World Satsang

World Satsang “““রা”””
বন্দেপুরুষোত্তমম্
জয়গুরু

জয়গুরু সকলকে
20/07/2025

জয়গুরু সকলকে

17/07/2025

💕🙏💕 জয়গুরু
শুভ শ্রাবণ মাস
বড় মায়ের জন্মমাস
এই শ্রাবণ মাস সকল সৎসঙ্গীর নিষ্ঠার সহিত পালন করা কর্তব্য।

💕🙏💕 জয়গুরু
17/07/2025

💕🙏💕 জয়গুরু

জয়গুরু ইষ্ট প্রান দাদা ও মায়েরা
15/07/2025

জয়গুরু ইষ্ট প্রান দাদা ও মায়েরা

With Satsangi khoj/সৎসঙ্গী খোঁজ – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
06/01/2025

With Satsangi khoj/সৎসঙ্গী খোঁজ – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

জয়গুরু 🙏🙏🙏পুরুষোত্তমজননী শ্রীশ্রীমনোমোহিনীদেবী। গল্প.........(১৭)। সঙ্ঘভ্রাতা শ্রীভূষণচন্দ্র চক্রবর্তী নিজ জীবনের নিন্মো...
06/01/2025

জয়গুরু 🙏🙏🙏পুরুষোত্তমজননী শ্রীশ্রীমনোমোহিনীদেবী। গল্প.........(১৭)।

সঙ্ঘভ্রাতা শ্রীভূষণচন্দ্র চক্রবর্তী নিজ জীবনের নিন্মোক্ত ঘটনাটি বিবৃতি করিয়াছেন। "শ্রীশ্রীমা ছিলেন আমাদের সবারই মা। কাহারও অসুখ বিসুখ হইলে তিনি মোটেই স্থির থাকিতে পারিতেন না। যতক্ষণ না রোগীর রোগযন্ত্রণার উপশম হইত, তিনি স্বস্তি পাইতেন না। একবার একটা বিষব্রণের যন্ত্রণায় আমার সমস্ত মুখ ফুলিয়া বিরুপ আকার ধারণ করে, কথা বলিবার শক্তি রহিত হয়। শ্রীশ্রীমার নিত্যকার অভ্যাস ছিল, -- রাত্রিযোগে তিনি একটা লণ্ঠন বা টর্চ লাইট লইয়া আশ্রম পল্লীর বাড়ী বাড়ী ঘুরিয়া সকলের ভালমন্দের খবর লইতেন। সেদিন রাত্রিশেষে শ্রীশ্রীমা আমাদের বাড়ীর দিকে আসিয়া আমাকে নাম ধরিয়া ডাকিতে ডাকিতে আমার ঘরে আসিয়া ঢুকিলেন। তিনি আমার স্ত্রীর কাছে শুনিলেন, আমি ব্রণের ভীষণ যন্ত্রণায় সারারাত্র একটু ঘুমাই নাই এবং কোন কথাও বলিতে পারি না। মা মশারি তুলিয়া টর্চ দিয়া আমাকে ভাল করিয়া দেখিলেন।আমার মুখমণ্ডলের বীভৎস ভয়ংকর অবস্থা দর্শনে তাঁহার মস্তকে যেন বজ্রপাত হইল, তিনি আঁৎকাইয়া উঠিলেন। তৎক্ষণাৎ তিনি পাগলের মত ছুটিয়া গিয়া শ্রীশ্রীঠাকুরকে ঘুম হইতে জাগাইয়া তুলিয়া তাঁহার নিকট আমার অবস্থা সবিস্তারে বলিলেন এবং তন্মুহুর্থে একজন ডাক্তার লইয়া আমার কাছে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। তাঁহার বিশেষ নির্দেশে এবং তত্ত্বাবধানে আমার যথারীতি চিকিৎসা ও শুশ্রূষা চলিতে লাগিল। বেশ কিছুদিনে আমি আস্তে আস্তে নিরাময় হইয়া উঠিলাম। যতদিন আমি অসুস্থ ছিলাম, শ্রীশ্রীমা প্রত্যহ দিবারাত্র অসংখ্যবার আমাকে দেখিতে আসিতেন, ওষধপত্র ও পথ্যাদি সম্বন্ধে বিস্তারিত সংবাদ লইতেন, আমার শয্যাপার্শ্বে বসিয়া নানা বিষয়ে মধুর আলাপনে আমাকে উৎফুল্ল রাখিবার কত প্রয়াস পাইতেন! আমি সম্পূর্ণ সারিয়া না উঠা পর্য্যন্ত শ্রীশ্রীমা আমার জন্য কিরুপ ভীষণ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিলেন, স্বচক্ষে দেখিয়া অবাক বিষ্ময়ে অভিভূত হইয়াছি।

🙏🙏🙏🙏🙏🙏 ❤️❤️❤️ বন্দেপুরুষোত্তমম্ ❤️❤️❤️ 🙏🙏🙏🙏🙏🙏





জয়গুরু 🙏🙏🙏 পুরুষোত্তমজননী শ্রীশ্রীমনোমোহিনীদেবী। গল্প,,,,,(১৬) একবার আশ্রমপল্লীতে ব্যাপকভাবে বেরিবেরি রোগের প্রাদুর্ভাব ...
30/12/2024

জয়গুরু 🙏🙏🙏 পুরুষোত্তমজননী শ্রীশ্রীমনোমোহিনীদেবী। গল্প,,,,,(১৬)

একবার আশ্রমপল্লীতে ব্যাপকভাবে বেরিবেরি রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। আশ্রমবাসী অনেকেই তখন এই ব্যাধিতে গুরুতরভাবে আক্রান্ত হইয়াছিলেন। তন্মধ্যে জনৈক আশ্রমিকের একটি মাতৃহারা শিশুপুত্রের অতীব সংকটাপন্ন হইয়াছিল। শ্রীশ্রীমা দিনে রাত্রে বার বার গিয়া রুগ্ন শিশুটির সংবাদ লন এবং অনেক সময় কাছে বসিয়া স্বহস্তে তাহার শুশ্রূষা করেন। এইভাবে দীর্ঘ তিন-চার মাস তিনি শিশুটিকে সন্তানস্নেহে সেবাযত্ন করেন। প্রত্যহ প্রত্যূষে উঠিয়া দৈনিক কর্মারম্ভের পূর্বেই সর্বপ্রথম তিনি রোগীর বাড়ী গিয়া তাহার পূর্বরাত্রির সংবাদ লইতেন।একদিন শুশ্রূষারত ডাক্তারবাবু, শ্রীশ্রীমাকে অন্যদিনের মত রোগীর সংবাদ লইতে আসিতে না দেখিয়া, মনে মনে ভাবিলেন, -- নিশ্চিয়ই শ্রীশ্রীমার শরীর আজ অসুস্থ, তাই তিনি আসিতে পারেন নাই, নতুবা এমনটি তো কখনো হয় না। এই অবস্থায় একটু বেলা হইলে, ডাক্তারবাবু শ্রীশ্রীমার স্বাস্থ্যের সংবাদ জানিবার জন্য তাঁহার গৃহে উপস্থিত হইয়া দেখিতে পাইলেন, শ্রীশ্রীমা অসংবৃত বেশে করতলে কপোল বিন্যস্ত করিয়া ঘরের বারান্দায় বিষন্ন বদনে বসিয়া আছেন এবং মুহুর্মুহু : দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করিতেছেন। ডাক্তারবাবুকে দেখিয়াই শ্রীশ্রীমা ছেলেটির নাম ধরিয়া উচ্চৈ:স্বরে চিৎকার করিয়া কাঁদিয়া উঠিলেন। সেকি বুকফাটা কান্না! নিশ্চয়ই কেহ শ্রীশ্রীমাকে ছেলেটির সম্বন্ধে কোনরুপ মিথ্যা দু:সংবাদ দিয়াছে মনে করিয়া ডাক্তারবাবু বলিলেন,-- 'কেন মা, ঠাকুরের দয়ায় ছেলেটিতো আজ বেশ ভালই আছে। "ডাক্তারবাবুর কথায় শ্রীশ্রীমা স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলিয়া কহিলেন,--- " নিত্যকার মত আজও আমি ভোরবেলায় খোকাকে দেখতে গিয়েছিলাম। রোগীর বিছানাপত্র কাপড়চোপড় সব উঠোনে ছড়ানো রয়েছে দেখে ভাবলাম, সর্বনাশ হয়ে গেছে, কোন আর কথা জিজ্ঞাসা করতে পারলাম না। সেই যে এসে বসেছি, উঠবার আমার শক্তি নেই। "এই কথা বলিয়া শ্রীশ্রীমা তৎক্ষণাৎ গিয়া ছেলেটিকে স্বচক্ষে একবার দেখিয়া আসিয়া দুশ্চিন্তামুক্ত হইলেন। শ্রীশ্রীমার অন্তরখানা ছিল এমনি দরদভরা।

🙏🙏🙏🙏🙏🙏 ❤️❤️❤️ বন্দেপুরুষোত্তমম্ ❤️❤️❤️ 🙏🙏🙏🙏🙏🙏





জয়গুরু 🙏🙏🙏 পুরুষোত্তমজননী শ্রীশ্রীমনোমোহিনী। গল্প। (১৫) হিমায়েতপুর -গ্রামের মৈত্রপরিবারের জনৈক দু:স্থ ভদ্রলোক একবার কোন ...
29/12/2024

জয়গুরু 🙏🙏🙏 পুরুষোত্তমজননী শ্রীশ্রীমনোমোহিনী। গল্প। (১৫)

হিমায়েতপুর -গ্রামের মৈত্রপরিবারের জনৈক দু:স্থ ভদ্রলোক একবার কোন কঠিন রোগে আক্রান্ত হইয়া শয্যাগত অসুস্থ হইয়া পড়েন। শ্রীশ্রীমা জানিতে পারিয়া নিজে হইতেই তাঁহার বাড়ীতে গিয়া উপস্থিত হইলেন এবং রোগীর চিকিৎসা ভার স্বহস্তে গ্রহণ করিলেন। তিনি অবিলম্বে ডাক্তার ডাকিয়া আনিলেন এবং রোগীর ওষধপত্র ও পথ্যাদির যথাযথ ব্যবস্থা করিলেন। বেশ কিছুকাল যথারীতি চিকিৎসাদি চললি, কিন্ত দু:খের বিষয়, কোন সুফল পাওয়া গেল না। শ্রীশ্রীমা নিরস্ত হইলেন না। তিনি নিজেই খরচপত্র করিয়া রোগীকে চিকিৎসার্থ কলিকাতায় প্রবীণ ডাক্তার ইষ্টভ্রাতা শ্রীশশিভূষণ মিত্র মহাশয়ের নিকট পাঠাইলেন এবং রোগীকে বিশেষ যত্নসহকারে চিকিৎসা করিতে তাঁহাকে সনির্বদ্ধ অনুরোধ জানাইলেন। শ্রীশ্রীমার নির্দেশে ইষ্টপ্রাণ শশিভূষণ রোগীটিকে নিরাময় করিয়া তুলিবার জন্য যথাসাধ্য প্রাণপণ চেষ্টা করিলেন। দুর্ভাগ্যের বিষয় তাঁহার সকল চেষ্টা ব্যর্থ হইল, রোগীর আরোগ্য লাভের আশা ক্রমশ ক্ষীণ হইয়া আসিতে লাগিল। এই অবস্থায় ভদ্রলোকটি নিরাশ হইয়া নিজ বাড়ীতে ফিরিয়া আসিলেন। কিছুকাল মধ্যেই তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হইলেন। উক্ত পরিবারের এই মহাদু:সময়ে শ্রীশ্রীমা দৌড়াইয়া গিয়া যথারীতি মৃতের সৎকার করাইলেন এবং শোকার্ত পরিবারবর্গকে স্বান্ত্বনা দানে স্বস্থ করিলেন। শ্রীশ্রীমা অত:পর এই বিপন্ন পরিবারকে দীর্ঘদিন ধরিয়া অন্ন, বস্ত্র ও অর্থাদি প্রদানে যথাসাধ্য সাহায্যও করিলেন।

🙏🙏🙏🙏🙏🙏 ❤️❤️❤️ বন্দেপুরুষোত্তমম্ ❤️❤️❤️ 🙏🙏🙏🙏🙏🙏





জয়গুরু🙏🙏🙏পুরুষোত্তমজননী শ্রীশ্রীমনোমোহিনীদেবী। গল্প,,,,(১৩)নিন্মোক্ত ঘটনাটি বিবৃত হইল শ্রীমতী লাবণ্যপ্রভাদেবীর সৌজন্যে। ...
28/12/2024

জয়গুরু🙏🙏🙏পুরুষোত্তমজননী শ্রীশ্রীমনোমোহিনীদেবী। গল্প,,,,(১৩)

নিন্মোক্ত ঘটনাটি বিবৃত হইল শ্রীমতী লাবণ্যপ্রভাদেবীর সৌজন্যে।
ইষ্টভ্রাতা শ্রীহরিদাস ভদ্র আশ্রমের একজন প্রবীণ কর্মী। একসময় শ্রীশ্রীমা নিজেই উদ্যোগী হইয়া তাঁহার বিবাহ দিয়াছিলেন। দুর্ভাগ্যের বিষয়, দুইটি নাবালক পুত্র ও একটি শিশুকন্যা রাখিয়া তাঁহার স্ত্রী অকালে মৃত্যুমুখে পতিত হন। এই অবস্থায় শ্রীশ্রীমা স্বয়ং এই দু:স্থ পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় ভার লইলেন। তিনি তাঁহার মধ্যম পুত্র শ্রীযুক্ত প্রভাসচন্দ্রের বাড়ীতে শিশুটির প্রতিপালনের ব্যবস্থা করিয়া দিলেন। ছেলে দুইটিকে তাহাদের পিতার কাছে রাখিয়া নিজেই ইহাদের তত্ত্বাবধান করিতে লাগিলেন। বলিতে কি, হরিদাস ছিলেন স্বভাবতই বড় ক্রোধী। পুত্র দুইটিকে তিনি হামেসাই অকারণে অমানুষিক প্রহার করিতেন। বড় ছেলে ক্যাবলা একদিন পিতার নৃশংস অত্যাচারে অতিষ্ঠ হইয়া পলাইয়া শ্রীশ্রীমার গৃহে আশ্রয় লইল। রান্নাবাড়ীতে সকলে যখন আহারে বসিত, সেও গিয়া খাইয়া আসিত এবং আপন খুশীমত আশ্রমের যত্র তত্র নিদ্রা যাইত। এইভাবে ক্যাবলার দিন কাটিতে লাগিল। শ্রীশ্রীমা সময় সময় কৌতুক করিয়া বলিতেন, "ক্যাবলা ঠিক জায়গা বেছে নিয়েছে।" এদিকে তিনি পরিচারিকাদের বিশেষভাবে বলিয়া দিয়াছিলেন "দ্যাখ, তোরা কিন্ত সবাই ক্যাবলার যত্ন নিবি। তার যেন কখনো কোন কষ্ট না হয়। " ইতিমধ্যে একদিন দেখা গেল, ভোরবেলা শ্রীশ্রীমা হঠাৎ হন্ত দন্ত হইয়া রান্নাবাড়ী হইতে ছুটিয়া চলিয়াছেন। শ্রীশ্রীমার সঙ্গে তখন আরও অনেকে দৌড়াইলেন। ক্যাবলা জ্বরাক্রান্ত অবস্তায় মলমূত্রজড়িত হইয়া সংজ্ঞাশূন্যদশায় আশ্রমের একটা ঘরের বারান্দায় পড়িয়া আছে। ক্যাবলার এই শোচনীয় দুর্দশা দর্শনে শ্রীশ্রীমার চোখ দিয়া অশ্রু ঝরিতে লাগিল। তিনি তৎক্ষণাৎ কিছুটা গরম জল আনিয়া নিজেই তাহার সর্বাঙ্গ সযত্নে ধৌত করিলেন, নোংরা কাপড়চোপড় বদলাইয়া দিলেন, পরিছন্ন শয্যায় তাহাকে শোয়াইলেন এবং একখানা চাদর দ্বারা তাহার সমস্ত দেহ ঢাকিয়া দিলেন। পরিচারিকাদের রোগীর কাছে রাখিয়া তিনি তাড়াতাড়ি তাহার জন্য কিছু পথ্য প্রস্তুত করিয়া আনিলেন। ক্যাবলার চিকিৎসা ও শুশ্রূষা যথারীতি চলিতে লাগিল। যে পর্য্যন্ত ক্যাবলা সম্পূর্ণরূপে সারিয়া না উঠিল, শ্রীশ্রীমার উৎকণ্ঠার অবধি ছিল না। ক্যাবলাকে নিরাময় করিয়া তুলিবার জন্য তিনি কি প্রাণপণ যত্ন ও চেষ্টাই না করিলেন।

🙏🙏🙏🙏🙏🙏 ❤️❤️❤️ বন্দেপুরুষোত্তমম্ ❤️❤️❤️ 🙏🙏🙏🙏🙏🙏





জয়গুরু 🙏🙏🙏 পুরুষোত্তমজননী শ্রীমনোমোহিনীদেবী। গল্প,,,,(১২) নেতাজী সুভাষচন্দ্রের পিতৃদেব কটকের সুপ্রসিদ্ধ সরকারী উকিল "জান...
27/12/2024

জয়গুরু 🙏🙏🙏 পুরুষোত্তমজননী শ্রীমনোমোহিনীদেবী। গল্প,,,,(১২)

নেতাজী সুভাষচন্দ্রের পিতৃদেব কটকের সুপ্রসিদ্ধ সরকারী উকিল "জানকীনাথ বসু ও মাতৃদেবী "প্রভাবতীদেবী উভয়েই ছিলেন শ্রীশ্রীঠাকুরের বিশেষ অনুরাগী প্রবীণ ভক্ত। প্রভাবতীদেবী পরিণত বয়সে এক সময় নানা শোকতাপে দগ্ধ হইয়া মনোদু:খে আহারনিদ্রা একরুপ ত্যাগ করত: অতিকষ্টে কাল কাটাইতেছিলেন। এই অবস্তায় তাঁহার পুত্র শ্রদ্ধেয় ব্যারিষ্টার সতীশচন্দ্র বসু মহাশয় একদিন শোকাকুলা জননীকে লইয়া শ্রীশ্রীমার কাছে উপস্তিত হন। সে-যাত্রা শ্রীশ্রীমা মরণাপন্ন অসুস্থাবস্থায় কলিকাতার বাসায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। প্রভাবতীদেবীর দু:খে শ্রীশ্রীমা মর্মাহত হইলেন এবং তাঁহাকে নানা সান্ত্বনাবাক্যে সমবেদনা জ্ঞাপন করিলেন। শয্যাশায়ী থাকিয়াও শ্রীশ্রীমা স্বল্প সময়ের মধ্যে কিছু উত্তম খাবার প্রস্তত করাইয়া প্রভাবতীদেবীকে আপন শয্যাপার্শ্বে বসাইয়া কত আদরযত্ন সহকারে খাওয়াইলেন এবং মঙ্গলময় পরমপিতার পূণ্য নাম নিয়ত স্মরণপূর্বক অন্তরের সকল ব্যথা সহ্য করিয়া চলিতে কতভাবে উপদেশ দানে উৎসাহিত করিলেন। শ্রীশ্রীমার দরদমাখা মধুর বচনে ও অমায়িক আচরণে সুভাষজননী প্রাণে অপার শান্তি লাভ করিয়া বিদায় হইলেন।

🙏🙏🙏🙏🙏🙏 ❤️❤️❤️ বন্দেপুরুষোত্তমম্ ❤️❤️❤️ 🙏🙏🙏🙏🙏🙏





জয়গুরু 🙏🙏🙏 পুরুষোত্তমজননী শ্রীমনোমোহিনীদেবী। গল্প,,, (১১) শত্রুব্যক্তিকে সেবাদানের বিষয়ে জননীদেবীর আর একটি ঘটনা বলিতেছি।...
26/12/2024

জয়গুরু 🙏🙏🙏 পুরুষোত্তমজননী শ্রীমনোমোহিনীদেবী। গল্প,,, (১১)

শত্রুব্যক্তিকে সেবাদানের বিষয়ে জননীদেবীর আর একটি ঘটনা বলিতেছি। একদিন শ্রীশ্রীমার জননী কৃষ্ণসুন্দরীদেবী কন্যাকে বলিতেছিলেন, ---"মনু, তুই যে ওদের বাড়ীতে ঔষধ -পথ্য দিস, ওরা কিন্তু আমাদের ভীষণ শত্রু মনে করে। ঈশ্বর না করুন, যদি দৈবাৎ কোন দুর্ঘটনা ঘটে ওরা কিন্ত তোকেই দোষী করবে।" মাতৃদেবীর সরল মনের সহজ কথাগুলি শুনিয়া মনোমোহিনীদেবী বলিলেন,-- "মা, যে যা কিছু বলুক না, তাতে আমার কি যায় আসে? আমি তো আমাকে জানি। আমার কর্তব্য আমি করে যাব। আমি বুঝি----যদ্যপি নির্দোষী তুমি, কারে তব ভয়। দু:স্থদের প্রতি মনোমোহিনীদেবীর চিরদিনই অতীব স্নেহাশীলা ছিলেন। কত বিপন্না বিধবা রমণী তাঁহার আশ্রয়ে থাকিয়া জীবন কাটাইয়াছে, তাহার অবধি নাই।হিমাইতপুর, কাশীপুর, নাজিরপুর, প্রতাপপুর প্রভৃতি চতুষ্পার্শ্ববর্তী গ্রামবাসীদের তিনি আপন পরিজনের মত পরমাত্মীয় বলিয়া মনে করিতেন। প্রতিবৎসর শারদপূজার সময় তিনি পর্যাপ্ত পরিমাণ ধুতি, শাড়ি, ছোট জামা-প্যান্ট প্রভৃতি খরিদ করিয়া আনিয়া দরিদ্র পল্লীবাসীদের মধ্যে বিতরণ করিতেন। আপন পরিবার -পরিজনদের বস্ত্রাদি সংগ্রহের আগ্রহের চেয়ে গ্রামের দু:স্থ শিশু, নারী, ও বৃদ্ধদের কাপড়চোপড় যোগাইবার জন্য তিনি সমধিক চেষ্টা করিতেন। তিনি বলিতেন,-- "আমার পরিবারের ভরণপোষণের ব্যবস্থা পরমপিতার দয়ায় কোনরকমে হবে, কিন্ত যারা দিনান্তেও একবার পেট ভরে খেতে পায়না, তাদের তো দেখবার কেউ নেই। বর্ষার বারিপাতে বস্ত্রের অভাবে, শীতের প্রকোপে, ক্ষুধার তাড়নায় এবং রোগের যাতনায় দরিদ্র গ্রামবাসীরা যাহাতে কষ্ট না পায় সেজন্য সর্বদা ব্যাকুল থাকিয়া তিনি তাহাদের দু:খমোচনে যত্নবতী থাকিতেন। তাঁহার এইরুপ অঢেল করুণালাভে চতুষ্পার্শের শত শত বিপন্ন হিন্দু মুসলমান সর্বদা সঞ্জীবিত রহিয়াছে। জীবনের শেষদিন পর্য্যন্ত মনোমোহিনীদেবী এইভাবে অনুসন্ধিৎসু সেবায় দুর্গত পারিপার্শ্বিকের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করিয়া গিয়াছেন।

🙏🙏🙏🙏🙏🙏 ❤️❤️❤️ বন্দেপুরুষোত্তমম্ ❤️❤️❤️ 🙏🙏🙏🙏🙏🙏





Address

Dhaka

Telephone

+8801947730177

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when World Satsang posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to World Satsang:

Share