لبيك -লাব্বাইক

لبيك -লাব্বাইক إِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًا

13/05/2025

শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (رحمه الله) বলেন —

‘একজন শ-হীদের মৃত্যু (অন্য) যে কোন মৃত্যুর চেয়ে সহজ এবং এটি (সমস্ত) মৃত্যুর মধ্যে সর্বোত্তম (মৃত্যু)।’

[মাজমূউ আল-ফাতাওয়া, ২৮/৩৫৪]

Plastine will be Free one day, insha'Allah ☘️
12/04/2025

Plastine will be Free one day, insha'Allah ☘️


07/04/2025

Ya Allah, Qurban I,S,R,A,E,L from the Earth before Qurbani Eid.

Ameen 🇪🇭💕

02/04/2025

❛ ছয়রোজা! ❜
-
আল্লাহ তা‘আলা বান্দার প্রতি অসম্ভব দয়াবান। তিনি বান্দার প্রতিটি নেকআমলের প্রতিদানকে দশগুণ বাড়িয়ে দেন:

مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا

নেককাজ করলে তার বিনিময়ে দশগুণ সওয়াব মিলবে (মর্মার্থ: আনআম ১৬০)।

-
এই আয়াতের আশ্বাস অনুযায়ী, রামাদানে ত্রিশদিন রোযা রাখার অর্থ হলো: তিনশদিন রোযা রাখা। এখন শাউয়ালে আরো ছয়টা রোজা অতিরিক্ত রাখলে, ষাটদিন রোযা রাখার সওয়াব আমলনামায় যোগ হবে।

সবমিলিয়ে সংখ্যা দাঁড়াল তিনশত ষাটদিন। পুরো একবছর। কেউ যদি প্রতি বছর রামাদানের ত্রিশ রোযার পাশাপাশি শাউয়ালের ছয়রোজাও রাখে, তাহলে আজীবন রোজা রাখার সওয়াব পাবে।
-
আমাদের প্রিয় নবীজি ﷺ এই ছয় রোজা রাখতেন। তিনি বলেছেন:

যে (নিয়মিত) রামাদানে রোযা রাখলো, তারপর শাউয়ালে ছয়টা রোযা রাখলো, সে যেন আজীবন রোযা রাখলো (আবু আইয়ুব আনসারী: মুসলিম)।
-
এই ছয় রোযা পরপর একটানা রাখতে হবে এটা জরুরী নয়। বাদ দিয়ে দিয়েও রাখা যাবে। তবে শাউয়ালের মধ্যে ছয় রোজা শেষ করতে হবে।

আগে কাজা রাখতে হবে, তারপর ছয়রোজা রাখতে হবে, এটাও ভুল ধারনা।
-
✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ

01/04/2025
29/03/2025

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন 'আমি বান্দার সাথে তার ধারণা অনুযায়ী আচরণ করি'

উপরিউক্ত কথাটি আমরা কমবেশি সবাই শুনেছি। এটি হাদিসে কুদসির অংশ বিশেষ। ইমাম কুরতুবি রাহিমাহুল্লাহ এর চমৎকার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এর চারটি অর্থ হতে পারে :

১. দুআ কবুল হওয়ার ব্যাপারে আমি বান্দার সাথে তার বিশ্বাস অনুপাতে আচরণ করি। যদি সে বিশ্বাস করে যে আমি তাকে ফিরিয়ে দেবো না, তবে সত্যিই তাকে ফিরিয়ে দেবো না।

২. তাওবা কবুল হওয়ার ক্ষেত্রে আমি তার বিশ্বাস অনুযায়ী আচরণ করি। যদি সে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী হয়, তাহলে তাকে ফিরিয়ে দিই না।

৩. ইস্তিগ*ফারের ক্ষেত্রে আমি বান্দার সাথে তার ধারণা অনুযায়ী আচরণ করি। যদি সে ক্ষ*মা পাবে বলে বি*শ্বাস করে তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিই।

৪. ইবাদাত কবুল হওয়ার ব্যাপারেও আমি তার সাথে একই রকম আচরণ করি।

[সহিহ বুখারি : ৭৪০৫; ফাতহুল বারি : ১৫/২৭০]

ইমাম কুরতুবি রাহিমাহুল্লাহ এর এই " হতে পারে" ৪টির সব কয়টিই আমি বিশ্বাস করি! আমি বিশ্বাস করি সবগুলাই আমার সাথে হবে!

‏{إِنَّ اللَّهَ وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا ت...
28/03/2025

‏{إِنَّ اللَّهَ وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا}‏اللهم صل وسلم على حبيبنا محمدﷺ‏⁧

27/03/2025
اجعل لنا فيه عتق من النار
26/03/2025

اجعل لنا فيه عتق من النار

30/04/2024

সন্তানকে দীনী ইলমের মানুষ করার ক্ষেত্রে আল্লাহর রহমতের পরে মায়েদের ভূমিকা বেশি।

ইমাম আহমাদ (রাহি.) বলেন, আমার মা আমাকে কুরআন হিফয করিয়েছিলেন যখন আমার বয়স দশ বছর। তিনি আমাকে ফজরের সালাতের আগে জাগাতেন। বাগদাদের শীতের রাতে তিনি আমার জন্য ওজুর পানি গরম করে দিতেন। আমাকে কাপড় পরিয়ে দিতেন। তারপর তিনি তার কাপড় নিতেন। হিজাব পরিধান করে নিজেকে ঢেকে নিতেন। তারপর আমাকে নিয়ে মসজিদে যেতেন, কারণ মসজিদ আমাদের ঘর থেকে দূরে ছিল আর রাস্তা অন্ধকার ছিল।

ইমাম বুখারীর (রাহি.) মা তার সন্তানকে নিয়ে অনুরূপ কষ্ট করেছেন।

ইমাম শাফেয়ীর (রাহি.) মা ফিলিস্তিন থেকে বাচ্চাকে নিয়ে মক্কায় চলে আসেন।

এভাবেই যুগে যুগে মায়েদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে আল্লাহ তাদের সন্তানদেরকে জগদ্বিখ্যাত মনীষায় পরিণত করেছেন।

বর্তমানে আমাদের সন্তানদের জন্য মায়েদের তেমন ভূমিকা কি দেখা যায়?! হ্যাঁ, যতটুকু দেখা যায় অধিকাংশ মায়েরা তাদের সন্তানদেরকে দুনিয়াদার বানানোর জন্য ত্যাগ স্বীকার করে। অনেকের সন্তান বড় হতে থাকে বুয়াদের কাছে। কারণ তারা বাবাদের কাজে নিজেদের ব্যস্ত করতে শুরু করেছে।

আমি আল্লাহর কাছে দোআ করি তিনি যেন পিতাদেরকে তাদের কাজ আর মায়েদেরকে তাদের কাজ বুঝে নেয়ার তৌফিক দিন। আমীন।

— শাইখ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ জাকারিয়া (حفيظ الله)

15/04/2024

এক ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করছিলেনঃ

'ইয়া-আল্লাহ! আমাকে আপনার অল্পসংখ্যক বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন, হে-আল্লাহ! আমাকে আপনার অল্পসংখ্যক লোকের মাঝে শামিল করে নিন।'

হযরত উমর রা. সেই দুয়া শুনে তাকে জিজ্ঞেস করলেন- 'তুমি এই দো'আ কোথা থেকে শিখেছো?'

উত্তরে সেই ব্যক্তি বললো- 'আল্লাহর ক্বোরআন থেকে। আল্লাহ ক্বোরআনে বলেছেন,
'এবং আমার বান্দাদের মধ্যে অল্পসংখ্যকই কৃতজ্ঞ।'(৩৪:১৩)

উত্তর শুনে হযরত উমর রা. নিজেকে উপদেশ দিতে লাগলেন- 'হে-উমর! মানুষ তোমার থেকে অধিক জ্ঞানি।' সাথে তিনিও দো'আ করতে লাগলেন-

'হে-আল্লাহ! আমাকেও আপনার অল্পসংখ্যক লোকের মধ্যে গন্য করে নিন।'

আমরা দেখেছি, আমরা যখন কোনো ব্যক্তিকে কোনো পাপকাজ বা আল্লাহর অবাধ্যতা ছেড়ে দিতে বলি, বা কোনো সহিহ সুন্নাহ প্রাকটিস করতে বলি তখন সেই ব্যক্তি যুক্তি দেখায়- 'এই কাজ তো অধিকাংশ ব্যক্তিই করে, আমি করলে কি সমস্যা?' অধিকাংশ লোক কি বুঝেনা? সবাই ভুল শুধু তুমিই ঠিক?

এখন যদি আমরা ক্বোরআনে 'অধিকাংশ ব্যক্তি' বা ‘অধিকাংশ’ লিখে অনুসন্ধান করি তখন পাবো-

🔘অধিকাংশ ব্যক্তিই তা জানে না। ( ৭:১৮৭)

🔘অধিকাংশ ব্যক্তিই কৃতজ্ঞতা আদায় করে না। (২:২৪৩)

🔘অধিকাংশ ব্যক্তিই বিশ্বাস করে না। (১১:১৭)

🔘তোমাদের অধিকাংশই অবাধ্য। (৫:৫৯)

🔘তাদের অধিকাংশই মূর্খ। (৬:১১১)

🔘তাদের অধিকাংশই সত্য জানে না। (২১:২৪)

🔘তাদের অধিকাংশই বুঝে না। (৪৯:৪)

🔘অতঃপর তাদের অধিকাংশই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, তারা শোনে না। (৪১:৫)

তারপর আমরা যদি 'অল্পসংখ্যক' লিখে অনুসন্ধান করি তখন পাবো আল্লাহ বলেছেন-

▪️আমার বান্দাদের মধ্যে অল্পসংখ্যকই কৃতজ্ঞ। (৩৪:১৩)

▪️অল্পসংখ্যকই তাঁর সাথে ঈমান এনেছিলো। (১১:৪০)

▪️একদল পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে। এবং অল্পসংখ্যক পরবর্তীদের মধ্য থেকে। (৫৬:১৩-১৪)

▪️তাই আসুন আমরা এই অল্পসংখ্যক ব্যক্তিদের দলে শামিল হই। মনে রাখবেন- অধিকাংশ মানেই সঠিক বেঠিকের মানদন্ড নয়।

13/04/2024

'পহেলা বৈশাখ' না বলে এটিকে 'বৈশাখ পূজা' বা 'বৈশাখী পূজা' বলাই শ্রেয়! ব্যবসায়ীদের হালখাতার অনুষ্ঠানটি অ/পহৃত হয়ে আজ শতভাগ পূজা-অর্চনার রূপ পরিগ্রহ করেছে!

তাই, ন্যুনতম নামাজ আদায় করেন এমন মুসলিমদের ঈমানী দায়িত্ব হলো, নব্য পূজা-অর্চনার এই আয়োজনকে প্রত্যা/খ্যান করা। আর না বুঝেই যারা করেছেন, তাদের উচিৎ তাওবা করে একনিষ্ঠভাবে দ্বীনে ফিরে আসা!

— মোখতার আহমদ (হাফি.)

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when لبيك -লাব্বাইক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share