Islamic Encyclopedia Research Council

Islamic Encyclopedia Research Council It is an organization to research Qur'an, Hadith, Seerat, Fiqh, History. It is an Islamic Research Center

প্রাথমিক আরবি ভাষা ও কোরআনের অর্থ অনুধাবন কোর্সএ কোর্সটি হল জেনারেল শিক্ষিতদের জন্য যারা আরবি ভাষা শিখতে চাচ্ছেন এবং কোর...
05/04/2026

প্রাথমিক আরবি ভাষা ও কোরআনের অর্থ অনুধাবন কোর্স
এ কোর্সটি হল জেনারেল শিক্ষিতদের জন্য যারা আরবি ভাষা শিখতে চাচ্ছেন এবং কোরআনের অর্থ অনুধাবন করতে চাচ্ছেন। আরবি ভাষা হল মুসলিমদের নৈতিক ভাষা। তাই এ ভাষা শেখার গুরুত্ব অপরিসীম। কোরআন বোঝার জন্য আরবি ভাষা শেখাও একটি এবাদত। এ কোর্স করার জন্য শিক্ষার্থীকে কোরআন শরীফ পড়া জানতে হবে। আরবি ভাষা শুরু থেকে শেখানো হবে এবং কোরআনের এর ব্যবহার দেখানো হবে। আর নামাযে অধিক পঠিত ত্রিশ পারার সূরাগুলোর প্রতিটি আয়াতের শব্দাবলীর অর্থ ভেঙ্গে ভেঙ্গে বোঝানো হবে, ইন শা আল্লাহ। আশাকরি এ কোর্সটি শিক্ষানবিশদের জন্য বেশ উপকারী হবে, ইন শা আল্লাহ।
কোর্সটি অনলাইন এবং অফলাইন হবে। অফলাইনের ক্ষেত্রে মহিলাদের পৃথক ব্যাচ রয়েছে। তবে অনলাইনের ক্ষেত্রে মহিলাদের পৃথক কোনো ব্যাচ নেই।
কোর্সের মেয়াদ: ৩ মাস।
কোর্স ফি: ৩০০০ টাকা।
ক্লাস: সকাল ৬:৩০-৭:৩০ (অফলাইন পুরুষ)
ক্লাস: রাত ৯:৩০-১০:৩০ (অনলাইন পুরুষ ও মহিলা)
ক্লাস: বিকেল: ৫:১৫-৬:১৫ বা আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত (অফলাইন মহিলা)
গুগল ফরম লিঙ্কঃ
https://forms.gle/RWLJ6VnQLqG2CiT2A
ভর্তিচ্ছুক ভাইদের প্রতি অনুরোধ, গুগল ফরমটি পূরণ করে
বিকাশ পার্সোনাল 01710909216
নগদ পার্সোনাল 01648453132 প্রদেয় অর্থ প্রদান করে আপনার রেজিস্ট্রি কনফার্ম করুন।

কোর্স পরিচালনায়ঃ
কামারুজ্জামান বিন আব্দুল মালেক আল-আযহারী
দাওরা হাদিসঃ জামিয়া আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।
বি.এ. অনার্স হাদিস ডিপার্টমেন্টঃ আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়
মাস্টার ও এম.ফিলঃ কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়
এম.ফিলের বিষয়ঃ উলূমুল হাদিস
যোগাযোগঃ
আল-মুসতাকবাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট
বাড়ি # ৩৫, রোড # ১৭, সেক্টর # ১৪, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।

আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা  আপনি কি আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আগ্রহী? আপনি কি আরবি ভাষা নিয়ে চিন্তিত? তাহলে আপন...
30/04/2025

আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা

আপনি কি আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আগ্রহী? আপনি কি আরবি ভাষা নিয়ে চিন্তিত? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে তিনমাস মেয়াদি ইনটেন্সিভ কোর্স যেখানে আরবি ভাষা, হিওয়ার ও নাহু-সরফ শেখানো হবে যাতে দেরাসা খাসসায় তাহদীদে মুসতাওয়ায় ভালো ফলাফল করতে পারেন। তবে কোর্স করা বাধ্যতামূলক নয়। সকলের জন্য ভিসা ও যাবতীয় প্রসেসিং এর কাজে সহযোগিতা করা হয়।

কোর্স বিষয়ক তথ্যঃ
ক্লাস শুরুঃ ১৫/০৫/২৫ খ্রিঃ
সপ্তাহে পাঁচ দিন (শনি - বুধ)। প্রতিদিন দুই ঘণ্টা থেকে আড়াই ঘণ্টা, প্রয়োজনে তিন ঘণ্টা।
অনাবাসিক কোর্স ফিঃ দশ হাজার টাকা।
প্রতিমাসেই নতুন ব্যাচ।
কোরবানীর ঈদের পর থেকে আবাসিক সার্ভিস চালু হবে, ইন শা আল্লাহ।

কোর্স চলাকালীন সময়ে যাবতীয় প্রসেসিং চলতে থাকে এবং কোর্স শেষ হওয়া মাত্রই ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়। আর যারা এখানে কোর্স করবেন না তাদের জন্য যাবতীয় কার্যপ্রক্রিয়া শেষ করে দুই মাসের মধ্যে ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়। এবং সেখানে পৌঁছার পর বাসস্থান ও ভর্তির ব্যাপারে সহযোগিতা করা হয়।

যা লাগবেঃ
১। পাসপোর্ট।
২। কওমী মাদরাসার ছাত্রদের জন্য কমপক্ষে শরহে বেকায়ার সার্টিফিকেট লাগবে। আলিয়া মাদরাসার ছাত্রদের জন্য কমপক্ষে আলিম সার্টিফিকেট লাগবে। আর জেনারেল ছাত্রদের জন্য আলিম সমমান তথা উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট লাগবে।
৩। এছাড়াও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন মেডিক্যাল চেকআপ, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং অন্যান্য বিষয় প্রয়োজন অনুযায়ী।

কোর্স পরিচালনা, সার্বিক সহযোগিতা ও বিস্তারিত জানতেঃ
কামারুজ্জামান বিন আব্দুল মালেক আল-আযহারী
যোগাযোগঃ
আল-মুসতাকবাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট
বাড়ি # ৩৫, রোড # ১৭, সেক্টর # ১৪, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
মোবাইলঃ 01648453132

মানবসৃষ্টিيَخْرُجُ مِنْ بَيْنِ الصُّلْبِ وَالتَّرَائِبِশব্দার্থঃ يَخْرُجُ = বের হয়। مِنْ = থেকে।بَيْنِ  = মধ্যবর্তী। الص...
06/03/2025

মানবসৃষ্টি

يَخْرُجُ مِنْ بَيْنِ الصُّلْبِ وَالتَّرَائِبِ

শব্দার্থঃ يَخْرُجُ = বের হয়। مِنْ = থেকে।بَيْنِ = মধ্যবর্তী। الصُّلْبِ = মেরুদণ্ড। وَ = ও, এবং। التَّرَائِبِ = বুক, বক্ষপঞ্জর বা বুকে হার পরিধানের স্থান।
অর্থঃ যা নির্গত হয় মেরুদণ্ড ও বক্ষপঞ্জরের মধ্য থেকে। [আয়াত ৭]

তাৎপর্যঃ
এটা একটি জীববিজ্ঞান বিষয়ক আয়াত যা মানবসৃষ্টি সংক্রান্ত। এ ব্যাপারে তৎকালীন আরবদের কোনো জ্ঞান ছিল না। এমনকি রাসূলুল্লাহ স.ও জানতেন না। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তাঁকে স. জানিয়েছেন। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় তৎকালীন মুফাসসিরগণ তাদের জ্ঞান অনুযায়ী ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। কিন্তু এ আয়াত দ্বারা মূলত কী বোঝানো হয়েছে সে বিষয়ে আধুনিক বিজ্ঞান কী বলে তা জানব। তবে তার আগে পূর্ববর্তী মুফাসসিরগণ এ আয়াতের ব্যাখ্যায় কী বলেছেন তা সংক্ষিপ্তাকারে আলোচনা করছি। এ বিষয়ে অনেক মতামত আছে কিন্তু আমি সব উল্লেখ করছি না। আধুনিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কোনটা উদ্দেশ্য সেদিকেই আমি বেশি দৃষ্টিপাত করব।
يَخْرُجُ : বের হয় বা পানি বের হয়।
الصُّلْبِ : মেরুদণ্ড বা পৃষ্ঠদেশের হাড়।
التَّرَائِبِ : হাড়সমূহ বা বুকের পাঁজরের হাড়। এর একবচন হল اَلتَّرِيبَةُ। উদ্দেশ্য হল, বুক বা হার পরিধানের স্থান বা বুকের উপরিভাগের ডানপাশের চারটি হাড় এবং বামপাশের চারটি হাড়। اَلتَّرَائِبُ বলে নারীর বুককে উদ্দেশ্য করা হত তৎকালীন যুগে। কিন্তু এ শব্দটি পুরুষের বেলাতেও প্রযোজ্য।

اَلصُّلْبِ ও اَلتَّرَائِبِ শব্দদ্বয়ের তাৎপর্যঃ
ব্যাখ্যাতাগণ এই اَلصُّلْبِ ও اَلتَّرَائِبِ শব্দদ্বয়ের ব্যাখ্যায় মতভেদ করেছেন। এক মত হল, اَلصُّلْبُ বা মেরুদণ্ড বলতে উদ্দেশ্য হল, পুরুষের মেরুদণ্ড। আর اَلتَّرَائِبُ বলতে উদ্দেশ্য হল, নারীর বুক। তা হলে অর্থ দাঁড়ায়, যে পানি নির্গত হয় পুরুষের মেরুদণ্ড থেকে এবং নারীর বুক থেকে। অর্থাৎ- যে পানি বা বীর্য [পুরুষের শুক্রাণু ও নারীর ডিম্বাণু] দ্বারা সন্তান সৃষ্টি হয়, তা পুরুষের পিঠ বা মেরুদণ্ড থেকে নির্গত হয়, এবং নারীর বুক থেকে নির্গত হয়। কিন্তু এ মতটি শুদ্ধ নয়। যদি তাই হত, তাহলে আল্লাহ مِنْ بَيْنِ الصُّلْبِ وَالتَّرَائِبِ না বলে مِنَ الصُّلْبِ وَالتَّرَائِبِ বলতেন। مِنْ بَيْنِ الصُّلْبِ وَالتَّرَائِبِ মানে পৃষ্ঠ ও বক্ষপঞ্জরের মধ্য থেকে। আর مِنَ الصُّلْبِ وَالتَّرَائِبِ মানে পৃষ্ঠ বা মেরুদণ্ড ও বুক থেকে।
ইমাম কুরতুবী আল-হাসান থেকে বর্ণনা করেন, ‘পানি যা বের হয় পুরুষের পৃষ্ঠ ও বক্ষপঞ্জর থেকে, এবং নারীর পৃষ্ঠ ও বক্ষপঞ্জর থেকে।’( ) আল-হাসান-এর কথার তাৎপর্য হল, তা নির্গত হয় একটি দেহ থেকে তথা পুরুষের দেহ থেকে এবং নারীর দেহ থেকে। এর দ্বারা উদ্দেশ্য হল দেহ। কারণ, بَيْنِ শব্দটি ইঙ্গিত দেয়, এটা বের হয় এমন স্থান থেকে যেটা দুইটি বস্তুর মাঝে। আর একজন মানুষের মূল দেহ হল তার পিঠ ও বুক। এ-দু’টির সমন্বয়ে গঠিত হয় তার দেহ। অর্থাৎ- পানি বের হয় দেহ থেকে। তাহলে, এখানে প্রশ্ন আসে, আয়াতে مَاءٌ বা পানি একবচন উল্লেখিত হয়েছে। অথচ দ্বিবচন উল্লেখ করা প্রয়োজন ছিল। উত্তর হল, পুরুষ ও নারীর পানি মিলে একাকার হওয়ার ফলে তা একপানিতে রূপান্তরিত হয়েছে। সুতরাং এক পানিতে রূপলাভ করেছে।
এখন প্রশ্ন হল, নারীর পানি বলতে কোন পানি উদ্দেশ্য? যদি বলা হয়, মিলনকালে যে পানি বের হয় তা, তাহলে এটা আধুনিক বিজ্ঞান কর্তৃক ভুল প্রমাণিত হয়। কারণ, রতিক্রিয়ার সময় নারীর যে পানি বের হয় তা হল কামরস; তা প্রাথমিক পর্যায়ে নির্গত হোক অথবা চরমপুলকের সময় নির্গত হোক। এটা তাকে কেবল আনন্দই দেয়। এর সাথে বাচ্চা জন্মদানের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। পরন্তু, সেটা পুরুষের মত সবেগে নির্গত হয় না। তা বেয়ে বেয়ে পড়ে।
উত্তরকালে, আধুনিক বিজ্ঞানের শারীরবিজ্ঞানের সার্বিক আবিষ্কারের ফলে আমরা জানি যে, সন্তান সৃষ্টি হয় পুরুষের শুক্রাণু ও নারীর ডিম্বাণু থেকে। পুরুষের শুক্রাণু যেটা অÐকোষের মাধ্যমে তৈরি হয়ে বীর্যথলিতে অবস্থান করে। শুক্রাণুর পরিমাণ থাকে মাত্র ৩ শতাংশ, আর বীর্যবৎ পানি থাকে ৯৭ শতাংশ। অতঃপর তা রতিক্রিয়ার সময় বীর্যের সাথে নির্গত হয়। এই বীর্যথলিটি অবস্থান করে পৃষ্ঠদেশ ও বক্ষপঞ্জরের মধ্যে বা একটি দেহে। তাহলে, সবেগে পানি স্খলিত হওয়ার বিষয়টি হল, যা সবেগে নির্গত হয় বীর্যথলি থেকে, যে বীর্যথলিটি অবস্থান করে একটি দেহে তথা পৃষ্ঠদেশ ও বক্ষপঞ্জরের মধ্যে। পক্ষান্তরে, নারীর ডিম্বাণু তৈরি হয় ডিম্বাশয়ে ডিম্বোস্ফটনের মাধ্যমে। পুরুষের পানি সবেগে নির্গত হওয়া অনুধাবনীয়। কিন্তু নারীর ডিম্বাণুর বিষয়টি পুরুষের পানির মত নয়। তাহলে, কোরআনে কি কেবল পুরুষের কথাই বলেছে নাকি নারীর বিষয়টিও এর অন্তর্ভুক্ত, অথচ মানবসৃষ্টিতে উভয়েরই ভূমিকা রয়েছে?
চলুন, দেখি আধুনিক বিজ্ঞান কী বলে। পুরুষের বিষয়টি পরিষ্কার ও বোধগম্য। চলুন, দেখা যাক নারীর ডিম্বাণুর বিষয়। আমি একটি গ্রাফিয়ান ফলিকলের ডায়াগ্রাম বা নকশা উপস্থাপন করছি এবং অতঃপর তার ব্যাখ্যা প্রদান করছি। নকশাটি লক্ষ করুন যেমন ছবিতে দেয়া হয়েছে।
নারীর ডিম্বাশয়ে অনেক প্রাথমিক ফলিকল বা বীজকোষ তথা সন্তান সৃষ্টিকারী ডিম্বাণু বা পানি থাকে। পিটুইটারী থেকে হরমোন নিঃসৃত হয়ে একটি প্রাথমিক বীজকোষ বা ফলিকলকে পরিপক্ক করে। একটি পরিপক্ক বীজকোষকে graafian follicle বলে। এই গ্রাফিয়ান ফলিকল ডিম্বাণুকে নিজের মধ্যে সযত্নে ধারণ করে। এটি একটি মাত্র ডিম্বাণু ধারণ করে। একটি ফলিকলকে আল্লাহ তায়ালা ডিম্বাশয়ে অতি যত্নে গড়ে তোলেন। এটা অনেকগুলো স্তর বা layer দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। আবার তেমনি ডিম্বাণু বা o**m কয়েকটি স্তর দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে।

যেসব স্তর দ্বারা গ্রাফিয়ান ফলিকল পরিবেষ্টিতঃ
থিকা এক্সটার্না (বাহ্যিক আবরণ), থিকা ইন্টার্না (এটা ইস্ট্রজেন বা স্ত্রী-হরমোন নির্গত করে), বেইজমেন্ট মেমব্রেন, গ্রানিউলোসা সেল (এটা পুরু আবরণ যা তরল নির্গত করে এবং এটাকে লিকুউয়র ফলিকুলি বলে যা গুহাকে পরিপূর্ণ রাখে) আর গুহাকে এন্ট্রাম বলে যা তরল দ্বারা পূর্ণ থাকে। এটা ডিম্বাণুকে রক্ষা করে। এই তরল পদার্থের পরে আরেকটি সেল আছে, তাকে বলে, কিউমিউলাস অপরাস সেলস (cumulus ophorus cells)। এসব মিলে গঠিত হয় একটি পরিপক্ক বীজকোষ বা গ্রাফিয়ান ফলিকল।
আর নারীর ডিম্বাণু যতক্ষণ পর্যন্ত গ্রাফিয়ান ফলিকলে অবস্থান করে তাকে সেকেণ্ডারী উসাইট বলে। এই সেকেণ্ডারী উসাইট হল ডিম্বাণু যা শুক্রাণু কর্তৃক নিষিক্ত হওয়ার জন্য পরিপক্ক।
এই লিকুউয়র ফলিকুলি বা তরল মিউকোপ্রোটিন (mucoprotein) এবং হায়েলিউরনিক এসিড (hyaluronic acid) ধারণ করে। এটা বা এন্ট্রাম ডিম্বাণুকে যান্ত্রিক হেঁচকা বা আকস্মিক গতি (mechanical jerk) থেকে সুরক্ষিত রাখে এবং দ্বিতীয়ত এটাকে গ্রাফিয়ান ফলিকলের স্তরের দিকে চাপ দিয়ে রাখে। কারণ, যখন এই ডিম্বাণু স্তর ভেদ করে নির্গত হয়ে ফ্যালোপিয়ান টিউবে যাবে তখন এটা সহজেই নির্গত হতে পারবে। আর ঋতুচক্রের তেরতম অথবা চৌদ্দতম দিনে নির্গত হয়। পিটুইটারী থেকে তৈরি লুটেইনাইযিং হরমোন (Luteinizing Hormone) সংক্ষেপে LH বলে। এটা ডিম্বস্ফোটনের আগে উদ্ভূত হয় এবং ডিম্বাণুকে নির্গত করে বা গ্রাফিয়ান ফলিকলের স্তরগুলোকে বিদীর্ণ করে। ফলে, ডিম্বাণু বের হয়ে ফ্যালোপিয়ান টিউবে গমন করে শুক্রাণু কর্তৃক নিষিক্ত হওয়ার জন্য। আর ডিম্বাণু যে ডিম্বাশয় থেকে কয়েকটি স্তর ভেদ করে নির্গত হয়, তা ঘটে সবেগে এবং সজোরে। এখানে নারীর কোনো কর্তৃত্ব থাকে না। আল্লাহ এটাকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সবেগে নির্গত হওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন যেমন দিয়েছেন পুরুষের বীর্য নির্গত হওয়ার ক্ষেত্রে। পুরুষের বীর্যথলি থেকে সবেগে বীর্য নির্গত হওয়া এটা পুরুষ চাইলে অধিক গতিবেগে নির্গত করবে অথবা চাইলে কম গতিবেগে নির্গত করবে -এ ক্ষমতা তার হাতে নেই। এটা আপন গতিবেগে নির্গত হয়। কিন্তু মূত্র নির্গত করার ক্ষেত্রে পুরুষ চাইলে অধিক গতিবেগে অথবা শ্লথ গতিবেগে ত্যাগ করতে সক্ষম। তেমনি, নারীও তার ডিম্বাণুকে ডিম্বাশয় থেকে ইচ্ছেমতো দ্রুতগতিতে অথবা নিম্নগতিতে নির্গত করবে -এমন ক্ষমতা তার হাতে নেই। এটা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আপন গতিবেগে ফ্যালোপিয়ান টিউবে নির্গত হয়।
আর ডিম্বাণুর স্তরগুলো হল, কোরোনা রেডিয়েটা (corona radiate cells), যোনা পেলিউসিডা (zona pelucida), পেরিভিটেলাইন স্পেইস (perivitelline space), পেরিভিটেলাইন ঝিল্লি অথবা প্লাজমা ঝিল্লি বা রক্তরস ঝিল্লি (perivitelline membrane or plasma membrane)। সেকেণ্ডারী উসাইট বা ডিম্বাণুর মধ্যভাগকে সাইটোপ্লাজম (cytoplasm) বলে। এটা দুইভাগে বিভক্ত। দেয়ালঘেঁষা অংশ কিছুটা ঘণ থাকে, তাকে এগ কোরটেক্স (egg cortex) অথবা এক্টোপ্লাজম (ectoplasm) বা জীবকোষের বহিরাবরণ বলে। আর মধ্যভাগে যে সাইটোপ্লাজম থাকে, তাকে ওপ্লাজম অথবা ভিটেলাস (ooplasm or vitellus) বা কুসুম বলে। এ দু’টো মিলে গঠিত হয় সাইটোপ্লাজম। এই ওপ্লাজম নিউক্লিয়াস ধারণ করে যাকে জার্মিনাল ভেসিকল (germinal vesicle) বলে। আর নিউক্লিওলাসের (nucleolus) মধ্যে আছে জার্মিনাল স্পট (germinal)।
বলা বাহুল্য যে, পুরুষের শুক্রাণু নারীর ফ্যালোপিয়ান টিউবে ২৪ ঘণ্টা থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত জীবিত থাকে। আর নারীর ডিম্বাণু ডিম্বস্ফোটনের পর ১২ ঘণ্টা থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ফ্যালোপিয়ান টিউবে অপেক্ষা করে শুক্রাণু কর্তৃক নিষিক্ত হওয়ার জন্য।( )
আর এখানেই হাদিসের সত্যতা বেরিয়ে আসে। তা হল, রাসূলুল্লাহ স. যখন মদীনায় গেলেন, আব্দুল্লাহ বিন সালাম তাঁকে স. কয়েকটি প্রশ্ন করলেন। তন্মধ্যে একটি ছিল, কোন বস্তু সন্তানকে পিতার দিকে টানে, আর কোন বস্তু সন্তানকে মামার (মায়ের বংশ) দিকে টানে? রাসূলুল্লাহ স. এর উত্তরে বললেন, একজন পুরুষ যখন তার স্ত্রীর সাথে রতিক্রিয়া করে তখন যদি তার পানি প্রাধান্য পায় তাহলে সন্তান তার রূপলাভ করে বা তার সাদৃশ্য হয়। আর যদি স্ত্রীর পানি প্রাধান্য পায় তাহলে স্ত্রীর রূপলাভ করে বা তার সাদৃশ্য হয়।( )
স্মর্তব্য যে, এ প্রশ্নটি উম্মে সুলাইমও রাসূলুল্লাহ স. কে করে করেছিলেন যেটা সহিহ মুসলিম বর্ণনা করেছে। হাদিসে বাবা অথবা মায়ের মতো বলতে উদ্দেশ্য হল, তাদের পরিবারের কারো মতো হওয়া। সাদৃশ্য বলতে চারটি রূপ হয়। একঃ ছেলে হোক অথবা মেয়ে হোক, চেহারার সাদৃশ্য বাবার মতো বা বাবার পরিবারের অন্য কারো মতো। দুইঃ অথবা মায়ের মতো বা মায়ের পারিবারের কারো মতো। তিনঃ সন্তান ছেলে হয়ে পুংলিঙ্গ হওয়ার দ্বারা লিঙ্গের ক্ষেত্রে বাবার সাদৃশ্য লাভ করে। চারঃ সন্তান মেয়ে হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ হওয়ার দ্বারা লিঙ্গের ক্ষেত্রে মায়ের সাদৃশ্য লাভ করে।
রাসূলুল্লাহ স. যে উত্তর দিয়েছেন তা হল প্রথম দুই প্রকারের সাথে সম্পৃক্ত। অর্থাৎ- সন্তানের চেহারার মিল। যেমন, আমরা কোনো বাচ্চাকে দেখে বলি, ছেলে হোক অথবা মেয়ে হোক, বাবার মতো হয়েছে দেখতে, অথবা মায়ের মতো হয়েছে দেখতে। হাদিসের এ বাণীর সাথে আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কার মিলে যাচ্ছে। তা হল, যদি নারীর ডিম্বস্ফোটন আগে ঘটে এবং ডিম্বাণু ফ্যালোপিয়ান টিউবে এসে শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষা করে, অতঃপর যদি রতিক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং কোনো শুক্রাণু উক্ত ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে তাহলে এক্ষেত্রে সন্তানের চেহারা হবে মায়ের মতো অথবা মায়ের পরিবারের কারো মতো। কারণ, নারীর ডিম্বাণু আগে নির্গত হয়েছে। পক্ষান্তরে, রতিক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর যদি শুক্রাণু ফ্যালোপিয়ান টিউবে আগে অবস্থান করে এবং অতঃপর নারীর ডিম্বস্ফোটনের মাধ্যমে ডিম্বাণু ফ্যালোপিয়ান টিউবে এসে শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হয় তাহলে সন্তানের চেহারা হবে পিতার মতো বা পিতার পরিবারের কারো মতো। কারণ, পিতার শুক্রাণু ফ্যালোপিয়ান টিউবে আগে অবস্থান করেছে বা ডিম্বাণুর উপর প্রাধান্য পেয়েছে।
কিন্তু তিন ও চার নং প্রকারের সাথে হাদিসের ব্যাখ্যা সামঞ্জস্যশীল নয়। কারণ, পুরুষের এক্স ক্রোমোজম অথবা ওয়াই ক্রোমোজম যার ফলে সন্তান ছেলে অথবা মেয়ে হয়, তার সাথে পানি আগে নির্গত হওয়া অথবা পরে নির্গত হওয়ার সাথে কোনো সম্পর্ক নাই। কারণ, বিষয়টি এমন নয় যে, ডিম্বস্ফোটনের আগে যদি পুরুষের পানি নির্গত হয় তাহলে ফ্যালোপিয়ান টিউবে ওয়াই ক্রোমোজম অবস্থান করবে যারফলে সন্তান ছেলে হবে, আর পরে হলে এক্স ক্রোমোজম অবস্থান করবে যারফলে সন্তান মেয়ে হবে।
তাহলে আল্লাহ তায়ালা পৃষ্ঠদেশ ও বক্ষপঞ্জরের মধ্যে থেকে যা বের হয় না বলে যা বের হয় বীর্যথলি থেকে এবং যা বের হয় ডিম্বাশয় থেকে বলতে পারতেন। তিনি তা না বলে বলেছেন যা নির্গত হয় পৃষ্ঠ ও বক্ষপঞ্জরের মধ্যে থেকে বা একটি দেহ থেকে, এমন বলেছেন কেন? এখানে বিষয়টিকে ভিন্নভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তা হল, রতিক্রিয়ার সময় যখন বীর্য নির্গত হয়, তখন পুরুষ বলতে পারে না এটা মূলত কোথা থেকে নির্গত হয়। এর আনন্দ সারাদেহ জুড়ে বিস্তৃত হয়। আর এজন্যই রতিক্রিয়া সম্পন্ন করার পর সারাদেহ ধৌত করাকে ফরজ করা হয়েছে।

পক্ষান্তরে, নারীর ডিম্বস্ফোটন হওয়ার পর তার দেহেও কিছু পরিবর্তন ঘটে। যেমনঃ
একঃ দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কিছুটা কমে যায়। আর এটা ঘটে থাকে প্রোজেস্ট্রন হরমোনের পরিবর্তনের কারণে।
দুইঃ তার কণ্ঠ একটু ভারী শোনায়।
তিনঃ তার দেহ থেকে একপ্রকার ঘ্রাণ নিঃসৃত হয়।
চারঃ অনুভূতিশক্তি স্পর্শকাতর হয়। বিশেষ করে, স্পর্শ করা ও দৃষ্টিশক্তি।
পাঁচঃ সে সুগন্ধিত পুরুষের প্রতি আকর্ষণ বোধ করে।
ছয়ঃ যোনিপথ ঈষৎ স্বচ্ছ ও সাদাটে হয়।
সাতঃ নারী তার পেটে কিছুটা খিঁচুনী অনুভব করে।
আটঃ যৌনমিলনে আগ্রহ বোধ করে।
নয়ঃ ঋতু ব্যতীতও এমনি রক্ত পড়তে পারে অথবা সাদা¯স্রাব নির্গত হতে পারে। কারণ, হরমোনের পরিবর্তন ঘটে।
দশঃ স্তন স্ফীত, ভারী হয়। হালকা ব্যথা অনুভূত হয় এবং স্পর্শে তা ঈষৎ নরম ও কোমল অনুভূত হয়।
এগারঃ গর্ভাশয়ে কিছুটা স্ফীতি ভাব অনুভব করে।
বারঃ কিছুটা ক্লান্তি ও ঝিমুনী অনুভূত হয়।( )

নারীর ডিম্বস্ফোটন বিষয়টিও তার সারাদেহে প্রভাব বিস্তার করে। তাই উক্ত পানি মনে হয় যেন সারাদেহ থেকেই নির্গত হয়। এখন আরেকটি প্রশ্ন হল, এ বিষয়টি নিয়ে আল্লাহ মানুষকে গবেষণা করতে বলেছেন কেন? আধুনিক বিজ্ঞানের মাধ্যমে বিষয়টি আরো সুস্পষ্ট হয়ে গেছে। গবেষণা করার কারণ দুইটি। একঃ একজন মানুষের সৃষ্টি অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্বে এসেছে। সুতরাং, তার পুনরুজ্জীবিত হওয়া অসম্ভব কিছু নয়। দ্বিতীয়তঃ সাধারণভাবে দেখা যায় শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর সংমিশ্রণে সন্তানের জন্ম। সহজেই বলা যায়, বাবা-মার রতিক্রিয়ায় সন্তানের জন্ম। কিন্তু এখানে বিষয়টি আরো গভীরভাবে প্রোথিত। বাবা-মা’র দৈহিক মিলনে সন্তানের জন্ম বিষয়টি সহজবোধ্য ও স্পষ্ট। কিন্তু কথা হল, যে পানি নির্গত হয় পুরুষের দেহ থেকে এবং নারীর দেহ থেকে, সেই নির্গমন প্রক্রিয়ায় পুরুষেরও হাত নেই-নারীরও হাত নেই। যদি নির্গমন বন্ধ হয়ে যায় তারা কেউ-ই তা নির্গত করতে সক্ষম হবে না। কিন্তু আল্লাহ এটা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে নির্গত হওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। সুতরাং, সন্তান জন্মদানে বাবা-মা’র ভূমিকাও এক্ষেত্রে ক্ষীণ হয়ে দেখা দেয়। এখানে বাবা-মা’র ইন্দ্রিয় সম্ভোগটাই লাভ। এখানে পর্যবেক্ষণযোগ্য বিষয় হল, যে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পানি দ্বারা সন্তান জন্মদানের ব্যবস্থা করেছেন, সেই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতেই তাকে পরকালে পুনরায় জীবনদান করা হবে। পানি যেমন এÑদুনিয়ায় মানবজন্মের জন্য বীজকোষ, তেমনি পুচ্ছাস্থি (coccyx) হল পরকালে পুনরুজ্জীবনলাভের বীজকোষ।
এখানে আরেকটি প্রশ্ন দেখা দেয়, পানি বা শুক্রাণু ও ডিম্বাণু পুরুষ ও নারীর -উভয়েরই। তাহলে পূর্বের আয়াতে مَاءٌ বা পানি শব্দটি একবচন উল্লেখ করা হল কেন? এর উত্তর হল, আয়াতে مَاءٌ বা পানি শব্দটি نَكِرَةٌ বা অনির্দিষ্ট। এর অধীন একাধিক অন্তর্ভুক্ত। আর উক্ত আয়াতে আরেকটি উত্তর অতিক্রান্ত হয়েছে।
এ ব্যাখ্যাটি হল যদি يَخْرُجُ ক্রিয়ারفَاعِلٌ বা কর্তৃকারক مَاءٌ دَافِقٌ বা বেগবান পানি হয়। কিন্তু ড. মুহাম্মাদ আল-বার এখানে ভিন্ন একটি ব্যাখ্যা প্রদানের প্রয়াস পেয়েছেন। তিনি يَخْرُجُ ক্রিয়ারفَاعِلٌ বা কর্তৃকারক مَاءٌ دَافِقٌ বা বেগবান পানিকে গ্রহণ করেননি। তিনি উক্ত ক্রিয়ার কর্তৃকারক সাব্যস্ত করেছেন ইনসান বা মানুষকে। কারণ, পরের আয়াতে আল্লাহ বলেন, إِنَّهُ عَلَى رَجْعِهِ لَقَادِرٌ -অর্থাৎ- নিশ্চয় তিনি তাকে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম। এখানে رَجْعِهِ এর هِ সর্বনামটির আরোপ হল ইনসান বা মানুষ। সুতরাং يَخْرُجُ ক্রিয়ারفَاعِلٌ বা কর্তৃকারক হল মানুষ। এখানে বেগবান পানি কর্তৃকারক হবে না। তখন এর তাৎপর্য হবে, মানুষ হল দুই প্রজাতি। পুরুষ ও নারী। অর্থাৎ- মানুষ যেন দৃষ্টি দেয় বা গবেষণা করে তাকে কোন বস্তু থেকে কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুরুষ ও নারী হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে। তাকে পুরুষ অথবা নারী হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে জনন-সম্বন্ধনীয় পানি থেকে (ge***al water)। পুরুষের বীর্য তৈরি হয় অণ্ডকোষে, এবং নারীর ডিম্বাণু তৈরি হয় ডিম্বাশয়ে। এই অণ্ডকোষ এবং ডিম্বাশয় জননেন্দ্রিয় চক্র থেকে তৈরি হয় যা ভ্রæণের পৃষ্ঠদেশ ও বক্ষপঞ্জরের মাঝে বা বক্ষপঞ্জরের হাড়ের নিচে এবং কিডনির উপরে অবস্থান করে। অতঃপর ভ্রæণের বয়সের সপ্তম মাসের শেষের দিকে অণ্ডকোষ ও ডিম্বাশয় সেখান থেকে আস্তে আস্তে নিচের দিকে অবতরণ করে। পরে, পুরুষের অণ্ডকোষ শরীরের বহিরাংশে স্থাপিত হয় এবং নারীর ডিম্বাশয় পেটের ভিতরেই নিম্নদেশে অবস্থান করে। এতদসত্তে¡ও, এই অণ্ডকোষ ও ডিম্বাশয় রক্ত, ¯স্নায়ুতন্ত্র ও লিম্ফ দ্বারা সমৃদ্ধ হয়, যেগুলোর মূল নিহিত থাকে পৃষ্ঠদেশ ও বক্ষপঞ্জরের মধ্যে। অণ্ডকোষ ও ডিম্বাশয়ের ধমনী মহাধমনী (Aorta) থেকে বয়ে আসে যেটা পৃষ্ঠদেশ ও বক্ষপঞ্জরের মধ্যে থাকে। অণ্ডকোষ ও ডিম্বাশয়ের শিরা যেমন পৃষ্ঠদেশ ও বক্ষপঞ্জরের মধ্যে থাকে, তেমনি এ-দু’টির পুষ্টিকর স্নায়ু (nourishing nerves) আসে সমষ্টি স্নায়ু থেকে যা যকৃতের নিচে পৃষ্ঠদেশ ও বক্ষপঞ্জরের মাঝে অবস্থান করে। তেমনিভাবে, lymphatic vessels-ও উক্ত স্থানে অবস্থান করে। সুতরাং এর পর আর সন্দেহ থাকল না যে, অণ্ডকোষ ও ডিম্বাশয় তাদের খাদ্য, রক্ত ও ¯স্নায়ু সংগ্রহ করে পৃষ্ঠদেশ ও বক্ষপঞ্জরের মধ্যে থেকে। অণ্ডকোষ ও ডিম্বাশয় যেমন পৃষ্ঠদেশ ও বক্ষপঞ্জরের মধ্যে থেকে নিচে নেমে এসেছে, ঠিক তেমনি পুরুষের শুক্রাণু ও নারীর ডিম্বাণু তৈরির উপাদানও উক্ত পৃষ্ঠদেশ ও বক্ষপঞ্জরের মধ্যে থেকে আসে।
আধুনিক বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে যে, রতিক্রিয়ার সময় পুরুষের পানি সবেগে নির্গত হলেও, নারীর যে কামরস নির্গত হয় তা সবেগে নির্গত হয় না। তা বেয়ে পড়ে, এবং এর সাথে সন্তান জন্মদানের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। এটা কেবল যোনিপথকে পিচ্ছিল করে। যেটা সবেগে নির্গত হয় সেটা হল, পুরুষের শুক্রাণু বহনকারী বীর্য এবং নারীর ডিম্বাণু যেটা গ্রাফিয়ান ফলিকলে অবস্থান করে এবং পরিপক্ক হওয়ার পর তার স্তরগুলো বিদীর্ণ করে সবেগে নির্গত হয়ে ফ্যালোপিয়ান টিউবে এসে শুক্রাণু কর্তৃক নিষিক্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষা করে। আর দু’টি পানি তথা শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর সংযোজনে মিশ্রিত একক পানিতে রূপান্তরিত হয়ে ভ্রুণকোষে (zygote) রূপান্তরিত হয়।( )
সবেগে নির্গত পানির দু’টি ব্যাখ্যার সারকথা একই। তবে পরের আয়াতের কর্তৃকারকের ভিত্তিতে ব্যাখ্যায় পার্থক্য রয়েছে। তবে দু’টি ব্যাখ্যাতে ভিন্ন ধরনের তথ্য রয়েছে যা কোরআনের সর্বজনিনতার বার্তা বহন করে। যাইহোক, যাকে তিনি এত যত্ন করে সৃষ্টি করেছেন তাকে যদি পুনরুজ্জীবিত না করতে সক্ষম হন তাহলে তো তাঁর ¯স্রষ্টাত্বের ক্ষমতায় দুর্বলতা দেখা দেয়।

15/02/2025
আল-হাকাম পাবলিশার্স কর্তৃক প্রকাশিত কামারুজ্জামান বিন আব্দুল মালেক আযহারী কর্তৃক রচিত গ্রন্থাবলীঃগ্রন্থের পরিচয়ঃ১। আল-ইদ...
14/02/2025

আল-হাকাম পাবলিশার্স কর্তৃক প্রকাশিত কামারুজ্জামান বিন আব্দুল মালেক আযহারী কর্তৃক রচিত গ্রন্থাবলীঃ
গ্রন্থের পরিচয়ঃ
১। আল-ইদাহাতুল বাদ‌‌’উ ফি শরহিল মুয়াল্লাকাতিস সাব‌’অ বা জাহেলী কাব্যের সৃজনশীল ব্যাখ্যা।
এ গ্রন্থটিতে জাহেলী প্রসিদ্ধ সাত কবির কবিতাবলীর অনুবাদ ও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।সাথে তারকীব ও বালাগাত বর্ণনা করা হয়েছে।
মূল্যঃ ৬৫০ টাকা

২। শিক্ষানবিশদের জন্য আরবি ভাষা
এই বইটি আরবি ভাষার শুরু পর্যায় থেকে আরম্ভ করা হয়েছে। এটা ১৫/১৬ বয়স থেকে তদুর্ধদের জন্য। এই বইটি আপনাকে বাক্য তৈরি করার ধরন শেখাবে। আপনার মাঝে সৃজনশীলতার বৈশিষ্ট্য নিয়ে
মূল্য: ৩০০ টাকা

৩। আল-লুগাতুল আরাবিয়া লিত-তালামিযঃ ১-২-৩ খণ্ড।
প্রতিটি অধ্যায়ে প্রথমে শব্দার্থ, তারপর গল্প, তারপর একবচন-বহুবচন ও বহুবচন-একবচন এবং স্পোকেন আছে। প্রতিটি অধ্যায়ে ২৫/৩০টি অনুশীলনী ও অনুবাদ দেয়া হয়েছে। বইটি ১০/১২ বছরের ছেলেমেয়েদের জন্য উপকারী।
মূল্য ৩০০ টাকা।

৪। মিন কুনুযিল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ (1-5)
এ গ্রন্থটি শিক্ষানবিশদের জন্য আরবি ভাষার মাধ্যমিক পর্যায়ের একটি বই। এটি পাঠককে আরবি ভাষায় মাধ্যমিক পর্যায় থেকে উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাবে।
মূল্য ২০০ টাকা)

৫। সহজ নাহু শিক্ষা
এটা শিক্ষানবিশদের জন্য একটি উৎকৃষ্ট বই। নাহুর মাসআলাকে সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। উদাহরণ দেয়া হয়েছে এবং সেগুলোর তারকীব দেয়া হয়েছে।
মূল্য: ১৩০ টাকা।

৬। সহজ এ‌’রাব শিক্ষা
এটা শিক্ষানবিশদের জন্য ছোট ছোট বাক্যের তারকীব শেখার জন্য একটি উৎকৃষ্ট বই। প্রতিটি বিষয়ে ৪/৫টি করে তারকীবসহ উদাহরণ দেয়া হয়েছে।
মূল্য: ৯০ টাকা

৭। নাহু তাতবিকি লিল-মুবতাদিয়ীন
যারা আরবি ভাষায় শিক্ষানবিশ অথবা নাহুতে দুর্বল, তাদের জন্য এ বইটি বিশেষ উপকারী।
মূল্য: ১৫০ টাকা

৮। এযালাতুল গাওয়াশী ফি শরহে উসূলিশ শাশী
প্রতিটি বাক্যের যথাসম্ভব বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে, জটিল বিষয় সুস্পষ্ট করা হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় উসূল লেখা হয়েছে।
মূল্যঃ ৪০০ টাকা

৯। মুরতাহিনুল আমানী ফি শরহে মুখতাসার আল-মা‌’আনী
এ গ্রন্থটিতে প্রতিটি বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যাতে সবার জন্য বোধগম্য হয়।
মূল্য: ৩৯২ টাকা

১০। আল-হিওয়ার বিল-লুগাতিল আরাবিয়্যাহ
এ গ্রন্থে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক একশ’র অধিক কথোপকথন রয়েছে।
মূল্য: ৮০ টাকা।

১১। সহজ এ‌‌‌’লাল ও এবদাল [তা‌’লিলের বই] [অনূদিত]
এ বইটি সরফের তা‌’লীল বিষয়ক একটি বই। সরফের তা’লীল বিষয়ক সীগাগুলোর নিয়মগুলোকে সহজভাবে উপস্থাপিত করা হয়েছে।
মূল্য: ৯০ টাকা

১২। কাওয়ায়েদুল আদদ ওয়াল মা’দূদ
আরবিতে গণনা একটি জটিল অধ্যায়। এখানে একটু বেখেয়াল হলেই ভুল হওয়া অতি স্বাভাবিক। এ বইয়ে আমরা সকল নিয়মাবলীকে সহজভাবে উদাহরণসহ উপস্থাপন করেছি।
মূল্য: ২০ টাকা

১৩। আল্লাহর অস্তিত্ব: প্রকৃতিতে ও বিজ্ঞানে প্রভুর প্রতীতি [অনূদিত]
বিবর্তনবাদী তথা নাস্তিকরা যে মূল তিনটি খোঁড়া যুক্তি দাঁড় করিয়ে আল্লাহর অস্তিত্বকে অস্বীকার করতে চেষ্টা করেন, তা তিনি খণ্ডন করেছেন এবং প্রমাণ করেছেন আল্লাহর অস্তিত্ব, কোরআনের সত্যতা, নবীদের নবুওয়তের প্রমাণ, ডারউইনিজমের মিথ্যাচারিতা, পরকাল অবশ্যম্ভাবী।
মূল: ওয়াহিদুদ্দীন খান
মূল্য: ২২০ টাকা।

১৪। সহিহ হাদিসে কুদসী
হাদিসে কুদসী হল, আল্লাহর বাণী যা তিনি রাসূলুল্লাহ স. এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। অর্থাৎ- অর্থ আল্লাহ তায়ালার এবং শব্দ রাসূলুল্লাহ স. এর। হাদিসগ্রন্থসমূহ থেকে কেবল যে হাদিসগুলো সহিহ ও হাসান – সেগুলোকে এ গ্রন্থে লেখা হয়েছে।
মূল্য: ১৫০ টাকা।

১৫। শহীদ হাসান আল-বান্না ও শহীদ সাইয়িদ কুতুব এর দর্শনে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের ধারা [অনূদিত]
ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ ও সমাজ সংস্কারের উক্ত দুই শহীদের বক্তব্য লেখক তার এ গ্রন্থে উপস্থাপন করেছেন।
মূল্য: ৭০ টাকা।

১৬। জুমআ‌'র দিনের বৈশিষ্ট্যশতক
সব বিষয়েরই যেমন বিশ্বকোষ রয়েছে; ঠিক তেমনই এটি জুমআ‘র দিনের বিশ্বকোষ। জুমআর দিনের আমল সম্পর্কে জানতে পারবেন।
অনুবাদক: মুফতী মো: মোশাররফ হোসাইন আল-আযহারী
মূল্য: ৮৪ টাকা
০১৬৪৮৪৫৩১৩২
বিস্তারিত জানতে ও পড়ে দেখতে ভিজিট করুনঃ
www.alhakampub.com

আল-আহরাম আল-ইয়াওমী০২/০২/২৫ ইং (প্রথম অংশ)فرصة تاريخية للسلام السيسى وترامب يؤكدان أهمية الاستمرار فى تنفيذ اتفاق غزة.. ا...
02/02/2025

আল-আহরাম আল-ইয়াওমী
০২/০২/২৫ ইং (প্রথম অংশ)

فرصة تاريخية للسلام
السيسى وترامب يؤكدان أهمية الاستمرار فى تنفيذ اتفاق غزة.. التأكيد على العلاقات الإستراتيجية بين البلدين وضرورة تعزيز التعاون الاقتصادى والاستثمارى

أكد الرئيس عبدالفتاح السيسي ضرورة تدشين عملية سلام تفضي إلى حل دائم في منطقة الشرق الأوسط.
وأشار الرئيس خلال الاتصال الهاتفي، الذى تلقاه من الرئيس الأمريكي دونالد ترامب أمس إلى أن المجتمع الدولي يعول على قدرة الرئيس ترامب على التوصل إلى اتفاق سلام دائم وتاريخي ينهي حالة الصراع القائمة بالمنطقة منذ عقود، خاصة مع انحياز الرئيس ترامب إلى السلام، وهو الأمر الذى أكده في خطاب تنصيبه بكونه رجل السلام.
وقال السفير محمد الشناوي المتحدث الرسمي باسم رئاسة الجمهورية إن الرئيس هنأ خلال الاتصال الرئيس ترامب مجددا بمناسبة توليه السلطة رئيسا للولايات المتحدة، وهو ما يعكس الثقة الكبيرة التي يتمتع بها لدى الشعب الأمريكي.
كما وجه الرئيس الدعوة للرئيس ترامب لزيارة مصر في أقرب فرصة ممكنة، لتعزيز العلاقات الاستراتيجية بين البلدين والتباحث حول القضايا والأزمات المعقدة، التي تمر بها المنطقة، وكذلك للمشاركة في افتتاح المتحف المصري الجديد.
বাংলা অনুবাদ

শান্তির ঐতিহাসিক সুযোগ
সিসি ও ট্রাম্প গাজা চুক্তি বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।
দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা

প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আল সিসি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে একটি শান্তি প্রক্রিয়া শুরু করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।
গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে পাওয়া ফোনালাপে তিনি উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি স্থায়ী ও ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর দক্ষতার উপর নির্ভর করছে, যা কয়েক দশক ধরে এই অঞ্চলে সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির অবসান ঘটাবে, বিশেষ করে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের শান্তির প্রতি পক্ষপাতিত্ব হওয়া, যা তিনি শান্তির মানুষ হিসাবে তার উদ্বোধনী ভাষণে নিশ্চিত করেছিলেন।
মিশরীয় প্রেসিডেন্সির মুখপাত্র রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আল-শানাওভী বলেছেন যে, রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পকে আবারো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে তাকে আবার অভিনন্দন জানান, যা আমেরিকান জনগণের মধ্যে তিনি যে প্রকাণ্ড আস্থা উপভোগ করেন তা প্রতিফলিত করে।
দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করতে এবং এই অঞ্চল যে জটিল সমস্যা ও সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি নতুন মিশরীয় যাদুঘরের উদ্বোধনে অংশ নিতে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মিশর সফরের আমন্ত্রণ জানান।

ইংরেজি অনুবাদ
A historic opportunity for peace
Sisi and Trump stress the importance of continuing to implement the Gaza agreement.
Emphasizing the strategic relations between the two countries and the need to enhance economic and investment cooperation

President Abdel Fattah El-Sisi stressed the need to launch a peace process leading to a lasting solution in the Middle East.
The president pointed out during the phone call, which he received from US President Donald Trump yesterday, that the international community is counting on President Trump's ability to reach a lasting and historic peace agreement that ends the conflict situation in the region for decades, especially with President Trump's bias towards peace, which he confirmed in his inaugural speech as a man of peace.
Ambassador Mohamed El-Shenawy, Spokesman for the Egyptian Presidency, said that the President congratulated President Trump again on the occasion of his assumption of office as President of the United States, which reflects the great confidence he enjoys among the American people.
The President also invited President Trump to visit Egypt at the earliest opportunity, to strengthen strategic relations between the two countries and discuss the complex issues and crises that the region is going through, as well as to participate in the opening of the new Egyptian Museum.

কাওয়ায়েদুল জারহ ওয়াত তা‌‌’দীল ও কাওয়ায়েদু এ’লালিল হাদিস কোর্সদাওরা/ কামিল পাশ, তাখাসসুস পড়ুয়া এবং শিক্ষকভাইদের জন্য উচ্...
30/01/2025

কাওয়ায়েদুল জারহ ওয়াত তা‌‌’দীল ও কাওয়ায়েদু এ’লালিল হাদিস কোর্স

দাওরা/ কামিল পাশ, তাখাসসুস পড়ুয়া এবং শিক্ষকভাইদের জন্য উচ্চতর উলুমুল হাদিসের বিশেষ কোর্স। এ কোর্সে কাওয়ায়েদুল জারহ ওয়াত তা‌’দীল ও কাওয়ায়েদু এ’লালিল হাদিসের দুইটি কিতাব সম্পূর্ণ পড়ানো হবে, ইন শা আল্লাহ।
দরস হবে প্রতি শুক্র, রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার। সময় রাত ৯:৩০-১০:৩০ পর্যন্ত। কোর্সটি অনলাইনে হবে। কোর্সটিতে রেজিস্ট্রেশন ফি মাত্র ১০০০ টাকা। এছাড়া আর কোনো চার্জ নেই।
সহিহ বুখারী থেকে কিছু হাদিস পড়ানো হবে এবং কোর্স শেষে শিক্ষার্থীদেরকে বিশ্বের বুকে সহীহ বুখারী’র সবচেয়ে উচ্চ সনদ প্রদান করা হবে, ইন শা আল্লাহ। সনদটিতে আমার থেকে নিয়ে ইমাম বুখারী পর্যন্ত রিজাল হল মাত্র ১৫ জন।
গুগল ফরম লিঙ্কঃ
https://forms.gle/YgkxukZWRKRFNb3z5
ভর্তিচ্ছুক ভাইদের প্রতি অনুরোধ, গুগল ফরমটি পূরণ করে
বিকাশ পার্সোনাল 01710909216
নগদ পার্সোনাল 01648453132 প্রদেয় অর্থ প্রদান করে আপনার রেজিস্ট্রি কনফার্ম করুন।

কোর্স পরিচালনায়ঃ
কামারুজ্জামান বিন আব্দুল মালেক আল-শিবলী আল-আযহারী
দাওরা হাদিসঃ জামিয়া আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।
বি.এ. অনার্স হাদিস ডিপার্টমেন্টঃ আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়
মাস্টার ও এম.ফিলঃ কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়
যোগাযোগঃ
বাড়ি # ৩৫, রোড # ১৭, সেক্টর # ১৪, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
মোবাইলঃ 01648453132

সহজ নাহু শিক্ষাএ বইটিতে আরবি ব্যাকরণ নাহুর মাসআলাগুলোকে সহজ ও সাবলিলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যাতে নাহুর শিক্ষানবিশগণ সহজ...
28/01/2025

সহজ নাহু শিক্ষা

এ বইটিতে আরবি ব্যাকরণ নাহুর মাসআলাগুলোকে সহজ ও সাবলিলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যাতে নাহুর শিক্ষানবিশগণ সহজেই তা বুঝতে পারবেন ইন শা আল্লাহ
যারা বইটি নিতে আগ্রহী তারা মেসেজ দিন প্লিজ।

মিডিয়া আরবি [বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদসহ]Al-Ahram Al-Yawmi01/26/2025نجاح الجهود المصرية فى إتمام الدفعة الثانية من تبادل الأ...
26/01/2025

মিডিয়া আরবি [বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদসহ]

Al-Ahram Al-Yawmi
01/26/2025
نجاح الجهود المصرية فى إتمام الدفعة الثانية من تبادل الأسرى والمحتجزين.. معبر رفح يستقبل 70 أسيرا فلسطينيا.. ووصول 130 إلى رام الله وخان يونس

نجحت الجهود المصرية، أمس، فى الإفراج عن الدفعة الثانية من المحتجزين والأسرى، فى إطار اتفاق وقف إطلاق النار فى قطاع غزة، حيث وصل 70 أسيرا فلسطينيا، من ضمن الأسرى المفرج عنهم، إلى الأراضى المصرية عبر معبر «كرم أبو سالم»، بعد ساعات من تسلم الجيش الإسرائيلى 4 محتجزات أفرجت عنهن حركة حماس، صباح أمس، وهن كارينا أرئيف، ودانييل جلبوع، ونعمة ليفى، وليرى إلباج.
وأشارت قناة «القاهرة الإخبارية» إلى وصول 3 حافلات تقل نحو 114 أسيرا فلسطينيا مفرجا عنه إلى رام الله، حيث استقبلهم مئات الفلسطينيين بالاحتفالات، بينما عبر 70 أسيرا فلسطينيا آخرون، من المفترض إبعادهم خارج الأراضى المحتلة، إلى معبر رفح.
وكشفت وسائل إعلام فلسطينية عن وصول 16 من الأسرى المفرج عنهم إلى مستشفى غزة الأوروبى فى خان يونس، بينما أعلنت حركة حماس أنها تنتظر انسحاب الاحتلال، وفق بنود اتفاق غزة، وبدء عودة النازحين إلى أراضيهم.

বাংলায় অনূদিত
বন্দী এবং বন্দী বিনিময়ের দ্বিতীয় ব্যাচ সম্পন্ন করার মিশরীয় প্রচেষ্টার সাফল্য। রাফাহ ক্রসিংয়ে ৭০ জন ফিলিস্তিনি বন্দি গ্রহণ করা হয়। রামাল্লায় পৌঁছেছেন ১৩০ জন ও খান ইউনিস

গাজা স্ট্রিপে যুদ্ধবিরতি চুক্তির কাঠামোর মধ্যে বন্দী এবং বন্দীদের দ্বিতীয় ব্যাচের মুক্তির ক্ষেত্রে মিশরীয় প্রচেষ্টা গতকাল সফল হয়েছে, যেখানে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দীদের মধ্যে ৭০ জন ফিলিস্তিনি বন্দী "করম আবু সালেম" ক্রসিং দিয়ে মিশরীয় ভূখণ্ডে পৌঁছেছে, গতকাল সকালে হামাস কর্তৃক মুক্তি পাওয়া চারজন বন্দীকে ইসরাইলী সৈন্য কর্তৃক গ্রহণ করার কয়েক ঘন্টা পরে, যাদের নাম কারিনা আরিয়েভ, ড্যানিয়েল গিলবোয়া, নিমা লেভি এবং লিয়ারি এলবাগ।
আল-কাহিরা নিউজ চ্যানেল জানিয়েছে যে প্রায় ১১৪ জন মুক্তিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি বন্দীকে বহনকারী তিনটি বাস রামাল্লায় পৌঁছেছে, যেখানে শত শত ফিলিস্তিনি তাদের উদযাপনে স্বাগত জানায়, যখন আরও ৭০ জন ফিলিস্তিনি বন্দী, যাদের অধিকৃত অঞ্চলের বাইরে নির্বাসন দেওয়ার কথা ছিল, রাফাহ ক্রসিংয়ে অতিক্রম করে।
ফিলিস্তিনি প্রচার মাধ্যম খান ইউনিসের ইউরোপীয় গাজা হাসপাতালে মুক্তি প্রাপ্ত বন্দীদের মধ্যে ১৬ জনের আগমনের কথা প্রকাশ করেছে, অন্যদিকে হামাস ঘোষণা করেছে যে গাজা চুক্তির শর্তাবলী অনুসারে তারা দখলদারিত্ব প্রত্যাহার এবং বাস্তুচ্যুতদের তাদের ভূমিতে ফিরে আসা শুরু করার জন্য অপেক্ষা করছে।

Translated into English

The success of the Egyptian efforts in completing the second batch of prisoner and detainee exchanges. Rafah crossing receives 70 Palestinian prisoners. 130 arrive in Ramallah and Khan Younis

Egyptian efforts succeeded, yesterday, in the release of the second batch of detainees and prisoners, within the framework of the ceasefire agreement in the Gaza Strip, where 70 Palestinian prisoners, among the released prisoners, arrived to Egyptian territory through the crossing «Karam Abu Salem», hours after the Israeli army received 4 detainees released by Hamas, yesterday morning, namely Karina Ariev, Daniel Gilboa, Nima Levy, and Leary Elbag.
Al-Qahira News channel reported that 3 buses carrying about 114 released Palestinian prisoners arrived in Ramallah, where hundreds of Palestinians received them in celebrations, while 70 other Palestinian prisoners, who are supposed to be deported outside the occupied territories, crossed to the Rafah crossing.
Palestinian media revealed the arrival of 16 of the released prisoners to the European Gaza Hospital in Khan Yunis, while Hamas announced that it is waiting for the withdrawal of the occupation, according to the terms of the Gaza agreement, and the start of the return of the displaced to their lands.

Address

House# 35, Road# 17, Sector# 14, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Encyclopedia Research Council posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islamic Encyclopedia Research Council:

Share