Nigahe Mast-নয়নসুধায় বেঁহুস

Nigahe Mast-নয়নসুধায় বেঁহুস ❝কামেল মুর্শিদের রূপের শারাব পান করে সর্বদা দুনিয়া থেকে বেঁহুস হয়ে থাকো❞-নিগাহে মাস্ত😍

18/08/2026

#সুফিউক্তি #সুফিবাণী #সুফিউপদেশ

Nigahe Mast-নয়নসুধায় বেঁহুস

"পবিত্র বাণী সংকলকের প্রধান চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত আমানতদারিতা। মূল সত্যের সাথে নিজের কোনো মতামত বা খাহেশ (প্রবৃত...
17/08/2026

"পবিত্র বাণী সংকলকের প্রধান চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত আমানতদারিতা। মূল সত্যের সাথে নিজের কোনো মতামত বা খাহেশ (প্রবৃত্তি) মিশিয়ে ফেলা এক ধরনের আত্মিক বিশ্বাসঘাতকতা।"
–ইমাম আল-গাজ্জালি (র.)

"জ্ঞানের সংকলক ও বাহকের চরিত্র হতে হবে বিনম্র। কারণ সত্যের ভার বহন করার যোগ্যতা কেবল সেই অন্তরেরই থাকে, যা অহংকারমুক্ত ও সত্যের প্রতি সমর্পিত।"
–​মাওলা আলী (আ)

​"বাণী সংকলকের মন হতে হবে একটি নিভে যাওয়া প্রদীপের মতো, যা নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে কেবল মূল সত্যের আলোকে উদ্ভাসিত হতে দেয়। সেখানে সংকলকের নিজের কোনো সত্তা প্রকাশ পাওয়া উচিত নয়।"
–মাওলানা জালালুদ্দিন রুমি

"প্রাচীন কিতাব বা সত্য সংকলকের প্রধান গুণ হলো নিরপেক্ষতা ও চরম আত্মসংযম। নিজ পছন্দের খাতিরে সত্যকে পরিবর্তন না করার যে চারিত্রিক দৃঢ়তা, সেটাই একজন সংকলকের প্রকৃত পরিচয়।"
–​সি. এস. লিউইস

Nigahe Mast-নয়নসুধায় বেঁহুস Nigahe Mast-নয়নসুধায় বেঁহুস🌸

07/08/2026

#শয়তানের সূক্ষ্ম ধোঁকা #শয়তানেরউনিশপ্রকাররূপ #সুফি দর্শন Nigahe Mast-নয়নসুধায় বেঁহুস

ওরশ মোবারক 🇹🇷 ওরশ মোবারক 🇹🇷 ওরশ মোবারক 🇧🇩---------আসছে আগামী ২৫ শে আগস্ট 'চেরাগে জান শরীফ' ডা. বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল...
04/08/2026

ওরশ মোবারক 🇹🇷 ওরশ মোবারক 🇹🇷 ওরশ মোবারক 🇧🇩
---------
আসছে আগামী ২৫ শে আগস্ট 'চেরাগে জান শরীফ' ডা. বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরীর শুভ আবির্ভাব দিবস এবং ২৪ শে আগস্ট বাবা জাহাঙ্গীরের সহধর্মিণী মা রোকেয়া বেগম আল-মাইজভাণ্ডারীর শুভ আবির্ভাব দিবস উপলক্ষ্যে "ফকিরনী দরবার শরীফে" ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত হবে।

🚩 তারিখ: ২৪ ও ২৫ শে আগস্ট,রোজ: সোমবার ও মঙ্গলবার।

◾ওরশ মাহ্ফিলে কোরআন দর্শনভিত্তিক আলোচনা ও সামা-কাওয়ালী সঙ্গীত আয়োজিত হবে।

🔖 উক্ত অনুষ্ঠানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে সকলে সবান্ধব আমন্ত্রিত।

🕌 ঠিকানা: ফকিরনী দরবার শরীফ,চুনকুটিয়া চৌধুরী পাড়া(বায়তুল ফালাহ্ মসজিদ এর সামনে ডা.বাবা জাহাঙ্গীর এর দরবার),দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ,ঢাকা।

📢আহ্বানেঃ শাহ্ সুফি সৈয়দ বাবা বেদম ওয়ার্সী আল জাহাঙ্গীর এবং মুর্শিদে আওলাদ শাহ্ সুফি সৈয়দ বাবা সমনূন মোহেব ওয়ার্সী আল জাহাঙ্গীর।

☎️হটলাইনঃ ০১৩০২-৩৯৪৬৫৬, ০১৬১৩-৯২৭২৩৩.

ইসলামের ইতিহাসে আমীরুল মু'মিনীন হযরত মাওলা আলী ইবনে আবু তালিব (আ) এমন এক মহান ব্যক্তিত্ব, যিনি একাধারে জ্ঞান, আত্মিক সান...
03/08/2026

ইসলামের ইতিহাসে আমীরুল মু'মিনীন হযরত মাওলা আলী ইবনে আবু তালিব (আ) এমন এক মহান ব্যক্তিত্ব, যিনি একাধারে জ্ঞান, আত্মিক সান্নিধ্য, বীরত্ব ও ন্যায়বিচারের প্রতীক। আধ্যাত্মিক সুফি সাধক থেকে শুরু করে দেশ-বিদেশের প্রাচ্যবিদ ও মুসলিম ইতিহাসবিদগণ তাঁকে বেলায়েতের (আল্লাহর প্রতিনিধিত্ব ও আত্মিক কর্তৃত্ব) সর্বোচ্চ শিখর এবং ইলমে মারেফতের (আধ্যাত্মিক জ্ঞান) অবিসংবাদিত সম্রাট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

◾রাসূলুল্লাহ (সা)-এর বাণী ও বেলায়েতের ভিত্তি:
--------------------
​ইতিহাসের পাতায় মাওলা আলী (আ)-এর শান ও মর্যাদার ভিত্তি রচিত হয়েছে খোদ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা)-এর সুস্পষ্ট বাণীর মাধ্যমে। হাদিস ও ইতিহাস গ্রন্থের আলোকে দুটি প্রধান ঘোষণা তাঁকে বেলায়েত ও মারেফতের কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করে:
​ইলমের শহর ও দরজা: মহানবী (সা) বলেন, "আমি জ্ঞানের শহর এবং আলী তার দরজা।"
[​রেফারেন্স:আল-মুস্তাদরাক আলাস সাহীহাইন, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১২৬; ইবনে আসাকির, তারিখে দামেস্ক।]
▪️​গাদীরে খুমের ঘোষণা:
বিদায় হজ্জ থেকে ফেরার পথে গাদীরে খুমে বিশ্বনবী (সা) ঘোষণা করেন, "আমি যার মাওলা (অভিভাবক/মিত্র), আলীও তার মাওলা।" এখান থেকেই বেলায়েতের আধ্যাত্মিক ধারার ধারাবাহিকতা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।
[​রেফারেন্স: ইমাম আহমদ ইবনে হানবল, মুসনাদে আহমদ, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৩৬৮; সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং ৩৭১৩।]

◾​মুসলিম ইতিহাসবিদ ও মুহাদ্দিসদের দৃষ্টিতে:
---------------
​মুসলিম মনীষী ও ইতিহাসবিদগণ হযরত আলী (আ)-এর ইলম ও মারেফতের গভীরে গিয়ে তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
​ইমাম ইবনে হাজার আসকালানী (র): তিনি লিখেছেন যে, সাহাবাদের মধ্যে মারেফত, ফিকহ এবং কুরআনের তাফসীরে হযরত আলী (আ)-এর সমকক্ষ কেউ ছিলেন না। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, "কুরআনের তাফসীরে আমি যা কিছু শিখেছি, তার সিংহভাগই আলীর কাছ থেকে নেওয়া।"

[​রেফারেন্স: ইবনে হাজার আসকালানী, ফাতহুল বারী ও তাহযীবুত তাহযীব।]

▪️​ইবনে আসাকির ও ইবনে আসীর:
-----------------
বিখ্যাত ঐতিহাসিক ইবনে আসীর তাঁর ‘উসদুল গাবাহ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা)-এর পর আধ্যাত্মিক জগত, সুফি সাধনা এবং ইলমে বাতেনের যতগুলো সিলসিলা বা ধারা প্রসারিত হয়েছে, তার প্রায় সবগুলোই হযরত আলী (আ)-এর মাধ্যমে গিয়ে শেষ হয়েছে।
​আল-মাসউদী: তাঁর বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থ ‘মুরূজুয যাহাব’-এ উল্লেখ করেন, হযরত আলী (আ)-এর চরিত্র ছিল আত্মসংযম, প্রজ্ঞা, অলঙ্কারশাস্ত্র এবং গভীর আধ্যাত্মিক ধ্যানের এক অনন্য সংমিশ্রণ, যা তৎকালীন সময়ে আর কাউকে দেওয়া হয়নি।

◾সুফি সাধক ও মারেফতের সিলসিলায় স্থান:
---------------
​সুফিবাদ ও তাসাউফের ইতিহাসে মাওলা আলী (আ)-কে বলা হয় ‘শায়খুল মাশায়িখ’ বা সুফিদের মূল উৎস। তাসাউফের প্রধান প্রধান তরীকা (যেমন: কাদিরিয়া, চিশতিয়া, সোহরাওয়ার্দীয়া,রাফাঈয়া ইত্যাদি) হযরত আলী (আ)-এর মাধ্যমে মহানবী (সা) পর্যন্ত পৌঁছেছে।
▪️​হযরত দাতা গঞ্জে বখশ হুজভী রি (র): তাঁর বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ ‘কাশফুল মাহজুব’-এ লিখেছেন, "আধ্যাত্মিক পথের পথিক এবং মারেফতের সাধকদের জন্য হযরত আলী (আ) হলেন মূল ইমাম ও প্রদর্শক। তরীকা ও সূফীবাদের মূল শিক্ষা তাঁর বেলায়েত থেকেই প্রস্ফুটিত হয়েছে।"
▪️​শেখ ফরিদুদ্দীন আত্তার ও মাওলানা রুমী: পারস্যের মহান আধ্যাত্মিক কবিগণ তাঁদের কাব্যে মাওলা আলী (আ)-কে "হক ও বাতেনের রাজদণ্ডধারী" এবং "বেলায়েতের সূর্য" হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

◾ইসলামী তাসাউফ বা সুফিবাদে হযরত মাওলা আলী ইবনে আবী তালিব (আ) হলেন আধ্যাত্মিকতার মূল কেন্দ্র এবং বেলায়েতের প্রবেশদ্বার। তাসাউফ শাস্ত্রের মুহাদ্দিস ও সূফী গবেষকদের মতে, মহানবী (সা) যে বাতেনী ও আধ্যাত্মিক আমানত আল্লাহর কাছ থেকে লাভ করেছিলেন, তা সুনির্দিষ্টভাবে হযরত আলী (আ)-এর বক্ষে আমানত হিসেবে অর্পণ করেছিলেন।
◾​ইতিহাস ও তাসাউফের প্রধান সিলসিলাগুলোতে এই বেলায়েত প্রবাহের বিস্তারিত রূপরেখা নিচে তুলে ধরা হলো:
​সুফি সিলসিলায় হযরত আলী (আ)-এর কেন্দ্রীয় অবস্থান
​বিশ্বের প্রধান এবং ঐতিহ্যবাহী সূফী তরীকাগুলোর দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, একটি ব্যতিক্রম ছাড়া বাকি সকল মূল সিলসিলা হযরত আলী (আ)-এর মাধ্যমেই মহানবী (সা) পর্যন্ত গিয়ে যুক্ত হয়েছে। সূফী পরিভাষায় একে বলা হয় 'শাজারা' বা আধ্যাত্মিক বংশলতিকা।
▪️​সিলসিলাতুল যাহাব (স্বর্ণালী ধারা):
সুফি পরিভাষায় যে ধারাটি রাসুলুল্লাহ (সা) থেকে হযরত আলী (আ)-এর মাধ্যমে প্রসারিত হয়েছে, তাকে আধ্যাত্মিক ধারার মূল ভিত্তি ধরা হয়।

▪️​খিরকা (আধ্যাত্মিক পোশাক): আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকার ও বেলায়েতের প্রতীক হিসেবে রাসুলুল্লাহ (সা) যে খিরকা বা চাদর হযরত আলী (আ)-কে পরিধান করিয়েছিলেন, তা পরবর্তীতে হাসান বসরী (র) ও অন্যান্য প্রধান সুফিদের মাধ্যমে যুগ যুগ ধরে হস্তান্তরিত হয়েছে।

◾​প্রধান সুফি তরীকাগুলোতে বেলায়েতের প্রবাহ:
​তাসাউফের চার মূল তরীকা এবং তাদের শাখা-প্রশাখাগুলোতে হযরত আলী (আ)-এর বেলায়েত যেভাবে ধারাবহিকভাবে প্রবহমান:

​১. কাদরীয়া তরীকা (হযরত বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী রহ.)​ধারা:
রাসুলুল্লাহ (সা)> হযরত আলী (আ) >হযরত হাসান বসরী (র) >ইমাম হাসান (আ) ও ইমাম হুসাইন (আ) >পরবর্তী ইমামগণ > হযরত শেখ আবদুল কাদের জিলানী (র)।
​এই তরীকাকে 'হাসানী' ও 'হুসাইনী' ধারার সরাসরি আধ্যাত্মিক সংমিশ্রণ বলা হয়।
​২. চিশতীয়া তরীকা (হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী রহ.)​ধারা:
রাসুলুল্লাহ (সা)>হযরত আলী (আ)>হযরত হাসান বসরী (র)>হযরত খাজা হাবীব আজমী (র)>হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশত(আ)।
**​ভারতীয় উপমহাদেশে চিশতীয়া তরীকার মাধ্যমে হযরত আলী (আ)-এর বেলায়েত ও প্রেমের বার্তা সবচেয়ে বেশি প্রসার লাভ করেছে।

​৩. সোহরাওয়ার্দীয়া ও রাফাঈয়া তরীকা ​ধারা:
এই তরীকা দুটিও হযরত আলী (আ)-এর মাধ্যমে হযরত কুমাইল ইবনে যিয়াদ (র) এবং হযরত হাসান বসরী (র)-এর আধ্যাত্মিক ধারায় যুক্ত হয়ে রাসুলুল্লাহ (সা) পর্যন্ত পৌঁছেছে।
**​নকশবন্দীয়া তরীকার ব্যতিক্রম: নকশবন্দীয়া তরীকার প্রধান ধারাটি হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা)-এর মাধ্যমে সম্পর্কিত হলেও, এর আধ্যাত্মিক ভেতরের সিলসিলা (সিলসিলায়ে জা'ফরিয়া) ইমাম জাফর আস-সাদিক (আ)-এর মাধ্যমে হযরত আলী (আ)-এর বেলায়েতেই এসে মিলনে আবদ্ধ হয়।

◾​মাওলা আলীর প্রধান দু'টি আধ্যাত্মিক শাখা:
------------
​হযরত আলী (আ) থেকে আধ্যাত্মিক বেলায়েত মূলত দু'টি প্রধান ধারায় সুফিদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছিল:

▪️​হাসান বসরী (র) ধারা: এটি প্রাতিষ্ঠানিক সুফি তরীকাগুলোর (যেমন- চিশতীয়া, ক্বাদেরীয়া) মূল পথ। এখান থেকে হাজার হাজার সুফি সাধকের জন্ম হয়েছে।
▪️​আইম্মায়ে আতহার (আহলে বাইত) ধারা: এটি ইমাম হাসান (আ), ইমাম হুসাইন (আ) থেকে শুরু করে ইমাম জাফর আস-সাদিক (আ) ও অন্যান্য ইমামদের মাধ্যমে সংরক্ষিত ইরফান ও গভীর বাতেনী জ্ঞানেরধারা।

◾​হাদিস ও ঐতিহাসিক গ্রন্থের স্বীকৃতি:
---------------
​সুফি সাধক ও ইতিহাসবিদগণ তাঁদের প্রধান গ্রন্থগুলোতে বেলায়েতের এই প্রবাহকে সুস্পষ্টভাবে স্বীকার করেছেন:
▪️​কাশফুল মাহজুব (হযরত দাতা গঞ্জে বখশ হুজভী রহ.): তিনি উল্লেখ করেছেন যে, "সুফিবাদের মূল মূলনীতি, ধৈর্য, বেলায়েত এবং আত্মশুদ্ধির সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন মাওলা আলী (আ)। তাসাউফের সব সাধক তাঁরই পদপ্রান্তের শিষ্য।"
▪️​তাযকিরাতুল আউলিয়া (শেখ ফরিদুদ্দীন আত্তার রহ.): তিনি সুফিদের জীবনচরিতে মাওলা আলী (আ)-কে তাসাউফের প্রথম ও প্রধান 'মেরুদণ্ড' হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
▪️​ইমাম আল-গাজালী (রহ.): তাঁর 'ইহিয়ায়ে উলুমিদ্দীন' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, আত্মিক আত্মশুদ্ধি এবং বাতেনী জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে হযরত আলীর মাধ্যম ছাড়া চূড়ান্ত স্তরে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
📍মাওলা আলী (আ) হলেন সেই আধ্যাত্মিক মহাসমুদ্র, যেখান থেকে তাসাউফ ও বেলায়েতের হাজারো নদী নিঃসৃত হয়ে আজও সুফিদের অন্তরকে আল্লাহর প্রেমে সিক্ত করে চলেছে।

হযরত শারফুদ্দিন বু-আলী শাহ কলন্দর পানীপথী (র.)-এর কালজয়ী ফারসি কালাম:​১. Agar bīnam shabe nāgāh aañ sultān-e-ḳhūbāñ rā,...
02/08/2026

হযরত শারফুদ্দিন বু-আলী শাহ কলন্দর পানীপথী (র.)-এর কালজয়ী ফারসি কালাম:
​১.
Agar bīnam shabe nāgāh aañ sultān-e-ḳhūbāñ rā,
Sar andar pā-e-ū āram, fidā sāzam dil-o-jāñ rā!

[যদি কোনো এক রাতে আকস্মিকভাবে আমি রূপের পরম সম্রাটকে (আল্লাহ্‌/মুর্শেদ) দেখতে পাই,তবে তাঁর কদম মোবারকে নিজের মাথা নত করব এবং আমার পুরো অন্তরাত্মা ও জীবন উৎসর্গ করে দেব!]
​২.
Ba-gird-e-Kāb'a ke gardam? chu rū-ye-yār-e-man Kāb'a,
Kunam tavvāf-e-mai-ḳhānah, ba-bosam pā-e-mastāñ rā!

[আমি কেন বাহ্যিক কাবার চারপাশে প্রদক্ষিণ করব? যখন আমার প্রিয়তমের রূপ দর্শনই আমার কাবা!আমি তো ঐশ্বরিক প্রেমের পাত্র বা মদ্যশালাকে তাওয়াফ করব এবং প্রেমোন্মত্ত আশেকদের (সুফিদের) চরণ চুম্বন করব!]
​৩.
​Ravam dar but-kadah shāne, ba-pesh-e-but kunam sajdah,
Agar yābam ḳharīdāre, farosham dīn-o-īmāñ rā!

[আমি প্রয়োজনে বুতখানায় গিয়ে মূর্তির সামনে সেজদা দেব,
যদি এমন কোনো ক্রেতা পাই,তবে তাঁর প্রেমের বিনিময়ে আমার তথাকথিত ধর্ম ও বাহ্যিক ঈমান বিক্রি করে দিতেও রাজি!]
​৪.
Farozam ātishe dar dil, ba-sozam qiblah-e-ālam,
Pas āñgah qiblah sāzam man ḳham-e-abrū-ye-ḳhūbāñ rā!

[আমি অন্তরে প্রেমের এমন এক আগুন জ্বালাব যা দিয়ে পার্থিব জগতের সব কিবলা পুড়িয়ে ছাই করে দেব,তারপর আমার প্রিয়তমের ভুরুর বাঁকা ভঙ্গিমাকেই আমার সত্যিকারে কিবলা বানাব!]
​৫.
Saram pechāñ, dilam pechāñ, manam pechīdah-e-jānāñ,
'Sharaf' chuñ mār mī-pechad, che bīnī mār-e-pechāñ rā!

[আমার মাথা ও অন্তর কেবলই প্রিয়তমের প্রেমে ব্যাকুল ও পেঁচিয়ে একাকার,আমি আমার প্রিয়তমের প্রেমে পুরোপুরি জড়িয়ে গেছি;
হে 'শরাফ' (বু-আলী শাহ)! বিষধর সাপ যেমন প্রেম বা ঘোরে নিজেকে পেঁচিয়ে ফেলে, তুমি কেন এই প্রেম-বিহ্বল সাপটিকে দেখছ না?]

Ae Yaar Na Mujh Se Munh Ko Chhupa​Poet: Imdad Ali Ulvi[​হে প্রিয়,আমার কাছ থেকে মুখ লুকিয়ো না]​কবি: ইমদাদ আলী উলভী 🌸​১.হে...
01/08/2026

Ae Yaar Na Mujh Se Munh Ko Chhupa
​Poet: Imdad Ali Ulvi
[​হে প্রিয়,আমার কাছ থেকে মুখ লুকিয়ো না]
​কবি: ইমদাদ আলী উলভী 🌸
​১.
হে প্রিয়! আমার কাছ থেকে মুখ লুকিয়ো না,
তুমি আর আমি তো আলাদা বা ভিন্ন নই,
তোমার রূপেই আমার নকশা (অবয়ব),
তুমি আর আমি তো আলাদা বা ভিন্ন নই!
​২.
পরম অসীমতা ও সীমাবদ্ধতার সুক্ষ্ম পার্থক্যের–
কারণে আমি তোমা হতে পৃথক,তুমি আমা হতে পৃথক,
কিন্তু যখনই এই বোধ/উপলব্ধি থেকে পর্দার উন্মোচন হলো—
দেখলাম তুমি আর আমি তো ভিন্ন নই!
​৩.
আমি তোমাকে অন্য (পর) ভাবতাম এবং
নিজেকেও আলাদা ভাবতাম কিন্তু যখনই সূক্ষ্ম ও গভীর দৃষ্টিতে তাকালাম—দেখলাম তুমি আর আমি তো ভিন্ন নই!
​৪.
মরুভূমির ধুলিঝড় তো কেবল বাতাস আর মাটিরই আলোড়ন।
আমি তোমাতে বিলীন (ফানা),আর তুমি আমাতে চিরন্তন (বাকা)—
তুমি আর আমি তো ভিন্ন নই!
​৫.
আদিও তুমি,অন্তও তুমি; প্রকাশ্যও তুমি,অপ্রকাশ্যও তুমি।
আমি তোমাতে রয়েছি আর তুমি আমাতে লুকিয়ে আছ—
তুমি আর আমি তো ভিন্ন নই!
​৬.
নবীর মিরাজে সর্বক্ষণ নৈকট্যের আহ্বান ধ্বনিত হচ্ছিল।
এসো সেই 'ক্বাবা ক্বাওসাইনে আও আদনা'(চরম নৈকট্যের) মাকামে;
—তুমি আর আমি তো ভিন্ন নই!
​৭.
আমি যখন প্রিয়তমের কাছে মিলনের (ওয়াসল) আকুল আকাঙ্ক্ষা করলাম,সে বলল—নিজের দিকে একটু তাকিয়ে দেখো!
আপাদমস্তক তো আমিই রয়েছি;
তুমি আর আমি তো ভিন্ন নই!
​৮.
'উলভী'(কবি) যখন পরম সত্তার মহিমায় ব্যাকুলতা ও ভয়ে ভীত ছিল, প্রিয়তম তখন পূর্ণ অনুগ্রহ ও দয়ায় বললেন—
কেন ভয় করছ? আমার আলিঙ্গনে এসো,
তুমি আর আমি তো আলাদা কেউ নই!

কালামে : Imdad Ali Ulvi 🌸

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nigahe Mast-নয়নসুধায় বেঁহুস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share