26/05/2022
🌹শাল্ব উদ্ধার🌹
🌹গ্রন্থসূত্র- লীলা পুরুষোত্তম শ্রীকৃষ্ণ🌹
🙏 অনুবাদক- শ্রীল সুভগ স্বামী মহারাজ 🙏
👉 রথের চালক দারুক-পুত্রের সঙ্গে কথা বলে প্রদ্যুম্ন প্রকৃত অবস্থা বুঝতে পারলেন। তাই হাত-পা ধুয়ে তিনি ক্লান্তিহীন ও অবসাদমুক্ত হলেন। তীর-ধনুক নিয়ে সমরাস্তে যথাযথভাবে সুসজ্জিত হয়ে তিনি সারথি দারুক-পুত্রকে শাল্বের প্রধান সেনাপতি যেখানে দাঁড়িয়ে আছে সেখানে নিয়ে যেতে আদেশ করলেন। রণক্ষেত্র থেকে প্রদ্যুম্নের এই অনুপস্থিতির ফলে শাল্বের প্রধান সেনাপতি দ্যুমান যাদব সেনাদের উপর এই সুযোগে অধিকার বিস্তার করে নিল। রণক্ষেত্রে উপস্থিত হয়ে প্রদ্যুম্ন অবিলম্বেই দ্যুমানকে আটটি বাণদ্বারা আহত করে তার গতিরোধ করলেন। তিনি চারটি বাণদ্বারা দ্যুমানের অশ্বকে, একটি বাণদ্বারা তার সারথিকে, অন্য একটি বাণদ্বারা দ্যুমানের ধনুককে দ্বিখণ্ডিত করলেন; আবার একটি বাণে পতাকাটিকে খণ্ডবিখণ্ড করলেন এবং পরিশেষে আর একটি বাণে দ্যুমানের শিরশ্ছেদ করলেন।
👉 যুদ্ধের অন্য প্রান্তে গদ, সাত্যকি ও সাম্ব শাল্বের সেনানী বধে নিযুক্ত ছিল। এই যুদ্ধে শাল্বের সঙ্গে বিমানে অবস্থান কারী তার সেনানীরা সকলেই নিহত হয়ে সমুদ্রগর্ভে পতিত হল। একপক্ষ অপর পক্ষকে ভীষণভাবে আক্রমণ করল। দীর্ঘ সাতাশ দিন ধরে বিরামহীন এই ভীষণ ও ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলল। দ্বারকাপুরীতে যখন এই রকম যুদ্ধ চলছে, তখন মহারাজ যুধিষ্ঠির ও পাণ্ডবদের সঙ্গে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ইন্দ্রপ্রস্থে অবস্থান করছিলেন। শিশুপাল বধ ও মহারাজ যুধিষ্ঠির দ্বারা রাজসূয় যজ্ঞ অনুষ্ঠানের পর শাল্বের সঙ্গে এই যুদ্ধ হচ্ছিল। দ্বারকাপুরীর নিরাপত্তা বিপন্ন জানতে পেরে, বয়োজ্যেষ্ঠ পাণ্ডবদের কাছ থেকে বিশেষত কুন্তীদেবীর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অচিরেই দ্বারকা অভিমুখে যাত্রা করলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ভাবতে লাগলেন যে শিশুপালকে বধ করে শ্রীবলরামকে নিয়ে যখন হস্তিনাপুরে উপস্থিত হচ্ছিলেন, শিশুপালের সৈন্যরা তখন নিশ্চয় দ্বারকা আক্রমণ করেছে। দ্বারকায় পৌঁছে ভগবান দেখলেন যে সমগ্র দ্বারকাপুরী অত্যন্ত বিপন্ন। পুরী সুরক্ষার উদ্দেশ্যে শ্রীবলরামকে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করে,
তিনি সারথি দারুককে রথসহ প্রস্তুত হতে নির্দেশ দিলেন।
👉 শ্রীকৃষ্ণ তাঁর সারথিকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “প্রিয় দারুক, এই মায়াবী শাল্ব হচ্ছে এক প্রবল প্রতাপান্বিত যোদ্ধা। কিন্তু তাকে একটুও ভয় পেও না; এক্ষুণি আমাকে তার কাছে নিয়ে চল।” ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদেশ পাওয়া মাত্রই, তাঁকে রথে চড়িয়ে দ্রুত গতিতে দারুক শাল্ব অভিমুখে রথ চালনা করল। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের রথ গরুড়-ধ্বজ বহন করছিল;
সেই গরুড়-ধ্বজ দেখামাত্রই যাদব সেনা ও বীরেরা রণক্ষেত্রে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উপস্থিতি বুঝতে পারলেন। ইতিমধ্যে শাল্বের প্রায় সমস্ত সেনা বাহিনীই বিধ্বস্ত হয়েছে, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণকে যুদ্ধক্ষেত্রে আসতে দেখে, শাল্ব এক ভয়ঙ্কর শক্তিশালী অস্ত্র নিক্ষেপ করল। সেই গর্জনকারী উড়ন্ত মহা উল্কার মতো অস্ত্রটির তেজে সমগ্র আকাশ আলোকিত হয়ে
উঠল। কিন্তু সেখানে উপস্থিত হয়ে শ্রীকৃষ্ণ একটি মাত্র বাণ নিক্ষেপ করলেন, এবং সেই বাণদ্বারাই শাল্বের অস্ত্রটিকে শত-সহস্র খন্ডে খণ্ডিত করলেন। তারপর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শাল্বকে ষোলটি শরদ্বারা আহত করলেন এবং অনন্ত সূর্যকিরণ-কণা দ্বারা সূর্য যেমন সমগ্র নির্মল গগন-মণ্ডলকে বশীভূত ও আয়ত্তাধীন করে, শ্রীকৃষ্ণও সেইভাবে এক ঝাঁক বাণ নিক্ষেপ করে শাল্বের মায়াবী বিমানটিকে পরাভূত করলেন। শ্রীকৃষ্ণের বাম অঙ্গে শাল্ব এক ভীষণ আঘাত করে, ভগবান সেই অঙ্গে শার্ঙ্গ ধনুক বহন করেছিলেন, এই প্রচণ্ড আঘাতে শার্ঙ্গ ধনুকটি শ্রীকৃষ্ণের হাত থেকে পড়ে যায়। এই ধনুক পতনের ঘটনাটি ছিল বস্তুতই আশ্চর্যজনক।
👉 শাল্ব ও শ্রীকৃষ্ণের যুদ্ধ দর্শনকারী দেবতা ও মহান ব্যক্তিরা এই ঘটনায় অত্যন্ত বিচলিত ও উদ্বিগ্ন হয়ে "হায়! হায়!" বলতে শুরু করে। যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছে মনে করে শাল্ব গর্জন করে শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশ্যে বলতে লাগল, “রে মুর্খ, কৃষ্ণ। আমাদের উপস্থিতিতেই তুই বল প্রয়োগ করে রুক্মিণীকে অপহরণ করেছিলি। আমার মিত্র শিশুপালের প্রয়াস ব্যর্থ করে তুই নিজেই রুক্মিণীকে বিবাহ করেছিলি। মহারাজ যুধিষ্ঠির অনুষ্ঠিত রাজসূয় যজ্ঞানুষ্ঠানের সভায় আমার মিত্র শিশুপাল যখন একটু অন্যমনস্ক ছিল, তখন তুই সেই সুযোগে তাকে বধ করেছিলি। সকলেই তোকে অপরাজেয় একজন শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা বলে মনে করে; আজ তোর নিজ শক্তির প্রমাণ করা চাই। তুই যদি আর কখনো আমার সম্মুখীন হোস্, তা হলে আমি তীক্ষ্ণ বাণদ্বারা তোকে যমপুরী পাঠিয়ে দেব।"
শাল্বের কথার উত্তরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন, “রে মৃঢ় শাল্ব! তুই মুর্খের মতো কথা বলছিস্। তুই জানিস্ না যে তোর মৃত্যুকাল আসন্ন-প্রায়। যথার্থ বীর কখনো বাগাড়ম্বর করে না। কার্যত শৌর্য-বীর্যময় কার্যাবলী প্রদর্শনীর মাধ্যমে তারা নিজ শক্তি প্রতিপন্ন করেন।" এই কথা বলেই অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শাল্বের স্কন্ধে এমন প্রচণ্ড গদাঘাত করেন যে শাল্বের শরীরাভ্যন্তরে রক্তস্রাব শুরু হল, এবং কম্পিত দেহে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা অনুভব করে সে পতনোন্মুখ হল।
👉 শাল্বকে আবার আঘাত করবার পূর্বেই সে তার মায়াবী শক্তির দ্বারা অদৃশ্য হয়ে গেল। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই এক রহস্যময় অজ্ঞাত ব্যক্তি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কাছে এসে উপস্থিত হয়। ভগবানের চরণ-কমলে প্রণত হয়ে উচ্চৈঃস্বরে ক্রন্দন করতে করতে সে বলল—“আপনি বসুদেবের সবচেয়ে প্রিয় সন্তান, শাল্ব আপনার পিতাকে বন্দী করে সবলে নিয়ে চলে যাওয়ার দুঃসংবাদ জানাতে মাতা দেবকী আমাকে আপনার কাছে পাঠিয়েছেন। বধ্য পশুকে যেমন নির্দয়ভাবে কসাই নিয়ে যায়, ঠিক সেইভাবে শাল্ব আপনার পিতাকে নিয়ে গিয়েছে।" অপরিচিত ব্যক্তিটির কাছে এই দুঃসংবাদ প্রথমে তিনি একজন সাধারণ মানুষের মতো অত্যন্ত বিচলিত ও উদ্বিগ্ন হলেন। শ্রীকৃষ্ণের বদনে শোকের ছায়া নেমে এলো। “ভাই বলরাম সেখানে রয়েছেন। বলরামকে পরাজিত করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। তিনি দ্বারকাপুরীর রক্ষাকর্তা, আমি জানি তিনি এ বিষয়ে সর্বদাই অত্যন্ত সতর্ক। দ্বারকাপুরীতে প্রবেশ করে পিতাকে বন্দী করা শাল্বের পক্ষে কিভাবে সম্ভব?
তাছাড়া শাল্ব যত বড় বীর যোদ্ধাই হোক–তার শক্তি বল সীমিত, এই লোকটির বর্ণনা অনুযায়ী বলরামকে পরাস্ত করে, পিতাকে বন্দী করে নিয়ে যাওয়া কিভাবে শাল্বের পক্ষে সম্ভব? হায়! দেখছি বিধিই সবচেয়ে বলবান।" এই বলে করুণ স্বরে তিনি ক্রন্দন করতে লাগলেন। শ্রীকৃষ্ণ যখন এইরকম চিন্তা করছিলেন, তখন শাল্ব কৃষ্ণের পিতা বসুদেবের মতো দেখতে এক বন্দীকে কৃষ্ণের সম্মুখে নিয়ে এলো। এ-সমস্ত শাল্বের মায়াবিদ্যার সৃষ্টি। শাল্ব শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশ্যে বলতে লাগল, “রে মূর্খ, কৃষ্ণ! এই দেখ, তোর জন্মদাতা পিতা, যার দয়ায় আজও তুই জীবন-যাপন করছি। এখন দেখ, কিভাবে
আমি তোর পিতাকে বধ করি; তেমন শক্তিমান হলে তুই তোর পিতার জীবন রক্ষার চেষ্টা কর।” ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সম্মুখে এইভাবে কথা বলে মায়াবী শাল্ব অবিলম্বেই নকল বসুদেবের শিরশ্ছেদ করল। নির্দ্বিধায় মৃতদেহটি নিয়ে শাল্ব তার বিমানে উঠল।
👉 ভগবান শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন সম্যক পূর্ণতত্ত্ব, লীলা পুরুষোত্তম, কিন্তু মনুষ্য লীলা অভিনয় করায়, তিনি যেন বস্তুত পিতৃহারা এইভাবে ক্ষণকালের জন্য অত্যন্ত বিষণ্ন হলেন। কিন্তু পরবর্তী মুহূর্তেই তিনি বুঝতে পারলেন যে বন্দী করে পিতাকে হত্যা করা—এসব ময়দানবের কাছে শিক্ষাপ্রাপ্ত শাল্বের মায়াবিদ্যার প্রদর্শনী। শ্রীকৃষ্ণ তখন সেই বার্তাবহ ও তাঁর পিতার মস্তক সেখানে দেখতে পেলেন না; তিনি দেখলেন, শাল্ব তার বিমান নিয়ে চলে গেছে এবং বিমানটি আকাশে উড়ছে। তখন শ্রীকৃষ্ণ শাল্ব বধের কথা চিন্তা করলেন।
বৈষ্ণবাচার্য ও মহাজনদের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণের এইরকম প্রতিক্রিয়া এক বিতর্কের বিষয়। সমস্ত জ্ঞান ও বিভূতির আকর, লীলা পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এইরকম বিভ্রান্তি কিভাবে সম্ভব? বিলাপ, শোক, বিভ্রান্তি হচ্ছে মায়াবদ্ধ জীবের লক্ষণ। পূর্ণ-জ্ঞান, পূর্ণ-বীর্য ও সকল ঐশ্বর্যের আকর, পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কিভাবে এ সকল দ্বারা প্রভাবিত হন। বস্তুত ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শাল্বের মায়াজালে আদৌ বিভ্রান্ত হননি।
👉 শ্রীকৃষ্ণ একজন সাধারণ মানুষের ভূমিকায় লীলাভিনয়
করছিলেন। ভক্তিপূর্ণ চিত্তে শ্রীকৃষ্ণের চরণকমলে সেবারত মহাভাগবত ও শুদ্ধ-বৈষ্ণব এবং এইভাবে কৃষ্ণতত্ত্ব লাভে সর্বোচ্চ-সিদ্ধি প্রাপ্ত, তাঁরা সকলেই দেহাত্মবুদ্ধি ও মোহ থেকে মুক্ত হয়েছেন। এই সব শুদ্ধ ভক্তদের কাছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণই অন্তিম লক্ষ্য ও গতি। তা হলে শাল্বের মায়াজালে কৃষ্ণের বিভ্রান্তি কিভাবে সম্ভব? সিদ্ধান্ত এই যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এই বিভ্রান্তি হচ্ছে তাঁর ভগবত্তার অন্য একটি ঐশ্বর্য।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর মায়াজালে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছে মনে করে শাল্ব আরো অনুপ্রাণিত হয়ে প্রবলভাবে বাণ বর্ষণ করে প্রচণ্ড শক্তি ও বিপুল উৎসাহে শ্রীকৃষ্ণকে আক্রমণ করল। কিন্তু শাল্বের এই উৎসাহ, এই উদ্যম, অগ্নিতে দ্রুতবেগে ধাবমান পতঙ্গের মতোই। অসীম শক্তিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সবলে যে তীর নিক্ষেপ করলেন, তাতে আহত শাল্বের বর্ম, ধনুক, রত্নময়-কিরীট চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ল। বিধ্বংসী গদাঘাতে শাল্বের বিমানটিকে শ্রীকৃষ্ণ খণ্ড-বিখণ্ড করে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলেন। শাল্ব খুব সতর্ক ছিল, তাই বিমানের সঙ্গে বিধ্বস্ত হওয়ার পরিবর্তে, সে নিপুণভাবে ভূপৃষ্ঠে লাফ দিয়ে পড়ল। আবার সে দ্রুতবেগে শ্রীকৃষ্ণের দিকে ধাবিত হল। গদাসহ শ্রীকৃষ্ণকে আক্রমণের জন্য শাল্ব ধাবমান হলে, শ্রীকৃষ্ণ তার হাতটি কেটে দিলেন, গদাসহ হাতটি ভূপতিত হল। পরিশেষে শাল্বকে বধ করতে মনস্থ করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ প্রলয়কালের সূর্যের মতো তেজস্বী ও অত্যাশ্চর্য চক্রটি গ্রহণ করলেন। শাল্বকে বধ করবার জন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চক্রসহ দণ্ডায়মান হলে, তাঁকে পর্বতের উপর অরুণবর্ণ সূর্যের মতো দেখাচ্ছিল। তারপর ভগবান শাল্বের মস্তক ছিন্ন করলেন, এবং সেই কিরীট-কুণ্ডলযুক্ত মস্তক ভূপৃষ্ঠে পতিত হল। দেবরাজ ইন্দ্র দ্বারা বৃত্রাসুর যেভাবে নিহত
হয়েছিল, শাল্বও সেইভাবে নিহত হল। শাল্ব নিহত হলে, তার সেনানী ও অনুগামীরা সকলে হায়! হায়! বলে উচ্চরব শুরু করল। শাল্বের অনুগামীরা যখন এইভাবে চিৎকার করছিল, স্বৰ্গলোক থেকে দেবতারা তখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উপর পুষ্পবৃষ্টি করে এবং দুন্দুভি ও ভেরী বাজিয়ে তাঁর বিজয় ঘোষণা করলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে শিশুপাল বধের প্রতিশোধ নিতে শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে যুদ্ধ করবার জন্য দন্তবক্রাদি তার মিত্ররা সেখানে এসে উপস্থিত হল। দন্তবক্র সম্মুখে উপস্থিত হলে শ্রীকৃষ্ণ অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে উঠলেন।
ইতি—“লীলা পুরুষোত্তম শ্রীকৃষ্ণ" গ্রন্থের 'শাল্ব উদ্ধার' নামক সপ্তসপ্ততিতম অধ্যায়ের ভক্তিবেদান্ত তাৎপর্য সমাপ্ত হল।
🙏 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
👉 প্রতিদিন সনাতন ধর্মীয় বিভিন্ন পোস্ট দেখতে সকল ভক্তবৃন্দ " আমাদের " " পেইজটিতে লাইক ও ফলো দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন এবং কৃষ্ণভাবনামৃতের প্রসারের লক্ষ্যে অবশ্যই শেয়ার করুন।