The Light

The Light The oneness of Allah is the basis of Muslims' religious beliefs and The last word of Allah revealed

Allah is sufficient for us ❤️
29/06/2024

Allah is sufficient for us ❤️

28/06/2024

Alhamdulillah... 💚💚💚

13 WAYS TO CORRECT YOUR WIFE WITHOUT HURTING HER FEELINGS1: LOWER YOUR VOICEDon't shout at her, she is not your child. Y...
30/05/2024

13 WAYS TO CORRECT YOUR WIFE WITHOUT HURTING HER FEELINGS

1: LOWER YOUR VOICE
Don't shout at her, she is not your child. You can correct, yes, but why shouting?

2: DO IT IN LOVE
Correction should be done in love. If done in any other way, it turns to criticism and condemnation.

3a: DON'T CRITICIZE
Stop criticizing her, rather correct in love. Most will say it's constructive criticism. But truly, It means disapproval by pointing out errors and mistakes.
Correction is the act of offering better options to mistakes
Correction and criticism are never the same

3b: HUSBAND A SAYS
What manner of food is this?
Is this popcorn or fried rice?
how I wish I marry a more sensible wife with better home training, who can cook better.
HUSBAND B SAYS
sweetheart this rice it too salty and dry unlike the one you did yesterday. I think salt should be reduce any other time because of our health.
Husband A criticized while Husband B corrected his wife in love
STOP CRITICIZING YOUR WIFE

4 PRAISE HER FOR WHAT IS RIGHT
It will be wrong to correct when it's not well done, when you don't praise when it's well done. Form the habit of praising and appreciating your wife for good deeds.

5 DON'T DO IT BEFORE YOUR CHILDREN
Avoid correcting your wife in the presence of your children. Incessant correction of your wife before your children will make them disrespect her.

6 DON'T CORRECT HER IN THE PUBLIC
Avoid correcting your wife in the public, it does not show you as a gentleman, and will affect her self-esteem.

7 AVOID CORRECTION IN ANGER
Stop correcting your wife in anger, shouting, ranting, beating and making trouble. Real men don't do that.

8 DON'T COMPARE HER WITH ANY OTHER WOMAN
In your thought of correcting her, you might have been comparing her with other women.
"Don't you see what your friend is doing?" Can't you learn from our neighbors wife?" "and so?"

9 AVOID REFERRING TO OLD ISSUES
Avoid referring to issues discussed and settled. Stick to the present issue, discuss like adults and move on.

10 DON'T ATTACK HER WOMANHOOD
"And you call yourself a woman?, Virtuous women don't behave like this, you better change before I change you!." This is very wrong, don't do it

11 DON'T ATTACK HER DIGNITY
You don't behave like someone with sense, do you think at all? And you said you went to school, I doubt it."
This is very wrong you also are not talking like someone that pass through a college.

12 DO IT IN TIME OF PEACE
Most husbands do want to correct in the heat of anger, at the height of misunderstanding, when temper has already hit the roof. That is not the best time to correct, it will yield little or no result.

13 GIVE A HELPING HAND
The best way to correct is to lead by example, step into the kitchen to give a helping hand, don't just sit in the front of the television correcting what goes on in the kitchen.
Wives are doing a great job, appreciate yours and support her to be better wife and mother.

IF YOU EXPECT YOUR WIFE TO BE AN ANGEL IN YOUR LIFE, THEN YOU SHOULD FIRST CREATE A HEAVEN FOR HER.

হারাম রিলেশন, জাস্ট ফ্রেন্ড, দ্বীনি ভাইবোন এইসব থেকে যারা বেড়িয়ে আসতে পারছেন না তাদের জন্য কিছু দৃষ্টান্ত -🌻 ‘তারা আল্লা...
30/08/2022

হারাম রিলেশন, জাস্ট ফ্রেন্ড, দ্বীনি ভাইবোন এইসব থেকে যারা বেড়িয়ে আসতে পারছেন না তাদের জন্য কিছু দৃষ্টান্ত -

🌻 ‘তারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোন মা‘বূদকে ডাকে না শরী‘আত সম্মত কারণ ব্যতীত কাউকে হত্যা করে না এবং যেনা করে না। আর যে ব্যক্তি এই সকল কাজ করে সে শাস্তি ভোগ করবে। ক্বিয়ামতের দিন তার শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে এবং এ শাস্তি লাঞ্ছিত অবস্থায় সে অনন্তকাল ভোগ করতে থাকবে’ (ফুরক্বান ৬৮)।

🌻 ওছমান ইবনে আবিল আছ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, অর্ধরাতে আকাশের দরজা খোলা হয়। তখন আল্লাহ আহবান করে বলেন, কোন প্রার্থনাকারী আছে কি তার প্রার্থনা কবুল করা হবে? কোন সাহায্যকারী আছে কি তাকে সাহায্য করা হবে? কোন সংকটে নিমর্জিত ব্যক্তি আছে কি তার সংকট দুর করা হবে? এ সময় কোন মুসলমান দো‘আ করলে তার দো‘আ কবুল করা হয়। তবে অশ্লীল কাজে লিপ্ত যে নারী তার প্রার্থনা কবুল হয়না। অন্য বর্ণনায় রয়েছে নিশ্চয় আল্লাহ তার মাখলুকের পাশে থাকেন। যে ক্ষমা চায় তাকে ক্ষমা করেন তবে যে নারী অশ্লিল কাজে লিপ্ত তাকে ক্ষমা করেন না (আহমাদ, তারগীব হা/৩৪২০)।

🌻আবু ওমামা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি একদা ঘুমিয়ে ছিলাম আমার পাশে দু’জন লোক আসল, তারা আমার বাহু ধরে নিয়ে যেতে লাগল। হঠাৎ দেখি আমি কিছু লোকের পাশে যারা খুব ফুলে আছে তাদের গন্ধ এতবেশী যেন মনে হচ্ছে তারা টয়লেট। আমি বললাম এরা কারা? নবী করীম (ছাঃ) বললেন, এরা ব্যভিচার ব্যাভিচারিনী (তারগীব হা/৩৪২৪)।

🌻আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘তিন শ্রেণীর লোকের সঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামতের দিন কথা বলবেন না। তাদের তিনি পবিত্রও করবেন না। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তাদের দিকে তাকাবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। তারা হচ্ছে- (১) বৃদ্ধ যেনাকার (২) মিথ্যাবাদী শাসক এবং (৩) অহঙ্কারী দরিদ্র ব্যক্তি’ (মুসলিম, মিশকাত হা/৫১০৯; বঙ্গানুবাদ ৯ম খন্ড, হা/৪৮৮২)।

🌻‘যেনাকার নারী পুরুষ প্রত্যেককে একশ’ বেত্রাঘাত কর, আল্লাহর বিধান পালনে তাদের উভয়ের প্রতি তোমাদের মনে অনুগ্রহ আসা উচিত নয়। যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ক্বিয়ামত দিবসের প্রতি বিশ্বাসী হও’ (নূর ২)।

🌻 আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, এমন মুসলমানের রক্ত হালাল নয়, যে সাক্ষ্য দেয় আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই এবং মুহাম্মাদ (ছাঃ) আল্লাহর রাসূল। তবে তিন শ্রেণীর মানুষকে হত্যা করতে হয়। (১) এমন মানুষ যে বিবাহ করার পর যেনা করল। তাকে রজম করতে হবে। (২) এমন ব্যক্তি যে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে অবস্থান করল, তাকে হত্যা করা হবে, না হয় শূলী দেওয়া হবে, না হয় যমীন হতে নির্বাসন করা হবে। (৩) এমন ব্যক্তি যে কাউকে হত্যা করল, তাকে হত্যা করা হবে (আবুদাঊদ হা/৪৩৫৩)।

🌻 আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী কারীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘আদম সন্তানের উপর যেনার একটি অংশ লিখা হয়েছে। সে তা পাবেই। মানুষের দু’চোখের যেনা দেখা। দু’কানের যেনা শুনা। জিহবা যেনা কথা বলা। হাতের যেনা স্পর্শ করা। পায়ের যেনা যেনার পথে চলা। অন্তরের যেনা হচ্ছে আকাঙ্ক্ষা করা। লজ্জাস্থান তার সত্য মিথ্যা প্রমাণ করে’ (মুসলিম হা/২৬৫৭; মিশকাত হা/৮৬ ‘ঈমান’ অধ্যায়)।

আরো বিস্তারিত পড়ুন https://www.hadithbd.com/books/detail/?book=56§ion=654

ভাই বিশ্বাস করেন, আল্লাহ'র কসম খেয়ে একদম চাক্ষুষ অভিজ্ঞতা থেকে বলছি -মাহরাম-ননমাহরাম মেইনটেইন জ্ঞান টা স্বয়ং অনেক ইমাম, ...
07/08/2022

ভাই বিশ্বাস করেন, আল্লাহ'র কসম খেয়ে একদম চাক্ষুষ অভিজ্ঞতা থেকে বলছি -

মাহরাম-ননমাহরাম মেইনটেইন জ্ঞান টা স্বয়ং অনেক ইমাম, খতিব, মাদ্রাসা শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে নেই।

আজও একজন ইমাম ও কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক কে দেখলাম, অনেক আগের তার এক ছাত্রীর/ পরিচিতার (এক বিয়ের প্রোগ্রামে গিয়েছিলাম, সেখানে এই ঘটনা) সাথে হুট করে দেখা, ছাত্রীর মুখ খোলা, সরাসরি মুখের দিকে তাকিয়ে অনেকক্ষণ হেসে হেসে কথা বলছে, আজাইরা আড্ডা গল্প গুজব করছে৷

আরেকজন উস্তাযা আছেন, অনলাইনে যার কমেন্ট বক্স এ হাফেজ মাওলানা দের বিভিন্ন স্যাড, হ্যাপিনেস অপ্রয়োজনীয় কমেন্টে ভরা আর তিনি সবার সাথে রিপ্লাই চালিয়েছেন। নামের সাথে হাফেজ মাওলনা ট্যাগ দিয়ে এগুলো ছ্যাচড়ামি কমেন্ট কিংবা উস্তাযা হয়েও সেটাতে প্রশ্রয় দান দুটোই বিশ্রী লাগছে।

আরেক উস্তাদা সহশিক্ষা কোচিং ব্যবস্থায় কোচিং করছেন, জব প্রস্তুতি নিতে। জেনারেলরা এখন সহশিক্ষা এভয়েডে যত কনসার্ন, পর্দা করে চাকরি সম্ভব নয় এই ব্যাপারে যতটা কনসার্ন, মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের কাউকে ততটাই গাফেল হতে দেখলে হতাশ হই।

আবার অনেক ধার্মিক ভাই বোনেরাই, বাইরে স্ট্রিক্ট পর্দা, মাহরাম গাইর মাহরাম মেইনটেইন করলেও - বাসায় যে ছেলেদের জন্য কাজিন বোন, আপন মামী, চাচী যে গাইর মাহরাম বা মেয়েদের জন্য খালু, ফুফা, কাজিন ভাই সব গাইরে মাহরাম, এদের সাথে সাক্ষাৎ, সামনে যাওয়া, কথা বলা এগুলো মানা - এগুলোর তোয়াক্কা নেই স্বয়ং ধার্মিক ভাই বোনদের। এজন্য 'ধার্মিক' আর 'দ্বীনদার' টার্ম দুইটা আলাদা ৷

শরীয়তের কথা ছিল - প্রয়োজনেও কথা হবে না, বা প্রয়োজন সৃষ্টি করা যাবেনা। এক্সটিম প্রয়োজনে কোমলতা পরিহার করে টু দ্যা পয়েন্ট, আর পর্দার আড়াল থেকে।

অথচ এখন কুশল বিনিময়, ফরমালিটি, সামাজিকতা ইত্যাদিকে কথা বলার প্রয়োজন বানিয়ে ফেলা হয়েছে। সামনা সামনি দাঁড়িয়ে, সাক্ষাৎ, কুশল বিনিময়, অপ্রয়োজনীয় প্রয়োজন ইত্যাদি।

✍️ শাহ মুহাম্মদ তন্ময়

07/08/2022

কেন আমাদের দু’আ কবুল হয় না?

সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ ত্যাগ করা হলো দু’আ কবুল না হওয়ার কারণগুলোর অন্যতম। হাদিসে এসেছে,

“হয় তোমরা সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করবে, আর নয়তো শীঘ্রই আল্লাহ তোমাদের প্রতি তাঁর আযাব প্রেরণ করবেন। তখন তোমরা তাঁর নিকট দু’আ করবে কিন্তু তা কবুল করা হবে না।” (তিরমিযি: ২১৬৯)

একজন লোক একজন হাজীকে এক বোতল পানি দিয়েছেন। পানি পেয়ে সেই হাজী দোয়া করলেন, আল্লাহ যেন আপনাকে জান্নাতের চারটি নদী থেকে প...
11/07/2022

একজন লোক একজন হাজীকে এক বোতল পানি দিয়েছেন। পানি পেয়ে সেই হাজী দোয়া করলেন, আল্লাহ যেন আপনাকে জান্নাতের চারটি নদী থেকে পান করান। কোন চারটি নদী?

আল্লাহ বলেছেন:

"মুত্তাকীদেরকে যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তার দৃষ্টান্ত: তাতে আছে নির্মল পানির নহরসমূহ, আছে দুধের নহরসমূহ যার স্বাদ অপরিবর্তনীয়, আছে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু সুরার নহরসমূহ, আছে পরিশোধিত মধুর নহরসমূহ এবং সেখানে তাদের জন্য থাকবে প্রত্যেক প্রকারের ফলমূল..."
(সূরা মুহাম্মদ: ১৫)

সামান্য এক বোতল পানি, আর বিনিময়ে অসামান্য একটি দোয়া।

আসলে আল্লাহর জন্য করা সামান্য কোনো কাজও কখনো তুচ্ছ করতে নেই।

Nayla Nuzhat’s Telegram Channel 🍃কমেন্টের ক্ষেত্রে অনুগ্রহ করে ইসলামী বিধিনিষেধ মেনে চলুন🍃 🚫অনুগ্রহ করে মাস'আলা জিজ্ঞেস করবেন না

30/06/2022

কোন অন্তরে রবের সাথে দেখা করবো আমরা?

যে অন্তরে থাকার কথা ছিলো আল্লাহর যিকির, সে অন্তর আজ দুনিয়ার ফিকিরে এতই মগ্ন যে আল্লাহকেই ভুলে বসে আছে!

দৃষ্টি থাকার কথা ছিলো অবনত অথবা শিক্ষণীয় কিছুতে ব্যস্ত, অথচ সে চোখ গুনাহের কাজে লিপ্ত। কখনো নীলের জগতে, রাস্তায় গাইরে মাহরামের দিকে ; কখনোবা দুনিয়ার অন্য কোন আসক্তিতে।

রবের সামনে সাক্ষী হওয়া কান আর নাক নিয়ে কি আমরা নিরাপদ? এ কান কি কখনো হারাম কিছু শোনে নি? গান - বাদ্য অথবা মিথ্যের আঁচড়ে অন্তর কি পঁচে যায় নি?

দুই হাতের ব্যাপারে কী বলবো আল্লাহকে? হাত যখন এক এক করে বলতে থাকবে আমার অন্যায়গুলো, তখন মুখ লুকিয়ে বাঁচার যে কোন জায়গাই থাকবে না!

আর যবান!!
আহ! আজ যে যবান আমার ইচ্ছায় কথা বলছে, গীবত, অশ্লীলতা, গালি-গালাজ, ষড়যন্ত্র, কূটচাল, মিথ্যের দগদগে ঘা বয়ে বেড়াচ্ছে; সেদিন এ যবানই হুড়মুড়িয়ে সব সত্য উগড়ে দিবে। বাধা দেয়ার ক্ষমতা কি থাকবে!!

এত সব পঙ্কিলতা আর কলুষতা নিয়ে আমরা উপস্থিত হতে চলেছি সে মহামহিমের দরবারে, যিনি পরম মমতায় আমাদের আগলে রাখছেন!!

কোন অন্তরে তাঁর সামনে উপস্থিত হবো আমরা!!!
অথচ কথা তো ছিলো - স্বচ্ছ, পবিত্র, স্নিগ্ধ অন্তর নিয়ে তার সাথে দেখা করার!!

-কপিড

Focused  #43 বিবাহের সুন্নত 'ওয়ালিমা'====================দাম্পত্য জীবন মানবজীবনের অতীব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর সূচনাপর্ব...
29/06/2022

Focused #43

বিবাহের সুন্নত 'ওয়ালিমা'
====================
দাম্পত্য জীবন মানবজীবনের অতীব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর সূচনাপর্ব হলো বিবাহ। বিবাহ হলো ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক ইবাদত। কোরআন মজিদে আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘তোমরা বিবাহযোগ্যদের বিবাহ সম্পন্ন করো, তারা অভাবগ্রস্ত হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের সচ্ছলতা দান করবেন; আল্লাহ তো প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞানী।’ (সুরা: ২৪ নুর, আয়াত: ৩২)।

সুন্নত তরিকায় বিবাহ সম্পাদন বরকতময় হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন: নিশ্চয় সে বিয়ে বেশি বরকতপূর্ণ হয়, যে বিয়েতে খরচ কম হয়। (মুসনাদে আহমাদ ও মুস্তাদরাকে হাকিম)। এ ছাড়া বিয়ের সংশ্লিষ্ট আরও কিছু সুন্নত রয়েছে। যেমন: বিবাহ সাদাসিধে ও অনাড়ম্বর হওয়া; অপচয়, অপব্যয় ও বিজাতীয় অপসংস্কৃতিমুক্ত হওয়া, যৌতুকের শর্ত না থাকা এবং সামর্থ্যের অধিক দেনমোহর ধার্য বা শর্ত না করা। (তাবারানি আওসাত, হাদিস নং-৩৬১২)। (আবু দাউদ: ২১০৬)।

কনেপক্ষ থেকে অলংকারের শর্ত করা নিষেধ এবং ছেলেপক্ষ থেকে যৌতুক চাওয়া হারাম। (আহসানুল ফাতাওয়া, খণ্ড: ৫, পৃষ্ঠা: ১৩)। সৎ ও খোদাভীরু পাত্র-পাত্রীর সন্ধান করা এবং কোনো সুযোগে পাত্রী দেখা সম্ভব হলে দেখে নেওয়া। আনুষ্ঠানিকভাবে ঘটা করে পাত্রী দেখানোর যে প্রথা আমাদের সমাজে প্রচলিত, তা সুন্নতের পরিপন্থী ও পরিত্যাজ্য। (বুখারি, হাদিস নম্বর-৫০৯০; ইমদাদুল ফাতাওয়া, খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ২০০)।

বিয়ের পর ছেলের পক্ষে আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গরিব-মিসকিনদের তৌফিক অনুযায়ী আপ্যায়ন করাকে ‘ওয়ালিমা’ বলে। বাংলায় ওয়ালিমাকে বউভাত বলা হয়ে থাকে। বিয়ের পরদিন বা পরবর্তী সময়ে সুবিধামতো নিকটতম সময়ের মধ্যে ওয়ালিমা করা বিধেয়। তবে তিন দিনের মধ্যে করা উত্তম। যেকোনো প্রকার খাদ্যদ্রব্য দিয়ে ওয়ালিমা করা যায়। ওয়ালিমা একটি ইবাদত। এক দিন ওয়ালিমা করা সুন্নত, দুই দিন ওয়ালিমা করা মুস্তাহাব, তিন দিন ওয়ালিমা করা জায়েজ। (মুসলিম: ১৪২৭)।

ওয়ালিমা করা এক গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে ওয়ালিমা করেছেন এবং সাহাবিদের করতে বলেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) জয়নব বিনতে জাহাশ (রা.)-কে বিয়ে করার পরদিন ওয়ালিমা করেছিলেন। (বুখারি, হাদিস নম্বর-৫১৭০)। রাসুলুল্লাহ (সা.) ছাফিয়াহ (রা.)-কে বিয়ের পর তিন দিন যাবৎ ওয়ালিমা খাইয়েছিলেন। (মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদিস নম্বর-৩৮৩৪)।

হজরত আনাস (রা.) বলেন, নবী (সা.) আবদুর রহমান ইবনে আওফের গায়ে হলুদ রঙের চিহ্ন দেখে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কী? তিনি বললেন, আমি এক খেজুর আঁটির ওজন স্বর্ণ দিয়ে একজন মহিলাকে বিবাহ করেছি। রাসুল (সা.) বললেন, ‘আল্লাহ তোমার বিবাহে বরকত দান করুক। একটি ছাগল দ্বারা হলেও তুমি ওয়ালিমা করো।’ (বুখারি: ৫১৫৫; মুসলিম ও মিশকাত, হাদিস নম্বর-৩২১০)।

হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) জয়নব (রা.)-কে বিয়ে করার পর যত বড় ওয়ালিমা করেছিলেন, তত বড় ওয়ালিমা তিনি তাঁর অন্য কোনো স্ত্রীর বেলায় করেননি। (বুখারি: ৫১৬৮; মুসলিম: ২৫৬৯; মিশকাত, হাদিস নম্বর-৩২১১)। হজরত আনাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন জয়নব বিনতে জাহাশকে বিবাহ করলেন, তখন ওয়ালিমা করলেন এবং মানুষকে রুটি-গোশত দিয়ে তৃপ্তিসহকারে খাওয়ালেন। (বুখারি: ৪৭৯৪; মিশকাত, খণ্ড: ২, হাদিস নম্বর-৩২১১)।

হজরত আনাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ছাফিয়াহ (রা.)-কে মুক্ত করে বিবাহ করলেন এবং তাঁর মোহর নির্ধারণ করলেন তাঁর মুক্তিপণ। তিনি তাঁর বিবাহের ওয়ালিমা করেছিলেন ‘হায়স’ নামক খাদ্য দিয়ে, যা খেজুর, পনির ও ঘি দ্বারা তৈরি ছিল। (বুখারি: ৫১৬৯; মুসলিম: ২৫৬২; মিশকাত, খণ্ড: ২, হাদিস নম্বর-৩২১৩)।

ওয়ালিমায় অতিরিক্ত ব্যয় করা কিংবা খুব উঁচু মানের খানার ব্যবস্থা করা জরুরি নয়। বরং সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করাই সুন্নত আদায়ের জন্য যথেষ্ট। যে ওয়ালিমায় শুধু ধনী ও দুনিয়াদার লোকদের দাওয়াত দেওয়া হয়, দ্বীনদার ও গরিব-মিসকিনদের দাওয়াত দেওয়া হয় না, সেই ওয়ালিমাকে হাদিসে নিকৃষ্টতম ওয়ালিমা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। (আবু দাউদ: ৩৭৫৪)।

হজরত আনাস (রা.) বলেন, খায়বার থেকে ফিরে আসার সময় নবী (সা.) খায়বার ও মদিনার মধ্যবর্তী স্থলে তিন দিন অবস্থান করলেন এবং সেখানে ছাফিয়্যা (রা.)-কে নিয়ে যাওয়া হলো। তিনি ওয়ালিমার ব্যবস্থা করলেন আর আমি মুসলিমদের তাঁর ওয়ালিমার জন্য দাওয়াত করলাম। এই ওয়ালিমায় রুটি বা গোশত কিছুই হলো না। এই ওয়ালিমার জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) চামড়ার দস্তরখান বিছানোর আদেশ করলেন। অতঃপর এই দস্তরখানের ওপর খেজুর, পনির ও ঘি ঢেলে দেওয়া হলো। (বুখারি: ৫৩৮৭; মিশকাত, হাদিস নম্বর-৩২১৪)।

ছাফিয়্যা বিনতে শায়বা (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) তাঁর এক স্ত্রীর ওয়ালিমা করেছিলেন মাত্র দুই ‘মুদ’ (বা এক ‘সা’, অর্থাৎ সাড়ে তিন কেজি) যব দ্বারা। (বুখারি: ৫১৭২; মিশকাত, হাদিস নম্বর-৩২১৫)।

বিবাহের ক্ষেত্রে ছেলের জন্য ওয়ালিমা করা সুন্নত। আজকাল মেয়ের বাড়িতে যে ভোজের আয়োজন করা হয়, তা শরিয়তসম্মত নয়। বিয়েতে মেয়েপক্ষের কোনোরূপ খরচ করার কথা নয়। এরপরও যেটা করা হয়, সেটা সৌজন্যমূলক আপ্যায়নমাত্র। (বুখারি, হাদিস নম্বর-৬০১৮)।

অথচ বর্তমান যুগে ওয়ালিমার এই সুন্নত বর্জনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বাঞ্ছনীয় নয়। বিশেষত মেয়েপক্ষের ওপর আপ্যায়নের যে চাপ সৃষ্টি করা হয়, তা সম্পূর্ণ হারাম। সর্বোপরি শর্ত আরোপ করে বরযাত্রীর নামে বরের সঙ্গে অধিকসংখ্যক লোক নিয়ে যাওয়া এবং কনের বাড়িতে মেহমান হয়ে কনের পিতার ওপর বোঝা সৃষ্টি করা আজকের সমাজের একটি জঘন্য কুপ্রথা, যা সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করা আবশ্যক। (মুসনাদে আহমাদ: ২০৭২২, বুখারি: ২৬৯৭)।

কনেপক্ষের অনিচ্ছাকৃত বা চাপের মুখে বাধ্যতামূলক আপ্যায়ন ও মেহমানদারি সম্পূর্ণ নাজায়েজ। এতে অংশগ্রহণ করাও হারাম ও পাপ কাজ। কারও ওপর জোর প্রয়োগ করে কোনো খাবার গ্রহণ করা জুলুমের শামিল। (আল দায়েউস সানায়ে, কিতাবুন নিকাহ; দুররুল মুখতার, রদ্দুল মুহতার)।

_________
মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী: যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি, সহকারী অধ্যাপক, আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজম।

main source: https://t.me/banglafocused

28/06/2022

আল্লাহর দিকে ফিরে আসুন
voice from MuHammad Rafiuzzaman

26/06/2022

From Ostad Nouman Ali Khan (bangla dubbing) short clip... 🌻

Address

Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Light posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share