10/12/2023
একটা সিনারিও চিন্তা করুন।
ধরুন, হ/ম\স বললো তাদের লড়াইয়ের উদ্দেশ্য শরীঅ।হ প্রতিষ্ঠা না। তারা সেক্যুলার ওয়েতে দেশ চালানোর ঘোষণা দিলো এবং ইস্র\ইলকে মেনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। বিনিময়ে ইস্র\ইল ও আমেরিকা তাদেরকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিলো। যুদ্ধ বন্ধ হয়ে গেলো। আর কোনো মুসলিমদের মৃত্যু হলো না।
মুসলিমরা অন্তত মারা যাচ্ছে না, তারা খাবার-পানি পাচ্ছে, আপনি কি এ আউটকামে খুশী হবেন?
যদি আপনার জবাব 'হ্যাঁ' হয়, তাহলে ভাই, মুসলিম হিসেবে আপনার ঈমান-আক্বীদাহ ও আন্ডারস্ট্যান্ডিং এ সিরিয়াস সমস্যা আছে। আল্লাহর ওয়াদা, আখিরাতের বাস্তবতা, সাফল্যের সংজ্ঞা নিয়ে আপনার আলাদাভাবে ভাবা উচিত, পড়ালেখা করা উচিত, ঈমান বৃদ্ধি করা উচিত।
মুসলিম হিসেবে আমাদের বাস্তবতা, বিজয় ও সাফল্যের কনসেপ্ট পুরোপুরি ভিন্ন। আমাদের জন্য দুঃখ-দূর্দশা আসলেই সেটা পরাজয় না, অনেক বিলাসী জীবন কাটালেই সেটা মুক্তি না। নাস্তিকদের চিন্তা এমন হতে পারে। কিন্তু আমাদের চূড়ান্ত বিজয় দুনিয়ায় না, বরং আখিরাতে। কারণ দুনিয়ার যেকোনো কিছু দুনিয়ার মতই ক্ষণস্থায়ী।
তাই আবু সুফিয়ান (পরে ইসলাম গ্রহণ করেন) উহুদের পরে যখন বলছিলো, "হে মুহাম্মদ! তোমরা একটাতে বিজয় অর্জন করেছো, আমরা একটাতে। সমান সমান হলো।" এর জবাবে তখন উমর রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, "আমাদের মৃতরা জান্নাতে যাবে, তোদের মৃতরা যাবে জাহান্নামে। আমাদের মাওলা আছে, তোদের মাওলা নেই। আমরা কখনোই সমান না।"
অর্থাৎ, মুমিন ও বাকিরা সমান না। দুনিয়ার পরাজয়ই পরাজয় না।
তাহলে দুনিয়ার এ দুঃখ-দূর্দশার ফলাফল কী? কখন বোঝা যাবে এটা রাহমাহ না আযাব? এ ব্যাপারে ইমাম ইবনে তাইমিয়া বলেন, "যদি কোনো কষ্ট কাউকে আল্লাহর কাছে আনে, সেটাই তার জন্য রাহমাহ। আর যদি কোনো বিলাসিতাও তাকে আল্লাহ থেকে দূরে নিয়ে যায়, তাহলে সেটা তার জন্য আযাব।"
শান্তিতে থাকতে পারা, মৌলিক অধিকার পাওয়া জরুরি নিঃসন্দেহে। কিন্তু পশুর মত এগুলোই আমাদের চূড়ান্ত মাক্বসাদ না। যেকোনো পরিস্থিতিতে আল্লাহর আনুগত্য করে, তার রজ্জু আরো আঁকড়ে ধরে আখিরাতে জান্নাত অর্জন করাটাই হবে মুমিনের চূড়ান্ত লক্ষ্য। সেটাই আসল সাফল্য।
তাই তো সন্তানের লাশ কোলে নিয়ে ফি[লি]*তিনি বাবা বলতে পারে, "কাবার রবের শপথ! আমরা সফল হয়েছি।"
collected