05/07/2026
কুরআন কীভাবে পড়তে হয়, ইরান সেইটাও আমাদের শিখাইয়া দিচ্ছে।
একেকটা দেশের প্রতিনিধিদের জন্য একেকটা আয়াত সিলেক্ট করা হইছে।
শুনলে মনে হবে, কথাগুলো সেই দেশকে উদ্দেশ্য করেই বলা।
যেমন সৌদির জন্য সিলেক্ট করা হয়েছে সূরা আল ইমরানের ১৩ নাম্বার আয়াত। যেখানে মূলত বদর যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলা হইছে, পৃথিবীতে অলয়েজই দুইটা দল থাকেই। কে কোন পক্ষে থাকতেসে, সেইটাই হচ্ছে প্রশ্ন।
বাংলাদেশের জন্য চুজ করা হয়েছে সূরা আযহাবের ২৩ নাম্বার আয়াত।
খুবই পজিটিভ একটা আয়াত। বলা হইছে মুমিনদের মধ্যে কেউ কেউ আল্লাহর সাথে ওয়াদা করেছে। কেউ শহীদ হয়েছে আর কেউ শহীদ হওয়ার অপেক্ষায় আছে। কিন্তু তারা তাদের ওয়াদা চেঞ্জ করে নাই।
তুরস্ককে লড়াই এর আয়াত শোনানো হয়েছে, কাতারকে শোনানো হয়েছে শান্তি আর মীমাংসার আয়াত। যেহেতু কাতার এই কাজগুলোই করে ইন জেনারেল।
লেবাননকে শোনানো হয়েছে ত্যাগের গুরুত্ব। আর নিজেদের মিত্রদের ইরান মনে করাই দিসে, ইনসাফের পথে তোমরা যারা লড়াই করতেছ, তোমরাই শ্রেষ্ঠ।
কী চমৎকার, কী এসথেটিক্সের সাথে ওরা কুরআনকে রিড করে, ঔন করে, চিন্তা করেন।
কুরআন পড়ার মত পড়তে পারলে আসলে কুরআন মানুষের সাথে কথা বলে।
আমরা কুরআন ইউজ করি এরে ওরে ফতোয়া মারার জন্য, ভয় দেখানোর জন্য, আবার নিজেরাও কুরআনকে ভয় পাই।
অথচ কুরআন তো আসলে একটা এস্থেটিক জিনিস, এইটা আমরা ফিলও করতে পারি না।
কারণ আমরা কুরআনের অক্ষরকে গুরুত্ব দিতে যাইয়া কুরআনের প্রাণটাই মিস করে গেছি।
ইরানের লোকজনের এত সাহস কেমনে, কেমনেই বা ওরা ইউএস এর মত দেশের সাথে লাগতে যায় খালি হাতে, এই প্রশ্নটার উত্তর মেবি পাইছি আমি।
কুরআনকে যারা এত সুন্দর করে রিড করে, ফিল করে, কুরআন যাদের সাথে কথা বলে, তারা সাহসী হবে না তো কারা সাহসী হবে?