Ashrafut Tafaseer

Ashrafut Tafaseer কোরআন। হাদীস তাফসীর ওয়াজ বিষয়ক পেই?

29/05/2026
09/03/2023

মৃতদের জীবিত হওয়ার পদ্ধতি

#পরকালওপুনরুত্থান
#পরকালেরপথেযাত্রা,
#মৃতমানুষজীবিতহওয়া

24/01/2023

হযরত সোলায়মান (আঃ) এর জীবনী

06/01/2023

জান্নাতের বিশেষ নেয়ামত সমূহ

#জান্নাতেরহূরেরবর্ণনা
#জান্নাতেরনেয়ামতসমূহ
#জান্নাতিদেরখাবার

22/12/2022

মুশরিকদের ভ্রান্ত বিশ্বাস
আসসালামু আলাইকুম
সূরা সাফফাত আয়াত ১৪৯-১৫৭

আল্লাহ তা'আলা বলেন:
قوله تعالى :فَاسْتَفْتِهِمْ أَلِرَبِّكَ الْبَنَاتُ وَلَهُمُ الْبَنُونَ
মুশরিকদের আকিদার সমালোচনা:
মক্কার কাফেররা বিশেষত কুরাইশ, বনু জোহায়না, বনু সালামা, বনু খোযায়া ও বনু মালীহের লোকেরা এ বিশ্বাস পোষণ করত যে, ফেরশতারা আল্লাহর কন্যা সন্তান। আলোচ্য আয়াত সমূহে আল্লাহ তা'আলা তাদের উক্ত বিশ্বাসের কঠোর সমালোচনা করে জোরালো ও যুক্তিপূর্ণ ভাষায় তাদের মতবাদকে খণ্ডন করেছেন । আল্লাহ তা'আলা বলেন প্রথমত তোমাদের উক্ত দাবি স্বয়ং তোমাদের সামাজিক প্রচলন ও মূল্যবোধের দৃষ্টিতে ভুল। কেননা, তোমরা নিজেরা কন্যা সন্তানের পিতা হওয়াকে লজ্জাকর মনে কর। এখন যাকে তোমরা নিজেদের জন্য লজ্জাকর মনে কর? যাকে নিজেরা ঘৃণা কর, তাকে আল্লাহ তা'আলার জন্য কীভাবে সাব্যস্ত কর? তা ছাড়া তোমরা যে দাবি কর ফেরেশতারা আল্লাহর সন্তান-এতদ্বিষয়ে তোমাদের নিকট কী প্রমাণ রয়েছে? তদুপরি এ বিষয় তো স্পষ্ট যে, তোমরা আল্লাহ তা'আলাকে ফেরেশতাদেরকে সৃষ্টি করতে দেখনি। তাদেরকে সৃষ্টি করার সময় তোমরা সেখানে উপস্থিত ছিলে না। সুতরাং তাদের কন্যা হওয়ার ব্যাপারে তোমরা প্রত্যক্ষদর্শী হতে পার না। অন্যত্র আল্লাহ তা'আলা বলেন أَمْ خَلَقْنَا الْمَلَائِكَةَ إِنَاثًا وَهُمْ شَاهِدُونَ অর্থাৎ, নাকি আমি ফেরেশতাদেরকে কন্যা করে সৃষ্টি করার সময় তারা তা দেখেছে আর তোমাদের নিকট কোনো নকলী দলিলও নেই। কেননা, তাদের বক্তব্য গ্রহণযোগ্য হবে যারা সত্যবাদী হওয়া সর্বজনবিদিত। অথচ যারা উক্ত বিশ্বাস পোষণ করে থাকে। তাদের মিথ্যাবাদী হওয়া সর্বজনবিদিত। কাজেই তাদের বক্তব্য দলিল হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। আল্লাহ তা'আলা নিম্নোক্ত আয়াতে তা-ই বুঝাতে চেয়েছেন-أَلَا إِنَّهُم مِّنْ إِفْكِهِمْ لَيَقُولُونَ অর্থাৎ, তারা তা মিথ্যা বলে বেড়ায় । তা ছাড়া আকলী দলিল বা যুক্তি ও তোমাদের মতবাদকে সমর্থন করে না। কেননা, তোমাদের ধারণা অনুযায়ী পুত্র-সন্তানের মোকাবিলায় কন্যা-সন্তানের মর্যাদা কম। সুতরাং যে পবিত্র সত্তার মর্যাদা সমস্ত বিশ্ব প্রতিপালকের মধ্যে সর্বাধিক, তিনি কী করে নগণ্য মর্যাদার বস্তুটিকে গ্রহণ করতে পারেন? আল্লাহ তা'আলা নিম্নোক্ত আয়াত দ্বারা এ দিকেই ইঙ্গিত করেছেন- أَصْطَفَى الْبَنَاتِ عَلَى الْبَنِينَ অর্থাৎ, আল্লাহ তা'আলা কি পুত্র-সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান গ্রহণ করেছেন? ধিক তোমাদের বিবেক-বুদ্ধির উপর! কীভাবে তোমরা এরূপ রায় দিতে পারলে? এখন শুধু তোমাদের দাবিকে প্রতিষ্ঠিত করার একটি পথই অবশিষ্ট রয়েছে, তাহলো তোমাদের নিকট কি কোনো আসমানি কিতাব এসেছে যাতে ওহীর মাধ্যমে তোমাদের উক্ত বিশ্বাস তালিম দেওয়া হয়েছে। যদি এরূপ হয়ে থাকে তাহলে আমাকে দেখাও যে, তোমাদের ঐ কিতাব ও ওহী কোথায়? নিম্নোক্ত আয়াত দ্বারা এটাই বুঝানো হয়েছেأأَمْ لَكُمْ سُلْطَانٌ مُّبِينٌ-فَأْتُوا بِكِتَابِكُمْ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ অর্থাৎ অথবা তোমাদের নিকট কি কোনো স্পষ্ট দলিল রয়েছে? সুতরাং যদি তোমরা তোমাদের দাবিতে সত্যবাদী হয়ে থাক, তাহলে তোমাদের আসমানি কিতাব খুলে দেখাও ।
সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা থেকে পরিস্কারভাবে প্রমাণিত হয় যে, মুশরিকরা যে ফেরেশতাদেরকে আল্লাহর কন্যা বলে দাবি করতো তা সর্বাংশে মিথ্যা ও সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

#মুশরিকদেরআকিদা
#আকিদা
#সহিহআকিদা
#আকিদাওবিশ্বাস
#কাফেরওমুশরিক

10/12/2022
17/11/2022

জিন সম্পর্কে বিস্ময়কর তথ্য

#জিনের ওয়াজ
#জিনের গল্প
#ভয়ংকর জিনের গল্প

15/11/2022

আসসালামু আলাইকুম
চির স্মরণীয় ইব্রাহীম (আঃ) এর পরিবার
সূরা সাফফাত আয়াত ১১৩

আল্লাহ তা'আলা বলেন:
قوله تعالى : وَمِن ذُرِّيَّتِهِمَا مُحْسِنٌ
وَظَالِمٌ لِّنَفْسِهِ مُبِينٌ
সৎলোকের সঙ্গে সম্পর্ক থাকাই পরিত্রাণ লাভের জন্য যথেষ্ট নয় :
হযরত ইবরাহীম (আ.) ও হযরত ইসমাঈল (আ.)-এর সন্তানদের মধ্যে কিছু সৎলোকও রয়েছে। আবার এমন কিছু লোক রয়েছে, যারা প্রকাশ্য নিজেদের ক্ষতি করেছে। আলোচ্য আয়াত দ্বারা আল্লাহ তা'আলা ইহুদিদের এ ভ্রান্ত আকিদাকে খণ্ডন করেছেন যে, তারা মনে করে, আম্বিয়ারে কেরাম (আ.)-এর সন্তান হওয়াই মর্যদাবান ও পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য যথেষ্ট । উক্ত আয়াত দ্বারা সুস্পষ্টভাবে মূলভিত্তি হলো আকিদা বিশ্বাস ও আমল । খালেস আকিদা-বিশ্বাস ও সৎকর্মের গুণেই শুধুমাত্র মর্যদাবান হতে পারে এবং আখেরাতের পরিত্রাণের আশা করতে পারে । আলোচ্য আয়াতে হযরত ইবরাহীম (আ.)-এর কুরবানির ঘটনা এখানে উল্লেখ করার উদ্দেশ্যের প্রতিও পরোক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে হযরত ইবরাহীম (আ.)-এর দুই পুত্র হযরত ইসমাঈল ও হযরত ইসহাক (আ.)-এর ঔরস থেকে দুটি বড় বড় জাতির সৃষ্টি হয়েছিল । হযরত ইসহাক (আ.)-এর বংশধরগণ হলেন বনী ইসরাঈল । তাদের থেকে ইহুদি ও খ্রিস্টানদের উদ্ভব হয়েছে । উক্ত দুটি ধর্ম পৃথিবীর এক বিশাল এলাকা দখল করে রেখেছে । অপর জাতি হলো নবী ইসমাঈল তথা মক্কাবাসী কুরআন মাজীদ নাজিল হওয়ার সময় তারাই ছিল সমগ্র আরবদের মধ্যে নেতৃস্থানীয় । আর তাদের মধ্যে সর্বাধিক মর্যাদার অধিকারী ও প্রভাবশালী ছিলেন কুরাইশগণ । বস্তুত এ দুটি জাতির ভাগ্যে যে মর্যাদা-সম্মান ও প্রভাব প্রতিপত্তি লাভ হয়েছিল তা হযরত ইবরাহীম (আ.)-এর উক্ত দু'জন মহান পুত্রের সাথে সম্পর্কের কারণেই হয়েছিল । পৃথিবীতে কত জাতি ও কত সভ্যতার উত্থান-পতন হয়েছে। কিন্তু নিমিষেই আবার তা তলিয়ে গেছে ইতিহাসের অতল গহ্বরে । কিন্তু এ দু'জাতির উত্থান আজও পতনের মুখ দেখেনি । কিয়ামতের পূর্বে দেখবেও না । আর সেই খোদানুগত্য, ঐকান্তিক নিষ্ঠা ও আত্মোৎসর্গের বরকতেই সম্ভব হয়েছে।
হযরত ইবরাহীম (আ.), হযরত ইসমাঈল (আ.) ও হযরত ইসহাক (আ.)-এর দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল। তবে স্মরণ রাখতে হবে যে, আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে যে সম্মান ও মর্যাদা দান করেছেন তা মূলত বংশগত কারণে নয়। বরং তাদের ঈমান আকিদা খালেস হওয়া এবং তাদের আমল ভালো হওয়া তথা আল্লাহর খাঁটি প্রেমিক হওয়ার কারণেই একমাত্র তারা মর্যাদার আসনে সমাসীন হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছেন । এখন তোমারাও যদি তাঁদের ন্যায় মর্যদাবান হতে চাও তাহলে তোমাদেরকেও তাদের গুণাবলির অধিকারী হতে হবে । বহু কঠিন কঠিন পরীক্ষা নিরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে । শুধুমাত্র বংশের দোহাই দিয়ে না দুনিয়ার মর্যাদা লাভ করতে পারবে, আর না আখেরাতে আল্লাহর আজাব থেকে পরিত্রাণ পাবে । কেননা, হযরত ইসমাঈল (আ.) ও হযরত ইসহাক (আ.) উভয়ের সন্তানাদির মধ্যে ঈমানদার ও কাফের দু শ্রেণির লোকজনই অন্তর্ভুক্ত হতে পারে । মোটকথা হযরত ইবরাহীম বা হযরত ইসমাঈল ও হযরত ইসহাক (আ.)-এর দোহাই দিয়ে কিছুই হবে না; যেমন কর্ম করবে তেমনই ফল ভোগ করবে ।
#হযরতইব্রাহিম(আঃ)
#হযরতইসমাইল(আঃ)এরজীবনীওয়াজ
#হযরতইসহাক(আঃ)এরজীবনী
#হযরতহাজেরা(আঃ)এরজীবনী
#হযরতসারা(আঃ)এরজীবনী

13/11/2022

আল্লাহর অসীম কুদরতের বর্ণনা

#আল্লাহর অসীম কুদরত
#আল্লাহর কুদরত দেখুন
yasiner tafseer

Address

Dhaka

Telephone

+8801731198692

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ashrafut Tafaseer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Ashrafut Tafaseer:

Share