দ্বীনি ঘর

Directions

দ্বীনি ঘর Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from দ্বীনি ঘর, Religious organisation, Dhaka.

25/10/2022

বেশি বেশি সালাম
বিনিময়কারীরা তারা হচ্ছে জান্নাতী!
[সহিহ মুসলিমঃ ১০০]

24/10/2022

সুতরাং তোমরা নিজেদেরকে পবিত্র বলে দাবী করো না, কে তাকে ভয় করে সে সম্পর্কে তিনিই সবচেয়ে বেশি জানেন। (সূরা আন-নাজমঃ ৩২)

24/10/2022

যদি ব্যার্থ হও সিজদায় পড়ে যাও,
সফলতার পথ আল্লাহ্ দেখাবেন ইনশাআল্লাহ! 💜

24/10/2022

কেয়ামতের ময়দানে যারা রাসুল (সাঃ), আলী (রাঃ), ফাতেমা তুজ জোহরা (রাঃ), হাসান (রাঃ) এবং হুসাইন (রাঃ) এর সাথে একই জায়গায় অবস্থান করতে চান, তারা হাদিস গুলি পড়ে নিতে পারেন।

আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূল (সাঃ) হাসান ও হুসাইনের হাত ধরে বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাকে ভালোবাসে এবং এ দু’জন ও তাদের পিতা-মাতাকে ভালোবাসে, সে কিয়ামতের দিন আমার সাথে একই মর্যাদায় থাকবে। গ্রন্থঃ সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত) | অধ্যায়ঃ ৪৬/ রাসূলুল্লাহ ﷺ ও তার সাহাবীগণের মর্যাদা (كتاب المناقب عن رسول الله ﷺ)৩৭৩৩
২১. [মুনাফিকরা ‘আলী (রাযিঃ)-এর প্রতি বিদ্বেষী] (৩১২২), তাখরীজুল মুখতারাহ (৩৯২-৩৯৭)

আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) হাসান ও হুসাইনের হাত ধরে বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাকে ভালোবাসে এবং এই দু’জনকে এবং এদের পিতা ও মাতাকে ভালোবাসে, সে কিয়ামতের দিন আমার সাথে আমার মর্যাদায় অবস্থান করবে। [তিরমিযী-৩৭৩৩] মুসনাদে আহমাদ | অধ্যায়ঃ মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) আমার কাছে এলেন। তখন আমি আমার শয়নঘরে ঘুমিয়ে। হাসান বা হুসাইন পান করার জন্য পানি চাইলে রাসূল (সাঃ) আমাদের একটি ছাগলের কাছে একটি পাত্র নিয়ে গেলেন এবং দুধ দোহালেন, ছাগলটি প্রচুর দুধ দিল। তখন তাঁর কাছে হাসান এল। রাসূল (সাঃ) তাকে সরিয়ে দিলেন। তা দেখে ফাতিমা (রাঃ) বললেনঃ দুই জনের মধ্যে সে-ইকি আপনার কাছে বেশি প্রিয়? রাসূল (সাঃ) বললেনঃ না, তবে অন্য জন আগে পানি চেয়েছে। তারপর বললেনঃ আমি, তুমি, এরা দু’জন আর এই শায়িত মানুষটি [অর্থাৎ আলী (রাঃ)] কিয়ামতের দিন একই জায়গায় থাকবো।
গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমাদ | অধ্যায়ঃ মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)
৭৯২।

24/10/2022

এক ব্যাক্তি রাসূল (সা:) -কে জিজ্ঞাসা করলেন, ’ইসলামের কোন কাজ সব চাইতে উত্তম?'
রাসুল (সাঃ) বললেনঃ- তুমি লোকদের আহার করাবে এবং পরিচিত-অপরিচিত নির্বিশেষে সকলকে সালাম দিবে।
_[সহীহ বুখারী:২৭]

20/10/2022

~ 🥀🌿 হাশরের ময়দানে যে সাত শ্রেণীর মানুষ আল্লাহ্ পাকের আরশের নিচে ছায়া পাবে :

_ আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল ﷺ বলেছেন, "যে দিন আল্লাহর (আরশের) ছায়া ব্যতীত কোন ছায়া থাকবেনা সে দিন আল্লাহ তা‘আলা সাত প্রকার মানুষকে সে ছায়ায় আশ্রয় দিবেন।"

⇨ ১। ন্যায়পরায়ণ শাসক।
⇨ ২। যে যুবক আল্লাহর ইবাদতে নিমগ্ন থেকে যৌবনে উপনীত হয়েছে।
⇨ ৩। যার অন্তরের সম্পর্ক সর্বদা মসজিদের সাথে থাকে।
⇨ ৪। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে যে দু‘ব্যাক্তি পরস্পর মহব্বত রাখে, উভয়ে একত্রিত হয় সেই মহব্বতের উপর আর পৃথক হয় সেই মহব্বতের উপর।
⇨ ৫। এমন ব্যাক্তি যাকে সম্ভ্রান্ত সুন্দরী নারী (অবৈধ মিলনের জন্য) আহবান জানিয়েছে। তখন সে বলে, আমি আল্লাহকে ভয় করি।
⇨ ৬। যে ব্যাক্তি গোপনে এমনভাবে সা’দকা করে যে, তার ডান হাত যা দান করে বাম হাত তা জনতে পারেনা।
⇨ ৭। যে ব্যাক্তি নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তাতে আল্লাহর ভয়ে তার চোখ থেকে অশ্রু বের হয়ে পড়ে।

_ {সহীহ বুখারী, হাদিস নং : ১৩৪০} _🌸🌸

19/10/2022

গীবত থেকে বাঁচার কিছু উপায়ঃ

১. হুটহাট করে কিছু বলে ফেলবেন না। কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে কথা বলুন। এমনকি যতটুকু সম্ভব কম কথা বলাই ভালো, চুপ থাকাও একটা ইবাদত।

২. আপনার বন্ধু অথবা কাছের আত্নীয়র অনুপস্থিতিতে তাদের নামে ভালো কথাও বলবেন না। কারণ ভালো কথা বলতে গিয়ে শয়তান আপনাকে দিয়ে কখন যে গীবত করিয়ে নিবে আপনি টেরই পাবেন না।

৩. অতি প্রয়োজন ছাড়া লোকসমাগম জায়গা এড়িয়ে চলুন। কেননা যেখানে মানুষ বেশি থাকে সেখানে গীবত ও বেশি হয়।

৪.আপনার কাছে কেউ গীবত করলে তাকে থামিয়ে দিবেন। সম্ভব হলে বুঝিয়ে বলবেন।কারণ গীবত করা ও গীবত শোনা দুই টাই হারাম।
নিজেও যখন কথা বলতে বলতে গীবত করে ফেলবেন এবং হঠাৎ খেয়াল হবে আরে আমি তো গীবত করে ফেলতেছি সাথে সাথে থেমে যাবেন এবং তওবা করবেন।

৫.অমুক কেমন জানি পোশাক পরে, অমুকের রান্না ভালো না,অমুক মোটা,অমুক কালো, দেখতে একদম ভালো না ইত্যাদি এই ধরনের কথা বলাও এক ধরনের গীবত। তাই এই ধরনের কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

৬. অমুক এই এই কাজ গুলো ভালো করেনি।অমুকের এই এই স্বভাব ভালো না। অমুকের নামে এই এই বদনাম আছে।ওমুক আমার এই এই ক্ষতি করছে। এগুলো বলা মানে মানুষের দোষ নিয়ে কথা বলা যে টা গীবতের অন্তর্ভুক্ত।

৭.এর পরেও যদি গীবত হয়ে যায়, তাহলে সাথে সাথে আস্তাগফিরুল্লহ্ অথবা দুই রাকাত নফল নামাজ পরে ফেলতে পারেন।

কাউকে নিয়ে কোন অভিযোগ থাকলে সেটা আমরা আল্লাহর কাছে বলব। পারলে তাকে ক্ষমা করে দিব ।মানুষের কাছে এগুলো নিয়ে আলোচনা করে উল্টা আরো গোনাহ কামানো কোনো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারেনা। অন্যের দোষ ঢেকে রাখলে আল্লাহ তার দোষ ঢেকে রাখবেন ইনশাআল্লাহ

মনে রাখবেন গীবত আমাদের নেক আমল গুলো ধ্বংস করে দিবে। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাকে এবং আপনাদেরকে আমল গুলো করার তাওফিক দান করুক ❝আমিন❞🤲

19/10/2022

**"শীঘ্রই তোমার রব তোমাকে এতো দিবেন যে, তুমি খুশি হয়ে যাবে"**
**-সূরা দ্বোহা, আয়াত ০৫**

19/10/2022

- ভাগ্য কাকে বলে জানেন..?🤔

- পৃথিবীতে 4200 ধর্ম আছে তারমধ্যে আমি-আপনি মুসলিম..!🤲🖤🕋
আলহামদুলিল্লাহ

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দ্বীনি ঘর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share