দোয়া কবুলের গল্প ও আমল

দোয়া কবুলের গল্প ও আমল মাশাআল্লাহ🌸

24/05/2026

"আরাফার দিনের বিশেষ আমল!'🖤🤲

#দুআটিপস #আরাফা

23/05/2026

বছরের পর বছর দুআ করে আল্লাহর কাছ থেকে পাওয়া নিয়ামাহ্ ধরে রাখতেও নিয়মিত দুআ করে যেতে হয়।

দুআ করা বন্ধ করে দিলে আমি তার প্রভাব স্পষ্ট টের পাই। যেদিন আল্লাহর কাছে স্কিনের গ্লো চাই না, সেদিন যত কিছুই করি না কেন, নিজেকে ফ্যাকাশে লাগে। পরিবারের শান্তির জন্য প্রতিদিন আন্তরিক দুআ করার প্রয়োজন পড়ে। একদিন দুআ কমে গেলে কিংবা গুনাহ বেড়ে গেলে তার ছাপ পরিবারেও দেখতে পাই। এমনকি দুআ করার তওফিক চেয়েও আল্লাহর কাছে দুআ করতে হয়।

অধিকাংশ মানুষ দুআ কবুল হয়ে যাওয়ার পর সেই কবুলিয়্যাতের স্থায়িত্বের জন্য আর দুআ করে না। নিয়ামাহ্ পাওয়ার পর ধীরে ধীরে আল্লাহকেই ভুলে বসে। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। ফলাফল? এতো সবরের পর পাওয়া নিয়ামাহ্ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়, আর সেটাই কষ্টের কারণ হয়!

আমরা অভিযোগ করতে জানি, কিন্তু চাইতে জানি না। কয় রাত আমরা কেঁদে আল্লাহর কাছে সংসারের শান্তি চেয়েছি? বরং একদিন শান্তি পেলেই পরদিন আল্লাহকে ভুলে যাই। দীর্ঘ বছর দুআ করে একটা নেক সন্তান পাওয়ার পর সেই সন্তানকে কেন্দ্র করেই কখনো কখনো হারাম কাজ শুরু হয়ে যায়।

এমন অনেক বোনকে দেখেছি, যারা বিয়ের জন্য একসময় দিনরাত আমল করেছিলো। কিন্তু আল্লাহর নিয়ামতের দেখা দেওয়ার পর ধীরে ধীরে দ্বীন থেকে দূরে সরে গেছে। পর্দা শিথিল হয়েছে। তারপর কয়েক মাস বা কয়েক বছর না যেতেই সেই নিয়ামাহ্ হারিয়ে গেছে। প্রশান্তি বিলীন হয়ে গেছে।

আল্লাহর কাছে চাইতে হয়। খুব করে চাইতে হয়। প্রতিদিন, প্রতিটা মুহূর্তে চাইতে হয়। চোখের পানি ফেলে চাইতে হয়। না পেলেও চাইতে হয়, পেয়ে গেলেও চাইতে হয়।পাওয়ার আগে দুআ করতে হয়, আর পাওয়ার পর সেই নিয়ামাহ্ হিফাজতের জন্যও দুআ করতে হয়।

যে আল্লাহর কাছে চাইতে জানে, সবর রেখে দুআ করে যেতে জানে, সে হতাশ হয় না।
আমরা হয়তো চাওয়ার মতো করে চাইতে পারি না। অথবা পাওয়ার পর দুআ দিয়ে নিয়ামাহ্ ধরে রাখতে জানি না।

#দুআটিপস

23/05/2026

"আজানের জবাব দিতে কখনও এই ভুল করবেননা। যে ব‍্যক্তি মনোযোগের সাথে আজানে জবাব দিবে। তার জন‍্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়!'

21/05/2026

📌 অনবরত পড়তে থাকুন-

اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أكْبَرُ، لَاإِلَهَ إِلاَّ اللهُ،
وَاللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ وَلِله الحَمْدُ...

الله اكبر كبير ، والحمد لله كثير
وسبحان الله بكره وصيله...

আল্লহু আকবার, আল্লহু আকবার,
লা ইলাহা ইল্লাল্লহ
ওয়াল্লহু আকবার আল্লহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ

আল্লহু আকবার কাবিরো,
ওয়ালহামদুলিল্লাহি কাসিরো
ওয়া সুবহানাল্লহি বুকরতাও ওয়াস্বীইলাহ...

#কপি

20/05/2026

জীবন সহজ করতে হলে প্রচুর আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার এবং আল্লাহর সাথে কথা বলার অভ্যাস করতে হবে।

রান্নাটা তাড়াতাড়ি হবে, বাচ্চা জ্বালাতন করবেনা, বাচ্চা কাঁচা ঘুম ভেঙ্গে দিলে রাগ উঠবেনা এসমস্ত কিছু হওয়া না হওয়া তো আল্লাহরই হাতে।

কি হচ্ছেনা, কি পারছেন না, কোন জিনিসটা দরকার সব আল্লাহকে বলেন। রান্না করতে গিয়ে সময়ে কুলাচ্ছেনা? সাথে সাথে বলতে থাকুন আল্লাহ সহজ করে দাও, সময়ে বারাকাহ দাও। বাচ্চাকে খাওয়াতে গিয়ে মেজাজ বিগড়ে যাচ্ছে? বলতে থাকুন, আল্লাহ সাহায্য করো। মাথা ঠান্ডা করে দাও, আচরণে নম্রতা দাও, যতটুকু খেয়েছে ওর শরীর স্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট করে দাও। আপনার সব কাজের হেল্পার যদি স্বয়ং আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা হয়ে যান তবে আপনার পেরেশানি কিসের?

যখন মনটাও কেও ভেঙে দিবে তখনও আল্লাহর কাছেই দুঃখের ঝাঁপি খুলে বসুন। জায়নামাজের মত এত উত্তম সঙ্গী আর কি আছে! স্বামী কথা দিয়ে কষ্ট দিলে বলবেন, আল্লাহ অন্তরের এই ক্ষত আপনি নিজ কুদরত দিয়ে মিটিয়ে দিন। আমি যে কষ্ট পেয়েছি তাকে সেই উপলব্ধি দিন এবং তাকে এমন মায়াবী ও মহব্বত করনে ওয়ালা বানিয়ে দিন যাতে আর কখনো এধরণের কথা বা কাজ দ্বারা কষ্ট না দেয়।

আল্লাহকে ডাকার, আল্লাহর দিকে সমস্ত ভার ন্যায্য করার ফায়দা কেমন এটা বুঝাতে হাদীসে কুদসীর একটা বর্ণনা দিয়ে শেষ করি। আল্লাহ তাআলা নিজেই বলেছেন, বান্দা যদি আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে এক হাত অগ্রসর হই। আর যদি সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে দুই হাত অগ্রসর হই। আর যদি সে আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌড়ে যাই।

তাই উঠতে-বসতে, চলতে-ফিরতে সব হালতেই আল্লাহকে ডাকতে থাকুন। বলার অভ্যাস করতে থাকুন। আল্লাহর সাথে বেশি কথা বলার সুন্দর একটা প্রভাব হলো, মন হালকা হয়ে যায়। দুনিয়ার চাপ পুরোপুরি কমে যাবে এমন না কিন্তু সেগুলো সামলানো সহজ লাগবে ইনশাআল্লাহ। কারণ তখন মানুষ নিজের শক্তির উপর না, আল্লাহর সাহায্যের উপর ভরসা করতে শেখে।©

19/05/2026

আল্লাহ কখন বেশী খুশী হয়?

19/05/2026

"সিজদায় পাঠ করার গুরুত্বপূর্ণ দোয়া!

#দোয়াকবুলেরগল্পওআমল

জিল হজ্জ মাসের প্রথম তারিখ থেকে তাকবীর বলার সুন্নাতটি আমরা যেন ভুলতে বসেছি:----------------------------------------জিলহজ...
18/05/2026

জিল হজ্জ মাসের প্রথম তারিখ থেকে তাকবীর বলার সুন্নাতটি আমরা যেন ভুলতে বসেছি:
----------------------------------------
জিলহজ্জ মাসের চাঁদ উঠার পর থেকেই উঁচু আওয়াজে বেশী বেশী তাকবীর পাঠ করা সুন্নত। ফরজ নামাযের পর,মসজিদে,বাজারে এবং রাস্তায় চলার সময় এ তাকবীর বেশী করে পাঠ করা।মহিলাগণ নিচু আওয়াজে তাকবীর পাঠ করবে।তবে দলবদ্ধভাবে সমস্বরে তাকবীর পাঠ করা সুন্নতের পরিপন্থী।কারণ সাহাবাদের থেকে দলবদ্ধভাবে তাকবীর পাঠ করার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না।অথচ তারা ছিলেন সৎকাজে আমাদের চেয়ে অনেক অগ্রগামী।এই তাকবীর দু‘ ধরণের।

(ক) অনির্দিষ্ট তাকবীর:
সময় ও স্থান নির্ধারণ না করে বাড়ী,মসজিদ, রাস্তা ও বাজারে উঁচু আওয়াজে তাকবীর পাঠ করা।জিলহজ্জের প্রথম দিন থেকে ঈদের দিন পর্যন্ত এ তাকবীর চলতে থাকবে।ইমাম বুখারী (রঃ) বলেন,ইবনে উমর ও আবু হুরায়রা (রা:) এই দিন গুলোতে তাকবীর বলতে বলতে বাজারে যেতেন।তাদেরকে তাকবীর বলতে শুনে লোকেরাও তাকবীর পাঠ করত।

(খ) নির্দিষ্ট তাকবীর:
অর্থাৎ নির্দিষ্টভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর তাকবীর পাঠ করা।এই তাকবীর জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজরের নামাযের পর থেকে শুরু করে আইয়ামে তাশরীক তথা জিল হজ্জ মাসের ১৩ তারিখ সূর্যাস্ত যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত চলতে থাকবে।

তাকবীরের শব্দ:
ألله أكبر , ألله أكبر, لاإله إلا الله, والله أكبر , الله أكبر ولله الحمد

বাংলা উচ্চারণ:-আল্লাহু আকবার,আল্লাহু আকবার,লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ,ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার,
সৌদি আরব।

18/05/2026

রাশেদ ছিল খুব সাধারণ একজন ছেলে।
ছোট একটা চাকরি করতো, কিন্তু মাস শেষে সবসময় টাকার টান পড়তো।

তার জীবনে যেন কিছুই ঠিকমতো হচ্ছিল না—
কাজে সমস্যা, পরিবারে টেনশন, আর নিজের মনেও অশান্তি।

একদিন জুমার নামাজের পর মসজিদে বসে ছিল চুপচাপ।
হঠাৎ একজন বয়স্ক মানুষ তার পাশে বসে বললেন—

“বাবা, একটা কাজ করো…
টানা ৪০ দিন দরুদ শরীফ পড়ো।
দেখবা, আল্লাহ তোমার রিজিকের দরজা খুলে দিবে।”

রাশেদ একটু অবাক হলেও মনে একটা আশা পেলো।
সে সিদ্ধান্ত নিল—যা হোক, ৪০ দিন সে এই আমলটা করবে।



প্রথম কয়েকদিন…
কোনো পরিবর্তন ছিল না।

১০ দিন পর…
মনটা একটু শান্ত লাগতে শুরু করলো।

২০ দিন পর…
সে খেয়াল করলো, আগের মতো দুশ্চিন্তা আর তাকে তেমন কষ্ট দিচ্ছে না।

৩০ দিন পর…
অফিসে হঠাৎ একটা নতুন দায়িত্ব পেলো, সাথে ছোট একটা ইনক্রিমেন্ট।

৪০তম দিনে…
রাশেদ বুঝলো—
তার ভাগ্য হয়তো রাতারাতি বদলায়নি,
কিন্তু তার “রিজিক” বদলাতে শুরু করেছে।



✨ সে শুধু টাকার দিকেই না—
বরং শান্তি, সম্মান আর আত্মবিশ্বাসও পেতে শুরু করেছে।

রাশেদ তখন বুঝলো—
দরুদ শুধু রিজিক বাড়ায় না,
মানুষের জীবনকেই ধীরে ধীরে বদলে দেয়।



💭 মেসেজ:
“হয়তো সবকিছু একদিনে বদলাবে না,
কিন্তু আপনি যদি আল্লাহর দিকে এক কদম বাড়ান,
তিনি আপনার জন্য হাজারটা দরজা খুলে দিবেন।”
©

17/05/2026

"আমাদের সবার নিশ্চিত ভবিষ্যত এটাই!🥺

#দোয়াকবুলেরগল্পওআমল

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দোয়া কবুলের গল্প ও আমল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share