07/11/2025
হ্যাঁ ছবিতে যা দেখতেছেন সবগুলো প্রতিটা ফার্মেসিতে ওপেন বিক্রি হয়, সবাই দেখে জানে বুঝে কিন্তু কেউ লজ্জা পায়না বিরোধিতা করেনা। সমস্যা শুধু বিয়েতে আর প্রয়োজনে একাধিক বিয়েতে, সবার মাথা গরম।
আমাদের দেশে ফার্মেসিগুলোতে ওপেন কনডম ফেমিকন ইমার্জেন্সি ফিল ইনজেকশন বিক্রি হয়, পুরুষ নারী বিবাহিত অবিবাহিত সবাই ক্রয় করে। কোন বাধা বিপত্তি লজ্জা শরম ছাড়া। আপনি জেনে আশ্চর্য হবেন, এই সমস্ত জন্মবিরতিকরণ পদ্ধতিগুলো স্বামী স্ত্রীরা যা ব্যবহার করে এরচেয়ে অবিবাহিত - পরকিয়া যারা করে তারা বেশি ক্রয় করে। কারন হল জেনা আকাম কুকামে যেনো গর্ভে সন্তান না আসে। সবচেয়ে বেশী বিক্রি হয় ইমার্জেন্সি ফিল, যা ১২ থেকে ৭২ ঘন্টার মাঝে খেলে সন্তান কন্সিভ করবেনা। আপনি আমি এটাও বুঝি, এই ইমার্জেন্সি ফিল বিবাহিত নারীরা স্বামীর জন্য খায় না তেমন খাবেওনা। এগুলো মেক্সিমাম জেনার কাজেই ব্যবহার হয়। আরো আশ্চর্য হবেন, শুধু এই কনডম ফেমিকন ইনজেকশনের মাধ্যমে দৈনিক কোটি কোটি টাকা ব্যবসা করে নিচ্ছে ঔষধ কোম্পানিগুলো। সবাই আনন্দে ক্রয় করছে ব্যবহার করছে সেফটি হিসেবে।
আপনি আশ্চর্য হচ্ছেন? আরো শুনেন আমাদের দেশে প্রতি ৩০ সেকেন্ডে ১ জন করে অবৈধ সন্তান নস্ট করে এক কথায় জারজ সন্তান। বৈধতো হচ্চেই নস্ট। তাহলে দৈনিক প্রায় ৩ হাজার অবৈধ সন্তান নস্ট হচ্ছে, যা জেনার মাধ্যমে গর্ভে আসতেছে। এগুলো নস্ট করতেছে বিভিন্ন ঔষধের মাধ্যমে, অথবা হাসপাতালে নার্স বা ডাক্তারের মাধ্যমে। বাংলাদেশে সরকার স্বীকৃত প্রায় ১ লক্ষ পতিতা আছে, যাদের মাধ্যমে প্রতিদিন ৩ লক্ষবার জেনা হচ্ছে কাস্টমারের মাধ্যমে। আর পতিতা-দের কাস্টমার হচ্ছে মেক্সিমাম বিবাহিত পুরুষরা। এবার সরকারী হিসেব ছাড়া কত লক্ষ লক্ষ পতিতা আছে জেনা হচ্ছে দৈনিক হিসেব কষেন।
হ্যাঁ এমন একটা দেশেই মেয়ে ছেলেদেরকে সময় মত অভিভাবকরা বিয়ে দিচ্ছে না। ক্লাস নাইন থেকে টেনের ভিতর ২০% ছেলে মেয়ে তাদের চরিত্র সতিত্ব নস্ট করতেছে। ভাবুনতো এরা যখন বাবা মা হবে তাদের গর্ভে ঔরসে কেমন সন্তান আসবে। আপনি আরো অবাক হবেন এক জরিপে দেখা গেছে বিবাহিত পুরুষ জেনা করে বেশি। যদি শর্ত সাপেক্ষে ইনসাফের সাথে একাধিক বিয়ে সহজ হত করতো এই দেশে এত জেনা পতিতাবৃত্তি হতনা। যদি এই পতিতাগুলোর দায়িত্ব নিয়ে তওবাহ করিয়ে যোগ্য পুরুষদের মাসনা সুলাসা অথবা রুবায়া করানো হত। কিন্তু কিভাবে করবেন, আমাদের দেশে নারীরাই নারীদের প্রধান শত্রু। স্বামীর প্রয়োজন আরেকটি বিয়ে জেনেও স্বামীকে বিয়ে করিয়ে আরেকটি অবহেলিত বোনের দায়িত্ব নিয়ে গর্বিত হবে সেই মনমানসিকতা তৈরী করেনা হচ্ছে না। স্বামীকে জাহান্নামের মুখে দিতে রাজি, বৈধভাবে বিয়ে করতে দিতে রাজি নয়। মনে রাখবেন যে দেশে বিয়ে একাধিক বিয়ে যত কঠিন হবে, সেই দেশে জেনা পতিতাবৃত্তি তত সহজ হচ্ছে হবে।
মনে রাখবেন যেটা যেটা ইসলাম সেটা সেটা সুন্দর। আর কোন ব্যাক্তিকে দিয়ে ইসলাম না মেপে ইসলামকে দিয়ে ব্যাক্তিকে মাপতে হবে। কেউ একাধিক বিয়ে করে খারাপ বিষয় হইছে সামনে আসছে, তার মানি একাধিক বিয়েই খারাপ। এবার এটাকে হারামের পর্যায়ে নিয়ে যাও। অথচ নারীবাদী নারীবান্ধব সমাজে নারীদের কথাকেই দলীল মনে করে, ভিক্টিম পুরুষটাকে জিজ্ঞেসও করেনা, আসলে কাহিনি কি? অথচ এটা কত বড় জুলুম। একাধিক বিয়ের বিরুদ্ধে আমাদের জবান কলম যত শানিত, এই সমস্ত দৃশ্যমান গুনাহ ভয়ংকর অন্যায়গুলো নিয়ে আমাদের জবান কলম তত বোবা আফসোস।