিচয় জানা জরুরি, যে তাদেরকে কোন আইডিয়া বা পরামর্শ দেবে। আর পরিচয় জানার পর সেটা গ্রহণও করবে; যদিও সেটা বেঠিক বা অপকারী হয়! সঠিকতা জানার পরেও দলপূজা বা ব্যক্তিপূজা এবং ব্যক্তির বা দলের অন্ধানুকরণ ক'রে নিজেদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করা জ্ঞানী মানুষদের কাজ নয়। বলা বাহুল্য তা হলো উক্ত বেদুঈনের মতো নির্বোধ মানুষদের কাজ।
'মনেরে আজি কহ যে,
ভাল-মন্দ যাহাই আসুক, সত্যরে লহ সহজে।'
সংগ্রহ ও অনুবাদেঃ আব্দুল হামীদ আল-ফাইযী আল-মাদানী

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হাবলুল্লাহ - আল্লাহর রশি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share