Our Islamic Life

Directions Website Contact the place of worship

Our Islamic Life “প্রচার করো, যদি একটি মাত্র আয়াত ও হয়”।
--- সহীহ বুখারিঃ ৩৪৬

10/06/2026
প্রশ্নঃ ৩৫৬৫৪. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, কুরবানী আমার উপর ওয়াজিব হলে আমার পরিবারের কারোর নামে দেওয়া যাবে? যেমন ...
23/05/2026

প্রশ্নঃ ৩৫৬৫৪. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, কুরবানী আমার উপর ওয়াজিব হলে আমার পরিবারের কারোর নামে দেওয়া যাবে? যেমন আমার ছেলের নামে দেওয়া যাবে?

উত্তর ::
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته

بسم الله الرحمن الرحيم

শরিয়তের বিধান হল, আগে নিজের ওয়াজিব কুরবানী আদায় করতে হয়। তারপর সুযোগ থাকলে অন্যের পক্ষ থেকে নফল কুরবানী দেয়া যায়। (মাজমাউল আনহুর ০২/৫১৬)
সুতরাং আপনি আগে নিজের কুরবানী আদায় করুন। তারপর সুযোগ থাকলে ছেলের পক্ষ থেকে কুরবানী দিন।

হাদিস শরিফে এসেছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
مَنْ وَجَد سَعَةً فلم يُضَحِّ فلا يَقْرَبَنَّ مُصَلاَّنا
‘যার কুরবানীর সামর্থ্য রয়েছে কিন্তু কুরবানী করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।’ (ইবনে মাজাহ ২১২৩, মুসনাদে আহমদ ৮২৭৩)
والله اعلم بالصواب

উত্তর দাতা:
শাইখ উমায়ের কোব্বাদী
সিনিয়ার মুহাদ্দিস, মাদরাসা দারুর রাশাদ, মিরপুর
খতীব, বাইতুল ফালাহ জামে মসজিদ, মিরপুর

28/07/2025

উত্তম কাজের প্রতিফল উত্তম পুরস্কার ছাড়া কী হতে পারে?

- (আর-রাহমান -৬০)

আইয়ামে বীদের সিয়াম।
04/05/2025

আইয়ামে বীদের সিয়াম।

আমি মিউজিক ছেড়ে দিয়েছিলাম,তারপর ভাবতাম কি করবো,কি কাজ করবো...?এক পর্যায়ে আমার অবস্থা এমন হলো যে,আমি আমার শেষ ১০০ রুপি বে...
30/04/2025

আমি মিউজিক ছেড়ে দিয়েছিলাম,তারপর ভাবতাম কি করবো,কি কাজ করবো...?
এক পর্যায়ে আমার অবস্থা এমন হলো যে,আমি আমার শেষ ১০০ রুপি বের করে আমার স্ত্রীকে দিয়ে দিলাম।তাকে বললাম, আগামীকাল থেকে আর কিছু চাইবে না, এখন আমার কাছে দেয়ার মত আর কিছু নাই।

আমার অবস্থা এমন হয়ে গেছিলো, উপরে আল্লাহ ছাড়া সেই মূহুর্তে আর কোন সহায় ছিলো না।
আমি মাওলানা তারিক জামিল সাহেবের কাছে একবার একটা হাদীস শুনেছিলাম,
-যদি তুমি আল্লাহর জন্য কোন কিছু ছেড়ে দাও,আল্লাহ তোমাকে এর চাইতে অনেক গুন বেশী দিবে।

এই হাদীসের শব্দ গুলো আমার মাথায় গেঁথে গিয়েছিল, আবার হতাশ হয়ে মাঝে মধ্যে চিন্তা করতাম আসলেই কি সু সময় আসবে?
পরক্ষনেই মাথায় আসতো, আল্লাহর নবীর কথা তো মিথ্যা হতে পারে না।

২০০২ সালের কথা বলছি, একদিন আমি মসজিদে বসে আছি, একজন ব্যক্তি এলেন আমার কাছে। উনি জিজ্ঞাসা করলেন ; ভাই তুমি বর্তমানে কি করছো?
আমি উত্তর দিলাম,বর্তমানে কিছুই করছি না।

উনি আমাকে বললেন, চলো আমরা কাপড়ের ব্যবসা শুরু করি পার্টানারে। আমি ২৫ লাখ দিবো,আর তুমি দিবে ২৫ লাখ।
আমি রাজি হয়ে গেলাম। বাসায় এসে চিন্তা করছিলাম, আরে আমি যে রাজি হয়ে গেলাম এখন এই টাকা পাবো কোথায়?
মাথায় সারাদিন ঘুরতো,কি বিক্রি করবো, কার কাছে চাইবো। অবশেষে আমি পৈত্রিক জমি বিক্রি করে টাকা জোগাড় করে আমার পার্টানকে দিলাম।
আমরা কাপড় ক্রয় করলাম, রোজা এবং ঈদ টার্গেট করে সেগুলো দিয়ে জামা বানালাম।

কিন্তু আবারো আল্লাহর পরীক্ষায় পতিত হলাম।আমরা যেসব জামা বানিয়েছি সব গুলো জামার সাইজ এবং প্যার্টান ছোট বানিয়ে ফেলি। পাকিস্তানের বাজারে এই সাইজের জামা কেউ কিনতে চাইলো না।
মসজিদে এসে আল্লাহর কাছে সেজদায় গিয়ে জিজ্ঞাসা করতাম, কি ভুল হয়েছে আল্লাহ?

আল্লাহ জবাব দিলেন অন্যভাবে ; একদিন পাকিস্তানের রাস্তায় আমি আর আমার পার্টনার কাপড় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি, মানুষকে ডাকছি আমাদের ড্রেস গুলো কিনতে।
হঠাৎ দেখলাম, একজন বাংলাদেশী ব্যবসায়ী এসে আমাদের বললেন, আমার কিছু ছোট সাইজের সেলোয়ার আর কামিজ চাই। তোমরা ব্যবস্থা করে দিতে পারবে?
পাকিস্তানের বাজারে সব ড্রেস পাকিস্তানের মেয়েদের লম্বা অনুযায়ী বানানো হয়।আর বাংলাদেশের মেয়েরা কিছুটা শর্ট,তাই আমার ছোট সাইজের সেলোয়ার-কামিজ প্রয়োজন!

আমি আর আমার পার্টনার অবাক হয়ে একে অপরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম কিছুক্ষন। আর আল্লাহর রাজিক কার কিভাবে নির্ধারিত হয়ে যায় তা সেদিন চিন্তা করছিলাম।
ঐ বাংলাদেশী ভাই আমাদের সব গুলো ড্রেস এক লটে কিনে নিয়ে গেলেন।

এতক্ষণ বলছিলাম,পাকিস্তানের এক সময়ের জনপ্রিয় ব্যান্ড শিল্পী জুনায়েদ জামসেদের গল্প।গল্পটি শুনেছি উনার এক লেকচার থেকে। যিনি মাওলানা তারিক জামিল সাহেবের দাওয়াত পেয়ে মিউজিক ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় চলে এসেছিলেন।যশ,খ্যাতি,প্রাচুর্য সব পিছনে ফেলে একদম শূন্য হয়ে গেছিলেন। সেই জুনায়েদ জামসেদের হাত ধরেই পাকিস্তানে "খাদি" কাপড়ের ড্রেসের বিপ্লব শুরু হয়।মিউজিক ছেড়ে শেষ ১০০ রুপি স্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া জুনায়েদ জামসেদের কাপড় তৈরির গার্মেন্টসে এক সময় কাজ করতো ১০ হাজার মানুষ।
করাচীতে সব চাইতে জনপ্রিয় কাপড়ের দোকান হয়ে উঠে জুনায়েদর ফ্যাশন হাউজ।

জুনায়েদ বলতেন, আমি মেয়েদের ড্রেস বানাই, কিন্তু মেয়েদের কোনদিন পন্য বিক্রির জন্য মডেল বানিয়ে বিজ্ঞাপন দিতাম না। মেয়েদের ছবি এতটা মূল্যহীন নয় যে,আমরা মেয়েদের ছবি ব্যবহার করে পন্য বিক্রি করবো।
রিজিকদাতা হলেন আল্লাহ, কোন মেয়ে,মডেল বা অভিনেত্রী নয়।

আমার মনে হতো, আমার ব্যবসায় আমরা দুইজন পার্টনার ছাড়াও তৃতীয় অংশীদার ছিলেন স্বয়ং আল্লাহ।
আমার মনে হয়, আল্লাহ চান তার বান্দা আগে ঠিক হয়ে যাক, সহী লাইনে আসুক; তারপর উনি দায়িত্ব নিয়ে সেই বান্দার রিজিক ঠিক করবার দায়িত্ব নিয়ে নেন।

মনে রাখবেন, আল্লাহ নিজেই তো ঘোষণা দিয়েছেন;

" আর যে আল্লাহকে ভয় করে,আল্লাহ তার জন্য নিস্কতির পথ বের করে দিবেন, এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিজিক দিবেন।"

পাকিস্তানের তরুন সমাজের চিন্তার জগতে আলোড়ন তোলা জুনায়েদ জামসেদ ২০১৬ সালে বিমান দূর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেন।যার গজল এখনো মুগ্ধ হয়ে শুনি।

[জুনায়েদ জামশেদের সাক্ষাৎকার থেকে]

From the river to the sea Palestine will be free inshaAllah.        #ফিলিস্তিন
07/04/2025

From the river to the sea
Palestine will be free inshaAllah.



#ফিলিস্তিন

Address

Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Our Islamic Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Our Islamic Life:

Shortcuts

Share