07/07/2023
জুম'আর দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত/করণীয় ও বর্জনীয় :
#আদেশ
আল্লাহ তায়ালা বলেন-
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا اِذَا نُوْدِیَ لِلصَّلٰوةِ مِنْ یَّوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا اِلٰى ذِكْرِ اللّٰهِ وَ ذَرُوا الْبَیْعَؕ ذٰلِكُمْ خَیْرٌ لَّكُمْ اِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُوْنَ
হে ঈমানদারগণ!জুম’আর দিন যখন নামাজের জন্য তোমাদের ডাকা হয় তখন আল্লাহর যিকরের(নামাজ) দিকে ধাবিত হও এবং বেচাকেনা ছেড়ে দাও। এটাই তোমাদের জন্য বেশী ভাল যদি তোমাদের জ্ঞান থাকে।(সুরা জুময়া-৬২/৯)
#ফজিলত
রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘জুম'আর দিন মসজিদের প্রতিটি দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করে এবং (জুমার নামাজের) আগমনকারীদের নাম ক্রমানূসারে লিপিবদ্ধ করতে থাকে। অতঃপর ইমাম যখন (মিম্বরে) বসেন, তারা লেখাগুলো গুটিয়ে নেয় এবং যিক্র (খুতবা) শোনার জন্য চলে আসে।
মসজিদে যে আগে আসে, তার উদাহরণ সে ব্যাক্তির মত যে একটি উটনী কোরবানি করেছে।
তার পরবর্তীজনের দৃষ্টান্ত তার মত যে একটি গাভী কোরবানি করেছে।
তার পরবর্তীজনের দৃষ্টান্ত তার মত যে একটি ভেড়া কোরবানি করেছে।
এবং তার পরবর্তীজনের দৃষ্টান্ত তার মত যে একটি মুরগি দান করেছে।
পরবর্তীজনের দৃষ্টান্ত তার মত যে একটি ডিম দান করেছে।
’ (মুসলিম, হাদিস নং: ২০২১)
এছাড়াও রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুম'আর দিনে সকাল সকাল গোসল করল এবং গোসল করাল, তারপর ইমামের কাছে গিয়ে বসে চুপ করে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শুনল, প্রত্যেক কদমের বিনিময়ে সে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব পাবে। ’ (তিরমিজি, হাদিস নং : ৪৯৮)
আল্লাহর রাসুল (সা.) আরও বলেন, ‘জুম'আর দিনে যে ব্যক্তি গোসল করে জুম'আর নামাজের জন্য যায় এবং সামর্থ্য অনুযায়ী নামাজ আদায় করে, এরপর ইমাম খুতবা শেষ করা পর্যন্ত নীরব থাকে। এরপর ইমামের সঙ্গে নামাজ আদায় করে। তবে তার এ জুম'আ থেকে পরবর্তী জুম'আ পর্যন্ত এবং অতিরিক্ত আরও তিন দিনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। ’ (মুসলিম, হাদিস নং : ২০২৪)
#কিছু_করণীয়:
১.গোসল করা।
২.পরিষ্কার সুন্দর কাপড় পরিধান করা।
৩.সুগন্ধি ব্যবহার করা।
৪.মিসওয়াক করা।
৫.বেশি বেশি দরূদ পাঠ করা।
#কিছু_বর্জনীয় :
১.জুমার আজান হওয়ার পর কোন কাজ করা।
২.খুতবা চলাকালীন কোন কাজ করা অথবা কথা বলা।
৩.পরে এসে দু'জনের মাঝে ফেড়ে সামনে গিয়ে বসা।
#হুশিয়ারি
রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি অবহেলা করে তিন জুম'আপরিত্যাগ করে, আল্লাহ তাআলা তার হৃদয় মোহরাঙ্কিত করে দেন।