Krishna Vokto

Krishna Vokto Krishna Vokto is a vibrant and enlightening online platform dedicated to the promotion.
(1)

🌸 মোহিনী একাদশীর মাহাত্ম্য 🌸কুর্মপুরাণে বৈশাখ শুক্লপক্ষের 'মোহিনী' একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে।মহারাজ যুধিষ্...
25/04/2026

🌸 মোহিনী একাদশীর মাহাত্ম্য 🌸
কুর্মপুরাণে বৈশাখ শুক্লপক্ষের 'মোহিনী' একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে।
মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন-'হে জনার্দন! বৈশাখ শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর কি নাম, কি ফল, কি বিধি-এসকল কথা আমার নিকট বর্ণন করুন।
উত্তরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন-হে ধর্মপুত্র! আপনি আমাকে যে প্রশ্ন করেছেন পূর্বে শ্রীরামচন্দ্রও বশিষ্ঠের কাছে এই একই প্রশ্ন করেছিলেন। ১৮ বাক্যাচরদী
তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন-হে মুনিবর! আমি জনকনন্দিনী সীতার বিরহজনীত কারণে বহু দুঃখ পাচ্ছি। তাই একটি উত্তম ব্রতের কথা আমাকে বলুন। যার দ্বারা সর্বপাপ ক্ষয় ও সর্বদুঃখ বিনষ্ট হয়।
এই কথা শুনে বশিষ্ঠদেব বললেন-হে রামচন্দ্র! তুমি উত্তম প্রশ্ন করেছ। যদিও তোমার নামগ্রহণেই মানুষ পবিত্র হয়ে থাকে। তবুও লোকের মঙ্গলের জন্য তোমার কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ ও পরম পবিত্র একটি ব্রতের কথা বলছি।
বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশী 'মোহিনী' নামে প্রসিদ্ধা। এই ব্রত প্রভাবে মানুষের সকল পাপ, দুঃখ ও মোহজাল অচিরেই বিনষ্ট হয়। তাই মানুষের উচিত সকল পাপক্ষয়কারী ও সর্বদুঃখবিনাশী এই একাদশী ব্রত পালন করা। একাগ্রচিত্তে তার মহিমা তুমি শ্রবণ কর। এই কথা শ্রবণমাত্রেই সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয়।
পবিত্র সরস্বতী নদীর তীরে ভদ্রাবতী নামে এক সুশোভনা নগরী ছিল। চন্দ্রবংশজাত ধৃতিমান নামে এক রাজা সেখানে রাজত্ব করতেন। সেই নগরীতেই ধনপাল নামে এক বৈশ্য বাস করতেন। তিনি ছিলেন পুণ্যকর্মা ও সমৃদ্ধশালী ব্যক্তি। তিনি নলকূপ, জলাশয়, উদ্যান, মঠ ও গৃহ ইত্যাদি নির্মাণ করে দিতেন। তিনি ছিলেন বিষ্ণুভক্তি পরায়ণ,
ও শান্ত প্রকৃতির মানুষ। সুমনা, দ্যুতিমান, মেধাবী, সুকৃতি ও ধৃষ্টবুদ্ধি নামে তার পাঁচজন পুত্র ছিল। পঞ্চম পুত্র ধৃষ্টবুদ্ধি ছিল অতি দুরাচারী। সে সর্বদা পাপকার্যে লিপ্ত থাকত। পরস্ত্রী সঙ্গী, বেশ্যাসক্ত, লম্পট ও দ্যূতক্রীড়া প্রভৃতি পাপে সে অত্যন্ত আসক্ত ছিল। দেবতা, ব্রাহ্মণ ও পিতামাতার সেবায় তার একেবারেই মতি ছিল না। সে অন্যায়কার্যে রত, দুষ্টস্বভাব ও পিতৃধন ক্ষয়কারক ছিল। সবসময় সে অভক্ষ ভক্ষণ ও সুরাপানে মত্ত থাকত।
পিতা ধনপাল একদিন পথ চলছিলেন। হঠাৎ তিনি দেখতে পেলেন ধৃষ্টবুদ্ধি এক বেশ্যার গলায় হাত রেখে নিঃসকোচে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার নির্লজ্জ পুত্রকে এভাবে চৌরাস্তায় ভ্রমণ করতে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হলেন। এই কুস্বভাব দর্শনে ক্রুদ্ধ হয়ে তিনি তাকে গৃহ থেকে বার করে দিলেন। তার আত্মীয়-স্বজনও তাকে পরিত্যাগ করল। সে তখন নিজের অলংকারাদি বিক্রি করে জীবন অতিবাহিত করত। কিছুদিন এইভাবে চলার পর অর্থাভাব দেখা দিল। ধনহীন দেখে সেই বেশ্যাগণও তাকে পরিত্যাগ করল।
অন্নবস্ত্রহীন ধৃষ্টবুদ্ধি ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অত্যন্ত কাতর হয়ে পড়ল। অবশেষে নিজের গ্রামে সে চুরি করতে শুরু করল। একদিন রাজপ্রহরী তাকে ধরে বন্দী করল। কিন্তু পিতার সম্মানার্থে তাকে মুক্ত করে দিল। এভাবে বারকয়েক সে ধরা পড়ল ও ছাড়া পেল। কিন্তু তবুও সে চুরি করা বন্ধ করল না। তখন রাজা তাকে কারাগারে বদ্ধ করে রাখলেন। বিচারে সে কষাঘাত দণ্ডভোগ করল। কারাভোগের পর অনন্য উপায় ধৃষ্টবুদ্ধি বনে প্রবেশ করল। সেখানে সে পশুপাখি বধ করে তাদের মাংস ভক্ষণ করে অতি দুঃখে পাপময় জীবন যাপন করতে লাগল। সামান গোলক ক্যিাচীন দিক
দুষ্কর্মের ফলে কেউ কখনও সুখী হতে পারে না। তাই সেই ধৃষ্টবুদ্ধি দিবারাত্রি দুঃখশোকে জর্জরিত হল। এভাবে অনেকদিন।
অতিবাহিত হল। কোন পুণ্যফলে সহসা একদিন সে কৌণ্ডিন্য ঋষির আশ্রমে উপস্থিত হল। বৈশাখ মাসে ঋষিবর গঙ্গাস্নান করে আশ্রমের দিকে প্রত্যাবর্তন করছিলেন। শোকাকুল ধৃষ্টবুদ্ধি তার সম্মুখে উপস্থিত হল। ঘটনাক্রমে ঋষির বস্ত্র হতে একবিন্দু জল তার গায়ে পড়ল। সেই জলস্পর্শে তার সমস্ত পাপ দূর হল। হঠাৎ তার শুভবুদ্ধির উদয় হল।
ঋষির সামনে সে কৃতাঞ্জলিপুটে প্রার্থনা করতে লাগল 'হে ঋষিশ্রেষ্ঠ। যে পুণ্য প্রভাবে আমি এই ভীষণ দুঃখযন্ত্রণা থেকে মুক্তিলাভ করতে পারি, তা কৃপাকরে আমাকে বলুন।'
ঋষিবর বললেন-'বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষে মোহিনী নামে যে প্রসিদ্ধ একাদশী আছে, তুমি সেই ব্রত পালন কর। এই ব্রতের ফলে মানুষের বহু জন্মার্জিত পর্বত পরিমাণ পাপরাশিও ক্ষয় হয়ে থাকে।
মহামুনি বশিষ্ঠ বললেন-কৌণ্ডিন্য ঋষির উপদেশ শ্রবণ করে প্রসন্ন চিত্তে ধৃষ্টবুদ্ধি সেই ব্রত পালন করল।
হে মহারাজ রামচন্দ্র! এই ব্রত পালনে সে নিষ্পাপ হল। দিব্যদেহ লাভ করল। অবশেষে গরুড়ে আরোহন করে সকল প্রকার উপদ্রবহীন বৈকুণ্ঠধামে গমন করল। হে রাজন, ত্রিলোকে মোহিনী ব্রত থেকে আর শ্রেষ্ঠ ব্রত নেই। যজ্ঞ, তীর্থস্থান, দান ইত্যাদি কোন পুণ্যকর্মই এই ব্রতের সমান নয়। এই ব্রত কথার শ্রবণ কীর্তনে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয়।
🙏রাধে রাধে🙏

25/03/2026

সনাতন ধর্মে কেন মৃতদেহ দাহ বা পোড়ানো হয়?✦ শাস্ত্র, দর্শন ও বিজ্ঞানের আলোকে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার যৌক্তিকতা ✦“জন্মিলে মরিতে ...
12/01/2026

সনাতন ধর্মে কেন মৃতদেহ দাহ বা পোড়ানো হয়?
✦ শাস্ত্র, দর্শন ও বিজ্ঞানের আলোকে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার যৌক্তিকতা ✦
“জন্মিলে মরিতে হইবে”—মৃত্যু জীবনের অনিবার্য সত্য। যুগে যুগে এই সত্যকে কেন্দ্র করেই মানবসভ্যতা গড়ে তুলেছে নিজ নিজ শেষকৃত্য বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার রীতি। সনাতন ধর্মে মৃতদেহ দাহ বা পোড়ানোর প্রথা সেই সুপ্রাচীন ও শাস্ত্রসম্মত সংস্কারেরই অংশ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মহল এই প্রথাকে অমানবিক বা নিষ্ঠুর আখ্যা দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। শাস্ত্র, দর্শন ও যুক্তির আলোকে সেই অপপ্রচার খণ্ডন করাই এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য।
মৃত্যু ও আত্মা: গীতার দর্শন
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় স্পষ্ট বলা হয়েছে—
“জাতস্য হি ধ্রুবো মৃত্যুর্ধ্রুবং জন্ম মৃতস্য চ।”
(গীতা ২/২৭)
অর্থাৎ—যার জন্ম হয়েছে তার মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী, আর যার মৃত্যু হয়েছে তার পুনর্জন্মও অবশ্যম্ভাবী।
সনাতন দর্শনে মৃত্যু কখনো আত্মার নয়। আত্মা নিত্য, অজর ও অবিনাশী—
“ন জায়তে ম্রিয়তে বা কদাচিন্…”
(গীতা ২/২০)
দেহ নশ্বর, আত্মা চিরন্তন। জীর্ণ দেহ ত্যাগ করে আত্মা নতুন দেহ ধারণ করে—যেমন মানুষ পুরোনো বস্ত্র পরিত্যাগ করে নতুন বস্ত্র গ্রহণ করে।
অন্ত্যেষ্টি: জীবনের শেষ যজ্ঞ
সনাতন ধর্মে মানবজীবনের ষোড়শ সংস্কারের শেষটি হলো অন্ত্যেষ্টি।
অন্ত + ইষ্টি = অন্ত্যেষ্টি
অর্থাৎ জীবনের শেষ যজ্ঞ।
বেদ ও উপনিষদে মৃতদেহ দাহের সুস্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। যজুর্বেদের মন্ত্রে বলা হয়েছে—
“বায়ুরনিলমমৃতমথেদং ভস্মান্তং শরীরম্”
(যজুর্বেদ ৪০/১৫)
অর্থাৎ—এই ভৌতিক শরীর ভস্মে পরিণত হোক।
ঋগ্বেদ, ঈশোপনিষদ, গৃহ্যসূত্র, মনুস্মৃতি সহ বহু শাস্ত্রে দাহকে ধর্মসম্মত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
পঞ্চভূতে বিলীন হওয়া: প্রকৃতির নিয়ম
মানবদেহ গঠিত পঞ্চভূত—ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরুৎ ও ব্যোম দ্বারা। মৃত্যুর পর এই দেহ প্রকৃতিতে বিলীন হওয়াই প্রকৃতির নিয়ম।
মৃতদেহ ফেলে রাখা যেমন অস্বাস্থ্যকর ও বিপজ্জনক, তেমনি অসম্মানজনকও। তাই বৈদিক বিধান অনুসারে কাষ্ঠদ্বারা দাহ করে দ্রুত ও শুদ্ধভাবে দেহকে পঞ্চভূতে বিলীন করা হয়।
দাহ কি অমানবিক বা অসম্মানজনক?
এই প্রশ্নটাই মূল বিভ্রান্তির উৎস।
মৃতদেহ কাকে বলা হয়?
যে দেহে আত্মা নেই—চেতনা নেই—ইন্দ্রিয়ক্রিয়া নেই—সেটিই মৃতদেহ।
আপনার প্রিয়জন মৃত্যুবরণ করলে আপনি কি সেই দেহকে জীবিত মানুষের মতো সম্বোধন করেন? না। কারণ দেহ আর ব্যক্তি এক নয়।
শাস্ত্রসম্মত নিয়মে, শ্রদ্ধা ও মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে দাহ করা কখনোই অসম্মান নয়—বরং এটাই সর্বোচ্চ সম্মানজনক বিদায়।
মানবিকতা জীবিত মানুষের প্রতি প্রদর্শন করতে হয়; মৃতদেহের ক্ষেত্রে কর্তব্য হলো সম্মানজনক সৎকার।
দাহ বনাম সমাধি: সনাতন ধর্মের বহুত্ব
সনাতন ধর্মে শুধু দাহই নয়—
✔️ সমাধি
✔️ জলে ভাসান
✔️ বিশেষ সম্প্রদায়ের নিজস্ব রীতি
সবই গ্রহণযোগ্য।
নাথ, বৈষ্ণব ও সিদ্ধ সম্প্রদায়ে সমাধির প্রচলন রয়েছে। তবে শাস্ত্রীয় ও ব্যবহারিক কারণে দাহই সর্বাধিক প্রচলিত ও উত্তম বলে বিবেচিত।
বৈজ্ঞানিক ও সামাজিক যৌক্তিকতা
🔹 রোগ-জীবাণু সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়
🔹 পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকে
🔹 সমাধিস্থলের স্থান সংকট এড়ানো যায়
🔹 মহামারির সময় দাহ অধিক নিরাপদ
করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে কবরস্থানের সংকট এই বাস্তবতাকেই প্রমাণ করেছে।
পরমতসহিষ্ণুতা: সনাতন ঐতিহ্য
সনাতন ধর্ম কখনো অন্যের সৎকার পদ্ধতিকে কটাক্ষ করে না। দাহ, দাফন কিংবা অন্য যে কোনো রীতিই হোক—সব সংস্কৃতিই সম্মানের দাবিদার।
পরমতসহিষ্ণুতা সনাতন ধর্মের মৌলিক গুণ।
সুতরাং মৃতদেহ দাহ কোনো বর্বরতা নয়—
এটি শাস্ত্রসম্মত, দর্শনসম্মত ও বিজ্ঞানসম্মত এক মহান সংস্কার।
যারা অজ্ঞতা থেকে এই প্রথাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তাদের উচিত আগে শাস্ত্র, দর্শন ও ইতিহাস জানা। সনাতন ধর্ম তার হাজার বছরের পরীক্ষিত সংস্কার দিয়েই আজও মানবসভ্যতাকে পথ দেখিয়ে চলেছে।

সনাতন ধর্ম অনুসারে মাছ মাংস খাওয়া উচিত নাকি অনুচিত?সনাতন ধর্ম  সনাতনী শাস্ত্রের বিধি এবং নিষেধের উপর দন্ডায়মান।আজকাল কিছ...
20/11/2025

সনাতন ধর্ম অনুসারে মাছ মাংস খাওয়া উচিত নাকি অনুচিত?

সনাতন ধর্ম সনাতনী শাস্ত্রের বিধি এবং নিষেধের উপর দন্ডায়মান।আজকাল কিছু শাস্ত্রজ্ঞানহীন ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করছে সনাতন ধর্মে নাকি মাছ মাংস খেতে কোথাও নিরুৎসাহিত করা হয় নি,বরং যারা আমিষাহার করছে তারা ভূল পথে আছে। যা হোক তাদের এই প্রচার যে শতভাগ শাস্ত্রসিদ্ধান্ত বিরুদ্ধ অথাৎ মিথ্যাচার, তা আমরা এই লেখার মাধ্যমে উপস্থাপন করব।

সনাতনী শাস্ত্রে অথাৎ সনাতন ধর্মে মনুষ্য জাতির জন্য সংঙ্কুচিত চেতনাধারী প্রাণী অথাৎ ছাগল,ভেড়া,
মুরগী,কবুতর,মাছ ইত্যাদির প্রতি হিংসা বা তাদের হত্যা করে তাদের মাংস আহার করাকে মহাপাপ রুপে নির্দেশ করা হয়েছে। কেননা আমাদের আঘাত করলে বা কেউ আমাদেরকে ধারালো অস্ত্র দ্বারা হত্যা করলে আমরা যেমন ভীষণ কষ্ট অনুভব করি ঠিক তেমনই তারাও কষ্ট অনুভব করে।তাই নিজের জিহ্বা তৃপ্তির জন্য আমাদের কখনো নিরহ ছাগল,ভেড়া,মুরগি,
কবুতর, মাছ ইত্যাদি প্রাণীদের হত্যা করে তাদের মাংস আহার করা উচিত নয়।

আর তাছাড়া সৃষ্টিকর্তা কতৃর্ক সৃষ্ট মানুষের দাঁত এবং তাঁর খাদ্য প্রকৃিয়া, পরিপাকতন্ত্র বাঘ,সিংহ,
কুকুর ইত্যাদি মাংসাশী প্রাণীদের মতো নয়; বরং তৃণভোজী গরু,ছাগল,ভেড়া ইত্যাদি প্রাণীদের সাথে তুলনীয়।তাই সনাতনী শাস্ত্রে মনুষ্যজাতির আহাররুপে মাছ মাংস আহার করাকে পাপাহার বলা হয়েছে অথাৎ মাছ মাংস আহার করতে নিষেধ করা হয়েছে।

সভ্যদেশরুপে বাংলাদেশে যেমন সর্বত্র মদ খাওয়া, বিবাহবহির্ভূত অবৈধ স্ত্রীসঙ্গকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু তার পরেও কিছু কিছু উচ্ছৃঙ্খল জনসাধারণ যাদের মদ খাওয়া,বিবাহ বহির্ভূত অবৈধ স্ত্রীসঙ্গ করা তা নেশাতে পরিণত হয়েছে, তারা যাতে সর্বত্র এ ধরনের নেশার মাধ্যমে পরিবেশকে দূষিত করতে না পারে সেজন্য সরকার নিদিষ্ট কিছু দামী হোটেলে মদ খাওয়া, অবৈধ স্ত্রীসঙ্গ বা বেশ্যাবৃত্তিকে অনুমোদন করেন,ঠিক তেমনই সনাতনী বেদ,স্মৃতি,
অষ্টাদশ পুরাণ,রামায়ন,মহাভারত,পঞ্চরাত্র ইত্যাদি শাস্ত্রে স্পষ্টভাবে নিজের জিহ্বা তৃপ্তির জন্য অসহায় পশুকে হত্যা করে তাদের মাংস আহার করাকে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও কিছু মানুষ শাস্ত্রের এই বচন শুনবে না।তাই কিছু তমোগুণময়ী তন্ত্র এবং পুরাণ বিশেষ করে কালিকা পুরাণে শুধুমাত্র অমাবশ্যা তিথিতে কালিকা দেবীকে সাক্ষী রেখে পশু বলি দিয়ে তার মাংস আহার করার বিধান দেয়া হয়েছে,যাতে করে জনসাধারণ নিজের জিহ্বা তৃপ্তির জন্য যখন তখন পশুকে হত্যা করে তার মাংস ভক্ষণ না করে।এইভাবে সনাতনী শাস্ত্রে পশুমাংস ভক্ষনকে মহাপাপরুপে সীমাবদ্ধ করে মনুষ্য সমাজকে মাংস আহার থেকে বিরত হতে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে।

বেদ, মনুসংহিতা,শ্রীমদ্ভাগবত, মহাভারত ইত্যাদি বিভিন্ন সনাতনী শাস্ত্রে জ্ঞানী অথাৎ যারা এই জগতে সুখি, নিরোগী (রোগমুক্ত) থাকতে চান এবং এই দুঃখময় জগত থেকে মুক্ত হয়ে চিন্ময় জগত ভগবদ্ধামে ফিরে যেতে ইচ্ছা করেন তাদের কথা বলা হয়েছে, যারা কখনো ছাগল,ভেড়া,হরিণ,মুরগী, কবুতর ইত্যাদি অসহায় প্রাণীকে হত্যা করে নিজের জিহ্বা তৃপ্তির জন্য নিজ মাংস সমতুল্য পশু মাংস আহার করে মহাপাপের প্রভাবে পুনরায় নারকীয় পশুদেহ প্রাপ্তির কথা চিন্তা করবে না।বরং তারা শাক-সবজি,বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু ফল,অন্ন,রুটি,দুগ্ধজাত সকল ধরনের খাদ্যদ্রব্য ইত্যাদি নিরামিষ খাবার, যে খাবারের চেতনা হল আচ্ছাদিত বা ঢাকা অথাৎ দুঃখানুভূতিহীন,যা শাস্ত্রে মনুষ্য জাতির জন্য আহার্য হিসেবে অনুমোদন করা হয়েছে তা রান্না করে যজ্ঞেশ্বর পরমাত্মা পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিবেদন করে আহার করে জীবন ধারন করবেন (গীতা ৯/২৬,৯/২৭)।

সমুৎপত্তিঞ্চ মাংসস্য বধবন্ধৌ চ দেহিনাম্।
প্রসমীক্ষ্য নিবর্তেত সর্বমাংসস্য ভক্ষণাৎ।। ৪৯।।

- (মনুসংহিতা৫/৪৯)
অনুবাদঃ মাংসের উৎপত্তির কথা বিবেচনা করে এবং মাংস লাভ করতে গেলে কিভাবে প্রাণিগণকে বধ ও বন্ধন করতে হয়- সে সব পর্যালোচনা করে জ্ঞানী ব্যক্তিরা বিহিত মাংসের ভোজন থেকেও নিবৃত্ত হন, অবৈধ মাংসের তো কথাই নেই।সুতরাং শাস্ত্রবিহিত এবং শাস্ত্রবিরুদ্ধ উভয়প্রকার মাংস পরিত্যাজ্য।

যোহহিংসকানি ভূতানি হিনস্ত্যাত্মসুখেচ্ছয়া।
স জীবংশ্চ মৃতশ্চৈব ন ক্বচিৎ সুখমেধতে।। ৪৫।।

-(মনুসংহিতা৫/৪৫)
অনুবাদঃ যে লোক নিজের সুখের জন্য হিংসাদিরহিত হরিণ প্রভৃতি পশুকে হত্যা করে, সে জীবিতাবস্থায় বা মৃত্যুর পরে অর্থাৎ কোনও অবস্থাতেই সুখলাভ করে না।

যো বন্ধনবধক্লেশান্ প্রাণিনাং ন চিকীর্ষতি।
স সর্বস্য হিতপ্রেন্সঃ সুখমত্যন্তমশ্নুতে।। ৪৬।।

-(মনুসংহিতা৫/৪৬)
অনুবাদঃ যে লোক কোনও জীবকেই বন্ধন অথবা বধজনিত ক্লেশ দিতে ইচ্ছা না করেন, তিনি সকলেরই হিত অভিলাষী; এমন লোক চিরকাল অনন্ত সুখ ভোগ করেন।

৪/ যদ্ধ্যায়তি যৎকুরুতে ধৃতিং বধ্নাতি যত্র চ।
তদবাপ্নোত্যযত্নেন যো হিনস্তি ন কিঞ্চন।। ৪৭।।

-(মনুসংহিতা৫/৪৭)
অনুবাদঃ যে ব্যক্তি (পশু-পাখি,কীট-পতঙ্গ ইত্যাদি) কোনও জীবের প্রতি হিংসা পোষণ করে না, সে যা কিছু ধর্মের অনুষ্ঠান করে, এবং সে যে পরমার্থতত্ত্বের অনুসন্ধানে মনোনিবেশ করে, সে সবই অনায়াসে লাভ করে থাকে।

৫/ নাকৃত্বা প্রাণিনাং হিংসাং মাংসমুৎপদ্যতে ক্বচিৎ।
ন চ প্রাণিবধঃ স্বর্গ্যস্তস্মান্‌মাংসং বিবর্জয়েৎ।।৪৮।।

-(মনুসংহিতা৫/৪৮)
অনুবাদঃ প্রাণি-হিংসা না করলে মাংস উৎপন্ন হয় না; কিন্তু প্রাণি-বধ স্বর্গজনক নয় (অর্থাৎ নরকবাসের কারণ)। অতএব মাংস ভোজন করবে না।

ন ভক্ষয়তি যো মাংসং বিধিং হিত্বা পিশাচবৎ।
স লোকে প্রিয়তাং যাতি ব্যাধিভিশ্চ ন পীড্যতে।।৫০।।

-(মনুসংহিতা৫/৫০)
অনুবাদঃ যিনি শাস্ত্রের বিধান ত্যাগ করে পিশাচের মতো মাংস ভক্ষণ করেন না, তিনি জনসমাজে প্রীতির পাত্র হন এবং কোনও ব্যাধিও তাঁকে পীড়া দেয় না।

অনুমন্তা বিশসিতা নিহন্তা ক্রয়বিক্রয়ী।
সংস্কর্তা চোপহর্তা চ খাদকশ্চেতি ঘাতকাঃ।।৫১।।

-(মনুসংহিতা৫/৫১)
অনুবাদঃ যিনি পশুবধ করতে অনুমতি দেন, যিনি অস্ত্রাদির দ্বারা পশুর অঙ্গপ্রতঙ্গ খণ্ড খণ্ড করেন, যিনি পণ্ড বধ করেন, যিনি সেই প্রাণীর মাংস ক্রয় করেন, যিনি তা বিক্রয় করেন, যিনি মাংস পাক করেন, যিনি পরিবেশন করেন, এবং যিনি মাংস ভক্ষণ করেন-তাঁরা সকলেই সেই পশুর 'ঘাতক' অথাৎ মহাপাপী রূপে অভিহিত হন।

স্বমাংসং পরমাংসেন যো বর্দ্ধয়িতুমিচ্ছতি।
অনভ্য্য পিতৃন দেবান্ ততোংন্যো নাস্ত্যপুণ্যকৃৎ।। ৫২।।

-(মনুসংহিতা৫/৫২)
অনুবাদঃ যে লোক পিতৃলোক ও দেবলোকের অর্চনা না করে অন্য প্রাণীর মাংসের দ্বারা নিজ দেহের মাংস বৃদ্ধি করতে ইচ্ছা করে, জগতে তার তুলনায় অপুণ্যকারী বা পাপী আর কেউ নেই।

বর্ষে বর্ষেহশ্বমেধেন যো যজেত শতং সমাঃ।
মাংসানি চ ন খাদেদ যস্তয়োঃ পুণ্যফলং সমম্।।৫৩।।

-(মনুসংহিতা৫/৫৩)
অনুবাদঃ যে লোক একশ বৎসর কাল প্রত্যেক বৎসরে অশ্বমেধ যজ্ঞ করে এবং যে লোক যাবজ্জীবন মাংস ভক্ষণ করে না, তাদের দুজনেরই স্বর্গাদি পূণ্যফল সমান।

ফলমূলাশনৈর্মেধ্যৈমূন্যন্নানাঞ্চ ভোজনৈঃ।।
ন তৎফলমবাপ্নোতি যন্মাংসপরিবর্জনাৎ।। ৫৪।।

-(মনুসংহিতা৫/৫৪)
অনুবাদঃ গৃহবাসীগণ মাংস ভক্ষণ না করলে যেমন ধর্ম সঞ্চয় করতে পারেন,পবিত্র ফল-মূল ভোজন এবং মেধা [অর্থাৎ দেবতাকে নিবেদনের যোগ্য] ও মুনিগণ-সেবিত নীবারাদি অন্ন ভোজনের দ্বারা সেরকম মহাফল লাভ করা যায় না।

মাং স ভক্ষয়িতামুত্র যস্য মাংসমিহাদ্ম্যহম্।
এতন্মাংসস্য মাংসত্বং প্রবদন্তি মনীষিণঃ।। ৫৫।।

-(মনুসংহিতা৫/৫৫)
অনুবাদঃ আমি ইহলোকে অথাৎ এই মনুষ্যজীবনে যার মাংস ভোজন করছি, পরলোকে বা মৃত্যুর পর 'মাং= আমাকে, সঃ '= সে' ভক্ষণ করবে"-পণ্ডিতেরা মাংস-শব্দের অর্থ এরুপ প্রতিপন্ন করেছেন।(অথাৎ আমি যদি এই জীবনে পশু হত্যা করে তার মাংস খায় তাহলে এই জীবনের পরে নিশ্চিত সে মানুষের দেহ লাভ করবে আর আমি একটি পশুদেহ লাভ করব তখন সে আমাকে হত্যা করে খাবে।)।

যো যস্য মাংসমশ্লানি স তন্মাংসাদ উচ্যতে।
মৎস্যাদঃ সর্বমাংসাদস্তস্মান্মৎস্যান্ বিবর্জয়েৎ।। ১৫।।

-(মনুসংহিতা ৫/১৫)
অনুবাদঃ যে যার মাংস খায় তাকে 'তন্মাংসাদ' অর্থাৎ তার মাংসভোজী বলে (যেমন বিড়াল ইঁদুরের মাংস খায়, তাই বিড়াল 'মুষিকাদ', নকুল অর্থাৎ বেজী 'সর্পাদ'); কিন্তু যে 'মৎস্যাদ' অর্থাৎ মৎস্যভোজী, তাকে সর্বমাংসভোজী বলা চলে। (এমন কি তাকে 'গো-মাংসদ'ও বলা যায়)। অতএব মৎস্য-ভোজনে যখন ভীষণ পাপ হয়, তখন তা পরিত্যাগ করবে।

ইজ্যাযজ্ঞশ্রুতিকৃতৈর্যৌ মার্গৈরবুধোহধমঃ।
হন্যাজ্জন্তুন্ মাংসগৃধ্নুঃ স বৈ নরকভাঙনরঃ।।৪৩।।

-(মহাভারতঃ অনুশাসন পর্ব ১১৫ / ৪৩)
অনুবাদঃ যেসকল মাংসলোভী মূর্খ ও অধম মনুষ্য যজ্ঞ-যাগ প্রভৃতি বৈদিক মার্গের নামে প্রাণীদের হিংসা করে, তাহারা নরকগামী হয়।

পূর্বং তু মনসা ত্যক্তা তথা বাচাখ কর্মী।
ন ভক্ষতি যো মাংসং ত্রিবিধং স বিমুচ্যতে ॥

-(মহাভারতঃঅনুশাসন পর্ব, ১০০/১৯)
অনুবাদঃ ধার্মিক লোক প্রথমে মন(চিন্তা) দ্বারা, পরে বাক্য দ্বারা, তৎপরে দেহ (কর্ম) দ্বারা হিংসা ত্যাগ করে থাকেন। এই তিন প্রকারে যিনি মাংস ভক্ষণ বর্জন করেন, তিনি মুক্ত হন।

মাসি মাস্যশ্বমেধেন যো যজেত শতং সমাঃ ।
ন খাদতি চ যাে মাংসং সমমেতন্মতং মম ॥

-(মহাভারতঃ অনুশাসন পর্ব, ১০০/৪৫)
অনুবাদঃ ভীষ্মদেব বললেন — যিনি শত বছর যাবৎ প্রত্যেক মাসে অশ্বমেধ যজ্ঞ করেন , আর যিনি মাংস ভক্ষণ করেন না -এই দুইজনই সমান পুণ্যবান(অথাৎ স্বর্গসহ উচ্চাদি লোক প্রাপ্তির উত্তম অধিকারী), এটিই আমার মত।

অথবা মাসমেকং বৈ সর্বমাংসান্যভক্ষয়ন।
অতীত্য সর্বদুঃখানি সুখং জীবেন্নিরাময়ঃ ॥
বর্জ্জয়ন্তি হি মাংসানি মাসশঃ পক্ষশােহপি বা।
তেষাং হিংসানিবৃত্তানাং ব্ৰহ্মলােকো বিধীয়তে ॥

-(মহাভারতঃ অনুশাসন পর্ব,১০০/৯৪,৯৫)
অনুবাদঃ যে সমস্ত মানুষ কার্তিক, মাঘ ও বৈশাখের এক মাস সমস্ত মাংস পরিত্যাগ করেন, তারা সকল দুঃখ অতিক্রমপূৰ্ব্বক নিরাময় হয়ে সুখে জীবনযাপন করেন।যারা মাসে মাসে ও পক্ষে পক্ষে মাংস বর্জন করেন, হিংসা হতে নিবৃত্ত সেই সজ্জনদের জন্য ব্ৰহ্মলােক নির্দিষ্ট থাকে।

যেত্বনেবংবিদোহসন্তঃ স্তব্ধাঃ সদভিমানিনঃ ।
পশূন্ দ্রুহ্যন্তি বিশ্রদ্ধাঃ প্রেত্য খাদন্তি তে চ তান্ ॥ ১৪ ॥

-(শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ ১১/৫/১৪)
অনুবাদঃযে সমস্ত পাপাচারী মানুষ যথার্থ ধর্মনীতি বিষয়ে অজ্ঞ হলেও নিজেদের সম্পূর্ণ ধার্মিক মনে করে, তাই নির্বিচারে ঐ সব নিরীহ পশু যারা তাদের উপরে পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে থাকে, তাদের উপর হিংসাত্মক আচরণ করে থাকে। তাদের পরজন্মে, এই সমস্ত পাপাচারী মানুষগুলিকে এই পশুগুলিই আবার হত্যা করে ভক্ষণ করে থাকে।

দ্বিষন্তঃ পরকায়েযু স্বাত্মানং হরিমীশ্বরম।
মৃতকে সানুবন্ধেহস্মিন বদ্ধস্নেহাঃ পতন্ত্যধঃ।। ১৫

-(শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ ১১/৫/১৫)
অনুবাদঃবদ্ধজীবগণ সুদৃঢ় স্নেহবন্ধনে তাদের নিজেদেরই মৃতদেহবৎ জড় শরীরটির সাথে এবং তাদের আত্মীয়স্বজন ও পরিবারবর্গের সাথে আবদ্ধ হয়ে থাকে। এই ধরনের মহানন্দময় এবং বুদ্ধিভ্রষ্ট অবস্থায়, বদ্ধ জীবগণ অন্য সকল অসহায় প্রানী, এমন কি সকল জীবের অন্তর্যামী পরমেশ্বর ভগবান শ্রীহরির প্রতিও ঈর্ষান্বিত হয়ে উঠে। তার ফলে ঈর্ষাবশে সকলকে মনোকষ্ট দেওয়ার ফলে, বদ্ধজীবগণ ক্রমশই নরকে অধঃপতিত হতে থাকে।

প্রার্পায়াতু শ্রেষ্ঠতমায় কর্মন আপ্যাযদ্ধম... অঘ্ন্যা যজমানস্য পশুন্ পাহি।

-‎(শুক্ল যজুর্বেদ ১.১)

‎অনুবাদ-হে মনুষ্য, প্রার্থনা কর যাতে সবসময় তুমি মহত্‍ কার্যে নিজেকে উত্‍সর্গ করতে পার,পশুসমূহ অঘ্ন্যা অর্থাত্‍ হত্যার অযোগ্য,ওদের রক্ষা কর।

পশুমাংসাসবৈশ্চৈবমাসুরং ভাবমাশ্রিতাঃ।।৬৮
যে যজস্ত্যম্বিকাং তে স্যুর্দৈত্যা ঐশ্বর্য্যভোগিনঃ।
দেবত্বং সাত্ত্বিকা যান্তি সাত্ত্বিকীং ভক্তিমাস্থিতাঃ।।৬৯

-(স্কন্দ পুরাণঃপ্রভাসখন্ড,প্রভাসক্ষেত্রমাহাত্ম্যম ১১৯।৬৮-৬৯)

অনুবাদঃআসুরিক ভাবাপন্ন ব্যক্তিরা পশুমাংস ও মদ দিয়ে অম্বিকা-দেবীর অর্চ্চনা করেন, এরূপ তামসিক পূজার দরুন তারা ঐশ্বর্য্যভোগী দৈত্য হয়ে জন্মলাভ করে। অপরদিকে সাত্ত্বিক ব্যক্তিগণ সাত্ত্বিকভাবে দেবীর পূজা করে দেবত্ব লাভ করেন।

পরিশেষে উপরোক্ত শাস্ত্রীয় নির্দেশনায় মাছ -মাংস নয় বরং নিরামিষ শাক-সবজি এবং দুগ্ধজাতীয় ইত্যাদি খাবার হোক আমাদের নিত্যদিনের আহার্য।

🕉️🙏🕉️আয়ান্তমগ্রতে গচ্ছেদাগচ্ছদনুজ্ঞয়া। প্রণম্য প্রবেশৎ পার্শ্বেতদাগচ্ছেদনুজ্ঞয়া।।🕉️🙏🕉️
03/11/2025

🕉️🙏🕉️আয়ান্তমগ্রতে গচ্ছেদাগচ্ছদনুজ্ঞয়া। প্রণম্য প্রবেশৎ পার্শ্বেতদাগচ্ছেদনুজ্ঞয়া।।🕉️🙏🕉️

15/09/2025

আগামী বুধবার ১৭/০৯/২৫ইং শ্রী ইন্দিরা একাদশীর উপবাস। পারণ পরের দিন ০৬.০৬ থেকে ০৯.৫০ পর্যন্ত.

Hare Krishna.
06/09/2025

Hare Krishna.

শ্রী বামন দ্বাদশী ও শ্রী পার্শ্ব একাদশীর  উপবাস .
02/09/2025

শ্রী বামন দ্বাদশী ও শ্রী পার্শ্ব একাদশীর উপবাস .

Hare Krishna. Good Night 💤💤
30/08/2025

Hare Krishna. Good Night 💤💤

Hare Krishna. Joy Rada Rani
18/07/2025

Hare Krishna. Joy Rada Rani




Address

Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Krishna Vokto posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Krishna Vokto:

Share