গুনাহ মুক্ত একটি দিন ।। পরকালের সুখের বীণ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • গুনাহ মুক্ত একটি দিন ।। পরকালের সুখের বীণ

গুনাহ মুক্ত একটি দিন ।। পরকালের সুখের বীণ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from গুনাহ মুক্ত একটি দিন ।। পরকালের সুখের বীণ, Religious organisation, DHANMONDI, Dhaka.

সূরা আল-আ'রাফ (৭), আয়াত ৩২-এর বাংলা অর্থ:“বল, ‘আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য যে সৌন্দর্য-শোভামণ্ডিত বস্তু এবং পবিত্র রিযিক ...
07/06/2026

সূরা আল-আ'রাফ (৭), আয়াত ৩২-এর বাংলা অর্থ:

“বল, ‘আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য যে সৌন্দর্য-শোভামণ্ডিত বস্তু এবং পবিত্র রিযিক সৃষ্টি করেছেন, তা কে হারাম করেছে?’ বল, ‘এসব দুনিয়ার জীবনে মুমিনদের জন্য; তবে কিয়ামতের দিনে তা হবে একান্তই তাদের জন্য।’ এভাবেই আমি জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য আয়াতসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করি।”

আয়াতের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা এমন লোকদের প্রতিবাদ করেছেন, যারা নিজেদের ইচ্ছামতো আল্লাহর হালাল করা জিনিসকে হারাম করে দেয়।

আয়াত থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়—

সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা ইসলামে বৈধ ও প্রশংসনীয়।

সুন্দর পোশাক, পরিচ্ছন্নতা, সুগন্ধি এবং শালীন সাজসজ্জা আল্লাহর নিয়ামত।

পবিত্র ও হালাল রিযিক ভোগ করা বৈধ।

আল্লাহ মানুষের জন্য অসংখ্য হালাল খাদ্য ও জীবিকার ব্যবস্থা করেছেন।

হারাম-হালাল নির্ধারণের অধিকার একমাত্র আল্লাহর।

ব্যক্তিগত মতামত বা সামাজিক রীতিনীতি দিয়ে কোনো হালাল বিষয়কে হারাম ঘোষণা করা যায় না।

দুনিয়ায় নিয়ামত সবাই ভোগ করলেও আখিরাতে জান্নাতের পূর্ণ নিয়ামত কেবল মুমিনদের জন্য।

সংশ্লিষ্ট আয়াত
অন্যত্র আল্লাহ বলেন:

“হে আদম সন্তান! প্রত্যেক সালাতের সময় তোমরা তোমাদের সৌন্দর্য (পরিচ্ছন্ন পোশাক) গ্রহণ কর।” — আল-কুরআন

এই আয়াত ও তার পূর্ববর্তী আয়াত (৭:৩১) একত্রে ইসলাম যে ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্থা শিক্ষা দেয়—অর্থাৎ পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্য, হালাল ভোগ এবং অপচয় থেকে বিরত থাকা—সেই বিষয়টি স্পষ্ট করে।

বিস্তারিত তাফসীর

সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ৩২ — বিস্তারিত তাফসীর
আয়াত:

“বল, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য যে সৌন্দর্য-শোভামণ্ডিত বস্তু এবং পবিত্র জীবিকা সৃষ্টি করেছেন, তা কে হারাম করেছে? বল, এগুলো দুনিয়ার জীবনে মুমিনদের জন্য, আর কিয়ামতের দিনে তো একান্তই তাদের জন্য হবে। এভাবেই আমি জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য আয়াতসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করি।”
— আল-কুরআন

আয়াতের পটভূমি (শানে নুযূল)
জাহেলি যুগে আরবদের মধ্যে এমন কিছু প্রথা চালু ছিল যেখানে তারা নিজেদের ইচ্ছামতো কিছু খাবার, পশু ও পোশাককে হারাম ঘোষণা করত। কেউ কেউ কাবা তাওয়াফের সময় পোশাক পরিধান করাকে নিষিদ্ধ মনে করত। আবার কিছু মানুষ মনে করত যে আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য সুন্দর পোশাক, সুস্বাদু খাবার বা দুনিয়ার ভোগ্যবস্তু ত্যাগ করাই উত্তম।

এই প্রেক্ষাপটে আল্লাহ ঘোষণা করেন যে, তিনি যে নিয়ামত মানুষের জন্য সৃষ্টি করেছেন তা অন্য কেউ হারাম করার অধিকার রাখে না।

শব্দগত বিশ্লেষণ
১. "زِينَةَ اللَّهِ" (যীনাতাল্লাহ)
অর্থ: আল্লাহর প্রদত্ত সৌন্দর্য ও শোভা।

এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত—

সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পোশাক

অলংকার

সুগন্ধি

বাসস্থান ও পরিবেশের সৌন্দর্য

শালীন ও বৈধ সাজসজ্জা

ইসলাম সৌন্দর্যের বিরোধী নয়। বরং পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যকে উৎসাহিত করে।

২. "الطَّيِّبَاتِ مِنَ الرِّزْقِ"
অর্থ: পবিত্র, উত্তম ও হালাল জীবিকা।

যেমন—

হালাল খাদ্য

হালাল উপার্জন

বিশুদ্ধ পানীয়

বৈধ ব্যবসা-বাণিজ্য

আয়াতের মূল শিক্ষা
১. ইসলাম বৈরাগ্যবাদ সমর্থন করে না
কিছু ধর্মীয় দর্শনে দুনিয়ার সব ভোগ-বিলাস ত্যাগ করাকে ইবাদতের অংশ মনে করা হয়। কিন্তু ইসলাম মধ্যপন্থা শিক্ষা দেয়।

রাসূল ﷺ ভালো পোশাক পরতেন, সুগন্ধি ব্যবহার করতেন, ভালো খাবার গ্রহণ করতেন এবং একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি ইবাদত করতেন।

তিনি বলেছেন:

"নিশ্চয়ই আল্লাহ সুন্দর এবং তিনি সৌন্দর্য পছন্দ করেন।"

অতএব, বৈধ সীমার মধ্যে সৌন্দর্য ও আরাম উপভোগ করা ইসলামের বিরুদ্ধে নয়।

২. হালালকে হারাম করা যেমন অন্যায়, হারামকে হালাল করাও তেমনি অন্যায়
শরীয়তে যা হালাল, তাকে হারাম বলা যেমন গুনাহ; তেমনি যা হারাম, তাকে হালাল বলাও গুনাহ।

হারাম-হালাল নির্ধারণের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর।

৩. মুমিনরা দুনিয়াতেও নিয়ামতের প্রকৃত উপভোক্তা
আল্লাহ বলেন:

"এসব দুনিয়ার জীবনে মুমিনদের জন্য।"

অর্থাৎ দুনিয়ায় কাফির-মুমিন সবাই আল্লাহর নিয়ামত ভোগ করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এসব নিয়ামত আল্লাহর অনুগত বান্দাদের কল্যাণের জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে।

মুমিন এগুলো ব্যবহার করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে, আর কাফির অনেক সময় নিয়ামত পেয়েও সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকার করে।

৪. আখিরাতে নিয়ামত হবে শুধু মুমিনদের জন্য
দুনিয়ায় নিয়ামত সবাই পায়।

কিন্তু আখিরাতে জান্নাতের নিয়ামত—

চিরস্থায়ী হবে,

কষ্টমুক্ত হবে,

এবং শুধু মুমিনদের জন্য নির্ধারিত হবে।

কাফিরদের সেখানে কোনো অংশ থাকবে না।

ইমাম ইবনে কাসীর (রহ.)-এর তাফসীরের সারাংশ
ইমাম ইবনে কাসীর উল্লেখ করেন যে, এই আয়াতে আল্লাহ মুশরিকদের সেইসব মনগড়া বিধানের প্রতিবাদ করেছেন, যেগুলোর মাধ্যমে তারা আল্লাহর হালালকৃত বস্তু হারাম করেছিল।

তিনি বলেন, সুন্দর পোশাক, অলংকার ও উত্তম রিযিক আল্লাহর অনুগ্রহ। তবে এগুলো অহংকার, অপচয় বা গুনাহের কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

ইমাম কুরতুবী (রহ.)-এর তাফসীরের সারাংশ
ইমাম কুরতুবী বলেন, এই আয়াত প্রমাণ করে যে ইসলাম পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্য ও উন্নত জীবনযাত্রার বিরোধিতা করে না।

তবে শর্ত হলো—

তা হালাল হতে হবে,

অপচয় হবে না,

অহংকার সৃষ্টি করবে না,

আল্লাহর অবাধ্যতায় ব্যবহৃত হবে না।

বর্তমান জীবনের জন্য শিক্ষা
✅ সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পোশাক পরা সুন্নতসুলভ আচরণ।

✅ হালাল উপার্জনের মাধ্যমে ভালো জীবনযাপন বৈধ।

✅ আল্লাহর নিয়ামত ভোগ করে তাঁর শুকরিয়া আদায় করা উচিত।

✅ ধর্মের নামে মনগড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যাবে না।

✅ সৌন্দর্য ও ভোগ যেন অহংকার, অপচয় ও গুনাহের কারণ না হয়।

আয়াতের সারমর্ম
এই আয়াত ইসলামের ভারসাম্যপূর্ণ জীবনদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। ইসলাম মানুষকে দুনিয়ার বৈধ সৌন্দর্য ও নিয়ামত ভোগ করতে উৎসাহিত করে, তবে অপচয়, অহংকার ও অবাধ ভোগবাদ থেকে সতর্ক করে। আল্লাহর দেওয়া হালাল নিয়ামতকে হারাম করা যেমন ভুল, তেমনি সেগুলোকে আল্লাহর অবাধ্যতায় ব্যবহার করাও ভুল। মুমিনের কর্তব্য হলো নিয়ামত ভোগের পাশাপাশি কৃতজ্ঞতা ও আনুগত্যের জীবন যাপন করা।

👉 “তুমি তোমার প্রতিপালকের সিদ্ধান্তের জন্য ধৈর্য ধারণ করো। নিশ্চয়ই তুমি আমার দৃষ্টির মধ্যেই আছো। আর তুমি যখন দাঁড়াও, তখন...
18/03/2026

👉 “তুমি তোমার প্রতিপালকের সিদ্ধান্তের জন্য ধৈর্য ধারণ করো। নিশ্চয়ই তুমি আমার দৃষ্টির মধ্যেই আছো। আর তুমি যখন দাঁড়াও, তখন তোমার প্রতিপালকের প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করো।”

🌿 সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
ধৈর্যের নির্দেশ: আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর ধৈর্য রাখা ঈমানের অংশ
আল্লাহর নজরদারি: তুমি কখনো একা নও—আল্লাহ সবসময় দেখছেন
ইবাদতের গুরুত্ব: বিপদের সময় বেশি বেশি তাসবীহ ও ইবাদত করা

যে ব্যক্তি ঈমানসহ পূর্ণের আশায় রমজানের সিয়াম ব্রত পালন করে তার পূর্বের গু/নাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।(সহীহ বুখারী: ৩৮)
11/03/2026

যে ব্যক্তি ঈমানসহ পূর্ণের আশায় রমজানের সিয়াম ব্রত পালন করে তার পূর্বের গু/নাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

(সহীহ বুখারী: ৩৮)

A picture of       and his brothers Qari Zahir Qasmi and Maulana Asif Qasmi along with the famous Egyptian reciters Shei...
04/03/2026

A picture of and his brothers Qari Zahir Qasmi and Maulana Asif Qasmi along with the famous Egyptian reciters Sheikh Abdul Basit and Sheikh Mahmood Khalil Al Hussary at the International Qur'anic conference on Febuary 22nd, 1967.









Post Today@
১৪শে রমজান ১৪৪৭ হিজরি
৪ ঠা মার্চ ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, বুধবার
১৯শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম লা ইলাহা ইল্লা আন্তা বি রাহমাতিকা আস্তাগিস
19/02/2026

ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম লা ইলাহা ইল্লা আন্তা বি রাহমাতিকা আস্তাগিস

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ।১. সুদ (Riba):যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারক...
23/12/2025

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ।

১. সুদ (Riba):
যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না।
📖 রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ — “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা।”

২. অকৃতজ্ঞতা:
যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
📖 রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ — “কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব, অকৃতজ্ঞ হলে শাস্তি কঠিন।”

৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:
রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক কেটে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।
📖 হাদিস: “যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।” — বুখারি ২৯৮৬

৪. অসততা:
ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।

৫. প্রতারণা:
কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হারাম টাকা জীবনে অভাব ডেকে আনে।
📖 হাদিস: “যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।” — মুসলিম ১০২

৬. সালাত অবহেলা:
আজান–সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের বারকাহ কমে যায়।
📖 হাদিস: “রিযিক সালাতে আছে।” — সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত

৭. গীবত:
অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।
📖 সূরা হুজুরাত ১২

৮. অহংকার:
রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ। অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়।
📖 হাদিস: “যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে, সে জান্নাতে যাবে না।” — মুসলিম ৯১

৯. যাকাত আটকে রাখা:
যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায় এবং ধ্বংস হতে থাকে।
📖 সূরা তাওবা ৩৪-৩৫

১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:
যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।
📖 হাদিস: “মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ করো।” — ইবন মাজাহ ২৪৪৩

১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো:
এতে সম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।

১২. লোভ:
যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে না—সে শেষ পর্যন্ত কম পায়।
📖 হাদিস: “মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়, তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।” — বুখারি ৬৪৩৯

১৩. বাবা–মাকে অবহেলা:
তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।
📖 হাদিস: “রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।” — মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)

১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:
জুলুমের সম্পদে কোনো বারকাহ নেই, বরং ধ্বংস ডেকে আনে।

১৫. সদকা অবহেলা:
সদকা কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়।
📖 হাদিস: “সদকা সম্পদ কমায় না।” — মুসলিম ২৫৮৮

১৬. হিংসা:
অন্যের রিযিক দেখে মন খারাপ করা নিজের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।

১৭. নারীদের ও বাচ্চাদের প্রতি জুলুম:
যাদের যত্নের অধিকার সবচেয়ে বেশি, তাদের প্রতি অন্যায় করলে রিযিক উঠে যায়।

১৮. মিথ্যা কসম খাওয়া:
টাকা বা ব্যবসার জন্য মিথ্যা শপথ বারকাহ পুড়িয়ে ফেলে।
📖 বুখারি ২০৮৭

১৯. অলসতা:
রিযিক চেষ্টা করা মানুষের কাছে আসে। যারা চেষ্টা করে না, ভাগ্যও দরজা খোলে না।

২০. তাকদির নিয়ে অসন্তুষ্টি:
আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ করা ভবিষ্যতের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।

📖 হাদিস: “আল্লাহ্‌র সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকলে সে হৃদয়কে পরিপূর্ণ করেন।” — তিরমিজি ২৫১০

#সংগ্রহিত #রিজিক

রাতে মহাকাশ থেকেও দেখা গেলো পবিত্র কাবা! ৪০০ কিলোমিটার উপর থেকে আলোকিত পবিত্র মক্কা শরীফ।
05/12/2025

রাতে মহাকাশ থেকেও দেখা গেলো পবিত্র কাবা! ৪০০ কিলোমিটার উপর থেকে আলোকিত পবিত্র মক্কা শরীফ।

১. মাটি (তুরাব / মৃত্তিকা / Earth)আধ্যাত্মিক অর্থ:মাটি মানুষের দেহের মূল উপাদান।এটি বোঝায় স্থিতি, ধৈর্য, নম্রতা এবং ভাঙচ...
01/11/2025

১. মাটি (তুরাব / মৃত্তিকা / Earth)
আধ্যাত্মিক অর্থ:
মাটি মানুষের দেহের মূল উপাদান।
এটি বোঝায় স্থিতি, ধৈর্য, নম্রতা এবং ভাঙচুর সহ্য করার শক্তি।
তাসাউফে:
মাটি থেকে বানানো দেহকে 'নাফস' বা প্রবৃত্তির আবাস হিসেবে ধরা হয়।
পরিশুদ্ধ না হলে দেহ প্রবৃত্তির গোলাম হয়ে যায়।
তবে দেহ-নাফস পরিশুদ্ধ হলে তা আল্লাহর হুকুমের বাহক হয়ে ওঠে।
🔥 ২. আ*গুন (নার / Fi*re)
আধ্যাত্মিক অর্থ:
আ*গুন বোঝায় ইচ্ছা, রাগ, অহংকার ও শ*ক্তি।
তাসাউফে:
আগুন শয়তানের সৃষ্টি উপাদান—এই কারণে রাগ, অ*হংকার, হিংসা এগুলো আগুনজাত গুণ হিসেবে বিবেচিত।
একজন মুরীদ আগুনকে নিয়ন্ত্রণ করে আলো বানাতে শিখে—এই আলোই হলো ‘নূর’।
💨 ৩. বায়ু (হাওয়া / Air)
আধ্যাত্মিক অর্থ:
চঞ্চলতা, গতি, পরিবর্তন ও চিন্তার প্রতীক।
তাসাউফে:
বায়ু বোঝায় দুনিয়াবি চাওয়া-পাওয়ার পরিবর্তনশীলতা।
বায়ুর গতি যেমন নিয়ন্ত্রণ না করলে ধ্বংস ডেকে আনে, তেমনই নিয়ন্ত্রণ করা হলে তা নৌকা চালায়।
মুরীদ বায়ুর মত চঞ্চল ‘নফসের খাহেশ’ সংযম করে।
💧 ৪. পানি (মা / Water)
আধ্যাত্মিক অর্থ:
পবিত্রতা, জীবনের সঞ্চার এবং দয়া।
তাসাউফে:
পানি হৃদয়ের কোমলতা ও করুণা প্রকাশ করে।
আত্মা যখন ‘জিকির’ ও ‘তাওবা’র মাধ্যমে পরিশুদ্ধ হয়, তখন সে হৃদয় থেকে দয়া ও প্রেম প্রবাহিত করে—যেমন পানি জমিনকে সজীব করে তোলে।
🌫️ ৫. আকাশ / রূহ (Ether / Spirit / রূহ)
আধ্যাত্মিক অর্থ:
আলোর উৎস, আত্মিক চেতনা, ঈশ্বরীয় সংযোগ।
তাসাউফে:
‘রূহ’ হলো মানুষের ভেতরের আলোকিত সত্তা, যা আল্লাহর ‘আমর’ (নির্দেশ) থেকে এসেছে:
> “وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الرُّوحِ ۖ قُلِ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي” (সূরা ইসরা ১৭:৮৫)
রূহের জাগরণই তাসাউফের মূল লক্ষ্য।
যখন অন্য সব উপাদান পরিশুদ্ধ হয়, তখন রূহ তার আসল আলোতে উদ্ভাসিত হয়।
🔄 উপসংহার: পাঁচ উপাদানের সামঞ্জস্যই হলো 'ইনসান কামিল' (পূর্ণ মানুষ)
মাটি → দেহ
আগুন → ইচ্ছা
বায়ু → চিন্তা
পানি → হৃদয়
রূহ → আলোকিত আত্মা
যখন এই পাঁচটি উপাদান আধ্যাত্মিকভাবে শুদ্ধ হয়, তখন মানুষ আল্লাহর খলিফা হওয়ার যোগ্য হয়।

রিজিক নিয়ে এতো সুন্দর কথা এর আগে হয়তো কখনো পড়েন নি—  #রিজিক :রিজিকের সর্বনিম্ন স্তর : ‘টাকা, সম্পদ।’সর্বোচ্চ স্তর ...
18/07/2025

রিজিক নিয়ে এতো সুন্দর কথা এর আগে হয়তো কখনো পড়েন নি— #রিজিক :

রিজিকের সর্বনিম্ন স্তর : ‘টাকা, সম্পদ।’
সর্বোচ্চ স্তর : ‘শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা।’
সর্বোত্তম স্তর : “পুণ্যবান স্ত্রী ও পরিশুদ্ধ নেক সন্তান।”
পরিপূর্ণ স্তর : ‘মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।’

রিজিক খুব গভীর একটি বিষয় যদি আমরা বুঝতে পারি।
আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত।

আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না, একটিও বেশি না।
ধরেন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে ১ কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তায়ালা নিয়েছেন।
আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত আমার।
যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই ১ কোটি আয় করেই আমি মারা যাবো, হারাম উপায়ে হলেও ওই ১ কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!

আমি যেই ফলটি আজকে দেশে বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত বিদেশ থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল হয়েছে তখনই এটা নির্ধারিত যে সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি, কিনে নি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিজিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না। রিজিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
রিজিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিজিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তায়ালা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ্‌...
কেউ কারোটা খাচ্ছে না, যে যার রিজিকের ভাগই খাচ্ছে।
আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তায়ালার উপর কতটুকু তাওয়াক্কুল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি।
আল্লাহ তা'আলা বলেন :

“দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।”
—(সুরা হুদ : আয়াত ৬)

“যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিজিক দেবেন যা সে ধারণাও করতে পারবে না।”
—(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)

আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের সকলকে সঠিক পথে রিজিক তালাশের তৌফিক দান করুন। আমীন।

চোখের সামনেই নিজের মৃ*ত্যু দেখতে পাচ্ছিলেন। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেও হাল ছাড়েননি তিনি। উল্টো মনে-প্রাণে ডেকেছেন আল্লাহকে।...
30/12/2024

চোখের সামনেই নিজের মৃ*ত্যু দেখতে পাচ্ছিলেন। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেও হাল ছাড়েননি তিনি। উল্টো মনে-প্রাণে ডেকেছেন আল্লাহকে। কালিমা পড়তে পড়তে নিয়েছিলেন মৃ*ত্যুর প্রস্তুতিও। কিন্তু আল্লাহ যদি চায়, তাহলে কারোরই যে কিছু করার ক্ষমতা নেই, তা আরও একবার দেখা গেল। কাজাখস্তানে বিধ্বস্ত হওয়া বিমান থেকে তেমনি প্রাণে বেঁচে যাওয়া এক গল্প এটি।

গত বুধবার কাজাখস্তানের আকতাও শহরে বিধ্বস্ত হয় আজারবাইজানের একটি যাত্রীবাহী বিমান। বিমানটিতে ৬৭ জন আরোহী ছিলেন। যার মধ্যে ৩৮ জন আরোহীর মৃ*ত্যু হয় এবং প্রাণে বেঁচে যান ২৯ জন। সেই বেঁচে যাওয়াদেরই একজন সুবহোনকুল রাখিমভ।

বাঁচার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন রাখিমভ। তাই জীবনের শেষ মুহূর্ত ধারণ করা শুরু করেন তিনি। এ সময় তিনি তাকবির দেওয়ার পাশাপাশি কালিমা পড়তে থাকেন। কিন্তু বিমান বিধ্বস্ত হলেও অবিশ্বাস্যভাবে পুরোপুরি অক্ষত থেকে যান রাখিমভ। তিনি জানান, প্রথম বিস্ফো*রণের পর আমি ভাবতে থাকি, যেকোনো সময় বিধ্বস্ত হবে বিমানটি। কিন্তু কয়েক সেকেন্ড চলে যাওয়ার পরও, তেমন কিছু ঘটেনি।

হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা রাখিমভ গণমাধ্যমকে জানান, এভাবেই এক মিনিটের বেশি সময় কেটে যায়। কিছু না ঘটায় আমি তাকবির দিতে থাকি। কালিমা পড়তে থাকি। আমি নিজেকে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুত করতে থাকি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানের ভেতর যাত্রীরা আল্লাহর নাম নিচ্ছে। এ সময় অক্সিজেন মাস্কগুলো যাত্রীদের মাথার ওপর ঝুলতে দেখা যায়।

বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণে বেঁচে যাওয়ার পর নিজের মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় কিছু ভিডিও করেন রাখিমভ। সেখানে দেখা যায়, বিমানের অর্ধেক অংশ পড়ে রয়েছে। ভেতরে মানুষজনকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। কয়েকশ মিটার দূরে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। এ সময় জরুরি কর্মীদেরও উদ্ধারকাজে অংশ নিতে দেখা যায়।

Address

DHANMONDI
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গুনাহ মুক্ত একটি দিন ।। পরকালের সুখের বীণ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share