Islam for life and peace

Islam for life and peace Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islam for life and peace, Religious organisation, Manikganj, Dhaka.

■■ গীবত বা পরনিন্দা যিনার চেয়েও জঘন্য অপরাধ!************************************************ ■■ আপনি কি চান যে, আপনার কষ...
19/11/2021

■■ গীবত বা পরনিন্দা যিনার চেয়েও জঘন্য অপরাধ!
************************************************
■■ আপনি কি চান যে, আপনার কষ্টের নেক আমল ধ্বংস হয়ে যাক? তাহলে বেশি বেশি করে গীবত বা পরনিন্দা করতে থাকুন! আর তা না চাইলে গীবত বা পরনিন্দা করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।

■■▪গীবত কী? গীবতের শাস্তি এবং তা থেকে বাঁচার উপায় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা উপস্থাপন
করা হলোঃ

●● গীবত হচ্ছে কারো অসাক্ষাতে তার বিরুদ্ধে কোন আলোচনা-সমালোচনা করা ও দোষত্রুটি বর্ণনা করা।

●▪গীবত বা পরনিন্দা যিনা বা ব্যাভিচারের চেয়েও জঘন্যতম গুনাহ।
●▪গীবত মানুষের ঈমান ও আমল ধ্বংস করে দেয়। পার্থিব ও অপার্থিব কল্যাণ দূর করে দেয়। ইসলামে কাউকে সামনে থেকে নিন্দা করাও মারাত্মক অপরাধ।
পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছেঃ
-------"পেছনে ও সামনে প্রত্যেক পরনিন্দাকারীর জন্য দুর্ভোগ-ধ্বংস।"
-----(সূরা, হুমাজাহ, আয়াত : ০১)

●▪হাদীসে এমন কথাও এসেছে যে, এমন লোকও হাসরের মাঠে থাকবে যে, ৮০ বৎসর ইবাদত করেও কিয়ামতের দিন তার কোন আমল কাজে আসবে না!

■▪হাদীসের এই কথাটির দ্বারা কি বুঝা গেলো?
আপনি আমি তো আল্লাহর অশেষ দয়ায়

■■ আলহামদুলিল্লাহ! আমরা সবাই অনেক আমলই করছি!
■▪কিন্তু, আমাদের আমলের খাতায় একটি ছোট ছিদ্র বা ফুটো তৈরী হয়ে আছে! যে ছিদ্র বা ফুটো দিয়ে আমাদের নেক আমল গুলো ঝড়ে পরে যাচ্ছে!
■▪এক সময় দেখা যাবে, আমলনামায় কিছুই নেই। সব একদম খালি!
■▪সেই ছিদ্র গুলো তৈরী হয়, শুধুমাত্র গীবত করা এবং গোপনে গুনাহের মাধ্যমে।

■■ হাদীসে এসেছেঃ
-------"কিয়ামতে এমন লোকও উপস্থিত হবে, যার আমল পর্বত মালার সমান। কিন্তু, সে গোপনে গুনাহ করায় তার আমল গুলো চুর্ণ বিচুর্ণ করে দেওয়া হবে।

■■ প্রিয় পাঠক! একটু চিন্তা করে দেখুন!
■▪আপনি আমি তো অনেক আমলই করছি, আর ভাবছি যে, ভালো কাজের বিনিময়ে তো জান্নাত পেয়ে যেতেই পারি!
■▪কিন্তু, শুধু আমল করাই তো শেষ নয়! বরং আমল টিকিয়ে রাখা দরকার। তাই গীবত বা পরনিন্দা এবং গোপনে পাপ করা থেকে বিরত থাকতে হবে!

■■ গীবতের কয়েকটি উদাহরণঃ

●▪কাউকে নিয়ে হাসাহাসি করা!
●▪দীর্ঘ দেহবিশিষ্ট লোককে লম্বু,▪খর্ব লোককে বামুন,▪কালো লোককে নিগ্রো,▪উজ্জ্বল লোককে সাদা,▪টেরা ইত্যাদি বললে দেহ সম্পর্কে গীবত হয়ে যায়!
●▪কোনো ব্যক্তিকে কোনো হীন পেশাদারের সন্তান বললে তার বংশ সম্বন্ধে গীবত হয়ে যায়!
●▪কাউকে▪নিন্দুক,▪মিথ্যাবাদী,▪গর্বিত, ▪কাপুরুষ,▪অলস ইত্যাদি বললে তার প্রকৃতি সম্পর্কে গীবত করা হয়!
●▪কাউকে▪বিশ্বাসঘাতক,▪হিংষুক,▪আমানত খেয়ানতকারী,▪অসংযমী,▪অতিরিক্ত আহারকারী, ▪হারামখোর,▪অধিক নিদ্রা যায়,▪পোশাক পরিচ্ছদ পরিষ্কার রাখে না,▪আয় অনুযায়ী ব্যয় করে না ইত্যাদি বলা তার ক্রিয়াকলাপ সম্বন্ধে গীবত।
●▪কারো সম্পর্কে যদি বলা হয়,▪তার পোশাক বেসামাল,▪আস্তিন ঢিলা,▪আচল দীর্ঘ তা হলে তার বসন-ভূষণ সম্পর্কে গীবত করা হলো!
●▪গীবত কেবল মুখ দ্বারাই হয় না। চোখ, হাত এবং ইঙ্গিত দ্বারাও গীবত হয়ে থাকে। সব ধরণের গীবতই হারাম।

●●শহযরত আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ আমি একদিন মহানবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ'লাহি ওয়াসাল্দাম এর নিকট ইশারায় প্রকাশ করেছিলাম যে, অমুক মহিলা বেটে। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ
-------"হে আয়েশা! তুমি গীবত করলে!"

■■ অর্থাৎ, এক জনের অনুপস্থিতিতে এমন কিছু বলা বা করা, যা ঐ ব্যক্তি জানলে কষ্ট পেতো।
■▪আবার এই কথাও ভাব্বেন না যে, আমিতো ঐ লোকের সামনেও এই কথা গুলো বলতাম! কেনো না, কারো কোন বিষয়ে সামনে কথা বললেও যদি সেই কথায় সে কষ্ট পায় তাহলে তা বলা নিষেধ। কেনো না, কারো মনে কষ্ট দিয়ে কোন কথা বলা নিষেধ
■■▪সুতরাং, চুপ থাকাই হচ্ছে একটা ইবাদত।

■■ পরনিন্দা সম্পর্কে আমাদের রাসূল সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ
-------"পরনিন্দা ব্যভিচারের চেয়েও ঘৃণ্য ও জঘন্যতম। পরনিন্দাকারী এবং পরনিন্দা শ্রবণকারী উভয়ই সমান অপরাধী।"

■▪যার মধ্যে যে দোষ নেই, তা যদি বলা হয়, তাহলে তা হবে মিথ্যা অপবাদ। আর যদি সত্যি হয়, তখন তা হবে গীবত। এই প্রসঙ্গে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
-------"কারো সম্বন্ধে তার অগোচরে এমন কোনো কথা যদি বলা হয়, যা শুনলে তার নিকট অপ্রীতিকর বোধ হয়, তবে সে কথা সত্য হলেও গীবত।"

-------আবু হুরাইরা(রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ "তোমরা আন্দাজ-অনুমান থেকে বেঁচে থেকো। কেননা অনুমান করে কথা বলা সবচেয়ে বড় মিথ্যা!"
-----(বুখারি, হাদীস নং: ২২৮৭; মুসলিম, হাদীস নং: ২৫৬৩)

■■ মহান আল্লাহ্ তা'আলা ইরশাদ করেনঃ
-------"কোনো সম্প্রদায় যেন অপর কোনো সম্প্রদায়কে বিদ্রুপ না করে, হতে পারে তারা বিদ্রুপকারীদের চেয়ে উত্তম। আর কোনো নারীও যেন অন্য নারীকে বিদ্রুপ না করে, হতে পারে তারা বিদ্রুপকারীদের চেয়ে উত্তম। আর তোমরা একে অপরের নিন্দা করো না এবং তোমরা একে অপরকে মন্দ উপনামে ডেকো না। ঈমানের পর মন্দ নাম কতইনা নিকৃষ্ট! আর যারা তাওবা করে না, তারাই তো জালিম।"
-----(সূরা, হুজরাত, আয়াত : ১১)

■■ সব ধরনের অশ্লীলতা ও অশালীন উক্তি ইসলামে নিষিদ্ধ। যে কথা শুনে মানুষ কষ্ট পায়, তাই অশালীন। কারো সম্পর্কে অপ্রীতিকর বাক্য না বলাই হচ্ছে শালীনতা। ইসলামের আগমন হয়েছে মানুষকে শালীনতা ও সৌহার্দ্য শিক্ষা দেয়ার জন্য। তাই শালীনতাকে ইসলাম মানুষের মর্যাদার মাপকাঠি হিসাবেও নির্ধারণ করেছে। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছেঃ
-------"আল্লাহ তা’আলার নিকট ওই ব্যক্তি বেশি মর্যাদাবান যে বেশি শালীন ও পরহেজগার।"

■■ গীবত বা পরনিন্দার শাস্তিঃ
গীবতের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে হাদীসেএসেছেঃ -------"তোমরা গীবত বা পরনিন্দা করা থেকে বেঁচে থাকবে। কারণ তাতে রয়েছে তিনটি মারাত্মক ক্ষতি। যথাঃ▪গীবতকারীর দু'আ কবুল হয় না!▪গীবতকারীর কোনো নেক আমল কবুল হয় না এবং▪আমলনামায় তার পাপ বৃদ্ধি হয়ে থাকে।"
-----(বুখারি)

■▪আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ
-------"হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অপরের পেছনে নিন্দা করো না। তোমাদের কেউ কী স্বীয় মৃত ভাইয়ের গোশত ভক্ষণ করতে পছন্দ করবে? বস্তুত তোমরা তা একেবারেই ঘৃণাই করো।"
-----(সূরা, হুজরাত : আয়াত ১২)

■▪রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ
-------"আমার প্রতিপালক যখন আমাকে মিরাজে নিয়েছিলেন,তখন আমি এমন একশ্রেণীর মানুষের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলাম; যাদের নখগুলো ছিল পিতলের নখের মতো। যার দ্বারা তারা নিজেদের চেহারা এবং বুক খামচাচ্ছিল। আমি এ লোকগুলোর ব্যপারে হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালামকে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বলেছিলেন, "এরা সেইসব ব্যক্তি, যারা দুনিয়াতে মানুষের গোশত খেতো এবং তাদের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলতো।"
-----(মিশকাত)
■■▪আর মানুষের গোশত খাওয়ার মানে হলো অন্যের গিবত করা।

-------"যে ব্যক্তি অপর মুসলমানের দোষ অনুসন্ধান করে আল্লাহ তার দোষ অনুসন্ধান করেন। আল্লাহ যার দোষ অনুসন্ধান করেন তাকে লাঞ্চিত ও অপমানজনক শাস্তি দিবেন।"
-----(তিরমিজি)

■■ পরিশেষে বলছি, গীবত করা হারাম এবং কবিরা গুনাহ। গীবতের মাধ্যমে আল্লাহর হক ও বান্দার হক দুটোই নষ্ট করা হয়। মানবজীবনে পরনিন্দা ও পরচর্চায় পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি হয়, বিদ্বেষ জন্ম নেই এবং সমাজের শান্তি-শৃংখলা বিনষ্ট হয়। তাই গীবত পরিত্যাগ করা অত্যন্ত জরুরি।

■■ গীবত থেকে বাঁচার জন্য করণীয়ঃ

●▪০১) হযরত থানবী (রহঃ) বলেনঃ
-------"কারো গীবত করে ফেললে যার গীবত করা হয়েছে তার কাছে গিয়ে জানাবে যে, আমি আপনার গীবত করে ফেলেছি। আমাকে মাফ করে দিন।"

●▪০২) মুখ খোলার পূর্বে চিন্তা করা যে, যা বলতে যাচ্ছি তাতে গুনাহ হবে না তো?

●▪০৩) মেয়েদের গীবত রোগের বড় চিকিৎসা হলো, এক স্থানে জমা না হওয়া। কেননা, তারা নিজের বাড়ী বা একাকী থাকলে গীবত হয় না। কিন্তু যেই সে বাইরে যায় বা বাড়ীতে অন্য মেয়েরা আসে তখনই 'গীবত-শেকায়েত শুরু হয়।

●▪০৪) ভাল কথাও বেশি না বলা। কেননা, ভাল ভাল কথা দীর্ঘ হলে মাঝে মাধ্যে অসতর্কবশত দোষ বের হয়ে যায়।

●▪০৫) অপরকে সব সময় নিজের থেকে ভালো মনে করা। ফলে তার দোষ চোখে না পড়ায় পরে তার গীবত হবে না।

●▪০৬) যেসব মহিলা গীবতে অভ্যস্ত, তাদের কাছে না যাওয়া। গেলেও গীবত করার সুযোগ না দেওয়া।

●▪০৭) গীবত করতে মনে চাইলে গীবতের দুনিয়াবী এবং পরকালীন পরিণতি সম্পর্কে চিন্তা করা ইত্যাদি।

■▪মহান আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের সবাইকে সঠিক এবং পরিপূর্ণ ভাবে জানার, বোঝার এবং মেনে চলার ও সকল প্রকার হিংসা, বিদ্বেষ এবং গীবত করা থেকে বিরত থাকার তাওফীক দান করুন এবং আমাদেরকে ক্ষমা, কবুল এবং হিফাযত করুন (আ-মীন)।।

05/09/2021

"যা কিছু তোমার জন্য লিখিত সেটা পাহাড়ের চূড়ায় থাকলে ও তোমারই হবে। আর যা কিছু তোমার জন্য লেখা হয় নি, সেটা দুই ঠোঁটের মধ্যখানে থাকলেও তোমার হবে না।"

- ইমাম শাফিঈ (রহ.)

05/09/2021

রাসূল (সা.) বলেন, "আদম সন্তান মৃত্যু থেকে যেভাবে পালিয়ে বেড়ায় রিযিক থেকেও যদি সেভাবে পালিয়ে বেড়াত; তবুও তার রিযিক তার নিকটই পৌঁছাত।" [সিলসিলাহ আস সাহিহাহ, ২/৬৭২]

◼️ ১০ই মহরমের ঘটনাবলী - ❤️▪️(১) দুনিয়া সৃষ্টি করা হয় এই দিনে!▪️(২) আকাশ হতে বৃষ্টি হয় এই দিনে!▪️(৩) আদম (আঃ) সৃষ্টি হ...
19/08/2021

◼️ ১০ই মহরমের ঘটনাবলী - ❤️

▪️(১) দুনিয়া সৃষ্টি করা হয় এই দিনে!

▪️(২) আকাশ হতে বৃষ্টি হয় এই দিনে!

▪️(৩) আদম (আঃ) সৃষ্টি হয় এই দিনে!

▪️(৪) নিষিদ্ধ ফল খাওয়ায় অপরাধে বেহেস্ত থেকে
আদম (আঃ) কে দুনিয়ায় নামানাে হয় এই দিনে!

▪️(৫) আদম (আঃ) এর দোয়া কবুল হয় এই দিনে!

▪️(৬) নূহ (আঃ)কে তুফান থেকে মুক্তি দেওয়া হয় এই দিনে!

▪️(৭) সােলাইমান (আঃ) কে বাদশাহী দেওয়া হয় এই দিনে!

▪️(৮) আইয়ুব (আঃ) রােগ থেকে মুক্তি পায় এই দিনে!

▪️(৯) ইব্রাহিম (আঃ) আগুন থেকে রক্ষা পায় এই দিনে!

▪️(১০) মুসা (আঃ) আল্লাহকে দেখতে তুর পাহারে যায় এই দিনে!

▪️(১১) ফেরাউন ডুবে মরে এই দিনে!

▪️(১২) ঈসা (আঃ) কে আসমানে উঠানাে হয় এই দিনে!

▪️(১৩) ইমাম হুসাইন (আঃ) কে কারবালায় শহীদ করা হয় এই দিনে!

-এই রকম ৩১৩টি বড় বড় ঘটনা এই দিনে ঘটে, ইমাম হুসাইন শহীদ হওয়া ৩১৩তম ঘটনা! কিয়ামত সংগঠিত হবে এই দিনে,সুতরাং এই দিন মুসলিম উম্মাহর জন্য অতিব গুরুত্বপূর্ন!" ❤️🥀

রিজিক নিয়ে আগে কখনো এভাবে ভাবিনি! • রিজিকের সর্বনিম্ন স্তরঃ টাকা, পয়সা, অর্থ, সম্পদ।• সর্বোচ্চ স্তরঃ শারীরিক ও মানসিক ...
13/08/2021

রিজিক নিয়ে আগে কখনো এভাবে ভাবিনি!
• রিজিকের সর্বনিম্ন স্তরঃ টাকা, পয়সা, অর্থ, সম্পদ।
• সর্বোচ্চ স্তরঃ শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা।
• সর্বোত্তম স্তরঃ পুণ্যবান স্ত্রী ও পরিশুদ্ধ নেক সন্তান।
• পরিপূর্ণ স্তরঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
রিজিক খুব গভীর একটি বিষয় যদি আমরা বুঝতে পারি। আমি পুরাে জীবনে কত টাকা আয় করবাে সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবাে সেটা লিখিত। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলাে দানা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবাে সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না, একটিও বেশি না।
ধরেন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে ১ কোটি টাকা আয় করবাে, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্ তায়ালা নিয়েছেন।
আমি হালাল উপায়ে আয় করবাে না হারাম উপায়ে আয় করবাে সেই সিদ্ধান্ত আমার।
যদি ধৈর্য ধারণ করি , আল্লাহ্ তায়ালার কাছে চাই , তাহলে হালাল উপায়ে ওই ১ কোটি আয় করেই আমি মারা যাবাে , হারাম উপায়ে হলেও ওই ১ কোটিই। নাথিং মাের , নাথিং লেস !
আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি , সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপাের্ট করা । ওই গাছে যখন মুকুল হয়েছে তখনই এটা নির্ধারিত যে সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে । এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে , কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে , দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে , পছন্দ হয় নি , কিনে নি । এই সব ঘটনার কারণ একটাই , ফলটি আমার রিজিকে লিখিত । যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি , ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে ।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম , অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম , কিন্তু না । রিজিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবাে না ।
রিজিক জিনিসটা এতােটাই শক্তিশালী ! কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু - বান্ধব আমার বাসায় আসছে , সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না । এটা তারই রিজিক , শুধুমাত্র আল্লাহ্ তায়ালা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ্।
কেউ কারােটা খাচ্ছে না , যে যার রিজিকের ভাগই খাচ্ছে । আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্ তায়ালার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি , কতটুকু ভরসা করে আছি ।
আল্লাহ তা'আলা বলেন ,
দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনাে প্রাণী নেই , যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই । তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত । সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে ।
( সুরা হুদ : আয়াত ৬ )
যে আল্লাহকে ভয় করে , আল্লাহ তার জন্য কোনাে না কোনাে পথ বের করে দেবেন । আর তাকে ( এমন উৎস থেকে ) রিজিক দেবেন যা সে ধারণাও করতে পারবে না ।
( সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩ ) }
আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের সকলকে সঠিক পথে রিজিক তালাশের তৌফিক দান করুন। আমীন।

13/08/2021
03/08/2021

"যদি আনুগত্য চান, তাহলে প্রথমে
ন্যায়বিচার করতে শিখুন।".......…...................আরতুগ্রুল গাজী

06/06/2021

যেমন ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী - রাসুল (সঃ)💜
১/ তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন।
২/ তিনি কম হাসতেন।
৩/ তিনি মুচকি হাসতেন, হাসি ওনার ঠোঁটে লেগে থাকতো।
৪/ তিনি অট্রহাসি হাসতেন না
৫/ তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ ত্যাগ করতেন না।
৬/ তিনি শতবার ক্ষমা প্রাথনা করতেন।
৭/ তিনি কখনোই প্রতিশোধ নিতেন না।
৮/ তিনি যুদ্ধক্ষেএ ছাড়া কাউকেই আঘাত করেননি।
৯/ তিনি বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক নামাজে দাঁড়িয়ে পড়তেন।
১০/ তিনি অসুস্থ হলে বসে নামাজ পড়তেন।
১১/ তিনি শিশুদের সালাম দিতেন।
১২/ তিনি সমাবেত মহিলাদের সালাম দিতেন।
১৩/ তিনি শিশুদের পরম স্নেহ করতেন।
১৪/ তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরন করতেন।
১৫/ তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন।
১৬/ তিনি ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন।
১৭/ তিনি মিথ্যাকে সার্বাধিক ঘৃনা করতেন।
১৮/ তিনি উপহার গ্রহন করতেন।
১৯/ তিনি সাদকাহ (দান) করতেন।
২০/ তিনি সব সময় আল্লাহ কে স্মরণ করতেন।
২১/ তিনি আল্লাহ কে সব সময় ভয় করতেন
২২/ হাতে যা আসতো তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন।
২৩/ কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যাক্তি উঠা না পর্যন্ত তিনি উঠতেন না।
২৪/ বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন না।
২৫/ কথা বলার সময় সুস্পষ্ট ভাবে বলতেন যাতে শ্রবনকারী সহজেই বুঝে নিতে পারে।
২৬/ কথা, কাজ ও লেন- দেনে কঠোরতা অবলম্বন করতেন না।
২৭/ নম্রতা কে পছন্দ করতেন।
২৮/ তার নিকট আগত ব্যাক্তিদের অবহেলা করতেন না।
২৯/ কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি করতেন না।
৩০/ শরীয়ত বিরোধী কথা হলে তা থেকে বিরত থাকতেন বা সেখান থেকে উঠে যেতেন।
৩১/ আল্লাহ তায়ালার প্রতিটি নিয়ামত কে কদর করতেন।
৩২/ খাদ্য দ্রব্যের দোষ ধরতেন না। মন চাইলে খেতেন না হয় বাদ দিতেন।
৩৩/ ক্ষমা কে পছন্দ করতেন।
৩৪/ সর্বদা ধৈর্য্য ধারন করতেন।
রাসুল (সা.) এর গুনাবলী বর্ননা করে শেষ করা যাবে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের কে নবী (সা.) এর চরিত্রে চরিএবান হওয়ার তাওফীক দান করুক।
সবাইকে হেদায়ত দান করুক🥺🌸।

আমিন❤❤

Alhamdulillah..
04/06/2021

Alhamdulillah..

০১. কথাবার্তায় কর্কশ হবেন না। (৩: ১৫৯)০২. রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন (৩: ১৩৪)০৩. অন্যের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। (৪: ৩৬)০৪. অহ...
26/05/2021

০১. কথাবার্তায় কর্কশ হবেন না। (৩: ১৫৯)

০২. রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন (৩: ১৩৪)

০৩. অন্যের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। (৪: ৩৬)

০৪. অহংকার করবেন না। (৭: ১৩)

০৫. অন্যকে তার ভুলের জন্য ক্ষমা করুন (৭: ১৯৯)

০৬. লোকদের সাথে ধীরস্থির হয়ে শান্তভাবে কথা বলুন। (২০: ৪৪)

০৭. উচ্চস্বরে কথা বলবেন না। (৩১: ১৯)

০৮. অন্যকে উপহাস করবেন না (৪৯: ১১)

০৯. পিতামাতার প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করুন। (১৭: ২৩)

১০. পিতামাতার প্রতি অসম্মানজনক শব্দ উচ্চারণ করবেন না। (১৭: ২৩)

১১. অনুমতি না নিয়ে পিতামাতার শোবার ঘরে প্রবেশ করবেন না। (২৪: ৫৮)

১২. ঋণ গ্রহণ করলে তা লিখে রাখুন। (২: ২৮২)

১৩. কাউকে অন্ধভাবে অনুসরণ করবেন না। (২: ১৭০)

১৪. ঋণ গ্রহণকারীর কঠিন পরিস্থিতিতে পরিশোধের সময় বাড়িয়ে দিন। (২: ২৮০)

১৫. কখনো সুদের সাথে জড়িত হবেন না। (২: ২৭৫)

১৬. কখনো ঘুষের সাথে জড়িতে হবেন না। (২: ১৮৮)

১৭. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করবেন না। (২: ১৭৭)

১৮. আস্থা রাখুন (২: ২৮৩)

১৯. সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করবেন না। (২: ৪২)

২০. ইনসাফের সাথে বিচার করবেন। (৪: ৫৮)

২১. ন্যায়বিচারের জন্য দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে যান। (৪: ১৩৫)

২২. মৃতদের সম্পদ তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সুষ্ঠভাবে বিতরণ করুন। (৪: ০৭)

২৩. মহিলাদের উত্তরাধিকারের অধিকার আদায় করুন। (৪: ০৭)

২৪. এতিমদের সম্পত্তি গ্রাস করবেন না। (৪: ১০)

২৫. এতিমদের রক্ষা করুন। (২: ২২০)

২৬. অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করবেন না। (৪: ২৯)

২৭. মানুষের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য চেষ্টা করুন। (৪৯: ০৯)

২৮. সন্দেহ এড়িয়ে চলুন। (৪৯: ১২)

২৯. গুপ্তচরবৃত্তি করবেন না, কুৎসা রটাবেন না। (৪৯: ১২)

৩০. আল্লাহর বিধানুসারে বিচার করুন। (৫: ৪৫)

৩১. সাদাকাতে সম্পদ ব্যয় করুন। (৫৭: ০৭)

৩২.দরিদ্রকে খাবার খাওয়ান। (১০৭: ০৩)

৩৩. অভাবীকে অভাব পূরুনের উপায় বাতলে দিন। (২: ২৭৩)

৩৪. অপব্যয় করবেন না। (১৭: ২৯)

৩৫. খোঁটা দিয়ে দানকে নষ্ট করে দিবেন না। (২: ২৬৪)

৩৬. অতিথিকে সম্মান করুন। (৫১: ২৬)

৩৭. কেবলমাত্র নিজে আমল করে তারপর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যকে আমল করার আদেশ দিবেন। (২: ৪৪)

৩৮. কাউকে গালাগালি করবেন না। (২: ৬০)

৩৯. লোকজনকে মসজিদে যেতে বাধা দিবেন না। (২: ১৪৪)

৪০. কেবল তাদের সাথেই লড়াই করুন, যারা আপনার সাথে লড়াই করে (২: ১৯০)

৪১. যুদ্ধের শিষ্টাচার মেনে চলুন। (২: ১৯১)

৪২. যুদ্ধেংদেহী হবেন না। (৮: ১৫)

৪৩. দ্বীন নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না। (২: ২৫৬)

৪৪. সকল নবির উপর ঈমান আনুন। (২: ২৮৫)

৪৫. স্ত্রীর মাসিকের সময় যৌন মিলন করবেন না। (২: ২২২)

৪৬. আপনার শিশুকে পূর্ণ দুবছর বুকের দুধ খাওয়ান। (২: ২৩৩)

৪৭. অননুমোদিত উপায়ে যৌন মিলন করবেন না। (১৭: ৩২)

৪৮. যোগ্যতা অনুসারে নেতৃত্বের দায়িত্ব অর্পণ করুন। (২: ২৪৭)

৪৯. কোনো ব্যক্তিকে সামর্থ্যের বাহিরে বেশি বোঝা চাপিয়ে দিবেন না। (২: ২৮৬)

৫০. বিভক্তি উসকে দিবেন না। (৩: ১০৩)

৫১. মহাবিশ্বের বিস্ময় ও সৃষ্টি সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করুন (৩: ১৯১)

৫২. আমল অনুযায়ী পুরুষ ও মহিলাদের সমান পুরষ্কার পাবেন; তাই আমল করুন। (৩: ১৯৫)

৫৩. ‘মাহরাম’ আত্মীয়কে বিবাহ করবেন না। (৪: ২৩)

৫৪. পুরুষ হিসেবে মহিলাদের সুরক্ষা দিন। (৪: ৩৪)

৫৫. কৃপণ হবেন না । (৪: ৩৭)

৫৬. অন্তরে পরশ্রীকাতরতা পুষে রাখবেন না। (৪: ৫৪)

৫৭. একে অপরকে হত্যা করবেন না। (৪: ৯২)

৫৮. প্রতারণার পক্ষে ওকালতি করবেন না। (৪: ১০৫)

৫৯. পাপ কাজে এবং আগ্রাসনে সহযোগিতা করবেন না। (৫: ২)

৬০. সৎ কাজে সহযোগিতা করুন। (৫: ২)

৬১. সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই কোনোকিছু সত্য বলে গ্রহণ করবেন না। (৬: ১১৬)

৬২. ন্যায়বিচার করুন। (৫: ৮)

৬৩. অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন। (৫: ৩৮)

৬৪. পাপ ও বেআইনী কাজের বিরুদ্ধে লড়াই করুন (৫: ৬৩)

৬৫. মৃত প্রাণী, রক্ত, শুকরের মাংস ভক্ষণ থেকে দূরে থাকুন। (৫: ০৩)

৬৬. মাদক এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন (৫: ৯০)

৬৭. জুয়া খেলবেন না। (৫: ৯০)

৬৮. অন্য ধর্মের দেবদেবীদের অবমাননা করবেন না। (৬: ১০৮)

৬৯. ক্রেতাকে ঠকানোর উদ্দ্যেশ্যে মাপে কম দিবেন না। (৬: ১৫২)

৭০. খান এবং পান করুন; তবে অপচয় করবেন না। (৭: ৩১)

কোর’আনের ছায়াতলে | ২

৭১. নামাজের সময় ভালো পোশাক পরিধান করুন। (৭: ৩১)

৭২. আশ্রয়প্রার্থীকে সুরক্ষা দিন, সহযোগিতা করুন। (৯: ০৬)

৭৩. বিশুদ্ধতাকে আঁকড়ে ধরুন। (৯: ১০৮)

৭৪. আল্লাহর রহমতের আশা কখনই পরিত্যাগ করবেন না। (১২: ৮৭)

৭৫. অজ্ঞতাবশত ভুল করলে আল্লাহর ক্ষমা প্রত্যাশা করুন। (১৬: ১১৯)

৭৬. মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করুন হিকমা ও উত্তমভাবে। (১৬: ১২৫)

৭৭. অন্যের পাপের বোঝা কাউকে বইতে হবে না, বিশ্বাস করুন। (১৭: ১৫)

৭৮. দারিদ্র্যের ভয়ে আপনার বাচ্চাদের হত্যা করবেন না। (১৭: ৩১)

৭৯. যে বিষয়ে জ্ঞান আপনার জ্ঞান নাই, সে বিষয়ে কারও পিছু লাগবেন না। (১৭: ৩৬)

৮০. নিরর্থক কাজ থেকে দূরে থাকুন। (২৩: ৩)

৮১. অনুমতি না নিয়ে অন্যের বাড়িতে প্রবেশ করবেন না। (২৪: ২৭)

৮২. যারা আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, তাদের জন্য তিনি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবেন, এই বিশ্বাস রাখুন। (২৪:৫৫)

৮৩. জমিনে নম্রভাবে চলাফেরা করুন। (২৫: ৬৩)

৮৪. পৃথিবীতে আপনার অংশকে অবহেলা করবেন না। (২৮: ৭৭)

৮৫. আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্যকে ডাকবেন না। (২৮: ৮৮)

৮৬. সমকামিতার ঘৃণ্য কাজে লিপ্ত হবেন না। (২৯: ২৯)

৮৭. সৎ কাজের আদেশ দিন, অসৎ কাজে বাধা দিন। (৩১: ১৭)

৮৮. জমিনের উপর দম্ভভরে ঘুরে বেড়াবেন না। (৩১: ১৮)

৮৯. মহিলারা তাদের জাকজমকপূর্ণ পোষাক প্রদর্শন করে বেড়াবে না। (৩৩: ৩৩)

৯০. আল্লাহ সকল গুনাহ ক্ষমা করেন, বিশ্বাস রাখুন। (৩৯: ৫৩)

৯১. আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবেন না। (৩৯: ৫৩)

৯২. ভালো দ্বারা মন্দকে প্রতিহত করুন। (৪১: ৩৪)

৯৩. পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। (৪২: ১৩)

৯৪. সর্বোত্তম মানুষ হওয়ার লড়াই করুন। (৪৯: ১৩)

৯৫. বৈরাগ্যবাদী হবেন না। (৫৭: ২৭)

৯৬. জ্ঞান অন্বেষণে ব্যাপৃত হোন। (৫৮: ১১)

৯৭. অমুসলিমদের সাথে সদয় এবং নিরপেক্ষ আচরণ করুন। (৬০: ০৮)

৯৮. লোভ থেকে নিজেকে বাঁচান। (৬৪: ১৬)

৯৯. আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। (৭৩: ২০)

১০০. ভিক্ষুককে ফিরিয়ে দিবেন না। (৯৩: ১০)

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাদের বুঝার ও মানার তৌফিক দান করুন।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
লেখাঃ মুহাম্মদ নাজমুল আরেফীন (আল্লাহ্‌ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!)
(Y) শেয়ার করুন, বন্ধুদের সাথে ইন শা আল্লাহ !

Address

Manikganj
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islam for life and peace posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share