I Love Allah

I Love Allah আসসালামু আলাইকুম সবাইকে আমাদের এই পে?

13/09/2025

| আমাদের প্রতি কুরআনের ৫ টি অধিকার! |

আল্লাহ তা’আলা আমাদের জন্য কুরআনকে এক মহাগ্রন্থ হিসেবে নাজিল করেছেন, যা কেবল পাঠের জন্য নয় বরং জীবনের পথপ্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করার জন্য। একজন মুসলমান হিসেবে কুরআনের প্রতি আমাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও অধিকার রয়েছে, যা আমরা অনেক সময় অবহেলা করি। নিচে কুরআনের ৫টি মৌলিক অধিকার তুলে ধরা হলো—

১| শোনা (الاستماع) আল্লাহ বলেন, যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা মনোযোগের সঙ্গে তা শোনো এবং নীরব থাকো, যাতে তোমাদের প্রতি রহমত বর্ষিত হয়। (সূরা আল-আ’রাফ: ২০৪)
- শ্রবণ হচ্ছে কুরআনের প্রথম অধিকার। অনেক সময় আমরা কুরআন তিলাওয়াত শুনি, কিন্তু মনোযোগ না দিলে এই অধিকার পূর্ণ হয় না। হৃদয় দিয়ে শোনা কুরআনের আলো গ্রহণের প্রথম ধাপ।

২| তিলাওয়াত (التلاوة) আল্লাহ বলেন, আর ধীরে ধীরে সুন্দরভাবে কুরআন তিলাওয়াত করো। (সূরা আল-মুযাম্মিল: ৪)
- তিলাওয়াত অর্থ শুধুমাত্র উচ্চারণ নয়, বরং তা শুদ্ধভাবে, যথাযথ উচ্চারণে এবং যথাসম্ভব অর্থ বুঝে পাঠ করাকে বোঝায়। কুরআনের প্রতিটি শব্দ পবিত্র, আর তাই তার প্রতি সম্মান দেখিয়ে পাঠ করাও আমাদের দায়িত্ব।

৩| মুখস্থ করা (الحفظ) রাসূল (সা.) বলেছেন, যার অন্তরে কুরআনের কিছুই নেই, সে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত ঘরের মতো। (হাদীস - তিরমিজি)
- কুরআন মুখস্থ করা শুধু হিফজ বিভাগের ছাত্রদের দায়িত্ব নয়। প্রতিটি মুসলমানের উচিত অন্তত কিছু পরিমাণ আয়াত বা সূরা মুখস্থ করা, যাতে সে নামাযে তা পাঠ করতে পারে এবং কুরআন তার হৃদয়ে জীবন্ত থাকে।

৪| চিন্তা-ভাবনা (التدبر) আল্লাহ বলেন, তারা কি এ কিতাব নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করে না? (সূরা আন-নিসা: ৮২)
- কুরআনের চতুর্থ অধিকার হলো – তা নিয়ে চিন্তা করা। কুরআনকে শুধু আবৃত্তির গ্রন্থ হিসেবে দেখলে চলবে না, বরং এর অর্থ নিয়ে ভাবা, অনুধাবন করা এবং জীবনযাত্রায় প্রয়োগ করার ইচ্ছা থাকা উচিত।

৫| অনুসরণ (العمل بالقرآن) আল্লাহ বলেন, তোমাদের উপর এই কিতাব নাযিল করেছি, যাতে তারা তা নিয়ে চিন্তা করে এবং যারা বোধশক্তিসম্পন্ন, তারা উপদেশ গ্রহণ করে। (সূরা ছোয়াদ: ২৯)
- শুধু পাঠ বা শ্রবণ নয়, কুরআনের আসল উদ্দেশ্য হলো তা অনুসরণ করা। জীবনযাপনের প্রতিটি দিক—ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়—সকল দিকই কুরআনের আলোকে পরিচালিত হওয়া উচত।

আল্লাহ আমাদের জীবনকে কুরআনের আলোয় আলোকিত করে দিক।(আমিন)

•• সংগৃহিত

📅 তারিখ: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রবিবার রাত📍 বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান: হ্যাঁ⏰ সময় (ঢাকা সময়):✅ শুরু: রাত ৯:২৮ মিনিট✅ আংশিক গ্রহ...
06/09/2025

📅 তারিখ: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রবিবার রাত
📍 বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান: হ্যাঁ

⏰ সময় (ঢাকা সময়):
✅ শুরু: রাত ৯:২৮ মিনিট
✅ আংশিক গ্রহণ: রাত ১০:৩২ মিনিট
✅ পূর্ণ গ্রহণ (ব্লাড মুন): রাত ১১:৩১ থেকে ১২:৪৪
✅ শেষ: রাত ২:৫৫ মিনিট

🕌
কুরআন থেকে

👉 আল্লাহ তাআলা বলেছেন:

> "সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনগুলোর মধ্যে দুইটি।"
(সূরা ইউনুস 10:5, সূরা ইয়াসিন 36:38-40)

এখানে বোঝানো হয়েছে— সূর্য ও চন্দ্র কোনো মানুষের জন্ম-মৃত্যুর কারণে গ্রহণ হয় না; এগুলো আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন।

---

হাদীস থেকে

১. গ্রহণ আল্লাহর নিদর্শন, কুসংস্কার নয়

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

> “সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শন দুইটি। এগুলো কারও মৃত্যু বা জন্মের কারণে গ্রহণ হয় না। যখন এগুলো দেখা যায়, তখন তোমরা নামাজ পড় ও আল্লাহর কাছে দোয়া কর।”
📚 (সহীহ বুখারী: 1043, সহীহ মুসলিম: 901)

---

২. গ্রহণের সময় নামাজ আদায় করা

> “রাসূলুল্লাহ ﷺ চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণের সময় দুই রাকাআত নামাজ পড়েছেন।”
📚 (সহীহ বুখারী: 1050, সহীহ মুসলিম: 901)

এ নামাজকে বলা হয় সালাতুল কুসূফ (সূর্যের জন্য) ও সালাতুল খুসূফ (চাঁদের জন্য)।

---

৩. ইবাদতে মনোযোগ দেওয়া

> “তোমরা যখন এগুলো (সূর্য-চন্দ্র গ্রহণ) দেখতে পাও, তখন নামাজ পড়, দোয়া কর, আল্লাহকে স্মরণ কর, ইস্তিগফার কর এবং দান-সদকা কর।”
📚 (সহীহ বুখারী: 1044, সহীহ মুসলিম: 901)

---

গর্ভবতী নারী সম্পর্কিত

কোনো হাদীস, আয়াত বা সাহাবাদের আমল থেকে গর্ভবতী নারীদের জন্য বিশেষ কোনো নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়নি।
👉 অর্থাৎ: বাইরে যাওয়া, খাবার খাওয়া, ধারালো জিনিস ব্যবহার, পেট ঢেকে রাখা— এগুলো লোকাচার/কুসংস্কার, ইসলামে এর কোনো ভিত্তি নেই।

---

✅ সংক্ষেপে রেফারেন্স অনুযায়ী:

1. সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ আল্লাহর নিদর্শন, কুসংস্কার নয়। (বুখারী 1043, মুসলিম 901)

2. এসময় মুসলিমদের উচিত নামাজ পড়া, দোয়া, ইস্তিগফার ও সাদকা করা।

3. গর্ভবতী নারী বা সাধারণ মানুষের জন্য আলাদা কোনো বিধি নেই।

20/08/2025

নিয়ামত হারানোর শুরুটা হয়—একটা গুনাহ দিয়ে।🥀

মানুষ যখন গুনাহ করে, তখন আল্লাহর কোনো না কোনো নিয়ামত তার জীবন থেকে সরে যায়। আল্লাহর প্রতি অনুতপ্ত হয়ে যদি বান্দা ফিরে আসে, তাওবাহ করে তবে সেই নিয়ামত বা অনুরূপ কোনো বরকত আবার ফিরে আসে।

কিন্তু যদি সে গুনাহর উপর অটল থাকে, অনুতপ্ত না হয়, ফিরে না আসে—তাহলে সেই নেয়ামত আর ফিরে আসে না।
এভাবে একে একে গুনাহগুলো তার জীবনের নেয়ামতগুলো ছিনিয়ে নিতে থাকে। একসময় সে নিঃস্ব হয়ে পড়ে—বাহ্যিকভাবে হয়তো নয়, কিন্তু আভ্যন্তরীণভাবে।

> – ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ) সূত্রঃ ত্বরীকুল হিজরাতাইন, পৃষ্ঠা ২৭১

11/08/2025

নাফসের বিরুদ্ধে জয় পাওয়ার কিছু সুস্পষ্ট লক্ষণ:

• স্বভাবগতভাবে দৃষ্টি নিচু হয়ে যায় — হারাম থেকে চোখ ফেরানো সহজ হয়ে যায়
• হারামের প্রতি মনে গা-ঘিনঘিনে বিরক্তি তৈরি হয়
• সালাত আর বোঝা মনে হয় না, বরং হৃদয় প্রশান্ত হয়
• ঘুম থেকে আগেই উঠে যাওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়
• জিকির ও ইস্তেগফার বেশি বেশি করতে ইচ্ছে করে

এগুলো ইঙ্গিত দেয়, আপনি আপনার নাফসকে নিয়ন্ত্রণে আনতে শুরু করেছেন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। আলহামদুলিল্লাহ — এটাই প্রকৃত আত্মশুদ্ধির সূচনা।

30/06/2024

"হাদিস টা পড়ুন খুশিতে কাঁন্না চলে আসবে আল্লাহ যে' কত মহান।
হযরত মুসা (আঃ) একদিন আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসা করলেনঃ
হে প্রভু! আমার অনুসারীদের মধ্যে কে সবচেয়ে বড় পাপি?"
আল্লাহর উত্তরঃ "যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই পথ অতিক্রম করবে, সে ব্যক্তি-ই হলো তোমার অনুসারীদের মধ্যে বড় পাপি"
আল্লাহর কথানুযায়ী হযরত মুসা (আঃ) বসে দেখছেন, কিছুক্ষণ পর দেখলেন এক ব্যাক্তি ছোট একটি ছেলেকে কোলে করে পথ অতিক্রম করছে।
হযরত মুসা (আঃ) বুঝে ফেললেন এই সেই বড় পাপি
হযরত মুসা (আঃ) আল্লাহ কে বললেনঃ হে"প্রভু, এখন আমাকে সবচেয়ে নেকী মানুষটিকে দেখান।"
আল্লাহর উত্তরঃ "সূর্য ডুবার সাথে সাথে যে লোকটি তোমার পূর্বস্থান দিয়ে চলে যাবে সেই হইলো সবচেয়ে নেকী"
হযরত মুসা (আঃ) সূর্য ডুবার বেশ আগের থেকে বসে রইলেন যেই সূর্য ডুবছিলো দেখলেন সে সকালের ঐ ব্যাক্তি-ই ছোট ছেলেকে কোলে করে ফিরে যাচ্ছে।
মুসা (আঃ) হতভম্ব হয়ে আল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ "প্রভু একই ব্যক্তি মহা পাপি আবার মহা নেকী" .
আল্লাহ বললেনঃ "হে- মুসা! সকালে যখন এই ব্যাক্তি ছেলেকে সাথে নিয়ে তোমাকে অতিক্রম করে জঙ্গলে প্রবেশ করলো, তখন কোলের ছেলেটি বাবাকে প্রশ্ন করে ছিলো, বাবা!
এই জঙ্গল কতবড়?
বাবা উত্তরে বলেছিলো,অনেক বড়।
ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, বাবা! জঙ্গল থেকে কি বড় কোনো কিছু আছে?
তখন বাবা বলেছিলো, হ্যাঁ বাবা! ঐ পাহাড়গুলো জঙ্গল থেকে বড়। ছেলে পুনরায় প্রশ্ন করলো,পাহাড় থেকে কি বড় কিছু আছে?
বাবা বললো, আছে, এই আকাশ।
ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, আকাশ থেকে কি বড় কিছু আছে?
সেই ব্যক্তি বললো, হ্যাঁ, আমার পাপ এই আকাশ থেকেও বড়। ছেলে বাবার এ উত্তর শোনে বললো, বাবা!
তোমার পাপ থেকে বড় কি কোনো কিছু নেই?
তখন বাবাটি চিৎকার দিয়ে ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললো আমার পাপ থেকেও অনেক অনেক বড় আমাদের আল্লাহর রহমত।
হে-মুসা! এই ব্যক্তির পাপের অনুভূতি ও অনুশোচনা আমার এতোই পছন্দ হয়েছে যে সবচেয়ে পাপি ব্যক্তিকে সবচেয়ে' নেককার ব্যক্তি বানিয়ে দিয়েছি।
মনে রেখো আমার শাস্তির হাত থেকে ক্ষমার হাত বহুগুন বড়।
হে আল্লাহ আপনি আমাদের সকলকে পিছনের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে সামনের দিনগুলোকে সত্যপথে চলার তাওফিক দান করুন"
আমিন
রাসূল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ ওই ব্যক্তির চেহারা উজ্জ্বল করে দেন,যে আমার কোনো হাদিস শুনেছে। অতঃপর অন্যের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।
আবু দাউদঃ ৫১৫

28/06/2024
14/05/2024

আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন কর,

اِهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيْمَ ۙ

সূরা নম্বর: ১ আয়াত নম্বর: ৬

10/04/2024

🌙
সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।

11/03/2024

এই রামাদান হোক জীবনের শ্রেষ্ঠ রামাদান। আমরা ১৫টি কাজের মাধ্যমে এবারের মাহে রামাদানকে স্পেশাল বানাবো, ইনশাআল্লাহ।
১) প্রতিদিন অন্তত ৪ রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করবো এবং কিছু সময় আন্তরিকভাবে দু‘আয় কাটাবো। শেষ রাতের দু‘আ ও ইস্তিগফার আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
২) সারা মাসে কমপক্ষে একবার কুরআন পড়ে শেষ করবো। বিশেষভাবে রাতের বেলা কিছু সময় তিলাওয়াত করবো। রাতের তিলাওয়াতের মর্যাদা অনেক বেশি।
৩) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আওয়াল ওয়াক্তে (ওয়াক্তের শুরুতেই) পূর্ণ আন্তরিকতার সাথে আদায় করবো। পুরুষরা অবশ্যই জামাতের সাথে নামাজ আদায় করবো। ধীরে-সুস্থে তারাবি পড়বো। বাসায় তারাবি পড়লে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জামাতের সাথে পড়বো এবং নারীদেরকেও শামিল রাখার চেষ্টা করবো। তাঁদের কাতার হবে সবার শেষে। নারীদের কাতারে কোনো পুরুষ থাকবে না।
৪) গুনাহ থেকে বেঁচে থাকবো: বিশেষত রোজা অবস্থায় চোখ, কান এবং জিহ্বা দিয়ে কোনো ছোট গুনাহও করবো না। টেলিভিশন যদি কেউ দেখতেই চান, তাহলে সতর্কতার সাথে ইসলামি অনুষ্ঠানগুলো দেখা যেতে পারে। এর বেশি কিছু অবশ্যই নয়।
৫) প্রয়োজন ব্যতীত অনলাইনে আসবো না। কারণ অনলাইন হলো গুনাহের মহাসমুদ্র। ইউটিউব, ফেইসবুক, টিকটকে ডুবে যাবো না।
৬) সারা মাসে অন্তত একবার আত্মীয়দের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করবো অথবা ফোন করে খোঁজ-খবর নেবো। আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফরজগুলোর একটি।
৭) প্রতিদিন অন্তত ২/৩ ঘণ্টা সময় কুরআন তিলাওয়াত, হিফজ এবং কুরআনের অর্থ ও তাফসির পাঠে ব্যয় করবো। সম্ভব হলে সম্মিলিতভাবেও এই কাজটি করা যায়। কুরআন এবং রামাদান একই সূত্রে গাঁথা।
৮) সাধ্যানুযায়ী পুরো মাস জুড়ে অসহায় ও দরিদ্রদের দান-সাদাকাহ করবো। এক্ষেত্রে নিজ আত্মীয়দের প্রাধান্য দেবো। এটিই ইসলামের নির্দেশনা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে এমন অনেক পরিবার খাদ্যসংকটে আছে, যারা লজ্জায় কারও কাছে হাত পাততে পারে না; তাদেরকে খুঁজে বের করে সাধ্যানুযায়ী হেল্প করবো। এটি বিরাট নেকির কাজ হবে। বিশেষ করে তাদের সাহরি ও ইফতারের খোঁজ নেবো।
৯) মনের সংকীর্ণতা দূর করে উদারচিত্তে সবাইকে ক্ষমা করে দেবো। বিনিময়ে আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করে দেবেন। কুরআন ও হাদিসে এই ওয়াদা আছে।
১০) রামাদানের শেষ দশকে ইবাদাতে ডুবে যাবো এবং লাইলাতুল কদর তালাশ করবো; শুধু ২৭ তম রাতেই নয়, শেষ দশকের প্রতিটি রাতেই; বিশেষত বিজোড় রাতগুলোতে।
১১) সাহরি ও ইফতারে খাবারের অপচয় করবো না এবং খাবার নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা, কথা-বার্তা ও হৈ-হুল্লোড় করবো না। খাবার তৈরিতে বাসার নারীদের যথাসাধ্য সহযোগিতা করবো এবং কোনো খাবার পছন্দ না হলে মেজাজ দেখাবো না। কেউ ইচ্ছা করে খাবার বিস্বাদ করে না। সবাই সাধ্যানুসারে ভালো করারই চেষ্টা করে। কারণ যে রাঁধে, সে নিজেও সেই খাবার খায়।
১২) নামাজের পর, সকাল-সন্ধ্যায় ও ঘুমের আগে-পরের মাসনুন যিকরগুলো গুরুত্বের সাথে পড়বো। বিশেষ করে, আয়াতুল কুরসি ও ৩ তাসবিহ নিয়মিত আদায় করবো। পাশাপাশি দোহার/চাশতের নামাজে অভ্যস্ত হবো। প্রতিদিন অন্তত ৪ রাকাত আদায় করবো।
১৩) সারা মাস তাওবাহ-ইস্তিগফারে লেগে থাকবো। সাহরি ও ইফতারের সময়ে দু‘আয় কিছু সময় কাটাবো। এ দুটো সময়ে দু‘আ কবুল হয়। রামাদানে মুমিনের প্রধান কাজ হলো, নিজের গুনাহগুলো মাফ করানো। তাই, এটিই হোক আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
১৪) আমরা যারা গিবত, গান শোনা, নাটক-মুভি দেখা, পর্নোগ্রাফি, কুদৃষ্টি, কুধারণা, লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ, অহংকার এবং অন্যান্য গুনাহ থেকে বের হতে পারছি না, বরং এগুলো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, তারা রামাদানের দীর্ঘ এক মাসের কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সংশোধন করে নিতে পারি। যারা অনলাইন গেইম এবং খেলা দেখায় আসক্ত, তারাও নিজেদের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারি। দৃঢ়প্রতিজ্ঞা, কঠোর সাধনা এবং দু‘আ-কান্নাকাটির মাধ্যমে আমরা আমাদের বদঅভ্যাসগুলো পরিবর্তন করতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।
১৫) এই রামাদানই হতে পারে আমাদের অনেকের জীবনের শেষ রামাদান। তাই, হাসি-ঠাট্টা, ফূর্তিবাজি ও গতানুগতিক উদ্দেশ্যহীন জীবনযাপন বাদ দিয়ে যথাসাধ্য তাকওয়া, বিনয় ও গাম্ভীর্যের সাথে এমনভাবে এই রামাদান কাটাবো, যেন সবাই আমরা মৃত্যুপথযাত্রী। এই অনুভূতি ধারণ করে রামাদানের মহামূল্যবান সময়গুলো কাজে লাগাবো।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা এগুলোর উপর আমল করার তাওফিক দিন, আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করুন এবং তাঁর সন্তুষ্টির উপর মৃত্যু দিয়ে কবরবাসী করুন। আমিন।
সবাইকে পবিত্র রামাদানের শুভেচ্ছা। আল্লাহ আমাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when I Love Allah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to I Love Allah:

Share