Qur'an And Sunnah

Directions

Qur'an And Sunnah দ্বীন প্রচার।

03/10/2026

দোয়া হিসেবে দুরুদ 🍂

▪️দোয়া হিসেবে যদি সারাদিন আপনি দুরুদ পড়তে থাকেন তাহলে এটায় আপনার জন্য যথেষ্ট হবে। ইন শা আল্লাহ।
দুরুদ মানে হলো নবিজির জন্য দোয়া করা।
রাসূলুল্লাহ ﴾ﷺ﴿ বলেন- কেউ যদি আমার উপর একবার দুরুদ পড়ে আল্লাহ তার উপর দশটি রহমত বর্ষণ করেন। (স-লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)..নবিজি ﷺ সুসংবাদ দিলেন তাদের যারা অধিক পরিমাণে দুরুদ পড়বে তাদের জীবনে আর কোন পেরেশানি থাকবে না। ইন শা আল্লাহ.....🤎

▪️দুরুদের আমল এমন একটি আমল যা আপনার জীবনে কোন বিপদ, মুসিবত, বা যেকোনো সমস্যা সমাধান করার জন্য যথেষ্ট হবে। দুরুদ পাঠে আল্লাহ তালা আমাদের গুনাহ সমূহ ও মাফ করে দিবেন ইন শা আল্লাহ.....🤲🏻

▪️দুরুদের ফজিলত বলে শেষ করা যাবে
যে যত বেশি দুরুদ পড়বে তার জন্য তত বেশি লাভ হবে সবক্ষেত্রেই।
সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দুরুদ - (দুরুদে ইব্রাহিম)
সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত দুরুদ- (স-লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)

▪️দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে দুরুদ ও ইস্তেগফারের আমলকে আকড়ে ধরে রাখলে আল্লাহ তালা অলৌকিক ভাবে সাহায্য করবেন ইন শা আল্লাহ...

✍️ ফারিহা ফারি

02/10/2026
01/10/2026

সূরা বাকারার ২৬১ নম্বর আয়াত অনেকেই জানেন। সাতটা শীষের উপমা, প্রতিটি শীষে একশোটা দানা, মোট সাতশো গুণ — এই অংশটা বেশিরভাগ মানুষের মুখে মুখে আছে। দান করলে সাতশো গুণ ফেরত পাওয়া যাবে — এটুকু জেনেই আয়াতটা মনে থাকে। কিন্তু আয়াতের একেবারে শেষে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা নিজের দুটো নাম উল্লেখ করলেন। এই দুটো নাম বেশিরভাগ মানুষ পড়েন, কিন্তু আলাদাভাবে ভাবেন না। অথচ এই দুটো নামেই লুকিয়ে আছে — কেন আপনি দান করতে ভয় পাবেন না তার সবচেয়ে শক্তিশালী কারণ।

مَّثَلُ الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ أَنبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِي كُلِّ سُنبُلَةٍ مِّائَةُ حَبَّةٍ ۗ وَاللَّهُ يُضَاعِفُ لِمَن يَشَاءُ ۗ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
আল্লাহর পথে যারা তাদের সম্পদ ব্যয় করে তাদের উদাহরণ হলো সেই বীজের মতো যা থেকে সাতটি শীষ বের হয়, প্রতিটি শীষে একশোটি দানা। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা আরও বাড়িয়ে দেন। আর আল্লাহ প্রশস্ত, সর্বজ্ঞ।
(সূরা আল-বাকারা, ২:২৬১)

আয়াতের শেষ দুটো শব্দ — "ওয়াসিউন আলিম।" আলাদাভাবে বুঝুন।

প্রথম নাম — "ওয়াসি" — প্রশস্ত, অসীম, বিস্তৃত। "ওয়াসিআ" ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ এত বিশাল যে কোনো কিছু তাকে পূর্ণ করতে পারে না। আল্লাহ যখন বললেন "ওয়াল্লাহু ওয়াসি" — তিনি বলছেন আমার ভাণ্ডার এমন যে তা কখনো ফুরায় না, আমার ক্ষমতা এমন যে তাতে কোনো সীমা নেই। দানের পর মানুষের মনে যে ভয়টা সবচেয়ে বেশি আসে সেটা হলো — দিয়ে দিলে কি আর পাবো? হাত খালি হয়ে যাবে না তো? এই ভয়ের উত্তর আল্লাহ নিজেই দিলেন — "ওয়াসি।" যিনি দেবেন তাঁর কাছে দেওয়ার মতো কিছু নেই এমন পরিস্থিতি কখনো আসবে না। আপনার সাতশো গুণ দিতে গিয়ে তাঁর ভাণ্ডার এতটুকুও কমবে না। তাই দেওয়ার পর ভয় পাওয়ার কোনো যুক্তি নেই।

দ্বিতীয় নাম — "আলিম" — সর্বজ্ঞ। "ইলম" ধাতু থেকে এসেছে। আল্লাহ সব জানেন — আপনার নিয়ত জানেন, আপনার পরিস্থিতি জানেন, আপনার প্রয়োজন জানেন, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — আপনাকে সাতশো গুণ কীভাবে ফিরিয়ে দিলে সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে সেটাও তিনি জানেন। মানুষ ভাবেন — আমি টাকা দিলাম, কিন্তু ফেরত আসবে কীভাবে? কোন পথে? কোন সময়ে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আপনাকে জানতে হবে না, কারণ "আলিম" জানেন। তিনি জানেন আপনার জীবনের কোন মুহূর্তে কোন পথে ফিরিয়ে দিলে সবচেয়ে বেশি উপকার হবে। তাই ফেরত আসার পথ নিয়ে চিন্তা করার দায়িত্ব আপনার নয়, সেটা "আলিম"-এর।

এখন দুটো নাম একসাথে মেলান। "ওয়াসি" মানে — তাঁর কাছে দেওয়ার মতো অসীম আছে, ভাণ্ডার শূন্য হওয়ার প্রশ্নই নেই। "আলিম" মানে — কাকে কোথা থেকে কীভাবে ফিরিয়ে দেবেন সেটা তিনি সবচেয়ে ভালো জানেন। এই দুটো একসাথে ধরলে দানের ভয়টা কোথায় থাকে? ভাণ্ডার অসীম, পথ জানা — তাহলে প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ার কোনো সুযোগই নেই।

এখানে একটা ভুল ধারণা পরিষ্কার করা দরকার। অনেকে ভাবেন দান করলে ফেরত আসবে মানে হলো নগদ টাকা হিসেবে ফিরে আসবে। এটা "আলিম" সম্পর্কে অসম্পূর্ণ বোঝাপড়া। আল্লাহ সর্বজ্ঞ মানে তিনি জানেন আপনার এই মুহূর্তে কী দরকার — হয়তো টাকা নয়, হয়তো সুস্বাস্থ্য। হয়তো নগদ অর্থ নয়, হয়তো সন্তানের হেদায়াত। হয়তো ব্যাংক ব্যালেন্স নয়, হয়তো পরিবারের প্রশান্তি। "আলিম" আপনার চেয়ে বেশি জানেন আপনার জীবনে আসল বারাকাহ কোন রূপে আসা দরকার। তাই সাতশো গুণ ফেরত আসবে কিন্তু ঠিক কোন রূপে আসবে — সেটা নির্ধারণের এখতিয়ার "আলিম"-এর, আপনার নয়।

বই: রিজিকের ম্যানুয়াল

01/10/2026

সারাক্ষণ দরুদ পড়তে থাকলে কী হয় জানেন?

যখন আপনি সারাক্ষণ দরুদ শরীফ পড়তে থাকেন, তখন আপনার মন, চিন্তা, এমনকি আত্মাটাও প্রিয় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অনুপ্রেরণাতে ভরে যায়। আপনি অজান্তেই তাঁর জীবন, তাঁর ধৈর্য, তাঁর বুদ্ধিমত্তা, তাঁর সম্মান নিয়ে ভাবতে থাকেন। ধীরে ধীরে তাঁর প্রতিটি গুণ যেন আপনাকেও নিজের জীবনে সেরকম হতে অনুপ্রাণিত করে, তাগাদা দেয় ভালো মানুষ হতে, শান্ত হতে, রহমত প্রাপ্ত একজন মুসলিম হতে।

আর জানেন কি — আপনি যখন প্রিয় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ওপর
সালাম পাঠান, তখন আল্লাহ নিজেই আপনার ওপর সালাম পাঠান! সুবহানাল্লাহ!

“যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠায়, আল্লাহ তাঁর ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন।”
(সহিহ মুসলিম, হাদীস : ৩৮৪)

চলুন, এই ভালোবাসার ধারাটা থামাই না — কারণ প্রিয় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মনে রাখার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে পারি ...

লেখা : সংগৃহীত

 #দরুদ_শরিফ_পড়ার_অভিজ্ঞতা (পর্ব ১১৪)দরুদে খিজরি -সাল্লাল্লাহু আলা হাবিবিহি মুহাম্মাদিও ওয়া আলিহি ওয়া আসহাবিহি ওয়া সাল্লা...
01/10/2026

#দরুদ_শরিফ_পড়ার_অভিজ্ঞতা (পর্ব ১১৪)
দরুদে খিজরি -
সাল্লাল্লাহু আলা হাবিবিহি মুহাম্মাদিও ওয়া আলিহি ওয়া আসহাবিহি ওয়া সাল্লাম

দরুদে রহমত -
সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মদ।

কমেন্টে এসে জিজ্ঞেস করবেন না আপাতত কোনটা কোন দরুদ।সব সময় পোস্টের সাথেই দিয়ে দিই।

একজন বোন জানিয়েছেন যে ১৮ এপ্রিল,২০২২ উনার ১ কোটি দরুদ পাঠের মুবারক সফর হয়। উনি ২০১৯ সাল থেকে দরুদ পড়া শুরু করেন।আস্তে আস্তে বাড়িয়ে প্রতিদিন ৫০ হাজার এ চলে যায় আল্লাহ এবং নুর নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর তওফিকে।
উনি এর মাঝে অর্থাৎ ১ কোটি দরুদ পাঠের মাঝে চারবার স্বপ্নের মাধ্যমে প্রিয় নবী রাসুলুল্লাহ পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দিদার লাভের সৌভাগ্য অর্জন করেছেন।
সুবহানাল্লাহ।

তিনি স্বপ্নে হযরত উসমান গনি (রা.)-এর তলোয়ার দেখার এবং পবিত্র কাবা শরীফ ও নবীজী পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম এর রওজায় আনোয়ারে আধ্যাত্মিক দীদার বা উপস্থিতি অনুভব করেছেন।সুবহানাল্লাহ।

তিনি বিনয়ের সাথে বলেছেন যে, এর পেছনে তার নিজের কোনো বিশেষ আমল বা বড় কোনো ইলম নেই; বরং এটি কেবল মহান আল্লাহ পাকের অশেষ দয়া এবং দরুদ শরীফের বরকতের ফল।

শুরুর দিকে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা ছাড়া দরুদ পাঠ করতেন, কিন্তু পরবর্তীতে আধ্যাত্মিক পথনির্দেশনা বা স্বপ্নের মাধ্যমে নির্দেশনা পেয়ে তিনি একটি রুটিন মেনে চলতে শুরু করেন অর্থাৎ রুটিন করে নির্দিষ্ট সংখ্যায় দরুদে পাক পড়তে শুরু করেন।প্রথম দিকে তিনি ওজু সহ এবং ওজু সহ উভয় ভাবে পাঠ করতে থাকেন।পরবর্তীতে দরুদ সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ওজু সহ পাঠ করেন আরো বরকত পান।
ওজু সহ দরুদ পাঠ শুরু করার পর উনাকে স্বপ্ন ওজু সহ পড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
: তিনি জানান যে তাকে স্বপ্নের মাধ্যমে ‘দরুদ ইব্রাহিম’ এবং ‘দরুদ খিজরি’ পাঠ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এছাড়া তিনি দরুদে খিজরির পাশাপাশি দরুদে রহমত অর্থাৎ সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মদ দরুদটি পাঠ করতে শুরু করেন।

তিনি সে পর্যায়ে প্রতিদিন দরুদে খিজরি ১০ হাজার বার এবং দরুদে রহমত সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মদ ৪০ হাজার বার পাঠ করতেন।
সে পর্যায়ে উনার আউলিয়াদের যিয়ারত হতে থাকে অনেক বার।
আউলিয়া বাবা বাগ হোসাইন কামাল রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু বোনটির স্বপ্নে এসে প্রশ্ন করেছিলেন যে,
তুমি কোন দরুদ পড়?
বোনটি বলেছেন,আমি সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মদ দরুদ টি পাঠ করি।তারপর বাবা আউলিয়া বাগ হোসাইন কামাল রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু বলেন,ঠিক আছে।তবে দরুদ শরীফের সাথে ‘সালাম’ সহ পাঠ করলে তা তোমার কবরের জন্য জান্নাতের ফুলের সুগন্ধে ভরপুর হয়ে যাবে।
তারপর থেকে তিনি সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম সহ পাঠ করতে থাকেন।

( আউলিয়া হযরত প্রফেসর বাগ হোসাইন কামাল রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু দরুদ পাঠের গুরুত্ব নিয়ে হালে সফর নামে একটি কিতাব লিখেছেন।)

বোনটি আরো বলেছেন,আমি যখনই কোনো কঠিন সমস্যায় পড়তেন, মহান আল্লাহ তায়ালা বিভিন্নভাবে পথ দেখাতেন। এর মাধ্যমে আমি আমার জীবনের অনেক জটিল সমস্যার সমাধান ও মানসিক প্রশান্তি খুঁজে পেয়েছি।

আমি একবার অনেক পেরেশানি এবং কষ্টের মাঝে ছিলাম।
৩য় দিন স্বপ্নে দেখলাম সুরা কলামের তরজমা পড়ো।
তার আগে আমার জানা ছিল না পবিত্র কুরআনে সুরা কালাম নামে যে এ সুরাটি আছে। আমি সুরাটির তরজমা পড়লাম।আলহামদুলিল্লাহ এতে আমার দুশ্চিন্তার উত্তর ছিল।

একবার আমার উমরাহ করার পরিকল্পনা ভেঙে যায়।আমি ৩ দিন ধরে কান্নাই করে যাই।সেদিন রাতে স্বপ্ন দেখি কাবা শরিফের সামনে আছি এবং দয়াল নবিজী রাসুলুল্লাহ পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপস্থিত আছেন।
দয়াল নবিজী কাবা শরিফের ইমামকে ডাকছেন এবং বলছেন,এর খেয়াল রেখো।

সুবহানাল্লাহ
অনুবাদ-গোলাম মোহাম্মদ মোস্তফা

30/09/2026

সুযোগ পেলে মানুষকে বেশি বেশি পানি পান করাবেন। বিশেষ করে তৃষ্ণার্ত কাউকে পান করাতে পারলে এটা আরো লাভজনক।

বাড়ি রাস্তার পাশে হলে পথিকের জন্য পানির ব্যবস্থা রাখবেন। সম্ভব হলে কল লাগিয়ে দিতে পারেন। ছাদে এবং বারান্দায় পাখিদের জন্য বাটিতে করে পানি রেখে দিবেন। প্রচন্ড গরমে এক বোতল পানি নিয়ে বের হবেন কোনো রিক্সাওয়ালা পেলে দিয়ে দিবেন।

মেয়েদের তো তেমন বাইরে গিয়ে পানি পান করানোর সুযোগ নেই তাই হাজব্যান্ড, বাবা, ভাই ঘরের পুরষরা যখন ক্লান্ত হয়ে বাইরে থেকে ফিরবে পানি এগিয়ে দিবেন। টেবিলের জগটা খালি পেলেই ভরে ফেলবেন এবং এই নিয়ত করবেন যে, আল্লাহ এই পানি যতজন পান করবে প্রত্যেকের পানি পান করানোর সওয়াব আমাকে দিও।

তাবিয়ীগণ বলতেন, যার গুনাহ অনেক বেশি হয়ে গেছে তার কর্তব্য হচ্ছে পানি পান করানো। কারণ এক গুনাহগার ব্যক্তি কুকুরকে পানি পান করানোর কারণে আল্লাহ তায়ালা তাকে মাফ করে দিয়েছিলেন।

আমরা তো প্রতি নিয়তই গুনাহ করে ফেলি। কখনো জেনে, কখনো না বুঝে কত কত গুনাহ যে করি তার হিসেব নেই। একটা তৃষ্ণার্ত প্রাণীকে পানি পান করানোর কারণে যদি আল্লাহ একজন গুনাহগারকে ক্ষমা করে দেন, একজন মুমিনকে পানি পান করালে আল্লাহ আমাদের প্রতি কতটা ক্ষমাশীল হবেন তা বলার মত না।
✍️Sadia Samha

30/09/2026

আমি আল্লাহর উপর ভরসা করে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি কেও যদি আল্লাহকে ভালোবেসে বুঝে বুঝে কুরআন হিফজ শুরু করে ও হাল না ছাড়ার পাক্কা নিয়ত নিয়ে চেষ্টা দুয়া খুব করে চালিয়ে যায় গুনাহ ছাড়ার চেষ্টার সাথে সাথে তাইলে একাকীত্ব হতাশা পেরেশানি অনেকটা দূর হবেই মনের হালত বদলে যাবেই ইনশাআল্লাহ!

এই দুনিয়ায় দিলের সবচেয়ে আপনা সঙ্গী কুরআন ই হতে পারে। কুরআনের সঙ্গ ফায়দাই অন্যরকম!
কুরআনের সাথে জুড়ে থাকা জীবনে যে অপার্থিব প্রশান্তি আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে কখনো
তা দুনিয়াবি কোন কিছুতে মিলেনা। শুধু তাইনা!
কুরআন ই সেই আপনজন যাকে কবরে হাশরেও সঙ্গী সাথী সুপারিশকারী হিসেবে পাওয়া যেতে পারে। এমন সঙ্গী আপনজন কোন মানুষ হতে পারেনা কখনোই। কুরআন আমাদের সবচেয়ে আপন সঙ্গী সাথী হোক কুরআন আমাদের দিলে থাকুক আমলে থাকুক তবু চাইবোনা?

✍️Jumana Pushpo

28/09/2026

দুরূদ শরীফের একটা বিশেষ ফজিলত হচ্ছে রাসূল সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারতের সৌভাগ্য অর্জন করা! যেটা আপনার অনাঙ্ক্ষিত মুহূর্তে।

আপনি যত বেশী দুরূদ পড়বেন মনে করবেন মদিনা সফর আপনার তত নিকটে। আমি আমার অবস্থান থেকে বলতে পারি! জীবনে কখনো কল্পনাও করেনি এত দ্রুত মদিনার বুকে আমার মত গুনাগারের কদম পড়বে তাও আবার ফ্যামেলিসহ।

প্রতিদিন একটা রুটিন তৈরি করে নিবেন! দিনে অন্ততঃ 1K. বার।প্রথমদিকে কঠিন হলেও যাস্ট ১ সাপ্তাহ ট্রাই করবেন! প্রথম সাপ্তাহ'র পর যবানে অটোমেটিক সেট হয়ে যাবে- صلَّى اللهُ عليه وسلَّم

দুরূদের আরেকটা বিশেষ ফজিলত হলো জীবনে কখনো রিজিকের অভাববোধ করবেন না! আপনার কল্পনাতীত অনাঙ্ক্ষিত জায়গা থেকে মহান রব্ব রিযিকের ব্যবস্থা করে দিবেন। صلَّى اللهُ عليه وسلَّم

জীবনে কখনো কঠিন কোন সিচুয়েশনে পড়বেন না! যদি পড়েও যান দুরূদের আমল চালিয়ে যাবেন! রাব্বুল আলামীন মুশকিলাতগুলো আসান করে দিবেন ইনশাআল্লাহ। صلَّى اللهُ عليه وسلَّم

28/09/2026

১. ইস্তিগফার—দুনিয়ার প্রতিটা সমস্যার সমাধান।

প্রায় তিন দিন আগে আমি প্রথমবারের মতো ৩০,০০০ বার ইস্তিগফার সম্পন্ন করলাম।
এটা ছিল আমার তালিকায় লেখা প্রথম বড় সংখ্যা আলহামদুলিল্লাহ। ভীষণ আনন্দ লেগেছিল। পরদিনই এমনভাবে টাকা আসলো যেটা আমি কল্পনাও করিনি।
এমন উৎস থেকে, যা আমার চিন্তারও বাইরে ছিল। আল্লাহ্‌র কসম করে বলছি, এই দুনিয়ার প্রতিটা সমস্যার সমাধান ইস্তিগফারেই।
অনেক কিছু আমি শুধু মনে মনে ভাবি, আর সেটা এমনভাবে সামনে এসে পড়ে যেন অলৌকিক কিছু ঘটেছে আলহামদুলিল্লাহ।
:
সংগৃহীত

২.এই গল্পটি একজন আলজেরিয়ান বোনের জীবন পরিবর্তনের গল্প, যিনি কানাডায় বসবাস করতেন এবং কালো জাদুর প্রভাবের মধ্যে পড়েছিলেন।

তিনি আন্তরিক তওবা করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসেন, এবং নিয়মিত ইবাদত ও ভাল কাজের মাধ্যমে নিজের জীবন গঠন করেন। তিনি প্রতিদিন ৩০,০০০ বার ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং নবীর প্রতি ১০০ বার দরুদ পাঠ করেন।

এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, তিনি নবীর একটি দর্শন পান, যা তার তওবার গ্রহণযোগ্যতার প্রতীক ছিল। ছয় মাস পরে, আল্লাহ তাকে একজন সহায়ক বোন পাঠান, যিনি তার বাড়ির জাদু অপসারণ করতে সহায়তা করেন।

এর ফলে তার জীবন ইতিবাচকভাবে পরিবর্তিত হয়—তিনি ভালো বন্ধু পেয়েছিলেন, কুরআনের অধ্যয়ন শুরু করেন এবং তার সন্তানরাও ইসলামী শিক্ষায় আগ্রহী হয়ে ওঠে।

তিনি আর্থিক ও অন্যান্য আশীর্বাদ লাভ করেন। কিন্তু এক বছর পরে, তার জীবন নিম্নমুখী হতে শুরু করে কারণ তিনি নিজের সফলতার কৃতিত্ব আল্লাহর পরিবর্তে নিজেকে দিতে শুরু করেছিলেন।

এর ফলে তিনি সবকিছু হারান। তিনি তওবা করেন এবং প্রতিদিন ২০,০০০ বার ক্ষমা প্রার্থনা করেন, কুরআন সম্পন্ন করেন, এবং রাতের নামাজ পড়েন।

আল্লাহর রহমত আবার তার জীবনে ফিরে আসে, এবং তিনি নতুনভাবে জীবন গড়ে তোলেন।

সংগৃহীত

৩. ইস্তিগফারের সৌন্দর্য ❤️
আমার মনে একটি ধারণা এল—আমি এক মিলিয়ন বার ❝ আস্তাগফিরুল্লহ❞
বলব, এই নিয়তে যে, আমার দোয়া ইস্তিগফার দ্বারা পূর্ণ হবে এবং আমার অবস্থা এই দুনিয়ায় ভালো হয়ে যাবে, ইনশাআল্লহ।

আমি তিন মাস ধরে ইস্তিগফার পড়ায় নিয়মিত ছিলাম এবং এক মিলিয়ন বার বলা সম্পন্ন করি। আমি এই আমলের অনেক সুফল দেখতে পাই, যার মধ্যে ছিল:

📌আনুগত্যে ধারাবাহিকতা এবং এর প্রতি ভালোবাসা জন্মে যায়।

📌ফজরের নামাজের জন্য নিজে নিজেই জেগে উঠতাম, কেউ ডাকার প্রয়োজন হতো না।

📌আমি নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করা ও মুখস্থ করা শুরু করি।

📌আলহামদুলিল্লাহ, যিনি ছাড়া (আল্লাহ ) আর কোনো ইলাহ নেই, তিনি আমাকে এই মহা ~ বরকত দান করেছেন।

ইস্তিগফার হিদায়াতের একটি ফল এবং এটি তার অন্যতম বড় নিয়ামত।

#দোয়ার_অলৌকিকতা
#নিতু_শিকদার_আয়াত
#অনুবাদ #পরিমার্জিত

৪ — ইস্তিগফারের বরকতে কবুল হওয়া এক বাস্তব দোয়ার গল্প 🔥

“আল্লাহ আপনাকে দুনিয়া ও আখিরাতে সুখ দান করুন। আল্লাহর শপথ করে বলছি, আপনার কারণেই আমি ইস্তিগফারের প্রকৃত শক্তিতে বিশ্বাস করতে শিখেছি। ইস্তিগফার—যেটা আগে শুধু মুখে মুখে শুনতাম, আজ সেটাই আমার জীবনে বাস্তব এক অলৌকিক অভিজ্ঞতা হয়ে এসেছে।

আমি ৩০,০০০ বার ইস্তিগফার পড়েছি। এরপরই এমন দুইটি বড় বিপদ, যেগুলো আমার জীবন সম্পূর্ণভাবে ওলটপালট করে দিয়েছিল, সেগুলোর সমাধান হয়েছে।
একটি সমস্যা মাত্র একদিনেই মিটে যায়, আর সবচেয়ে কঠিন সমস্যাটি মিটে যায় ঠিক শুক্রবার বিকেলে। আল্লাহর কাছে দোয়া করি—তিনি যেন আপনাকে, আপনার জ্ঞানকে এবং আপনার প্রচেষ্টাকে কেয়ামতের দিন পর্যন্ত বরকত দান করেন।”

অনুবাদকৃত: Fariha Fari
নাম কেটে পোস্ট নেওয়া নিষেধ 🚫
#দোয়ার_অলৌকিকতা
#ইস্তিগফারের_বরকত

https://www.facebook.com/share/p/1KFWKQeRD1/
28/09/2026

https://www.facebook.com/share/p/1KFWKQeRD1/

৫ লাখ ইস্তিগফার কাফেলা 🤲🏻

ইনশাআল্লাহ, ২,৫০০ জন মিলে এই কাফেলায় শরিক হবো।

📿 প্রত্যেকের লক্ষ্য: ২০০ বার ইস্তিগফার
👥 মোট অংশগ্রহণকারী: ২,৫০০ জন
🌸 সর্বমোট লক্ষ্য: ৫,০০,০০০ বার — ৫ লাখ ইস্তিগফার

🤍 যারা শরিক হতে চান, তারা রিয়েক্ট দিয়ে সাথে সাথে আমল শুরু করে দিন।

📿 নিজের ২০০ বার ইস্তিগফার সম্পূর্ণ হলে এই পোস্টে এসে কমেন্টে লিখবেন—
“আলহামদুলিল্লাহ” 🤍

নারী-পুরুষ যে-ই এই আমলে শরিক হতে পারেন, আলাদা করে ইনবক্স করার প্রয়োজন নেই। আমল সম্পূর্ণ করে এই পোস্টে “আলহামদুলিল্লাহ” লিখে জানিয়ে যাবেন।

🤲🏻 হে আল্লাহ, আমাদের সকলের আমল কবুল করুন। আমিন।

#ইস্তিগফার #৫লাখ_ইস্তিগফার াফেলা

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Qur'an And Sunnah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share