প্রত্যাবর্তন

প্রত্যাবর্তন সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আজিম

একজন জ্ঞানী ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল:সর্বোত্তম নারী কে? তিনি জবাবে বললেন—সেই নারী:১. যে তার রবকে সন্তুষ্ট করার চেষ্...
01/04/2026

একজন জ্ঞানী ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল:
সর্বোত্তম নারী কে? তিনি জবাবে বললেন—সেই নারী:

১. যে তার রবকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করে।
২. যে স্বামীকে ভালোবাসা ও স্নেহ করে।
৩. যে ঘরকে নিজের আসল জায়গা মনে করে।
৪. যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে।

৫. যে ঘরের গোপন বিষয় বাইরে প্রকাশ করে না।
৬. যার পদচিহ্নও বাইরে বেশি দেখা যায় না।
৭. যার কণ্ঠস্বর অহেতুক বাইরে শোনা যায় না।
৮. যার সৌন্দর্যের বর্ণনা লোকমুখে ছড়ায় না।

৯. যে নিজ পরিবারে সম্মানিত।
১০. যে নিজের আচরণে বিনয়ী।
১১. যে সন্তানের প্রতি সে স্নেহময়ী ও মমতাময়ী মা।
১২. তার ঘর যেন প্রশান্তির এক জান্নাত।

১৩. স্বামীর কাছ থেকে ভালো কিছু দেখলে কৃতজ্ঞ হয়।
১৪. কোনো কষ্ট পেলে ধৈর্য ধারণ করে।
১৫. স্বামী ঘরে এলে হাসিমুখে তাকে স্বাগত জানায়।
১৬. স্বামী বাইরে গেলে তার জন্য অপেক্ষা করে ও তাকে মিস করে।

১৭. স্বামী রাগ করলে ধৈর্য ধরে ও সংযম দেখায়।
১৮. সে স্বামীর সামনে এলে তাকে আনন্দ দেয়।
১৯. স্বামী অনুপস্থিত থাকলে তার সম্মান ও আমানত রক্ষা করে।
২০. স্বামীর কোনো ত্রুটি দেখলে তা গোপন রাখে।
২১. আর স্বামী ক্ষমা চাইলে তাকে ক্ষমা করে দেয়।

এরপর আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত—রাসুলুল্লাহ ﷺ–কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: সর্বোত্তম নারী কে?
তিনি বলেন: সেই নারী, যাকে দেখে স্বামী আনন্দ পায়;
যাকে কোনো কাজের নির্দেশ দিলে সে তা পালন করে;
আর সে নিজের ব্যাপারে ও স্বামীর সম্পদের ব্যাপারে এমন কিছু করে না, যা স্বামী অপছন্দ করে। (সুনান নাসাঈ, হা/৩২৩১)
মাহমুদ বিন নুর
:
#হাদিস

26/03/2026

স্বামীকে বশ করার হালাল যাদু
---------------
অনেকেই অভিযোগ করেন স্বামী তার কথা শুনে না বা পরনারীতে আসক্ত। এজন্যও বিভিন্ন রুকইয়াহও চেয়ে বসেন। কিন্তু আপনি কি জানেন সম্পূর্ণ হালাল ভাবেই আপনি আপনার স্বামীকে যাদু করতে পারেন? এর জন্য দরকার একটু সচেতনতা।
আমাদের সমাজে স্বামী-স্ত্রী অমিলের পিছনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একে অপরের প্রতি দায়িত্ব, অধিকার ও ভালোবাসার অভাব কাজ করে। বেশিরভাগ দম্পত্তিই জানেন না তাঁদের এই “বিবাহ বন্ধনের উদ্দেশ্য কি”।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা সূরাতুর রুম এর ২১ নং আয়াতে বলেনঃ
“এবং তার নিদর্শনাবলীর মধ্যে হচ্ছে তিনি তোমাদের মধ্যে থেকে তোমাদের জন্য সঙ্গী সৃষ্টি করেছেন, যেন তোমরা তাদের মাঝে প্রশান্তি (সুকুন) খুঁজে পাও এবং তিনি তোমাদের মাঝে দয়া ও ভালোবাসা সৃষ্টি করেছেন।”
এই আয়াতে আল্লাহ আমাদেরকে বিয়ের উদ্দেশ্য বলে দিয়েছেন। আল্লাহ আমাদের সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন যেন আমরা একে অপরের মাঝে “প্রশান্তি” খুঁজে পাই। এই প্রশান্তি বলতে শারিরীক ও মানসিক দুইধরণের প্রশান্তিকেই অন্তর্ভুক্ত করে। শারিরীক প্রশান্তির কথা সবাইই বুঝি, কিন্তু মানসিক প্রশান্তির ব্যাপারে কতজনই বা সচেতন।
আপনি চিন্তা করুন খাদিজাহ বিনতে খুইয়ালিদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কথা। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন হিরা গুহাতে জিব্রীল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে প্রথম দেখে ভীত সন্ত্রস্ত ছিলেন, জীবনের প্রথম তিনি এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলেন, একজন মালাকের সম্মুখীন হলেন, সেই মালাক তাঁকে বুকে করে তিনবার চাপ দিলেন। আপনি চিন্তা করুন, একজন না জানা মানুষের জন্য এটি কতটা ভীতিকর অভিজ্ঞতা। এই মূহুর্তে কে তাঁকে সান্তনা দিয়েছিলেন? তিনি হলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সম্মানিতা স্ত্রী, খাদিজাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা। তিনিই তাঁকে শান্ত করেছিলেন। বুঝিয়েছিলেন যে তিনি মানুষের সাথে সদাচরণ করেন তাই আল্লাহ তার অমঙ্গল করবেন না। এটাই হচ্ছে সুকুন। যখন আপনার স্বামী বাইরে থেকে হন্তদন্ত হয়ে ফিরে আসবেন, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত আর চরম ব্যস্ততময় দিন পার করে ঘরে ফিরবেন, তখন যেন তিনি আপনার কাছে ফিরে প্রশান্তি পান। তখন যেন তিনি আপনাকে আস্থাভাজন ভেবে সব খুলে বলতে পারেন। তখন যেন তিনি তার প্রয়োজনীয় সামগ্রী হাতের কাছে তৈরী পান। আপনি সমস্যার সমাধান করতে না পারুন, তাকে তো মানসিক ভাবে শান্ত করতে পারেন। আপনি যদি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মতন স্বামী চান, তাহলে আপনাকে হতে হবে খাদিজাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার মত।
এই বোধটারই চরম অভাব আজকের দম্পত্তিরদের মাঝে। এছাড়াও বোনেরা আরো কিছু ভুল করেন যার কারণে স্বামীরা দূরে সরে যায়। সংক্ষেপে এমনঃ
-------------------
→→ স্বামী হিসেবে একজন পুরুষ তার স্ত্রীর কাছ থেকে আনুগত্য কামনা করে। এবং এই আনুগত্যই হচ্ছে “মূল অস্ত্র” যেটা দিয়ে স্ত্রী তার স্বামীকে পুরোপুরি নিজের করে পেতে পারে। শরীয়াহ অনুমোদিত সমস্ত কাজে স্বামীর আনুগত্য করা ওয়াজিব। শাইখ আল আলবানী তার আদাবুল যিফাফ গ্রন্থে বলেনঃ
“স্বামীর কামনা পূরণ করার ক্ষেত্রে স্বামীর আনুগত্য করা স্ত্রীর জন্য ওয়াজিব। তাই এটা আরো বেশি জরুরী যে স্বামীর কামনা পূরণ করার চেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেমন তার সন্তান লালন পালন করা, তার পরিবারের হিফাযত করা ও অন্যান্য দায়িত্বগুলো পালন করার ক্ষেত্রে স্বামীর আনুগত্য করা।”
স্বামীর প্রতি আনুগত্য কোন পর্যায়ের হওয়া উচিত ইবনে মাজাহতে বর্ণিত একটি হাদীসে থেকেই বুঝা যায়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ
“যদি আমাকে আল্লাহ ব্যাতীত অন্য কাউকে সিজদাহ করার আদেশ দেওয়া হতো, তাহলে আমি স্ত্রীদের নির্দেশ দিতাম তাঁদের স্বামীকে সিজদাহ করতে।” (আলবানি হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন।)
→→বিয়ে নামক সামাজিক বন্ধনের অন্যতম মূল উদ্দেশ্যই হল নিজের কামনা বাসনাকে হালাল উপায়ে পূরণ করা। এক্ষেত্রেও ইসলাম নারীদেরকে স্বামীর আনুগত্য জরুরী করেছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,
“সেই স্বত্তার কসম যার হাতে আছে মুহাম্মাদের (ﷺ) প্রাণ। কোন নারী আল্লাহর প্রতি দায়িত্ব সম্পূর্ণ করতে পারে না, যতক্ষণ না সে তার স্বামীর প্রতি দায়িত্ব পূর্ণ করে। যদি কোন স্বামী তার স্ত্রীকে আহবান করে, আর স্ত্রী যদি উটের জিনের উপরও থাকে তার (স্ত্রীর) প্রত্যাখ্যান করা উচিত নয়। ”
→→বোনদের মাঝে যে ঘাটতি ভয়াবহ আকারে দেখা যায় সেটি হচ্ছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করা। ইউনিভার্সিটিতে আমাদের স্যার বলতেন, “পৃথিবীর বুকে এমন কোন স্বামী নেই, যে কিনা এ কথা শুনেনি যে আমি বলেই তোমার সংসার করেছি। অন্য কেউ হলে কবেই চলে যেত।”
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি হাদীসে নারীদের বেশি জাহান্নামী হওয়ার পিছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন (ভাবানুবাদ) “তাঁরা স্বামীদের প্রতি অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। দশটা জিনিস পাওয়ার পর, একটি জিনিস না পেলেই তারা অকৃতজ্ঞতা স্বরূপ বলে বসে আমি কিছুই পাইনি।”
শাইখ ওয়াহিদ বিন আবদুস সালাম তাঁর “কুর’আনিক চিকিৎসা” বইতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার উল্লেখ করেন। সেটির ভাব কথা এমনঃ
“এ পর্যায়ে আমি মুসলিম নারীদের জন্য একটি উপদেশ পেশ করছি। আর তা হল সে ইচ্ছা করলে তার স্বামীকে হালাল যাদু করতে পারে। নারী স্বামীকে আকৃষ্ট করার জন্য অধিক সৌন্দৰ্য্য ও সাজ-সজ্জা করবে, তাহলে তার স্বামীর দৃষ্টি অসুন্দর ও কুশ্রী বস্তুর প্রতি যাবে না। এমনিভাবে মুচকি হাসি, উত্তম কথা, কোমল আচরণ, স্বামীর সম্পদ সংরক্ষণ, তার সন্তানাদির প্রতি অত্যধিক যত্নবান হওয়া এবং আল্লাহর নাফরমানী ব্যতিত সকল ক্ষেত্রে স্বামীর আনুগত্য করা ইত্যাদি দ্বারা সে স্বামীর উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
পরিতাপের বিষয় যে, আমরা যদি আমাদের আধুনিক সমাজের দিকে তাকাই তাহলে এর সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা দেখতে পাই। বর্তমান সমাজে নারীরা তাদের উত্তম পোষাক-পরিচ্ছদ ও শাড়ি-গহনা ইত্যাদি পরিধান করে কোন অনুষ্ঠানে বা কোন বন্ধু-বান্ধবের সাক্ষাতের সময় বা বিশেষ কোন কমিউনিটি সেন্টারে কোন আয়োজনে। সে এমনভাবে নিজেকে সাজায় যেন আজকেই তার বাসর উদযাপনের দিন। আর যখন সে তার স্বামীর ঘরে ফিরে আসে তার সকল সৌন্দর্য ও অলংকারাদি খুলে এবং আরেকটি অনুষ্ঠানের জন্য রেখে দেয় ।
অথচ তার অসহায় যে স্বামী তাকে এসব পোষাক ও অলংকার ক্রয় করে দিল, সে তাঁকে একটি দিনের জন্যও এগুলো পরিহিত অবস্থায় দেখতে পায় না। তার সামনে সর্বদা এমন পুরাতন কাপড় পরিধান করে যা থেকে ঘাম, পেয়াজ ও রসূনের দূর্গন্ধ বের হয়। এই নারীর যদি সামান্য বিবেক থাকত তাহলে সে বুঝতে পারত যে, তার স্বামীই এ সৌন্দর্যের অধিক উপযোগী।
হে নারী! তোমার স্বামী যখন তাঁর কর্মে বেরিয়ে পড়ে তুমি ঘরের কাজকর্ম জলদি গুছিয়ে ফেল । অতঃপর গোসল করে নিজেকে সৌন্দর্যমণ্ডিত কর এবং স্বামীর অপেক্ষা কর । যখন তোমার স্বামী তাঁর কাজ হতে ঘরে ফিরে সুন্দর স্ত্রী, প্রস্তুতকৃত খাবার, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখতে পাবে তখন তোমার প্রতি তাঁর ভালবাসা ও আন্তরিকতা বৃদ্ধি পাবে। বিশেষত এসব যখন তুমি স্বামীর জন্য সৌন্দর্যের ব্যাপারে আল্লাহর হুকুম পালন করবে ও তাঁকে হারাম হতে রক্ষা করার নিয়তে করবে।
কেননা উদরপূর্ণ লোক খাবারের প্রতি আসক্ত থাকে না। খাবারের প্রতি আকর্ষণ থাকে একমাত্র তারই, যে খাবার হতে বঞ্চিত হয়েছে।”

আলহামদুলিল্লাহ কতই না উত্তম নসীহাহ দিয়েছেন শাইখ!!

—সংগৃহীত

👌  জনপ্রিয় উপস্থাপক আর. জে. কিবরিয়ার উপস্থাপিত "জীবনের গল্প "নামক অনুষ্ঠানে এক ভুক্তভোগী মেডিকেল শিক্ষার্থী (নারী)এর বক...
26/03/2026

👌 জনপ্রিয় উপস্থাপক আর. জে. কিবরিয়ার উপস্থাপিত "জীবনের গল্প "নামক অনুষ্ঠানে এক ভুক্তভোগী মেডিকেল শিক্ষার্থী (নারী)এর বক্তব্য :

👌"মেডিক্যাল থার্ড ইয়ার থেকে 'ওয়ার্ড' ম্যান্ডেটরি,ওয়ার্ডে গিয়ে অনেক মেইল পেশেন্ট এক্সামিন করার সময় তাদের পেনিস টাচ করা লাগে। করতেই হয় ইন-কেইস অব-স্টাডি!

এভাবে ফাইনাল প্রফ পাস করার পর, এরপর ১ বছরের ইন্টার্নশিপ করতে হয় হাসপাতালে।ইন্টার্নশিপ শেষ হলে BMDC (Bangladesh Medical & Dental Council) থেকে রেজিস্ট্রেশন পাওয়া যায়।ইন্টার্নশিপ সময়ে টানা ১ বছর সিনিয়র ডাক্তারের অধীনে কাজ করতে হয়, নিবিড় পরিচর্যা চলে, তখন আউট অফ প্রফেশনে গিয়ে উচ্চপদস্থ মেইল ডাক্তারের কিছু ডিমান্ড ফুল্ফিল করতে হয়!সেটা ডেফিনিটলি সে*ক্স, ফিজিক্যালি সন্তুষ্ট করা ইত্যাদি, এটা না চাইলেও করা লাগে...! ফর ব্রাইট ফিউচার (!)

৫/৬ বছর মেডিক্যাল পড়াশোনা শেষ করেও যদি কেউ BMDC-র Permanent Registration না পায়!
সে বাংলাদেশে আইনগতভাবে ডাক্তারি প্র্যাকটিস করতে পারবে না। প্রেসক্রিপশন লেখা, হাসপাতালে ডাক্তার হিসেবে চাকরি করা, সরকারি বেতন কিছুই সম্ভব হবে না।তখন একটা নারী ডাক্তারের জন্য দুইটা পথ খোলা থাকে, ১/ ঈমান ও সতীত্ব রক্ষা করে ঘরে ফিরে আসা, দীর্ঘদিনের স্বপ্ন মুহুর্তের মধ্যে বিসর্জন দেয়া, ২/ নিজের সতীত্ব বিসর্জন দিয়ে ইন্টার্নশিপ কমপ্লিশন সার্টিফিকেট অর্জন করা।

এখন বলেন! এই পরিস্থিতি কোনটা সহজ ব্যাটার অপশন? অনেক নারী আছেন, যারা ডাক্তারি পড়াশোনা শেষ করেও স্বেচ্ছায় এই পেশা ছেড়ে দেন, কারণ ডাক্তারি প্রফেশনে নানা ধরনের ঝামেলা সামলাতে হয়, আর পুরুষদের সাথে নিয়মিত ঘনিষ্ঠ ইন্টার‍্যাকশনের পরিবেশ তৈরি হয় এজন্যে।এই পরিবেশে সৎ থাকা, পর্দা রক্ষা করা এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করা, স্বামীর হক যথাযথ হেফাজত করা খুবই কঠিন ও অসম্ভব হয়ে যায়।তাই প্রোফেশনের চাহিদা ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেক লজ্জাশীলা নারী স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান।"

👌 প্রতিবছর দেশে শত শত হিজাবী দ্বীনদার মেয়ে মেডিকেলে ঢুকলেও শত শত দ্বীনদার ডাক্তার এজন্যই বের হচ্ছে না!অর্থাৎ মেডিক্যালে ভর্তি হয় হিজাব ও পর্দা করে, আর বের হয় বেপরোয়া ওয়েস্টার্ন হয়ে। এরাই শিয়ালের সহজ শিকারে পরিণত হয়, শিয়াল চারদিকে ওঁৎ পেতে আছে।

👌আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে হাজার হাজার ফে*মিনিস্ট, মডারেট চিন্তার কর্পোরেট দাস বের হচ্ছে, যার অধিকাংশই সতীত্ব বিলিয়ে দিয়ে ফিরে আসা ভোগবাদী প*তি*তা..!

আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুন আমীন
সবাই শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

রমাদানের শেষ ১০ দিনে এই ৫ টি দুআ বেশি বেশি পাঠ করুন-• প্রথম দু'আ- দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ লাভের দু'আ:رَبَّنَاۤ اٰتِنَا ف...
10/03/2026

রমাদানের শেষ ১০ দিনে এই ৫ টি দুআ বেশি বেশি পাঠ করুন-

• প্রথম দু'আ- দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ লাভের দু'আ:

رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنۡیَا حَسَنَةً وَّ فِی الۡاٰخِرَةِ حَسَنَةً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ

অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দুনিয়াতেও কল্যাণ দাও এবং আখিরাতেও কল্যাণ দাও এবং আমাদের জাহান্নামের ‘আযাব থেকে রক্ষা করো।

[সূরা আল-বাকারাহ ২:২০১]

• দ্বিতীয় দু'আ- নেককার স্ত্রী সন্তান লাভের দু'আ:

رَبَّنَا هَبْ لَـنَا مِنْ اَزْوَاجِنَا وَذُرِّيّٰتِنَا قُرَّةَ اَعْيُنٍ وَّاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِيْنَ اِمَامًا‏

অর্থঃ হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের চক্ষু শীতল করবে। আর আপনি আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন।

[সূরা আল-ফুরকান ২৫:৭৪]

• তৃতীয় দু'আ- নিজে এবং বংশধররা যেন নিয়মিত নামাজ কায়েমকারি হয় ( মুকিমুস সলাত)

رَبِّ اجۡعَلۡنِیۡ مُقِیۡمَ الصَّلٰوةِ وَ مِنۡ ذُرِّیَّتِیۡ ٭ۖ رَبَّنَا وَ تَقَبَّلۡ دُعَآءِ
অর্থঃ হে আমার প্রতিপালক! আমাকে নামাজ কায়েমকারী বানাও এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমার দোয়া কবুল কর।

[সূরা ইবরাহীম -১৪:৪০]

• চতুর্থ দু'আ- আল্লাহর অনুগ্রহ কামনার দু'আ:

رَبِّ اِنِّیۡ لِمَاۤ اَنۡزَلۡتَ اِلَیَّ مِنۡ خَیۡرٍ فَقِیۡرٌ

অর্থঃ হে আমার পালনকর্তা! তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই করবে আমি তো তারই ভিখারী।

[সূরা আল-কাসাস-২৮:২৪]

• পঞ্চম দু'আ- ক্ষমা ও নিরাপত্তা লাভের দু'আ:

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাকারী, তুমি ক্ষমা করতেই ভালোবাসো। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও’।

[সুনানে ইবনে মাজাহ,৩৮৫০]

-ইশতিয়াক আহমেদ তুষার হাফি.

আমিও হব আদর্শ স্ত্রী (পর্ব-০১)সম্পর্ককে আরও মিষ্ট করতে উপহার দেওয়া-নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সব সময় এই আশা রাখবেন না—...
10/03/2026

আমিও হব আদর্শ স্ত্রী (পর্ব-০১)

সম্পর্ককে আরও মিষ্ট করতে উপহার দেওয়া-নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সব সময় এই আশা রাখবেন না— আপনার স্বামীই সবসময় আপনাকে উপহার দিবে। আপনি কেবল গ্রহণ করবেন, তাকে কখনও কোনোকিছু উপহার দিবেন না, এটা সমতা না।

আপনার যতটুকু সামর্থ্য আছে, চেষ্টা করবেন এই সামর্থ্য অনুযায়ী তাকে ছোটখাটো উপহার দেওয়ার। এই উপহার হতে পারে একটা ফুল, হতে পারে একটা চিরকুট, হতে পারে একটা চকলেট, হতে একটি মুচকি হাসি। প্রতিনিয়ত এই ছোট ছোট উপহার স্বামীকে দেওয়া উচিত। যেগুলো বড়, মোটা অংকের অর্থের প্রয়োজন হয়, সেগুলোর জন্য বিশেষ দিন ও সময়টা বেছে নিন। কিন্তু যেগুলোর জন্য মোটা অংকের অর্থের প্রয়োজন হয় না, সেগুলোর জন্য বিশেষ মুহূর্তের অপেক্ষা করবেন না। প্রতিনিয়ত এগুলো স্বামীকে প্রদান করবেন। দেখবেন, আপনার প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গিই পাল্টে গেছে।

মাঝেমধ্যে তাকে কিছু বই উপহার দিবেন। দাম্পত্য-জীবন বিষয়ক বই দিতে পারেন। সে এগুলো পড়বে, জানবে, এবং বাস্তব জীবনে তা প্রয়োগ করবে।

মাঝেমধ্যে তাকে কিছু ক্যালিওগ্রাফি বা ক্যানভাস এঁকে উপহার দিন। ভাঙা হাতেই আঁকুন। যে আপনাকে ভালোবাসে, আপনাকে গুরুত্ব দেয়, সে আপনার ভাঙা হাতের ক্যানভাস পেয়েও খুশি হয়ে যাবে।

মাঝেমধ্যে নোটবুক উপহার দিন। নোটবুকে কিছু লিখে দেন। দাম্পত্য জীবনের রসায়নের মুহূর্তগুলো নিয়ে কিছু লিখুন। লিখন প্রেমাস্পদ বাণী। লিখুন প্রেমের কাব্য ও গল্প। লিখুন তাকে নিয়ে ছন্দে ছন্দে কবিতা।

উপহার দেওয়া-নেওয়ার মানে হল অনুভূতির আদান-প্রদান। অনুভূতির ভাগ-বাটোয়ারা হয় এই উপহার আদান-প্রদানের মাধ্যমেই। আপনি যখন তার ভালোবাসা, কষ্ট ও পরিশ্রমকে ছোট ছোট উপহারের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেবেন, তখন সে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠবে।

~ মাহমুদ বিন নূর

স্বামীকে ব্যস্ততা দেখাবেন না!স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন না। তাকে অতিরিক্ত ...
10/03/2026

স্বামীকে ব্যস্ততা দেখাবেন না!

স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন না। তাকে অতিরিক্ত ব্যস্ততা দেখাবেন না। স্বামী যখন আপনাকে ডাকবে, অবশ্যই তার ডাকে সাড়া দেবেন। সে যদি সামান্য কিছুর জন্যও ডাক দেয়, অবশ্যই তার ডাকে সাড়া দেওয়া উচিত। যদি একটা কাপড় এগিয়ে দিতেও বলে, এক গ্লাস পানি দিতেও বলে, সেটা করাও আপনার দায়িত্ব।

এমন ব্যস্ত হবেন না, বা এমন ব্যস্ততা দেখাবেন না, যেন স্বামী তার প্রয়োজনে আপনাকে পাশে না পায়। স্বামীরা যখন বাড়ি ফিরে, তখন সে চায়—তার স্ত্রী সব সময় তার পাশে থাকুক। তার সাথে কথা বলুক। তার সাথে খাওয়া-দাওয়া করুক। তার ছোটখাটো প্রয়োজন পুরা করুক।

তাই, সবসময় এমন কাছাকাছি থাকুন, যেন এক মুহূর্তের জন্য তার কাছে মনে না হয়—আপনি তার থেকে দূরে আছেন। শারীরিক মানসিক এবং অনুভূতি দিয়ে তার পাশে থাকুন। তার সাথে এমন অনুভূতি নিবেদন করুন, যেন অনুভূতিটিই আপনার মধ্যে ভালোবাসা খুঁজে পায়।

একবার এক মহিলা একজন আলিমের এর কাছে একটা চিঠি দিয়ে তার দাম্পত্য জীবনের সমাধান চাইল। সে চিঠিতে লিখল—

"হুজুর, আমি স্বামীর জন্য এত কিছু করি, স্বামীর সংসারের জন্য এত কিছু করি, এরপরও তার মন জয় করতে পারি না। এরপরও তার ভালোবাসা পাই না। সারাদিন গাধার মত মেহনত করি। বিছানাতে শরীরটা লাগানোর সময়টুকুও পাই না। নিজেকে একটুখানি আরাম পর্যন্ত দিই না, এরপরও আমি আমার স্বামীর কাছে অবহেলিত।

কী করি না! কাপড় ধোয়া, রান্নাবান্না করা, ঘর মোছা, ঘর পরিপাটি রাখা, কতকিছু। এতকিছুর পর এই অবহেলা কীভাবে সহ্য করা যায়?"

চিরকুটটি খুলেই ঐ আলিম বুঝে যান—সমস্যা আসলে এই জায়গায়। তিনি চিঠির অপর পাশের সুন্দর করে লিখে দেন—"ঘরের কাজ কমাও, স্বামীর শারীরিক ও মানসিক শান্তির দিকে খেয়াল করো। তার সাথে সময় কাটাও। তার সাথে কথা বল। তাকে ঘিরেই সবকিছু করো। কাজকামের ব্যস্ততা কমিয়ে ফেলো।"

বাস্তবতা এটাই, আজকালকার স্ত্রীরা ঘরের কাজ কাম করতে করতে ভুলে যায়—ঘরের মালিকের প্রয়োজনেই আমার এই ঘরে আসা। ঘরের কাজ করতে গিয়ে যদি মালিকের প্রয়োজনে পুরা করতে না পারি, তবে এত কাজ করে কী-ই‌বা ফায়দা?

এজন্যে শরিয়ত স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্ককে এভাবে অভিহিত করেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন—

هُنَّ لِبَاسٌ لَكُمْ وَأَنْتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ

"তারা তোমাদের পোশাক আর তোমরা তাদের পোশাক।"

এর অর্থ কী? যেমনিভাবে মানুষের পোশাক তাকে ঠাণ্ডা-গরম থেকে রক্ষা করে, তেমনি স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে বিপদ-আপদ থেকে বাঁচিয়ে রাখে। মানুষের শরীরের সবচেয়ে কাছের বস্তু তার পোশাক। পোশাকের চেয়ে কাছের কোনো বস্তু নেই। শরিয়ত বলে দিয়েছে, হে স্বামী, এখন তোমার ব্যক্তিসত্তার সবচেয়ে কাছের হল তোমার স্ত্রী। আর স্ত্রীকে বলে দিয়েছে, তোমার ব্যক্তিসত্তার সবচেয়ে কাছের হল তোমার স্বামী। এজন্যে যে স্ত্রী তার স্বামীর জন্যে বাদী হবে, সেবার কারণে তার স্বামী তার গোলামে পরিণত হবে।

নোট: সিরিজটি আদর্শ স্ত্রীদের নিয়ে। তাই আলোচনাগুলো স্ত্রীদের নিয়েই হবে। এখানে স্বামীকে টেনে লাভ নেই।

~ মাহমুদ বিন নূর

• আমিও হব আদর্শ স্ত্রী (পর্ব-০২)

বিয়ের পর অধিকাংশ নারী যেকারণে ঈমানের স্বাদ হারিয়ে ফেলেন!এক মহিলা ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন, ফদ...
10/03/2026

বিয়ের পর অধিকাংশ নারী যেকারণে ঈমানের স্বাদ হারিয়ে ফেলেন!

এক মহিলা ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন, ফদ্বীলাতুশ শাইখ, আমি বিয়ের আগে বেশি বেশি নামাজ, রোজা আদায় করতাম, কুরআন তিলাওয়াত করে শান্তি অনুভব করতাম, নেক আমলে শান্তি পেতাম কিন্তু এখন আমি সেসব বিষয়ে ঈমানের স্বাদ খুঁজে পাই না..

ইমাম আলবানী রহিমাহুল্লাহ ওই মহিলাকে জিজ্ঞেস করেন, হে আমার মুসলিম বোন তুমি তোমার স্বামীর হক আদায় করা এবং তাঁর কথা শোনার ব্যাপারে কতটুকু মনোযোগী?

মহিলা একটু বিরক্তবোধ করে বলে, শাইখ আমি আপনাকে নামাজ, রোজা, কুরআন তিলাওয়াত আর আল্লাহর আনুগত্যের কথা জিজ্ঞেস করছি আর আপনি আমাকে আমার স্বামীর ব্যাপারে বলছেন!

শাইখ আলবানী রহিমাহুল্লাহ বলেন,
আমার বোন, অধিকাংশ মেয়ে এই কারণে ঈমানের স্বাদ, আল্লাহর আনুগত্যে, ইবাদতে তৃপ্ততা পায় না।

কেননা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

কোন মহিলা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানের স্বাদ বা তৃপ্ততা পাবে না যখন পর্যন্ত নিজের স্বামীর হক্ব আদায় করবে না।

[ সহীহ আত তারগীব, ১৯৩৯ ]

🟥গায়রত কী❓✅উত্তরঃ সাহাবীরা তাদের স্ত্রী'র নাম পর্যন্ত পরপুরুষকে বলতো না।এটাই গায়রত❗একজন গায়রতহীন পুরুষ বড়ই ভয়ংকর। এখনক...
22/02/2026

🟥গায়রত কী❓

✅উত্তরঃ সাহাবীরা তাদের স্ত্রী'র নাম পর্যন্ত পরপুরুষকে বলতো না।

এটাই গায়রত❗

একজন গায়রতহীন পুরুষ বড়ই ভয়ংকর। এখনকার সময়ের পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূর।তারা তাদের স্ত্রীর বেপর্দা ছবি ফেসবুকে আপলোড দেয়❗ আল্লাহুম্মাগফিরলী..❗

✅ঘটনা ১

একদিন এক ব্যাক্তি আলি ইবনু আবি তালিব (রা) কে জিজ্ঞাসা করলেন তার স্ত্রী কেমন আছে❓

✅তিনি উত্তর দিলেন:

যদি তোমার রক্ত হালাল হতো।তাহলে আমি তরবারি দিয়ে তোমার মাথা কেটে ফেলতাম।

[ ইবনে কাসীর, আল- বিদায়া ওয়ান- নিহায়া]

✅ঘটনা ২

মক্কার এক মুশরিক তার উটকে জবেহ করে দিচ্ছিলো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি উটটি জবেহ কেন করলেন❓

আপনার টাকার প্রয়োজন হলেত বিক্রি করে দিতে পারতেন।

তখন লোকটি বললো‼️

এই উটের উপর আমার মহিলারা বসতো।বিক্রি করে দিলে এই উটের উপর অন্যপুরুষ বসবে।এটা আমার সহ্য হবে না। তাই এই উটই আমি রাখবো না।

একজন মুশরিক হওয়া সত্বেও তার কত গায়রত❗ আর আমাদের ভাই- বোনদের কি দশা❓

আস্তাগফিরুল্লাহ্‼️

গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ। রসূলুল্লাহ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না❗

وَمَا الْحَيَوةُ الدُّنْيَا إِلَّا مَتَاعُ الْغُرُورِ ﴿۲۰﴾

আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধোকার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়।

(সুরা হাদীদ-২০)

এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে❗

সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে❓

(সূরা ফাজর, আয়াত-২০)

স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বন্ধুদের সাথে হাসি তামাসা আড্ডায় ব্যস্ত থাকে‼️

বউয়ের চুল দেখা যাবে তাতে কষ্ট পাবে তো দূর।বিয়ের সময় বন্ধুকে নিজের বউকে দেখিয়ে পরে আবার শোনে, মেয়েটা কেমন রে❓

বন্ধুদের চোখের খোরাক বানিয়ে তারপর সে বিয়ে করে।

আর এটাই নাকি এখনকার ভদ্র সমাজের ট্রেন্ড❗

আল্লাহুম্মাগফিরলী❗

আর এখনকার পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূরের কথা❗

অনেকে গায়রত কি সেটাও জানেনা

হায় আফসোস❗

এই উম্মাহর কোনো নারী গায়রতহীন পুরুষকে আপন করে নিছে এমন নজির নাই।

হায় আফসোস❗

এই উম্মার পুরুষরা আজ জানেই না গায়রত কী❓

মহিলারা আজ বোঝে না গায়রতের মর্ম।

বরং তারা গায়রতহীন চাকচিক্যময় নিবেদিত পুরুষদেরই খুঁজে ফেরে হর হামেশা

গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ রসূলুল্লাহ বলেছেন,তারা জান্নাত তো পাবেই না।জান্নাতের গন্ধও পাবে না।

ইয়া রব বুঝার তৌফিক দান করুন সকল মুসলিম ভাই বোনকে।
আল্লাহুম্মা আমীন।

22/02/2026
💍 বিয়ের জন্য অস্থির হয়ে যাচ্ছেন…?একবার অন্তত মন দিয়ে এসব ভেবে দেখেছেন কি…?মানুষ যখন বিয়ের কথা ভাবে— কেউ ভাবে রঙিন সা...
22/02/2026

💍 বিয়ের জন্য অস্থির হয়ে যাচ্ছেন…?

একবার অন্তত মন দিয়ে এসব ভেবে দেখেছেন কি…?

মানুষ যখন বিয়ের কথা ভাবে— কেউ ভাবে রঙিন সাজঘর, কেউ ভাবে হাত ধরে পাশাপাশি হাঁটার স্বপ্ন, কেউ ভাবে ভালোবাসা পাওয়ার নিশ্চয়তা।

কিন্তু খুব কম মানুষ থেমে জিজ্ঞেস করে— বিবাহ আসলে কী? এর উদ্দেশ্য কী? এটা কি শুধু একটি সম্পর্ক, নাকি এর চেয়েও অনেক বড় কিছু?

বলুন তো— আপনার কাছে বিবাহ মানে কী? একটি অনুষ্ঠান? একটি খালি ঘর ভরাট করার ব্যবস্থা? নাকি সমাজকে দেখানোর জন্য একটি সম্পর্ক?

না…

বিবাহ এর চেয়েও গভীর। এর চেয়েও পবিত্র। এর চেয়েও মহান...!!



বিবাহ মানে কী? বিবাহ মানে— একজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষকে নিজের জীবনের সবচেয়ে দায়িত্বশীল স্থানে বসিয়ে দেওয়া। তার হাসি, তার কান্না, তার কষ্ট, তার স্বপ্ন—সবকিছুর দায় নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া।

বিবাহ মানে— দুইটি ভিন্ন দুনিয়া থেকে আসা দুইটি মানুষ একসাথে একটি নতুন দুনিয়া গড়ে তোলা। যেখানে থাকবে ভালোবাসার আলো, দায়িত্বের ছায়া, আর আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের নিরন্তর চেষ্টা।

বিবাহ মানে—
আল্লাহর জন্য ভালোবাসা। যেখানে রাগ কমে যায়, ক্ষমা বড় হয়ে যায়, আর একে অপরকে জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর চিন্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।



📖 হাদিসের আলোকে বিবাহ:

রাসূল ﷺ বলেছেন—
“হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিয়ে করে। কারণ এটি দৃষ্টি অবনত রাখে এবং চরিত্রকে হেফাজত করে।”

(বুখারি, মুসলিম)

আরেক হাদিসে এসেছে—
“বিবাহ আমার সুন্নত। যে আমার সুন্নত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।”

আরও বলেছেন— “যে ব্যক্তি বিয়ে করল, সে তার দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ করল।” তাহলে বুঝুন— বিবাহ শুধু ভালোবাসার গল্প নয়, এটা ঈমান বাঁচানোর ঢাল।



🎯 বিবাহ করার প্রকৃত উদ্দেশ্য বিবাহ করা হয়—
• নিজের অর্ধেক দ্বীন পূর্ণ করার জন্য
• দুর্বল ঈমানকে মজবুত করার জন্য
• হারাম দৃষ্টি থেকে চোখ হেফাজত করার জন্য
• জিনা নামক ফিতনা থেকে চরিত্র রক্ষা করার জন্য
• হেদায়েতের পথে আরও দৃঢ় থাকার জন্য
• জীবনে একটি হালাল ভালোবাসা আনার জন্য
• মানসিক শান্তি ও প্রশান্তি খুঁজে পাওয়ার জন্য
• নিজের চরিত্র ও ব্যক্তিত্বকে পরিপূর্ণ করার জন্য
• রাসূল ﷺ–এর উম্মত বৃদ্ধি করার জন্য



🤍 বিবাহ কেন প্রয়োজন?
কারণ মানুষ ক্লান্ত হয়—
একলা পথ চলতে,
অভিমান সামলাতে,
কষ্ট লুকিয়ে রাখতে,
নিঃশব্দ রাতগুলোতে কান্না চেপে ধরতে।

মানুষ চায়----
কারো কাছে নিজের কথা খুলে বলতে,
কারো কাঁধে মাথা রেখে হালকা হতে,
কারো ভালোবাসার হাত ধরে সারা জীবন হাঁটতে।

মানুষ চায়—
একটি নিরাপদ হৃদয়,
একটি হালাল আশ্রয়,
একটি শান্তির ঠিকানা।
এটাই বিবাহ।

🌸 বিবাহ কোনো খেলনা নয়
বিবাহ শুধু একটি সম্পর্ক নয়—
এটা একটি আমানত।
এটা একটি ইবাদত।
এটা একটি নতুন জীবন।

বিবাহ মানে—
নতুন করে শুরু করা,
নতুন দায়িত্ব নেওয়া,
নতুন স্বপ্ন আঁকা,
নিজের জীবনকে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে সাজানো।

বিবাহ মানে—
চোখের পানি মুছে দেওয়া,
অপরকে হাসাতে শেখা,
ভুল ক্ষমা করা,
দু’জন মিলে জান্নাতের পথে হাঁটা।

মনে রাখবেন—
বিবাহ ভেঙে গেলে শুধু সম্পর্ক ভাঙে না,
ভেঙে যায় দু’টি হৃদয়,
ভেঙে যায় দু’টি স্বপ্ন,
ভেঙে যায় আল্লাহর কাছে দেওয়া একটি আমানত।



🤲 তাই বিয়ের আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন

আপনি কি সত্যিই—
• কাউকে আগলে রাখতে পারবেন?
• তার স্বপ্নকে নিজের স্বপ্ন বানাতে পারবেন?
• তার দুঃখকে নিজের দুঃখ মনে করতে পারবেন?
• একে অপরকে আল্লাহর পথে চালাতে পারবেন?

যদি পারেন—

তাহলে বিশ্বাস করুন, বিবাহ আপনার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সিদ্ধান্ত হতে পারে।

কারণ—
✨ বিবাহ মানে নতুন জীবন
✨ নতুন যাত্রা
✨ নতুন আশা
✨ আর আল্লাহর রহমতে ভরা একটি পবিত্র সম্পর্ক

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হালাল, শান্তিময় ও বরকতময় বিবাহের তাওফিক দান করুন।

আমিন। 🤍

#বিয়ে #বিবাহ

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রত্যাবর্তন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share