Path of FreeD

Path of FreeD Read! in the name of your Lord Who has created(all that exists). Every breath you take is priceless!

ঈদ মোবারক 🌙তাক্বাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!🤲
10/04/2024

ঈদ মোবারক 🌙
তাক্বাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!🤲

14/08/2023

একটি হাসি ভিজিয়ে দিল কোটি মুমিনের চোখ! 😢

হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।🤲Al-Qasas [28:24]
14/08/2023

হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।🤲

Al-Qasas [28:24]



19/04/2023

ثُمَّ کَانَ مِنَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَتَوَاصَوۡا بِالصَّبۡرِ وَتَوَاصَوۡا بِالۡمَرۡحَمَۃِ ؕ

অতঃপর তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া, যারা ঈমান আনে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় সবরের ও উপদেশ দেয় দয়ার।
—আল বালাদ - ১৭

اُولٰٓئِکَ اَصۡحٰبُ الۡمَیۡمَنَۃِ ؕ

তারাই সৌভাগ্যশালী।
—আল বালাদ - ১৮

আহলান সাহলান মাহে রমজান। সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। ইনশাআল্লাহ, মাহে রমজানের পবিত্রতা নিজে আগে রক্ষা করবো, অপর...
23/03/2023

আহলান সাহলান মাহে রমজান। সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। ইনশাআল্লাহ, মাহে রমজানের পবিত্রতা নিজে আগে রক্ষা করবো, অপরকে করতে সাহায্য করবো।

The closer you are to the Quran, the closer you be to the writer (Allah)🤍
22/02/2023

The closer you are to the Quran, the closer you be to the writer (Allah)🤍

কারও নিয়ামত-প্রাপ্তিতে, কিংবা কারও সুখ আর উন্নতি দেখলে আমাদের কী করা উচিত তারও একটা চমৎকার নজির কুরআনে আছে।সূরা আ-ল ইমরা...
08/02/2023

কারও নিয়ামত-প্রাপ্তিতে, কিংবা কারও সুখ আর উন্নতি দেখলে আমাদের কী করা উচিত তারও একটা চমৎকার নজির কুরআনে আছে।

সূরা আ-ল ইমরানের শুরুর দিকে আমরা দেখি—মারইয়াম আলাইহাস সালামের মেহরাবে তাঁর খালু যাকারিয়া আলাইহিস সালাম এসে নানান ধরনের ফলমূল দেখে বিস্মিত হয়ে যেতেন। এমন ফলমূল, যেগুলোর মৌসুম অনেক আগেই গত হয়েছে বা যেগুলো তিনি নিজেও কখনো দেখেননি। একদিন তিনি জিগ্যেশ করেই বসলেন, ‘মারইয়াম, এগুলো তুমি কোথায় পাও?’

যাকারিয়া আলাইহিস সালামের এই প্রশ্নের জবাবে মারইয়াম আলাইহাস সালাম বললেন,

هُوَ مِنْ عِنۡدِ اللّٰهِ ۖ إِنَّ اللّٰهَ يَرْزُقُ مَنۡ يَّشَاءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ ‎٣٧‏

“এগুলো আমার রবের পক্ষ থেকে আসে। নিশ্চয় তিনি যাকে ইচ্ছে বেহিশেব রিয্‌ক দান করেন।”

আল্লাহর পক্ষ থেকে মারইয়াম আলাইহাস সালাম এই যে অনুগ্রহ পাচ্ছেন, এটা দেখে যাকারিয়া আলাইহিস সালাম কিন্তু হিংসায় ফেটে পড়েননি। তিনি নিজে একজন নবি ছিলেন। তাঁর জন্য আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এসব ফলফলাদি না পাঠিয়ে কেন মারইয়ামের জন্য পাঠান—এমন অভিযোগও তিনি আল্লাহর কাছে করে বসেননি। তিনি কী করেছেন, জানেন?

যাকারিয়া আলাইহিস সালাম ছিলেন নিঃসন্তান। তিনি নিজে একেবারে বয়োবৃদ্ধ, তারওপর তাঁর স্ত্রী ছিলেন বন্ধ্যা। সন্তান লাভের আর কোনো উপায় তাঁর অবশিষ্ট থাকলো না। কিন্তু সেদিন মারইয়াম আলাইহাস সালামের মেহরাবে এমন সব অদ্ভুত এবং অ-মৌসুমের ফলমূল দেখে তাঁর মনে হলো—গত হয়ে যাওয়া মৌসুমের ফলমূল যদি মারইয়াম এখন পেতে পারে, তাহলে এই বৃদ্ধাবস্থায় এবং স্ত্রীর বন্ধ্যাত্ব অবস্থাতেও তো আমি সন্তান পেতে পারি। যে রব মারইয়ামকে এই নিয়ামত দেন, তিনি তো আমাকেও দিতে পারেন।

এই ভাবনা থেকে যাকারিয়া আলাইহিস সালাম সাথে সাথে মারইয়াম আলাইহাস সালামের মেহরাবে থাকাবস্থাতেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে দুআ করলেন। সেই দুআটাও সূরা আ-ল ইমরানে জায়গা পেয়েছে। তিনি বলেছেন :

رَبِّ هَبْ لِيۡ مِنۡ لَّدُنۡكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً ۖ إِنَّكَ سَمِيۡعُ الدُّعَاءِ ‎٣٨

“হে আমার রব! আমাকে আপনার পক্ষ হতে একটি উত্তম সন্তান দান করুন। নিশ্চয় আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী।”

মারইয়াম আলাইহাস সালামের নিয়ামত-প্রাপ্তি যাকারিয়া আলাইহিস সালামের মনে হাসাদ তথা হিংসার উদ্রেক করেনি; বরং তাঁর মনে জাগিয়ে দিয়েছে বয়োবৃদ্ধ অবস্থায় সন্তান লাভের ইচ্ছা।

কোনো কোনো মুফাসসির বলেছেন—দুআ কবুলের একটা উত্তম মুহূর্ত হচ্ছে কাউকে নিয়ামত-প্রাপ্ত হতে দেখা বা কারও নিয়ামত-প্রাপ্তির সংবাদ শোনামাত্র নিজের জন্যও দুআ করা, যেভাবে দুআ করেছেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নবি যাকারিয়া আলাইহিস সালাম।

কাউকে ব্যবসাতে উন্নতি করতে দেখলে মনে মনে আল্লাহকে বলেন, ‘ইয়া রব! তাকে যেভাবে অবারিত রিয্‌ক আপনি দিচ্ছেন, সেভাবে আমাকেও দিন।’

কারও সংসারে সুখ আর স্বাচ্ছন্দ্যের সমারোহ দেখে ঈর্ষান্বিত হওয়ার বদলে আল্লাহকে বলেন, ‘মালিক, সুখ আর স্বাচ্ছন্দ্য দেওয়ার মালিক তো কেবল আপনি। তার মতো করে আমার সংসারেও আপনি অঢেল সুখ দান করেন।’

কারও বাচ্চা ভালোভাবে বেড়ে উঠছে, কেউ ভালো চাকুরি পেয়েছে, কারও জীবনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার অবারিত বারাকাহ আসছে—এসব দেখে নিজেকে নিয়ে হতাশ হয়ে পড়া এবং ওই ব্যক্তিকে হিংসা করাটা অসুস্থ অন্তরের স্বাক্ষর বহন করে। আমাদেরকে হতে হবে যাকারিয়া আলাইহিস সালামের মতো—কাউকে নিয়ামত পেতে দেখলে আমরা বরং খুশি হবো। আমাদের অন্তরে অন্তরে ছড়িয়ে দেবো তাকওয়া আর তাওয়াক্কুলের পারদ।


‘কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ’ বই থেকে নেওয়া টুকরো অংশ।
©আরিফ_আজাদ

লেখাটি দুইবার পড়ুন তিনবার ভাবুন..!আপনি যে হাত দিয়ে আরেকজনকে অন্যায়ভাবে থাপ্পর দিচ্ছেন সেই হাতটি নেই বলে কেউ হয়তো তার সন্...
06/02/2023

লেখাটি দুইবার পড়ুন তিনবার ভাবুন..!

আপনি যে হাত দিয়ে আরেকজনকে অন্যায়ভাবে থাপ্পর দিচ্ছেন সেই হাতটি নেই বলে কেউ হয়তো তার সন্তানকে আদর করে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারছে না!

আপনি যে পা দিয়ে আরেকজনকে অন্যায়ভাবে লাথি দিলেন সেই পাটি না থাকার কারণে হয়তো কেউ স্কুলে যেতে পারছে না!

আপনি যে চোখ দিয়ে হারাম জিনিস দেখে যাচ্ছেন হরহামেশা সেই চোখটি নেই বলে কেউ হয়তো তার প্রিয় মাকে একনজর দেখতে পারছে না!

আপনি যে কান দিয়ে সারাদিন হারাম গান শুনছেন সেই কানটি না থাকবার কারণে হয়তো আপনার পরিচিত কেউ আপনার কথা শুনতে পায় না!

আপনি যে ব্রেন-বুদ্ধি দিয়ে অন্যকে ঠকাবার বা কষ্ট দেবার পরিকল্পনা করছেন সেই ব্রেন-বুদ্ধির অভাবে কেউ হয়তো পাগলাগারদে আছে কিংবা রাস্তায় উলঙ্গ হয়ে হাটছে!

আপনি যে মুখ দিয়ে গীবত করছেন, গালি দিচ্ছেন সেই মুখটি না থাকবার কারণে কেউ হয়তো তার প্রিয়তমা স্ত্রীকে ভালোবাসার ডাকে ডাকতে পারছে না!

আপনি যে নাক দিয়ে হারাম ঘ্রাণ নেয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন সেই নাকটি না থাকবার কারণে কেউ হয়তো সন্তানের দেয়া আতরের সুবাস অনুভব করতে পারছে না!

আপনি যে চেহারা বা শারীরিক কাঠামোর জন্য অহংকার করছেন তার চেয়েও বেশি সুন্দর চেহারা আর সুঠাম দেহ নিয়ে কেউ হয়তো কবরে গিয়ে হাড্ডিসার কংকাল হয়ে পরে আছে!

একটিবারও কি ভেবে দেখেছেন যে আপনি যে নিয়ামতগুলো ভোগ করছেন সেই একই নিয়ামত না পেয়ে অন্য কেউ চোখের পানি আর নাকের পানি একাকার করছে।

যে সৃষ্টিকর্তা আপনাকে দেয়া নিয়ামতগুলো ঐসব মানুষগুলোকে দেননি সেই সৃষ্টিকর্তা কি এখনো পারেন না আপনাকে দেয়া নিয়ামতগুলো চোখের পলকে নিয়ে নিতে? পারেন। কিন্তু সাধারণত করেন না। এর মানে এই নয় যে, কখনো করবেন না। করতেও পারেন। অতীতেও করেছেন, এখনো করেন, ভবিষ্যতেও করবেন। জাস্ট সময়ের ব্যাপার!

মনে রাখবেন, আপনাকে দেয়া নিয়ামতগুলো কোনো স্থায়ী বিষয় নয় যে, এর কোনো ক্ষয়-লয় নাই। এগুলো পরীক্ষা। আপনার চোখের সামনেই তো দেখেছেন কত ক্ষমতাধর মানুষ মুহুর্তে লাশ হয়ে গেছে। কত সুন্দর চেহারার মানুষের হাড় কবরে পড়ে রয়েছে। কত টাকাপয়সাওয়ালা ধনকুবের খালি হাতে হাসপাতালের বেডে ধুঁকতে ধুঁকতে শেষ প্রাণবায়ু ত্যাগ করেছে!

একটু ভাবুন, প্লিজ..!

অতএব (হে মানুষ ও জ্বিন সম্প্রদায়!) তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নিআমতকে অস্বীকার করবে?

(সূরা রহমান:১৩)

আর যদি তোমরা আল্লাহর নিআমত গণনা কর, তবে তার সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না; নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

(সূরা নাহল:১৮)

কেয়ামতের দিন অবশ্যই তোমাদেরকে নেয়ামত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে।

(সূরা তাকাসুর:৮)

(collected)

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Path of FreeD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Path of FreeD:

Share