Quraner nur-কোরআনের নূর

Quraner nur-কোরআনের নূর Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Quraner nur-কোরআনের নূর, Religious organisation, Dhaka.

কিয়ামতের পূর্ব মুহূর্তে সময় দ্রুত চলে যাচ্ছে বলে মনে হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃلَا تَقُومُ السَّاعَة...
18/01/2026

কিয়ামতের পূর্ব মুহূর্তে সময় দ্রুত চলে যাচ্ছে বলে মনে হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ

لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَتَقَارَبَ الزَّمَانُ فَتَكُونَ السَّنَةُ كَالشَّهْرِ وَيَكُونَ الشَّهْرُ كَالْجُمُعَةِ وَتَكُونَ الْجُمُعَةُ كَالْيَوْمِ وَيَكُونَ الْيَوْمُ كَالسَّاعَةِ

‘‘সময় ছোট হয়ে যাওয়ার পূর্বে কিয়ামত প্রতিষ্ঠিত হবেনা। এক বছরকে একমাসের সমান মনে হবে। এক মাসকে এক সপ্তাহের সমান মনে হবে। এক সপ্তাহকে একদিনের মত মনে হবে এবং এক দিনকে এক ঘন্টার সমান মনে হবে’’।[1]

[1] - মুসনাদে আহমাদ ও তিরমিজী। ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন, সহীহুল জামে আস্ সাগীর, হাদীছ নং- ৭২৯৯।

গ্রন্থঃ সহীহ শামায়েলে তিরমিযীঅধ্যায়ঃ ৬. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খিযাব লাগানো (باب ما جاء في خضاب رسول الله ﷺ)হাদিস নম্বরঃ ৪০ ...
03/01/2026

গ্রন্থঃ সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
অধ্যায়ঃ ৬. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খিযাব লাগানো (باب ما جاء في خضاب رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ৪০
_________________________________________
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : " رَأَيْتُ شَعْرَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَخْضُوبًا " .

৪০. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথার চুল খিযাবকৃত দেখেছি।

ব্যাখ্যাঃ কালো খিযাব ব্যবহার করা জায়েয নয়। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, শেষ যামানায় এমন লোক পাওয়া যাবে, যারা কালো খিযাব বা কলপ ব্যবহার করবে। তারা জান্নাতের সুঘ্ৰানও পাবে না।[আবু দাউদ, হা/৪২১৪; নাসাঈ, হা/৫০৭৫।]

“তুমি যেন তোমার স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার না করো!”“কীভাবে একজন পুরুষ তার নিজের স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করতে পারে?!”নিচের হাদীস...
22/11/2025

“তুমি যেন তোমার স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার না করো!”

“কীভাবে একজন পুরুষ তার নিজের স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করতে পারে?!”
নিচের হাদীসটি পড়লেই তা বুঝতে পারবেন।
হাদীস:
আবু মাইমূন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি কোনো নারীকে বিয়ে করে — মহর কম হোক বা বেশি — অথচ তার মনে এই নিয়ত থাকে না যে সে তাকে তার অধিকার (অর্থাৎ মহর) প্রদান করবে, বরং প্রতারণা করে; এরপর সে মারা যায় অথচ স্ত্রীর অধিকার আদায় করে না — সে কিয়ামতের দিনে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে ব্যভিচারী হিসাবে।”
আল্লামা আলবানী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটিকে সহিহ বলেছেন।
“সহীহ আত-তারগীব ও আত-তারহীব”, হাদীস নম্বর: ১৮০৭

হাদীসটির মুল কথা:
ঋণ গ্রহণ করে তা ফেরত না দেওয়ার নিয়তে নেওয়া — এটি কবীরা গুনাহ। আর স্ত্রীর মহর (dowry) হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঋণসমূহের একটি, যা অবশ্যই পরিশোধ করা ফরজ।

হাদীসের ব্যাখ্যা:
শরীয়ত মুসলিমদেরকে সততা, বিশ্বস্ততা ও চুক্তি রক্ষার প্রতি উৎসাহ দিয়েছে এবং অধিকার নষ্ট করা ও প্রতারণার নিন্দা করেছে।

এই হাদীসে নবী ﷺ বলেছেন —
“যে ব্যক্তি কোনো নারীকে বিয়ে করে” — অর্থাৎ সহীহ আকদ (বিবাহচুক্তি) সম্পন্ন করে,
“মহর কম হোক বা বেশি”— সে স্ত্রীর জন্য নির্ধারিত করে, তার কিছু অংশ অগ্রিম দেয় আর কিছু অংশ পরিশোধের জন্য স্থগিত রাখে।

মহর হলো সেই সম্পদ যা পুরুষ স্ত্রীকে দেয়, যাতে সে তার সঙ্গে বৈধভাবে সংসার করতে পারে।

কিন্তু যদি সে মনে মনে এই সিদ্ধান্ত নেয় যে, সে কখনোই মহর দেবে না, বরং বিয়ের শুরুতেই প্রতারণা করে চুক্তি সম্পন্ন করে — তবে এটি গুরুতর প্রতারণা।

যদি এমন ব্যক্তি মারা যায় অথচ সে স্ত্রীর নির্ধারিত মহর পরিশোধ করেনি — তাহলে সে আল্লাহর সামনে হাজির হবে ব্যভিচারী অবস্থায়, কারণ সে স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক করেছে অথচ তার প্রাপ্য দেনা (মহর) পরিশোধ করেনি।

বস্তুত মহর হলো সেই অধিকারের মধ্যে অন্যতম, যা পরিশোধ করা সবচেয়ে বেশি জরুরি ও অগ্রাধিকারযোগ্য।
নবী ﷺ বলেছেন (সহীহ হাদীস, বুখারী ও মুসলিম উভয়ের মতে):
“যে শর্তটি সবচেয়ে বেশি পূরণ করা উচিত, সেটি হলো — যেটির মাধ্যমে তোমরা নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক বৈধ করেছ।”
আর আল্লাহ তাআলা বলেছেন:
﴿وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُمْ مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُمْ مَوَدَّةً وَرَحْمَةً﴾
“আর তাঁর নিদর্শনসমূহের একটি হলো— তিনি তোমাদের জন‍য তোমাদের মধ্য থেকেই স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও এবং তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া স্থাপন করেছেন।”
(সূরা আর-রূম: ২১)
মোটকথা:
স্ত্রীর মহর প্রদান না করা — এটি শুধু অর্থনৈতিক অন্যায় নয়, বরং এটি এক ধরণের নৈতিক ব্যভিচার, প্রতারণা, ও আল্লাহর সামনে ভয়াবহ দায়বদ্ধতা।

আল্লাহ তাআলাই সর্বাধিক জ্ঞাত।
Abubakar Muhammad Zakaria

বয়কট 🔥: এগুলো কোম্পানির নাম, পণ্যের নাম না। এক কোম্পানির অধীনে অনেকগুলো প্রোডাক্ট আসবে। যেমন কোকাকোলা কোম্পানি বয়কট করার...
11/04/2025

বয়কট 🔥: এগুলো কোম্পানির নাম, পণ্যের নাম না। এক কোম্পানির অধীনে অনেকগুলো প্রোডাক্ট আসবে।
যেমন কোকাকোলা কোম্পানি বয়কট করার অর্থ — কোকাকোলা, স্প্রাইট, ফান্টা, মাউন্টেন ডিও, কিনলে ইত্যাদি বয়কট করা।

আসিফ ভাইয়ের সম্পূর্ণ পোষ্ট—
"যায়ো--ব|দের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে টার্গেটেড বয়কট কিভাবে হতে পারে?
শুরুতে দুটো বেইসিক আইডিয়া স্পষ্ট করে নেই, কারণ এখানে অনেকের অনেক ফালতু মিসকনসেপশান আছে।
১। যায়ো-- পণ্য, ইস্র----লি পণ্য না:
আমরা ইস্র----লী পণ্য বয়কটের কথা বলছি না। যায়ো--- ব|দকে সমর্থন দেয়া কর্পোরেশন ও ব্যবসাগুলোর পণ্য বয়কটের কথা বলছি।
পার্থক্য কী?
পার্থক্য হল, ইস্র---লি পণ্য মানে এমন পণ্য যা ইস্র--- এ উৎপাদিত হয়েছে অথবা যে কোম্পানির মালিক 'ইস্র---লি'। অন্যদিকে যায়ো---ব|দকে সমর্থন দেয়া কোম্পানির মালিক যেকোন দেশের হতে পারে, সেই কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন যে কোনো দেশে হতে পারে।
উদাহরণ দেই:
আওয়ামী লীগ একটা ডারতবাদী প্রডাক্ট। এখানে কারও কোন দ্বিমত নেই। কিন্তু এটার অফিস বাংলাদেশে, এটার নেতা, সভাপতিরা বাঙ্গালি, এটার সদস্যরা ম্যাক্সিমাম বাঙ্গালি, রেজিস্ট্রেশনও বাংলাদেশে। তারপরও ডারতবাদী প্রডাক্ট হিসেবে আপনি এটা বয়কট করতে পারেন।
কিন্তু কেউ যদি বলে লীগ হলো ডারতীয় দল, তাহলে টেকনিকালি কথাটা ভুল। এখানেও একই ধরনের ব্যাপার হচ্ছে।
সারা বিশ্বে যখন ইস্র---- দখলদারিত্ব ও অপরাধের বিরুদ্ধে বয়কট আন্দোলন হয় তখন সেটা যায়ো--- ব|দকে সমর্থন দেয়া কোম্পানীর প্রডাক্ট বয়কটকেই বোঝায়। ইস্র----লে উৎপাদিত পণ্য বয়কট না।
এখানে বয়কট করার কারণ হল যায়ো-- ব|দের প্রতি ঐ কোম্পানির সমর্থন। কোন কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন কোন দেশে, হেডকোয়ার্টার কোন দেশে, সেটা এখানে ইস্যু না।
যেমন, কোকা কোলা অ্যামেরিকান কোম্পানি, তাদের প্রধান অফিসও অ্যামেরিকাতে। তাদের শুরু যায়ো রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রায় ছয় দশক আগে। কিন্তু কোকা কোলা বয়কট যোগ্য কারণ তারা যায়ো--- ব|দকে সমর্থন করে। ক্লিয়ার?
বয়কট করবো যায়ো সমর্থক কোম্পানির পণ্য। ইস্র----লি পণ্য না। ঐ কোম্পানির মালিক কোন দেশের সেটা এখানে গুরুত্বপূর্ণ না। তারা যায়ো-- রাষ্ট্রকে সমর্থন করে কি না সেটা গুরুত্বপূর্ণ।
যায়ো--- সমর্থক পণ্য এবং ইস্র----লি পণের মধ্যে পার্থক্য আমাদের স্পষ্ট করা উচিৎ। আমরা এটা করি না। আমরা শুধু ইস্র--- পণ্য বলে যাই। আর এই সুযোগে কিছু সো কলড ফ্যাক্ট চেকার 'কোকাকোলার অফিস তো অ্যামেরিকায়', 'কোকাকোলার প্রতিষ্ঠাতা তো অ্যামেরিকান' এসব বলে পানি ঘোলা করে।
মোদ্দা কথা: আমরা বয়কট করবো যায়ো---ব||দকে সমর্থন দেয়া প্রডাক্টগুলোকে, সেটা মঙ্গলগ্রহের হলেও সমস্যা নেই।
২। টার্গেটেড বয়কট:
টার্গেটেড বয়কট মানে হলো অনেকগুলো পণ্য একসাথে বয়কট না করে, বাই মিলে অল্প কিছু পণ্য ও কোম্পানি বয়কট করা। কেন?
কারণ বয়কট একটা পলিটিকাল টুল। এই টুলকে সফলভাবে ব্যবহার করতে হলে বয়কট কর্মসূচী এমন হতে হবে যা সহজে বোধগম্য, যার ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতা আছে, এবং যেখানে সাফল্যের সম্ভাবনা বেশি।
এটা লড়াইয়ের অংশ। লড়াই হয় স্ট্র্যাটিজিকালি। যুদ্ধের সময় সাধারনত একসাথে সব ফ্রন্টে হামলা করা হয় না। যেখানে সফলতার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বা যেখানে ফোকাস করা সবচেয়ে প্রয়োজন সেখানেই ফোকাস করতে হয়। এখানেও একই কথা। আশা করি, 'এটা বয়কট করলে ওটা না কেন" - এই প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট হয়েছে।
এক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী সফলভাবে যায়ো--- রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বয়কট আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া বিডি-এস আন্দোলনের বক্তব্য তুলে ধরছি। শাব্দিক অনুবাদ করছি না, চাইলে মূল বক্তব্য সাইট থেকে দেকে নিতে পারেন [১] :
বিডি-এস আন্দোলন এমন এক কৌশল বেছে নিয়েছে, যার কার্যকারিতা ইতিহাসে বারবার প্রমাণিত—টার্গেটেড বয়কট। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী সংগ্রাম, আমেরিকার সিভিল রাইটস মুভমেন্ট, আর ভারতের ও আয়ারল্যান্ডের ঔপনিবেশিকতা-বিরোধী লড়াইসহ বিশ্বজুড়ে আরও অনেক ন্যায়বিচার-ভিত্তিক আন্দোলন থেকে আমরা এই কৌশল গ্রহণে অনুপ্রাণিত হয়েছি।
আমরা যদি বয়কট আন্দোলনে সর্বোচ্চ সফলতা চাই তাহলে আমাদের অল্পসংখ্যক কিছু কোম্পানি এবং প্রোডাক্টের ওপর খুব হিসেব করে ফোকাস করতে হবে। এই কৌশল-ই বিডি-এস আন্দোলনকে এমন জায়গায় নিয়ে গেছে, যেখানে G4S, Veolia, Orange, Puma আর Pillsbury-এর মতো বড় বড় কোম্পানিও যায়_-- রাষ্ট্রের সাথে কিছুটা দূরত্ব তৈরি করে নিতে বাধ্য হয়েছে।
বাংলাদেশে কিভাবে বয়কট:
উপরে আলোচনা থেকে আমরা দুটো বিষয় পেলাম।
১) বয়কট করতে হবে যায়ো---ব|দকে সমর্থন দেয়া কোম্পানি ও পণ্যকে, সেটা যে দেশের-ই হোক
২) বয়কট আন্দোলনকে সফল করতে হলে, বয়কট হতে হবে টার্গেটেড।
বয়কটের ক্ষেত্রে অল্প কিছু হাতেগোণা কোম্পানি ও পণ্যের ওপর স্ট্র্যাটিজিকভাবে ফোকাস করতে হবে আমাদের।
এবার আসা যাক তৃতীয় এবং মূল প্রশ্নে। বাংলাদেশে কোন কোন কোম্পানি এবং প্রডাক্ট বয়কট করা হবে?
বিডি-এস এর সাইটে একটা সুন্দর তালিকা বানিয়ে দেয়া আছে। [২]
সমস্যা হল হাই ভ্যালু হিসেবে বিডি-এস যাদেরকে লিস্টে এনেছে এদের অধিকাংশ বাংলাদেশের বাজারে অ্যাক্টিভ না। কাজেই আমরা হুবহু বিডি-এসের লিস্ট ফলো করতে পারছি না। আমাদের ইম্প্রোভাইয করতে হবে। বাংলাদেশের বাস্তবতা অনুযায়ী আমাদের কিছু জায়গায় মানিয়ে নিতে হবে।
এক্ষেত্রে আমি খসড়া তালিকা বানিয়েছি। বিডি-এস এর লিস্টে হাইভ্যালু যেসব নাম বাংলাদেশের বাজারে আছে সেগুলোর পাশাপাশি, আরও কিছু কোম্পানি ও পণ্যের নাম আমি যুক্ত করেছি যারা যায়ো---ব||দকে সমর্থন করে, এবং বাংলাদেশের বাজারে যাদের ভালো উপস্থিতি আছে।
আমি জানি অনেকেই কমেন্ট বা মেসেজ করে বলবেন, অমুক অমুক প্রডাক্ট তালিকায় যুক্ত করা যায়। এবং আমি তাদের সাথে একমত। তবে মনে রাখবেন, টার্গেটেড বয়কটের উদ্দেশ্য হল "অল্প কিছু হাতেগোণা কোম্পানি ও পণ্যের ওপর স্ট্র্যাটিজিকভাবে ফোকাস করা"। তাই তালিকা ছোট থাকছে। তবে অবশ্যই ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমরা যতো বেশি এমন পণ্য বয়কট করতে পারবো ততো ভালো হবে ইন শা আল্লাহ্‌।
বয়কটযোগ্য কোম্পানির ও পণ্যের তালিকা:
- কোকাকোলা
- পিৎযা হাট
- ডোমিনোস পিৎযা
- বার্গার কিং
- A&W
- সিমেন্স
- পেপসিকো
- ইউনিলিভার
- নেসলে
এর মধ্যে প্রথম ছয়টা বিডি-এসের লিস্ট থেকে নেয়া। শেষের তিনটা বাংলাদেশের মার্কেট বিবেচনায় যুক্ত করা। প্লিস নোট, এগুলোর বেশির ভাগ কোম্পানির নাম, পণ্যের নাম না। এক কোম্পানির অধীনে অনেকগুলো প্রোডাক্ট আসবে।
যেমন কোকাকোলা কোম্পানি বয়কট করার অর্থ কোকাকোলা, স্প্রাইট, ফান্টা, মাউন্টেন ডিউ, কিনলে -- সব বয়কট করা। এভাবে পেপসিকো, ইউনিলিভার ইত্যাদি কোম্পানি বয়কট করার অধীনে অনেক পণ্যের তালিকা হয়ে যাবে।
এই খসড়া তালিকায় বিবেচনা সাপেক্ষে আরও ২-১টি পণ্য হয়তো যোগ করা যেতে পারে, তবে এর বেশি না। তালিকা বড় হলে ফোকাস নষ্ট হবে—সেটা টার্গেটেড বয়কটের স্ট্র্যাটিজির পরিপন্থী। মনে রাখতে হবে, আমাদের লক্ষ্য কেবল প্রতীকী প্রতিবাদ না, বাস্তব বিজয় আদায় করে নেয়া। তাই টার্গেট বাছাইয়ে বাস্তবতা ও সম্ভাবনাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এক বোতল কোক বয়কট করা ছোট কাজ। কিন্তু এই ছোট কাজগুলো দিয়ে আমরা একটা বড় বার্তা দিতে পারি ইন শা আল্লাহ্‌—যদি আমরা ঠিকভাবে ঠিক জায়গায় আঘাত করতে জানি।
এই তালিকা চূড়ান্ত না। তবে আমাদের সাধ্যের ভেতরে প্রতিরোধের একটা পথ এখান থেকেই শুরু হতে পারে। আমরা সেটুকু খালেসভাবে করার নিয়্যাত করি। অন্য কেউ না করলে না করুক—আমরা করবো। ইন শা আল্লাহ্‌।"

Asif Adnan

©️Tawhidi Youth Bangladesh

জামশেদ মজুমদার যতই জোব্বা পড়ে ভিডিও বানাক, উনার আসল পরিচয় উনি ব্যাবসায়ী। ২৩ সালের কোনো এক  জানুয়ারীতে ক্রিসমাসের সময়ে  #...
08/04/2025

জামশেদ মজুমদার যতই জোব্বা পড়ে ভিডিও বানাক, উনার আসল পরিচয় উনি ব্যাবসায়ী। ২৩ সালের কোনো এক জানুয়ারীতে ক্রিসমাসের সময়ে # break fastwithsanta ট্যাগ ইউজ করে পোস্ট প্রমোট করে উনার প্রতিষ্ঠান Ghorerbazar.মুলত ওই পোস্টের ক্রিম হানির প্রচারণার পরেই উনার বিজনেস ফুলেফেপে উঠে। ঐ ট্যাগওয়ালা পোস্ট এখনো আছে। যেই লোক সুন্নতী লেবাস ধরে "স্যান্টার" ট্যাগ লাগায়ে বিজনেস প্রমোট করে, উনি গা*জায় আগ্রা*সনের বিপক্ষে কথা বলবে না এটাই কি স্বাভাবিক না?

©️ সুমন আহমাদ

13/01/2025

আল্লাহ খুব দূরের সত্তা, তাকে সহজে কাছে পাওয়া যায় না, এ রকম একটি ধারণা আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে।

আসলেই কি আল্লাহ দূরের সত্তা?

মহান আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, আর আমি তার গলার ধমনী হতেও অধিক নিকটে (সূরা ক্বাফ ১৬)।

হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেছেন, কেউ যদি আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে একহাত এগিয়ে যাই। কেউ আমার দিকে একহাত এগিয়ে এলে আমি তার দিকে দুইহাত এগিয়ে যাই। আর কেউ আমার দিকে হেঁটে হেঁটে এলে আমি তার দিকে দৌড়ে যাই।

আপনি হাঁটা শুরু করলে যে সত্তা আপনার দিকে দৌড়ে আসেন, তিনি কি পর হতে পারেন?

আল্লাহ রহমত বা দয়া সৃষ্টি করে সেটাকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন। একদিকে রেখেছেন ৯৯ ভাগ আর অন্যদিকে রেখেছেন ১ ভাগ। এই একভাগ ভালোবাসা তিনি পৃথিবীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমগ্র সৃষ্টিকুলের মধ্যে বণ্টন করে দিয়েছেন।

একভাগ দয়ার ক্ষুদ্র একটি অংশ পেয়ে আমরা আমাদের সন্তানদের কত ভালোবাসি! এই একভাগ ভালোবাসার একটি ক্ষুদ্রাংশ পেয়ে হিংস্র বাঘিনী তার শাবককে দুধপান করায়।

এই একভাগ ভালোবাসার একটি ক্ষুদ্রাংশ পেয়ে সন্তানদের পৃথিবীতে আনতে গিয়ে মাকড়সা নিজের জীবনকে বিসর্জন দেয়।

এই একভাগ ভালোবাসার একটি ক্ষুদ্রাংশ পেয়ে একটি মুরগি প্রবল বৃষ্টিতে ভিজেও ছানাদের বুকের নিচে আগলে রাখে।

তাহলে বাকি নিরানব্বই ভাগ দয়া যার কাছে সঞ্চিত আছে, সৃষ্টির প্রতি তার মমতা কতখানি হতে পারে?

আল্লাহ পর নন, তিনি আমাদের বড় আপন। তিনি শুধু চান, কখন আমরা তাকে ডাকব।

তাকে হৃদয় থেকে ডাকুন, তার উপস্থিতি আপনি অনুভব করতে পারবেন। আর চলার পথে যিনি আল্লাহকে অনুভব করার গুণ অর্জন করে ফেলেন, পৃথিবীর কোনো দুঃখতাপ তাকে বিচলিত করতে পারে না।
©️ Ahmadullah

03/01/2025
দেশ তাহলে প্রথম আলোর নাকি? সচিবালয়ের সামনে দাঁড়ালে গুলি চলে না, প্রথম আলোর অফিসের সামনে দাঁড়ালে গুলি চলে! দিল্লি থেকে...
24/11/2024

দেশ তাহলে প্রথম আলোর নাকি? সচিবালয়ের সামনে দাঁড়ালে গুলি চলে না, প্রথম আলোর অফিসের সামনে দাঁড়ালে গুলি চলে!

দিল্লি থেকে এখনও পরিপূর্ণ স্বাধীন হই নি। ল..ড়া..ই চলবে ইনশাআল্লাহ।

30/09/2024

🇧🇩🇧🇩

01/09/2024

একদিন ঠিকই আফ' সোস করব!

১: ঘুমের চেয়ে নামাজ উত্তম জেনেও আমি ফজরে ঘুমিয়ে ছিলাম।
২: কুরআন তিলাওয়াতে অন্তরে প্রশান্তি আসে, তারপরও আমি কুরআন ত্যা*গ করেছি।
৩. আল্লাহর যিকির আমার সারাদিনের কাজেকর্মে বরকত আনে জেনেও, অলসতা করে যিকির ছেড়েছি।
৪. ইস্তেগফারে আমার রিযিক বৃদ্ধি করে জেনেও, গা*ফেল থেকেছি।
৫. তাহাজ্জুদ আমার জন্য শান্তি, শৃঙ্খলা, সুস্থিরতাসহ আরো অসংখ্য উপকারিতা নিয়ে আসে জেনেও, এমন মহা র্ঘ তাহাজ্জুদও আমি হেলাভরে ছেড়ে দিয়ে ঘুমিয়েছি।
৬. তাওবার দরজা সদা-সর্বদা উন্মুক্ত, আমি আজ করছি, কাল করছি করে শুধু পিছিয়েছি।
৭. গুনাহে লিপ্ত হওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও গুনাহ ত্যা*গ করলে, আল্লাহ আমার বিপদ দুর করে দিতেন। আমার দুশ্চিন্তা লাঘব করতেন। এটা জেনেও আমি গু*নাহে অনঢ় থেকেছি। গুনা*হে লিপ্ত থেকেছি।
৮. যে কোনো ভালো কাজ করলেই আমি জান্নাতের আরেকটু কাছে চলে যেতাম। জা*হান্নাম থেকে দূরে সরে আসতাম। এটা জেনেও আমি উদা*সীন থেকেছি।

একদিন ঠিকই আফসোস করবো।
ইয়া আল্লাহ সুমতি দান করুন।
আমীন।
©

রাত জেগে বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মের মন্দির পাহারা দিচ্ছেন মুসলিম যুবকেরা।
05/08/2024

রাত জেগে বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মের মন্দির পাহারা দিচ্ছেন মুসলিম যুবকেরা।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Quraner nur-কোরআনের নূর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share