দোয়া কবুলের গল্প ও আমল

দোয়া কবুলের গল্প ও আমল সবচেয়ে উপকারী একটি ঔষধ হলো,
দোয়ায় লেগে

জীবনে কতই না গল্প শুনেছেন ও পড়েছেন। কিছু গল্প মহান রবের সাথে কতই না মধুর সেই কান্না জড়িত কন্ঠে দোয়া কবুলের গল্পগুলো ও হেদায়েত পাওয়ার গল্প যা রবের অনুগ্রহ।সেই গল্পগুলো আরো বেশি জানার ও নিজের দোয়া কবুলের গল্প শেয়ার করে অন্যকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে অনুপ্রানিত করার জন্য আমাদের ছোট এই গ্রুপটি খোলা হয়েছে।ভালো কাজে তোমরা একজন অন্য জনের সাথে প্রতিযোগিতা করো।আসুন সবাই মিলে এড হই ও নিজেদের বন্ধুদের গ্রুপে এড করে তাদেরও আল্লাহর রাস্তায় আসার জন্য অনুপ্রেরনা যোগাই।
জাযাকাল্লাহু খাইরান।

04/07/2023

আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন
প্রতিটি মানুষই ভুলকারী আর ভুলকারীর মধ্যে তারাই উত্তম যারা তওবাকারী....

[তিরমিজি :-২৪৯৯]

03/07/2023

সবর!
সবর সহজ নয়!
সবর হলো একাকিত্ব, সবর হল চোখের জল ঢেকে রাখা হাসি, সবর হল আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য কান্না করা! সবর হলো, হাজারো অশান্তিতে থেকেও আলহামদুলিল্লাহ বলা🤍
والله يحب الصابرين
আর আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন!

[সুরা বাকারা:১৪৬]
©

03/07/2023

আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন
প্রতিটি মানুষই ভুলকারী আর ভুলকারীর মধ্যে তারাই উত্তম যারা তওবাকারী....

[তিরমিজি :-২৪৯৯]🖤

02/07/2023

যে রব গতকাল আপনার জন্য যথেষ্ট ছিলেন, তিনি আগামীকালও আপনার জন্য যথেষ্ট হবেন।ইনশাআল্লাহ্!❤️

01/07/2023

❝যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তেগফার পাঠ করে,আল্লাহ তাকে সর্বপ্রকার বিপদাপদ হতে মুক্ত করবেন,সবরকম দুশ্চিন্তা হতে রক্ষা করবেন এবং তার জন্য এমন স্থান থেকে রিজিকের ব্যবস্থা করবেন,যা সে কল্পনাও করতে পারেন না।❞

[সুনানে আবু দাউদ: ১৫১৮]🌸

30/06/2023

কাউকে সব সময় হাসি খুশি দেখলেই এই ভেবে হিংসা করবেন না যে - সে কত সুখী!
বরং এই ভেবে ঈর্ষা করুন - সে তার রবের ফায়সালায় সন্তুষ্ট।

কারণ, দুনিয়াতে কেউই পুরো সুখী হয় না, কিন্তু রবের উপর সন্তুষ্টরা আখেরাতের সুখ অর্জন করে নিতে পারে ♥

বাংলাদেশের মানুষ  #আরাফার রোজা কোন দিন রাখবে? (একটি ভারসাম্যপূর্ণ আলোচনা)____________________________প্রথমেই বলে নিই: বর...
26/06/2023

বাংলাদেশের মানুষ #আরাফার রোজা কোন দিন রাখবে? (একটি ভারসাম্যপূর্ণ আলোচনা)
____________________________
প্রথমেই বলে নিই: বর্তমানে আরবি চন্দ্রবছরের জিলহজ মাস চলছে। এই মাসের ৯ তারিখে হাজিগণ আরাফার মাঠে অবস্থান করেন। আরাফার দিনটিই হজের দিন। আর এর পরের দিন অর্থাৎ, জিলহজের ১০ তারিখ হলো ঈদের দিন।
❖ যেদিন রাখতে হবে আরাফার রোজা:
আরাফার রোজা কোন দিন রাখতে হবে, তা নিয়ে আলিমগণের মাঝে মতানৈক্য রয়েছে।
❑ প্রথম মত:
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আরাফার দিনের রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর দ্বারা বিগত বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।’’ [মুসলিম, আস-সহিহ: ১১৬২]
উপরের হাদিসে খেয়াল করুন, ‘আরাফার দিনের রোজা’র কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, যেদিন আরাফার মাঠে হাজিগণ অবস্থান করেন।
আমরা জানি, আগামী ২৭ জুন(মঙ্গলবার), হাজিগণ আরাফার মাঠে অবস্থান করবেন। তাই, বাংলাদেশের অধিবাসীরাও ২৬ জুন রাতে সাহরি খেয়ে ২৭ জুন, মঙ্গলবার আরাফার রোজা রাখবে। সৌদি আরবের সাবেক প্রধান মুফতি, গত শতাব্দীর শীর্ষ আলিম শায়খ আবদুল আযিয ইবনু বায (রাহ.)-সহ অনেক আলিমের মত এটি। সৌদি আরবের স্থায়ী ফতোয়া বোর্ড লাজনা দায়িমা এবং মিসরের ফতোয়া বোর্ড দারুল ইফতার মতামতও এমন। [শায়খ আমিন ইবনু আবদিল্লাহর প্রবন্ধ (আল-আলুকাহ সাইট থেকে)]
❑ দ্বিতীয় মত:
আমরা জানি, জিলহজের ৯ তারিখে হাজিগণ আরাফার মাঠে অবস্থান করেন। আলিমগণের অনেকেই বলেছেন, হাদিসে বর্ণিত ‘আরাফার দিন’ দ্বারা মূলত জিলহজের ৯ তারিখ বুঝানো হয়েছে। তাই, নিজ নিজ দেশের চাঁদের হিসাব অনুযায়ী জিলহজের ৯ তারিখে আরাফার রোজা রাখতে হবে। মাওলানা যাকারিয়া আব্দুল্লাহ এ ব্যাপারে মাসিক আলকাউসারে সুন্দর আলোচনা করেছেন। গত শতাব্দীর শীর্ষ আলিম শায়খ মুহাম্মাদ বিন সলিহ আল উসায়মিন (রাহ.) ও ইবনু জিবরিন (রাহ.) এই মত দিয়েছেন। হানাফি মাযহাবের সিদ্ধান্ত এটিই। এই মতানুসারে, বাংলাদেশের অধিবাসীরা আগামী ২৭ জুন রাতে সাহরি খেয়ে ২৮ জুন, রোজ বুধবার আরাফার রোজা রাখবে।
❑ সমন্বয় সাধন ও সমাধান:
যেহেতু বিষয়টি ইখতিলাফি (মতভেদপূর্ণ), সেহেতু আমরা সতর্কতা হিসেবে দুই দিনই রোজা রাখতে পারি। অর্থাৎ, সৌদির হিসাবে ২৭ তারিখে (যেদিন হাজিগণ আরাফায় থাকবেন) এবং আমাদের দেশের হিসাবে ২৮ তারিখে (অর্থাৎ, আরাফার দিনের পরের দিন)। তাহলে নিশ্চিতভাবে আমাদের আরাফার রোজা আদায় হয়ে যাবে; কোনো সন্দেহ থাকবে না। সেই হিসেবে, আগামী ২৭ ও ২৮ জুন, রোজ মঙ্গলবার ও বুধবার দুই দিন আমরা রোজা রাখবো। তবে, দুটো রোজাই আরাফার নিয়তে রাখা যাবে না। যেকোনো একটি আরাফার নিয়তে রাখবেন আর অপরটি সাধারণ নফলের নিয়তে। হ্যাঁ, দুশ্চিন্তার কিছু নেই; আরাফার দিনে যদি কেউ সাধারণ নফলের নিয়তেও রোজা রাখে, তবে সেটি আরাফার রোজা হিসেবেই পরিগণিত হবে। তাই, আমাদের পরামর্শ হলো: ২৭ তারিখে আরাফার নিয়তে রোজা রাখবেন, আর ২৮ তারিখে সাধারণ নফলের নিয়তে রাখবেন (কেউ দ্বিতীয় মতটি মানতে চাইলে, ২৭ তারিখ সাধারণ নফলের নিয়তে রাখবেন আর ২৮ তারিখ আরাফার নিয়তে রাখবেন)। ইনশাআল্লাহ, নিশ্চিতভাবেই আরাফার রোজা হয়ে যাবে। নিয়ত মুখে বলতে হবে না; অন্তরের ইচ্ছাই যথেষ্ট।
পূর্ববর্তী নেককার ব্যক্তিগণ জিলহজের প্রথম ৯ দিনই রোজা রাখতেন। সুতরাং আরাফার রোজার জন্য সতর্কতা হিসেবে একদিন বেশি রোজা রাখলেও ক্ষতি নেই; বরং একটি নফল রোজা অতিরিক্ত রাখা হবে। সম্ভব হলে তো জিলহজের প্রথম ৯ দিনই রোজা রাখা ভালো।
তাছাড়া সাধারণভাবেই জিলহজের প্রথম দশ দিনের আমল অত্যন্ত মর্যাদার। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজের (প্রথম) দশ দিনের আমলের চেয়ে মহান এবং প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই।’’ [আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৫৪৪৬; হাদিসটির সনদ সহিহ]
নফল রোজা তো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল। তাই, এই দিনগুলোতে বেশি বেশি নফল রোজা রাখা উত্তম।
❖ আরাফার দিনে হাজি সাহেবরা রোজা রাখবেন না; বরং অন্যরাই শুধু রাখবেন।
উম্মুল ফাদ্বল (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আরাফার দিন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা রেখেছেন কি না, তা নিয়ে লোকজন সন্দেহে পতিত হলে আমি রাসুলের নিকট পানীয় প্রেরণ করলাম। নবিজি তখন উটের উপর ছিলেন। আর তিনি তা পান করলেন। (ফলে সবাই নিশ্চিত হলো যে, তিনি রোজা রাখেননি। তিনি তখন হজ পালনরত ছিলেন) [মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৫১]
✍️জুবায়ের ওয়াসিম।

26/06/2023

কিয়ামতের দিন যাদেরকে
প্রথমে জান্নাতের দিকে ডাকা হবে,
তারা হলেন ঐসব ব‍্যক্তি যারা সুখে দুঃখে সব সময় আল্লাহর প্রশংসা করেন।🌸

_মিশকাতুল-২৩০৮_

প্রিয় বোন, আজকে বেপর্দা হয়ে নিজেকে প্রদর্শন করে আপনারা নিজেদের সম্মানিত করছেন না বরং অসম্মানিত ই করছেন। ইসলামে মেয়েদেরকে...
23/06/2023

প্রিয় বোন, আজকে বেপর্দা হয়ে নিজেকে প্রদর্শন করে আপনারা নিজেদের সম্মানিত করছেন না বরং অসম্মানিত ই করছেন। ইসলামে মেয়েদেরকে পর্দা করার মাধ্যমে সম্মানিত ই করেছে। কারণ আপনারা মেয়েরা তো আল্লাহর অসম্ভব সুন্দর এক সৃষ্টি। আপনাদের সৌন্দর্য তো সবার জন্য না, এত সহজ কেন হবেন আপনারা? পর্দা করার মাধ্যমে আপনাদের সৌন্দর্য কেবল বর্ধিতই হয় কমেনা। এটি আপনাদের সম্মান রক্ষা করার জন্য, দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যম। আল্লাহ এর জন্য রেখেছেন উত্তম প্রতিদান। এই সাময়িক কিছু কালের ত্যাগের জন্য মহান করুণাময় রেখেছেন 'জান্নাত' এর অসীম সুখ।সেখানে মেয়েদের রূপ বর্ধনের জন্য কোন অর্নামেন্টস বা কৃত্রিম সাজ লাগবেনা।
সেখানে নারীরা থাকবে এত অপরূপ যে তারা যদি দুনিয়াতে উঁকি দিতো তাহলে পৃথিবী ও মহাবিশ্বের মাঝে যা কিছু আছে সবকিছু সুন্দর সুবাসিত বায়ু দিয়ে পূর্ণ হয়ে যেত। সব সৃষ্টি তার প্রশংসা করত, গুণকীর্তন করত। পূর্ব-পশ্চিম সব তার সৌন্দর্যে আলোকিত হতো। সব চোখ কেবল তারই দিকে ফিরে থাকত। সূর্যের আলোয় যেমন তারার আলো হারিয়ে যায়, তার সৌন্দর্যে সূর্য সেভাবে হারিয়ে যেত। পৃথিবীর বুকে সবাই তখন চিরঞ্জীব সেই মহান সত্ত্বা এক আল্লাহয় বিশ্বাসী হতো। তার মাথার অবগুণ্ঠন পৃথিবী ও এর মাঝে যা কিছু আছে তার সবকিছুর চাইতে ভালো। সময়ের সাথে সাথে কেবল তার সৌন্দর্য বাড়তেই থাকবে। নাভির নাড়, সন্তান জন্ম, মাসিক এগুলো থেকে সে হবে মুক্ত। থুথু, মূত্র, শ্লেষ্মা ও অন্যান্য নোংরা জিনিস থেকে পবিত্র। তার যৌবন কখনো মিইয়ে যাবে না। পোশাক কখনো জীর্ণ হবে না।
তার সৌন্দর্য দেখায় তাহলে মনে হবে চেহারায় যেন সূর্য খেলে গেল। তার হাসিতে আলো চমকে উঠবে। কোনো স্বামী যখন তার স্ত্রীর দিকে তাকাবে একটানা বছরের পর বছর অপলক তাকিয়ে থাকতে পারবে। স্বামী তার গালে নিজের চেহারার প্রতিচ্ছবি দেখবে। যেন কোনো উজ্জ্বল আয়নায় তাকিয়ে আছে। তার পেশি আর হাড়ের পেছন থেকে দ্যুতি ঠিকরে পড়বে।
নারীরা এতো অপরূপ হবে! স্বয়ং আল্লাহই তাদের এই সৌন্দর্য দান করবেন! তাহলে আপনারা কী করে দুনিয়ার এই ক্ষণস্থায়ী সময়ের জন্য নিজেদের অসম্মানিত করে সাজ সজ্জা করে বেপর্দা হয়ে আল্লাহর আদেশ অমান্য করছেন!!
এই ক্ষণস্থায়ী সময়ের বিনিময়ে জান্নাতকে ছেড়ে দেয়ার মতো বোকামি! এতো এক ঘোর, যে ঘোর শয়তান তৈরি করেছে। খুব তাড়াতাড়ি তা ভেঙে যাবে। তখন ৫০ হাজার বছরের চেয়েও দীর্ঘ সেই হাশরের ময়দানে, সেই দিনটিতে কেউ ই সাহায্যকারী থাকবেনা, আফসোস হবে। কিন্তু আর কোন সুযোগ থাকবেনা। কারন সুযোগ কেবল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।

আল্লাহ ক্ষমাশীল, তাই এখনি উচিত,
বোনেরা যারা সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য এত বেহুশ হয়ে উঠছো তারা সজাগ হও, শয়তানের প্ররোচনাকে মেনে নিও না।
তওবা করে এক আল্লাহর প্রার্থনায় নতো হও।পর্দা করতে যতই কঠিন সময় আসুক না কেন এক আল্লাহকে ভয় করে টিকে থাকো দ্বীনের উপর। নিশ্চয় আল্লাহ সাহায্য করবেন।
আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাযত করুন।

23/06/2023

না, আমরা বলছিনা ইসলামে প্রবেশ করে আপনার জীবনে কোনো দুঃখ আসবেনা.. আমরা বলবোনা, আপনার জীবনে কোনো বিপর্যয় আসবেনা.. আমরা বলবোনা, আপনি বসে বসে আল্লাহর সাহায্য পাবেন, আপনি আকাশ থেকে খাবার পাবেন। বরং আপনি ইসলামে আসার পর থেকে আপনার জীবনে বিপর্যয় বেড়ে যাবে। আপনার লাইফে একের পর এক পরীক্ষা আসতে থাকবে। আপনার ঈমান যতো বাড়তে থাকবে, আপনার পরীক্ষাও তত কঠিন থেকে কঠিনতর হতে থাকবে। আপনি হতাশ হয়ে পড়বেন হয়ত, শাইত্বান আপনাকে ফিসফিস করে বলবে, "দেখ, ইসলামে এসে তোর জীবনে কষ্ট আরও বাড়লো! আগের জীবন কতো মজা ছিলো!"..
,
আপনাকে যুদ্ধ করতে হবে। একের পর এক যুদ্ধে আপনাকে জয়ী হতে হবে। আপনাকে শাইত্বানের চক্রান্তকে নষ্ট করে ফেলতে হবে। আপনার প্রবৃত্তি আপনাকে টানবে। আপনার প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে.. এতেই আপনি আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান হয়ে উঠবেন। আপনি পশুপাখি থেকে আলাদা হয়ে যাবেন। আপনি মানব জীবনের স্বার্থকতা খুঁজে পাবেন। একবার চেষ্টা করেই দেখুন না!

23/06/2023

ফজরের দুই রাকাত সুন্নত
নামাজ
দুনিয়া ও দুনিয়ার মাঝে যা কিছু আছে,তার থেকে উত্তম🌸
[মুসলিম:-৭২৫]

21/06/2023

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

কোন মুসলিম ব্যক্তির জ্বর কিংবা অন্য কোন কারণে বিপদ আপতিত হলে তার বিনিময়ে আল্লাহ তা’আলা এমনভাবে তার গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন, যেভাবে গাছ তার পাতা ঝরায়।

রেফারেন্সঃ
সহীহ মুসলিম ৬৩২৫

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দোয়া কবুলের গল্প ও আমল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share