M. S Islam Shaheen

M. S Islam Shaheen News। Information। Education। Travel

On this page, you'll get funny videos, sports news, general news, dramas, blogs, food reviews, photography, music, movies, argument, and any other things

13/05/2026
28/03/2026

জিলাপি সরকারি রেটে বিক্রি হচ্ছে

চা-শ্রমিক 'মা' কে নিয়ে লেখাটি লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সন্তোষ রবিদাস অঞ্জন।  🖤❤️🖤————মৌলভীবাজার জেলার শমস...
17/08/2022

চা-শ্রমিক 'মা' কে নিয়ে লেখাটি লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সন্তোষ রবিদাস অঞ্জন। 🖤❤️🖤
————
মৌলভীবাজার জেলার শমসেরনগরে ফাঁড়ি কানিহাটি চা-বাগানের এক চা শ্রমিক পরিবারের ছেলে আমি। জন্মের ছয় মাসের মাথায় বাবাকে হারিয়েছি। মা চা-বাগানের শ্রমিক। তখন মজুরি পেতেন দৈনিক ১৮ টাকা।
সেই সময় আমাকে পটের দুধ খাইয়ে, অন্যের বাসায় রেখে মা যেতেন বাগানে কাজ করতে।
২০০৭ সালে আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি। মায়ের মজুরি তখন ৮৮ টাকা। এক দিন বললেন, ‘বাজারে গিয়ে পাঁচ কেজি চাল নিয়ে আয়।’ সেই চাল দিয়ে এক মাস চলেছে আমাদের। পরদিন সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে দেখি মা চাল ভাজলেন। পলিথিনে সেই ভাজা চাল, আটার রুটি আর লাল চা একটা বোতলে ভরে গামছায় প্যাঁচালেন। আর আমাকে আটার রুটি ও লাল চা দিলেন। দুপুরে খেতে গিয়ে দেখি শুধু পেঁয়াজ, শুকনা ভাত, তেল আর লবণ আছে। তা দিয়ে মেখে খেলাম। রাতেও কোনো তরকারি ছিল না। তখন পাশের বাসার কাকু আমাকে ডেকে কুমড়া আর আলু দিয়েছিলেন, যা দিয়ে আমরা দুইটা দিন পার করেছিলাম। তখন কুপি বাতির আলোয় পড়তাম। মা আগেই রেডি করে দিতেন বাতি। তেল শেষ হয়ে গেলে আর পড়া হতো না। দোকানদার বাকিতে তেল দিতেন না।
পঞ্চম শ্রেণির পর ভর্তি পরীক্ষায় পাস করে ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন স্কুলে পাঁচ বছরের জন্য ফ্রি পড়ালেখার সুযোগ পাই। মা অনেক খুশি হয়েছিলেন। তখন তাঁর সামান্য আয়ের একটা অংশ থেকে আমাকে টিফিন খাওয়ার জন্য প্রতি সপ্তাহে ৭০-৮০ টাকা দিতেন।
২০১৩ সালে বিএএফ শাহীন কলেজে ভর্তি হই। তখন মা ১০২ টাকা করে পেতেন। এই সময়ে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে কিস্তি তুলে আমার ভর্তির টাকা, ইউনিফর্ম আর বই-খাতা কিনে দিয়েছিলেন।
২০১৪ ডিসেম্বর। মায়ের হাতে টাকা নেই। তখন এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন চলছিল। মা ৫০ টাকার একটা নোট দিয়ে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বলেছিলেন, ‘কেউ ধার দেয়নি রে বাপ।’ কলেজের এক শিক্ষকের কাছ থেকে ধার নিয়ে সেবার রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়েছিলাম।
এইচএসসির পর ভর্তি পরীক্ষার কোচিং। মা তখন আবার লোন নিলেন গ্রামীণ ব্যাংক থেকে। লোনের কিস্তির জন্য এই সময় মা বাড়ি থেকে অনেক দূরে গিয়ে বালু শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। বিনিময়ে পেতেন ৩০০ টাকা। আমি জানতাম ঘরে চাল নেই। শুধু আলু খেয়েই অনেক বেলা কাটিয়েছিলেন মা।
এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেলাম। মা তখন কী যে খুশি হয়েছিলেন! কিন্তু ভর্তির সময় যত ঘনিয়ে আসছিল, মায়ের মুখটা তত মলিন দেখাচ্ছিল। কারণ চা-বাগানে কাজ করে যা পান তা দিয়ে তো সংসারই চলে না। ভর্তির টাকা দেবেন কোথা থেকে। পরে এলাকার লোকজন চাঁদা তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে সহায়তা করল। বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশনি করেই চলতাম। হলের ক্যান্টিনে ২০ টাকার সবজি-ভাত খেয়েই দিন পার করেছি। অনেক দিন সকালে টাকার অভাবে নাশতাও করতে পারিনি। দুর্গাপূজায় কখনো একটা নতুন জামা কিনতে পারিনি।
২০১৮ সালে শ্রেষ্ঠ মা হিসেবে উপজেলায় মাকে সম্মাননা দেওয়া হবে বলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জানানো হয়। পরে মায়ের নামটা কেটে দেওয়া হয়েছিল। খোঁজ নিয়ে জেনেছি, মা আমার চা শ্রমিক। স্টেজে উঠে নাকি কিছু বলতে পারবেন না। তাই নাম কেটে দিয়েছে! মা এখনো প্রতিদিন সকালে একটা বোতলে লবণ, চা-পাতা ভর্তা, আটার রুটি, সামান্য ভাত পলিথিনে ভরে নিজের পাতি তোলার গামছায় মুড়িয়ে নিয়ে দৌড়ান চা-বাগানে। আট ঘণ্টা পরিশ্রম করে মাত্র ১২০ টাকা মজুরি পান! এই মজুরিতে কিভাবে চলে একজন শ্রমিকের সংসার? আজকাল মায়ের শরীর আর আগের মতো সায় দেয় না।
বলেন, ‘তোর চাকরি হইলে বাগানের কাজ ছেড়ে দেব।’ আমি এখন সেই দিনের প্রতীক্ষায় আছি....!
-সন্তোষ রবিদাস অঞ্জন,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

https://www.kishoralo.com/%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%A1%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0...
06/08/2022

https://www.kishoralo.com/%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%A1%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8B

ছোটবেলায়, মানে স্কুলে পড়ার সময় তেমন একটা বই পড়ার অভ্যাস ছিল না আমার। সে সময় ব্যাডমিন্টন, ক্রিকেট এসব খেলা নিয়ে ব্য.....

বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে নতুন করে চেনালো দুই তরুণ সাজিদ আসবাত খন্দকার এবং সৌরদীপ পাল। আন্তর্জাতিক বিতর্ক চ্যাম্পিয়নশিপ-এ...
28/07/2022

বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে নতুন করে চেনালো দুই তরুণ সাজিদ আসবাত খন্দকার এবং সৌরদীপ পাল। আন্তর্জাতিক বিতর্ক চ্যাম্পিয়নশিপ-এ ইতিহাসে প্রথমবারের মত বাংলাদেশের কোন টিম চ্যাম্পিয়ান হয়েছে! শুধুমাত্র বাংলাদেশের প্রথম টিম না, এশিয়ার প্রথম দল হিসেবেও তাদের এই অর্জন।

‘বিতর্কের বিশ্বকাপ’ খ্যাত World Universities Debating Championship (WUDC)-প্রতিযোগিতায় ৪০০+ টিমকে পেছনে ফেলে, হার্ভার্ড, অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ, শিকাগোর মত বিশ্ববিদ্যালয় টিমগুলোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির এই দুই তরুণ। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য প্রচন্ড গর্বের দিন আজ।

অভিনন্দন
Sajid Asbat Khandoker আর Sourodip Paul বাংলাদেশের জন্য এটা একটা ইতিহাস।

May 2022 be the best year of your life. May the new year bring much happiness and success to you and your loved ones. Le...
31/12/2021

May 2022 be the best year of your life. May the new year bring much happiness and success to you and your loved ones. Let's focus to make a positive impact on the world.
HAPPY NEW YEAR 2022.

১৬ ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসবিনম্র শ্রদ্ধা জানাই মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিম...
16/12/2021

১৬ ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস
বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের মহান স্বাধীনতা । যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম হয়েছে একটি স্বাধীন দেশের, এবং আমরা পেয়েছি লাল সবুজের চেতনা দীপ্ত একটি পতাকা।

বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ।
ধন্যবাদ Mesbah Sumon ভাই।

Address

House # 412, Flat # B-6 3rd Floor, Munshibari Road, Ibrahimpur, Mirpur, P. S/Kafrul
Dhaka
1206

Telephone

+8801731334347

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M. S Islam Shaheen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to M. S Islam Shaheen:

Share