মসজিদের শহর ঢাকা - Dhaka, the City of Mosques

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • মসজিদের শহর ঢাকা - Dhaka, the City of Mosques

মসজিদের শহর ঢাকা - Dhaka, the City of Mosques Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মসজিদের শহর ঢাকা - Dhaka, the City of Mosques, Mosque, Dhaka University Area, Dhaka.

05/06/2024

প্রতিযোগী -৪৪
নাম: নাযাফ ইবনাত হোসেন
শ্রেণি: অষ্টম
জেলা: নরসিংদী

প্রসঙ্গঃ 'বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান'ভারতের দাবিতে আপত্তি জানিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের চিঠি------------------------------------...
18/09/2021

প্রসঙ্গঃ 'বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান'

ভারতের দাবিতে আপত্তি জানিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের চিঠি
-------------------------------------------------------

বঙ্গোপসাগরের কন্টিনেন্টাল শেলফ বা মহীসোপানে ভারতের কিছু দাবির ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে জাতিসংঘে একটি চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে গত এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের দাবির ওপরে আপত্তি জানিয়ে নিজেদের কিছু দাবি তুলে ধরে জাতিসংঘে চিঠি দিয়েছিল ভারত।

বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, এবার ভারতের সেই দাবির ওপরে আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ। গত ১৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিবের বরাবর একটি চিঠি দেয় বাংলাদেশ। চিঠিটি জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। শনিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, গত এপ্রিলে জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণ সংক্রান্ত কমিশনে (সিএলসিএস) ভারত দাবি করেছিল যে, বাংলাদেশ যেই মহীসোপান নিজেদের বলে দাবি করছে, তা ভারতের মহীসোপানের অংশ। সেসময়ই বাংলাদেশ জানিয়েছিল যে ভারতের ওই আপত্তির কোনো আইনগত ভিত্তি নেই বলে তারা মনে করে। এ বিষয়ে কমিশনের সামনে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার কথাও জানায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মহীসোপান নিয়ে বিতর্কের শুরুটা হয় ২০০৯ সালে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স বিভাগের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল খুরশিদ আলম বিবিসি বাংলাকে জানান, ২০০৯ সালে ভারত তাদের সমুদ্রসীমা নির্ধারণের জন্য যে ভিত্তিরেখা বা বেইজ পয়েন্ট নির্ধারণ করে, তার মধ্যে দুটি বেইজ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের আপত্তি ছিল। ২০০৯ সালে তাদের সমুদ্রসীমা নির্ধারণের সময় একটি বেইজ পয়েন্ট ছিল বাংলাদেশের জলসীমার ভেতরে, আরেকটি বেইজ পয়েন্ট ছিল সাড়ে দশ নটিক্যাল মাইল সমুদ্রের ভেতরে।

নিয়ম অনুযায়ী সমুদ্রের পানির নিম্নস্তর থেকে বেইজলাইন নির্ধারণ করার কথা থাকলেও দুটি বেইজ পয়েন্ট সেই নিয়ম মেনে অনুমান করা হয়নি বলে মনে করে বাংলাদেশ। সেসময় ভারতের এই বেইজলাইন নির্ধারণে ভুলের বিষয়টি উল্লে­খ করে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং এটি সংশোধনের অনুরোধও করা হয়। এরপর ২০১১ সালে বাংলাদেশ নিজেদের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করে তা দাবি করে আবেদন করে জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণ বিষয়ক কমিশনে (সিএলসিএস)। পরে ২০১৪ সালে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ বিষয়ে ভারতের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক আদালতের মামলায় বাংলাদেশ জয়লাভ করে এবং আদালত বাংলাদেশকে নিজেদের সংশোধিত সমুদ্রসীমা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

খুরশিদ আলম জানান, ২০২০ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ সংশোধিত সমুদ্রসীমা জমা দেয়। কিন্তু আদালত সীমানা নিার্ধারণ করে দেওয়া স্বত্ত্বেও ভারত এ বছরের এপ্রিলে বাংলাদেশের দাবি করা মহীসোপান নিয়ে আপত্তি জানায় সিএলসিএস-এ। ওই আপত্তিতে ভারত দাবি করে যে, বাংলাদেশ সমুদ্রপৃষ্ঠে যে বেইজলাইন ধরে নিজেদের মহীসোপান নির্ধারণ করেছে, তা ভারতের মহীসোপানের অংশ। আদালত যখন সমাধান করে সীমানা নির্ধারণ করে দিল, তখন তো মহীসোপান নিয়ে ভারতের সঙ্গে আমাদের আর কোনো দ্বন্দ্ব থাকল না। কিন্তু ভারত তারপরও আপত্তি দেয়। এবার চিঠি দিয়ে আমরা জাতিসংঘকে মূলত এটাই জানাই যে, ভারতের সঙ্গে আমাদের মহীসোপান নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই, কাজেই তারা যেন বিষয়টি বিবেচনা না করে।

তবে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভারত আনুষ্ঠানিক কোনো আবেদন করেনি, তাই মহীসোপান সংক্রান্ত তাদের দাবি আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে মনে করেন খুরশিদ আলম। তিনি আরও বলেন, সমুদ্রসীমা নিয়ে যেই দ্বন্দ্ব ছিল তা মিটে গেছে আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ২০১৪ সালে। এরপর তারা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে আদালতে কোনো আবেদন করেনি।

এ ছাড়া মহীসোপান বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশন ‘কমিশন অন দ্য লিমিটস অব কন্টিনেন্টাল শেলফ’ এর এই ধরনের দ্বন্দ্ব সমাধানের এখতিয়ার নেই বলেও মন্তব্য করেন ম্যারিটাইম অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক সচিব খুরশীদ আলম। তিনি বলেন, আদালতের সিদ্ধান্তের পর মহীসোপান নির্ধারণ শেষে তারাও প্রজ্ঞাপন করেছে, আমরাও প্রজ্ঞাপন করেছি। কাজেই আমার মনে হয় তাদের এই আপত্তি আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, সমুদ্র তীরবর্তী দেশগুলোর সমুদ্রের দিকে পানির নিচে যে ভূখণ্ড ধীরে ধীরে ঢালু হয়ে নেমে যায়, তাকে ভূগোলের ভাষায় বলা হয়ে থাকে মহীসোপান বা কন্টিনেন্টাল শেলফ, যাকে উপকূলীয় ওই দেশের বর্ধিত অংশ বলে ধরা হয়ে থাকে।

১৯৫৮ সালের কনভেনশন অনুযায়ী, সমুদ্র তীরবর্তী দেশগুলোর স্থলভাগের বেইজলাইন থেকে লম্বালম্বিভাবে সমুদ্রের ২০০ মাইল পর্যন্ত এলাকার মালিকানা সম্পূর্ণ ওই দেশের। একে বলা হয় এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক অঞ্চল (ইইজেড) বা একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল, যেখানে সমুদ্রের পানি ও তলদেশের ওপর ওই দেশের একছত্র অধিকার থাকে। সেখানকার সমুদ্রে অন্য কোনো দেশ মাছ ধরতে পারে না। এরপর থেকে দেড়শ মাইল পর্যন্ত সীমার সমুদ্র তলদেশের খনিজ সম্পদের মালিক হবে ওই দেশ, তবে পানিতে থাকা মাছ ধরতে পারে অন্য দেশও। এই পুরো সাড়ে তিনশো মাইলকে ওই দেশের মহীসোপান বলা হয়। দেশের আকার ভেদে এই মহীসোপানের দৈর্ঘ্য কমবেশি হতে পারে। যেমন অস্ট্রেলিয়ার মহীসোপানের আয়তন অনেক বেশি। বাংলাদেশ নিজের ভূখণ্ড থেকে লম্বাভাবে সাড়ে তিনশো মাইল এলাকার মহীসোপান নিজের বলে জাতিসংঘে দাবি করেছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মহীসোপান মূলত একটি দেশের সীমানারই অংশ। ভূখণ্ডের মতো সাগরের এই মহীসোপান নানা দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ভূখণ্ডের বেইজলাইন থেকে লম্বাভাবে প্রথম ২০০ মাইল একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল বা ইইজেড। এখানে যেমন ওই দেশটি একচেটিয়াভাবে মৎস্য আহরণ করতে পারে। আবার সেখানকার সাগর তলে থাকা সব খনিজ সম্পদের মালিকও ওই দেশ। সেই সঙ্গে মহীসোপানের যে বর্ধিত অংশটি থাকে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যেমন আরও ১৫০ মাইল, সেটিও আসলে ওই দেশের একটি বর্ধিত অংশ। এখানে উদাহরণ দিয়ে বলা হয়, বর্ধিত অংশের পানি বাংলাদেশসহ অন্য দেশ মাছ ধরতে যেমন পারবে। ফলে তার মৎস্য আহরণের সীমানা আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, এই মহীসোপান এলাকায় পানির নিচে পাওয়া সব খনিজ সম্পদের মালিক হবে দেশটি। যেমন বাংলাদেশের একচেটিয়া অঞ্চলের ২০০ মাইল আর বর্ধিত মহীসোপানের ১৫০ মাইল- এই সাড়ে তিনশো মাইলে পাওয়া যে কোনো খনিজ সম্পদের মালিক হবে বাংলাদেশ। আবার এই পুরো এলাকায় বাংলাদেশের ট্রলার ইচ্ছেমতো মাছও ধরতে পারবে।

মহীসোপান সব দেশের কাছেই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সাধারণত মহীসোপান এলাকার ভেতরে তেল-গ্যাস বা অন্য খনিজ সম্পদ পাওয়া যায়, তা উত্তোলনে খরচ কম হয়ে থাকে। ফলে সেটি উত্তোলনযোগ্য এবং ব্যবহারযোগ্য হয়ে থাকে। ফলে এই সীমানা অর্থনৈতিকভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই অনেক সময় মহীসোপানের এলাকা নিয়ে প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিরোধ দেখা যায়।


একতলা বাড়ি পাচ্ছেন অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা============================সরকারের তরফ থেকে একতলা বাড়ি পাচ্ছেন অসচ্ছল মুক্তিযোদ...
20/09/2020

একতলা বাড়ি পাচ্ছেন অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা
============================

সরকারের তরফ থেকে একতলা বাড়ি পাচ্ছেন অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা। এসব বাড়ি হবে ৯০০ বর্গফুট আয়তনের। আর একেকটি বাড়ির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

জানা গেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে চলমান ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপনের আওতায় এই প্রকল্প নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১৪ হাজার অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে নির্মাণসহ অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরই এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে। এরইমধ্যে প্রকল্পের নকশার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের নিজ ভিটাতেই বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হবে। আর যাদের জমি নেই, তাদের জমিসহ বাড়ি করে দেয়া হবে। প্রকল্পের আওতায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যে বাড়ি নির্মাণ করা হবে, তার নাম ঠিক করা হয়েছে ‘বীর নিবাস।’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি বাড়িতে থাকবে তিন বেডরুম ও একটি ড্রইং-ডাইনিং। আগ্রহী অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার আবেদন সংগ্রহ বা তার সম্মতির ভিত্তিতে জেলা ও উপজেলাওয়ারি তালিকা পাঠাতে দেশের সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের সুপারিশসহ তালিকা পাওয়ার পর জেলা প্রশাসক তালিকা যাচাই করবেন। এরপর জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের সুপারিশ অনুসারে চূড়ান্ত তালিকা মন্ত্রণালয়ে আসবে। মন্ত্রণালয় যাচাইয়ের পর স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, আমরা দ্রুতই এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চাই। এর মাধ্যমে চলতি অর্থবছরই ১৪ হাজার অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে বাড়ি উপহার দিয়ে সম্মানিত করতে চাই।

সোবহানবাগ মসজিদ ধানমন্ডি, ঢাকা ।
17/09/2020

সোবহানবাগ মসজিদ
ধানমন্ডি, ঢাকা ।

''মসজিদে সবাই দান করে। আজকাল সবার পয়সা আছে, এয়ার কন্ডিশন দিয়ে যাচ্ছে। সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বা লাইন কতটা নিতে পারবে, ...
06/09/2020

''মসজিদে সবাই দান করে। আজকাল সবার পয়সা আছে, এয়ার কন্ডিশন দিয়ে যাচ্ছে। সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বা লাইন কতটা নিতে পারবে, সেই ক্যাপাসিটি ছিল কিনা, সব বিষয়গুলো দেখতে হবে।'' ( মানণীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা )

বায়তুস সালাম মিনারা মসজিদগাউসিয়া ইসলামীয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসাজহুরী মহল্লা, মোহাম্মদপুর
05/09/2020

বায়তুস সালাম মিনারা মসজিদ
গাউসিয়া ইসলামীয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা
জহুরী মহল্লা, মোহাম্মদপুর

 #বর্তমানে কক্সবাজারের বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী শিবিরে দশ লক্ষেরও বেশি রোহিঙ্গা মানুষ বাস করে। প্রতি বছর সেখানে 20,000 শ...
04/09/2020

#বর্তমানে কক্সবাজারের বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী শিবিরে দশ লক্ষেরও বেশি রোহিঙ্গা মানুষ বাস করে। প্রতি বছর সেখানে 20,000 শিশু জন্মগ্রহণ করে। তাদের মায়ানমারে যাওয়ার খুব কম আশা রয়েছে, যেখানে বেশিরভাগ নাগরিকত্ব এবং অন্যান্য অধিকার বঞ্চিত রয়েছে।

Ehón Cox's bazar duniyar dhoóñr refujji kam, éçe ek-kurulor áttu áro bici Ruhaingga manúic táke.

 #বন্ধু রাষ্ট্র জাপানের সহায়তায় গাড়ি নির্মাণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ #জাপানের তথা পৃথিবীর বিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্...
04/09/2020

#বন্ধু রাষ্ট্র জাপানের সহায়তায় গাড়ি নির্মাণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

#জাপানের তথা পৃথিবীর বিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মিতসুবিশি বাংলাদেশকে নিজস্ব প্রযুক্তিতে গাড়ি তৈরীতে সহয়তা করবে। আমাদের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে মিতসুবিশি সহয়তা করবে গাড়ি তৈরীতে। এটি আজকে শিল্পমন্ত্রীর সাথে জাপানের রাষ্ট্রদূত মিঃ ইতো নওকির সাথে আলোচনা সময় নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিঃসন্দেহে আমাদের গাড়ি নির্মাণ শিল্প বহুদুর এগিয়ে গেল। এভাবেই এগিয়ে যাবে আমাদের বাংলাদেশ ইনশাআল্লাহ।

শুধু আমাদের একটু দেশপ্রেম প্রয়োজন। দেশকে 🇧🇩
ভালোবাসুন, দেখবেন দেশ এমনিতেই এগিয়ে যাবে।

© : Bangladesh Military Affairs

03/09/2020

Address

Dhaka University Area
Dhaka

Telephone

+8801711000555

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মসজিদের শহর ঢাকা - Dhaka, the City of Mosques posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to মসজিদের শহর ঢাকা - Dhaka, the City of Mosques:

Share

Category