25/06/2024
🌍🙏🔘❗🔘🌹 ্নাথ🌹🔘❗🔘🙏🌍
🌍🙏🌻জয় জগন্নাথ স্বামী নয়ন পথ ঘামী ভবতু মে..
🙏❤️নীলাচলনিবাসায় নিত্যায় পরমাত্মনেঃ❤️🙏
🙏❤️বলভদ্র সুভদ্রাভ্যাং জগন্নাথায় তে নমঃ❤️🙏
🙏🌹অনাথের নাথ প্রভু শ্রী জগন্নাথ দেব স্নান যাত্রা শেষে গজবেশ দর্শন,,,,,
🌎🙏 শ্রী জগন্নাথ দেবের গজবেশ ধারণ লীলা:---
একবার কর্ণাট দেশের কানিয়ারি গ্রামের গণপতি ভট্ট নামক এক ব্রাক্ষ্মণ নীলাচলে স্নান যাত্রায় উপস্থিত হয়ে ছিলেন।কিন্তু তিনি শ্রীজগন্নাথের মন্দির পরিদর্শনে অনিচ্ছুক ছিলেন,কেননা তার নীতি ছিল কেবল গনেশের করা।সে গনেশের একজন মহান ভক্ত ছিলেন। “শ্রীজগন্নাথ সকল দেবদেবীর উৎস শ্রীবিষ্ণু হতে অভিন্ন,” রাজা তাকে বোঝালেন।রাজার নানা যুক্তিতে অবশেষে তিনি মন্দির পরিদর্শনে সম্মত হলেন।সেদিন ছিল স্নান যাত্রার দিন।তিনি বিগ্রহ গনের সামনে দাড়িয়ে বললেন,আপনি যদি এরা যা বলছেন সত্যিই তাই হন , দারুব্রম্ম,তাহলে অনুগ্রহ করে আমাকে আমার আরাধ্যদেব শ্রীগনেশের রুপ প্রদর্শন করান।”
তার অহৈতুকী কৃপা প্রদর্শনের সংকল্প করে শ্রীজগন্নাথ নিজেকে গনেশ রুপে পরিবর্তীত করেন।শুঁড় যুক্ত সহাস্য বদন জগন্নাথকে দর্শন করে সেই ভক্ত যুগপৎ মহাবিস্ময় ও মহা আনন্দে অভিভুত হন- সেই সময় থেকে স্নাযাত্রার পর নিয়মিতরুপে শ্রীজগন্নাথ ও বলরামের স্নান বেদিতে গণেশ বেশ এবং সুভদ্রাদেবির 'পদ্মবেশ' (পুষ্পদ্বারা পদ্মাকৃতি) হয়ে থাকে।
শ্রী ইন্দ্রদ্যুম্নের প্রতি শ্রীজগন্নাথের আদেশঃ- মহাস্নানযাত্রার পরবর্তী পঞ্চদশ দিবস পর্যন্ত শ্রীভগবানকে অঙ্গরাগবিহীন বিরুপ অবস্থায় কেহ কদাচিৎ দর্শন করিবে না।
[শ্রীজগদীশের আজ্ঞানুসারে এই পঞ্চদশ দিনকাল মন্দিরের দ্বার রুদ্ধ থাকে।এই সময়কে "অনবসরকাল" বলা হয়।
স্নানযাত্রার সময় স্নানাধিক্যহেতু নব-লীলামাধুর্য বিস্তার করার জন্য পক্ষকাল শ্রীজগন্নাথ জ্বরলীলা প্রকাশ করেন।
জগন্নাথ দেবের জ্বর হয়েছে বলে এই সময় পাচন (মিষ্টরসের-পানাবিশেষ) ভোগ প্রদান করা হয় এবং অনবসরকালের প্রত্যহ মিষ্টান্ন ভোগ প্রদত্ত হয়।এরপর শ্রীশ্রীজগন্নাথ দেবের শ্রীঅঙ্গরাগ করা হয়।পক্ষকাল বিশ্রামের পর যখন বিগ্রহগণ নবমূর্তিতে প্রকটিত হইয়া নানানরকম বেশভূষায় সজ্জিত হয়ে প্রথম দর্শন দান করেন-তখন সেই উৎসবকে 'নেত্রোৎসব বা 'নব-যৌবনোৎসব বলা হয়।
বিভিন্ন বেশের মধ্যে কার্তিকে শ্রীজগন্নাথের "শ্রীদামোদর বেশ" এবং অগ্রহায়ণের শুক্লাষষ্ঠী হতে শ্রীজগন্নাথ দেবের শ্রীঅঙ্গে বিশেষ শীতবস্ত্র দেওয়া হয়।
এইটাও মাঘী শুক্লচতুর্থী পর্যন্ত থাকে এর পরের দিন অর্থাৎ মাঘী বসন্ত পঞ্চমীতে শীতবস্ত্র উন্মোচন করা হয় শীতবস্ত্র তথা ওঢ়ন ধারণ করে বলে এটাকে ওড়ন ষষ্টী বলা হয়।
এটা ব্যাতীত নানান রাজবেশ ক্রমে ক্রমে পরিবর্তন হয়।
যথাঃ অনবসের শেষদিন নবযৌবন বেশ,
আষাঢ়েঃ স্বর্ণ বেশ,
শ্রাবণে চিতালাগি বেশ,
ভাদ্রে বনভোজন বেশ,
কালীয়দমন বেশ,
প্রলম্ববধ বেশ,
কমলা বেশ,
আশ্বিনেঃ রাজ বেশ
কার্তিকে শুক্লা একাদশী হতে যথাক্রমে ত্রিবিক্রম, বামন, নৃসিংহ, পরশুরাম এবং পূর্ণিমাতে রাজাধিরাজ, মাঘী পূর্ণিমায় গজোদ্বাণ বেশ হয়ে থাকে।
🙏🌹ভগবান শ্রী জগন্নাথ দেবের এই অদ্ভুদ লীলাকথা আপনার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে জয় জগন্নাথদেব 🌹🙏
🌎🚩☸️🙏❤️🌹🔘❗🔘🌹❤️🙏☸️🚩🌎