03/12/2025
উস্তাযা হোক বা আলেমা।
হোক আইনস্টাইনের মত বিজ্ঞানী৷
নারী সিফাতগত ভাবে নারীই৷
নারী সৃষ্টির সিফাতগত ভাবেই আলাদা।
তাকে নবী-রাসূলের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।
দেওয়া হয়নি সমাজ-রাষ্ট্র শাসনের৷
তার একক সাক্ষী গ্রহণযোগ্য নয়৷ এক পুরুষ সাক্ষীর বিপরীতে নারীর দুই সাক্ষী।
পুরুষ শাসক আর নারী পুরুষের অনুগত।
মোহরানা বা সংসার পুরোটাই পুরুষের দায়িত্ব ও ফিতরাত৷
দৈহিক হতে মানসিক সর্বক্ষেত্রে ই নারী পুরুষ আলদা।
নারী আবেগ অনুভূতির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনু কণার সমষ্টি তে নিয়ন্ত্রিত।
নারী উস্তাযা বা হাদিস বিশারদ হোক৷ স্বামী রিক্সা চালাক হলেও তাকে স্বামীর আনুগত্য করতে হবে৷
নারীর স্বতন্ত্র বলতে কিছু নেই৷ যখন সে স্বতন্ত্র হবে তখনই সে বিপর্যয় টেনে আনবে।
পুরুষ ও নারীর মর্যাদা ও কর্তৃত্বের পার্থক্য আছে। আছে দায় বহনের ব্যপারেও।
হারাম উপার্জনে নারীর দায় নেই।
পুরুষ বিপথগামী হলে সেটার দায় ও নারীর নেই।
হারাম উপার্জনের শুধু এককভাবে পুরুষের ই।
তার অধীনস্থ কন্যা বা স্ত্রী বিপথগামী হলে পুরুষ ও দায়ের আওতায়। এমনকি দাইয়্যুস বলে সেই গণ্য হবে৷
সৃষ্টিগত ভাবেই নারী দুর্বল ও নরম। আবার কূটচাল ও গীবত,প্রতিহিংসায় এরাই সবচেয়ে ভয়ানক। অধিকাংশ জাহান্নামী হবে শুধু এ কারণেই। এরা স্বামীর আনুগত্য করবে না। স্বামীর প্রতি অসন্তুষ্ট ও অকৃতজ্ঞ থাকে৷ নিন্দা ও গীবতে ডুবে থাকে৷
তাদের ছলনা যেমন ভয়ংকর তেমনি শ'য়তানের ফাঁদ হিসাবে তারাই ব্যবহৃত হয়৷
আপনার ফ্যামিলি ম্যানেজমেন্ট সাজাতে হবে সিফাত অনুযায়ী। না হলে পদে পদে বিপর্যয় ঘটবে৷
নারী সবক্ষেত্রে পুরুষের সাথে টক্কর দেওয়া বা সমকক্ষ হওয়ার চিন্তাটাই একধরণের বিদ্রোহী। যারা ব্যক্তিজীবনে শান্তি পায় না। আবার কাউকেও শান্তিতে থাকতে দেয় না।
তাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হওয়ার কথা ছিলো গৃহ থেকে পর্দা আভ্রু রক্ষা করা৷ নেক-কার সন্তান দিয়ে উম্মাহকে উদ্ধার করা৷ আর এমন নারীই তো প্রকৃত রত্ন৷ ভোগবাদ আর পুঁজিবাদী হওয়ায় মিশে যাওয়া সুবুদ্ধি নয় বরং এগুলো শ'য়তানের চাকচিক্য।
নারী সুরক্ষিতা, সম্মানিতা,লাজুকতা,কোমলতা,মায়াবতী, লুকায়িত ঝিনুকের মুক্তো।
এই খোলসের আবরণে থাকাই প্রকৃত নারীত্ব ও মাতৃত্ব৷ এই খোলস থেকে বেরিয়ে যাওয়া মানেই দুর্গন্ধ পরিবেশে উন্মুক্ত হওয়া৷
- আল ইন্তিফাদা