Paradise_The Dream Of Muslims

Paradise_The Dream Of Muslims This page is a islamic page.You may say it is a source of islamic knowledge and also organisation,s

03/11/2023

মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোঁড়া, অবৈধ,দখলদার রাষ্ট্রের অমানবিক ও পৈশাচিক আগ্রাসনের বৈধতা দিতে এক নামধারী আহলে হাদীস ইমামের বক্তব্য -দেখবেন যারা মার খাচ্ছে,৯০ শতাংশের মুখে দাড়ি নেই।প্যান্ট টাখনুর নিচে।... এটা তাদের কৃতকর্মের ফল!!!
নাউজুবিল্লাহ! জালিমের পক্ষ নিতে কি সুন্দর যুক্তি!

28/10/2023

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কিরবি: We're not drawing red lines for I$rael," he said.(আমরা ইস্র।য়েলের জন্য কোন লাল রেখা টানছি না।)

কি জঘন্য একটা কথা! এদের পররাষ্ট্রনীতির মুল ভিত্তি নাকি মানবাধিকার! ধিক্কার তাদের উপর।
اللهم خذهم أخذ عزيز مقتدر.

17/09/2023

এদেশের আলেমদের ব্যাপারে কথিত মুক্তমনাদের একটা অভিযোগ আছে—হুজুররা সবকিছুর মধ্যে ধর্ম টেনে আনে। বিশেষত ক্রিকেট-ফুটবলকে কেন্দ্র করে জমে ওঠা জুয়ার বিরুদ্ধে কথা বললেই তারা বলে, হুজুররা খেলার মধ্যেও ধর্ম নিয়ে টানাটানি করে!

মজার ব্যাপার হলো, কোনো ক্রিকেটার যদি ধর্মের কথা বলে, তখন আবার তারা বলে, ক্রিকেটার কেন ধর্ম প্রচার করবে!

এক্ষেত্রে তারাই কিন্তু খেলার মধ্যে ধর্ম টেনে আনল।

বাংলাদেশের সংবিধানের কোথাও কি লেখা আছে, বিশেষ বিশেষ পেশার সেলিব্রেটিরা ধর্মের কথা বলতে পারবে না? কোথাও লেখা নেই। বরং ধর্ম পালন ও ধর্মের কথা বলা ব্যক্তির সাংবিধানিক অধিকার। তাহলে একজন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে এই ধরনের বিদ্রূপাত্মক কথা বলার বৈধতা তারা কীভাবে পায়!

নিজ অবস্থান থেকে যারা ইসলামের কথা বলছেন, তাদের এই সৎ সাহসকে আমরা সাধুবাদ জানাই। যদিও তাদের প্রচারিত সব কথা ইসলামের মাপকাঠিতে সঠিক নাও হতে পারে। কারো ব্যক্তিগত চিন্তা ও মতামত নিয়ে বিদ্রূপ করা মানুষগুলো আবার নিজেদেরকে মুক্তমনা দাবি করে, এর চেয়ে হাস্যকর বিষয় আর কী হতে পারে?

প্রত্যেক পেশার মানুষ, হোন তিনি নায়ক-গায়ক-ক্রিকেটার, ধর্মপ্রচারের অধিকার রাখেন। এ নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করার অধিকার কারো নেই। তার পেশা ইসলাম সমর্থন করে কি না সেটা ভিন্ন আলাপ।

দেখবেন, এরাই কিন্তু কথায় কথায় বলে, ধর্মের দায়িত্ব হুজুরদের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দিতে হবে। যেন হুজুররা ধর্ম ব্যবহার করে সুবিধা ভোগ করতে না পারে।

অথচ সাধারণ মানুষ যখন ধর্মের কথা বলতে শুরু করে, তখন এই মানুষগুলোও তাদের কাছে অপ্রিয় এবং ধর্মব্যবসায়ী হয়ে ওঠে।

এইসব মুক্তমনারা যে কতবড় স্ববিরোধী এবং দ্বিচারী, বিভিন্ন ইস্যু এসে তা দেশবাসীর সামনে উন্মুক্ত করে দেয়। তাদের এই দ্বিমুখিতার একমাত্র কারণ ইসলাম বিদ্বেষ। এই পৃথিবীতে তারা ইসলাম ছাড়া আর কোনো কিছুর মধ্যে সমস্যা দেখে না।

এইসব চরিত্রের মানুষের ব্যাপারেই মহান আল্লাহ বলেছেন : তারা বধির, মূক, অন্ধ; কাজেই তারা ফিরে আসবে না।

শায়খ আহমদু্লাহ

22/06/2023

ডায়েরির শাদা বুক। তিনি লিখছিলেন -

* এই বছর আমার একটি অপারেশন করা হয় এবং আমার পিত্তথলি কেটে ফেলে দিতে হয়। আর এই অপারেশনের কারণে আমাকে দীর্ঘদিন বিছানায় পড়ে থাকতে হয়।

* এই একই বছর, আমার বয়স ষাট স্পর্শ করে এবং আমার সবচেয়ে প্রিয় কাজটি আমায় ছেড়ে দিতে হয়। এই প্রকাশনা সংস্থায় গত ত্রিশ বছর যাবত আমি কাজ করেছি।

* এই একই বছর, আমাকে আমার বাবা হারানোর মত দুঃখের সম্মুখীন হতে হয়।

* এবং একই বছরই আমার ছেলে মেডিকেল পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়, কারণ সে সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয়, যার ফলে তাকে বেশ কিছুদিন হাসপাতালে কাটাতে হয়। এছাড়া আমাদের গাড়ির ক্ষতি তো আছেই।

সবশেষে তিনি লিখলেন, "হায়! এই বছরটা কতই না খারাপ কাটলো।"

এ সময় তার স্ত্রী রুমে প্রবেশ করে স্বামীকে ভগ্ন হৃদয় দেখতে পান। তিনি তার পিছনে দাঁড়িয়ে লেখাটি পড়েন এবং নীরবে রুম থেকে বেরিয়ে যান।

কিছুক্ষণ পর স্ত্রী হাতে লেখা অন্য একটি কাগজ তার স্বামীর লেখা কাগজের পাশে রাখেন। লেখক কাগজটির দিকে মনোযোগ দিয়ে দেখতে পান তাতে লেখা আছে:

* এই বছর, অবশেষে আমি আমার পিত্তথলির ব্যথা থেকে মুক্তি লাভ করি, যা কয়েক বছর যাবত আমাকে ভোগাচ্ছিল।

* এই বছরই, আমি এখনও পর্যন্ত সুস্থ শরীরে ষাট বছরে পদার্পণ করি এবং আমার চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণ করি। ফলে এখন আমি আরো মনোযোগ সহকারে এবং শান্তিতে ভালো কিছু লিখতে পারবো।

* এই একই বছর, আমার বাবা ৯৫ বছর বয়সে, অন্য কারো মুখাপেক্ষী না হয়ে এবং কোন ধরনের রোগব্যাধি ছাড়াই স্রষ্টার সান্নিধ্যে চলে গেছেন।

* আর এই একই বছর, স্রষ্টা যেন আমার ছেলেকে নতুন জীবন দান করেন। যদিও আমাদের গাড়ির ক্ষতি হয়েছে কিন্তু আমার ছেলে কোন ধরনের পঙ্গুত্ব বরণ করা ছাড়াই বেঁচে ফিরে এসেছে।

সবশেষে তার স্ত্রী লিখেছেন, "এই বছরটা আল্লাহর অশেষ রহমতে কত ভালোই না কাটলো!"

ঘটনা একই। কিন্তু দৃষ্টিভংগি আলাদা৷ আল্লাহর রহমতকে অনুভব করুন মন ও হৃদয় দিয়ে৷ বুঝতে পারবেন।

আল্লাহ পবিত্র কুর'আনে বলেন, “আপনার পালনকর্তা মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল, কিন্তু তাদের অধিকাংশই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।” [সূরা আন-নামল- ৭৩]

(Collected)

আমার প্রিয় একজন মানুষের লেখা ❤️❤️
30/11/2022

আমার প্রিয় একজন মানুষের লেখা ❤️❤️

15/06/2022

Astagfirullah 📌

12/06/2022

11/06/2022

২০০৫ সালে ডেনমার্কের কার্টুনিস্ট কুর্ত ভেস্তের্গার্দ, ২০০৬ সালে ফ্রান্সের পত্রিকা শার্লি হেবদো, ২০০৭ সালে ব্রিটেনের স্কুল টিচার গিলিয়ান গিবন্স – সবাই একই উদ্দেশ্যে মাঠে নেমেছিল। এমনকি ২০১৫ সালে নরেন্দ্র মোদি’র আরএসএস’র অনুসারী কমলেশ তিওয়ারী’ও একই কাজ করছিল।

কিন্তু কেয়ামত পর্যন্ত চেষ্টা করলেও তারা যে মহানবী (স) এর সম্মান ও মর্যাদা এক তিল পরিমাণ’ও কমাতে পারবেনা সেই চ্যালেঞ্জ’তো মহান আল্লাহ নিজেই সূরা ইনশিরা’র ৪ নং আয়াতে দিয়ে রেখেছেন -
وَرَفَعۡنَا لَـكَ ذِكۡرَكَؕ‏
এবং আমি আপনার খ্যাতিকে উচ্চ মর্যাদা দান করেছি।

এমনকি ভারতের আইনেও বিজেপি’র নূপুর শর্মা ও নাভিন জিন্দাল শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। আইপিসি’র ১৫৩(ক) ধারায় “ধর্মের ভিত্তিতে গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা প্রচার এবং সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য ক্ষতিকর কাজ” এবং ২৯৫(ক) ধারায় “যে কোনো শ্রেণীর ধর্মীয় বিশ্বাসকে অবমাননা করে ধর্মীয় অনুভূতিকে ক্ষুব্ধ করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত বিদ্বেষপূর্ণ কাজ” করলে শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ তিন বছর রিগোরাস ইম্প্রিজনমেন্ট এর কথা বলা আছে।

অনেকেই আমাকে ইনবক্স করে এ বিষয়ে আমার কোন প্রতিবাদী স্ট্যাটাস দেখতে না পাওয়ার কারণ জানতে চেয়েছেন। আমি ভাবছিলাম ফেসবুকে জাস্ট একটা যেমন তেমন প্রতিক্রিয়াশীল পোস্ট দেয়ার চেয়ে বেটার কিছু করা যায় কিনা। অবশেষে চিঠি লিখেছি জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্টনিও গূতারেস’কে। মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফানি ডুজারেখ এবং উপ মহাসচিব আমিনা মোহাম্মেদ'কে আগে থেকে ইমেইলে জানিয়ে তাদের অনুমতি নিয়ে তারপর এই চিঠি পাঠাচ্ছি বলে দুটো দিন দেরী হল।

ভারত সরকারকে ক্ষমা চাইতে হবে শুধু সেই দাবী আমি এই চিঠিতে করিনি। একইসাথে দাবী করেছি জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে ভারতকে চিরকালের জন্য অযোগ্য ঘোষনা করতে। দাবী করেছি জাতিসঙ্ঘের শান্তি রক্ষী মিশন থেকে ভারতকে বহিষ্কার করতে।

ইনশাআল্লাহ, আমার এই চিঠি জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব’এর হাতে পৌঁছুবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারি। কিন্তু বিশ্ব রাজনীতির জটিল গ্যাঁড়াকলে তার আদৌ কিছু করার থাকবে কিনা তা নিশ্চিত করে বলতে পারি না। তারপরেও আমার জায়গা থেকে আমি আমার মত করে প্রতিবাদ জানিয়ে রাখলাম মুসলিম উম্মাহ’র পক্ষ থেকে। রোজ হাশরে আল্লাহ’র নিকট বলতে পারব যে মহানবী (সা)’র অপমানে আমি নিশ্চুপ ছিলাম না। আপনারা সাক্ষী থাকলেন।

দেশ হিসেবে মধ্য প্রাচ্যের কাতার, কুয়েত, জর্ডান, সৌদি আরব, লিবিয়া, ওমান, আরব আমিরাত ও ইরান আগেই কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিল। সংগঠন হিসেবে তাদের সাথে যুক্ত হয়েছিল “গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল” ও “অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন”। আজকে দেখলাম দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার মালদ্বীপ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়াও সরকারিভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

আফসোস একটাই, প্রাণের বাংলাদেশ থেকে কোন ডিপ্লোম্যাটিক প্রোটেস্ট দেখলাম না। জাতি হিসেবে আমরা কি এতটাই দেউলিয়া?

©Faatiha Aayat

11/06/2022
Indeed🤍
11/06/2022

Indeed🤍

Address

Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Paradise_The Dream Of Muslims posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share