দোয়া ও আমল Doya and Amal

দোয়া ও আমল Doya and Amal আমাদের গ্রুপের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে সেই জান্নাত লাভ করা,

"কুরআন হলো আত্মার জন্য 'অক্সিজেন'। আপনি যেমন নিঃশ্বাস না নিয়ে বাঁচতে পারেন না, তেমনি আপনার আত্মা কুরআনের নূর ছাড়া ধীরে ধ...
15/02/2026

"কুরআন হলো আত্মার জন্য 'অক্সিজেন'। আপনি যেমন নিঃশ্বাস না নিয়ে বাঁচতে পারেন না, তেমনি আপনার আত্মা কুরআনের নূর ছাড়া ধীরে ধীরে মারা যায়। প্রতিদিন অন্তত একটি আয়াত হলেও অর্থসহ পড়ুন, এটি আপনার আত্মাকে জীবিত রাখবে।"

゚viralシalシ #

15/02/2026

রিযিকে বারাকাহর জন্য কিভাবে দোয়া করবেন
রিযিক শুধু টাকা-পয়সা নয়। সুস্থতা, শান্তি, হালাল আয়, সন্তুষ্টি—সবই রিযিকের অন্তর্ভুক্ত। অনেক সময় আয় থাকে, কিন্তু বারাকাহ থাকে না। তাই রিযিকের সাথে বারাকাহ চাওয়াটা খুব জরুরি।

🌿 ১. নিয়ত ঠিক করুন
হালালভাবে উপার্জন করার নিয়ত করুন। হারাম থেকে বাঁচার ইচ্ছা রাখুন। নিয়ত ঠিক হলে আল্লাহ তাতে বরকত দেন।

🌿 ২. বেশি বেশি ইস্তিগফার করুন
রাসূল ﷺ বলেছেন, যে বেশি ইস্তিগফার করে আল্লাহ তার সংকট দূর করে দেন।

🌿 ৩.. সূরা ওয়াকিয়াহ ও সূরা বাকারা
নিয়মিত তিলাওয়াত করুন। ঘরে সূরা বাকারা পড়লে শয়তান দূরে থাকে এবং রিযিকে বরকত আসে।

🌿 ৪.. সদকা করুন
অল্প হলেও নিয়মিত সদকা করুন। সদকা রিযিক কমায় না, বরং বাড়ায়—এটা আল্লাহর ওয়াদা।

যদি মনে হয় রিযিকে অস্বাভাবিক বাধা, কাজ হয় না, বারবার ক্ষতি হয়—তাহলে বদনজর, হিংসা বা জাদুর প্রভাব থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে নিয়মিত আয়াতুল কুরসি, তিন কুল, সূরা ফালাক-নাস পড়ে নিজের ওপর দম করুন এবং প্রয়োজন হলে শরয়ী রুকইয়াহ নিন।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে ইনবক্সে মেসেজ করুন।।।

゚viralシalシ

পেরেশানি, দুশ্চিন্তা ও মানসিক অস্থিরতা থেকে মুক্তির জন্য রাসূল (সা.) নির্দেশিত সবচেয়ে কার্যকরী দু’টি দুআ নিচে আরবি, উচ্চ...
13/02/2026

পেরেশানি, দুশ্চিন্তা ও মানসিক অস্থিরতা থেকে মুক্তির জন্য রাসূল (সা.) নির্দেশিত সবচেয়ে কার্যকরী দু’টি দুআ নিচে আরবি, উচ্চারণ ও অর্থসহ দেওয়া হলো:
১. প্রধান দুআ (সকাল-সন্ধ্যায় ৭ বার)
আরবি: «حَسْبِيَ اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيهِ تَوَكَّلتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ»
উচ্চারণ: হাসবিআল্লাহু লা-ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়াহুয়া রব্বুল আরশিল আজীম।
অর্থ: “আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, আমি তাঁরই ওপর ভরসা করি এবং তিনি মহান আরশের অধিপতি”।

২. বিশেষ দুআ (উদ্বেগ ও ঋণের জন্য)
আরবি: اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’উজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযান, ওয়াল আজযি ওয়াল কাসাল, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দ্বালা’য়িদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।
অর্থ: “হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও কাপুরুষতা থেকে, ঋণের বোঝা এবং মানুষের দমন-পীড়ন থেকে”

বিশেষ আমল:
দরুদ শরীফ: বেশি বেশি দরুদ পাঠ করলে পেরেশানি দূর হয়।
ইস্তেগফার: ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পাঠ করা।
দোয়া ইউনুস: “লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমিন” (সুরা আম্বিয়া: ৮৭)।

এই দুআগুলো নিয়মিত পাঠ করলে ইনশাআল্লাহ যেকোনো ধরনের মানসিক চাপ ও পেরেশানি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

20/01/2026

প্রতিদিনের দোয়া কবুলের আমল চার্ট

১.ছোট দরুদঃ
اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।
(১০০০ বার)
২.
দুরূদে ইবরাহীমঃ

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ، اَللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ

আল্লহুম্মা সাল্লি আ’লা- মুহাম্মাদিও ওয়া আ’লা- আ-লি মুহাম্মাদিন কামা- সল্লাইতা আ’লা- ইব্‌রা-হীমা ওয়া আ’লা আ-লি ইব্‌রা-হীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ, আল্লাহুম্মা বারিক আ’লা মুহাম্মাদিও ওয়া আ’লা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাক্‌তা আ’লা ইব্রা-হীমা ওয়া আ’লা আ-লি ইব্রা-হীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।(১০০)

৩. ইস্তেগফার:আস্তাগফিরুল্লাহ(১০০০ বার)

৪.সায়্যিদুল ইস্তিগফারঃ
اَللّٰهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلٰى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوْءُ لَكَ بِذَنْبِيْ فَاغْفِرْ لِي ْ فَإِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা- আ’হ্‌দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত্ব’তু আ’উযুবিকা মিন শার্‌রি মা ছা’নাতু আবূ-উলাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা ওয়া আবূ-উলাকা বিযানবী ফাগ্‌ফির্‌লী ফাইন্নাহু- লা-ইয়াগফিরুয্‌যুনূবা ইল্লা- আনতা

হে আল্লাহ! তুমি আমার রব। তুমি ছাড়া আর কোনো সত্য মা‘বূদ নাই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ, আমি তোমার বান্দা। আমি তোমার ওয়াদা ও অঙ্গীকারের উপর সাধ্যানুযায়ী প্রতিষ্ঠিত। আমি অনিষ্টকর যা কিছু করেছি তা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমার উপর তোমার যে নিয়ামত আছে তার স্বীকৃতি দিচ্ছি। তোমার নিকট আমার গুনাহের স্বীকৃতি দিচ্ছি। সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও; কেননা তুমি ছাড়া আর কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।

বড় ইস্তেগফারের ফজিলত:রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এই দো‘আ পাঠ করবে, দিনে পাঠ করে রাতে মারা গেলে কিংবা রাতে পাঠ করে দিনে মারা গেলে, সে জান্নাতী হবে’।

৫.ইয়া জাল জালালী ওয়াল ইকরাম(১০০/৩০/৭০ বার)

৬.লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ(১০০/৩০/৭০ বার)

৭.দোয়া ইউনুস:লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন(১০০/৩০/৭০ বার)

৮.তাহাজ্জুদ/সালাতুল হাজতের নামাজ।(এটা উত্তম না পারলে উপরের গুলি করবে তবে বৃহস্পতিবার আর শুক্রবারে রাতে তাহাজ্জুদ পড়ার চেষ্টা করা উত্তম কারণ দোয়া কবুল হয়)

বিঃদ্রঃ বোঝার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যার উল্লেখ করা হয়েছে। আপনারা চাইলে আরও বেশি বা কম পড়লে সমস্যা নেই।

゚viralシalシ

📌 বৃহস্পতিবার মাগরিব থেকে জুমু'আর দিনের মাগরিবের আগ পর্যন্ত প্রতিটি সেকেন্ড নেকি ও সওয়াবের একেকটি ভান্ডার।>পুরো সময়টাতে...
19/06/2025

📌 বৃহস্পতিবার মাগরিব থেকে জুমু'আর দিনের মাগরিবের আগ পর্যন্ত প্রতিটি সেকেন্ড নেকি ও সওয়াবের একেকটি ভান্ডার।
>পুরো সময়টাতে যত বেশি সম্ভব রাসূলুল্লাহ ﷺ এর প্রতি দরুদ পাঠ করুন।
>সুরা কাহফ তিলাওয়াত করা।
>বেশি বেশি ইস্তেগফার করা।
>মজলুমদের জন্য দোয়া করা।

-اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّد(ﷺ)

"আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম 'আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ"

23/03/2025

[] সূরা তাকাসুর []

তাকাসুর শব্দের অর্থ হলো, অধিক কামনা করা বা প্রাচুর্য নিয়ে পরস্পর প্রতিযোগিতা করা। ধন-সম্পদ, ক্ষমতা, প্রভাব প্রতিপত্তি এসবের অধিক কামনা এবং প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা আমাদের ভালো মন্দ ও ন্যায় অন্যায়ের মাঝে পার্থক্যের ক্ষমতাকে বিনষ্ট করে দেয়। তখনই নেমে আসে বিপর্যয়। বৈধ পন্থা ব্যতীত অবৈধ পন্থায় সম্পদ সংগ্রহ করা, ক্ষমতা, ধন-সম্পদ, প্রভাব প্রতিপত্তির পেছনে এই যে আমাদের সার্বক্ষণিক পাগলের মত ছুঁটে চলা। কিংবা বৈধ সম্পদও আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির জন্য ব্যয় না করা। আমাদের অসীম এই চাহিদা ও পরিতৃপ্তির যেন কোন শেষ নেই! আর এই ক্রমবর্ধমান প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা একসময় আমাদেরকে আল্লাহর হুকুম এবং আখেরাত হতে উদাসীন করে দিয়ে সোজা কবর পর্যন্ত পৌঁছে দিচ্ছে।

এ সম্পর্কে সূরা তাকাসুরে আল্লাহ বলছেন-

১: أَلْهَاكُمُ التَّكَاثُرُ “আল হাকুমুত তাকাসুর”
অর্থ: “প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছে।”

তাকাসুর কথাটির অর্থ ব্যাপক। যা টাকা পয়সা, ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি, সহযোগী-পৃষ্ঠপোষক, বংশ-গোত্র, ক্ষমতা, প্রভাব প্রতিপত্তি প্রভৃতি শামিল। প্রত্যেক ঐ বস্তু যার প্রাচুর্য ও আধিক্য মানুষের প্রিয়। যা অধিকভাবে পাবার প্রচেষ্টা ও কামনা মানুষকে আল্লাহর আহকাম এবং আখেরাত হতে উদাসীন করে দেয়। সেটাই এ আয়াতের উদ্দেশ্য। এখানে আল্লাহ তাআলা মানুষের সেই দুর্বলতাকে ব্যক্ত করেছেন, যার শিকার সর্বযুগে অধিকাংশ মানুষকে হতে হয়েছে।
আল্লাহ বলেন, “আর জেনে রাখ, তোমাদের সম্পদ এবং সন্তান–সন্ততি তোমাদের জন্য পরীক্ষা ছাড়া কিছু নয়, আর নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট রয়েছে মহা পুরস্কার (যারা এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে তাদের জন্য)।” (সূরা আনফাল: ২৮)

২: حَتَّى زُرْتُمُ الْمَقَابِرَ “হাত্তা যুরতুমুল মাকাবির”
অর্থ: “যতক্ষণ না তোমরা কবরে পৌঁছে যাও।”

এর অর্থ হল, অত্যাধিক্য ধনসম্পদ উপার্জন করার উদ্দেশ্যে পরিশ্রম করতে করতে মৃত্যু তোমাদেরকে গ্রাস করে ফেলল এবং শেষ পর্যন্ত তোমরা কবরে গিয়ে পৌঁছলে!

৩: كَلَّا سَوْفَ تَعْلَمُونَ “কাল লা, সাওফা তা’লামুন”
অর্থ: “কিন্তু শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে।”

অর্থাৎ সত্য হচ্ছে এই যে মৃত্যু অতি নিকটে। এই পার্থিব জীবনের বাস্তবতা তোমাদের কাছে শীঘ্রই প্রকাশিত হয়ে পড়বে।

৪: ثُمَّ کَلَّا سَوۡفَ تَعۡلَمُوۡنَ “সুম্মা কাল লা সাওফা তা’লামুন” অর্থ: “এবং অতঃপর তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।”

এখানে আল্লাহ একই কথা পুনরাবৃত্তি করার মাধ্যমে এ ব্যাপারটিকে জোড় দিচ্ছেন যে জীবনের বাস্তবতা বুঝতে পারার এই মুহূর্তটি অতি অতি নিকটে!

৫: كَلَّا لَوْ تَعْلَمُونَ عِلْمَ الْيَقِينِ “কাল লা লাও তা’লামুনা ইলমাল ইয়াকিন।”
অর্থ: “যদি তোমরা নিশ্চিতভাবে জানতে!”

আমাদের যদি এই নিশ্চিত জ্ঞান থাকত, তাহলে এই জীবন পরীক্ষার বিষয় হত না। যদি মুমিনদেরকে নিশ্চিত জ্ঞান দেয়া হত, তবে তারা কখনও পথভ্রষ্ট হত না। তারা ফেরেশতায় পরিণত হত। কিন্তু আল্লাহ আমাদের পরীক্ষা করতে চান। বুখারী শরীফের হাদীসে আছে রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: “আমি যা জানি, তা যদি তোমরা জানতে, তবে তোমরা অল্পই হাসতে এবং অধিক ক্রন্দন করতে।”

৬: لَتَرَوُنَّ الْجَحِيمَ “লা তারাউন্নাল জাহিম।”
অর্থ: “তোমরা অবশ্যই জাহান্নাম দেখতে পাবে।”

আমরা প্রত্যেকেই জাহান্নামের আগুন প্রত্যক্ষ করব। তবে এই জীবনে নয়, মৃত্যুর পরের জীবনে। আল্লাহ সূরা মারইয়ামে উল্লেখ করছেন:
“তোমাদের মাঝে এমন কেউ নেই, যাকে এর (জাহান্নামের আগুনের) নিকটে আনা হবে না…” (সূরা মারইয়াম : ৭১)

৭: ثُمَّ لَتَرَوُنَّهَا عَيْنَ الْيَقِينِ “সুম্মা লাতারাউন্নাহা আইনাল ইয়াকীন।”
অর্থ: “অতঃপর নিশ্চয়ই তোমরা একে (জাহান্নাম) স্বচক্ষে দেখবে।”

মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে আমরা জাহান্নাম স্বচক্ষে দেখতে পারব। আমরা একে নিশ্চিতভাবে দেখব: “আইনুল ইয়াকীন”। রাসূলুল্লাহ (সা) ব্যাখ্যা করেছেন, মুমিনগণ যখন জাহান্নামের আগুন দেখবে, তারা তা দেখে উৎফুল্ল হবে, কেননা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাদেরকে এ থেকে বাঁচিয়েছেন। তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়বে। কিন্তু অবিশ্বাসীদের এ দৃশ্য দেখানোর উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদের কষ্ট বৃদ্ধি করা। এ দৃশ্য দেখে তারা চরম দুঃখ, ক্ষোভ (নিজেদের মূর্খতার কারণে), হতাশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়বে, একথা উপলব্ধি করে যে তাদেরকে এখানে থাকতে হবে চিরকাল!

৮: ثُمَّ لَتُسْأَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ النَّعِيمِ “সুম্মা লাতুসআলুন্না ইয়াওমাইযিন আনইন্নাইম।” অর্থ: “অতঃপর সেদিন তোমরা অবশ্যই (পার্থিব) আনন্দ–উপভোগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।”

কিয়ামতে এই জিজ্ঞাসা ঐ সকল নিয়ামত (সুখ-সম্পদ) সম্পর্কে হবে, যা দুনিয়াতে আল্লাহ তাআলা মানুষকে দান করে থাকেন। যেমন, চোখ, কান, হৃদয়, মস্তিষ্ক, শান্তি, সুস্থতা, মাল-ধন ও সন্তান-সন্ততি ইত্যাদি। কোন কোন উলামাগণ বলেন, এই জিজ্ঞাসা কেবলমাত্র কাফেরদেরকেই করা হবে। আবার কেউ কেউ বলেন, প্রত্যেক ব্যক্তিকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হবে। কেননা, শুধুমাত্র জিজ্ঞাসা করা আযাবের জন্য জরুরী নয়। বরং যারা এ সব নিয়ামতকে আল্লাহর নির্দেশানুযায়ী ব্যবহার করবে, তাকে প্রশ্ন করা সত্ত্বেও আযাব থেকে নিরাপদে রাখা হবে। আর যারা আল্লাহর নিয়ামতকে অস্বীকার করবে, তারা আযাবে পতিত হবে।

📌 দৈনিক ইস্তেগফার ও দুরুদ শরীফ টার্গেট।  দুরুদ ও ইস্তেগফারকে বানিয়ে নিন প্রতিটা মুহূর্তের সঙ্গী। প্রিয় বোনেরা, উঠতে বসতে...
05/02/2025

📌 দৈনিক ইস্তেগফার ও দুরুদ শরীফ টার্গেট।

দুরুদ ও ইস্তেগফারকে বানিয়ে নিন প্রতিটা মুহূর্তের সঙ্গী।
প্রিয় বোনেরা, উঠতে বসতে চলতে ফিরতে দুরুদ ও ইস্তেগফার পড়ছেন তো?

দুরুদ ও ইস্তেগফারের ফজিলত বলে শেষ করা যাবে না। নিচে কিছু ফজিলত সম্পর্কে বলা হলোঃ

✅ দুরুদ এর ফযীলতঃ.......
▪️একবার দুরুদ পড়লে ১০ টি নেকি পাওয়া যায়।
▪️একবার দুরুদ পড়লে ১০ টি রহমত নাজিল হয়।
▪️একবার দুরুদ পড়লে মর্যাদা ১০ গুণ বৃদ্ধি পায়।
▪️একবার দুরুদ পড়লে ১০ টি গুনাহ মাফ হয়।
▪️দুরুদ পড়ে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়।
▪️অভাব অনটন দূর হয়।
▪️স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি পায়।
▪️বিপদ আপদ কম হয়।
▪️রোগ থেকে শেফা পাওয়া যায়।
▪️রিজিক বেড়ে যায়।
▪️ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ সাধন হয়।
▪️সম্মান বৃদ্ধি পায়।
▪️ফেরেশতারা দুরুদ পাঠকারীর জন্য রহমতের
দোয়া করতে থাকে।
▪আল্লাহর রহমত ও বরকত তার সঙ্গী হয়ে যায়।
▪বেশি বেশি দুরুদ পড়লে কিয়ামতের দিন রসূল ছ্বল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুপারিশ পাওয়া যাবে। ( ইত্যাদি)

✅ ইস্তেগফার অর্থাৎ তওবার ফজিলতঃ..............
▪গুনাহ মাফ হয়।
▪️সুসন্তান লাভ হয়।
▪️রিযিক বৃদ্ধি পায়।
▪️বৃষ্টি বর্ষণ হয়।
▪️সম্পদ বৃদ্ধি পায়।
▪️দোয়া কবুল হয়।
▪️অন্তরে প্রশান্তি পাওয়া যায়।
▪️আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।
▪️সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।
▪️বিপদ আপদ কম হয়।
▪️দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি দূর হয়।
▪️শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
▪️রহমতের প্রবল বৃষ্টি বর্ষণ হয়।
▪তাকওয়া ও তাওয়াক্কুল বৃদ্ধি পায়।
▪️গুনাহ করার প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি হয়।
▪আল্লাহর আজাব-গজব থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
▪️ইবাদতে মিষ্টতা অনুভূত হয়।
▪ইবলিশ অপদস্ত হয়।
▪️ইস্তেগফার আকাশ জুড়ে ছেয়ে থাকা মেঘের মতো। যতবেশি ইস্তেগফার করা হবে ততবেশি রিযিকের বৃষ্টি, শান্তি প্রশান্তির বৃষ্টি বর্ষিত হতে থাকবে।
▪️অনুতপ্ত হয়ে চোখের পানি ফেলে ইস্তেগফার করলে। অর্থাৎ আল্লাহর কাছে মাফ চাইলে আল্লাহ পূর্বের সকল গুনাহ নেকি দিয়ে পূর্ণ করে দেন।
▪️বেশি বেশি ইস্তেগফার করলে মুস্তাজাবুদ দাওয়া হওয়া যায়। মুস্তাজাবুদ দাওয়া সেই ব্যক্তি, যিনি দোয়া করলেই দোয়া কবুল হয়ে যায়। (ইত্যাদি)

তাই উঠতে বসতে চলতে ফিরতে সর্বাবস্থায় দুরুদ ও ইস্তেগফার পড়তেই থাকুন। আর দেখতে থাকুন অলৌকিকভাবে কিভাবে জীবন পরিবর্তন হয়ে যায়।

যাদের পড়ার অভ্যাস নেই। তারা প্রথমে ১০০ বার দুরুদ ও ইস্তেগফার পড়ার টার্গেট নিন। তারপর ১০০ থেকে বাড়িয়ে দিন ২০০, তারপর ৩০০, ৫০০। এভাবে প্রতিদিন দুরুদ ও ইস্তেগফার পড়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। যাদের পড়ার অভ্যাস আছে আলহামদুলিল্লাহ। তারা চেষ্টা করবেন দৈনিক হাজার হাজার বার করে পড়ার ইনশাআল্লাহ্।

🟥 এখন প্রশ্ন হলো কোন দুরুদ আর কোন ইস্তেগফার পড়বো?
সবচেয়ে উত্তম দুরুদ হলো দুরুদে ইবরাহিম। এবং শ্রেষ্ঠ তওবা হলো সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার। দুরুদে ইবরাহিম ও সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার নিচে দেওয়া হলোঃ

দুরুদে ইবরাহিম,
اللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى اٰلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَ إِبْرَاهِيْمَ، وَعَلَى اٰلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ،
اللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى اٰلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى اٰلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ

উচ্চারণঃ আল্লহুম্মা ছ্বল্লি 'আলা মুহাম্মদ। ওয়া 'আলা আলি মুহাম্মদ। কামা ছ্বল্লাইতা 'আলা ইবরহিম। ওয়া 'আলা আলি ইবরহিম। ইন্নাকা হামিয়দুম মাজীদ।
আল্লহুম্মা বারিক 'আলা মুহাম্মদ। ওয়া 'আলা আলি মুহাম্মদ। কামা বারকতা 'আলা ইবরহিম। ওয়া 'আলা আলি ইবরহিম। ইন্নাকা হামিয়দুম মাজীদ।

এছাড়া যেকোনো ছোট বিশুদ্ধ দুরুদ ও পড়তে পারেন। যেমন,
🍁 ছ্বল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
🍁 আল্লহুম্মা ছ্বল্লি 'আলা মুহাম্মাদ।
🍁 আল্লহুম্মা ছ্বল্লি ওয়া সাল্লিম 'আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।

(বাংলা দেখে পড়লে ভুল হবে। আরবি ফন্ট অনুযায়ী শুদ্ধভাবে পড়বেন)

এবং
সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার,
اَللّٰهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلٰى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوْءُ بِذَنْۢبِيْ فَاغْفِرْ لِيْ فَإِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ.

উচ্চারণঃ আল্লহুম্মা আংতা রব্বী লা ইলাহা ইল্লা আংতা খলাক্বতানী, ওয়া আনা 'আবদুকা, ওয়া আনা 'আলা 'আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাত্বতু, আ'উযুবিকা মিং শাররি মাছ্বনা'আতু, আবু'উ লাকা বি'নিমাতিকা 'আলাইয়া, ওয়া আবুউ বিযাম্বী ফাগফিরলীয় ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যূনুবা ইল্লা আংতা।

(অবশ্যই আরবি ফন্ট অনুযায়ী সহিহভাবে পড়বেন)

সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দোয়া। উঠতে বসতে চলতে ফিরতে সর্বাবস্থায় ইস্তেগফার করার জন্য শুধুমাত্র আস্তাগফিরুল্লহ ও পড়তে পারেন।
আস্তাগফিরুল্লহ, আস্তাগফিরুল্লহ, আস্তাগফিরুল্লহ এভাবে পড়তেই থাকবেন ইনশাআল্লাহ।
আজ থেকে সব হতাশা, দুশ্চিন্তা, পেরেশানি বাদ দিয়ে অলৌকিকভাবে জীবনের মোড় পরিবর্তন করতে চাইলে খালেস দিলে বেশি থেকে বেশি পরিমাণে দুরুদ ইস্তেগফার পড়ুন ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের সর্বাবস্থায় দুরুদ ও ইস্তেগফারের সাথে লেগে থাকার তৌফিক দান করুক আমিন।

সওয়াবের নিয়তে কপি করে শেয়ার করতে পারেন। যারা নিয়মিত দুরুদ ও ইস্তেগফার না করে,
ফজিলত জানার পর কেউ এটা দেখে দুরুদ ও ইস্তেগফার পড়ার অভ্যাস করলে আপনিও সমপরিমাণ সওয়াব পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ

07/09/2024

❑ কুফু(كُفُو) ❑

বিয়ের ক্ষেত্রে “কুফু” একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«قال رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم تَخَيَّرُوا لِنُطَفِكُمْ وَانْكِحُوا الْأَكْفَاءَ وَأَنْكِحُوا إِلَيْهِمْ»
“তোমরা ভবিষ্যত বংশধরদের স্বার্থে উত্তম নারী গ্রহণ করো এবং 'কুফু' বিবেচনায় বিবাহ করো, আর বিবাহ দিতেও 'কুফুর' প্রতি লক্ষ্য রাখো।” [১]

●এখন 'কুফু'-র অর্থ কি?
“কুফু”(كُفُو) একটি আরবী শব্দ; যার অর্থ সমান,সমতুল্য,সমতা,সমকক্ষ[২]।
ইসলামী পরিভাষায় বর-কনের দ্বীন-দুনিয়ার যাবতীয় কিছুতে সমান সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে “কুফু” বলে।

●বিয়ের ক্ষেত্রে “কুফু” কেন গুরুত্বপূর্ণ আসুন একটি উদাহরণ দেখি:
মনে করুন, A একটি দ্বীনদার মেয়ে এবং B একটি বেদ্বীন ছেলে। একজন দ্বীনদার,অপরজন বেদ্বীন; দুজনের মধ্যে কুফু নেই। তারপরেও দুজনের বিয়ে হলো, মেয়েটি যেহেতু দ্বীনদার তাই সে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তার দ্বীনকে টেনে আনে, চায় প্রতিটি ক্ষেত্রে দ্বীনের ছাপ থাকুক। অপরপক্ষে বেদ্বীন ছেলেটি চাইবে দুনিয়ার স্রোতে গা ভাসিয়ে দিতে, চাইবে সবকিছুই হোক দ্বীনের বাঁধনমুক্ত। ফলস্বরূপ অশান্তি। শেষ পরিণতি 'তালাক'।

এবার আরেকটি উদাহরণ দেখি:
মনে করুন, আপনার মাসিক আয় দশ হাজার টাকা। আর আপনি এমন কাউকে বিয়ে করলেন যার বাবার মাসিক আয় ছিল পঞ্চাশ হাজার টাকা। অর্থনৈতিক অবস্থানে 'কুফু' নেই। কি মনে হয় সুখে থাকবেন? নাহ।
হাতি-ওয়ালার সাথে বন্ধুত্ব করলে হাতি রাখার মত ঘর নিজেকে বানাতে হবে। নতুবা ‘বড়র পিরীতি বালির বাঁধ, ক্ষণে হাতে দড়ি ক্ষণে চাঁদ।’ বুঝলেন?
অতএব, আপনার রোজগার দশ হাজার টাকা হলে আপনার বিয়ে করা উচিত এমন কাউকে যে এরমধ্যেই মানিয়ে চলতে পারবে। নয়তো বিয়ের পর শুনতে হতে পারে, ‘ভুল করেছি তোমায় বিয়ে করে, দাও এবার আমার হাতটি ছেড়ে ’।

তাই সর্বদিক দিয়ে নিজের চলাফেরা, পোশাক আশাক, বাড়িঘর, থাকা খাওয়ার মান যেমন, ঠিক সেই সমমানের পাত্রী পছন্দ করা উচিৎ। এতে কেউ কারোর উপর গর্ব প্রকাশ করবেনা, খোঁটা দেবেনা; ভালোবাসার গতিও বাধাগ্রস্ত হবেনা। এককথায় প্রায় সব বিষয়ে 'কুফু' বিবেচনা করেই বিয়ের পিঁড়িতে বসা উচিত। নচেৎ পরবর্তী সময়ে 'ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালাতে পারে'।

যদি সবকিছুতেই 'কুফু' মিলে যায় তবে তো সোনায় সোহাগা এবং এমন দাম্পত্য হবে চিরসুখের। পক্ষান্তরে কিছু না পেলেও যদি শুধুই দুজনের মধ্যেই দ্বীনদারী থাকে তবে সুখের জন্য এটাই যথেষ্ট। দ্বীনদারদের তো সবকিছুই আশ্চর্যের; তারা সর্বাবস্থায় সুখ শান্তি খুঁজে নিতে পারে। আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল।

◆শেষ কথা: অনেকে বলতে পারেন কোনো ব্যাপার না বিয়ে করে মেয়েকে দ্বীনদার বানিয়ে নেব। ভাই, এটা স্রেফ একটি শয়তানের ধোকা, উল্টোও তো হতে পারে দেখা গেল দ্বীনদার বানাতে গিয়ে আপনিই বেদ্বীন হয়ে গেলেন। কি দরকার এত রিস্ক নেওয়ার? যেখানে এই জীবন একটি পরীক্ষাকেন্দ্র, পাশ করার সুযোগও একটিই। তারপরেও রিস্ক?
বরং একটি কাজ করা যেতে পারে বিয়েতে দ্বীনকে কন্সট্যান্ট রেখে [এখানে কোন ডিসকাউন্ট নেই দুঃখিত] অন্যান্য দুনিয়াবি বিষয়গুলি সামান্য হেরফের করে এডজাস্ট করা যেতেই পারে। আসলে সবকিছুই নির্ভর করছে দ্বীনদার কেমন তার ওপরে, যত বেশি দ্বীনদারী থাকবে ততোই বাকিগুলোর গুরুত্ব কমবে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«ليَتَّخذَ أحَدُكُمْ قَلْباً شَاكِراً وَلِسَاناً ذَاكراً وَزَوْجَةً صَالِحَةً تُعينُهُ عَلَى أَمرِ الآخِرَة».

‘‘তোমাদের প্রত্যেকের কৃতজ্ঞ অন্তর ও যিকিরকরি জিহ্বা হওয়া উচিৎ। আর এমন মুমিনা স্ত্রী গ্রহণ করা উচিৎ; যে তার আখেরাতের কাজে সহায়তা করবে।’’ [৩]

আখিরাতের কাজে সহযোগিতা করার জন্য স্বামী-স্ত্রীর কুফু থাকতে হবে। স্ত্রীকে অবশ্যই দ্বীনদারিতে স্বামীর বরাবর বা কাছাকাছি হতেই হবে নচেৎ সে আখিরাতের কাজে সহায়তার থেকে বাধা বেশি দেবে এবং অনেকক্ষেত্রে শরীয়ত বিরোধী কাজ করে আপনাকে জাহান্নামের পথেও টানবে। স্ত্রী যদি বেশি দ্বীনদার হয় তবে স্বামীর ক্ষেত্রেও একই।

« رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَاماً».

__________________
[১] সুনান ইবনু মাজাহ : ১৯৬৮ ; সহীহ
[২] আল-ওয়াফি ডিকশনারি
[৩] ইবনে মাজাহ: ১৮৫৬, আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ :২১৭৬

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আমরা সবাই এই দোয়াগুলি পাগলের মতন পড়তে থাকি। এই দোয়াগুলি পড়ে আমরা আল্লাহর কাছে আমাদের মন...
13/06/2024

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আমরা সবাই এই দোয়াগুলি পাগলের মতন পড়তে থাকি।
এই দোয়াগুলি পড়ে আমরা আল্লাহর কাছে আমাদের মনের যা আশা তা চাই।
আজ থেকে ঈদের দিন পর্যন্ত পড়তেই থাকি।
আমিন।
|

02/06/2024

আমরা চলতে ফিরতে সব সময় পড়তে থাকি:

-তওবা—🌸
❝আস্তাগফিরুল্লাহ্-হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি,লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযী'ম❞

আলহামদুলিল্লাহ..🌸

28/03/2024

প্রশ্ন: জীবনের সবচেয়ে বড় কি?

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দোয়া ও আমল Doya and Amal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to দোয়া ও আমল Doya and Amal:

Share