Hasbi Allah

Hasbi Allah اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعٰلَمِيْنَ

22/11/2023
পরীক্ষা ছিলো ইনকোর্স-২। পরীক্ষা চলাকালে টিচার কিছুক্ষণের জন্য বাহিরে গেলেন। সবাই সবার খাতায় মগ্ন। পীনপতন নিরবতা। গার্ড শ...
16/11/2023

পরীক্ষা ছিলো ইনকোর্স-২। পরীক্ষা চলাকালে টিচার কিছুক্ষণের জন্য বাহিরে গেলেন।
সবাই সবার খাতায় মগ্ন। পীনপতন নিরবতা। গার্ড শূণ্য হলে এক ইন্ডিয়ান মজা করে একটা কথা বলে ফেললো। সে এমনিও একটু মজার মানুষ। ওর কথায় আমরা অনেকেই আটকে রাখতে না পেরে হেসে দিলাম।
কোন সমস্যা মনে হলোনা। কিছুক্ষণ পর টিচার আসলেন। এসে বেশ শান্ত এবং খুশ মেজাজেই বললেন, আমি বের হওয়ার পর তোমরা হেসেছো। তাইনা?
তিনি টেবিলে রাখা আইপ্যাড উচিয়ে ধরে বললেন, এইযে ক্যামেরা। ভিডিও অন করে রেখে গিয়েছিলাম।
আমরা যা কল্পনাও করিনি। তিনি সব ক্লাসেই ল্যাপটপ বা আইপ্যাড নিয়ে আসেন। আর এটা এভাবেই রাখেন।
তারপর বললেন, এভাবেই আমাদের অজান্তে আল্লাহ্ আমাদের দেখছেন। আমাদের প্রতিটা কাজ ক্যামেরায় রেকর্ড হচ্ছে।
এটা তাওহীদ ক্লাস।
আমি হাতে কলমে তোমাদের এই শিক্ষাটা দেবার জন্যই তোমাদের একা ছেড়ে বাইরে গিয়েছিলাম।
তোমরা পরীক্ষায় খেয়ানত করনি। তবে যদি জানতে ক্যামেরা অন আছে, তাহলে তোমরা এই হাসিটাও হাসতেনা।
"মাদীনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে"

©মাহ্দী ফায়সাল

যদিও তুমি সকল শিশুকেই হত্যা করে দাও না কেন, একজন মুসা আলাইহিস সালাম  থেকে যাবে
15/11/2023

যদিও তুমি সকল শিশুকেই হত্যা করে দাও না কেন, একজন মুসা আলাইহিস সালাম থেকে যাবে

কোন কোম্পানি যে কতোটা নির্লজ্জভাবে কোন দেশে চালানো গণহত্যার সমর্থন ও অর্থের যোগান দিতে পারে তার অন্যতম উদাহরণ হল কোকাকোল...
31/10/2023

কোন কোম্পানি যে কতোটা নির্লজ্জভাবে কোন দেশে চালানো গণহত্যার সমর্থন ও অর্থের যোগান দিতে পারে তার অন্যতম উদাহরণ হল কোকাকোলা। ❌

অনেকেই একটা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন যে কোকাকোলার জন্ম ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে, আর ইজ-রাইলে ব্যবসা শুরু করেছে ১৯৬৪ সালে।
কিন্তু, অনেকেই এটা জানেন না, কোকাকোলার জন্ম থেকে এই অবধি কেবলমাত্র ইহু/দীদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

শুধুমাত্র, যুক্তরাষ্ট্রের নাম ব্যবহার করে সারা পৃথিবীতে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে, এবং ব্যবসায় সফল হওয়ার পরই নিজের আসল রূপ দেখাতে শুরু করে।

যার বহিঃপ্রকাশ ১৯৯৭ সালে ইজ-রায়েল সরকারের দেওয়া ট্রেড অ্যাওয়ার্ড দিনার” যা ইজ-রায়েলকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করার জন্য এবং বিগত ৩০ বছরে আরব লীগের বয়কট উপেক্ষা করার জন্য দেওয়া হয়।

কোকাকোলা ২০০৯ সালে ইজ-রায়েল লবিং গ্রুপ AIPAC কে অ্যাওয়ার্ড দেয়, কেননা সেই বছর এই গ্রুপটি জাতিসংঘের শান্তি প্রস্তাব অস্বীকারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

২০০৮ সালে কোকাকোলা ঝুঁকিপূর্ণ পুঁজি বিনিয়োগ ক্ষেত্র হিসেবে ইজ-রাইলকে প্রমোট করতে ব্ল্যাঙ্ক চেক লিখে দেয়, যা ইজ/রাইলের অর্থনৈতিক ইতিহাসে বিরল।

২০০৯ সালে ইজ-রাইলের কুখ্যাত যুদ্ধপরাধী বেন এলিজার কে গ্র্যান্ড রিসিপশন দেয় এই কোকাকোলা কোম্পানি। এই বেন এলিজার পরবর্তীতে ইজ/রাইলের ডিফেন্স মিনিস্টার হয়, যার হাতে হয়তো এখনো
ফিলি/স্তিনি শিশুদের রক্তের দাগ লেগে আছে।

এই বেন এলিজারই মিশর ইজ/রাইল যুদ্ধের সময় মাত্র ৬ দিনে ৩০০ মিশরীয় যুদ্ধবন্দিকে হত্যা করে নাৎসি কায়দায়।

কোকাকোলা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কোমল পানীয় সরবরাহকারী কোম্পানি। প্রায় ৩০০০ আইটেম এরা উৎপন্ন করে, ২০০ দেশে তাদের ব্যবসা রয়েছে, ২০০৮ সালে এরা ২০ বিলিয়ন ডলার লাভ করে। সারা পৃথিবীতে প্রতিদিন ১.৬ বিলিয়ন কোকাকোলা বিক্রি হয়। এর বিভিন্ন পণ্য গুলোর মধ্যে অন্যতম-

ইজ-রায়েলের সাথে কোকাকোলার সম্পর্ক, ইজ-রায়েলের অর্থনীতিতে এর অবদান লিখতে গেলে একটা উপন্যাস লিখতে হবে। কারন, এর কোন কুল কিনারা নেই।

আমেরিকান ইজ-রায়েল চেম্বার অফ কমার্স AICC নামক একটি বাণিজ্য সংস্থা আছে। যার মূল কাজই হোল বিভিন্ন দেশে ইজ-রাইলের অর্থনৈতিক আগ্রাসন জোরদার করা। জেনে অবাক হবেন- এই সংস্থার হর্তা কর্তা কোকাকোলা ।

আটলান্টায় অবস্থিত কোকাকোলার হেড কোয়ার্টারে এর প্রতিটি বৈঠক এবং অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান হয়। প্রতিবছর এই AICC ৯৫০ বিলিয়ন ডলার সহয়তা দেয় ইজরাইলকে। AICC এর বর্তমান সভাপতি জয়েল নিউম্যান কোকাকোলা কোম্পানির। AICC এর ওয়েব সাইটে লেখা আছে- "committed to opening doors for Israeli companies within their own companies and network of connections."

কোকাকোলা পৃথিবীর বিভিন্ন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের কাছে দেন দরবার করে ইজরায়েলে বিনিয়োগ করার জন্য। ২০০১ সালের অক্টোবরে আটলান্টায় AICC এর গালা অ্যাওয়ার্ড আয়োজন করে এর নিজস্ব হেড কোয়ার্টারে। যার প্রধান বক্তা ছিলেন ইজ-রাইল এর অর্থমন্ত্রী। এছাড়াও ২০০৩, ২০০৭, ২০০৯ সাল সহ বিভিন্ন সময় আমেরিকান ইজরায়েল চেম্বার অফ কমার্স এর বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

#কোকাকোলা ও মোসাদ :

বিভিন্ন দেশে অশান্তি আর খারাপ জিনিষ ঢুকিয়ে দিতে ওস্তাদ মোসাদের নাম কে না জানে? ইস-রায়েল এর এই গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ও কোকাকোলার সাথে জড়িত। কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সাথে একটি কোমল পানীয় কীভাবে জড়িত হতে পারে এটা নিশ্চয়ই বুদ্ধিমানদের জন্য ভাবনার বিষয় হবে!

কোকাকোলা ইসরা-য়েল এর প্রধান একজন মোসাদ গোয়েন্দা যার নাম - Moshe Wertheim

কোকাকোলা ইজ-রায়েল এ ৫০০০ কর্মসংস্থান করেছে, ৯০০ বিলিয়ন ডলার এর অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করছে প্রতিবছর। এছাড়াও ইজ-রায়েল এর ২য় বৃহত্তম ডেইরি তারা ডেইরির মালিক ও কোকাকোলা। আর ইজ-রায়েল কোকাকোলাকে দিয়েছে বোতলজাত করার বিশাল সুযোগ সুবিধা, যা নজিরবিহীন।

শুধু তাই নয় কোকাকোলা ইজ-রায়েল Jewish National Fund কে অর্থের যোগান দেয়, যেখানে ইজ-রাইলের সাথে ফিলি/স্তিনের দ্বন্দ্ব সংক্রান্ত কোর্স দেওয়া হয়, যেই কোর্সের বিষয়বস্তু ইজ-রাইল সরকার দ্বারা নির্ধারিত।

২০০২ সালের জুলাই মাসে কোকাকোলা ইজ-রায়েল ৫৫ মিলিয়ন ডলার ইনসেন্টিভ দেয় ইজরাইল সরকারকে, এর বিনিময়ে ফিলি/স্তিনের অধিকৃত কিরাত গাত অঞ্চলে কোকাকোলাকে নতুন ফ্যাক্টরি খুলতে অনুমতি দেয় ইজরা-য়েল সরকার।

আপনি জানেন কি? এক লিটার কোক বানাতে ৩ লিটার পানির প্রয়োজন হয়? আর পানির এই বিশাল চাহিদা পূরণ হচ্ছে পৃথিবীর জমিয়ে রাখা সুপেয় পানি থেকে যে পানিতে আপনার আমার সবার অধিকার আছে। এই তো কিছুদিন আগেও কোকাকোলার সিওইউ ইজরা-য়েলে মিটিং করে বলে গেলেন- তারা বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ, তার কনফারেন্স হল থেকে কয়েক মাইল দূরে গাজায় ৯০-৯৫% দূষিত পানি, তাতে তার কোন মাথা ব্যাথাই নেই। এরপরও কোকাকোলা খাবেন?

কোকাকোলা বিগত ২ দশক ধরে jCC (Jewish Community Centre Association) কে স্পন্সর করে আসছে। যার একমাত্র কাজ আমেরিকার সাথে ইজরা-য়েল এর সম্পর্ক উন্নয়নে ইহুদী টিন এজদের শিক্ষা দেওয়া, এটা এক ধরনের সামার ক্যাম্পস, যাতে কিছু ক্রীড়ার ও ব্যবস্থা থাকে। শুধু তাই নয় তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন গবেষণা পরিচালনায় ও কোকাকোলা অর্থ দিয়ে থাকে।

অনেক লিখলাম কোকাকোলার কথা। এভাবে ছদ্মবেশী ইসরা-ইলী অনেক পণ্যই আমেরিকা সহ ইউরপের বিভিন্ন দেশের মেইড ইন প্যাটেন্ট নিয়ে বসে আছে। আপনি আমিও দেদারসে কিনছি, আর আমাদেরই ভাই, বোন শিশুদের রক্তে নিজের অজান্তেই নিজের ওষ্ঠ জিহ্বাকে ভিজিয়ে নিচ্ছি। কোকাকোলা নিয়ে আমি যা লিখলাম তা খুবই সামান্য, যতটুকু না জানলেই নয়। কিন্তু এর ভূমিকা এতো স্বল্প নয়।

©সাফওয়ানা জেরিন।

২০১৪ সালে গবেষণা আর তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে লেখেছিলাম।

#কপি করে প্রচার করতে পারেন 📌

একটি ভাইরাল ভিডিওতে ফিলিস্তিনি এক নারী সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তিনি দূরে থাকা তার ছেলেটিকে ডেকে তার কাছে আসতে বললেন, ছেলে...
31/10/2023

একটি ভাইরাল ভিডিওতে ফিলিস্তিনি এক নারী সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তিনি দূরে থাকা তার ছেলেটিকে ডেকে তার কাছে আসতে বললেন, ছেলেটি দৌড়ে মায়ের কাছে আসতে যাবে তখনই ইজারায়েলের বো মা পড়ে ছেলেটি শ হী দ হয়ে গেল। ওই নারী আল্লাহর কাছে সবর চাইলেন এবং ইন্নালিল্লাহ পড়লেন। তিনি আশেপাশের মানুষদের শুধু এই কথা বলতে থাকলেন যে, "আমার শুধু এই চিন্তা হচ্ছে যে, আমার ছেলেটা ব্যথা পেয়েছিল কিনা!" চোখের সামনে বো মা র আঘাতে এমন মৃত্যু যে ভয়ঙ্কর ছিল। ওইরাতে মা স্বপ্ন দেখলেন তার ছেলেটিকে। সে ছিল জান্নাতে। তিনি বললেন, আমার ছেলে তুমি কি ব্যথা পেয়েছিলে?
ছেলেটি বলল, 'মা, আমি জানিনা কী হয়েছিল, তুমি যখন ডাকছিলে আমি দৌড়াচ্ছিলাম তোমার কাছে আসার জন্য, হঠাৎ দেখি আমি জান্নাতে দৌড়াচ্ছি!'
মা আবার জিজ্ঞেস করলেন, ব্যথা পাওনি?
সে বলল, 'না, আমি শুধু চিমটির মতো অনুভব করলাম, তারপর দেখি আমি জান্নাতে দৌড়াচ্ছি।'

যিনি দয়ার সাগর, পরম করুণাময় তিনি নিশ্চয়ই আমাদের জীবিত আহত শিশুগুলোর অন্তরেও শান্তি দিবেন। জখমে ও দিলের বেদনায় পুড়ে যাওয়ার অনুভব যেন তাদের হয় চিমটির মতো প্রতিনিয়ত আসুন এই দুআটাও করি।

–Majida Rifa apu

জেনারেল শিক্ষিতদের ইলম ও আমলের জন্য বিশেষ পোস্ট:১। কোরআন সহীহ ভাবে পড়তে শিখুন।২। প্রতিদিন কমপক্ষে এক পারা তেলাওয়াত করু...
31/10/2023

জেনারেল শিক্ষিতদের ইলম ও আমলের জন্য বিশেষ পোস্ট:
১। কোরআন সহীহ ভাবে পড়তে শিখুন।
২। প্রতিদিন কমপক্ষে এক পারা তেলাওয়াত করুন।
৩। কমপক্ষে ৫ পৃষ্ঠার অর্থ পড়ুন।
৪। কমপক্ষে ৩/৫/৭ আয়াতের তাফসির পড়ুন।
৫। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামায়াতে আদায় করুন।
৬। ওয়াজিব ও সুন্নাহর পরিপূর্ণ অনুসরণ করুন।
৭। সকাল সন্ধার সুন্নাত মোতাবেক দোয়া ও জিকিরের আমল করুন।
৮। নিজ এলাকায় আলেমগণের সোহবতে জামায়াতবদ্ধ হয়ে দাওয়াতের কাজ করুন এবং তা নিয়মিত।
৯। প্রতিদিন ইসলামের ইতিহাসের কিতাব ( আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া হতে পারে) থেকে সাধ্যমতো পড়ুন।
১০। সাধ্যমতো শারীরিক ব্যায়াম করুন।
১১। সম্ভব হলে সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখুন। তা সম্ভব না হলে আরবী মাসের শুরুতে সোমবার, বৃহস্পতিবার, সোমবার এই তিন দিন রোজা রাখুন অথবা আইয়্যামে বীজের তিন দিন রোজা রাখুন।
১২। হক্কানী আলেমদের সোহবতে থাকুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী আমল করুন।
১৩। শিরক, কুফর, বিদ‌আত হারাম, মাকরুহ , অপ্রয়োজনীয় কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকুন।
১৪। গুনাহের কাছেও যাবেন না।
১৫। প্রচুর পরিমাণে লেখাপড়া করুন।
১৬। আকীদা , মানহাজ ও মাসয়ালার ক্ষেত্রে সালাফদের অনুসরণ করুন।
১৭। মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।
১৮। বেশি বেশি তাওবাহ, ইস্তেগফার ও দোয়ায় মনযোগী হোন।
১৯। দলিল বিহীন কোন নেক আমল করবেন না।
২০। হালাল উপার্জন করুন ও হারাম থেকে বিরত থাকুন।
২১। সাধ্যমতো সাদাকাহ করুন।
২২। আল্লাহর সাথে একান্তে কথা বলুন অর্থাৎ সমস্ত প্রয়োজন ও অভাব অভিযোগ ওনার কাছে তুলে ধরুন।
২৩। বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করুন তবে কাউকে অন্ধভাবে অনুসরণ করবেন না।
২৪। ব্যক্তি নয় বরং জামায়াতকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরুন।
২৫। দুনিয়ার লোভ পরিত্যাগ করুন।
২৬। মুমিনদের প্রতি মহব্বত ও কাফেরদের সাথে শত্রুতা পোষণ করুন।
২৭। মাঝেমধ্যে কবরস্থান জিয়ারত করুন।
২৮। হক্কানী আলেমদের সোহবতে থাকুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী চলুন।
২৯। আত্নীয় স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন।
৩০। পিতা-মাতার প্রতি খেয়াল রাখুন।
৩১। আল্লাহ তায়ালা ও রাসূলের প্রতি সার্বক্ষণিক ভালোবাসা বজায় রাখুন।
৩২। অনর্থক বিতর্ক এড়িয়ে চলুন।
৩৩। না জেনে কথা বলবেন না। অতি প্রয়োজনীয় কথা ছাড়া চুপচাপ থাকুন।
৩৪। মুমিনদের প্রতি সবসময় সুধারণা পোষণ করুন।
৩৫। অনুমান ভিত্তিক কথা বা শুনে শুনে কথা বলার অভ্যাস পরিত্যাগ করুন।
৩৬। হাদিসের কিতাব থেকে পড়ুন কিন্তু সে অনুযায়ী আমল করার পূর্বে আলেমদের সাথে পরামর্শ করুন।
৩৭। ইখতেলাফী মাসয়ালায় নীরব থাকুন।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন।

Ikhlas - ইখলাস

ما لَكُم لا تَناصَرونَ‘তোমাদের কী হল, তোমরা একে অপরকে সাহায্য করছ না?’[সূরা আস সাফফাত:আয়াত -২৫]কত জীবন্ত আয়াত,সুবহানাল...
30/10/2023

ما لَكُم لا تَناصَرونَ
‘তোমাদের কী হল, তোমরা একে অপরকে সাহায্য করছ না?’

[সূরা আস সাফফাত:আয়াত -২৫]

কত জীবন্ত আয়াত,সুবহানাল্লাহ!!
মনে হচ্ছে যেন ঠিক এই পরিস্থিতির জন্যই নাযিল করা হয়েছে।

আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার এ প্রশ্নের উত্তর প্রস্তুত আছে তাঁদের কাছে,যে ভূমিতে নাযিল হয়েছিল এই পবিত্র আয়াত?

শামছুন্নাহার রুমি

🔻 নিচের এই লিঙ্কে কোন কোন কোম্পানি বয়কট করবেন, কেন করবেন প্রুফসহ আছে। কেন জানতে Why  তে click করুন প্রমান পেতে proof এ C...
29/10/2023

🔻 নিচের এই লিঙ্কে কোন কোন কোম্পানি বয়কট করবেন, কেন করবেন প্রুফসহ আছে। কেন জানতে Why তে click করুন প্রমান পেতে proof এ Click করুন।

https://boycott.thewitness.news/search

© Majida Rifa

অনেক দিন ধরে এমন কিছু চাচ্ছিলাম কারণ মোনাফেকি অন্তর প্রুফ চায় শুধু ,এরপরেও বয়কট করতে না পারলে সেটা আপনার ঈমানের ব্যাপার অন্যরা চেষ্টা করলে শয়তানের দাস হয়ে বাধা দিতে আসবেন না ইন শা আল্লহ।
©

29/10/2023

আপনি কেমন জীবনসঙ্গী কামনা করেন? কেমন সন্তান গড়ে তুলতে চান?

নাজিমুদ্দিন আইয়্যুব। তিনি একটা লম্বা সময় পর্যন্ত অবিবাহিত ছিলেন। তার ভাই আসাদুদ্দিন তাকে একদিন প্রশ্ন করলেন, হে ভাই! তুমি কেন বিবাহ করছো না? নাজিমুদ্দিন তাকে বললেন, আমি আমার জন্য উপযুক্ত কাউকে পাইনি।

আসাদুদ্দিন বললেন, আমি কি তোমার জন্য একটি প্রস্তাব দিব? নাজিমুদ্দিন জিজ্ঞেস করলেন, কার ব্যাপারে প্রস্তাব রাখতে চাচ্ছেন?
আসাদ উদ্দিন বললেন, সেলজুক সাম্রাজের বাদশার রাজকন্যা অথবা প্রধান ওজিরের কন্যার ব্যাপারে বলছি।

নাজিমুদ্দিন বলেন, তারা কেউই আমার যোগ্য নয়। এই কথা শুনে তার ভাই আশ্চর্য হলেন এবং জিজ্ঞাস করলেন, তাহলে কে তোমার উপযুক্ত? নাজিমুদ্দিন উত্তর দিলেন,

" আমি একজন সালিহা জীবনসঙ্গিনী কামনা করি, যে আমাকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে। আর তার গর্ভ থেকে আমার ঘরে এমন এক সন্তান জন্ম নিবে, যাকে সে উত্তমরূপে প্রতিপালন করবে। আমাদের সন্তান যুবক বয়সে উপনীত হবে। সে হবে সুদক্ষ অশ্বারোহী। সে-ই বাইতুল মাকদিসের স্বাধীনতা উম্মাহর কাছে ফিরিয়ে আনবে।"

আসাদুদ্দিন এবার আর আশ্চর্য হলেন না। তিনি জিজ্ঞাস করলেন, তুমি এমন মেয়ে কোথায় পাবে? নাজিমুদ্দিন বললেন, যে আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠভাবে নিয়ত রাখে, আল্লাহ তাকে দান করেন।

তারপর কোন একদিন নাজিমুদ্দিন তিকরিত ( ইরাকের একটি শহর) এর কোন এক মসজিদে একজন শাইখের মজলিসে ছিলেন। এমন সময় একজন যুবতী এসে দেয়ালের আড়াল থেকে ঐ শাইখকে ডাকতে লাগলেন। ঐ শাইখ নাজিমুদ্দিন থেকে অনুমতি নিয়ে যুবতীর ডাকে সাড়া দিলেন। মসজিদের শাইখ যুবতী মেয়েটিকে বলল, তোমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার জন্য বাড়িতে যেই ছেলেটিকে পাঠিয়েছিলাম, তাকে ফিরিয়ে দিলে কেন? যুবতী উত্তর দিল, শাইখ! ছেলেটি মর্যাদা আর সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে উত্তম হলেও আমার জন্য উপযুক্ত না। শাইখ বলল, তাহলে তুমি কেমন ছেলে চাও? যুবতী মেয়েটি উত্তরে বলল,

" আমি এমন একজন যুবককে কামনা করি, যিনি আমাকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবেন। আর আমার গর্ভে তার এমন এক সন্তান জন্ম নিবে, যে হবে অভিজ্ঞ অশ্বারোহী। সে বাইতুল মাকদিসকে মুসলিম উম্মাহর অধীনে ফিরিয়ে আনবে। "

আল্লাহু আকবার! হুবহু এই কথাটাই তো নাজিমুদ্দিন তার ভাইকে বলেছিল। নাজিমুদ্দিন সৌন্দর্য আর মর্যাদার অধিকারী অনেক মেয়েকে প্রত্যাখ্যান করেছে। আর এই মেয়েও এরকম অনেক ছেলের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে। আবার তাদের উভয়ের উদ্দেশ্যও এক।

নাজিমুদ্দিন এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইলেন না। তিনি দাঁড়িয়ে গিয়ে শাইখকে ডেকে বললেন, শাইখ! আমি এই মেয়েকে বিবাহ করতে চাই। শাইখ বললেন, আরে এই মেয়ে গ্রামের সবচেয়ে দরিদ্র ঘরের সন্তান। নাজিমুদ্দিন বললেন, এটাই সেই মেয়ে যাকে আমি কামনা করি।

নাজিমুদ্দিন সেই মেয়েকে বিবাহ করলেন। তাদের ঘরে একজন সন্তান জন্ম নিল। সেই সন্তান মহান বীর যোদ্ধা হয়ে বাইতুল মাকদিসকে মুসলিমদের অধীনে ফিরিয়ে আনলেন। তিনিই হলেন সালাউদ্দিন আইয়্যুবি রহিমাহুল্লাহ।
এটাই আমাদের ঐতিহ্য। আমাদের সন্তানদের এই শিক্ষাই দেয়া উচিত।

(আলি সাল্লাবি হাফিজাহুল্লাহর পোস্ট থেকে অনুদিত)

©ইফতেখার সিফাত

তুমি আমারে শেষ কইরা দিতে চাও?আগুন, বোমা আর কামানের গোলায় আমারে ছাই বানায়া দিতে চাও?তুমি চাও তোমার বন্দুকের গুলিতে ঝাঁঝরা...
28/10/2023

তুমি আমারে শেষ কইরা দিতে চাও?
আগুন, বোমা আর কামানের গোলায় আমারে ছাই বানায়া দিতে চাও?
তুমি চাও তোমার বন্দুকের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়া যাক আমার বুক, পেট, হৃদপিন্ড?

আহারে! তুমি ভুইলা গেছো -
আমি ওই অঙ্গার, ছাইয়ের স্তুপের নিচেও যা ধিক ধিক কইরা জ্বলতে থাকে,
বুক, পেট আর হৃদপিন্ডের সাথে যার সম্পর্ক নাই;
আমি ইসলাম!
আমারে ধ্বংস করতে হইলে যুদ্ধ করতে হইবো আল্লাহর বিরুদ্ধে,
তুমি পারবা?
তুমি বরং বইসা বইসা নিজের ধ্বংসের দিন গুণতে থাকো।

তুমি আমারে ফিলিস্তিনে মারো, তুমি মারো আফগানে, তুমি ঝাঁপায়া পড়ো ইরাকে আর হামলা করো লেবাননে,
অথচ আমি তো একটা দেশ না! একটা জাতি না!
আমি মিইশা আছি তোমার দাঁড়ায়া থাকার মাটিতে, তোমার মাথার উপরের আসমানে।

আমি সইরা যাওয়া মানে দুনিয়ার কেয়ামত আর তোমার হাবিয়ায় চইলা যাওয়া, তা বোঝো?

তোমার মইরা যাওয়া সাথীদেরকে জিজ্ঞেস কইরা আসো।

আমারে তুমি কোন দিন নিঃশেষ করতে পারবা না,
আমি সর্বদা তোমার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলি ,
তুমি আমার ভয় কাটায়াও উঠতে পারবা না,
আমি তোমার স্বপ্নেও আইসা তোমার ঘাম ঝরায়া দেই!
আমি কখনো হারি না, মৃত্যু আর জীবন দুইটাই আমার জন্য সৌভাগ্য।

আহারে বেকুব!
আল্লাহর যমীনে আল্লাহর দ্বীনরে তুমি মিটায়া দিবা?
অহংকার সরায়া একটু মাথা ঠেকায়া দেখো!
দেখবা - তোমার বুকের ওই ধুকপুকানিটাও কয় -
আসলামতু! আমি এক আল্লাহর গোলাম!

দুনিয়ার সব ভালোবাসার দাবি মিথ্যা হলেও যে বলে, ‘আপনাকে ভালোবাসি ইয়া রাসূলুল্লাহ!’ এই দাবি মিথ্যা হতে পারে না। কারণ দুনি...
27/10/2023

দুনিয়ার সব ভালোবাসার দাবি মিথ্যা হলেও যে বলে, ‘আপনাকে ভালোবাসি ইয়া রাসূলুল্লাহ!’ এই দাবি মিথ্যা হতে পারে না। কারণ দুনিয়ার ভালোবাসাগুলো হয় কোনো স্বার্থকে সামনে রেখে, কোনো কারণ তাতে থাকেই, এই যেমন ভালোবাসার মানুষটি সুন্দর, অথবা সে বড়লোক, অথবা সে সরকারী চাকুরিজীবী। কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসায় এসব কোনো স্বার্থই থাকে না। এই ভালোবাসা হয় নিখাদ। এই ভালোবাসা হয় সবচেয়ে পবিত্র।

প্রায় দেড় হাজার বছর পর একজন ব্যক্তিকে না দেখেই যে ভালোবাসার দাবি করা হয়, এটা মিথ্যা হতে পারে না। দুনিয়ার ভালোবাসাগুলো ধীরে ধীরে কমতে থাকে, একদিন তা শেষও হয়ে যায়। কিন্তু এই ভালোবাসার কোনো ক্ষয় নেই, এর কোনো শেষ নেই। দুনিয়াতে যাকে ভালোবাসা হয়, তার মধ্যে অপছন্দনীয় অনেক কিছুই থাকে, কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাঝে অপছন্দ করার মতো আপনি কিছুই পাবেন না।

ইয়া আল্লাহ! আমরা এমন ব্যক্তিকে ভালোবেসেছি, যাকে আপনিও ভালোবেসেছেন। তাঁর ভালোবাসা প্রকাশ করার মতো উপযুক্ত শব্দ আমাদের কাছে নেই, আপনি তাঁর শান অনুযায়ী তাঁর ওপর রহমত নাযিল করুন।

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

©Tanjil Arefin Adnan (hafizahullah)

জেনেশুনে আর কোন দিন এসব কিনবোনা ইনশাআল্লাহ 🔥 এই লিস্টটা ডায়েরিতে লিখে রাখতে হবে। ইহুদী পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু কোম...
21/10/2023

জেনেশুনে আর কোন দিন এসব কিনবোনা ইনশাআল্লাহ 🔥
এই লিস্টটা ডায়েরিতে লিখে রাখতে হবে।

ইহুদী পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু কোম্পানির নাম হল- ❌

১.পেপসি ও কোকাকোলা কোম্পানী, ফানটা, মিরিন্ডা, সেভেন আপ, স্প্রাইট

২. নেসলে পন্য

৩. Hp, Siemens

৪. Puma

৫. ম্যাকডোনাল্ডস ও স্টারবাকস্ ফাস্টফুড/কফি শপ

৬- ডিসনি

৭- আইবিএম

৮- লরিয়েল প্যারিস,গার্নিয়ার

৯- কিম্বারলি

১০ – জনসন অ্যান্ড জনসন

📌 ধারাবাহিকভাবে এসব পণ্যের সাথে ইহুদীদের সংশ্লিষ্টতার উপর লেখা হবে। এবার আসুন আজকের পণ্য পেপসি প্রসঙ্গে।

পণ্য ২- পেপসি

PEPSI নামের মাঝেই যার লুকিয়ে আছে সৃষ্টির রহস্য। যদিও পেপসির জন্ম ১৮৯৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বলে অনেকেই এটাকে ইহুদীদের পণ্য বলতে দ্বিধান্বিত হন, কিন্তু একটা জিনিষ আমরা ভুলেই যাই, এই ইজরাইলের জন্ম ফিলিস্তিনে হওয়ার অনেক আগেই আমেরিকায় একটা মিনি ইজরাইলের জন্ম হয়েছিলো, যার জনগনেরাই আমেরিকার অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করতো। সুতরাং, আমেরিকায় জন্ম হওয়া কোন কোম্পানি ইজরাইলের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করলে তাতে এতো অবাক হওয়ার কিছু নেই। বরং এটাই স্বাভাবিক।

যা বলছিলাম, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানের ইসলামিক স্কলার থেকে শুরু করে বিভিন্ন মুসলিম দেশের গণমাধ্যম গুলোতে পেপসির পূর্ণরূপ নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে।

PEPSI= PAY EVERY PENNY SAVE Israel

সেদিন এক আত্মীয় বলছিল- পেপসিতে এমন কিছু একটা আছে যা খেলে নেশার মতো লাগে, বা বারবার খেতে মন চায়। মানুষের অভ্যাসে পরিণত হয়।

এই আত্মীয় দিনে গড়ে ৪ লিটার পেপসি খান।

যে পদার্থের কারনে তার এমন বারবার খেতে মনে চায় সেই পদার্থটির নাম- aspartame.এটা এমন এক পদার্থ যা মানুষের মধ্যে নেশা তৈরি করে দেয়, ঐ পণ্য বারবার খেতে। এমনকি ধারনা করা হয়, সামান্য পরিমাণ এলকোহল ও মিশ্রিত করা হয় এসব পণ্যের সাথে।

যদিও উপযুক্ত প্রমাণ নেই, তাই এসব পণ্যকে মাশকুক বা সন্দেহযুক্ত পণ্য বলা হয়।

২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল হা/মা-স সংসদ সদস্য আল আকসা টি ভি কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সালেম সালামাহ বলেন-

There are companies established by the colonialists and occupiers - large companies with branches all over the world, like Pepsi,Pepsi Cola. This is a well-known company. Pepsi is an acronym. P-E-P-S-I - Pay Every Pence to Save Israel. Pay every pence - pence is one-hundredth of a dollar – to save Israel. Pay every pence to save Israel…”

এই তো কিছুদিন আগে ফেব্রুয়ারি মাসেও আল নাস টিভিতে মিশরের ধর্মীয় নেতা হাজেম আবু ইসমাইল পেপসি বর্জনের ডাক দিলেন ।তিনি বলেন- " pepsi means- Donate the small change you don't need, but give it to the right cause. If you collect small change, you can buy this drink." They took the first letter of each word - "Pay Every Penny Saving Israel" - and they formed the word "Pepsi."

জানুয়ারি ১৮ ২০০৯ বিবিসি নিউজের বরাতে জানা যায়- KFC, Pepsi , Cocacola, Starbucks et Macdonalds are donating their next 2 weeks of earned revenue to Israel. ^^^ source BBC News^^^^

আপনি যখন পেপসির ইহু-দী পণ্য হওয়ার ব্যাপারে গুগলে সার্চ দিবেন, আপনি তথ্য দিয়ে সন্দেহে পড়ে যাবেন। কারন, পেপসি নিয়ে বিতর্ক সাড়া পৃথিবীতে। আর ইহু-দী খৃস্টানদের দোসররা পেপসি ইহু-দী পণ্য নয় , এই প্রচারণা চালাতে ব্যস্ত।

মূলত, কোকাকোলার মুখোশ যখন মুসলিম দেশগুলোতে উন্মোচিত হয়ে যায়, তখন আরব দেশগুলোর কোমল পানীয়ের বাজারে রাজত্ব করতে আমেরিকান এই কোম্পানির আবির্ভাব হয়। যার মালিক একজন ইহুদী গুথ ভি লোফ!

কিন্তু ব্যবসার শুরুতেই পেপসি ইজরাইলে ব্যবসা করতে অস্বীকার জানিয়েছিল, যা একধরনের অভিনয় ছাড়া আর কিছুই ছিল না। কারন, পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে পেপসি ইসরাইলে ব্যবসা শুরু করে, এবং তাদের ইহুদী প্রিতির নানা প্রমাণ দেয়।

পেপসিকোর ইসরাইল প্রীতির সবচেয়ে বড় প্রমাণ ইসরাইলের সবচেয়ে বড় ফুড কোম্পানি strauss এর সাথে পার্টনারশিপ।

পেপসি আর স্ট্রস কোম্পানি অনেকগুলো বিষয়ে চুক্তিবদ্ধ। স্ট্রস কোম্পানির অনেক পণ্য বিক্রিতে পেপসিকে ঢালাও লাইসেন্স দেওয়া আছে।

২০০৮ সালে আরেক ইজ্রাইলি ব্র্যান্ড সাব্রা হামাস এর সাথে পেপসি ও স্ট্রস ৫০ ভাগ শেয়ারে রেফ্রিজারেট খাবারের উন্নয়ন ও উৎপাদনে পার্টনার হয়।

ইজরাইলে এমন কোন শিশু নেই যারা স্ট্রস কোম্পানির দুগ্ধজাত পণ্য DANONE আর YO TVATAর নাম জানে না! স্ট্রস কোম্পানি তাদের ওয়েব সাইটে ইসরাইলের প্রতি তাদের সামাজিক দায়িত্ব এবং সমর্থনের ব্যাপারে প্রকাশ্য লিখে রেখেছে।

তারা অধিকৃত প্যালে-স্টাইনের বিভিন্ন অঞ্চলে স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য অর্থ সাহায্য দিয়ে থাকে। পেপসির সাথে ১৯৯২ সালে chetoos and ruffles প্রক্রিয়াজাত করনের ব্যাপারে তাদের চুক্তি। ১৯৯২ সালে ইসরাইলের sderot এ কোম্পানি স্থাপন করে। ১৯৯৮ সালে frito lay র পার্টনার, ২০০৮ এ সাবরা হামাসের সাথে পার্টনার হয় পেপসি।

অথচ, আপনার আমার আই ওয়াশের জন্য বিভিন্ন যায়গায় লেখা আছে- পেপসি আমেরিকান পণ্য, ইসরা-ইলে নাকি বিজনেসই করতে চায়নি!

যারা ইসরা-ইলে বিজনেসই করতে চায়নি, তারা ইসরাই-লে ২য় বৃহত্তম খাদ্য উৎপাদনকারী কোম্পানির সাথে ৫০ ভাগ শেয়ারে কি এমনি এমনি চুক্তিবদ্ধ হয়?

নাকি ইহুদীদের সাথে অতি পিরীতি এর পিছনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করে?

৫০ ভাগ শেয়ারে থাকা পেপসি স্ট্রস কোম্পানির সকল কাজের অংশীদার। সেই হিসেবে স্ট্রস কোম্পানি বিগত পঞ্চাশ বছর ধরে ইসরা-ইলের গোলানি প্লাটুনকে লালন পালন করছে, যারা বিভিন্ন সময় ফিলি/স্তিনে ব-র্বর হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত। গোলানি প্লাটুন ইজ-রাইলের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ, সবচেয়ে দেশপ্রেমিক সৈনিক প্লাটুন হিসেবে পরিচিত। যারা ফিলি/স্তিনে হওয়া ইজ-রা/ইলের যে কোন অভিযানে হিংস্রতার পরিচয় দিতে সবচেয়ে এগিয়ে আছে।

সুতরাং, ইহুদী ও তাদের দোসরদের পণ্য বর্জন করুন। বর্জন করুন পেপসি ও, যা দিয়ে আপনার ভাইয়ের বুক রক্তাক্ত করার জন্য বুলেট কেনা হয়।

এটা ২০১৪ সালে লিখেছিলাম,
অনেক পড়ালেখা করে।
ইহুদি পণ্য বর্জনে হুজুগে না হয়ে পার্ট অফ লাইফ স্টাইল বানাতে মাঝে মাঝে নিজেই ব্যর্থ হয়ে যাই
তবে আস্তে আস্তে চেস্টা করলে সম্ভব।
এখন থেকে আবার চেস্টা করবো ইন শা আল্লাহ।

লিখেছেন -সাফওয়ানা জেরিন।

লিখাটা ছড়িয়ে দিতে কপি/শেয়ার করতে পারেন।
বিশেষ করে কপি করে পোস্ট দিলেই ভালো হয়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hasbi Allah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share