Qur'an And Sunnah

Qur'an And Sunnah দ্বীন প্রচার।

23/05/2026

যার যা কিছু দরকার আজকেই লিস্ট বানায় ফেলেন৷ আরাফা দিনের জন্য। এই দিনে আল্লাহর কাছে যা যা চাইবেন,দুয়া করবেন পরবর্তী আরাফা আসার আগেই তা কবুল হবে ইনশা আল্লাহ।

সাহাবীরা সারাবছর অপেক্ষা করতেন,দোয়ার লিস্ট করতেন এই দিনের জন্য। আরাফা'র দিন আল্লাহ রব্বুল আলামীন এতো পরিমাণ লোকের গুনাহ মাফ করেন,এতো এতো মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন যা আমরা চিন্তাও করতে পারি না! সুবহানাল্লাহ।

আর সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে এই দিন ইবলিশ সবচেয়ে বেশি দুঃখে থাকে।এই দিনের মতো লাঞ্চিত আর অপমানিত সে বছরের আর অন্য কোনদিনে হয় না! সে হয়তো ৬০-৭০ বছর এক লোকের পেছনে লেগে থেকে তাকে দিয়ে দুনিয়ায় সব খারাপ কাজ করিয়েছে,আর আরাফার দিনে সেই লোক পাহাড় সমান গুনাহ নিয়ে আল্লাহ সুবহানু ওয়াতা'লাকে র‍্যান্ডমলি যাস্ট বলে, "হে আল্লাহ,আমাকে ক্ষমা করুন!" 🤲

ব্যাস! আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন,আর ইবলিশের এতো বছরের পরিশ্রম নিমিষেই হাওয়া হয়ে যায়!

তাই আর দেরী না করে কোমর বেঁধে লেগে পড়ুন।
আরাফা'র দিন আসলো বলে....

তাই ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ সকল চাওয়া গুলো আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা'র সামনে নিয়ে হাজির হওয়ার প্রস্তুতি নিন।ক্ষমা চাওয়ার প্রস্তুতি নিন।নিজেকে গুছিয়ে নিন তাওবা করার জন্য।আর দেরি নয়...দোয়ার লিস্ট লিখে ফেলুন আজ, এক্ষুনিই।

_সংগৃহীত ও আংশিক পরিমার্জিত
(দাওয়া'হ)

22/05/2026

মানুষের একটা অদ্ভুত স্বভাব আছে—যা নেই, তার হিসাব খুব ভালো পারে।কিন্তু আল্লাহ ইতোমধ্যে কত যুদ্ধ থেকে রক্ষা করেছেন, সেটা খুব কমই খেয়াল করে।
একটা সময় ছিল, কিছু দুশ্চিন্তা রাতে ঘুমাতে দিত না।কিছু মানুষ, কিছু পরিস্থিতি, কিছু অনিশ্চয়তা— বুকের ভেতর এমন চাপ তৈরি করত, যেন জীবন আর সামনে এগোনো সম্ভব না।
কিন্তু একটু থেমে তাকান সেই ঝড়গুলোর অনেকগুলোই আজ আর আপনার বাস্তবতা নয়।যে কষ্ট একসময় ভেতরটাকে ভেঙে দিচ্ছিল, আজ সেটা হয়তো শুধু একটি স্মৃতি।যে বিষয় নিয়ে একসময় সিজদায় কেঁদেছিলেন, আল্লাহর কাছে শক্তি চেয়েছিলেন, উত্তরণের পথ চেয়েছিলেন— তার কিছু হয়তো আজ এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, সেগুলোকে নিয়ামত বলেও আর অনুভব হয় না।
এখানেই মানুষ ভুল করে।মানুষ বিস্ময় খোঁজে বড় বড় ঘটনায়,অথচ আল্লাহর অনেক রহমত আসে নিঃশব্দে।কখনো রহমত আসে,একটা শান্ত হৃদয় হয়ে।কখনো আসে,ক্ষতিকর সম্পর্ক থেকে দূরে সরে যাওয়া হয়ে।কখনো আসে,ভেতরের অস্থিরতা কমে যাওয়া হয়ে।আর কখনো আসে শুধু এভাবে যে, প্রতিদিন আর বাঁচার যুদ্ধ করতে হয় না।
এগুলো ছোট কিছু নয়।আল্লাহর কসম, অন্তরের প্রশান্তিও রিজিক।একটি স্থির হৃদয়ও নিয়ামত।সবসময় আতঙ্কে না থাকা,এটাও শিফা।প্রতিদিন মানসিক যুদ্ধ করে দিন পার না করা,এটাও আল্লাহর দান।
তাই সবসময় শুধু “আর কী চাই” সেটা ভাববেন না।মাঝে মাঝে এটাও দেখুন—আল্লাহ ইতোমধ্যে কত কিছু সহজ করে দিয়েছেন।
কিছু দোয়ার উত্তর শব্দ হয়ে আসে না,জীবন থেকে ধীরে ধীরে ভার কমে যাওয়া হয়েই আসে।আলহামদুলিল্লাহ।

22/05/2026

এক বান্দা প্রতিদিন ইস্তিগফার করত, কিন্তু মনে মনে ভাবত“আমি তো এত গুনাহগার, আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন?” তবুও সে থামেনি। ভাঙা হৃদয়ে শুধু বলত, “আস্তাগফিরুল্লাহ।”একদিন সে বুঝতে পারল, ইস্তিগফার শুধু গুনাহ মাফের জন্য নয়; এটি আল্লাহর দিকে ফিরে আসার দরজা। কারণ আল্লাহ যখন কোনো বান্দাকে বারবার নিজের কাছে ক্ষমা চাইতে তাওফিক দেন, তখন সেটাই তাঁর রহমতের সবচেয়ে বড় নিদর্শন। ধীরে ধীরে তার দুশ্চিন্তা কমে গেল, অন্তরে শান্তি নেমে এলো, আর যে দোয়াগুলো অসম্ভব মনে হতো সেগুলোর পথও সহজ হতে শুরু করল। তখন সে অনুভব করল, ইস্তিগফার এমন এক চাবি, যা আকাশের বন্ধ দরজাও খুলে দিতে পারে...
এক বান্দা প্রতিদিন ইস্তিগফার করত, কিন্তু মনে মনে ভাবত“আমি তো এত গুনাহগার, আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন?” তবুও সে থামেনি। ভাঙা হৃদয়ে শুধু বলত, “আস্তাগফিরুল্লাহ।”একদিন সে বুঝতে পারল, ইস্তিগফার শুধু গুনাহ মাফের জন্য নয়; এটি আল্লাহর দিকে ফিরে আসার দরজা। কারণ আল্লাহ যখন কোনো বান্দাকে বারবার নিজের কাছে ক্ষমা চাইতে তাওফিক দেন, তখন সেটাই তাঁর রহমতের সবচেয়ে বড় নিদর্শন। ধীরে ধীরে তার দুশ্চিন্তা কমে গেল, অন্তরে শান্তি নেমে এলো, আর যে দোয়াগুলো অসম্ভব মনে হতো সেগুলোর পথও সহজ হতে শুরু করল। তখন সে অনুভব করল, ইস্তিগফার এমন এক চাবি, যা আকাশের বন্ধ দরজাও খুলে দিতে পারে...

আরবি থেকে অনুদিত

20/05/2026

যখন প্রচন্ড অস্থিরতা কাজ করবে এবং কিছুতেই কোন কিছু গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে না বলে মনে হবে, তখন চট করে শুধু তিনটা জিনিস মুখে উচ্চারণ করতে থাকবেন,

১) দরুদ পাঠ করে ﷺ বলা যেন আল্লাহ আমার প্রিয় নবী ﷺ এর উপর শান্তি এবং সমৃদ্ধি বর্ষণ করতে থাকেন... তাহলে সত্যিকার অর্থে আপনার উপরেই শান্তি এবং সমৃদ্ধি বর্ষণের বরকত আসবে!

২) ইস্তিগফার! ইস্তিগফার! ইস্তিগফার! যত ক্ষমা চাইবেন, আল্লাহ তত আপনাকে বরকত দিবেন, বৃষ্টি দিবেন, সন্তান দিবেন, সম্পদ দিবেন (এটা কুরআনের আয়াত অনুযায়ী আল্লাহর ওয়াদা)

৩) আল্লাহর নাম ডাকবেন ইয়া সালাম (শান্তি দাতা), আমাকে প্লিজ শান্তি দিন। আমার অন্তরের ভেতর প্রশান্তি দিন, অন্তরের বাইরে নিরাপত্তা এবং আফিয়াহ দিন। আমি যা যা নিউজ পড়ছি, এরপর যত সেকেন্ড ফোনের স্ক্রোলিং করছি, এরপর মোবাইলটা সরিয়ে রেখে যখন বাস্তব দুনিয়ার জীবনে ফেরত যাচ্ছি, এই প্রতিটি পদক্ষেপে আমাকে শান্তি দিন, শান্তি দিন, আমার অস্থিরতা একদম দূর করে দিন। আমাকে বরকত দিন। কাজে সাফল্য দিন। আমার মুখে উপকারী কথা লাগিয়ে রাখুন। আমিন।

আস্তাগফিরুল্লাহ ...
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ...
ইয়া সালাম... ইয়া সালাম ... ইয়া সালাম...

রিপিট! রিপিট! রিপিট!

দেখবেন মাথার ভিতরে সব জটলা গুলো খুলে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ..

✍️শারিন সফি অদ্রিতা

20/05/2026

দুঃখ বা কষ্টের সময়ে ইতিবাচক চিন্তা -

জীবনে কষ্ট আসবেই। অসুস্থতা, দুর্ঘটনা, প্রিয়জন হারানো — এগুলো কারো জীবনেই এড়িয়ে যায় না। কিন্তু একই কষ্টের মুখোমুখি হয়ে দুজন মানুষ দুইভাবে সাড়া দেয়।

একজন ভেঙে পড়ে। সব কিছু অন্ধকার মনে হয়, চিন্তা ঘুরপাক খায় সমস্যার চারপাশে, মনে হয় এই কষ্ট আর যাবে না। এই নেতিবাচক চিন্তা ধীরে ধীরে তার আচরণে, সম্পর্কে, পুরো জীবনে ছড়িয়ে পড়ে।

আরেকজন একই পরিস্থিতিতে আল্লাহর আরও কাছে চলে যায়। সে ভাবে, এই সমস্যা থেকে কীভাবে বের হওয়া যায়, এটা থেকে কী শেখা যায়, কীভাবে নিজেকে আরও শক্তিশালী করা যায়।

পার্থক্যটা কোথায়? চিন্তার দিকে।

আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, "নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি আছে।" (সূরা ইনশিরাহ: ৬)

এটা শুধু সান্ত্বনার কথা না, এটা একটা বাস্তবতা। যে মানুষ কষ্টের মধ্যেও ইতিবাচক থাকে, সমাধান খোঁজে, আল্লাহর উপর ভরসা রাখে — সে আসলে ওই কষ্টকে নিজের উন্নতির সিঁড়ি বানিয়ে নেয়।

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "মুমিনের বিষয়টা আশ্চর্যের। তার সব অবস্থাই তার জন্য কল্যাণকর। সুখে থাকলে শুকরিয়া আদায় করে, কষ্টে থাকলে সবর করে — উভয়ই তার জন্য কল্যাণ।" (মুসলিম: ২৯৯৯)

কষ্টের সময় মাথা নিচু করে বসে থাকার নাম ধৈর্য না। ধৈর্য হলো কষ্টকে স্বীকার করে, আল্লাহর উপর ভরসা রেখে, সামনে এগিয়ে যাওয়া।

আপনি এখন হয়তো জীবনের কঠিন একটা সময়ের মধ্যে আছেন। শরীরে রোগ, মনে অস্থিরতা, সংসারে অশান্তি — যাই হোক না কেন। একটু থামুন। ভাবুন, আল্লাহ এই কষ্টের মাধ্যমে আপনাকে কী দিতে চাইছেন। কষ্টটাকে শুধু কষ্ট হিসেবে না দেখে, এটাকে পরিবর্তনের একটা সুযোগ হিসেবে দেখুন।

মনের এই চিন্তার বদলটুকুই আপনার পুরো জীবন বদলে দিতে পারে।

SukunLife
The sukun every soul seeks

19/05/2026

বছরের পর বছর দুআ করে আল্লাহর কাছ থেকে পাওয়া নিয়ামাহ্ ধরে রাখতেও নিয়মিত দুআ করে যেতে হয়।

দুআ করা বন্ধ করে দিলে আমি তার প্রভাব স্পষ্ট টের পাই। যেদিন আল্লাহর কাছে স্কিনের গ্লো চাই না, সেদিন যত কিছুই করি না কেন, নিজেকে ফ্যাকাশে লাগে। পরিবারের শান্তির জন্য প্রতিদিন আন্তরিক দুআ করার প্রয়োজন পড়ে। একদিন দুআ কমে গেলে কিংবা গুনাহ বেড়ে গেলে তার ছাপ পরিবারেও দেখতে পাই। এমনকি দুআ করার তওফিক চেয়েও আল্লাহর কাছে দুআ করতে হয়।

অধিকাংশ মানুষ দুআ কবুল হয়ে যাওয়ার পর সেই কবুলিয়্যাতের স্থায়িত্বের জন্য আর দুআ করে না। নিয়ামাহ্ পাওয়ার পর ধীরে ধীরে আল্লাহকেই ভুলে বসে। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। ফলাফল? এতো সবরের পর পাওয়া নিয়ামাহ্ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়, আর সেটাই কষ্টের কারণ হয়!

আমরা অভিযোগ করতে জানি, কিন্তু চাইতে জানি না। কয় রাত আমরা কেঁদে আল্লাহর কাছে সংসারের শান্তি চেয়েছি? বরং একদিন শান্তি পেলেই পরদিন আল্লাহকে ভুলে যাই। দীর্ঘ বছর দুআ করে একটা নেক সন্তান পাওয়ার পর সেই সন্তানকে কেন্দ্র করেই কখনো কখনো হারাম কাজ শুরু হয়ে যায়।

এমন অনেক বোনকে দেখেছি, যারা বিয়ের জন্য একসময় দিনরাত আমল করেছিলো। কিন্তু আল্লাহর নিয়ামতের দেখা দেওয়ার পর ধীরে ধীরে দ্বীন থেকে দূরে সরে গেছে। পর্দা শিথিল হয়েছে। তারপর কয়েক মাস বা কয়েক বছর না যেতেই সেই নিয়ামাহ্ হারিয়ে গেছে। প্রশান্তি বিলীন হয়ে গেছে।

আল্লাহর কাছে চাইতে হয়। খুব করে চাইতে হয়। প্রতিদিন, প্রতিটা মুহূর্তে চাইতে হয়। চোখের পানি ফেলে চাইতে হয়। না পেলেও চাইতে হয়, পেয়ে গেলেও চাইতে হয়।পাওয়ার আগে দুআ করতে হয়, আর পাওয়ার পর সেই নিয়ামাহ্ হিফাজতের জন্যও দুআ করতে হয়।

যে আল্লাহর কাছে চাইতে জানে, সবর রেখে দুআ করে যেতে জানে, সে হতাশ হয় না।
আমরা হয়তো চাওয়ার মতো করে চাইতে পারি না। অথবা পাওয়ার পর দুআ দিয়ে নিয়ামাহ্ ধরে রাখতে জানি না।
✍️Tahia Islam

19/05/2026

জীবন সহজ করতে হলে প্রচুর আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার এবং আল্লাহর সাথে কথা বলার অভ্যাস করতে হবে।

রান্নাটা তাড়াতাড়ি হবে, বাচ্চা জ্বালাতন করবে না, বাচ্চা কাঁচা ঘুম ভেঙ্গে দিলে রাগ উঠবে না; এসমস্ত কিছু হওয়া না হওয়া তো আল্লাহরই হাতে।

কি হচ্ছে না, কি পারছেন না, কোন জিনিসটা দরকার সব আল্লাহকে বলেন।
রান্না করতে গিয়ে সময়ে কুলাচ্ছে না?
সাথে সাথে বলতে থাকুন আল্লাহ সহজ করে দিন প্লিজ, সময়ে বারাকাহ দিন।
বাচ্চাকে খাওয়াতে গিয়ে মেজাজ বিগড়ে যাচ্ছে? বলতে থাকুন, আল্লাহ সাহায্য করেন। মাথা ঠান্ডা করে দিন, আচরণে নম্রতা দিন, যতটুকু খেয়েছে ওর শরীর স্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট করে দিন। আপনার সব কাজের হেল্পার যদি স্বয়ং আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা হয়ে যান তবে আপনার পেরেশানি কিসের!?

যখন মনটাও কেও ভেঙে দিবে তখনও আল্লাহর কাছেই দুঃখের ঝাঁপি খুলে বসুন। জায়নামাজের মত এত উত্তম সঙ্গী আর কি আছে!
স্বামী কথা দিয়ে কষ্ট দিলে বলবেন, "আল্লাহ অন্তরের এই ক্ষত আপনি নিজ কুদরত দিয়ে মিটিয়ে দিন। আমি যে কষ্ট পেয়েছি তাকে সেই উপলব্ধি দিন এবং তাকে এমন মায়াবী ও মহব্বত করনে ওয়ালা বানিয়ে দিন যাতে আর কখনো এধরণের কথা বা কাজ দ্বারা আমাকে কষ্ট না দেয়"।

আল্লাহকে ডাকার, আল্লাহর দিকে সমস্ত ভার ন্যায্য করার ফায়দা কেমন এটা বুঝাতে হাদীসে কুদসীর একটা বর্ণনা দিয়ে শেষ করি।
আল্লাহ তাআলা নিজেই বলেছেন, "বান্দা যদি আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে এক হাত অগ্রসর হই। আর যদি সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে দুই হাত অগ্রসর হই। আর যদি সে আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌঁড়ে যাই"।

তাই উঠতে-বসতে, চলতে-ফিরতে সব হালতেই আল্লাহকে ডাকতে থাকুন। বলার অভ্যাস করতে থাকুন। আল্লাহর সাথে বেশি কথা বলার সুন্দর একটা প্রভাব হলো, মন হালকা হয়ে যায়। দুনিয়ার চাপ পুরোপুরি কমে যাবে এমন না কিন্তু সেগুলো সামলানো সহজ লাগবে ইনশাআল্লাহ। কারণ তখন মানুষ নিজের শক্তির উপর না, আল্লাহর সাহায্যের উপর ভরসা করতে শিখে।

✍️সাদিয়া সামহা

19/05/2026

অনেক বোন যিলহজের প্রথম ১০ দিন আসলে মন খারাপ করে ফেলেন।

“সবাই রোজা রাখছে, আমি পারছি না…”
“সবাই নামাজ, তিলাওয়াত, ইবাদত করছে, আমি পিছিয়ে যাচ্ছি…”
“পিরিয়ডের কারণে কি আমার আমলের সুযোগ কমে গেল?”

কিন্তু এর মানে এই নয় যে, এই দিনগুলোতে আপনি একদম আমলহীন হয়ে যাবেন।

যিলহজের প্রথম ১০ দিন এমন বরকতময় সময়, যে সময়ের নেক আমল আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “এমন কোনো দিন নেই, যেদিনের নেক আমল আল্লাহর কাছে এই দশ দিনের আমলের চেয়ে বেশি প্রিয়।”
📚 সহিহ বুখারি

এখানে শুধু সালাত বা রোজার কথা বলা হয়নি; বলা হয়েছে—নেক আমল। আর নেক আমলের দরজা অনেক বড়।

আপনি বেশি বেশি যিকির করতে পারেন—
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার।

আপনি তাকবির পড়তে পারেন—
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

আপনি দরুদ পড়তে পারেন। ইস্তিগফার করতে পারেন। সকাল-সন্ধ্যার আজকার পড়তে পারেন। নিজের ভাষায় আল্লাহর কাছে দো‘আ করতে পারেন। আরাফার দিনে দীর্ঘ সময় দো‘আ করতে পারেন।

কুরআনের তিলাওয়াত শুনতে পারেন। তাফসির পড়তে পারেন। ইসলামিক বই পড়তে পারেন। সদকা করতে পারেন। পরিবারের খেদমত করতে পারেন। কারও মন ভালো করে দিতে পারেন। নিজের জবান, চোখ, মোবাইল, রাগ, গীবত—এসব গুনাহ থেকে বাঁচার চেষ্টা করতে পারেন।

কুরআন স্পর্শ করা বা মুখে তিলাওয়াত করার বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে। তাই এ বিষয়ে নিজের অনুসরণীয় আলেম/মাযহাবের পরামর্শ নেওয়া ভালো। তবে কুরআন শোনা, অর্থ ও তাফসির পড়া, দো‘আ-যিকির করা—এসব করতে কোনো সমস্যা নেই ইন শা আল্লাহ।

একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা—
অনেক সময় আমরা আমল বলতে শুধু নামাজ-রোজাকেই বুঝি। অথচ একজন বোন পিরিয়ড অবস্থায়ও নিজের নিয়ত, যিকির, দো‘আ, ইলম অর্জন, সদকা, sabr, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা—এসবের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে অনেক প্রিয় হয়ে যেতে পারেন।

হয়তো আপনি রোজা রাখতে পারছেন না, কিন্তু আপনি আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকছেন।
হয়তো আপনি সালাত পড়তে পারছেন না, কিন্তু আপনি সারাদিন জবানকে যিকিরে ভেজাচ্ছেন।
হয়তো আপনি কুরআন হাতে নিতে পারছেন না, কিন্তু কুরআনের অর্থ শুনে নিজের জীবন বদলানোর নিয়ত করছেন।

আল্লাহ শুধু বাহ্যিক আমল দেখেন না; আল্লাহ অন্তরের নিয়তও জানেন।

তাই পিরিয়ডে আছেন বলে হতাশ হবেন না। নিজেকে দূরে মনে করবেন না। এই দিনগুলোকে “আমি কিছুই করতে পারবো না” ভেবে নষ্ট করবেন না।

বরং বলুন—
“ইয়া আল্লাহ, আপনি যে অবস্থায় রেখেছেন, সেই অবস্থাতেই আমাকে আপনার প্রিয় আমল করার তাওফিক দিন।”

প্রিয় বোন, যিলহজের এই দিনগুলোতে আপনার জবান থামতে দেবেন না।
আপনার দো‘আ থামতে দেবেন না।
আপনার ইস্তিগফার থামতে দেবেন না।
আপনার অন্তরের আল্লাহমুখী হওয়া থামতে দেবেন না।

কারণ সালাত-রোজা সাময়িকভাবে বন্ধ হতে পারে,
কিন্তু আল্লাহর দরজা কখনো বন্ধ হয় না।

🌿 পিরিয়ড অবস্থায় যিলহজে করা যায় এমন আমল:

১. বেশি বেশি সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার পড়া।
২. তাকবির পড়া: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

৩. দরুদ, ইস্তিগফার ও সকাল-সন্ধ্যার আজকার পড়া।
৪. কুরআনের তিলাওয়াত শোনা এবং অর্থ-তাফসির পড়া।
৫. বেশি বেশি দো‘আ করা, বিশেষ করে আরাফার দিনে।
৬. সদকা করা এবং পরিবারের খেদমত করা।
৭. চোখ, জবান, মোবাইল, গীবত ও হারাম থেকে বাঁচার চেষ্টা করা।

---
সংগৃহীত

━━━━━━━━━━━━━━━

18/05/2026

এই লেখাটি যে আপনার সামনে এসেছে, তা হয়তো আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে আপনার
এই লেখাটি যে আপনার সামনে এসেছে, তা হয়তো আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে আপনার জন্য এক বিশেষ কল্যাণ ও হেদায়েতের নিদর্শন।
নিজের জীবনের ব্যস্ততা থেকে মাত্র কয়েক মিনিট সময় নিয়ে গভীর মনোযোগ দিয়ে এটি পড়ুন।

আল্লাহর কসম, যদি আপনি এই পরামর্শটি গ্রহণ করেন, তবে আসমান ও জমিনের বরকতের দুয়ার আপনার জন্য খুলে যাবে। ইনশাআল্লাহ

আপনার জীবনকে কুরআনের সাথে মিশিয়ে দিন। তিলাওয়াত হোক আপনার নিত্যসঙ্গী। চাই তা দেখে হোক কিংবা মুখস্থ। তিলাওয়াতের বাইরেও সারাক্ষণ কুরআন শোনার অভ্যাস করুন।

যাতায়াতের সময়, কাজের অবসরে বা এমন কোনো কাজে যেখানে গভীর মনোযোগের প্রয়োজন নেই—সর্বক্ষণ কুরআন চালু রাখুন।

আল্লাহর কসম! আপনি আপনার সময়ে এমন এক বরকত এবং হৃদয়ে এমন এক অনাবিল প্রশান্তি খুঁজে পাবেন, যা কুরআনের সান্নিধ্য ছাড়া আর কোথাও সম্ভব নয়।

আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, "এটি একটি বরকতময় কিতাব যা আমি আপনার প্রতি নাযিল করেছি।" (সূরা সোয়াদ: ২৯)।

সালাফদের একজন বলতেন, "আমরা যখনই কুরআনে মশগুল হয়েছি, তখনই দুনিয়ার নেয়ামত ও বরকত আমাদের ঘিরে ধরেছে।"

ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল ওয়াহেদ আল-মাকদিসি রহ. বলতেন, "কুরআন তিলাওয়াত ছেড়ো না। তুমি যতটুকু তিলাওয়াত করবে, তোমার কাজগুলো ততটুকুই সহজ হয়ে যাবে।"

ইমাম কুরতুবি (রহ.) বলেন, "যে ব্যক্তি নিয়মিত কুরআন পড়বে, ১০০ বছর বয়সেও তার বুদ্ধি ও চেতনা অক্ষুণ্ণ থাকবে।"

যখন তিলাওয়াত করার সুযোগ বা মানসিক অবস্থা থাকবে না, তখন আপনার প্রিয় ক্বারীর কণ্ঠে কুরআন শুনুন। কারণ আল্লাহ বলেছেন, "যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা মনোযোগ দিয়ে শোনো এবং চুপ থাকো, যাতে তোমাদের ওপর রহমত বর্ষিত হয়।" (সূরা আরাফ: ২০৪)।কুরআন শোনা হলো আল্লাহর রহমত পাওয়ার সবচাইতে দ্রুততম মাধ্যম।

ইবনুল জাওযি (রহ.) বলতেন, "মধু যেভাবে শরীরের রোগ সারায়, কুরআন তিলাওয়াত সেভাবে অন্তরের ব্যাধি নিরাময় করে।"

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ (রহ.) বলতেন, "আত্মার পুষ্টি, শরীরের সুরক্ষা এবং প্রকৃত সুখ নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিত আল্লাহর কিতাবের দিকে তাকিয়ে থাকার চেয়ে উত্তম আর কিছু আমি দেখিনি।"

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "তোমরা কুরআন পড়ো, কারণ কিয়ামতের দিন এটি তার সঙ্গীদের জন্য সুপারিশকারী হিসেবে আসবে।" (সহীহ মুসলিম)

সেদিন আপনার ভাই, মা, বাবা বা সন্তান যখন আপনার থেকে পালিয়ে বেড়াবে, তখন এই পবিত্র কুরআন আপনার পক্ষ নিয়ে লড়বে।

কুরআন থেকে বিমুখ হওয়া মানেই নিজের ধ্বংস ডেকে আনা। আল্লাহ বলেছেন, "তারা অন্যকে কুরআন থেকে বাধা দেয় এবং নিজেরাও তা থেকে দূরে থাকে; তারা মূলত নিজেদেরই ধ্বংস করছে, কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করতে পারছে না।" (সূরা আনআম: ২৬)।

© Salman Farsi
আরবি থেকে অনূদিত

সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে

#আমল

17/05/2026

এবারের যুলহিজ্জা আপনার জীবনে এমন কিছু দু’আ কবুলের দরজা খুলে দিতে পারে, যা আপনি বহু বছর ধরে একান্তভাবে আল্লাহর কাছে চেয়ে আসছেন।

এই দশ দিন শুধু আমল করার সময় নয় বরং নিজের সব চাওয়া, কষ্ট, স্বপ্ন আর না বলা কথাগুলো আবার রবের সামনে গুছিয়ে পেশ করার সময়ও।

তাই বছরের সেরা দশ দিনে শুধু আমলের লিস্ট করলেই কী হবে?
দু’আর লিস্টও তো তৈরি করতে হবে আমাদের
কারণ এই দিনগুলোই তো আল্লাহর কাছে সর্বান্তকরণে ফিরে আসার দিন। রবের দরজায় মাথা নত করার দিন।

তাই এবার একটা “দু’আ জার্নাল” বা “দু’আ লিস্ট” বানিয়ে ফেলুন ইনশাআল্লাহ।

কি কি লিখতে পারেন সেখানে?
◉ প্রথমেই লিখুন আপনার সবচেয়ে প্রয়োজনের দু’আগুলো।
যেগুলোর জন্য হৃদয়ের গভীর থেকে আল্লাহর কাছে চান। হেদায়েত, রিজিক, সুস্থতা, নেক সন্তান, বিয়ে, মানসিক শান্তি, সম্পর্ক ঠিক হওয়া, গুনাহ থেকে মুক্তি—যা দরকার সব লিখুন।

◉ শুধু দুনিয়ার জন্য নয়, আখিরাতের দু’আও লিখুন। যেমন—
“ইয়া আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন।”
“আমার কবরকে শান্তিময় করুন।”
“আমাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন।”

◉ এমন কিছু দু’আও লিখুন, যেগুলো আপনার কাছে অসম্ভব মনে হয়।
কারণ আপনার কাছে অসম্ভব হলেও, আল্লাহর কাছে কিছুই অসম্ভব নয়।

◉ নিজের জন্য যেমন দু’আ করবেন, তেমনি অন্যদের জন্যও আলাদা লিস্ট রাখুন।
মা-বাবা, পরিবার, বন্ধু, অসুস্থ মানুষ, মৃত প্রিয়জন—সবাইকে রাখুন আপনার দু’আয়।
কারণ অন্যের জন্য করা দু’আয় ফেরেশতারাও আপনার জন্য আমীন বলেন।

◉ মুসলিম উম্মাহর জন্য, নিপীড়িত মুসলিমদের জন্য এবং দেশের শান্তি, হেফাজত ও সার্বিক কল্যাণের জন্যও দু’আ রাখুন।

◉ একটা “ড্রিম দু’আ লিস্ট” রাখুন। যেমন—
“ইয়া আল্লাহ, আমাকে বাইতুল্লাহর মেহমান বানিয়ে দিন।”
“আমাকে মাদিনাহর মুসাফির হিসেবে কবুল করুন।”
“আমার হৃদয়কে কুরআনের সাথে জুড়ে দিন।”
“আমাকে একটা সুন্দর বাড়ি বানানোর তাওফিক দিন।”
“আমাকে আফিয়াতের সাথে এমন রিজিক দিন, যেন আমি অনেক মানুষের হাসিমুখের কারণ হতে পারি।”

এভাবে নিজের সব নেক স্বপ্ন, সব চাওয়া ইখলাসের সাথে আল্লাহকে বলে ফেলুন।

◉ আরেকটা “কবুল হয়ে যাওয়া দু’আ” লিস্টও রাখুন। যখন কোনো দু’আ কবুল হবে, পাশে ছোট্ট একটা ✓ চিহ্ন দিন।
দেখবেন, আপনার রব কতবার আপনাকে শুনেছেন…!

কখন বেশি বেশি দু’আ করবেন?
— তাহাজ্জুদের সময়
— সিজদায়
— ফরজ সালাতের পরে
— আযান ও ইকামাতের মাঝখানে
— বৃষ্টির সময়
— শুক্রবার আসর থেকে মাগরিব
— আরাফার দিন
— ইফতারের আগে (যদি রোজা রাখেন)

এই ১০ দিনে শুধু মুখে নয়, পূর্ণ ইখলাসের সাথে হৃদয় দিয়েও দু’আ করুন।
উদাসীনভাবে নয়, আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে বারবার বলুন—
“ইয়া আল্লাহ, আপনি তো সব পারেন… আপনার ভাণ্ডারে কোনো কিছুরই অভাব নেই।
আমার হৃদয়ের দু’আগুলোও কবুল করে নিন।
ইয়া রব, আপনার এই হীন বান্দাকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিবেন না...…”

কে জানে! হয়তো এবারের যুলহিজ্জাই আপনার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর “কুন ফায়াকুন” এর গল্প হয়ে যাবে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই মুবারক দিনগুলোর মর্যাদা বুঝে আমল করার, বেশি বেশি দু’আ করার এবং রবের দিকে সম্পূর্ণভাবে ফিরে আসার তাওফিক দান করুন।
আমীন ইয়া রব্বাল আ'লামিন। 🤍

✍️Rasheda Akter Muna

17/05/2026

আল্লাহর কাছে চাওয়া কখনো বন্ধ করবেন না। এমনও যদি হয়, বছরের পর বছর পার হয়ে যাচ্ছে কিন্তু কাঙ্ক্ষিত জিনিসটি পাননি তাহলেও চাওয়া বন্ধ করবেন না। বারবার চাইবেন, মন খুলে চাইবেন। না পেলেও চাইতে থাকবেন।

চাওয়াগুলো ফলতে না দেখলে এমন না যে কিছুই হচ্ছে না। একটা গাছে যখন প্রতিদিন পানি দেওয়া হয়, অনেকদিন পর্যন্ত বাইরে থেকে কিছুই দেখা যায় না। না কোনো ফুল, না ফল, না নতুন পাতা। কিন্তু মাটির নিচে ঠিকই তখন শিকড় ছড়াতে থাকে। এবং শেষ পর্যন্ত হয়, সুন্দর কিছুই হয়।

তেমন করে যখন সময় হবে দুআগুলোও ফুটবে, সবচেয়ে সুন্দর রুপেই ফুটবে ইনশাআল্লাহ। তিনি নিজের নাম ঘোষণা করেছেন, আল-মুদাব্বির অর্থাৎ পরিকল্পনাকারী। তার চাইতে উত্তম পরিকল্পনা করার এবং বোঝার মত আর কেউ আছে কি?
✍️Sadia Samha

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Qur'an And Sunnah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share