Al-Qasas القصاص

Al-Qasas القصاص Al-Qasas's mission is to educate all people, regardless of religious affiliation about the story of Muslims of the past. Al-Qasas - True History of Islam

Great feats have been achieved by Muslims throughout the world for the past 1400 years and they deserve to be recognized.

29/01/2024

🕋 পবিত্র রমজান মাসের ১৪ দিনের স্পেশাল ওমরাহ প্যাকেজঃ
🕋 প্যাকেজে যা থাকবে:
☑️ ডাইরেক্ট ফ্লাইট
☑️ ট্রানজিট ফ্লাইট
☑️ ভিসা ও ট্রান্সপোর্ট
☑️ হোটেল,মক্কা (৩০০-৪০০মিটার ), মদিনা ( ১৫০-২০০ মিটার )
☑️দেশীয় খাবার
☑️মক্কা -মদিনা দর্শনীয় স্থান জিয়ারাহ
☑️রিয়াদুল জান্নাত পারমিট
☑️তায়েফ দর্শনীয় স্থান জিয়ারাহ
☑️হজ্জ-ওমরাহ পালনে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মোয়াল্লিম ।
🕋 ইনশাআল্লাহ,
জনতা হজ্ব কাফেলা এন্ড ট্রাভেলস, হাজীদের নিরলশ খেদমতে ও কমিটমেন্ট রক্ষায় সদা প্রস্তুত থাকবে I
🕋 ইনশাআল্লাহ,
পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য আগ্রহীগণ যোগাযোগ করুন :
জনতা হজ্ব কাফেলা এন্ড ট্রাভেলস
☎️ হটলাইন : 01580-560090, 01627-522444, 01930-900300
🟥ঠিকানা: জনতা টাওয়ার, ১/৪, ব্লক-ই, সাত মসজিদ রোড, ঢাকা-১২০৭।
৩য় তলা, মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ড ( প্রিমিয়ার ব্যাংক লিঃ এর উপরে )





29/01/2024
29/01/2024
উসামা ইবনে যায়েদ রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল৷ (সাঃ) সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন। এ ব্যাপারে রাসূল (সাঃ) কে জিজ...
02/06/2022

উসামা ইবনে যায়েদ রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল৷ (সাঃ) সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন। এ ব্যাপারে রাসূল (সাঃ) কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, " বান্দাদের আমল সোমবার ও বৃহস্পতিবারে আল্লাহর সামনে পেশ করা হয়"। --আবু দাউদ

21/05/2022

ইসমে আজম : মনের আশা পূরণ হওয়ার দোয়া

ইসলামী শরীয়তে যেসব খাবার হারাম পবিত্র, স্বাস্থ্যসম্মত ও উপকারী সবধরনের খাবার গ্রহণে ইসলাম উৎসাহ দিয়েছে। যেসব খাবার অপবিত...
10/05/2022

ইসলামী শরীয়তে যেসব খাবার হারাম

পবিত্র, স্বাস্থ্যসম্মত ও উপকারী সবধরনের খাবার গ্রহণে ইসলাম উৎসাহ দিয়েছে। যেসব খাবার অপবিত্র ও অবৈধ তা ইসলাম নিষিদ্ধ করেছে।

সাধারণত যেসব খাবার আমরা গ্রহণ করে থাকি, তা দুই প্রকার। একটি পশু-পাখি, অপরটি উদ্ভিদ ও শাকসবজি। এসব খাবারের ভেতর কী কী হারাম বা জায়েজ নেই- তা জেনে রাখা জরুরি।

পশুপাখির ক্ষেত্রে কিছু নিদর্শন ও বিধি-বিধান লক্ষ্য করলে হালাল-হারাম নির্ণয় করা সহজ। যে প্রাণীতে হারামের কোনো চিহ্ন পাওয়া যাবে, তা খাওয়া জায়েজ নেই।

দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র জন্তু : যেমন- বাঘ-সিংহ, নেকড়ে বাঘ, চিতা বাঘ, হাতি, কুকুর, শিয়াল, শূকর, বিড়াল, কুমির, কচ্ছপ, সজারু ও বানর ইত্যাদি।

পাঞ্জাধারী হিংস্র পাখি : যেমন, ঈগল, বাজ, শ্যেন, পেঁচা ইত্যাদি। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) দাঁতবিশিষ্ট প্রত্যেক হিংস্র জন্তু ও নখ দিয়ে শিকারকারী প্রত্যেক হিংস্র পাখি খেতে নিষেধ করেছেন। ’ (মুসলিম, হাদিস নং : ১৯৩৪)

নির্দিষ্ট কিছু পশু : নির্দিষ্টভাবে যেসব পশু খেতে নিষেধ করা হয়েছে, তা খাওয়া হারাম। যেমন, গৃহপালিত গাধা। জাবের (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) খায়বরের দিন গৃহপালিত গাধা খেতে নিষেধ করেছেন এবং ঘোড়ার গোশত খেতে অনুমতি দিয়েছেন।’ (বুখারি, হাদিস : ৪২১৯; মুসলিম, হাদিস : ১৯৪১)

আরেকটি উদাহরণ, শূকর। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃতপ্রাণী, রক্ত ও শূকরের গোশত।’ (সুরা মায়েদা, আয়াত : ৩)

নোংরা ও নাপাক কোনো কিছু : আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘তাদের জন্য তিনি (রাসুল) পবিত্র বস্তু হালাল করেন আর অপবিত্র বস্তু হারাম করেন।’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ১৫৭)

যেমন- মৃত জন্তু, পোকা-মাকড়, কীট-পতঙ্গ, প্রবাহিত রক্ত এবং সেসব খাবারে কোনো প্রকার উপকার নেই যেমন বিষ, মদ, খড়কুটা, মাদকদ্রব্য, তামাক ও অন্যান্য নেশজাতীয় দ্রব্য ইত্যাদি।

শরীয়তকর্তৃক নিষিদ্ধ প্রাণী : যেসব প্রাণী হত্যা করতে শরিয়ত নিদের্শ দিয়েছে বা যেসব প্রাণী হত্যা করতে নিষেধ করেছে, তা খাওয়া হারাম। যেমন- ইঁদুর, সাপ, টিকটিকি, বিচ্ছু, কাক, চিল ইত্যাদি। কারণ, হাদিসে এগুলোর বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। ইসলামকর্তৃক নিষিদ্ধ প্রাণীও হারাম; যেমন- হুদহুদ, দোয়েল, ব্যঙ, পিঁপড়া ও মৌমাছি ইত্যাদি।

জবাইয়ে আল্লাহ নাম না নিলে : আল্লাহ নাম নেওয়া ছাড়া জবাইকৃত হালাল পশুপাখিও হারাম। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর তোমরা তা থেকে আহার করো না যার উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়নি এবং নিশ্চয় তা সীমালঙ্গন।’ (সুরা আন-আম, আয়াত : ১২১)

অশুদ্ধভাবে জবাই হলে : হালাল প্রাণী জবাই শুদ্ধ না হলে, জবাইকৃত সে প্রাণীও হারাম। আবার জীবিত প্রাণী থেকে আলাদা করা গোশতও মৃত প্রাণীর মতো হারাম। জবাই করার কিছু ইসলামী নিয়ম-নীতি ও শর্ত রয়েছে। সেগুলো পূর্ণ না হলে, জবাইকৃত হালাল জন্তুও হারাম হয়ে যায়। যেমন- গরুর গলার নিচে জবাই করা বিধান; পাশাপাশি নির্দিষ্ট পরিমাণ রগ কাটাও হালাল হওয়ার পূর্বশর্ত। শর্ত পাওয়া না গেলে জবাইকৃত জন্তুও হারাম হয়ে যায়।

নোংরা পোকামাকড় : আর নাপাক বস্তু থেকে সৃষ্ট পোকা-মাকড় এবং যার শরীরে প্রবাহিত রক্ত নেই, সেগুলোও নাপাক। যেমন- তেলাপোকা ইত্যাদি।

মৃত প্রাণী ও প্রবাহিত রক্ত : সব ধরনের মৃত প্রাণী এবং প্রবাহিত রক্ত হারাম। তবে দুই ধরনের মৃত প্রাণী ও রক্ত হালাল। রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমাদের জন্য দু’প্রকার মৃত প্রাণী ও দু’প্রকার রক্ত হালাল করা হয়েছে। মৃত প্রাণী হলো, মাছ ও পঙ্গপাল। আর রক্ত হলো, কলিজা ও প্লীহা।’ (মুসনাদ আহমদ, হাদিস : ৫৭২৩; ইবনু মাজাহ, হাদিস : ৩২১৮)

হারাম ভক্ষণকারী জন্তু : যেসব পশু বা পাখির অধিকাংশ খাদ্যই নাপাক, সেগুলোর ওপর আরোহণ করা, সেগুলোর গোস্ত-ডিম খাওয়া এবং দুধ পান করা হারাম।

খাদ্য ও পানীয়ের মূল প্রকৃতি হচ্ছে বৈধ ও হালাল হওয়া। সে সূত্রে বিভিন্ন উদ্ভিদ, ফল, শস্য ইত্যাদি থেকে তৈরিকৃত পানীয় হালাল। তবে যত ধরনের খাবার ও পানীয় নেশা তৈরি করে, তা খাওয়া বা পান করা জায়েজ নেই। যেমন, গাঁজা, আফিম, ইয়াবা, বিয়ার, শ্যাম্পেইন, হেরোইনসহ এ জাতীয় অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য।

এছাড়াও যা কিছু শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর, তাও জায়েজ নেই। যেমন- বিষ, সিগারেট ও এ জাতীয় অন্যান্য খাবার ও পানীয়। যেগুলোর ক্ষতি ও অপকারিতা সবার কাছে স্পষ্ট।





Address

88 Motijheel Road
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-Qasas القصاص posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Al-Qasas القصاص:

Share