সুন্নাত'আল্লাহ Sunnat Allah

সুন্নাত'আল্লাহ Sunnat Allah "সুন্নাত'আল্লাহ Sunnat Allah" কুরআনের মাধ্যমে আল্লাহর পথ প্রদর্শনের একটি পেজ।

12/08/2026

শরিয়া শুধুই আল্লাহর—কোনো মানুষের, কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়।

সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেন:

কুরআন 45:18

ثُمَّ جَعَلْنَاكَ عَلَىٰ شَرِيعَةٍ مِّنَ الْأَمْرِ فَاتَّبِعْهَا

“অতঃপর আমি তোমাকে আদেশের একটি শরিয়ার উপর স্থাপন করেছি, সুতরাং তুমি সেটারই অনুসরণ করো।”

কুরআন 42:13

شَرَعَ لَكُم مِّنَ الدِّينِ مَا وَصَّىٰ بِهِ نُوحًا…

“তিনি তোমাদের জন্য দ্বীনের মধ্যে শরিয়ত নির্ধারণ করেছেন, যা নূহকে নির্দেশ দিয়েছিলেন…”

কুরআন 42:21

أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ شَرَعُوا لَهُم مِّنَ الدِّينِ مَا لَمْ يَأْذَن بِهِ اللَّهُ

“তাদের কি এমন অংশীদার আছে, যারা তাদের জন্য দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু শরিয়ত বানিয়েছে, যার অনুমতি আল্লাহ দেননি?”

শরিয়া:

আল্লাহ নির্ধারণ করেন

আল্লাহর আদেশ থেকেই আসে

মানুষের বানানো শরিয়া আল্লাহ প্রত্যাখ্যান করেন

অতএব কুরআনিক সিদ্ধান্ত একদম পরিষ্কার:

শরিয়া = আল্লাহর বিধান (কুরআন)
মানব-নির্মিত শরিয়া = আল্লাহ অনুমোদন করেন না

~আল্লাহর কুরআন এর অর্থ সহ পড়ুন, চিন্তা করুন এবং সেই অনুযায়ী আমল করুন~

ধৈর্যধারণ (আরবি: সবর) কুরআনের আলোকে ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গুণ। আল্লাহ বারবার মুমিনদের ধৈর্য ধারণের নির্দেশ দ...
05/08/2026

ধৈর্যধারণ (আরবি: সবর) কুরআনের আলোকে ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গুণ। আল্লাহ বারবার মুমিনদের ধৈর্য ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন এবং ধৈর্যশীলদের জন্য তাঁর সাহায্য, ভালোবাসা ও প্রতিদানের সুসংবাদ দিয়েছেন।

কুরআনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আয়াত:

"হে মুমিনগণ! ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।"
— সূরা আল-বাকারা ২:১৫৩
"নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদেরকে তাদের প্রতিদান পূর্ণরূপে, হিসাব ছাড়াই প্রদান করা হবে।"
— সূরা আয-যুমার ৩৯:১০
"আর ধৈর্য ধারণ কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীলদের প্রতিদান নষ্ট করেন না।"
— সূরা হূদ ১১:১১৫
"আমি অবশ্যই তোমাদেরকে কিছু ভয়, ক্ষুধা, ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষতির মাধ্যমে পরীক্ষা করব। আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও। যারা বিপদে পড়লে বলে: ‘নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহরই এবং নিশ্চয়ই তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।’ তাদের উপর তাদের রবের পক্ষ থেকে আশীর্বাদ ও রহমত রয়েছে, আর তারাই সৎপথপ্রাপ্ত।"
— সূরা আল-বাকারা ২:১৫৫–১৫৭
"হে ঈমানদারগণ! ধৈর্য ধারণ কর, ধৈর্যে একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা কর, দৃঢ়ভাবে অবস্থান কর এবং আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা সফল হতে পার।"
— সূরা আলে ইমরান ৩:২০০
কুরআনের আলোকে ধৈর্যের অর্থ

ধৈর্য শুধু কষ্ট সহ্য করা নয়; বরং—

আল্লাহর আনুগত্যে অবিচল থাকা।
বিপদ ও পরীক্ষার সময় বিশ্বাস অটুট রাখা।
অন্যায় ও পাপ থেকে নিজেকে বিরত রাখা।
আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর আস্থা রেখে উত্তম আচরণ বজায় রাখা।

কুরআনের দৃষ্টিতে ধৈর্য দুর্বলতার লক্ষণ নয়; বরং এটি ঈমান, তাকওয়া এবং আল্লাহর প্রতি পূর্ণ নির্ভরতার প্রকাশ। যারা ধৈর্য ধারণ করে, আল্লাহ তাদের সঙ্গ, রহমত, হিদায়াত এবং অপরিমেয় প্রতিদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

29/07/2026

না বুঝে কুরআন তেলাওয়াত করার চেয়ে অনুবাদের সাথে বুঝে কুরআন পড়া ও অনুধাবন করা অধিক গুরুত্বপূর্ণ. এতে করে আল্লাহর বিধান সম্বন্ধে জানা যায় ও সেই অনুযায়ী আমল করা যায়...

এই কথাটি কুরআনের একদম কেন্দ্রীয় নির্দেশনার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।

আল্লাহ কুরআনে বহুবার বলেছেন — তাঁর কিতাব শুধু তেলাওয়াতের জন্য নয়, বরং বুঝে পড়া, চিন্তা করা ও জীবন অনুযায়ী চলার জন্য নাজিল করা হয়েছে।

কুরআনের সরাসরি নির্দেশনা

সূরা ছাদ 38:29

“এটি একটি বরকতময় কিতাব, যা আমি তোমার প্রতি নাযিল করেছি,
যেন তারা এর আয়াতসমূহে চিন্তা করে, এবং বোধশক্তিসম্পন্নরা উপদেশ গ্রহণ করে।”

অর্থাৎ, কুরআনের উদ্দেশ্য হলো বুঝে চিন্তা করা ও তা থেকে শিক্ষা নেওয়া।

সূরা মুহাম্মদ 47:24

“তারা কি কুরআনের বিষয়ে চিন্তা করে না?
নাকি তাদের হৃদয়গুলো তালাবদ্ধ?”

শুধুমাত্র মুখস্থ তেলাওয়াত নয় — চিন্তা ও উপলব্ধি ছাড়া পড়া অর্থহীন।

সূরা আল-ইসরা 17:9

“নিশ্চয়ই এই কুরআন সেই পথের দিকে পথনির্দেশ করে, যা সবচেয়ে সরল,
এবং যারা সৎকর্ম করে তাদের জন্য সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্য মহাপুরস্কার রয়েছে।”

কিন্তু এই দিশা পাওয়া যায় তখনই, যখন কেউ কুরআনের অর্থ বুঝে পড়ে।

আল্লাহর কাছে আসল মূল্য

আল্লাহ কখনও বলেননি — “আরবি উচ্চারণ করো, যদিও বুঝবে না।”
বরং তিনি বলেছেন —

“আমি একে আরবি কুরআন করেছি, যাতে তোমরা বুঝতে পারো।”
— সূরা ইউসুফ 12:2

অর্থাৎ, মূল উদ্দেশ্য হলো বোঝা ও অনুধাবন করা, কেবল ধ্বনি নয়।

উপসংহার

❖ না বুঝে তেলাওয়াত করা একটি ভালো চেষ্টা হতে পারে,
❖ কিন্তু অর্থসহ অনুবাদ পড়ে বুঝে পড়া — এটি আল্লাহর নির্দেশ পূর্ণরূপে পালন করা,
❖ এবং এর মাধ্যমেই মানুষ আল্লাহর বিধান জানতে ও তা অনুযায়ী জীবন গড়তে পারে।

25/07/2026

সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেন:
কুরআন ৩৯:২ إِنَّا أَنزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ فَاعْبُدِ اللَّهَ مُخْلِصًا لَّهُ الدِّينَ
আমি তোমার প্রতি সত্যসহ কিতাব নাযিল করেছি, অতএব, আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁর প্রতি তোমার ধর্মকে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে।

একজন মুসলমানের কাজ হলো—
আল্লাহর নাযিলকৃত কুরআনের মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত করা
এবং আল্লাহ প্রদত্ত দ্বীন ইসলামকে খালিস ও সমুন্নত রাখা।

~আল্লাহর কুরআন এর অর্থ সহ পড়ুন, চিন্তা করুন এবং সেই অনুযায়ী আমল করুন~

16/07/2026

আক্ষরিক অর্থে কুরআনই আল্লাহর সুন্নাহ।
কুরআনে কোথাও “সুন্নাত-ই মুহাম্মদ” বা “সুন্নাত-ই রাসূল” নামে কোনো আলাদা ধর্মীয় আদেশ নেই।
কুরআনে যে “সুন্নাহ” শব্দটি এসেছে, তা সবসময়ই “সুন্নাত’আল্লাহ” — আল্লাহর পথ বা বিধান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।

আল্লাহ বলেন—
“তুমি আল্লাহর সুন্নাহতে কোনো পরিবর্তন পাবে না।”
(কুরআন 33:62, 35:43, 48:23)

ইসলাম কোনো একক নবীর ব্যক্তিগত সুন্নাহ নয়;
ইসলাম হলো সর্বশক্তিমান আল্লাহর নির্ধারিত পথ — সুন্নাত’আল্লাহ।
এই পথ সরাসরি প্রকাশিত হয়েছে আল্লাহর ঐশী গ্রন্থ কুরআনের মাধ্যমে।

রাসূল মুহাম্মদ (সা.) কোনো মাজহাবের অনুসারী ছিলেন না,
তিনি কুরআনের সাথে কোনো হাদিস রেখে যাননি।
তাঁর সাহাবীরাও কুরআনের সাথে হাদিস লিপিবদ্ধ করেননি।

নবী (সা.)–এর ইন্তেকালের প্রায় তিনশো বছর পর
মানুষ-রচিত হাদিস ও রাজনৈতিক বিভাজনের মাধ্যমে
সুন্নি, শিয়া, খারেজি ইত্যাদি নামকরণ করা হয়—
যা আল্লাহর অনুমোদিত নয়।

এর ফলেই—

আল্লাহর সুন্নাহর স্থলে “নবীর সুন্নাহ” দাঁড় করানো হয়েছে

কুরআনের সাথে হাদিস যুক্ত করা হয়েছে

আল্লাহু আকবার, কালিমা, দরুদ, তাশাহহুদ, আমিন ইত্যাদি কুরআন-বহির্ভূত বিষয় ধর্মে ঢুকানো হয়েছে

অথচ আল্লাহ স্পষ্ট বলেন—

“তোমার প্রতিপালকের বাণী সত্য ও ন্যায়ের দিক থেকে পরিপূর্ণ।
তার বাণীর কোনো পরিবর্তনকারী নেই।”
(কুরআন 6:115)

আল্লাহ আরও আদেশ করেন—

“আমরা আল্লাহ ও তাঁর সব রাসূলের প্রতি ঈমান আনি,
তাদের কারও মধ্যে পার্থক্য করি না।”
(কুরআন 2:136, 4:152)

সুতরাং ইসলাম মানে—
কেবল আল্লাহর কুরআন অনুসরণ করা,
কেবল আল্লাহর পথ অনুসরণ করা,
অর্থাৎ সুন্নাত’আল্লাহ।

09/07/2026

সতর্কবার্তা: আয়াত ভুলে যাওয়ার পরিণতি

আল্লাহর আয়াত ভুলে যাওয়া,
আয়াতে বিশ্বাস না করা —
এর শাস্তি কঠোর এবং দীর্ঘস্থায়ী।

কিয়ামতের দিন এক ব্যক্তি বলবে—

“হে আমার রব! আমি তো চক্ষুমান ছিলাম, আমাকে অন্ধ করে কেন উঠালে?”
— কুরআন ২০:১২৫

আল্লাহ বলবেন—

“এভাবেই আমার আয়াত তোমার কাছে এসেছিল, কিন্তু তুমি তা ভুলে গিয়েছিলে।
তেমনি আজ তোমাকেও ভুলে যাওয়া হবে।”
— ২০:১২৬

এরপর ঘোষণা—

“যে সীমালঙ্ঘন করে এবং তার রবের আয়াতে ঈমান আনে না, তাকে আমরা এভাবেই প্রতিফল দিই।
আর আখিরাতের শাস্তি আরও কঠোর এবং আরও স্থায়ী।”
— ২০:১২৭

মনে রাখুন

চোখ থাকা মানেই দৃষ্টিমান হওয়া নয়।
আয়াত সামনে থাকলেও হৃদয় অন্ধ হতে পারে।

দুনিয়াতে আয়াত উপেক্ষা করলে—
আখিরাতে উপেক্ষিত হতে হবে।

ভাবার জন্য প্রশ্ন:

আমি কি শুধু পড়ি?
নাকি আয়াত অনুযায়ী চলি?

~আল্লাহর কুরআন এর অর্থ সহ পড়ুন, চিন্তা করুন এবং সেই অনুযায়ী আমল করুন~

সৃষ্টিকর্তার প্রতি অগাধ বিশ্বাস এবং তাঁর বিধান মেনে চলাই প্রকৃত প্রশান্তি ও কামিয়াবির পথ।পৃথিবীতে এর জন্য কখনও ত্যাগ, ধৈ...
01/07/2026

সৃষ্টিকর্তার প্রতি অগাধ বিশ্বাস এবং তাঁর বিধান মেনে চলাই প্রকৃত প্রশান্তি ও কামিয়াবির পথ।
পৃথিবীতে এর জন্য কখনও ত্যাগ, ধৈর্য কিংবা পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হলেও, শেষ পর্যন্ত আল্লাহর পথই মানুষের জন্য কল্যাণকর।

সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ বলেন:

"যে ব্যক্তি সৎকাজ করে—সে পুরুষ হোক বা নারী—এবং সে মুমিন হয়, তাকে আমি অবশ্যই পবিত্র জীবন দান করব এবং তারা যা উত্তম কাজ করত, তার সর্বোত্তম প্রতিদান অবশ্যই তাদের দেব।"
— কুরআন ১৬:৯৭

"যে আল্লাহকে সচেতনভাবে মান্য করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ করে দেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দেন, যা সে কল্পনাও করতে পারে না। আর যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাঁর জন্য তিনিই যথেষ্ট।"
— কুরআন ৬৫:২–৩

প্রকৃত প্রশান্তি, নিরাপত্তা ও কামিয়াবি মানুষের মতামতে নয়; আল্লাহর পথনির্দেশনা অনুসরণেই।

কুরআনের কোথাও "মুতা বিয়ে" (নির্দিষ্ট সময়ের জন্য চুক্তিভিত্তিক বিবাহ) এর কোনো বিধান দেওয়া হয়নি।কুরআনে বিবাহ (নিকাহ) স...
25/06/2026

কুরআনের কোথাও "মুতা বিয়ে" (নির্দিষ্ট সময়ের জন্য চুক্তিভিত্তিক বিবাহ) এর কোনো বিধান দেওয়া হয়নি।

কুরআনে বিবাহ (নিকাহ) সম্পর্কে যা পাওয়া যায়:

বিবাহ একটি দৃঢ় অঙ্গীকার (৪:২১)।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা, দয়া ও প্রশান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে (৩০:২১)।
বিবাহ ভাঙতে হলে তালাকের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে বলা হয়েছে (২:২২৮-২৩২, ৬৫:১-২)।
মোহর প্রদানের নির্দেশ রয়েছে (৪:৪, ৪:২৪)।

কিন্তু কুরআনের কোথাও এমন বলা হয়নি যে:

"তোমরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিয়ে করতে পারবে"
বা
"সময় শেষ হলে বিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যাবে।"

এ ধরনের কোনো বিধান, শর্ত বা নিয়ম কুরআনে নেই।

যারা মুতা বিয়ের পক্ষে যুক্তি দেন, তারা সাধারণত ৪:২৪ আয়াতের একটি অংশ উল্লেখ করেন। কিন্তু আয়াতটিতে "নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিবাহ" বা "অস্থায়ী বিবাহ" কথাগুলো নেই। আয়াতটি পড়লে দেখা যায় সেখানে বৈধ বৈবাহিক সম্পর্ক ও মোহর প্রদানের কথা বলা হয়েছে, সময়সীমাবদ্ধ বিবাহের বিধান নয়।

অতএব, কুরআনের ভিত্তিতে মুতা বিয়ের জন্য কোনো স্পষ্ট অনুমোদন বা বিধান পাওয়া যায় না। কুরআনে যে বিবাহের চিত্র উপস্থাপিত হয়েছে, তা একটি দায়িত্বপূর্ণ ও স্থায়ী পারিবারিক বন্ধনের চিত্র। (৪:২১, ৩০:২১, ২:২২৮-২৩২, ৬৫:১-২)।

~ আল্লাহর কুরআন এর অর্থ সহ পড়ুন, চিন্তা করুন এবং সেই অনুযায়ী আমল করুন ~

বাংলাদেশে বসবাসকারী মুসলিমদের প্রায় ৯৬% সুন্নি মতাদর্শের অনুসারী। এদেশের মোট জনসংখ্যার ৯১.০৪% হলো মুসলিম এবং তাদের সিংহ...
07/06/2026

বাংলাদেশে বসবাসকারী মুসলিমদের প্রায় ৯৬% সুন্নি মতাদর্শের অনুসারী। এদেশের মোট জনসংখ্যার ৯১.০৪% হলো মুসলিম এবং তাদের সিংহভাগই হানাফি মাযহাবের অনুসারী সুন্নি মুসলিম।

সংখ্যা নয়, সত্যই মাপকাঠি
সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেন:
কুরআন ৬:১১৬
وَإِن تُطِعْ أَكْثَرَ مَن فِي الْأَرْضِ يُضِلُّوكَ عَن سَبِيلِ اللَّهِ ۚ إِن يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِنْ هُمْ إِلَّا يَخْرُصُونَ
আর যদি তুমি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নাও, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে দেবে। তারা শুধু অলীক কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক কথাবার্তা বলে থাকে।

সংখ্যাগরিষ্ঠতা নয়—আল্লাহর বাণীই সত্যের মানদণ্ড।
যা কুরআনে নেই, তা যত জনপ্রিয়ই হোক—আল্লাহর পথ নয়।

নবী মুহাম্মদ (সা:) মুসলিম ছিলেন এবং কোনো মাজহাবের অনুসারী ছিলেন না।

সত্য নির্ধারণের মাপকাঠি কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নয়—এটি কুরআনের বহু আয়াতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আল্লাহ বলেন:

"আর যদি তুমি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নাও, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে দেবে। তারা শুধু অলীক কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক কথাবার্তা বলে থাকে।"

— কুরআন ৬:১১৬

এছাড়াও কুরআনে এসেছে:

"আর তাদের অধিকাংশই কেবল অনুমানের অনুসরণ করে। নিশ্চয়ই অনুমান সত্যের কোনোই উপকারে আসে না।"

— কুরআন ১০:৩৬

সুতরাং কুরআনের দৃষ্টিতে কোনো মত, বিশ্বাস বা আমল সত্য কি না, তা নির্ধারণের চূড়ান্ত মানদণ্ড মানুষের সংখ্যা নয়; বরং আল্লাহর অবতীর্ণ নির্দেশনা।

আর নবী মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে কুরআনে বলা হয়েছে:

"বলো, আমাকে আদেশ করা হয়েছে যে আমি মুসলিমদের প্রথমজনদের অন্তর্ভুক্ত হই।"

— কুরআন ৬:১৪

এবং,

"তিনি পূর্বেও তোমাদের নামকরণ করেছেন মুসলিম এবং এই কিতাবেও।"

— কুরআন ২২:৭৮

কুরআনে নবী বা তাঁর অনুসারীদের জন্য "হানাফি", "শাফেয়ি", "মালেকি", "হাম্বলি", "সুন্নি" বা "শিয়া" নামে কোনো ধর্মীয় পরিচয় গ্রহণের নির্দেশ পাওয়া যায় না। কুরআনে যে পরিচয়টি স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে তা হলো "মুসলিম"।

একই সঙ্গে কুরআন দল-উপদলে বিভক্ত হওয়ার ব্যাপারেও সতর্ক করেছে:

"আর তোমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না, যারা তাদের দ্বীনকে খণ্ড-বিখণ্ড করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে; প্রত্যেক দলই যা তাদের কাছে আছে তা নিয়ে আনন্দিত।"

— কুরআন ৩০:৩১–৩২

তবে কোনো ব্যক্তির ঈমান, গ্রহণযোগ্যতা বা পরিণতি সম্পর্কে চূড়ান্ত ফয়সালা আল্লাহর এখতিয়ার। কুরআন মানুষের পরিচয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় ঈমান, সৎকর্ম, তাকওয়া এবং আল্লাহর নির্দেশনার অনুসরণকে (২:৬২, ৪৯:১৩)।

সুতরাং কুরআনের আলোকে বলা যায়, সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিজে সত্যের প্রমাণ নয়; সত্য যাচাইয়ের মানদণ্ড হলো আল্লাহর বাণী। আর নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর কুরআনিক পরিচয় ছিল "মুসলিম"।

কুরআনের সতর্কবাণীঅনেকেই মনে করেন শুধু সালাতের সাথে সম্পর্ক থাকলেই যথেষ্ট। কিন্তু কুরআন আমাদের আরও গভীরভাবে চিন্তা করতে ব...
02/06/2026

কুরআনের সতর্কবাণী

অনেকেই মনে করেন শুধু সালাতের সাথে সম্পর্ক থাকলেই যথেষ্ট। কিন্তু কুরআন আমাদের আরও গভীরভাবে চিন্তা করতে বলে।

আল্লাহ বলেন:

فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّينَ

"অতএব দুর্ভোগ সেই মুসাল্লীনদের (সালাতকারীদের) জন্য।"

الَّذِينَ هُمْ عَن صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ

"যারা তাদের সালাত সম্পর্কে উদাসীন।"

(কুরআন ১০৭:৪-৫)

লক্ষ্য করুন, এখানে সতর্কবাণী তাদের জন্য নয় যারা সালাতের বাইরে আছে; বরং তাদের জন্য যারা নিজেদেরকে মুসাল্লীন বা সালাতকারীদের অন্তর্ভুক্ত মনে করে, কিন্তু সালাতের প্রতি উদাসীন, অমনোযোগী বা দায়িত্বহীন।

অন্যদিকে, জাহান্নামবাসীরা বলবে:

لَمْ نَكُ مِنَ الْمُصَلِّينَ

"আমরা মুসাল্লীনদের (সালাতকারীদের) অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না।"

(কুরআন ৭৪:৪৩)

এক আয়াতে মুসাল্লীনদের দলে না থাকার পরিণতির কথা বলা হয়েছে, আর অন্য আয়াতে মুসাল্লীন হয়েও সালাতের প্রতি উদাসীন থাকার ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

কুরআন আমাদেরকে শুধু পরিচয়ের দিকে নয়, বরং আন্তরিকতা, সচেতনতা এবং আল্লাহর নির্দেশনার প্রতি দায়িত্বশীলতার দিকে আহ্বান করে।

কুরআন ১০৭: ৪-৭ অতএব দুর্ভোগ সেসব সালাতকারীদের, যারা তাদের সালাত সম্বন্ধে বে-খবর; যারা তা লোক-দেখানোর জন্য করে
এবং সাহায্য প্রদানে বিরত থাকে।।

~ আল্লাহর কুরআন এর অর্থ সহ পড়ুন, চিন্তা করুন এবং সেই অনুযায়ী আমল করুন ~

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুন্নাত'আল্লাহ Sunnat Allah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share