Islamic Instruction Manual

Islamic Instruction Manual Assalamu Alaikum. This page is about is about Islam. It contains more Islamic Instructions. It may help you to get true Speech. Like This page & Stay with us.

Thank You....

Alhamdulillah
23/05/2021

Alhamdulillah

14/05/2021
ঈদ মুবারাক🌙তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!
13/05/2021

ঈদ মুবারাক🌙
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!

সাহরি ও ইফতারে খেজুর-পানি কেন খাবেন?রমজান। আত্ম সংযমের মাস রমজান। কুরআন নাজিলের মাস। তাকওয়া অর্জনের মাস। ইবাদত-বন্দেগির ...
14/04/2021

সাহরি ও ইফতারে খেজুর-পানি কেন খাবেন?
রমজান। আত্ম সংযমের মাস রমজান। কুরআন নাজিলের মাস। তাকওয়া অর্জনের মাস। ইবাদত-বন্দেগির মাস। সাহরি খাওয়ার মাস। ইফতার করার মাস। এ সবই রোজাদার মুমিন বান্দার একান্ত করণীয় কাজ।

আত্ম সংযমের রয়েছে তাকওয়ার প্রশিক্ষণ। সাহরি গ্রহণে রয়েছে বরকত ও কল্যাণ। ফেরেশতারা সাহরি গ্রহণকারীর জন্য মাগফেরাতের দোয়া করতে থাকে।
ইফতার রোজাদারের জন্য আনন্দের। রোজাদারের আনন্দের ফলে এ সময়ের সব আবেদন আল্লাহ কবুল করে থাকেন।

প্রকৃত মুমিন কখনোই সাহরি ও ইফতার নিয়ে ব্যস্ত থাকে না। সাজিয়ে বসে না ইফতার ও সাহরির পসরা। তাদের লক্ষ্যই থাকে আল্লাহকে রাজি খুশি করানো।
যারা সুবহে সাদেকের আগে সামান্য সাহরি গ্রহণ করে দিনের বেলায় কুরআনের নির্দেশ অনুসারে ক্ষুধার যন্ত্রণা উপভোগের মাধ্যমে উপবাস করে এবং দিন শেষ ইফতার গ্রহণ করে তাদের জন্যই চূড়ান্ত সফলতা।

সাহরি প্রসঙ্গে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিয়েছেন কতিপয় সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা। আর তাহলো-

সাহরি খাওয়া বরকতের, তাই বলে সাহরি খাওয়া নিয়ে বাড়াবাড়ি একদমই ঠিক নয়। বিশাল আয়োজনে পেট ভরে সাহরি গ্রহণের কোনো দিক-নির্দেশনাও নেই। বরং অতিরিক্ত খাবার গ্রহণে ইবাদত-বন্দেগিতে অলসতা চলে আসে। রমজানের কাঙ্ক্ষিত ফল লাভে বঞ্চিত হয় মুমিন মুসলমান।
হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘সাহরি খাওয়ায় বরকত আসে। সুতরাং তোমরা তা (সাহরি) খেতে ছেড়ো না; যদিও তোমরা তাতে এক ঢোক পানিও খাও। কেননা যারা সাহরি খায়, তাদের জন্য আল্লাহ রহমত বর্ষন করেন এবং ফেরেশতারা দোয়া করতে থাকেন।’ (মুসনাদে আহমাদ)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনায় এসেছে, প্রিয়নবি বলেছেন, ‘মুমিনের শ্রেষ্ঠ সাহরি হলো খেজুর।’

ইফতার প্রসঙ্গে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিয়েছেন কতিপয় সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা। আর তাহলো-

সূর্য অস্ত যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা অর্থাৎ সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাড়াতাড়ি ইফতার করা। ইফতারে দেরি না করে সময় মতো ইফতারে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত। আর তাহলো-
>> হজরত সাহল ইবনে সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মানুষ যতদিন পর্যন্ত তাড়াতাড়ি ইফতার করবে ততদিন কল্যাণের মধ্যে থাকবে। (বুখারি, মুসলিম)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যতদিন মানুষ তাড়াতাড়ি ইফতার করবে ততদিন দ্বীন ইসলাম বিজয়ী থাকবে। কেননা, ইয়াহুদি ও নাসারাদের অভ্যাস হলো ইফতার দেরিতে করা। (আবু দাউদ)

ইফতারি প্রসঙ্গে প্রিয়নবি হাদিসে ঘোষণা করেছেন-

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ ইফতার করে সে যেন খেজুর দ্বারা ইফতার করে। কেননা তাতে বরকত (কল্যাণ) রয়েছে। আর যদি খেজুর না পাওয়া যায় তবে সে যেন পানি দ্বারা ইফতার করে। কেননা তা পবিত্রকারী। (তিরমিজি, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, দারেমি, মিশকাত)
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইফতার করতেন তখন বলতেন, ‘পিপাসা দূর হলো, শিরা উপশিরাসিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান তবে সাওয়াব স্থির হলো। (আবু দাউদ ও মিশকাত)

তাইতো ইফতারের সময় হলে প্রথমে খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার করা অতি উত্তম। এর রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। রোজা খুলতে ইফতারের সময় প্রথমে খেজুর এবং পানি দেহে সুক্রোজ তৈরি করে থাকে। ফলে মুহূর্তেই তৃষ্ণা এবং শরীরের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।

ইফতারের পর রোজাদার ব্যক্তি মাগরিবের নামাজ আদায় করে। এ সময়ে রোজাদারের পাকস্থলী সারাদিন বসে থাকার পর একটু কাজ পেয়ে সক্রিয় বা কর্মক্ষম হয়ে নেয়।

মাগরিব পরবর্তী সময়ে রোজাদার ব্যক্তি রাতের খাবার গ্রহণে পর্যাপ্ত মাছ-মাংস অর্থাৎ আমিষ জাতীয় খাদ্য খেলেও কোনো অসুবিধা নেই।

এতে রোজাদারের স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকে, তেমনি রোজার আত্মিক-আধ্যাত্মিক প্রাপ্তিও অর্জিত হয়। হাদিসে এসেছে, ‘অতিরিক্ত পানাহার থেকে বিরত থাক। তা না হলে তোমার অন্তরাত্মার মৃত্যু ঘটবে।’ (মুসলিম)
প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশনা অনুযায়ী সাহরি ও ইফতারে স্বাস্থ্যসম্মত ও বিজ্ঞানসম্মত খাবার গ্রহণ করলে পবিত্র রমজান মাস জুড়ে রোজাদার অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন সুস্থ্য ঝরঝরে ও ফুরফুরে থাকবে।

পরিশেষে...
ইফতারের সময়টি যেহেতু মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত মহামূল্যবান। তাই এ সময়ে বিশ্বনবির ইফতারের অনুসরণ আমাদের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ।

বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অভ্যাস ছিল- শুধু খেজুর আর পানি খেয়ে সাহরি ও ইফতার করা এবং অতঃপর যথাক্রমে ফজর ও মাগরিবের নামাজ আদায় করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে বিশ্বনবির শেখানো পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে সাহরি ও ইফতার গ্রহণের তাওফিক দান করুন। আমিন।

তারাবিহ নামাজ কত রাকাআত পড়বেন?আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অন্যতম মাধ্যম নামাজ। নামাজকে মুমিনের মেরাজ বলা হয়। আর তারাবিহ তথা ক...
14/04/2021

তারাবিহ নামাজ কত রাকাআত পড়বেন?

আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অন্যতম মাধ্যম নামাজ। নামাজকে মুমিনের মেরাজ বলা হয়। আর তারাবিহ তথা কিয়ামুর রমজান প্রসঙ্গে তো প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণাই দিয়েছেন যে, কিয়ামুর রমজান তথা তারাবিহ আদায় করবে আল্লাহ তাআলা তার বিগত জীবনে গোনাহ মাফ করে দেবেন।

তারাবিহ নামাজ কত রাকাআত পড়বেন
তারাবিহ নামাজের রাকাআত সংখ্যা নিয়ে চলছে পক্ষ-বিপক্ষ বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি। যার কোনোটিই উচিত নয়। নামাজ আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সেতুবন্ধনের অন্যতম মাধ্যম। সুতরাং তারাবিহ নামাজ ১১ রাকাআত, ১৩ রাকাআত, ৮ রাকআত এবং ২০ রাকাআত নিয়ে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি না করাই উত্তম।
নামাজ যে যত বেশি পড়বে; তার ফায়েদা ও উপকারিতা এবং আল্লাহ সঙ্গে বান্দার সেতুবন্ধনও তত বেশি মজবুত হবে।
সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো
তারাবিহ নামাজ নয়, কেউ কেউ ফরজ নামাজই আদায় করে না; নামাজ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কারো কোনো চিন্তা-ফিকিরও নেই; বরং তারাবিহ নামাজ ৮ রাকাআত পড়া জরুরি নাকি ২০ রাকাআত পড়া জরুরি, তা নিয়েই বেশি ব্যস্ত মানুষ।

অথচ...
পবিত্র কাবা শরিফ, মসজিদে নববি, রিয়াদের সবচেয়ে বড় মসজিদ কিং ফয়সাল মসজিদসহ বিশ্বের অনেক দেশ ও মসজিদে ২০ রাকাআত তারাবিহ পড়া হয়ে থাকে। আবার একই শহরের অন্য মসজিদে ৮ রাকাআত তারাবিহ পড়া হয়ে থাকে, সেখানে কোনো মত বিরোধ নেই।পবিত্র বায়তুল্লাহ ও মসজিদে নববিতে কেউ ২০ রাকাআতে অংশ গ্রহণ করছে; আবার কেউ কেউ ৮ রাকাআত পড়ে তারাবিহ থেকে বিরত থাকছে। এটা নিয়ে সেখানেও কোনো দ্বিধা-বিভক্তি নেই।

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে ৮ রাকাআত এবং ২০ রাকাআত নিয়েই চলছে বেশ বাড়াবাড়ি। এ অবস্থায় যারা সাধারণত নামাজ পড়তে অনাগ্রহী, তারা হতাশা এবং দুটানায় নামাজই ছেড়ে দেয়ার অবস্থা। যা সাধারণ মানুষকে নামাজ থেকে দূরে সরিয়ে দেবে।
জরুরি কথা হলো…
প্রথমত ফরজ নামাজ আদায় করা। অতঃপর কিয়ামুর রমজানসহ অন্যান্য নামাজে নিজেদেরকে তৈরি করে নেয়া। তারাবিহ নামাজ ২০ রাকাআত এবং ৮ রাকাআত নিয়ে বাড়াবাড়ি কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তবে নামাজ যে যত বেশি পড়বে তার ফায়েদা বা উপকারিতা ততবেশি হবে। নামাজের প্রতি তত বেশি আকৃষ্ট হবে মানুষের মন। নামাজের প্রতি অন্য রকম ভালোবাসাও তৈরি হবে। যা তাকে রমজান পরবর্তীতে সময়ে নামাজের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে বেশ সহযোগিতা করবে।

যেহেতু রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহিমামণ্ডিত পবিত্র রমজান মাসে তারাবিহ নামাজ আদায় করেছেন, সেহেতু তারাবিহ নামাজ আদায় করা মুসলিম উম্মাহর জন্য সুন্নাত।

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৩ দিন সাহাবাদেরকে নিয়ে জামাআতের সঙ্গে তারাবিহ নামাজ আদায় করেছেন। আর অন্যান্য দিনগুলোতে একা একা আদায় করেছেন। সাহাবায়ে কেরামও একা একা আদায় করেছেন।

কারণ তারাবিহ নামাজ উম্মতে মুহাম্মদির ওপর ফরয হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ধারাবাহিকভাবে রমজানের বাকী দিনগুলোতে জামায়াতের সহিত তারাবিহ নামাজ আদায় করেননি।

অতঃপর ১৪ হিজরি সনে খলিফাতুল মুসলিমিন হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ সুন্নাতকে পুনর্জীবিত করেছেন।
যেহেতু তারাবিহ নামাজ রমজানে পড়া হয়। তাই স্বাভাবিকভাবে রমজানের সব ইবাদত অন্য মাসের ইবাদতের চেয়ে অনেক গুণ বেশি ছওয়াব বা প্রতিদানের ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সেহেতু রমজানে সব ইবাদতগুলো বেশি বেশি করার জন্য চেষ্টা করাই মুসলিম উম্মাহর জন্য জরুরি।

যার প্রমাণ মক্কা, মদিনাসহ বিশ্বের সব বড় বড় মসজিদে ২০ রাকাআত তারাবিহ আদায় থেকে পাওয়া যায়। আবার আরব বিশ্বের অনেক মসজিদে ৮ রাকাআত তারাবিহও আদায় করা হয়।

পরিশেষে…
রমজান আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জনের সর্বোত্তম মাস। আর এ মাসের রাতের নামাজ হলো তারাবিহ। তাই অধিক সাওয়াব লাভে আধিক্য সংখ্যক (২০ রাকাআ’ত) তারাবিহ নামাজ আদায় করা উচিত।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজান মাসব্যাপী বেশি বেশি নামাজ, কুরআন তেলাওয়াতসহ যাবতীয় ইবাদত বেশি বেশি করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

রমজানজুড়ে যে দোয়াগুলো সবচেয়ে বেশি পড়তে হয়রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাতের মাস রমজান। মাসজুড়ে দোয়া-ইসতেগফারে অতিবাহিত হয় মাসট...
14/04/2021

রমজানজুড়ে যে দোয়াগুলো সবচেয়ে বেশি পড়তে হয়

রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাতের মাস রমজান। মাসজুড়ে দোয়া-ইসতেগফারে অতিবাহিত হয় মাসটি। ১৩ এপ্রিল মঙ্গলবার চাঁদ দেখা যাওয়ায় ওই রাতেই সাহরি খেয়ে সিয়াম পালন করছে মুসলিম উম্মাহ। ১৪ এপ্রিল পালিত হবে প্রথম রমজান। এমন কিছু দোয়া আছে, রমজানজুড়ে যেসব দোয়া বেশি পড়েন মুমিন মুসলমান। তাহলো-

> রোজার নিয়ত
রোজার নিয়ত করা আবশ্যক। রোজার নিয়ত না করলে রোজা হবে না। ভোর রাতে সাহরি খেয়ে মুমিন মুসলমান রোজার নিয়ত করেন। বহু প্রচলিত রোজার একটি নিয়ত রয়েছে। তাহলো-

نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

উচ্চারণ : ‘নাওয়াইতু আন আছুমা গাদান মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আংতাস সামিউল আলিম।’

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল তোমার পক্ষ থেকে পবিত্র রমজানের নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়ত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোজা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

বেশি বেশি ইসতেগফার পড়া-

রোজার দিন বেশি বেশি ইসতেগফার পড়া। বিশেষ করে ইফতারের আগে আগে বেশি বেশি ইসতেগফার, দরূদ ও দোয়া পড়া।

- اَسْتَغْفِرُ اللهَ الْعَظِيْم – اَلَّذِىْ لَا اِلَهَ اِلَّا هُوَ اَلْحَيُّ الْقَيُّوْمُ وَ اَتُوْبُ اِلَيْهِ لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِىِّ الْعَظِيْم

উচ্চারণ : আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম, আল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু আল-হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম, ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম।

- اَلْحَمْدُ للهِ اَللّهُمَّ إنِّيْ أسْئَلُكَ بِرَحْمَتِكَ الَّتِيْ وَسِعَتْ كُلَّ شَيْئٍ أنْ تَغْفِرَلِيْ

উচ্চারণ : ‘আলহামদুলিল্লাহি আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিরাহমাতিকাল্লাতি ওয়াসিআত কুল্লা শাইয়িন আন তাগফিরলি।’

অর্থ : ‘সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য; হে আল্লাহ! আমি তোমার দরবারে তোমার সর্ববেষ্টিত রহমতের উসিলায় প্রার্থনা করছি, তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।’ (ইবনে মাজাহ)



ইফতারের দোয়া

ইফতারের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরুতে বলা-

- بِسْمِ الله বিসমিল্লাহ বলা।

তারপর এ দোয়া পড়ে ইফতার শুরু করতেন বিশ্বনবি-

হজরত মুয়াজ ইবনে যুহরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইফতার করতেন, তখন এ দোয়া পড়তেন-

أللّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلى رِزْقِكَ أفْطَرْتُ.

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু, ওয়া আলা রিযক্বিকা আফত্বারতু।’

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমারই জন্যে রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক দ্বারা ইফতার করছি। (আবু দাউদ মুরসাল, মিশকাত)

ইফতার করার পর বিশ্বনবির দোয়া

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইফতার করতেন তখন বলতেন-

ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ

উচ্চারণ : ‘জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’

অর্থ : ‘ (ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াব ও স্থির হলো ‘ (আবু দাউদ, মিশকাত)

কারো ঘরে মেহমান হয়ে ইফতার করলে এ দোয়া পড়া-

أَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ، وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ، وَأَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُونَ

উচ্চারণ : আকালা ত্বাআমাকুমুল আবরারু, ওয়া সাল্লাত আলাইকুমুল মালায়িকাতু, ওয়া আফত্বারা ইংদাকুমুস সায়িমুন।’ (আবু দাউদ)

> তারাবিহ নামাজের নিয়ত

রমজান এলেই অনেকে তারাবিহ নামাজের নিয়ত খুঁজতে থাকে। নিয়ত আরবিতে করতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। নিয়ত হলো নামাজ পড়ার জন্য মনের ইচ্ছা বা সংকল্প। এ ইচ্ছা বা সংকল্প আরবি কিংবা বাংলায় করা যায়। দুই দুই রাকাআতে তারাবিহ নামাজ আদায় করতে হয়। তাই এভাবে নিয়ত করা-

‘তারাবিহ-এর দুই রাকাআত নামাজ ক্বেবলামুখী হয়ে আল্লাহর জন্য (জামাআত হলে- এ ইমামের পেছনে) পড়ছি- (اَللهُ اَكْبَر) আল্লাহু আকবার।

> তারাবিহ নামাজের দোয়া

তারাবিহ নামাজের ৪ রাকাআত পর পর অনেকে একটি বহুল প্রচলিত দোয়া পড়ে থাকেন। যার অর্থও অনেক সুন্দর। তাহলো-

سُبْحانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ سُبْحانَ ذِي الْعِزَّةِ وَالْعَظْمَةِ وَالْهَيْبَةِ وَالْقُدْرَةِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْجَبَرُوْتِ سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْحَيِّ الَّذِيْ لَا يَنَامُ وَلَا يَمُوْتُ اَبَدًا اَبَدَ سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّنا وَرَبُّ المْلائِكَةِ وَالرُّوْحِ

উচ্চারণ : ‘সুবহানা জিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি, সুবহানা জিল ইয্যাতি ওয়াল আঝমাতি ওয়াল হায়বাতি ওয়াল কুদরাতি ওয়াল কিব্রিয়ায়ি ওয়াল ঝাবারুতি। সুবহানাল মালিকিল হাইয়্যিল্লাজি লা ইয়ানামু ওয়া লা ইয়ামুত আবাদান আবাদ; সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালায়িকাতি ওয়ার রূহ।’

বহুল প্রচলিত এ দোয়াটি না পড়লে তারাবিহ নামাজ হবে না এমন নয়। বরং এ দোয়ার সঙ্গে তারাবিহ নামাজ হওয়া-না হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। বরং যে কোনো দোয়াই পড়া যাবে। তবে এ সময়টিতে কুরআন-সুন্নাহর দোয়াগুলো পড়াই উত্তম।

> তারাবিহ নামাজের মুনাজাত

তারাবিহ নামাজের বহুল প্রচলিত দোয়ার মতো অনেকে ৪ রাকাআত পরপর অনেকে আবার নামাজ শেষ করে একটি নির্দিষ্ট দোয়া দ্বারা মোনাজাত করেন। মোনাজাতের এ দোয়াটি বহুল প্রচলিত। তাহলো-

اَللَهُمَّ اِنَّا نَسْئَالُكَ الْجَنَّةَ وَ نَعُوْذُبِكَ مِنَ النَّارِ يَا خَالِقَ الْجَنَّةَ وَالنَّارِ- بِرَحْمَتِكَ يَاعَزِيْزُ يَا غَفَّارُ يَا كَرِيْمُ يَا سَتَّارُ يَا رَحِيْمُ يَاجَبَّارُ يَاخَالِقُ يَابَارُّ - اَللَّهُمَّ اَجِرْنَا مِنَ النَّارِ يَا مُجِيْرُ يَا مُجِيْرُ يَا مُجِيْرُ- بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّحِمِيْنَ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকাল জান্নাতা ওয়া নাউজুবিকা মিনাননার। ইয়া খালিক্বাল জান্নাতি ওয়ান নার। বিরাহমাতিকা ইয়া আঝিঝু ইয়া গাফফার, ইয়া কারিমু ইয়া সাত্তার, ইয়া রাহিমু ইয়া ঝাব্বার, ইয়া খালিকু ইয়া বার্রু। আল্লাহুম্মা আঝিরনা মিনান নার। ইয়া মুঝিরু, ইয়া মুঝিরু, ইয়া মুঝির। বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।’

রমজানজুড়ে বেশি পঠিত দোয়া

রমজান জুড়ে বিশ্বনবির এ দোয়াগুলো বেশি বেশি করা জরুরি। আর তাহলো-

- اَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇﻧَّﻚَ ﻋَﻔُﻮٌّ ﺗُﺤِﺐُّ اﻟْﻌَﻔْﻮَ ﻓَﺎﻋْﻒُ ﻋَﻨِّﻲ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’ফু আ’ন্নি।

- সাইয়্যিদুল ইসতেগফারও পড়া যেতে পারে-

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি লা ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্বতানি; ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আ’হদিকা ওয়া ওয়া’দিকা মাসতাত্বা’তু, আউজুবিকা মিন শাররি মা সানা’তু আবুউলাকা বিনি’মাতিকা আলাইয়া; ওয়া আবুউ বিজামবি ফাগফিরলি ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ জুনুবা ইল্লা আনতা।’

রমজান হোক মহামারি করোনা মুক্তির উপায়রমজান হিজরি বছরের নবম মাস। মানবতার মুক্তির সনদ কুরআন নাজিলের মাস রমজান। এটি মানুষের ...
14/04/2021

রমজান হোক মহামারি করোনা মুক্তির উপায়

রমজান হিজরি বছরের নবম মাস। মানবতার মুক্তির সনদ কুরআন নাজিলের মাস রমজান। এটি মানুষের মুক্তির মাসও বটে। মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই শুরু হলো মুক্তির মাস রমজান। মহামারি করোনার এ সময়ে রমজান হোক বিশ্ববাসীর জন্য মুক্তির ওসিলা। স্বাগত মাহে রমজান...।

করোনা মহামারির কারণে প্রায় পুরো বিশ্ব যখন লকডাউনের কবলে নিমজ্জিত ঠিক তখন নাজাতের ঘোষণা নিয়ে এলো রহমতের মাস রমজান। রমজান নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষকদের ঘোষণা-

‘রোজা রাখার মাধ্যমে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায় এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বরং রোজা রাখার মাধ্যমে করোনার বিস্তার ও সংক্রমণ ঘটে না। সুস্থ মানুষের জন্য রোজা রাখা নিরাপদ। এমনকি যারা দীর্ঘ সময় ধরে করোনায় ভুগছেন তারাও রোজা রাখতে পারবেন। রোজা রাখা অবস্থায় তাদের উপসর্গ যদি গুরুতর আকার ধারণ করে, তাহলে তারা চিকিত্সকের সঙ্গে পরামর্শ করে ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী রোজা ভাঙতে পারেন।’

রমজান যেমন মানুষর পাপতাপ-গোনাহগুলোকে পুড়ে ছাঁই করে দেয়, যাবতীয় অন্যায়-অশান্তি থেকে মুক্তি দেয় তেমনি মহামারি করানো থেকেও মুক্তি পাবে বিশ্ববাসী- এমনটিই প্রত্যাশা সবার। রমজানের প্রাপ্তি সম্পর্কে হাদিসের ঘোষণাও এমনই। একাধিক হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মাসের করণীয় কেমন হবে তা উল্লেখ করেছেন এভাবে-

- ‘যে ব্যক্তি বিশ্বাসের সঙ্গে সাওয়াব বা প্রতিদান পাওয়ার নিয়তে রমজান মাসে রোজা রাখবে, তার বিগত জীবনের সব গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’

- ‘যে ব্যক্তি বিশ্বাসের সঙ্গে সাওয়াব বা প্রতিদান পাওয়ার নিয়তে রমজান মাসে তারাবিহ নামাজ পড়বে, তার বিগত জীবনের সব গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’

- ‘যে ব্যক্তি বিশ্বাসের সঙ্গে সাওয়াব বা প্রতিদান পাওয়ার নিয়তে রমজান মাসে লাইলাতুল কদরে (রাত জেগে) ইবাদত করবে, তার বিগত জীবনের সব গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

রমজান মাস ও এ মাসের ইবাদতের বিনিময় এর চেয়ে উত্তম ঘোষণা আর কী হতে পারে?

সুতরাং যারা রমজান মাস জুড়ে মহামারি করোনার ভয়াবহ বিপদ থেকে মুক্তির আশায়-

- রমজান মাসজুড়ে দিনের বেলায় রোজা পালন করবে;

- রাতে কিয়াম তথা তারাবিহ-তাহাজ্জুদ আদায় করবে;

- গরিব-অসহায় মানুষকে দান-সাদকা করবে এবং জাকাত ফেতরা দেবে;

- শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর তালাশ করে মুক্তি ও ক্ষমা প্রার্থনা করবে;

- শেষ দশকজুড়ে ইতেকাফে অতিবাহিত করবে;

তাদের জন্যই দুনিয়া ও পরকলের যাবতীয় বিপদ-আপদ, অভাব-অনটন, রোগ-মুক্তির সফলতার মহা সুযোগ।

দুনিয়া ও পরকালের সব অকল্যাণ থেকে মুক্তির মহাসুসংবাদ নিয়েই আসে রমজান। এ কারণেই শাবানের চাঁদের হিসাব রাখার জন্য দিনক্ষণ গণনা করতেন বিশ্বনবি। চাঁদের হিসাব রাখার নির্দেশ দিতেন এভাবে- ‘তোমরা রমজানের জন্য শাবানের চাঁদের হিসাব রাখো।’ (মুসলিম)।

রমজানকে স্বাগত জানাতে দুই মাস আগে থেকে দোয়া করতেন-

- হে আল্লাহ! রজব ও শাবান মাসকে আমাদের জন্য বরকতময় করুন এবং আমাদের জন্য রমজান মাস কবুল করুন।

- হে আল্লাহ! শাবান মাসকে আমাদের জন্য বরকতময় করুন এবং আমাদের জন্য রমজান মাস কবুল করুন।

- হে আল্লাহ! আমাদের সবাইকে রমজানে পৌঁছে দিন।

শুধু তা-ই নয়

রমজানকে স্বাগত জানাতে শাবান মাসের ২৯ তারিখ সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদের অনুসন্ধান করতেন এবং সাহাবায়ে কেরামকে চাঁদের অনুসন্ধান করতে বলতেন। চাঁদ দেখে কল্যাণের এ দোয়া পড়তে বলতেন-

اَللهُ اَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَ الْاِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَ الْاِسْلَامِ وَ التَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَ تَرْضَى رَبُّنَا وَ رَبُّكَ الله

অর্থ : আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় কর। আর তুমি যা ভালোবাস এবং যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, সেটাই আমাদের তাওফিক দাও। আল্লাহ তোমাদের এবং আমাদের প্রতিপালক।’ (তিরমিজি, মিশকাত)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত রমজান মাসে রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাত পেতে নিয়মিত পাঁচটি সুন্নাত পালন করা। যার মাধ্যমে মানুষ দুনিয়ার সব বিপদ-মহামারি সহ যাবতীয় কল্যাণ পাবে। তাহলো-

১. অল্প হলেও শেষ রাতে সাহরি খাওয়া;

২. সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা;

৩. নিয়মিত তারাবিহ-তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া;

৪. কুরআন তেলাওয়াত ও অধ্যয়ন করা;

৫. শেষ দশকে ইতেকাফ ও লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করা।

পরিশেষ...

রমজানের প্রতিটি দিন ও ক্ষণ হোক গোনাহমুক্ত জীবনের পাথেয় সংগ্রহের উপায়। রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাতের জন্য কুরআনের হেদায়েত পেতে এবং মহামারি করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে রমজানকে জানাই আহলান ওয়া সাহলান। শুভ হোক মাহে রমজান...

রমজানের ফজিলত লাভের উপায়ফরজ ইবাদাত-বন্দেগির মাধ্যমেই বান্দা আল্লাহ তাআলার সর্বাধিক নৈকট্য অর্জন করে। আর আল্লাহর নৈকট্য অ...
14/04/2021

রমজানের ফজিলত লাভের উপায়
ফরজ ইবাদাত-বন্দেগির মাধ্যমেই বান্দা আল্লাহ তাআলার সর্বাধিক নৈকট্য অর্জন করে। আর আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে সব মানুষের জন্য কার্যকরী ফরজ ইবাদাত হলো নামাজ এবং রোজা। তাই ফরজ নামাজ এবং রমজানের রোজা পালনের মাধ্যমেই আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা সম্ভব। কেননা আল্লাহ তাআলা কুরআনে রমজান মাসকে হিদায়াত লাভের মাস হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রমজানে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের আরেক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো তারাবি নামাজ। বরকতময় এ মাসে তারাবির নামাজ যথাযথ যত্নের মাধ্যমে আদায় করা অতিব জরুরি। সর্বোত্তম হচ্ছে এ নামাজে দণ্ডায়মানরত অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত এবং শ্রবণ।

পরিপূর্ণ কুরআন নাজিলের পূর্বে আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক রমজান মাসে লাওহে মাহফুজ থেকে প্রথম আসমানে নাজিল হতো তাই কুরআন মাজিদের তিলাওয়াত শ্রবণের জন্য তারাবি নামাজের প্রতি গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।

তারাবি নামাজ ছাড়াও রমজানে অন্যান্য সময়েও তারতিলের সহিত কুরআন তিলাওয়াত করা অনেক ফজিলতপূর্ণ ইবাদাত। কারণ এই কুরআন তাঁর তিলাওয়াতকারীর জন্য হবে সাক্ষী ও সুপারিশকারী।

রমজানে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের আরেকটি মাধ্যম হলো তাহাজ্জুদ নামাজ। হাদিসে এ নামাজের অনেক ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। যেহেতু রমজান মাস জুড়ে সেহরি খাওয়ার জন্য প্রত্যেক মানুষকে সুবহে সাদিকের পূর্বে ওঠতে হয়; তাই সহজেই তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করা যায়। আর আল্লাহ তাআলা ঐ সময় দুনিয়ার আকাশে এসে মানুষকে রিযিকদান, গোনাহ মাফ, কল্যাণদান করেন।
এ মাসে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের আরেকটি মাধ্যম হলো সাধ্যমতো দান-সদকা করা। কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মাসে অনেক বেশি দান-সদকা করতেন। তিনি বলতেন, ‘দান-সাদকায় বালা-মুসিবত দূর হয়ে কল্যাণ সাধিত হয়।’

যেহেতু এ মাসে শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয় সুতরাং উল্লেখিত নেক আমলগুলো করার পাশাপাশি গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করাও প্রত্যেকের জন্য অপরিহার্য।

পরিশেষে...
রমজান মাস হচ্ছে তাকওয়া ও পরহেজগারী অর্জনের মাস। আর তাকওয়া ও পরহেজগারী অর্জনের জন্যই আল্লাহ তাআলা রমজানের রোজাকে ফরজ করেছেন। হাদিস থেকে জানা যায়, গোনাহ থেকে বেঁচে থাকা ছাড়া রোজা পরিপূর্ণ হয় না।
তাই রমজানের রহমত বরকত মাগফিরাত লাভ করতে হলে মুসলিম উম্মাহকে উপরোল্লিখিত ইবাদাত-বন্দেগির পাশাপাশি সকল প্রকার গোনাহ থেকে বেঁচে থাকা সর্বাত্মক চেষ্টা করা। তবেই আল্লাহ তাআলা নিজ অনুগ্রহে তাঁর বান্দাহকে তাকওয়া ও পরহেযগারীর শক্তি দান করেন।

আল্লাহ তাআলা উম্মাতে মুসলিমাকে রমজানের সকল বিধি-নিষেধ পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

কারণ ছাড়া রোজা না রাখলে যা হবেরমজান মাসে রোজা পালন করা আল্লাহর নির্দেশ। রমজানের রোজা পালনের মাধ্যমে একজন মুমিন তার বিগত ...
14/04/2021

কারণ ছাড়া রোজা না রাখলে যা হবে
রমজান মাসে রোজা পালন করা আল্লাহর নির্দেশ। রমজানের রোজা পালনের মাধ্যমে একজন মুমিন তার বিগত জীবনে যাবতীয় অন্যায় ও পাপাচারকে আগুনে জ্বালিয়ে ভষ্ম করে দেয়। পুত-পবিত্র জীবন ও আল্লাহর নৈকট্য লাভে ধন্য হয়।

আল্লাহ তাআলা অসুস্থ, সফরকারীসহ অনেককেই রমজানের রোজা না রাখার ব্যাপারেও নসিহত করেছেন। কিন্তু বিনা ওজরে কেউ যদি রমজানের রোজা না রাখে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ। আর ফরজ রোজা ছেড়ে দেয়া মারাত্মক অপরাধও বটে। কারণ রোজা ছেড়ে দেয়ার অর্থই হলো আল্লাহর নির্দেশের অমান্য করা।
ওজর ছাড়া পবিত্র রমজান মাসের রোজা ছেড়ে দেয়ায় ২টি কারণ থাকতে পারে। একটি হলো- হয় সে তা ফরজ বলে অস্বীকার করে এবং রোজাকে ইবাদত বলেও অস্বীকার করে। আর দ্বিতীয়ত- না হয় সে আলসতা করে রোজা রাখা থেকে নিজেকে বিরত রাখে।

>> যদি কেউ রোজাকে ফরজ হিসেবে অস্বীকার করে বা ইবাদত হিসেবে অস্বীকার করে তবে সে ব্যক্তি মুরতাদ তথা ইসলামকে অস্বীকার করে বসে।

প্রথমত- ফরজ রোজাকে অস্বীকারকারীর অপরাধ ইসলাম তথা ইসলামি সরকারের কাছে হত্যাযোগ্য অপরাধ।

দ্বিতীয়ত- ফরজ রোজা অস্বীকারকারী ব্যক্তি মারা গেলে তাকে গোসল দেয়া, কাফন পরানো এবং জানাযা দেয়া যাবে না। এমনকি মুসলিমদের কবরস্থানেও তাকে দাফন করা যাবে না।

তবে যদি কেউ নওমুসলিম হয় অথবা আলেম-ওলামাদের থেকে দূরে থাকার কারণে না বুঝে এ ধরনের কথা বলে থাতে তবে তার কথা ভিন্ন।>> আবার যদি কেউ অলসতা বশতঃ রমজানের ফরজ রোজা পালন না করে; তবে তার জন্য ভয়ানক কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে।

হজরত আবু উমামাহ বাহেলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছি, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, একদিন আমি ঘুমিয়ে ছিলাম; এমন সময় আমার কাছে দুই ব্যক্তি উপস্থিত হল।

তারা আমার উভয় বাহুর উধ্বাংশে ধরে আমাকে এমন এক দুর্গম পাহাড়ে উপস্থিত করালো এবং বললো, ‘আপনি এ পাহাড়ে আরোহন করুন।’

আমি বললাম, ‘এ পাহাড়ে আরোহন করতে আমি অক্ষম।’ তারা বলল, আপনার চলাচল আমরা সহজ করে দেব।’ সুতরাং আমি এ পাহাড়ে চড়লাম।

অবশেষে যখন পাহাড়ের চুড়ায় আরোহন করলাম, তখন বেশ কিছু চিৎকার-ধ্বনি শুনতে পেলাম।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ‘এ চিৎকার-ধ্বনি কাদের? তারা বললেন, ‘এ হলো জাহান্নামীদের চিৎকার-ধ্বনি।

পুনরায় তারা আমাকে নিয়ে চলতে লাগলেন। হঠাৎ দেখলাম একদল লোক তাদের পায়ের গোড়ালির ওপর মোটা রশি দিয়ে (বাধা অবস্থায়) লটকানো আছে, তাদের কশগুলো কেঁটে ও ছিড়ে আছে। তা থেকে রক্ত ঝরছে।

প্রিয়নবি বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ওরা কারা। তারা বলল, ওরা হল তারা, যারা সময় হওয়ার আগেই ইফতার করে নিত।’ (বাইহাকি, ইবনে খুযাইমা, ইবনে হিব্বান,মুসতাদরেকে হাকেম)
রোজার রাখা বা ইফতার করার ক্ষেত্রে অলসতা বা ইফতারে তাড়াহুড়ো করার কোনো সুযোগ নেই। আর ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা অস্বীকার করারও কোনো সুযোগ। যারা উল্লেখিত অবস্থায় পড়বে তারাই মহাক্ষতিগ্রস্ত।

পরিশেষে…
রমজানের ফরজ রোজা ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেয়া মারাত্মক অপরাধ। যা মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়। ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য রমজানের রোজার প্রতি অবিচল আস্থা বিশ্বাস স্থাপন ঈমানের অন্যতম বিষয়।

মুসলিম উম্মাহর উচিত, ওজর ছাড়া রোজা থেকে বিরত না থাকা। রমজানের রোজা যথাযথ আদায় করা। রমজানের রোজাকে ঈমানের মুল স্তম্ভ হিসেবে বিশ্বাস স্থাপন করা এবং রমজান মাসব্যাপী রোজা পালন করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজানের রোজা যথযথ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

 #রোজার নিয়ত ও সাহরি-ইফতারের দোয়াপবিত্র রমজান মাসে রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলমান...
14/04/2021

#রোজার নিয়ত ও সাহরি-ইফতারের দোয়া

পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলমান নারী-পুরুষের জন্য রোজা রাখা ফরজ। রোজা রাখার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য ও তাকওয়া লাভে ধন্য হয়।

রোজা পালন উপলেক্ষ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম বা রোজা ফরজ করা হয়েছে; যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল; যাতে তোমরা তাকওয়া (আত্মশুদ্ধি) অর্জনে করতে পার। (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৩)

রমজানের রোজা পালনের জন্য সাহরি করা আবশ্যক। হাদিসে পাকে প্রিয়নবি সাহরি গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন। আবার যথাসময়ে ইফতার গ্রহণেরও তাগিদ প্রদান করেছেন।

হজরত আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমাদের রোজা এবং আহলে কিতাব তথা ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদের রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি খাওয়া। (অর্থাৎ মুসলিমরা সাহরি খায় আর ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানরা সাহরি খায় না)।’ (মুসলিম, নাসাঈ)

রোজা পালনে সাহরি ও ইফতারের যেমন গুরুত্ব রয়েছে তেমনি রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়ার রয়েছে যথেষ্ট গুরুত্ব। সাহরি খাওয়ার পর রোজা নিয়ত করা জরুরি।

রোজার নিয়ত
نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

আরবি নিয়ত : নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

বাংলায় নিয়ত : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

ইফতারের আগ মুহূর্তে বেশি বেশি ইসতেগফার পড়া

اَسْتَغْفِرُ اللهَ الْعَظِيْم – اَلَّذِىْ لَا اِلَهَ اِلَّا هُوَ اَلْحَيُّ الْقَيُّوْمُ وَ اَتُوْبُ اِلَيْهِ لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِىِّ الْعَظِيْم

আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম, আল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু আল-হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম, ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম।

ইফতারের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দোয়া পড়ে ইফতার করা

اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ وَ اَفْطَرْتُ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّاحِيْمِيْن

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্বের মাধ্যমে ইফতার করছি।

ইফতারের পর আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করে দোয়া পড়া

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইফতার করতেন তখন বলতেন-

ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ

উচ্চারণ : ‘জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’

অর্থ : ‘ (ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো ‘ (আবু দাউদ, মিশকাত)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সাহরির পর নিয়ত করা, ইফতারের আগে তাওবা-ইসতেগফার করা, ইফতারের সময় দোয়া পড়া এবং ইফতারের পর শোকরিয়া আদায় করে দোয়া পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

 #সাহরি খাওয়া শেষে যে দোয়া পড়বেনসাহরি খাওয়া সুন্নত। সাহরিতে রয়েছে বরকত ও কল্যাণ। ইয়াহুদি-খ্রিস্টানরাও রোজা পালন করত কিন...
14/04/2021

#সাহরি খাওয়া শেষে যে দোয়া পড়বেন

সাহরি খাওয়া সুন্নত। সাহরিতে রয়েছে বরকত ও কল্যাণ। ইয়াহুদি-খ্রিস্টানরাও রোজা পালন করত কিন্তু তারা ভোররাতে সাহরি গ্রহণ করত না। তাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভোররাতে সাহরি খাওয়ার বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন। এ কারণেই সাহরি খাওয়া উম্মাহর জন্য সুন্নাত।

সাহরি খাওয়ার পর রোজা রাখার জন্য যে নিয়ত করতে হয় তাই সাহরি বা রোজার দোয়া। দোয়াটি হলো-

উচ্চারণ : বিসাওমি গাদান নাওয়াইতু মিন শাহরি রামাদ্বান।
অর্থ : আমি রমজান মাসের আগামীকালের রোজা রাখার নিয়ত করছি।

পরিশেষে...
বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত ও বরকতের ঘোষণায় ভোর রাতে সাহরি খাওয়া মুসলিম উম্মাহর জন্য জরুরি। আর সাহরি খাওয়ার পরই রোজার নিয়ত করতে হয়।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজান মাসব্যাপী সাহরি খাওয়ার পর নিয়ত তথা সাহরির দোয়া পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Instruction Manual posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share