Taqwah

Taqwah এটা একটি ইসলামিক পেজ। ধর্মীয় বানী পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

07/07/2026

জাহান্নামের বিবরণ আর তা হচ্ছে সৃষ্ট বস্তু।

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত।
তিনি বলেন,
🟤 আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন,
‘জাহান্নাম তার রবের নিকট অভিযোগ করে বলেছে,
হে রব!
আমার এক অংশ অপর অংশকে খেয়ে ফেলেছে।
তখন তিনি তাকে দু’টি নিঃশ্বাস ফেলার অনুমতি প্রদান করেন।
একটি নিঃশ্বাস শীতকালে আর একটি নিঃশ্বাস গ্রীষ্মকালে। কাজেই তোমরা গরমের তীব্রতা এবং শীতের তীব্রতা পেয়ে থাক।’

সহীহ বুখারী (তাওহীদ), হাদিস নং ৩২৬০
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
সোর্সঃ বাংলা হাদিস।

07/07/2026

যে ব্যক্তি সৎপথের দিকে আহ্বান জানাবে, সে তার অনুসারীদের সমতুল্য নেকীর অধিকারী হবে; তাতে তাদের নেকীর কিছুই হ্রাস পাবে না।

-[রিয়াদুস সালেহীন, হাদিস নং:১৩৯০]

07/07/2026
02/06/2026

উবাই ইবনে কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন:

একদিন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে আরয করলাম —

“ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনার উপর অনেক বেশি দরূদ পড়ি। আমার দু’আর মধ্যে কতটুকু অংশ আপনার উপর দরূদের জন্য নির্ধারিত করবো?”

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন:

“যতটুকু তুমি চাও।”

আমি বললাম: “এক-চতুর্থাংশ?”

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন:

“যতটুকু তুমি চাও। তবে যদি আরও বেশি করো, সেটা তোমার জন্য আরও উত্তম।”

আমি বললাম: “তাহলে অর্ধেক?”

রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন:

“যতটুকু তুমি চাও। তবে যদি আরও বেশি করো, সেটা তোমার জন্য আরও উত্তম।”

আমি বললাম: “তাহলে দুই-তৃতীয়াংশ?”

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন:

“যতটুকু তুমি চাও। তবে যদি আরও বেশি করো, সেটা তোমার জন্য আরও উত্তম।”

তখন আমি বললম:

“ইয়া রাসূলাল্লাহ! তাহলে আমি আমার সমস্ত দু’আ আপনার উপর দরূদে পরিণত করব।”

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন বললেন:

“ইযান তুকফ হাম্মুকা ওয়া ইউগফারু লাকা যম্বুকা।”
“তাহলে তোমার সমস্ত দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যাবে এবং তোমার গুনাহ মাফ করা হবে।”
— রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (শুআবুল ঈমান — ইমাম বায়হাকী রহ., হা/১৫৭৯ | তিরমিযী, হা/২৪৫৭ — হাসান)

এই ঘটনার পটভূমি
উবাই ইবনে কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন আনসারদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ক্বারী এবং কুরআনের লেখক। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজে তাঁকে কুরআন তিলাওয়াত করে শোনার ইচ্ছা পোষণ করতেন এবং তাঁর কাছ থেকে শুনতেন।

তিনি দু’আর মধ্যে নিজের জন্য চাওয়া, পরিবারের জন্য চাওয়া, দুনিয়া-আখেরাতের চাওয়া — সবকিছুকে একদিন সম্পূর্ণরূপে নবীজির (ﷺ) উপর দরূদে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জানিয়ে দিলেন — যে ব্যক্তি তার সমস্ত দু’আর সময় নবীজির (ﷺ) উপর দরূদে ব্যয় করে, আল্লাহ তার পক্ষ থেকে দুনিয়া ও আখেরাতের সমস্ত চিন্তার কাফলা নিজেই বহন করে নেন।

শিক্ষা

ইমাম বায়হাকী রহ. এই রেওয়ায়েতটি শুআবুল ঈমান নবীজি (ﷺ)-এর প্রতি ভালোবাসা ও দরূদ পাঠ ঈমানের শাখা অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন। এটি প্রমাণ করে যে নবীজি (ﷺ)-এর উপর দরূদ পাঠ শুধু একটি আমল নয়, বরং এটি ঈমানের এমন একটি জীবন্ত শাখা — যা মানুষের জীবনের সমস্ত বোঝা আল্লাহর উপর সমর্পণ করে দেওয়ার সবচেয়ে সুন্দর পথ।

সূত্র: শুআবুল ঈমান — ইমাম বায়হাকী রহ. (হা/১৫৭৯) | তিরমিযী (হা/২৪৫৭) | আহমাদ (হা/২০৭৩৬) — হাসান
(ইমাম বায়হাকী রহ.: ৩৮৪–৪৫৮ হিজরী)

14/04/2026

যে কথাগুলো নিজেকে মনে করিয়ে দেয়া প্রয়োজন --

১। আমার কি খুব আশাহত লাগছে নিজের ব্যপারে? ওয়েল, আল্লাহ চাইলে আমার একদম ভেঙ্গে যাওয়া অংশ থেকেও সবচেয়ে সুন্দর পরিশোধিত একটি অধ্যায় শুরু করিয়ে দিবেন। আল্লাহর রহমত থেকে আমি কখনো হতাশ হবো না। আমি আবার নতুন করে শুরু করবো ইনশাআল্লাহ।

২। হয়তো আজকে আমার কোন কারণে খুব দুর্বল লাগছে। আমি যতই দুর্বল বোধ করি না কেন, আমার রবের সাহায্য ও শক্তি আমার দুর্বলতার চেয়েও অনেক বড়।

৩। আমার সব প্রশ্নের উত্তর আমি আজকে পাবো না। সব উত্তর আজকে না পেলেও সমস্যা নেই। কিছু দরজা সময় হলেই খুলবে। দুআ এবং সবর তো আমার জীবনের অলংকার।

৪। মানুষ আমার বর্তমান অবস্থাটুকু বাইরে থেকে সামান্যই দেখছে। আমার রব, আল্লাহ আমার পুরো পথটাই জানেন। তিনি আমাকে সবচেয়ে ভালো বোঝেন। তিনি জানেন আমাকে কোথা থেকে কোথায় কল্যাণকর ভাবে পৌঁছে দিতে হবে, কোথায় গেলে আমার ক্লান্ত আত্মার শান্তি মিলবে, সবই তাঁর ইলমে আছে। আমি তাঁর উপরেই দৃঢ় তাওয়াককুল করলাম। আল্লাহর উপর ভরসা শুধু মুখে বললেই তো হবে না। আমি এবার আমল করলাম ইনশাআল্লাহ।

৫। আমার জীবনে অনেক বিষয়েই দেরিতে হতে পারে, কিন্তু আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন কিছুই ভুল সময়ে আসে না। আমি আল্লাহর টাইমিং এর উপর ভরসা রাখি, এই টাইমিংকে স্বাগত জানাই। আমি হতাশ না হয়ে আশা ধরে রাখি, ইনশাআল্লাহ।

—শারিন সফি আদ্রিতা

13/04/2026

আমল করার ইচ্ছা আছে কিন্তু মনোযোগ দিতে পারছেন না। এই আক্ষেপটাই প্রমাণ করে আপনার মনে আল্লাহর ভয় আছে। সর্বপ্রথম কাজ হলো নিজের মনকে দুনিয়ার চিন্তা থেকে মুক্ত করে আল্লাহর দিকে ফিরানো। এরপর প্রতিটি আমল করার সময় এর সওয়াব এবং পরকালীন প্রতিদান নিয়ে গভীরভাবে ভাবুন। কল্পনা করুন সেই ভয়াবহ মুহূর্তের কথা, যখন কিয়ামতের কঠিন ময়দানে আপনার গুনাহগুলো আপনাকে জাহান্নামের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে ঠিক তখনই আপনার এই ছোট্ট আমলটি ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে আপনাকে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে।

গুনাহের ভারে হয়তো নিজেকে হাউজে কাউসারের অযোগ্য মনে হতে পারে, কিন্তু নিজের মাইন্ডসেট এমনভাবে তৈরি করুন যেন—আপনার এই আকুল প্রচেষ্টা দেখে প্রিয় নবীজি (সা.) দয়া করে নিজ হাতে আপনাকে এক পেয়ালা পানি পান করিয়ে দিচ্ছেন। সেই পানি পানের পর আপনার তৃষ্ণার্ত আত্মা পরম তৃপ্তিতে শীতল হয়ে যাবে।

মনে রাখবেন, আপনার গুনাহ যদি আকাশ সমানও হয়, আল্লাহর রহমত সেই তুলনায় একবিন্দু ধূলিকণার মতো। তাই যত গুনাহই হয়ে যাক, কখনো হাল ছাড়বেন না। মুমিনের জীবনটা আসলে এমনই, চড়াই-উতরাই আর কষ্টে ঘেরা। এই নশ্বর দুনিয়ায় আমাদের অন্তর কখনো চিরস্থায়ী সুখ পাবে না; আমাদের আসল সুখ আর শান্তি তোলা আছে কেবল জান্নাতের জন্য।
©

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Taqwah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Taqwah:

Shortcuts

Share