Gour Nitai Bhakti Vriksha PC

Gour Nitai Bhakti Vriksha PC Chant Hare Krishna Mahamantra & Be Happy.
~Srila Prabhupada

হরে কৃষ্ণ,
Gour Nitai Bhakti Vriksha PC ফেজবুক পেজের পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম।

আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, Gour Nitai Bhakti Vriksha PC ফেজবুক পেজ & GourNitaiPC ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে আমরা শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষাকে,
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) প্রতিষ্ঠাতা আচার্য শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের শিক্ষার ভিত্তিতে,
সারা পৃথিবীতে বাংলা ভাষায় প্রচার করা।

তা

ই কৃপা করে আপনারা আমাদের পেজে লাইক, ফলো & ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে প্রচারে সহযোগীতা করবেন ।

|| হরিবল ||

🍁🌷আজ কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী শ্রীল প্রভুপাদের তিরোভাব তিথি।আজকের দিনে আমরা বিরহ ও আনন্দ উভয়ই অনুভব...
25/10/2025

🍁🌷আজ কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী শ্রীল প্রভুপাদের তিরোভাব তিথি।
আজকের দিনে আমরা বিরহ ও আনন্দ উভয়ই অনুভব করি। আমরা বিরহ অনুভব করি, কেননা আমরা এখন আর তাঁর বপু সান্নিধ্য পাই না। পাশাপাশি আমরা আনন্দিত এই জন্য যে, আমরা জানি আত্মার কখনো মৃত্যু হয় না এবং তিনি আমাদের পর্যবেক্ষণ করছেন।

~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী, ৪ঠা নভেম্বর, ২০১৬, উডুপি, ভারত

দামোদর মাসে "গজেন্দ্র মোক্ষ লীলা" পাঠ করলে আর পুনর্জন্ম হবে না। 🍁🍁🍁শ্রীমদ্ভাগবতের অষ্টম স্কন্ধে বর্ণিত গজেন্দ্র মোক্ষ লী...
19/10/2025

দামোদর মাসে "গজেন্দ্র মোক্ষ লীলা" পাঠ করলে
আর পুনর্জন্ম হবে না। 🍁🍁🍁

শ্রীমদ্ভাগবতের অষ্টম স্কন্ধে বর্ণিত গজেন্দ্র মোক্ষ লীলা শুধুমাত্র একটি পৌরাণিক উপাখ্যান নয়, এটি ভক্তি, শরণাগতি ও ভগবানের কৃপার এক মহান শিক্ষা। লীলাটির বিস্তারিত আলোচনা এবং উপদেশগুলি নিচে পয়েন্ট আকারে দেওয়া হলো:
গজেন্দ্র মোক্ষ লীলার বিস্তারিত বর্ণনা (শ্রীমদ্ভাগবতের অষ্টম স্কন্ধ):
এই লীলাটি ক্ষীর সমুদ্রের মধ্যে অবস্থিত ত্রিকূট নামক পর্বতের এক মনোরম উদ্যান ও সরোবরকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
বিলাস ও অহংকার: হাতিদের রাজা গজেন্দ্র (পূর্বজন্মে ভক্ত রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন) তার সঙ্গিনীদের নিয়ে ঋতুমৎ নামক সুন্দর সরোবরে জলকেলি করছিলেন। তার বিপুল শক্তি ও রাজকীয় অহংকার ছিল।
সংকট ও কুমিরের আক্রমণ: জলবিহারের সময় সরোবরে থাকা এক শক্তিশালী কুমির (পূর্বজন্মে অভিশাপপ্রাপ্ত গন্ধর্ব হূহূ) গজেন্দ্রের পা চেপে ধরে।
সহস্র বছরের সংগ্রাম: গজেন্দ্র তার সমস্ত শক্তি দিয়ে কুমিরের সঙ্গে এক হাজার বছর ধরে লড়াই করেন।
আত্মীয়-স্বজনের প্রত্যাখ্যান: দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকা এই জীবন-মৃত্যুর সংগ্রামে গজেন্দ্রের শক্তি ক্রমশ কমে আসে, কিন্তু কুমিরের শক্তি জলে থাকার কারণে বাড়তে থাকে। গজেন্দ্রের স্ত্রী, পুত্র ও অন্যান্য হাতির দল তার করুণ পরিণতি দেখে অসহায়ের মতো তাকে ত্যাগ করে চলে যায়।
পরম শরণাগতি: যখন গজেন্দ্র দেখলেন যে তার নিজের বল, আত্মীয়-স্বজন বা অন্য কোনো উপায় তাকে রক্ষা করতে পারবে না, তখন তিনি সমস্ত আশা ত্যাগ করে ভগবান বিষ্ণুর (পরমব্রহ্মের) চরণে সম্পূর্ণরূপে শরণাপন্ন হলেন।
পদ্মফুল অর্পণ ও স্তুতি: নিদারুণ কষ্টের মধ্যেও গজেন্দ্র তার শুঁড়ে একটি পদ্মফুল তুলে ধরে আকুলভাবে বিষ্ণুর স্তুতি করতে লাগলেন, যা গজেন্দ্র মোক্ষ স্তোত্র নামে পরিচিত।
ভগবানের দ্রুত আগমন: গজেন্দ্রের আকুল আর্তনাদ ও বিশুদ্ধ ভক্তিযুক্ত স্তুতি শুনে অন্য কোনো দেব-দেবী নন, স্বয়ং ভগবান শ্রীহরি (বিষ্ণু) গরুড়ে চড়ে দ্রুত ছুটে এলেন।
মুক্তি লাভ: ভগবান বিষ্ণু তাঁর সুদর্শন চক্র দ্বারা কুমিরের মাথা কেটে গজেন্দ্রকে মুক্ত করলেন। কুমিরও অভিশাপমুক্ত হয়ে গন্ধর্ব রূপে মুক্তি লাভ করে। গজেন্দ্রও ভগবৎ কৃপায় মুক্তি লাভ করে ভগবানের পার্ষদ হলেন।
গজেন্দ্র মোক্ষ লীলার উপদেশসমূহঃ
এই লীলাটি আমাদের জীবনের বহু গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক সত্যের দিকে ইঙ্গিত করে:
১. একমাত্র ভগবানে শরণাগতিই শেষ আশ্রয়:
গজেন্দ্র প্রথমে নিজের শক্তি (শারীরিক বল), তারপর আত্মীয়-স্বজনের (স্ত্রী-পুত্র-পরিজন) সাহায্যের উপর নির্ভর করেছিল। কিন্তু কেউই তাকে রক্ষা করতে পারেনি।
উপদেশ: জীবন-মৃত্যুরূপী কুমিরের কবল থেকে রক্ষা পেতে হলে আমাদের জাগতিক শক্তি, সম্পদ বা প্রিয়জনদের ওপর নির্ভর না করে একমাত্র ভগবানের চরণে সম্পূর্ণরূপে শরণাপন্ন হতে হবে। তিনিই পরম রক্ষক।
২. অহংকার ও ভোগবাসনার ফল:
গজেন্দ্রের পূর্বজন্মের অহংকারই (রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের ঋষিকে অসম্মান করা) তার হাতি জন্ম এবং কুমিরের হাতে পড়ার কারণ ছিল।
উপদেশ: জাগতিক ভোগ-বিলাস ও মিথ্যা অহংকার জীবের দুঃখের কারণ। এই জগতের সমস্ত সুখ ক্ষণস্থায়ী।
৩. ভগবানের নাম ও স্তুতির মহিমা:
সমস্ত উপায় ব্যর্থ হওয়ার পর, গজেন্দ্র আকুল হৃদয়ে ভগবানের স্তুতি (গজেন্দ্র মোক্ষ স্তোত্র) করে তাঁকে স্মরণ করেছিলেন। এই স্তুতিটি ছিল নিছক বাঁচার জন্য প্রার্থনা নয়, বরং পরমাত্মার স্বরূপ উপলব্ধির প্রার্থনা।
উপদেশ: ভগবানের নাম ও গুণকীর্তন (স্তুতি) এমন এক শক্তি, যা চরম সংকটের মুহূর্তেও পরমাত্মার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে এবং মুক্তি এনে দিতে পারে।
৪. কালের প্রভাব ও মুক্তি:
কুমির ছিল কালের (মৃত্যুর) প্রতীক। এক হাজার বছরের যুদ্ধ আমাদের এই জাগতিক দুঃখময় জীবনের দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতীক।
উপদেশ: কাল বা মৃত্যু সবসময় আমাদের তাড়া করে ফিরছে। এই জন্ম-মৃত্যুর চক্র (সংসার বন্ধন) থেকে একমাত্র ভগবানই রক্ষা করতে পারেন। মুক্তি (মোক্ষ) লাভের জন্য বৈষয়িক কামনা ত্যাগ করে নিরন্তর ভগবানের ভজনা করা আবশ্যক।
৫. ভগবানের করুণা:
গজেন্দ্রের স্তুতি শোনার সঙ্গে সঙ্গেই ভগবান দ্রুত ছুটে এসেছিলেন, যা তাঁর ভক্তের প্রতি অপার করুণা এবং বিপদ থেকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।
উপদেশ: ভক্ত যদি একবারও অকপটে তাঁকে স্মরণ করে, তবে তিনি সমস্ত বন্ধন ছিন্ন করে তাকে উদ্ধার করেন।
এই লীলাটি আমাদের শেখায় যে, মানুষ বা অন্য যেকোনো যোনিতে জন্ম নিলেও, সৎসঙ্গ, ভক্তি ও বিনয়ীভাবে ভগবানের শরণাগত হলেই ভববন্ধন থেকে মুক্তি লাভ করা যায়। এই কারণে দামোদর মাসে এই লীলা পাঠ করলে পুনর্জন্ম হয় না বলে বিশ্বাস করা হয়।
আমি সকলকে অনুরোধ করছি সকলেই এই লীলাটি পড়বেন কারণ দামোদর মাসে গজেন্দ্র মোক্ষ লীলা পাঠ করলে আর পুনর্জন্ম হবে না।
••★হরে কৃষ্ণ ★••

শ্রীশ্রী রমা একাদশীর ব্রত মহাত্ম্যঃ 🍁এক সময় যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণ কে বললেন---হে জনার্দন! কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের ...
17/10/2025

শ্রীশ্রী রমা একাদশীর ব্রত মহাত্ম্যঃ 🍁

এক সময় যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণ কে বললেন---হে জনার্দন! কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম কি এবং তার মহিমা কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন--হে রাজন! মহাপাপ বিনষ্টকারী এই একাদশী 'রমা' নামে বিখ্যাত। আমি এখন সেই মাহাত্ম্য বর্ণনা করছি, আপনি তা মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করুন।
পুরাকালে মুচুকুন্দ নামে এক সুপ্রসিদ্ধ রাজা ছিলেন। দেবরাজ ইন্দ্র, যম, বরুন ও ধনপতি কুবেরের সাথে তার বন্ধুত্ব ছিল। ভক্ত শ্রেষ্ঠ বিভীষণের সাথেও তার অত্যন্ত সদ্ভাব ছিল। তিনি ছিলেন বিষ্ণু ভক্ত ও সত্যপ্রতিজ্ঞ। এই রূপে তিনি ধর্ম অনুযায়ী রাজ্য শাসন করতেন l চন্দ্রভাগা নামে তার একটি কন্যা ছিল। চন্দসেনের পুত্র শোভনের সাথে তার বিবাহ হয়েছিল। শোভন এক সময় তার শ্বশুর বাড়িতে এসেছিল। দৈবক্রমে সেই দিন ছিল একাদশী তিথি। স্বামীকে দেখে পতি পরায়না চন্দ্রভাগা মনে মনে চিন্তা করতে লাগল---হে ভগবান! আমার স্বামী অত্যন্ত দুর্বল। তিনি ক্ষুধা সহ্য করতে পারেন না। এখানে আমার পিতার শাসন খুবই কঠোর। দশমীর দিন তিনি নাগরা বাজিয়ে ঘোষণা করে দিয়েছেন যে একাদশীতে আহার নিষিদ্ধ। আমি এখন কি করি!
রাজার নিষেধাজ্ঞা শুনে শোভন তার প্রিয়তমা পত্নীকে বলল---হে প্রিয়ে, এখন আমার কি কর্তব্য তা আমাকে বলো। উত্তরে রাজকন্যা বলল---হে স্বামী! আজ এই গৃহে এমনকি রাজ্য মধ্যে কেউই আহার করবে না। মানুষের কথা তো দূরে থাকুক, পশুরা পর্যন্ত অন্ন জল মাত্র গ্রহণ করবে না। হে নাথ! যদি তুমি এ থেকে পরিত্রাণ চাও তবে নিজগৃহে প্রত্যাবর্তন করো। এখানে আহার করলে তুমি সকলের নিন্দা ভাজন হবে এবং আমার পিতাও ক্রুদ্ধ হবেন। এখন বিশেষ ভাবে বিচার করে যা ভালো হয়, তুমি তা ই করো। সাধ্বী স্ত্রীর এই কথা শুনে শোভন বলল---হে প্রিয়ে! তুমি ঠিক বলেছ। কিন্তু আমি গৃহে ফিরে যাব না। এখানে থেকে একাদশী ব্রত পালন করব। ভাগ্যে যা লেখা আছে তা অবশ্যই ঘটবে।
এই ভাবে শোভন ব্রত পালনে বদ্ধপরিকর হলেন।
সমস্ত দিন অতিক্রান্ত হয়ে রাত্রি শুরু হল। বৈষ্ণব দের কাছে এই রাত্রি সত্যি ই আনন্দকর। কিন্তু শোভনের পক্ষে তা ছিল বড়ই দুঃখদায়ক। কেননা ক্ষুধা তৃষ্ণায় সে ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ল। এই ভাবে রাত্রি অতিবাহিত হলে সূর্যোদয় কালে তার মৃত্যু হল। রাজা মুচুকুন্দ সাড়ম্বরে তার শবদাহ কার্য সুসম্পন্ন করলেন। চন্দ্রভাগা স্বামীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সমাপ্ত করে পিতার আদেশে পিতৃগৃহেই বাস লাগল।
কালক্রমে রমা ব্রত প্রভাবে শোভন মন্দরাচল শিখরে অনুপম সৌন্দর্যবিশিষ্ট এক রমনীয় দেবপুরী প্রাপ্ত হলেন। এক সময় মুচুকুন্দ পুরের সোমশর্ম্মা নামে এক ব্রাহ্মণ তীর্থভ্রমন করতে করতে সেখানে উপস্থিত হলেন।সেখানে রত্নমন্ডিত বিচিত্র স্ফটিক খচিত সিংহাসনে রত্নালংকারে ভূষিত রাজা শোভনকে তিনি দেখতে পেলেন। গন্ধর্ব ও অপ্সরাগণ দ্বারা নানা উপচারে সেখানে পূজিত হচ্ছিলেন। রাজা মুচুকুন্দের জামাতা রূপে ব্রাহ্মণ তাকে চিনতে পেরে তার কাছে গেলেন। শোভন সেই ব্রাহ্মণকে দেখে আসন থেকে উঠে এসে তার চরণ বন্দনা করলেন। শ্বশুর মুচুকুন্দ ও স্ত্রী চন্দ্রভাগা সহ নগরবাসী সকলের কুশলবার্তা জিজ্ঞাসা করলেন। ব্রাহ্মণ সকলের কুশল সংবাদ জানালেন। জিজ্ঞাসা করলেন---এমন বিচিত্র মনোরম স্থান কেউ কখনও দেখেনি। আপনি কিভাবে এই স্থান প্রাপ্ত হলেন, তা সবিস্তারে আমার কাছে বর্ণনা করুন। শোভন বললেন যে, কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া রমা একাদশী সর্ব ব্রতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। আমি তা শ্রদ্ধা রহিত ভাবে পালন করলেও তার আশ্চর্যজনক এই ফল লাভ করেছি। আপনি কৃপা করে চন্দ্রভাগাকে সমস্ত ঘটনা জানাবেন।
সোমশর্ম্মা মুচুকুন্দ পুরে ফিরে এসে চন্দ্রভাগার কাছে সমস্ত ঘটনার কথা জানালেন। ব্রাহ্মণের কথা শুনে অত্যন্ত আনন্দিত চন্দ্রভাগা বললেন---হে ব্রাহ্মণ! আপনার কথা আমার কাছে স্বপ্ন বলে মনে হচ্ছে। তখন সোমশর্ম্মা বললেন---হে পুত্রী, সেখানে তোমার স্বামীকে আমি স্বয়ং স্বচক্ষে দেখেছি। অগ্নিদেবের মতো দীপ্তিমান তার নগরও দর্শন করেছি। কিন্তু তার নগর স্থির নয়, তা যাতে স্থির হয়, সেই মতো কোনো উপায় কর। এসব কথা শুনে চন্দ্রভাগা বললেন, তাকে দেখতে আমার একান্ত ইচ্ছা হচ্ছে। আমাকে এখনি তার কাছে নিয়ে চলুন। আমি ব্রত পালনের পুণ্য প্রভাবে নগর স্থির করে দেব।
তখন সোমশর্ম্মা চন্দ্রভাগাকে নিয়ে মন্দার পর্বতে বামনদেবের আশ্রমে উপস্থিত হলেন। সেখানে ঋষির কৃপায় ও হরিবাসর ব্রত পালনের ফলে চন্দ্রভাগা দিব্য শরীর প্রাপ্ত হল। দিব্য গতি লাভ করে স্বামীর নিকট উপস্থিত হলেন। প্রিয় পত্নীকে দেখে শোভন অতীব আনন্দিত হলেন।
বহু দিন পর স্বামীর সঙ্গ লাভ করে চন্দ্রভাগা অকপটে নিজের পুণ্য কথা জানালেন। হে প্রিয়, আজ থেকে আট বছর আগে আমি যখন পিতৃগৃহে ছিলাম তখন থেকে রমা একাদশীর ব্রত নিষ্ঠা সহকারে পালন করতাম। ঐ পুণ্য প্রভাবে এই নগর স্থির হবে এবং মহাপ্রলয় পর্যন্ত থাকবে।
হে মহারাজ! মন্দরাচল পর্বতের শিখরে শোভন তার স্ত্রী চন্দ্রভাগা সহ দিব্যসুখ ভোগ করতে লাগলেন। পাপনাশিনী ও ভুক্তি মুক্তি প্রদায়িনী রমা একাদশীর মাহাত্ম্য আপনার কাছে বর্ণনা করলাম। যিনি এই একাদশী ব্রত শ্রবণ করবেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে পূজিত হবে।

আজ শ্রীল নরোত্তম দাস ঠাকুরের তিরোভাব তিথি! "নরোত্তম দাস ঠাকুরের ইচ্ছা ছিল যে, সবাই শ্রীচৈতন্যদেবের অনুগামী হোক এবং সেইভা...
11/10/2025

আজ শ্রীল নরোত্তম দাস ঠাকুরের তিরোভাব তিথি!
"নরোত্তম দাস ঠাকুরের ইচ্ছা ছিল যে, সবাই শ্রীচৈতন্যদেবের অনুগামী হোক এবং সেইভাবেই তিনি প্রচার করলেন। সেই সময়ে জাত গোঁসাইয়ের প্রচলন ছিল এবং নরোত্তম দাস ঠাকুর ক্ষত্রিয় যুবরাজ ছিলেন। কিন্তু তিনি এগুলি সব পরিত্যাগ করে কৃষ্ণসেবা ও গৌরের সেবা করার জন্য মনস্থির করেছিলেন। তিনি রাজা হতে পারতেন। কিন্তু তিনি রাজি হননি। তাঁর ভাইপো রাজা হয়ে গেলেন। তিনি সদগুরু। তাঁর শিষ্য ছিল ব্রাহ্মণ এবং অন্যান্য জাতির। কিন্তু সবাই ছিল শুদ্ধভক্ত। শুদ্ধভক্তি তিনি তাঁর গানের মাধ্যমে শিখিয়ে দিয়েছেন। প্রভুপাদ বলছিলেন যে, তাঁর গান এবং শাস্ত্র অভিন্ন। নরোত্তম দাস ঠাকুর যেভাবে প্রচার করলেন, সেভাবে সকলে কৃষ্ণসেবার মধ্যে মগ্ন হলেন। লোকনাথ গোস্বামী তাঁর দীক্ষাগুরু ছিলেন কিন্তু জীব গোস্বামী তাঁর শিক্ষাগুরু ছিলেন। মহাপ্রভুর আবির্ভাব তিথি গৌরপূর্ণিমা উপলক্ষে তিনি একটি উৎসব করলেন খেতুরি গ্রামে। সেই সময়ে জাহ্নবা দেবী এসেছেন এবং মহাপ্রভুর অন্যান্য সমস্ত পার্ষদ ও তাঁর ভক্ত এসেছেন। এমনভাবে তিনি মধুর কীর্তন করলেন যে, যেসমস্ত ভক্ত অন্তর্ধান হয়ে গিয়েছিলেন, তাঁরা সবাই এসেছেন। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, নিত্যানন্দ, গদাধর, অদ্বৈত প্রভু এবং অন্যান্য পার্ষদ ও ভক্তবৃন্দ এসেছেন এবং সবাই একসাথে কীর্তন করছিলেন। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এসে সপার্ষদে কীর্তন করলেন। হরিবোল!!!! এইসব ঐতিহ্যবান, পবিত্র জায়গা। আমরা সেখানে সেবার সুযোগ পেয়েছি।
নরোত্তম দাস ঠাকুর তাঁর তিরোভাবে গঙ্গার মধ্যে দুধ হয়ে গেলেন। তাঁর শিষ্য সেই দুধ কলসের মধ্যে করে নিয়ে এসেছেন এবং এর সমাধি দিয়েছেন পশ্চিমবাংলার মুর্শিদাবাদ জেলায়।
তাঁর জন্মস্থান খেতুরীগ্রাম। সেখানে তিনি বাস করলেন, তিনি বিগ্রহ স্থাপন করে সেবা করলেন। কিছু বিগ্রহ নবদ্বীপের মধ্যে আছেন, কিছু চলে গিয়েছেন বৃন্দাবনে। এই খেতুরী গ্রাম একটি পবিত্র জায়গা। সেখানে তাঁর অনেক ভক্ত-শিষ্য হলো। তাঁর একজন শিষ্য গিয়েছেন মণিপুরে এবং সেখানে মণিপুরের রাজা-প্রজা সবাইকে দীক্ষা দিয়েছেন। এখনও মণিপুরে বৈষ্ণব সংস্কৃতি অনেকে পালন করে।
শ্রীচৈতন্যদেবের পর, ষড়গোস্বামীদের পর নরোত্তম দাস ঠাকুর এবং সপার্ষদে শ্রীনিবাস আচার্য ইত্যাদি যাঁরা ভক্ত ছিলেন, তাঁরা চৈতন্যদেবের প্রচার করলেন।"
~ শ্রীল জয়পতাকা স্বামী
২৫শে অক্টোবর, ২০২১

"শুদ্ধ ভক্তিময় সেবা আত্মাকে সন্তুষ্টি দান করে।"~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী, ৪ঠা জুলাই, ১৯৯১, নিউ তালবন, আমেরিকা
10/10/2025

"শুদ্ধ ভক্তিময় সেবা আত্মাকে সন্তুষ্টি দান করে।"
~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী, ৪ঠা জুলাই, ১৯৯১, নিউ তালবন, আমেরিকা

দামোদর মাসের মাহাত্ম্য! 🍁🍁"দামোদর মাস একটি অত্যন্ত বিশেষ মাস। কারণ এই মাসে আপনি যাই করুন না কেন তার জন্য আপনি বহুগুণ বেশ...
07/10/2025

দামোদর মাসের মাহাত্ম্য! 🍁🍁

"দামোদর মাস একটি অত্যন্ত বিশেষ মাস। কারণ এই মাসে আপনি যাই করুন না কেন তার জন্য আপনি বহুগুণ বেশি সুফল লাভ করবেন। শঙ্খাসুর নামক এক ভয়ঙ্কর অসুর ছিল, যার ভয়ে দেবতারা মেরু পর্বতে লুকিয়ে ছিল। সে জানত না তারা কোথায় ছিল। তাই সে সত্যলোকে গিয়ে মূর্তিমান বেদসমূহকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নিল। কেননা এই উপায়ে দেবতারা তাদের কাছে বেদ না থাকায় শক্তি হারাবে, ফলে সে রাজত্ব করতে পারবে। তাই সে সত্যলোকের দিকে ধাবিত হয়। কিন্তু মূর্তিমান বেদসমূহ তার আসার খবর পেয়ে পালিয়ে যান; সে তাদের তাড়া করে। তারা জলে লুকিয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেদের জলে দ্রবীভূত করে রাখে। সে ভাবলো, তারা নিশ্চয়ই কোথাও লুকিয়ে আছে। তাই সে জলের নিচের গুহা, পর্বত আদি খুঁজে দেখতে লাগল, "মূর্তিমান বেদসমূহ কোথায়?" কিন্তু বেদসমূহ জলে মিশে ছিল। তাই দেবতারা ভাবলেন, এই আমাদের সুযোগ, আমাদেরকে যেতে হবে; শুধুমাত্র বিষ্ণুই আমাদের রক্ষা করতে পারেন। তাই তাঁরা ক্ষীরসমুদ্রে গিয়ে জপ করতে শুরু করলেন- তাঁরা ভাবলেন, "যেহেতু এটি বর্ষা ঋতুর শেষ মাস, ভগবান এখন বিশ্রাম গ্রহণ করেন। যদি আমরা হঠাৎ তাঁকে জাগিয়ে তুলি হয়তো তিনি রেগে যেতে পারেন এবং তা ঠিক হবে না। তাই চলুন আমরা সকলে হরেকৃষ্ণ জপ করি এবং এভাবে যখন তিনি জেগে উঠবেন তিনি ভীষণ আনন্দিত হবেন।" তাই তাঁরা জপ করতে শুরু করলেন।
ক্ষীরোদকশায়ী বিষ্ণু জেগে উঠে সমস্ত দেবতাদের জপ করতে দেখে সত্যিই খুব আনন্দিত হলেন। তিনি এতটাই আনন্দিত হলেন যে তিনি বললেন, "এই মাসের এই তিথিতে যেকোন কৃষ্ণভাবনাময় বা পারমার্থিক কর্ম করা হোক না কেন আমি তার জন্য ১০০ গুণ বেশি সুফল প্রদান করব।"
তিথিটি ছিল একাদশী তিথি এবং মাসটি ছিল দামোদর অথবা কার্তিক। তাই এই দামোদর মাসে আপনারা ১০০ গুণ বেশি সুফল লাভ করেন।
প্রকৃতপক্ষে স্কন্দপুরাণ ও অন্যান্য পুরাণ থেকে আমরা জানতে পারি যে, যদি আমরা শ্রীবিগ্রহগণকে প্রদীপ নিবেদন করি তাহলে সেজন্য আমরা ১০০০ গুণ সুফল লাভ করি এবং অন্যান্য কাজের জন্য ১০০ গুণ সুফল লাভ করি। কিন্তু শ্রীবিগ্রহগণকে প্রদীপ নিবেদন সত্যিই ভীষণ শুভ। প্রকৃতপক্ষে এটি আপনার পিতৃপুরুষদের মুক্ত করতে পারে। তাই আমরা আমাদের ভক্তদেরকে উৎসাহিত করছি যেন তারা অন্যদেরকে জপ করতে উদ্বুদ্ধ করেন।"
~ শ্রীল জয়পতাকা স্বামী
ইসকন চৌপাটি
২১শে অক্টোবর, ২০১০

আজ কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী শ্রীল প্রভুপাদের আমেরিকা পদার্পণ তিথি!"কখনোই এটা মনে করবেন না যে শ্রীল ...
14/09/2025

আজ কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী শ্রীল প্রভুপাদের আমেরিকা পদার্পণ তিথি!

"কখনোই এটা মনে করবেন না যে শ্রীল প্রভুপাদের আমেরিকা পদার্পণ শুধুমাত্র আমেরিকাবাসীদের জন্যই তাৎপর্যপূর্ণ, এটি অন্যদের জন্যেও...সমগ্র বিশ্বের সকলের জন্য এর তাৎপর্য ছিল এবং রয়েছে। ইউরোপ, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর আমেরিকা এবং ভারত, এশিয়ার সর্বত্র। প্রভুপাদ যেন এক তুষারধস সৃষ্টি করেছেন।

আপনারা কি কখনো তুষারধস দেখেছেন? তুষারধস ছোট্ট হিসেবে শুরু হয়। কখনো কখনো একটি ছোট তুষার অথবা ধুলিকণা একত্রিত হতে শুরু করে এবং এটি গড়িয়ে চলে। গড়িয়ে চলার সময় এটি অন্য টুকরোকে আঘাত করে এবং সেগুলিও গড়িয়ে চলতে শুরু করে, এবং এইভাবে পরবর্তী সেই গতি আরও বড় থেকে বড় হয়ে ওঠে, এবং একটি ছোট কণা থেকে শত শত কণা, কয়েক টন উপাদান থেকে হাজার হাজার কণা, এগুলি একত্রিত হতে শুরু করে এবং গতি লাভ করে। এইভাবে তুষারধস তার গতি বাড়াতে থাকে, তারপর অবশেষে পুরো পর্বতটি একটি বিশাল ভূমিধসে ভেঙে পড়ে।

শ্রীল প্রভুপাদ ভগবৎ প্রেমের বন্যা শুরু করেছেন। তিনি শুরু করেছেন, এবং তিনি পালন করছেন। আমরা নুড়িপাথর মাত্র। আমরা নগণ্য ধূলিকণা এই বিশাল ভূমিধসে অংশগ্রহণ করছি যা সকল আলাদা হয়ে যাওয়া কণাগুলিকে এই জড় জগতের অবস্থান থেকে আনন্দের সমুদ্রে নিয়ে যাবে। ভগবদ্ধামের অপ্রাকৃত প্রেমের সমুদ্র অপেক্ষা করছে।

তাই আজ এক ঐতিহাসিক দিন। আমাদের নিজেদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া উচিত এবং শ্রীল প্রভুপাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে গুরু গৌরাঙ্গের পাদপদ্মে সমর্পিত হওয়ার জন্য নিজেদেরকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করা উচিত যাতে যে বার্তা তিনি যত্ন, স্নেহ এবং করুণার সাথে এনেছেন তার দ্বারা সকলেই লাভবান হতে পারে, শ্রীল প্রভুপাদের উদ্দেশ্যে নিবেদন করার জন্য এই সেবাটি আমরা করতে পারি।"

~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী
১৭ই সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯
লস এঞ্জেলস, ক্যালিফোর্নিয়া

🌸 শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা মহোৎসব ২০২৫ 🌸📍 শ্রী শ্রী গৌর নিতাই ভক্তিবৃক্ষ প্রচার কেন্দ্র, ভাটারাপরম করুণাময় ভগ...
12/06/2025

🌸 শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা মহোৎসব ২০২৫ 🌸
📍 শ্রী শ্রী গৌর নিতাই ভক্তিবৃক্ষ প্রচার কেন্দ্র, ভাটারা

পরম করুণাময় ভগবান জগন্নাথদেবের পবিত্র স্নানযাত্রা মহোৎসব আমাদের প্রচারকেন্দ্রে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে গতকাল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভক্তবৃন্দের আন্তরিক অংশগ্রহণে স্নানবিধি, হরিনাম সংকীর্তন, কীর্তনযজ্ঞ, শাস্ত্রপাঠ ও মহাপ্রসাদ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিনটি হয়ে ওঠে এক অপূর্ব ভক্তিস্নিগ্ধ উৎসব।🌷
🌿 “ভগবানের সেবায় অংশগ্রহণই প্রকৃত সৌভাগ্য; আর স্নানযাত্রার দর্শন হল অনন্ত কৃপা লাভের দ্বার।” 🌿

📸ভগবানের এই স্নেহময় লীলাদর্শন আপনাদের হৃদয়ে ভক্তি, ভক্তিসম্মান ও কৃতজ্ঞতা জাগিয়ে তুলুক — এই কামনা।

শ্রী শ্রী গৌর নিতাই ভক্তিবৃক্ষ প্রচার কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই সকল ভক্ত ও সেবকদের প্রতি -যারা এ মহোৎসবকে সফল ও মহিমাময় করেছেন।🌈
হরে কৃষ্ণ!🙏

31/05/2025

বিশেষ ভাগবতীয় আলোচনা🌈
বিষয় : ভক্তিরসামৃতসিন্ধু📜
প্রবক্তা : শ্রীমৎ ভক্তিবিজয় ভাগবত স্বামী মহারাজ
আয়োজনে: শ্রী শ্রী গৌর-নিতাই ভক্তিবৃক্ষ প্রচারকেন্দ্র

হরে কৃষ্ণ🙏শুভ অক্ষয় তৃতীয়া🌷শ্রী শ্রী গৌর-নিতাই ভক্তিবৃক্ষ প্রচারকেন্দ্রের পক্ষ থেকে সকল ভক্তবৃন্দকে জানাই আন্তরিক শুভে...
30/04/2025

হরে কৃষ্ণ🙏
শুভ অক্ষয় তৃতীয়া🌷

শ্রী শ্রী গৌর-নিতাই ভক্তিবৃক্ষ প্রচারকেন্দ্রের পক্ষ থেকে সকল ভক্তবৃন্দকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, শুভাশিস ও কৃষ্ণপ্রেমে পূর্ণ অভিনন্দন।❤️

এই পবিত্র অক্ষয় তৃতীয়ার মহাদিবসে আসুন—
শ্রী শ্রী জগন্নাথদেব, বলদেব, সুভদ্রা মহারাণী, শ্রী শ্রী রাধামাধব, শ্রী শ্রী গৌর-নিতাই এবং আচার্যশ্রেষ্ঠ শ্রীল প্রভুপাদের দিব্য দর্শন লাভ করি ও তাঁদের কৃপা ভিক্ষা করি।

এই দিনটি সমস্ত শুভ কাজের শুরু করার এক অনন্ত শুভ মুহূর্ত।😊
আসুন, ভক্তি, সেবা ও কৃষ্ণভাবনামৃতের মাধ্যমে
আমাদের আত্মিক যাত্রার নব সূচনা করি।🙏

চির অক্ষয় হোক আমাদের কৃষ্ণভক্তি,
চির অক্ষয় হোক শ্রীহরিনামের গুণগান।

শুভ অক্ষয় তৃতীয়া—ভক্তি, শান্তি ও চিরমঙ্গলের বার্তা নিয়ে আসুক সকলের জীবনে।🙏

#1432

Address

Sri Sri Gour-Nitay Bhaktivrikhsha Temple, Vatara
Dhaka

Telephone

+8801754110150

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gour Nitai Bhakti Vriksha PC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Gour Nitai Bhakti Vriksha PC:

Share