Falaq

Falaq ' Light of Islam in the digital age '

শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। নতুন চাঁদ দেখার দুয়া পড়ে নিই।اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ ...
11/02/2024

শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। নতুন চাঁদ দেখার দুয়া পড়ে নিই।

اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ، وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ، وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ رَبَّنَا وَتَرْضَى، رَبُّنَا وَرَبُّكَ اللّٰهُ
(আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হুম্মা আহিল্লাহু ‘আলাইনা বিলআমনি ওয়ালঈমানি ওয়াস্‌সালা-মাতি ওয়াল-ইসলা-মি, ওয়াত্তাওফীকি লিমা তুহিব্বু রব্বানা ওয়া তারদ্বা, রব্বুনা ওয়া রব্বুকাল্লাহ)

আল্লাহ সবচেয়ে বড়। হে আল্লাহ! এই নতুন চাঁদকে আমাদের উপর উদিত করুন নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সাথে; আর হে আমাদের রব্ব! যা আপনি পছন্দ করেন এবং যাতে আপনি সন্তুষ্ট হন তার প্রতি তাওফীক লাভের সাথে। আল্লাহ আমাদের রব্ব এবং তোমার (চাঁদের) রব্ব।

সহীহ হাদীসের আলোকে শাবান মাস

পূর্ববর্তী আলোচনা থেকে আমরা দেখেছি যে, সফর থেকে রজব পর্যন্ত ৬ মাসের কোনো বিশেষ ফযীলত হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়। শা’বান মাস তদ্রূপ নয়। সহীহ হাদীসে শাবান মাসের নিম্নলিখিত ফযীলতগুলো প্রমাণিত:

১. এ মাসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বেশি বেশি সিয়াম পালন করতে ভালবাসতেন। তিনি সাধারণত এ মাসের অধিকাংশ দিন একটানা সিয়াম পালন করতেন বলে বুখারী ও মুসলিম সংকলিত সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। এমনকি বুখারী ও মুসলিমের কোনো কোনো হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি শা’বান মাস পুরোটাই নফল সিয়ামে কাটাতেন। তিনি এ মাসে কিছু সিয়াম পালন করতে সাহাবীগণকে উৎসাহ প্রদান করতেন।[1]

২. আহমাদ, নাসাঈ প্রমুখ মুহাদ্দিস সংকলিত মোটামুটি গ্রহণযোগ্য বা হাসান পর্যায়ের হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শা’বান মাসে বান্দার আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয়; এজন্য এই মাসে বেশি বেশি নফল সিয়াম পালন করা উচিত।[2]

৩. শা’বান মাসের মধ্যম রজনী বা ১৫ই শা’বানের রাতে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে ক্ষমা করেন বলে সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।

এ সকল সহীহ ও হাসান হাদীসের পাশাপাশি এ মাসের ফযীলত ও ইবাদতের বিষয়ে অনেক জাল হাদীস প্রচলিত। এ জাল হাদীসগুলোকে আমরা দু ভাগে ভাগ করতে পারি: ১ সাধারণভাবে শাবান মাস বিষয়ক ও ২. শাবান মাসের মধ্যম রজনী বা ‘শবে বরাত’ বিষয়ক। আমাদের দেশে দ্বিতীয় বিষয়টিই প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। এজন্য প্রথম বিষয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করে আমরা দ্বিতীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব, ইনশা আল্লাহ।

[1] বুখারী, আস-সহীহ ২/৬৯৫, ৭০০; মুসলিম, আস-সহীহ ২/৮১০-৮১১, ৮২০।
[2] নাসাঈ, আস-সুনান ৪/২০১; আহমাদ, আল-মুসনাদ ৫/২০১।
বই: হাদীসের নামে জালিয়াতি
অধ্যায়: বার চাঁদের সালাত ও ফযীলত ড. লেখক: খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.)

এ সময় শ্রীঘ্রই ফুরিয়ে যাবে।Falaq
05/01/2024

এ সময় শ্রীঘ্রই ফুরিয়ে যাবে।
Falaq

গাফিলতির চাদর ছেড়ে, গুনাহের সংকীর্ণতা থেকে বেরিয়ে হেদায়েতের প্রশস্ততায় ফিরে আসুন।
04/01/2024

গাফিলতির চাদর ছেড়ে, গুনাহের সংকীর্ণতা থেকে বেরিয়ে হেদায়েতের প্রশস্ততায় ফিরে আসুন।

আমি একবার আমার শাইখকে অভিযোগ করলাম, শাইখ!আমি বই পড়ি, কিন্তু পড়া শেষ করার পর আমার কিছুই মনে থাকে না।শাইখ আমার দিকে একটি খ...
03/12/2023

আমি একবার আমার শাইখকে অভিযোগ করলাম, শাইখ!
আমি বই পড়ি, কিন্তু পড়া শেষ করার পর আমার কিছুই মনে থাকে না।
শাইখ আমার দিকে একটি খেজুর বাড়িয়ে দিয়ে বললেন,
❝এটা চিবিয়ে খাও❞
আমি তাই করলাম।
শাইখ: এখন শারিরীক কোনো বৃদ্ধি টের পাচ্ছো কি?
আমি: না তো!
শাইখ: ❝তুমি অনুভব না করলেও খেজুরটি কিন্তু আলাদা আলাদা হয়ে তোমার রক্ত, মাংস, হাড্ডি, চামড়া, চুল ও নখে পরিনত হচ্ছে।
ঠিক এমনিভাবে আমরা যখন কোনো বই পড়ি, তখন তা আমাদের অগোচরেই আমাদের ভাষাকে শক্তিশালী করে, জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে, চরিত্রকে শুদ্ধ করে, লেখনী ও বাচনভঙ্গি উন্নত করে।❞
- শাইখ সালমান আল আওদাহ (হাফি.)

কে আছে, যে আল্লাহকে ঋণ দেবে, উত্তম ঋণ? তাহলে তিনি দাতার জন্য তা বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেবেন।আল হাদীদ - ১১
30/11/2023

কে আছে, যে আল্লাহকে ঋণ দেবে, উত্তম ঋণ? তাহলে তিনি দাতার জন্য তা বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেবেন।
আল হাদীদ - ১১

সব অহেতুক চিন্তা মাথায় আসে নামাজে দাঁড়ালে! যেখানে আল্লাহর রসূল(সা:) তাঁর নামাজে এক রাকাতেই সুরাহ বাকারাহ, আলে ইমরান পরে ...
13/09/2023

সব অহেতুক চিন্তা মাথায় আসে নামাজে দাঁড়ালে! যেখানে আল্লাহর রসূল(সা:) তাঁর নামাজে এক রাকাতেই সুরাহ বাকারাহ, আলে ইমরান পরে শেষ করে ফেলতেন, সেখানে "কুল হু আল্লাহু আহাদ" পড়ে কোনোমতে নামাজ শেষ করাই আমাদের কাছে স্ট্রাগল! নামাজে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে রসূল(সা:) এর পা ফুলে লাল হয়ে যেত, অথচ তার জীবনের অতীত, বর্তমান - সমস্ত গুনাহ মাফ! তাহলে কেন তিনি এভাবে নামাজ পড়তেন? কারণ, তিনি আসলেই তাঁর নামাজকে অনেক enjoy করতেন! রসূল (সা:) বলতেন যে, নামাজ হচ্ছে তার জন্যে চক্ষু শীতলতাকারী! আমরা নামাজ পরে কেন সেরকম মজা পাই না? নামাজ enjoy না করার একটা বড় কারণ হচ্ছে নামাজের মধ্যে যা পড়া হয়, সেটার অর্থ না জানা। আমরা যদি অর্থগুলি জানি, আশা করি তাহলে আল্লাহ আমাদেরকে আমাদের নামাজগুলিকে শুদ্ধ করার তাওফিক দিবেন।

নামাজে "আল্লাহু আকবার" এর অর্থ:

নামাজের বিভিন্ন সময়ে প্রায় একটু পরে পরে আমরা বলি "আল্লাহু আকবার". এটার সবচেয়ে কমন ট্রান্সলেশন হচ্ছে - "আল্লাহ সবচেয়ে বড়/মহান!" "Allah is the greatest." কিন্তু, ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে, এটার অর্থ আসলে "Allah is greater" (Not greatest). আরবি গ্রামার খুঁটে পড়লে দেখা যায় যে, "আল্লাহু আকবার" আসলে comparative form এ আছে, not superlative. সহজ বাংলায় আল্লাহু একবার মানে "আল্লাহ অন্য কোনোকিছুর থেকে বড়". এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এখানে "অন্যকিছু" টা কি? আর কেনই বা আমরা নামাজে আল্লাহকে "কোনকিছুর" থেকে বড় বলছি? এটার Wisdom টা হচ্ছে - আমরা দুই হাত বেঁধে একবার নামাজটা শুরু করার পরে, যে জিনিসের চিন্তাটা আমাকে আল্লাহ থেকে অমনোযোগী করে আমার মনকে অন্য দিকে নিয়ে যাচ্ছে, সেটার থেকে আল্লাহ বড়!! ইচ্ছা করে এখানে এটা উহ্য রেখে একটা blank রাখা হয়েছে। "আল্লাহু আকবার" এর proper অর্থ তাহলে দাঁড়ায় - "Allah is greater than ___________ ." এই blank এ আমরা সেটাই বসিয়ে দিবো, যেটা আমাকে নামাজের মধ্যে আল্লাহর থেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছে। যেমন: নামাজ পড়তে পড়তে স্কুলের assignment কথা মনে পড়লো, যেই আমি বললাম, "আল্লাহু আকবার" - তার মানে আমার এই Assignment এর চিন্তার থেকে আল্লাহ বড়! সিজদাহ থেকে উঠতে উঠতেই অফিসের কাজের কথা মনে পড়লো - যেই বললাম - "আল্লাহু আকবার" - নিজেকে মনে করিয়ে দিলাম যে, অফিসের কাজের থেকে আল্লাহ বড়। নামাজে দাঁড়িয়ে চুলায় বসানো রান্না কথা মনে হচ্ছে - কিন্তু রান্নার থেকে আল্লাহ বড়! আমার দুনিয়ার যেই কাজটার কথাই আমি নামাজের মধ্যে ভেবে ভেবে নামাজে অমনোযোগী হচ্ছি - সেই কাজের থেকে আল্লাহ বড়! এজন্যেই প্রায় প্রতিটা ধাপেই আমরা "আল্লাহু আকবার" বলি, রুকুতে যেতে, সিজদায় যেতে, দুই সিজদার মাঝে, আবার সিজদা থেকে উঠতে! এমন ভাবেই ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে যেন আল্লাহকে ভুলে যেতে গেলেও আবার "আল্লাহু আকবার" মনে করিয়ে দেয় যে, আসলে এই মুহূর্তে নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় আমার কাছে আল্লাহর থেকে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই! আল্লাহু আকবার!
©শারিন সফি অদ্রিতা

তার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে,যে আল্লাহর দিকে ডাকে, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি মুসলিমদের অন্তুর্ভুক্ত।[সুরা হামীম আস স...
24/07/2023

তার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে,
যে আল্লাহর দিকে ডাকে, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি মুসলিমদের অন্তুর্ভুক্ত।
[সুরা হামীম আস সাজদা, আয়াতঃ ৩৩]

06/06/2023
হে আমার বর!আমি তো আমার নিজের প্রতি যুলুম করেছি,কাজেই আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। (আল কাসাস-১৬)
20/05/2023

হে আমার বর!
আমি তো আমার নিজের প্রতি যুলুম করেছি,
কাজেই আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। (আল কাসাস-১৬)

যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ তৈরী করে দেন। এবং তিনি তাকে এমন উৎস থেকে রিযক দিবেন যা সে কল্পনাও করতে পার...
11/05/2023

যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ তৈরী করে দেন। এবং তিনি তাকে এমন উৎস থেকে রিযক দিবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।
আত-ত্বলাক্ব[1-2]

আমি তাদেরকে কিছুটা মজা লুটতে দিচ্ছি। অতঃপর আমি তাদেরকে এক কঠিন শাস্তির দিকে টেনে নিয়ে যাব।[ সূরা লুকমান আয়াতঃ 24 ]
10/05/2023

আমি তাদেরকে কিছুটা মজা লুটতে দিচ্ছি। অতঃপর আমি তাদেরকে এক কঠিন শাস্তির দিকে টেনে নিয়ে যাব।
[ সূরা লুকমান আয়াতঃ 24 ]

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Falaq posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Falaq:

Share