Iskcon Youth Forum Bangladesh

Iskcon Youth Forum Bangladesh Hare Krishna everyone.

শ্রীল গৌরকিশোর দাস বাবাজী মহারাজের তিরোভাব তিথি! শ্রীল গৌরকিশোর দাস বাবাজী মহারাজ আমাদের জন্য একটি ব্যবহারিক দৃষ্টান্ত দ...
04/11/2022

শ্রীল গৌরকিশোর দাস বাবাজী মহারাজের তিরোভাব তিথি!

শ্রীল গৌরকিশোর দাস বাবাজী মহারাজ আমাদের জন্য একটি ব্যবহারিক দৃষ্টান্ত দিয়ে গেছেন-তিনি শৌচালয়ের পাশে বসে হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করতেন। বহু বিষয়াসক্ত ব্যক্তি এসে তাঁকে বিরক্ত করত এবং তাঁর দৈনন্দিন জপে বাধা দিত, তাই তাদের সঙ্গ এড়ানোর জন্য তিনি শৌচালয়ের পাশে গিয়ে বসতেন, যে স্থানটি নোংরা ও পূতিগন্ধময় বলে বিষয়াসক্ত ব্যক্তিরা সেখানে যেত না। কিন্তু গৌরকিশোর দাস বাবাজী মহারাজ এমনই একজন মহান ব্যক্তি ছিলেন যে, ওঁ বিষ্ণুপাদ শ্রীশ্রীমৎ ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী মহারাজের মতো একজন মহাপুরুষ তাঁকে গুরুরূপে বরণ করেছিলেন।
ভক্তিবেদান্ত তাৎপর্য, শ্রীমদ্ভাগবত ৪.২.১৮
----------🌹🌹----------
একদিন একজন ভক্ত কিছু মিষ্টি মহাপ্রভুকে ভোগ দিয়ে শ্রীল বাবাজী মহারাজের নিকট নিয়ে গেলেন এবং তা গ্রহণ করবার জন্য প্রার্থনা জানালেন। বাবাজী মহারাজ বললেন—যারা মাছ খায়, ব্যভিচার করে কিংবা অন্য কোন অভিলাষ নিয়ে মহাপ্রভুকে ভোগ দেয়, তাদের হাতে মহাপ্রভু খান না। তা প্রসাদ হয় না।

শ্রীল বাবাজী মহারাজ স্বয়ং চাল ভিক্ষা করে তা রান্না করে ভোগ দিয়ে নিজে গ্রহণ করতেন। কখনও অন্যের দেওয়া কোন জিনিষ গ্রহণ করতেন না। কোন সময় তিনি বর্ষাকালে ফুলিয়া নবদ্বীপের ধর্মশালায় কিছু দিন বাস করেন। কিছু প্রসাদ একটি ভাণ্ড করে রেখে দিয়েছেন। একটি সর্প তার পাশ দিয়ে চলে যায়, কোন মহিলা তা দেখতে পায়। যখন শ্রীল বাবাজী মহারাজ সেই প্রসাদ পেতে বসলেন, স্ত্রীলোকটি তথায় উপস্থিত হয়ে সর্পের কথা বলতে লাগল। বাবাজী মহারাজ বললেন মা এখান থেকে আপনি না গেলে আমি প্রসাদ গ্রহণ করব না। বাধ্য হয়ে স্ত্রীলোকটি চলে গেল। তখন বাবাজী মহারাজ বললেন—মায়ার কার্য্য দেখ। মায়া সহানুভূতির ছল নিয়ে কিরূপে ধীরে ধীরে প্রবেশ করতে চায়। মায়া বহুরূপিণী। জীবকে হরিভজন করতে বাধা দেয়।
#জয়_শ্রীল_প্রভুপাদ 🌹💐❤️🙏

"মঙ্গলময় ভীষ্ম পঞ্চক!জয়পতাকা স্বামীর পক্ষ থেকে,যারা ভীষ্ম পঞ্চক পালন করতে চান, তাদের ব্রতটি পূর্ণিমা তিথি পর্যন্ত ব্রত প...
03/11/2022

"মঙ্গলময় ভীষ্ম পঞ্চক!

জয়পতাকা স্বামীর পক্ষ থেকে,
যারা ভীষ্ম পঞ্চক পালন করতে চান, তাদের ব্রতটি পূর্ণিমা তিথি পর্যন্ত ব্রত পালন করা উচিত। এই বছর মায়াপুরে এই ব্রতটি ৪ ই নভেম্বর থেকে ৮ই নভেম্বর পর্যন্ত পালিত হচ্ছে। সাধারণত এই ব্রতটি পাঁচদিনের। আপনাদের রাধাকৃষ্ণ বিগ্রহ অথবা অন্য যেকোন বিগ্রহকে ঘৃত প্রদীপ এবং ফুল নিবেদন করা উচিত। প্রথম দিন ভগবানের শ্রীচরণপদ্মে পদ্মফুল নিবেদন করা হয়। দ্বিতীয় দিন ঊরুতে বেলপাতা নিবেদন করা হয়। তৃতীয়দিন ভগবানের নাভিদেশে গন্ধদ্রব্য নিবেদন করা হয়। চতুর্থদিন ভগবানের স্কন্ধে জবাফুল নিবেদন করা হয়। আর পঞ্চমদিনে ভগবানের মস্তকে মালতীফুল নিবেদন করা হয়। যদি আপনি গঙ্গায় স্নান করতে এবং তর্পণ করতে যেতে না পারেন, তাহলে আপনি তিনবার "গঙ্গা" উচ্চারণ করতে পারেন এবং ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে তর্পণ, অর্ঘ্য এবং প্রণাম নিবেদন করার সময় নিম্নোক্ত তিনটি মন্ত্র উচ্চারণ করতে পারেন।

তর্পণ
ওঁ বৈয়াগ্রপদ্য গোত্রায়
সংস্কৃতি প্রবরায় চ।
অপুত্রায় দদাম্যেতৎ
সলিলং ভীষ্মবর্মণে।।

অর্ঘ্য
বসুনামাবতারায়
শান্তনোরাত্মজায় চ।
অর্ঘ্যং দদামি ভীষ্মায়
আজন্ম ব্রহ্মচারিণে।।

প্রণাম
ওঁ ভীষ্ম শান্তনবো বীরঃ
সত্যবাদী জিতেন্দ্রিয়ঃ।
অভিরদ্ভিরবাপ্নোতু
পুত্রপৌত্রচিতাং ক্রিয়াম্।।

আপনাদের শুভাকাঙ্ক্ষী সর্বদা,
জয়পতাকা স্বামী

ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত
================
ব্রতটি ৪ই নভেম্বর (শুক্রবার) একাদশীর দিন থেকে শুরু হয় এবং ৮ই নভেম্বর রাসপূর্ণিমার দিন পর্যন্ত চলবে (চাতুর্মাস্যের শেষ দিন, কার্তিক মাসের শেষ দিন, হাতি শোভাযাত্রার প্রথম দিন)। এই ব্রত রাসপূর্ণিমার দিন সূর্যাস্ত (অথবা চন্দ্রোদয়) পর্যন্ত সম্পন্ন হয়। সাধারণত একাদশীতে সম্পূর্ণ উপবাস এবং তারপর পরবর্তী চারদিন ফলমূল গ্রহণ করতে বলা হয়। অথবা কেউ পাঁচদিনই ফলমূল গ্রহণ করতে পারে।

ব্রতের ৩টি স্তর:
---------------------
ভক্তরা তাদের সুবিধামতো নিম্নোক্ত স্তরগুলোর যেকোনটি অনুসরণ করতে পারেন। এটি যেন তাদের সাধারণ ভক্তিমূলক সেবা ও দৈনন্দিন সাধনায় বিঘ্ন সৃষ্টি না করে।

১ম স্তর:
পঞ্চগব্যের একেকটি একেক দিনে গ্রহণ করা যেতে পারে।
১ম দিন: গোময়
২য় দিন: গোমূত্র
৩য় দিন: দুধ (ক্ষীর)
৪র্থ দিন: দধি
৫ম দিন: গোময়, গোমূত্র, দুগ্ধ, দধি ও ঘিয়ের মিশ্রণে তৈরি পঞ্চগব্য।

২য় স্তর:
যদি কেউ ১ম স্তর অনুসরণ করতে না পারেন তবে ফলমূল গ্রহণ করা যেতে পারে। যেসব ফলে প্রচুর বীজ রয়েছে যেমন - পেয়ারা, ডালিম, পেঁপে, শসা প্রভৃতি বর্জন করা উচিত। আলু, কাঁচাকলা বা মিষ্টিআলু সেদ্ধ করে গ্রহণ করা যেতে পারে। স্বাদের জন্য সৈন্ধব লবণ ব্যবহার অনুমোদিত। কাজুবাদাম, কিসমিস ও খেজুর গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে দুধ বা দুগ্ধজাত কোন দ্রব্য গ্রহণ করা যাবে না। নারকেল ও নারকেলের জল গ্রহণ করা যাবে।

৩য় স্তর:
যদি কেউ ২য় স্তর পালনে অসমর্থ হন তবে ""হবিষ্যান্ন"" গ্রহণ করতে পারেন।
উৎস: পদ্মপুরাণ, ব্রহ্মখণ্ড- ২৩ অধ্যায়; স্কন্দ পুরাণ, বিষ্ণুখণ্ড- কার্তিক মাহাত্ম্য- ৩২ অধ্যায়; গরুড় পুরাণ, পূর্বখণ্ড- ১২৩ অধ্যায়।

শ্রী শ্রী হরিভক্তিবিলাসের ১৩ অধ্যায়ের ১০-১৩ নং শ্লোকে হবিষ্যান্নের উপাদান উল্লেখ করা হয়েছে:
---------------------
নিম্নোক্ত উপাদানগুলো হবিষ্যান্ন তৈরিতে ব্যবহার করা যাবে। সাধারণত হবিষ্য চাল এবং মুগ ডাল দিয়ে তৈরি করা হয়। যারা একাদশী থেকে একাদশী পর্যন্ত চাতুর্মাস্য পালন করছেন, নিয়মানুযায়ী তাদের কার্তিক মাস একাদশী পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে, তাই তারা তাদের হবিষ্যে মুগ ডাল গ্রহণ করতে পারেন। যাইহোক, অধিকাংশ ভক্তগণ পূর্ণিমা থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত চাতুর্মাস্য ব্রত পালন করেন, তাই ভীষ্ম পঞ্চকের হবিষ্যে মুগ ডাল অনুমোদিত হবে না। সকল প্রকার তেল পরিত্যাজ্য।

* আতপ চাল
* ঘি
* সৈন্ধব লবণ
* পাকা কলা
* কাল শাক
* গম
* বার্লি

এই উপাদানগুলোও গ্রহণ করা যেতে পারে:
* ফল (স্কন্দপুরাণের নাগরখণ্ডে অবশ্যই একটি ছোট বীজের অথবা কম বীজপূর্ণ ফলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে)
* আম
* কাঁঠাল
* লাবালী ফল
* কেয়া ব্যতীত সকল মূল
* পিপলী
* হরিতকি
* আমলকি
* নারঙ্গ
* ইক্ষুদ্রব্য (গুড় ব্যতীত)
* ননীপূর্ণ গোদুগ্ধ

নিম্নবর্ণিত দ্রব্যগুলো হবিষ্যান্নের অন্তর্ভুক্ত হলেও তা কার্তিক মাসে বর্জন করতে বলা হয়েছে:
* মুগ ডাল
* তিল তেল
* বেতো শাক
* সাত্ত্বিক শাক
* মূলা
* জিরা
* তেঁতুল

একজন ব্যক্তির প্রতিদিন গঙ্গার মত পবিত্র নদীতে স্নান করা উচিত। নিম্নলিখিত মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে তিনবার ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে তর্পণ করা উচিত:

তর্পণ মন্ত্র
(তর্পণ দেয়ার সময় উপবীতকে পেছনদিকে নিয়ে (যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) এবং উভয় হাতে জল নেয়া হয়। মন্ত্র উচ্চারণ করা হয় এবং দুই হাত ডানদিকে এবং নিচে কাত করে নিবেদন করা হয় যাতে জল ডান বৃদ্ধাঙ্গুলির নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এটি পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে নৈবেদ্য নিবেদনের একটি উপায়। আপনারা ভীষ্ম পঞ্চকে এটি ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে করেন।)

ওঁ বৈয়াগ্রপদ্য গোত্রায়
সংস্কৃতি প্রবরায় চ।
অপুত্রায় দদাম্যেতৎ
সলিলং ভীষ্মবর্মণে।।
অর্ঘ্য
বসুনামাবতারায়
শান্তনোরাত্মজায় চ।
অর্ঘ্যং দদামি ভীষ্মায়
আজন্ম ব্রহ্মচারিণে।।

প্রণাম
ওঁ ভীষ্ম শান্তনবো বীরঃ
সত্যবাদী জিতেন্দ্রিয়ঃ।
অভিরদ্ভিরবাপ্নোতু
পুত্রপৌত্রচিতাং ক্রিয়াম্।।

** যদি আপনার কাছাকাছি কোন পবিত্র নদী না থাকে:
যারা ""গঙ্গা, গঙ্গা, গঙ্গা"" উচ্চারণ করেন, তারা এই পবিত্র নদীতে স্নান করার সুফল লাভ করেন, যা যেকোন স্থানেই করা সম্ভব। ভক্তেরা নদী, হ্রদ অথবা সমুদ্রে স্নান করতে পারেন।

ভগবানের নিকট নিবেদন:
-------------------------
ভক্তরা নিম্নের ফুলগুলো বিগ্রহকে নিবেদন করতে পারেন:
১ম দিন- শ্রীবিগ্রহের শ্রীচরণে অবশ্যই পদ্মফুল,
২য় দিন- শ্রীবিগ্রহের উরুতে বিল্বপত্র,
৩য় দিন- শ্রীবিগ্রহের নাভিদেশে গন্ধদ্রব্য
৪র্থ দিন- শ্রীবিগ্রহের স্কন্ধদেশে জবাফুল ও বিল্বপত্র এবং
৫ম দিন- শ্রীবিগ্রহের মস্তকে মালতী ফুল নিবেদন করা উচিত।
যদি কখনো দু'টি তিথি একত্রে পড়ে তবে ঐদিন দুইদিনের উদ্দিষ্ট ফুলগুলো একই দিনে নিবেদন করতে পারেন।

** যদি আপনার নিকট ফুলগুলো না থাকে, তবে ভগবানের নির্ধারিত স্থানে নির্ধারিত ফুলগুলো আপনি মানসিকভাবে নিবেদন করতে পারেন।
উৎস: গরুড় পুরাণ"

নিম্নের প্রবচন এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ কর্তৃক শ্রীধাম মায়াপুরে ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ১০ই নভেম্বর প্রদত্ত হয়েছে। প্রবচনটি পদ্ম ভবনের ছাদে প্রদত্ত হয়েছে এবং এটি আগত ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত এবং তার আবশ্যক অঙ্গ সম্পর্কিত।
"৪ নভেম্বর ভীষ্ম পঞ্চকের প্রথম দিন। ভীষ্ম পঞ্চক একটি ঐচ্ছিক ব্রত, একাদশীর দিন থেকে শুরু হয়ে পূর্ণিমা পর্যন্ত থাকে। সাধারণত এটি ৫ দিনের হয়। এতে একটি বিশেষ খাদ্যতালিকা থাকে যে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি পঞ্চগব্য অথবা ফলমূল অথবা চাল, গম, বার্লি * এরকম অল্পকিছু দানাসহ হবিষ্যান্ন গ্রহণ করতে পারে। এই ব্রত কোন ব্যক্তিকে ভগবৎপ্রেম প্রদান করে। একজন ব্যক্তির মাধবের বিগ্রহকে পুষ্পও নিবেদন করা উচিত। একদিন তাঁর চরণকমলে পদ্মফুল নিবেদন করা হয়। প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন ফুল নিবেদনের নিয়ম রয়েছে।

প্রশ্ন: যাদের পিতা জীবিত তারাও কি তর্পণ করতে পারবে?
গুরুমহারাজ: আপনারা ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে তর্পণ করছেন, আপনাদের পূর্বপুরুষের উদ্দেশ্যে নয়।

প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি কতবার আহার গ্রহণ করতে পারে সেব্যাপারে কোন নিয়ম আছে কি?
গুরুমহারাজ: নির্ধারিত কোনকিছু বলা নেই।

প্রশ্ন: মন্দিরে ফুলগুলি পাওয়া যাবে কি?
গুরুমহারাজ: মাধব বিগ্রহের পুজারী ব্যবস্থা করবেন এবং আপনাদের বিগ্রহকে প্রদীপও নিবেদন করা উচিত। সকাল এবং সন্ধ্যায় গীতা ভবনে আমরা প্রসাদের আয়োজন করব।

ভীষ্ম পঞ্চক গোবিন্দের নিকট বিশেষ প্রিয় এবং আপনি অতি সহজেই কৃষ্ণভক্তি লাভ করতে পারেন। (ভক্তগণ: হরিবোল) এটি হরিভক্তিবিলাসে উল্লেখ করা আছে। এটি একটি ঐচ্ছিক ব্রত। আপনাকে পূর্ণিমার দিন সূর্যাস্তের পর এবং চন্দ্রোদয়ের সময় ব্রতের পারণ করতে হবে। তা প্রায় ৫ টায়। তো সেদিন আমরা বিকালের প্রসাদ পাইনা। কেননা ৫ টায় আমরা ব্রত শেষ করব। সেটি একটি মহাভোজ হবে। তো অধিকাংশ ব্যক্তি ফলমূল গ্রহণ করে। তাই আমরা আলু, মূল এবং ফল যেমন কলা, আপেল, কূল, পানিফল, খেজুর, বাদাম, আখরোট, হেলেনটস প্রদান করি। বিভিন্ন ফলের মত এগুলিও ফল হিসেবে বিবেচিত হয়। কাজু, চীনাবাদাম এগুলিও ফল হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রশ্ন: আখের রস কি গ্রহণ করা যাবে?
গুরু মহারাজ : আখের রস এবং ইক্ষুদ্রব্য যেমন মিছরি গ্রহণ করা যাবে। কিন্তু গুড় এবং মোলাসেস অনুমোদিত নয়।
যেহেতু উদ্দেশ্যটি হল আপনাদের নিয়মিত ভগবদ্ভক্তি চালিয়ে যাওয়া, এমন নয় যে, আমি উপবাস করছি তাই আমি কিছু করব না। যাদের ডায়াবেটিস আছে অথবা যারা সম্পূর্ণ উপবাস করতে পারবেন না তারা হবিষ্যান্ন পেতে পারেন। যে ব্যাপারটি চিত্তাকর্ষক সেটি হল, ভীষ্মদেব তাঁর পিতার কারণে বিয়ে না করার প্রতিজ্ঞা করেছেন। এর পেছনে পুরো একটি কাহিনী রয়েছে। তো প্রার্থনায় আছে, 'আজন্ম ব্রহ্মচারিণে', তো আমরা তাঁর জন্য তর্পণ করছি। তাঁর কোন সন্তান নেই, তিনি কখনো বিয়ে করেননি। তো এটি আশ্চর্যজনক যে, কীভাবে সারা ভারত এবং সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ ভীষ্মদেবের জন্য ভীষ্ম পঞ্চক করছেন এবং তারা তর্পণ করছেন, কিন্তু তাঁর কোন সন্তান নেই। এবং তিনি গঙ্গামাতার সন্তান। তাই যখন এখানে ভক্তেরা গঙ্গায় যান, গঙ্গাদেবী প্রসন্ন হন যে তাঁর পুত্র সম্মানপ্রাপ্ত হচ্ছেন।

প্রশ্ন: মাতাজীরা তর্পণ করতে পারেন?
গুরু মহারাজ : আমি যতদূর জানি তারা পারেন। আমি জানিনা। মন্ত্রসমূহের মধ্যে তর্পণ, অর্ঘ্য এবং প্রণাম রয়েছে। আমি মনে করি প্রত্যেকে প্রণাম এবং অর্ঘ্য প্রদান করতে পারে। কিন্তু তর্পণের ব্যাপারে ঐতিহ্য কী আমি জানিনা। প্রভুপাদ মাতাজীদের ব্রাহ্ম গায়েত্রী প্রদান করেছেন। যেটা সাধারণত করা হয়না। তিনি এমন কিছু করতেন যা ছিল ব্যতিক্রম।

প্রশ্ন: জেপিএস ওয়েবসাইটে কি এই ব্যাপারে ঘোষণা করা যায় যে, আমরা আমাদের ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত উদযাপনের ফল গুরুমহারাজকে নিবেদন করতে পারি কিনা? আমি কি এখানে সকল গুরুভ্রাতা ও গুরুভগ্নীকে এব্যাপারে অনুরোধ করতে পারি?

গুরু মহারাজ : আমি চাই আপনারা সকলে পারমার্থিক সুফল লাভ করুন। তো বলা হয়েছে যে, এর মাধ্যমে আপনারা কৃষ্ণের চরণকমল লাভ করবেন। (ভক্তগণ : হরিবোল) আমি ইতিমধ্যেই বলেছি, তারা নিজেদের জন্য ৪ বার এবং আমার জন্য ৪ বার তুলসী পরিক্রমা করতে পারে।

প্রশ্ন: একাদশীর দিন উপবাস করার পর পরেরদিন কী খেয়ে আমাদের পারণ করা উচিত? ফলমূল?

গুরু মহারাজ : আমরা একটি সংকল্প করি যে, আমরা ভীষ্ম পঞ্চক পালন করছি। সংকল্প করার মাধ্যমে এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। আপনি যদি হবিষ্যান্ন গ্রহণ করেন তবে দ্বিতীয় দিন দানা গ্রহণ করতে পারেন। ভক্তিচারু স্বামী দেখেন যে, এতে বহু বৈচিত্র্য রয়েছে। তো তিনি নির্জলা একাদশী পালন করেন। একাদশীর পরদিন তিনি জল গ্রহণ করেন। ১ম এবং ২য় স্তরের ক্ষেত্রে আপনি পাঁচ দিন দানা গ্রহণ করবেন না। এই অনুযায়ী আপনি পাঁচদিন দানা গ্রহণ করবেন না অর্থাৎ পাঁচদিন দানা নিষিদ্ধ।

তারপর ৫ম দিন আপনি ব্রতের পারণ করবেন। এবং আপনি যদি সত্যিই এব্যাপারে চিন্তিত হন, তবে আপনি নির্জলা করতে পারেন। "

 #বৈষ্ণব_কে ? 🌷🌷শ্রীচৈতন্য চরিতামৃতের আদিলীলা সপ্তম অধ্যায়ে ৫০ শ্লোকের তাৎপর্যে বলা হয়েছে - বৈষ্ণব হবেন বৃক্ষ অপেক্ষা ...
22/10/2022

#বৈষ্ণব_কে ? 🌷🌷

শ্রীচৈতন্য চরিতামৃতের আদিলীলা সপ্তম অধ্যায়ে ৫০ শ্লোকের তাৎপর্যে বলা হয়েছে - বৈষ্ণব হবেন বৃক্ষ অপেক্ষা সহিষ্ণু এবং তৃণ অপেক্ষা বিনীত।🌷
(১)
কিন্তু তবুও এই উপদেশ প্রদানকারী শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু দুষ্কৃতকারী জগাই এবংমাধাই এর অপকর্ম বরদাস্ত করেননি। তারা যখন নিত্যানন্দ প্রভুকে আঘাতকরে, তখন তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে তাদের সংহার করতে উদ্যত হন। শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর কৃপার ফলেই তারা রক্ষা পায়। 🌷
(২)
বৈষ্ণব অত্যন্ত সহনশীল এবং তিনি ক্রুদ্ধ হন না, কিন্তু কেউ যদি গুরুদেবকে অপমান করে বা অন্য কোন বৈষ্ণবকে অপমান করে, তাহলে তাঁরা ক্রোধে আগুনের মতো উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠেন।শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু স্বয়ং তা প্রদর্শন করে গেছেন। বৈষ্ণব নিন্দা কখনও সহ্য
করা উচিত নয়। কেউ যদি বৈষ্ণব নিন্দা করে, তাহলে যুক্তি-তর্কের দ্বারা তাকে স্তব্ধ করা উচিত। তা করতে না পারলে সেখানেই প্রাণত্যাগ করা উচিত এবং তাও করতে না পারলে সেখান থেকে চলে যাওয়া উচিত।🌷
(৩)
যদিও বৈষ্ণবেরা খুব বিনীত ও সহনশীল, সেটা দুর্বলতা নয়, বৈষ্ণবরা দুর্বল নন। তাঁরা বজ্রের মতো কঠোর, প্রয়োজনে তাঁরা সিংহের মতো হিংস্র হতে পারেন। শ্রীল প্রভুপাদ প্রায়ই বলতেন –“বৈষ্ণব হবেন গোলাপের
পাপড়ির মতো কোমল আবার তিনি হবেন বজ্রের মতো কঠোর।” তা থেকে দেখা যায় বৈষ্ণবেরা দুর্বল নন। 🌷
(৪)
শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক থেকেই বৈষ্ণবেরা অত্যন্ত তেজস্বী। অধ্যাত্ম শক্তিই তাঁদের শারীরিক তেজ যোগান দেয়।বৈষ্ণবদের কারো প্রতি অশ্রদ্ধাপরায়ণ হওয়া উচিত নয়। আবার অন্যের নিকট থেকে নিজের জন্য সম্মান দাবী করাও উচিত নয়। “অমানিন মানদেন।” বৈষ্ণব হবেন অদোষদর্শী। 🌷
(৫)
তিনি অন্যের দোষ দেখেন না। অবশ্যই প্রতিটি মানুষের মধ্যে ভাল গুণও আছে, দোষও আছে। সুতরাং বলা হয়েছে ‘সজ্জন গুণমিচ্ছন্ত্তি।' বৈষ্ণব অপরের গুণগুলিই কেবল দেখেন, দোষগুলি নয়। তিনি শুধু অন্যদের সদ্গুণগুলি দেখেন আর নিজের মধ্যে দোষ দেখেন। তিনি নিজের প্রতি অত্যন্ত কঠোর এবং নিজের ব্যাপারে সর্বদা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেন যে, তাঁর কি কি ত্রুটি রয়েছে।🌷

#জয়_শ্রীল_প্রভুপাদ 🌷
(সংগৃহীত গ্রন্থ বৈষ্ণব সদাচার) 🙏🏻🌷

হরে কৃষ্ণ, আগামীকাল রমা একাদশী।
20/10/2022

হরে কৃষ্ণ, আগামীকাল রমা একাদশী।

🌷দামোদর দীপদান উৎসব ২০২২ 🌷🌺তারিখ : ০৯ অক্টোবর হতে ০৮ নভেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত 🌺
06/10/2022

🌷দামোদর দীপদান উৎসব ২০২২ 🌷
🌺তারিখ : ০৯ অক্টোবর হতে ০৮ নভেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত 🌺

দামোদর মাসে কি কি করবেন ?✅
06/10/2022

দামোদর মাসে কি কি করবেন ?✅

।। শুভ মহালয়া ।।আজ শুভ মহালয়া, দেবী পক্ষের সূচনা। মাতা দুর্গা এবছর আসছেন গজে (হাতি) চড়ে এবং গমন করবেন নৌকায়। আর্টিকেলটি...
25/09/2022

।। শুভ মহালয়া ।।

আজ শুভ মহালয়া, দেবী পক্ষের সূচনা। মাতা দুর্গা এবছর আসছেন গজে (হাতি) চড়ে এবং গমন করবেন নৌকায়। আর্টিকেলটিতে অনেক অজানা তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, কৃপা করে শ্রবণ করুন।

|| সর্ব মঙ্গল মঙ্গল্যে সর্বাথসাধিকে
শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরি নারায়ণী নমোস্তু তে ||

ঐশ্বর্য্যপূর্ণ দক্ষরাজের নন্দিনী এবং বৈষ্ণবশ্রেষ্ঠ দেবাদিদেব ভোলানাথের ঘরণী (পত্মী) হচ্ছেন দুর্গাদেবী, যিনি হরি সহায়িনী তথা হরিভক্তি প্রদায়িনী।

শ্রীচন্ডি গ্রন্থের ৫/৭ বলা হয়েছে, "দেবীং বিষ্ণুমায়াং" অর্থাৎ ভগবান বিষ্ণুর মায়া শক্তি হচ্ছেন দুর্গাদেবী। আবার, দুর্গা শব্দটি দুর্গাবিশিষ্টা। দুর্গ শব্দের অর্থ কারাগৃহ। এই কারাগারসদৃশ জড়-জগতের যিনি কর্তা তিনিই হচ্ছেন দুর্গাদেবী।

অন্যদিকে, দেবী পার্বতী দেবতাদের অনুরোধে দুর্গম নামক এক অসুরকে বধ করেছিলেন বলে তাঁর নাম দুর্গা। বলা বাহুল্য, দুর্গম হল হিরণাক্ষপুত্র রুরুর বংশধর।

🔹অন্যান্য_নামঃ চন্ডিকা, অম্বিকা, বৈষ্ণবী, মহিষাসুর-সংহারিণী, নারায়ণী, মহামায়া, কাত্যায়নী, জগদ্ধাত্রী, গন্ধেশ্বরী, বনদুর্গা ইত্যাদি।

দেবী দুর্গার অনেকগুলো হাত রয়েছে। দুর্গাদেবীর রয়েছে অষ্টাদশভুজা, দশভুজা, অষ্টভুজা ও চর্তুভুজারূপ। তবে দশভুজা রূপটিই বেশি জনপ্রিয়। কারণ এই দশভুজা রূপেই মহিষাসুর নামে এক অসুরকে সংহার করেছিলেন।

🔸ঘটনার_বিবরণঃ মার্কন্ডেয়চন্ডীতে বর্ণিত কাহিনী অনুসারে, মহিষাসুরের প্রবল বিক্রমে দেবতারা স্বর্গ থেকে লাঞ্ছিত ও অত্যাচারিত হয়ে সেখান থেকে বিতারিত হন। পুরো ঘটনা তাঁরা জানান দেবাদিদেব মহাদেব, ভগবান বিষ্ণু এবং সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মাকে। তবে ব্রহ্মার বরে যেহেতু রম্ভাসুরের পুত্র মহিষাসুর সকল পুরুষের অবধ্য, সেই কারণে দেবতারা সিদ্ধান্ত নিলেন মহিষাসুরকে বধ করার জন্য প্রত্যেক দেবতা তাঁদের নিজ নিজ তেজ ত্যাগ করে একটি নারীমূতি সৃষ্টি করবেন।

🔹উৎপত্তির_উৎসঃ সেই ধারাবাহিকতায় মহাদেবের তেজে মুখ, যমের তেজে চুল, বিষ্ণুর তেজে বাহু, চন্দ্রের তেজে স্তন, ইন্দ্রের তেজে কটিদেশ, বরুণের তেজে জঙ্ঘা ও উরু, পৃথিবীর তেজে নিতম্ব, ব্রহ্মার তেজে পদযুগল, সূর্যের তেজে পায়ের আঙ্গুল, বসুগণের তেজে হাতের আঙ্গুল, কুবেরর তেজে নাসিকা, প্রজাপ্রতির তেজে দাঁত, অগ্নির তেজে ত্রিনয়ন, সন্ধ্যার তেজে ভ্রু, বায়ুর তেজে কান এবং অন্যান্য দেবতাদের তেজে শিবারূপী দুর্গার সৃষ্টি হল।

তারপর দেবতারা দুর্গাদেবীকে একে একে বস্ত্র, পোশাক ও অস্ত্র দান করলেন........

🔸দিব্য_অস্ত্রঃ দেবাদিদেব মহাদেব দেবী দুর্গাকে দিলেন শূল, ভগবান বিষ্ণু দিলেন চক্র, বরুণের কাছ থেকে পেলেন শঙ্খ, তারপর অগ্নির কাছ থেকে শক্তি, বায়ুর কাছ থেকে ধনু ও বাণপূর্ণ তূণীর, ইন্দ্রের কাছ থেকে বজ্র, ঐরাবতের কাছ থেকে ঘন্টা, যমের কাছ থেকে কালদন্ড, ব্রহ্মের কাছ থেকে অক্ষমালা ও কমন্ডল, সূর্যের কাছ থেকে রশ্নি, কালখক্ষ ও নির্মল চর্ম, ক্ষিরোদ সাগর দিলেন অক্ষয়বস্ত্রসহ বিভিন্ন অলঙ্কার ও আভরণ। বিশ্বকর্মা দিলেন পরশুসহ নানাবিধ অস্ত্র, অভেদ্য কবচমালা, হিমালয় দিলেন সিংহ, কুবের দিলেন অমৃতের পানপাত্র এবং শেষনাগ দিলেন নাগহার। এভাবে তিনি হয়ে উঠলেন দেবতাদের সম্মলিত শক্তির প্রতিরূপ।

🔹জানা_অবশ্যঃ দেবী দুর্গা কুড়ি প্রকার দিব্য অস্ত্রে সজ্জিত। তাঁর ডান পাশে রয়েছে শূল, খক্ষ, শঙ্খ, চক্র, বাণ, শক্তি, বজ্র, অভয়, ডমরু এবং ছাতা এবং বাম পাশে নাগপাশ, খেটক, পরশু, অঙ্কুশ, ধনুক, ঘন্টা, পতাকা, গদা, অায়না এবং মুগর বিদ্যমান।

অতঃপর, দিব্য অস্ত্রে সজ্জিত দেবী দুর্গা এবং মহিষাসুরের মাঝে যুদ্ধ শুরু হয়। মহিষাসুরের সঙ্গে ৯ দিন ৯ রাত যুদ্ধ করার পর দশম দিনে তার বিরুদ্ধে জয়লাভ করেন দুর্গাদেবী।

শ্রীশ্রীচন্ডীর কাহিনী অনুসারে, আশ্বিন মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে দেবী দুর্গা আবির্ভূতা হন এবং শুল্কা দশমীতে মহিষাসুরকে বধ করেন। মূলত বিজয়া দশমী সেই বিজয়কেই চিহ্নিত করে।

এখন আসি, দুর্গাপূজা সম্পর্কিত নানা বিষয়ে.......

দুর্গাপূজা মূলত শক্তির অধিষ্ঠাত্রী পার্বতীদেবীর দুর্গা রূপের উপাসনার উৎসব। দুর্গাপূজার প্রচলন সর্বপ্রথম হয় সত্যযুগে। সত্যযুগের রাজা সুরথ এবং বৈশ্য সমাধি কর্তৃক বসন্ত ঋতুতে প্রথম দুর্গোৎসব শুরু হয়েছিল। (মার্কন্ডেয়চন্ডী)

🔸সময়কালঃ সাধারণত বছরে দু'বার দুর্গোৎসবের প্রথা রয়েছে। আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষে শারদীয়া এবং চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষে বাসন্তী দুর্গাপূজা।

🔹বাংলায়_প্রথমঃ জনশ্রুতি আছে, রাজশাহীর তাহিরপুরের রাজা কংসনারায়ণ প্রথম মহাআড়ম্বরে শারদীয়া দুর্গাপূজার সূচনা করেছিলেন।

🔸পূজোর_তিথিঃ সাধারণত আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠদিন তথা দেবীপক্ষী থেকে দশমী পর্যন্ত হয়ে থাকে এই দুর্গোৎসব। তবে অষ্টমী তিথিতে এক কুমারী মেয়েকে মাতৃরূপে পূজা করা হয়, একে কুমারীপূজা বলে। তবে পূর্ববর্তী অমাবস্যার দিন এই দেবীপক্ষের সূচনা হয়, একে "মহালয়া" বলা হয়ে থাকে আর পূর্ণিমার দিনটিকে লক্ষ্মী পূজার দিন হিসেবে গণ্য করা হয়।

👉🏾Year→ ২৫শে সেপ্টেম্বর 2022 মহালয়া।
(দেবীপক্ষের সূচনা), ১অক্টোবর ।
(ষষ্ঠী), ২ অক্টোবর ।
(সপ্তমী), ৩ অক্টোবর ।(অষ্টমী), ৪ অক্টোবর ।
(নবমী), ৫ অক্টোবর ।
(দশমী),৬ অক্টোবর।

🔸চূড়ান্ত_সিদ্ধান্তঃ ভগবদ্গীতায় চর্তুথ অধ্যায়ের দ্বাদশ শ্লোকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন,

[ কাঙ্ক্ষন্ত: কর্মণাং সিদ্ধিং যজন্ত ইহ দেবতা ]

অর্থাৎ, সকাম কর্মের সিদ্ধি লাভের জন্য লোকেরা বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজা করে থাকে। বলা বাহুল্য, সকাম কর্মের ফল খুব তাড়াতাড়ি লাভ হয় তবে মনে রাখবেন সেটা ক্ষণস্থায়ী।

ব্যক্তিগত_উপলব্ধিঃ আমরা যদি জড় কামনা-বাসনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যেই কেবল দেবদেবীর পূজা করে থাকি, তবে সেটা নিশ্চক কপটতা ছাড়া আর কিছুই নয়। আমরা বিভিন্ন দেব-দেবীর কাছে অবশ্যই একটা জিনিসই চাইব সেটা হলো-- "তাঁরা যেন আমাদের কৃষ্ণভক্তি বা কৃষ্ণপ্রীতি দান করেন।"

|| আত্মেন্দ্রিয় প্রীতি বাঞ্ছা তারে বলি কাম
কৃষ্ণেন্দ্রিয় প্রীতি ইচ্ছা ধরে প্রেম নাম ||

[চৈতন্যচরিতামৃত আদিলীলা, ৪/১৬৫]
----------------------------------------------

(সংগ্রহ: শ্রীপাদ মুকুন্দ ভক্তি প্রভুর নিকট থেকে)

আগামীকাল একাদশী।
20/09/2022

আগামীকাল একাদশী।

🚩🚩🚩হরিবল 🙏🙏🙏বিশ্ব হরিনাম দিবস(যেদিন শ্রীল প্রভুপাদ আমেরিকার বোস্টন বন্দরে পোঁছেছিলেন)।হরিনাম বিশ্ব পরিমন্ডলে পোঁছানোর দি...
17/09/2022

🚩🚩🚩হরিবল 🙏🙏🙏
বিশ্ব হরিনাম দিবস(যেদিন শ্রীল প্রভুপাদ আমেরিকার বোস্টন বন্দরে পোঁছেছিলেন)।হরিনাম বিশ্ব পরিমন্ডলে পোঁছানোর দিন।
মহাপ্রভু ভবিষ্যৎ বাণী সফল করার দিন।
ইসকন মহেশখালী র আয়োজনে হরিনাম সহযোগে নগর শোভাযাত্রা। বিকাল ৩টা ৩০মিঃ।
সফল হউক।
সকলের অংশ গ্রহণের অনুরোধ রইল। 🙏🙏🙏🚩🚩🚩🎂🎂

শ্রী শ্রী রাধাষ্টমী উপলক্ষে সবাইকে কৃষ্ণপ্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
04/09/2022

শ্রী শ্রী রাধাষ্টমী উপলক্ষে সবাইকে কৃষ্ণপ্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

04/09/2022

শ্রী শ্রী রাধাষ্টমী উপলক্ষে সবাইকে কৃষ্ণপ্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আমরা কেন শ্রীমতী রাধারাণীর পূজা করি❓যখন কৃষ্ণস্পর্শে রাধারাণী তাঁর চোখ মেলে দর্শন করতে শুরু করেছিলেন, সেজন্য যশোদা ও কীর...
04/09/2022

আমরা কেন শ্রীমতী রাধারাণীর পূজা করি❓

যখন কৃষ্ণস্পর্শে রাধারাণী তাঁর চোখ মেলে দর্শন করতে শুরু করেছিলেন, সেজন্য যশোদা ও কীর্তিদার সখ্যতা আরও বেশি বেড়ে গেল। উভয় পরিবার নিয়মিত পরস্পরের গৃহে দেখা-সাক্ষাৎ করতে যেতে লাগলেন। কখনো কখনো রাধারাণী তাঁর মায়ের সঙ্গে নন্দালয়ে বেড়াতে যেতেন। সেখানে তিনি তাঁর প্রিয়তম শ্রীকৃষ্ণের দর্শন লাভ করতেন। রাধা ও কৃষ্ণ দিনে দিনে বর্ধিত হতে লাগলেন। রাধারাণীর সমস্ত নিত্যসিদ্ধা সখীগণও ব্রজে আবির্ভূতা হলেন। বিশাখা রাধারাণীর সাথে সাথে একই সময়ে একই ক্ষণে জন্মগ্রহণ করলেন। রাধারাণীর আটজন অতি অন্তরঙ্গ প্রিয়সখী রয়েছেন, যাঁরা রাধারাণীর দেহেরই বিস্তার সদৃশ (কায়ব্যূহস্বরূপা)। তাঁরা হচ্ছেন ললিতা, বিশাখা, চিত্রা, ইন্দুলেখা, চম্পকলতা, তুঙ্গবিদ্যা, রঙ্গদেবী ও সুদেবী। যখন রাধারাণীর বয়স সাতমাস হল, তখন রাজা বৃষভানু তাঁর কন্যার অন্নপ্রাশন উৎসবের জন্য বিশদ আয়োজন করলেন। তিনি একটি বড় যজ্ঞের আয়োজন করলেন এবং সকল অধিবাসীগণ, ব্রাহ্মণগণ, স্বজনবর্গ এবং সেই সাথে নন্দ মহারাজ ও তাঁর সমগ্র পরিবারকে আমন্ত্রণ করলেন। দেবী পৌর্ণমাসী মাতা রোহিণী ও বলরাম এবং মাতা যশোদা ও সকলেই উৎসবে যোগদান করতে বৃষভানুর ভবনে গেলেন। যখন সকলেই নানাপদ ভোজনে ব্যস্ত ছিলেন, সেসময় রাধারাণী শ্রীকৃষ্ণের থালা হতে

নিয়ে তা গ্রহণ করলেন। যখন সমস্ত মহিলাগণ সেখানে তাঁদের পারিবারিক বিষয় নিয়ে আলাপচারিতায় মগ্ন ছিলেন, কৃষ্ণ ও রাধারাণী শিশুসুলভ ভাব নিয়ে পরস্পরের রূপসুধা পান করতে লাগলেন, ঠিক যেমন চাতক পাখী স্নিগ্ধ চন্দ্রালোক পান করে থাকে। কৃষ্ণ সান্নিধ্যে রাধারাণী অপূর্ব সৌন্দর্য ও মাধুর্য অভিব্যক্ত করতে লাগলেন, ঠিক যেমন সরসিজ পদ্ম সূর্য কিরণস্পর্শে তার সৌন্দর্য বিকশিত করে।

-মাসিক চৈতন্য সন্দেশ

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iskcon Youth Forum Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share